Blog

  • পুজার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও নিরাপত্ত্বায় নজির সৃষ্টি করে প্রশংসিত  কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ

    পুজার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও নিরাপত্ত্বায় নজির সৃষ্টি করে প্রশংসিত কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসব ও আনন্দ শোভাযাত্রায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। বুধবার (৫অক্টোবর) বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয় বিসর্জন। একদিকে বিদায়ের বেদনা অন্যদিকে বিজয়ের আনন্দে দেবীকে বিদায় জানানো হয়।

    এ বছর ময়মনসিংহ নগরীতে ৮৩টি এবং সদর উপজেলায় ৩৯টিসহ ময়মনসিংহ জেলায় ৮০৯ টি
    টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে সূচনা হয়েছিলো শারদীয় দুর্গোৎসবের। শেষ হয়েছে দেবী বিসর্জনে। ধর্মীয় রীতিনীতি ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মানা হয় পূজামন্ডপে। নিরপত্তা ছিল অন্য যেকোন বছরের তুলনায় বেশি। বিসর্জনের দিনে ময়মনসিংহ নগরীর প্রতিটি অলি-গলি ও বিসর্জন স্থান সহ পুরো শহর ছিলো নিরাপত্তার চাদরে ডাকা। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব।

    এবার পূর্জায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিসহ সব ধরণের মঙ্গল কামনা করা হয়। নগরীতে কাচারি ঘাটের বিসর্জনের জন্য প্রতিমাগুলো নিয়ে যাওয়া হয় ব্রহ্মপুত্র নদে । তারপর মঙ্গলধ্বনি, উলুধ্বনি, শাঁখ আর ঢাকের ধ্বনিতে দেবী প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় ব্রহ্মপুত্র নদে। প্রতিমা ঘাটে নেয়ার পর ভক্তরা শেষবারের মতো ধূপধুনো নিয়ে আরতি করেন। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠে দেবীকে নৌকায় তুলে বিসর্জন দেন।

    আবারও মঙ্গলবার্তা নিয়ে আগামী বছর যেন মা দুর্গা আগমন করেন বিসর্জনকালে সেই প্রার্থনা করেন ভক্তরা। ময়মনসিংহ জেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ ছাড়াও বিভিন্ন জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। সারাদেশে একইভাবে দিয়ে বিসর্জন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোঃ শাহ কামাল আকন্দের সাফলতায় নজিরবিহীন
    নিরাপত্তায় নগরীরতে ৮৩ টি, সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে ৩৯ টি সর্বমোট ১২২টি মন্ডপে পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হলেও কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি

    ময়মনসিংহের জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূইয়া এর নির্দেশ মনিটরিং তদারকিতে
    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার স্বনামধন্য মানবিক ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর নিরলস রাত জাগা দায়িত্ব পালন ও যথাযথ পুলিশি টহল জোরদার থাকায় এবার অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নজীর বিহিন জননিরাপত্তায় শারদীয় দূর্গাপূজার বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সনাতনধর্মাবলম্বীরা এবার নিরাপদ নিশ্চিন্তে ব্যাপক উৎসাহে নেচে গেয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পেরে স্যালুট জানাচ্ছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ ও তার থানার পুলিশ বাহিনীকে।

    অপর দিকে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া উৎসবটি ময়মনসিংহবাসীকে উপহার দেওয়ায় তাদের দায়িত্ব পালনে জেলা পুলিশ সুপার সকলের প্রতি খুশি হয়ে আর্থিক পুরস্কার ঘোষনা এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে সুত্র মতে জানা গেছে।

    মহানগর পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সব ধর্মাবলম্বী মিলে-মিশে বাস করুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তিনি বলেন- প্রতি বছরের তুলনায় এবার শারদীয় দুর্গোৎসব কে শান্তিপূর্ণ করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এজন্য তিনি তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরো বলেন- কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেন, ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলী, ১নং ফাঁড়ি পুলিশ সহ থানার প্রতিটা অফিসার নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষে যে ভাবে রাতদিন শ্রম দিয়ে আমাদেরকে নিরাপদ উৎসব উপভোগ করতে সহযোগীতা করছেন তাতে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের এক নতুন ইতিহাস তৈরী করেছেন।

    তিনি বলেন, “আমরা সবার মঙ্গল কামনা করি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে বন্ধন দেশে রয়েছে সেটি অটুট থাকুক। আগামী দিনেও যেন কোথাও কোনঅপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি না হয়, হিন্দু-মুসলিম সকলে যেন দেশে মিলে-মিশে থাকতে পারি আমরা এমন প্রত্যাশা করি।

  • হুইপ স্বপনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতি গ্রামে তৃণমূল জনগণের নিকট জবাবদিহিতার কর্মসূচী শুরু

    হুইপ স্বপনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতি গ্রামে তৃণমূল জনগণের নিকট জবাবদিহিতার কর্মসূচী শুরু

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-২ আসনের সাংসদ এই তিন উপজেলার জনগণের নিযুক্ত সংসদ সদস্য,জাতীয় সংসদের হুইপ ও বাংলাদেশ আ”লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন-এমপি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতি গ্রামে তৃণমূল জনগণের নিকট জবাবদিহিতার কর্মসূচী শুরু করছেন।

    বৃহস্পতিবার সন্ধায় হুইপ স্বপনের ব্যক্তিগত সহকারী ইমরুল হোসেন সৈকত তার নিজস্ব ব্যবহারিক ফেইসবুক আইডি থেকে স্থান,সময় নির্ধারণ করে একটি পোষ্ট করেছেন।যে পোষ্ট টি ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। এই কর্মসূচিটি করোনা মহামারির কারণে আয়োজন করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও সৈকত লিখেছেন।

    তিনি তার ফেইসবুক আইডিতে পোষ্টটিতে উল্লেখ করেন যে এবার শুধু সংসদ সদস্য নন, প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ সম্মানিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যগণও জনগণের নিকট প্রকাশ্যে সরাসরি জবাবদিহিতা করবেন।

    সবার উপরে জনগণ,জনপ্রতিনিধিগণ জনগণ নিযুক্ত খাদেম। জনগণের নিকট জবাবদিহি করতে জনপ্রতিনিধিগণ বাধ্য-এই মূলমন্ত্র নিয়ে জয়পুরহাটের কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুরের জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে’তৃণমূল জনগণের মুখোমুখি জনপ্রতিনিধিবৃন্দ’।

    জবাবদিহিতার কথার পাশাপাশি দিন,তারিখ ও সময়ও উল্লেখ করেছেন। হুবহু নিম্নে তা উল্লেখ করা হইলো, প্রথম তিন দিনের কর্মসূচী নিম্নরুপ,১২ অক্টোবর,বুধবার সকাল ১০:৩০ টায়, জিন্দারপুর ইউনিয়নের, হাজীপুর সাঃ প্রাঃ বিদ্যালয় বেলা ১২:০০ টায়,পুনট ইউনিয়নের, পাঁচগ্রাম বেলা ২:৩০ টায় আহমেদাবাদ ইউনিয়নের, হারুঞ্জ সাঃ প্রাঃ বিদ্যালয় বিকাল ৪:০০টায়,উদয়পুর ইউনিয়নের, হাটপুকুর সন্ধ্যা ৬:০০ টা,মাত্রাই ইউনিয়নের,বানদিঘী রাত ৮:০০টায় কালাই পৌরসভার,আওড়াঁ কালি মন্দির ১৩ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯:৩০ টায়,সোনামুখী ইউনিয়নের,কোলাগণিপুর বেলা ১১:০০ টায় তিলকপুর ইউনিয়নের, করমজি বেলা ১২:৩০ টায়,গোপীনাথপুর ইউনিয়নের, ভিকনী বেলা ৩:০০ টায়,রায়কালি ইউনিয়নের, দেওড়া সন্ধ্যা ৪:৩০ টায় আক্কেলপুর পৌরসভার, আলেকের মোড় রাত ৬:০০ টায়, রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের, ভান্ডারিপাড়া সাঃ প্রাঃ বিদ্যালয় ১৪ অক্টোবর, শুক্রবার সকাল ৯:৩০ টায়, আলমপুর ইউনিয়নের, শিবপুর বেলা ১১:০০ টায়, বড়াইল ইউনিয়নের, হাটশহর বেলা ৩:০০ টায় মাহমুদপুর ইউনিয়নের, মিনিগাড়ি ৫:০০ টায় ক্ষেতলাল পৌরসভার,তিলাবদুল মৃধাপাড়া আলমের চাতাল।

    কালাই-ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা ঘুরে সাধারণ জনগণদের সাথে কথা বললে তারা কোন মন্তব্য না করলে তাদের মধ্যে বিভিন্ন কৌতূহল লক্ষ্য করা গেছে।

  • পানছড়িবাসীকে প্রবারণা পূর্ণিমার  শুভেচ্ছা,অধ্যক্ষ সুদর্শী স্হবির

    পানছড়িবাসীকে প্রবারণা পূর্ণিমার শুভেচ্ছা,অধ্যক্ষ সুদর্শী স্হবির

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
    .
    শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। আগামী ৯ অক্টোবর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অতীব তাৎপর্য ও গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন।

    বুদ্ধের অনুসারীগণ অাষাঢ়ী পূর্ণিমা হতে প্রবারণা পূর্ণিমা পর্যন্ত এই তিন মাস (বর্ষাবাস) অধিস্হানের(প্রতিজ্ঞার) মাধ্যমে কঠোর ভাবে ধ্যান,সমাধি,সংযম নীতি অনুশীলন করে অাত্মাধিক জগতে প্রবেশ করেন। তিন মাস পর্যন্ত অাত্ম শুদ্ধি ও মনের পবিত্রতার জন্য ধ্যান,সাধনা,ভাবনা,নীতি অনুশীলন করে প্রবারণা পূর্ণিমার মাধ্যমে সমাপ্ত ঘোষণা করেন। -প্রবারণার অর্থ হলো-অাশার তৃপ্তি,অভিলাষ পূরণ,ধ্যান সাধনার শিক্ষার সমাপ্তি বুঝানো হয়। এটি অাত্মাধিক সাধনার মাধ্যমে অাত্ম শুদ্ধি মনের পবিত্রতা বা অাত্ম-সমালোচনাকেও বুঝায়। এই দিনে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে চারিত্রিক শুদ্ধির জন্য একে অপরকে করজোড়ে বলেন-বন্ধু অামার যদি কোনরূপে দোষ ত্রুটি ভুল দেখো বা কারও থেকে শুনে থাকো এবং এ কারণে যদি অামার উপর সন্দেহ হয়,তাহলে অামাকে বলো-অামি তার প্রতিকার করব। অার অন্যদিকে,প্রবারণা পূর্ণিমায় অাকাশে ফানুস উত্তোলন করে উৎসব করা হয়! অাকাশে ফানুস উড়ানোর উদ্দেশ্যে হচ্ছে-সিদ্ধার্থ বুদ্ধ হওয়ার অাগে যখন গৃহত্যাগ করে অনোমা নদীর তীরে চলে যায়,তখন তাঁর মাথার চুল ধারালো অসি দিয়ে ছেদন করেন। চুল নিচে (মাটিতে)পতিত না হয়ে অলৌকিক ভাবে অাকাশে ভাসমান হয়ে রহিল, সেই চুলকে দেবরাজ ইন্দ্র স্বর্গে নিয়ে চুল্লামণি ধাতু জাদি স্হাপন করলেন। তখন থেকে স্বর্গের সেই চুল্লামণি ধাতু জাদিকে বৌদ্ধগণ অাকাশে ফানুস উড়িয়ে পূজা ও স্মরণ করেন। প্রবারণা পূর্ণিমার পর পর এক মাস ব্যাপী প্রতিটি বৌদ্ধ-বিহারে কঠিন চীবর দান্যোৎসব শুরু হয়। মাস ব্যাপী এ কঠিন চীবর দান্যোৎসবের মাধ্যমে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা পূণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে অমৃতময় ধর্ম দেশনা (ধর্ম দান)প্রদান করে থাকেন।
    এই প্রবারণা পূর্ণিমার মাধ্যমে,জাতি,বর্ণ,ধর্ম,নির্বিশেষে সবাইকে জানাই প্রবারণার মৈত্রীপূর্ণ অান্তরিক শুভেচ্ছা। কামনা ও প্রার্থনা করি,প্রবারণা পূর্ণিমার মধ্যে দিয়ে সবার জীবনে বয়ে অানুক অনাবিল সুখ,শান্তি ও মঙ্গল বার্তা। পৃথিবীতে হানাহানি
    ,মারামারি,অরাজকতা, যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ হয়ে মানুষ একে অপরের প্রতি মৈত্রীর বন্ধনে অাবদ্ধ হোক।
    .
    “সব্বে সত্ত্বা সুখীতা হোন্ত” জগতে সকল প্রাণী সুখী হোক।শুভেচছান্তে : ভেন. সুদর্শী স্হবির
    অধ্যক্ষঃ অার্য্যমিত্র বৌদ্ধ বিহার। তালতলা (জ্যোর্তিময় কার্বারী পাড়া) পানছড়ি,খাগড়াছড়ি।
    . সহ-সভাপতি, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ। পানছড়ি উপজেলা শাখা,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।

  • ঢাকাস্থ পাথরঘাটা ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    ঢাকাস্থ পাথরঘাটা ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    পাথরঘাটা(বরগুন)প্রতিনিধিঃ
    আজ ৭ অক্টোবর শুক্রবার ঢাকাস্হ পাথরঘাটা উপজেলা উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির শুভ উদ্ভধন করা হয়।

    বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটার নিলীমা পয়েন্ট থেকে শুরু করে হরিণঘাটা পর্যন্ত বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির। উক্ত অনুষ্ঠানে উপাস্হিত ছিলেন ফোরাম এর সভাপতি,সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী লায়ন আব্দুল করিম,সাধারণ সম্পাদক,লায়ন এম নাসির উদ্দিন আহমেদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,অ্যাডভোকেট মনোজ কুমার কীর্ত্তনীয়া,কোষাধ্যক্ষ মো: জাকির হোসেন,প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের।

    এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন শিক্ষক মো: শাহ আলী, সংকল্প ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক এবং পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ,সরকারি হাজী জালাল উদ্দিন মহিলা কলেজের প্রভাষক নিজাম উদ্দিন,মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আব্দুল কাদের, জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাইমারী শিক্ষক কামরুল ইসলাম,সমাজ সেবক হাবিবুর রহমান মোল্লা,শিক্ষক গোলাম ফারুক প্রমুখ।

    এছাড়াও সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন আমিন সোহেল,ইমাম হোসেন, ইমরান হোসেন,এ এস এম জসিম, তারিকুল ইসলাম রাকিব, আল আমিন ফোরকান।

    এ ফোরাম এর উদ্যোগে ঢাকায় বসবাসরত পাথরঘাটাবাসীদের নিয়ে ঢাকায় নিয়মিত বার্ষিক বনভোজন,ইফতার পার্টি,ঈদ পুনর্মিলনী,মেধাবী অথচ কম সুবিধাভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রিদের আর্থিক সহায়তা চিকিৎসা সহয়তা প্রদাণ করা হয়।এছাড়াও বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

    অমল তালুকদার।।

  • পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক কৃষকের মৃত্যু

    পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক কৃষকের মৃত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আজিজুল হক (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গনাগছ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আজিজুল হক ওই এলাকার মৃত বাতাসু মোহাম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক।
    নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দীন বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে আজিজুল নামে ওই ব্যাক্তি গৃহস্থালির কাজের জন্য বাড়ির পাশের একটি বাশঁঝাড়ে যান বাশঁ কাটার উদ্যোশে। বাশঁ কাটার এক পর্যায়ে একটি বাশঁ বাশঁঝাড়ের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের লাইনে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে তেতুঁলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
    তেতুঁলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাইদ চৌধুরী বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • শাহীনুজ্জামানের হাত ধরে সুজানগরে বিএনপির ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর  আ.লীগে যোগদান

    শাহীনুজ্জামানের হাত ধরে সুজানগরে বিএনপির ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর আ.লীগে যোগদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর পৌর বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম শেখ ও আফসার শেখের নেতৃত্বে বিএনপির অন্তত ৪ শতাধিক স্থানীয় নেতাকর্মী আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছেন। বিএনপির নেতাকর্মী আওয়ামীলীগে যোগদান উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার(০৬ অক্টোবর) রাত ৯টায় পৌরসভার চরমানিকদীর মাঠে এক যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এ যোগদান সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন।বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ,উপ দপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ। সভায় সভাপতিত্বে করেন পৌর আট নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার। যোগদান সভায় মোয়াজ্জেম শেখ ও আফসার শেখের নেতৃত্বে বিএনপির অন্তত ৪ শতাধিক নেতাকর্মী সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামীলীগে যোগ দেন। এ সময় আ.লীগ নেতা শাহীনুজ্জামান শাহীনও যোগদানকারী নেতাকর্মীদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। যোগদান সভায় শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, মোয়াজ্জেম শেখ ও আফসার শেখের নেতৃত্বে ৪ শতাধিক স্থানীয় নেতাকর্মী আওয়ামীলীগে যোগদান করায় আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন বিএনপি এ দেশের মানুষের জন্য কোন রাজনীতি করেনা। তারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতি করে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে জয়ী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপি থেকে আ.লীগে যোগদানকৃত নেতা মোয়াজ্জেম শেখ ও আফসার শেখ বলেন, বর্তমান আওয়ামীগ সরকারের আমলে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের কাছে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গিয়ে এলাকাবাসীর জন্য যখন যা চেয়েছি,তাই পেয়েছি আমরা স্থানীয় এলাকার মানুষেরা। এলাকার ব্যাপকউন্নয়ন হচ্ছে। এ জন্য তাঁকে খুব ভালো লেগেছে। তাই এ অ লের ৪ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আওয়ামীলীগে যোগ দিলাম। এছাড়াও তাঁরা আরো বলেন বিএনপির নেতাদের সাথে কর্মীদের দুরত্ব,সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকা সহ নানা অভিযোগে তৃণমূলের নেতা-কর্মী,সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘ ক্ষোভ হতাশাও এই দল পরিবর্ততের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন দল ত্যাগকারী বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম মোল্লা জানান, বিএনপি একটি বড় দল,এখানে দু-একটা গাছের পাতা ঝরে পরে ,তাহলে কিছু যায় আসেনা। অতীতে যাঁরা দল ত্যাগ করেছেন ,তাঁরা কেউই লাভবান হতে পারেননি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • মধ্যরাত থেকে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ,  জেলে পল্লীতে হাহাকার

    মধ্যরাত থেকে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ, জেলে পল্লীতে হাহাকার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

    প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এ সময়ে পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিবছরের মতো এবারও ইলিশের প্রজনন নির্বিঘœ করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ শিকারে যায় জেলেরা। কয়েক দফা উপকূলে লঘুচাপ নি¤œচাপ ও ঝরো হাওয়া হওয়ায় সাগর উত্তাল ছিলো । আর এ কারণে উত্তাল সমুদ্রে মাছ শিকারে থাকতে পারেনি জেলেরা। তার ওপরে প্রাকৃতিক কারণে ইলিশ মৌসুমে সাগরে মাছ কম থাকা। এতে করে জেলেরা দুর্দিন পাড় করলেও এখন সুদিন বইছে জেলে পল্লীতে। গত কয়েক দিন ধরে সাগরে ধরা পড়ছে বড় সাইজের ইলিশ। দামও পাচ্ছেন চড়া। এর ফলে দুশ্চিন্তা শেষে স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারে। কিন্তু এ দিনটিও বেশি সময়ের জন্য নয়। ইলিশের প্রজনন মৌসুম শুরু হবে সাত অক্টোবর। এরমধ্যে ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন উপকূলের জেলেরা।

    আগামী কাল ৭ তারিখ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ,মজুদ,বাজারজাতকরণ,ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ বলে ঘোষণা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

    জেলেরা আলমগীর খান বলেম, মৌসুমের শুরুতে সাগরে পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়েনি। তার ওপরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যার ফলে জেলেরা মাছ ধরায় সাগরে থাকতে পারেনি। এ জন্যই জেলেরা ঋণে জর্জড়িত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে আশানুরূপ মাছের দেখা পেলেও ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এতে জেলেরা ঋণের টাকা নিয়ে বিপাকে পড়বে। সে সঙ্গে পার করতে হবে অলস সময়। নিষেধাজ্ঞার অগে চাল দেয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি, আর যে পরিমান খাদ্যসহায়তা দেয়া হয় তাও অপ্রতুল বলে জানান তারা।

    উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, মা ইলিশ রক্ষায় উপজেলার মৎস্যঘাটগুলোতে মাইকিং, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার সাঁটানে, সকল আড়ৎ মালিকদের ইলিশ আহরণ, পরিবহণ,মজুদ,বাজারজাতকরণ,ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ চিঠি, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতা মূলক সভা ও পথ সভা করা হয়েছে। এবং নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে ৪৪ টি অভিযান/ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়াও মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের তিন মাসের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাগর এবং উপজেলার ৬ নদীতে ১০ মে.টন ইলিশ আহরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল হক বাবুল বলেন, ‘ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সকল ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে অভিযানে সহায়তা করবে পুলিশ,কোস্টগার্ড এবং নৌ-বাহিনী।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।

  • পাইকগাছায় জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন দিবসের আলোচনা সভা

    পাইকগাছায় জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন দিবসের আলোচনা সভা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।পাইকগাছায় “নির্ভুল জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করব, শুদ্ধ তথ্যভান্ডার গড়ব” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, টিপু সুলতান,উপজেলা মৎস কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম,আরিফুজ্জামান তুহিন, শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, আব্দুল আজিজ, ইউপি সদস্য মঙ্গল চন্দ্র মন্ডল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউপি সচিব শেখ মিরাজুল ইসলাম, আরিফ বিল্লাহ, ইকবাল হোসেন, বেল্লাল হুসাইন, সঞ্জিব ঘোষ সহ গ্রাম পুলিশ। সভায় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ভুমিকা রাখায় গ্রাম পুলিশদের পুরস্কৃত করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় বিদ্যুতায়িত হয়ে দোকানদারের মৃত্যু

    পাইকগাছায় বিদ্যুতায়িত হয়ে দোকানদারের মৃত্যু

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছা পৌরসভার সরল বাজারে মুদি দোকানদার প্রবীর সাধু (৪৫) দোকানের শার্টার বন্ধ করতে যেয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মুত্যু হয়েছে। উপজেলার মেলেকপুরাই কাটি গ্রামে প্রবীর সাধুর বাড়ি। তিনি কয়েক বছর যাবত সরল বাজারে মুদি দোকান করে ব্যাবসা করছেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, প্রবীর সাধু প্রতিদিনের ন্যায় দোকানের শাটার বন্ধ করতে যেয়ে বিদ্যুৎতায়িত হলে প্রচণ্ড ধাক্কায় পাশ্বে দেওয়ালে আঘাত লেগে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় দোকানদারা আহত প্রবীর সাধু কে উদ্ধার করে পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।

  • নওগাঁর আত্রাইয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    নওগাঁর আত্রাইয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-“ সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন এই স্লোগানে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার(6 অক্টোবর) সকালে নওগাঁর আত্রাইয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সন্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রোখসানা হ্যাপী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, মুক্তি যোদ্ধা শ্রী নিরেন্দ্র নাথ দাশ, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন টগর পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এহসানুল হক, সাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আলী আল ইফতেখারুল সেবু প্রমূখ। এ সময় বক্তারা বলেন, জন্ম নিবন্ধন শিক্ষা,স্বাস্থ্য,পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য নিরুপণ করা সহজ হয়। তাই সময়মত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেচতনতার কোন বিকল্প নেই।সভায় সরকারী দপ্তরের অফিসার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অফিসার ও মাঠ পর্যায়ের অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি