মোংলা প্রতিনিধি
উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য মোংলায় লবণাক্ত পানি শোধন (রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতি) প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা পুকুর পাড়ে এ লবণাক্ত পানি শোধন প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পিকেএসএফ’র (পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার। এর আগে বেলা ১১টায় পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কামারডাঙ্গা এলাকায় আরো একটি প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার ও নবলোক পরিষদের নির্বাহী পরিচালক কাজী রাজীব ইকবাল। লবণাক্ত পানি শোধন (রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতি) প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. নমিতা হালদার বলেন, মোংলাসহ উপকূলীয় এলাকায় যুগ যুগ ধরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট চলে আসছে। তাই পিকেএসএফ পক্ষ থেকে শনিবার মোংলায় আপাতত দুইটি প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এ এলাকার বিভিন্ন জায়গা আরো অন্তত ১৩টি প্রয়োজনে আরো বেশি সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে এ প্লান্ট স্থাপন করা হবে। এ প্লান্টের জন্য তিন কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে, আর এ প্লান্টগুলো সব উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনে অগ্রাধিকার রয়েছে। পিকেএসএফ ও নবলোক’র আর্থিক সহায়তায় এ প্লান্ট দুইটি নির্মিত হবে। এ প্লান্ট নির্মাণ শেষে প্রত্যেকটি থেকে প্রতিদিন ১০ হাজার লিটার সুপেয় পানি উৎপাদন ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রতি প্লান্ট থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে অর্থাৎ ৫০ পয়সা লিটার দরে ৪শ পরিবারকে এ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান। তিনি বলেন, এ অর্থ দিয়ে প্লান্টটি রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।
Blog
-

লবণ অধ্যুষিত উপকূলীয় মোংলায় সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য দুইটি প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
-

আগৈলঝাড়ায় মাদক সেবনকারীকে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান
বি এম মনির হোসেনঃ-
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদক সেবন করার অপরাধে পশ্চিম সুজনকাঠি গ্রামের
শ্যামল বেপারিকে তিন মাসের
কারাদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক।
থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও
আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম সুজনকাঠি
গ্রামের মৃত্যু নিরাঞ্জন বেপারির ছেলে শ্যামল বেপারি গাঁজা সেবনসহ কিছু গাঁজা সাথে থাকায় শনিবার দুপুর দুইটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন আদালত পরিচালনা করে গাঁজা সেবনসহ কিছু গাঁজা সাথে থাকার অপরাধে ৯০দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত পশ্চিম সুজনকাঠি গ্রামের শ্যামল বেপারিকে আগৈলঝাড়া থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে দন্ডপ্রাপ্তকে রবিবার সকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হবে। -

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত
আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ-
আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে আগৈলঝাড়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে একটি সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সচেতনতা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধ আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজিহার ইউপির চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার ও বাকাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিপুল দাস উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মাসুম সহ উপজেলার ইলিশ মাছের পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসায়ীগন, মৎস্যজীবী জেলেগণ। উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ, ইউপি সচিবগন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।আগামী ০৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর মোট ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয় বিক্রিয়, মজুদ, পরিবহন সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ।
-

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে নারী সদস্য পদে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আরজুনা কবির
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
জমে উঠেছে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রার্থীরা নিজ কর্মি-সমর্থকদের সাথে নিয়ে ছুটছেন ভোটার জনপ্রতিনিধিদের বাড়ী-বাড়ী । ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এ প্রচার প্রচারনা এগিয়ে রয়েছেন আরজুনা কবির । নারী সংগঠক ও নারীনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করা ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের এই সদস্যের স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, অভিঙ্গতা ও পরিচিতি প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ভোটার ও সংশ্লিদের অভিমত টেবিল ঘড়ি প্রতিকে আরজুনা কবির বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আরজুনা কবির। এর আগে তিনি সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। বিগত জেলা পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে। ময়মনসিংহের কয়েকজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ এমপি ও মন্ত্রীদের দিকনির্দেশনায় জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে এই সময়ে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য আরজুনা কবির এর শশুর আব্দুল কাদির কাদু উপজেলার সাবেক ইউনিয়ন কেওয়াটখালি ও বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও স্বামী হুমায়ুন কবির ভুট্টো ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে ভুট্টো রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সদর ও গৌরীপুর উপজেলাসহ পাশ্ববর্তি এলাকাগুলোতে রয়েছে আরজুনা কবির ও তার স্বামী ভুট্টোর পরিবারের ব্যাপক পরিচিতি ও স্বচ্ছ ভাবমুর্তি। যা তার নির্বাচিত হওয়াকে অনেকটাই সহজ করে তুলেছে। গৌরীপুর উপজেলার কয়েকজন মেম্বার বলেন, গৌরীপুর,সদর,তারাকান্দা এই তিনটি উপজেলা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এর আওতাভুক্ত। এই ওয়ার্ডে সদস্য পদে আরজুনা কবির ছাড়াও আরো দুইজন প্রতিদ্বন্দি রয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য, স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, পরিচিত ও অভিঙ্গতায় আরজুনা কবির এগিয়ে। জেলা পরিষদের এই ওয়ার্ডের জন্য আরজুনা কবির সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী। তারাকান্দা উপজেলার একাধিক চেয়ারম্যানরা বলেন, আমরা নিজে একজন ভোটার, আমরা আরজুনা কবির এর জন্য কাজ করছি, ভোটার জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অন্যান্য ভোটারদের আহ্বান জানাবো এই ওয়ার্ডের উন্নয়নের স্বার্থে আরজুনা কবির কে বিজয়ী করার বিকল্প নেই। এ বিষয়ে আরজুনা কবির বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য, একজন রাজনৈতিক কর্মি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সেবা করার শিক্ষা পেয়েছি। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধকালিন সময়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধে অবদান রেখেছেন আমার শশুর। আমি আশাবাদি সন্মানিত ভোটারেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, আমাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। তিনি আরো বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হতে পারলে আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো। -

৩৮ বছরের দক্ষ কর্মীকে বহিষ্কারের আগে তৈরী করুণ- ময়মনসিংহে জি এম কাদেরকে জাপা নেতা সেলিম
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব, পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শে গড়া জাতীয় পার্টির সাহসী রাজপথ যোদ্ধা পল্লীমাতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন জাপা নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন,জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানের মাধ্যমে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে যে স্বপ্ন বুনেছিলেন তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে তারই সহধর্মিণী জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে জাতীয় যুব সংহতির নেতৃবৃন্দ কে সেই সোনার বাংলাদেশেকে রক্ষা করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।শনিবার (৮অক্টোবর) বিকালে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১নং অষ্টধার ইউনিয়নের অষ্টধার হ্রদয় মোড় মাঠে জাতীয় যুব সংহতি অষ্টধার ইউনিয়ন শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে যুব সংহতির নেতৃবৃন্দের প্রতি এই আহবান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসবে বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আবজাল হোসেন হারুন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জাপা নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিম – সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির প্রবীণ রাজনীতিবিধ ডাঃ কে আর ইসলামকে বহিস্কার করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন-ময়মনসিংহে জাপার রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ডাঃ কে আর ইসলাম,যিনি ছোট বেলায় থেকেই জাতীয় পার্টির একজন কর্মী হিসাবে নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন,তিনি বলেন-৩৮ বছরের একজন দক্ষ কর্মীকে বহিষ্কার করা সহজ, কর্মী তৈরী করা খুব কঠিন,এসময় তিনি ৩৮বছরের একজন কর্মীকে বহিস্কার করার আগে ৩৮বছরের কর্মী তৈরী করে দেখানোর জন্য জাপার জিএম কাদের সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন-চেষ্টা করে দেখুন একজন কে আর ইসলাম তৈরী করতে পারেন কিনা।
জাতীয় যবু সংহতির আহবায়ক মুসা মিয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নুরুজ্জামান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি নুর মোহাম্মদ নুরু,সহ সাধারণ সম্পাদক লাল মিয়া লাল্টু,দপ্তর সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান আরজু, প্রচার সম্পাদক শাহজাহান, জাতীয় ছাত্র সমাজ ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি সাব্বির হোসেন বিল্লাল,মহানগর জাতীয় সংহতির আহবায়ক মোঃ হাজী হারুন, মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য আবু বকর ছিদ্দিক,জাতীয় তরুণ পার্টি ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি কাওসার আহমেদ,জাতীয় যুব সংহতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসাদুজ্জামান (আসাদ),সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন (জালাল),ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহবায়ক বিল্লাল উদ্দিন (মেম্বার), সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন (স্বপন) যুগ্ম আহবায়ক মোশারফ হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে জাতীয় পার্টির জেলা,উপজেলা, মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

ময়মনসিংহে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মতবিনিময় সভা
ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিদ্যমান সাংগঠনিক অবস্থা পর্যালোচনা এবং করণীয় সম্পর্কিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টা জেলা আইনজীবি সমিতি নগরীর কাচারীর জেলা আইনজীবি সমিতির ২নং ভবন মিলনায়নে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক আওয়ামীগের তৃর্ণমুল নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ মতবিনিময় সভা করেন। সভায় সাংগঠনিক ভাবে আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নেওয়া রাজপথ কাঁপানো উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হযরত আলীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় আগামীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান (আরজু)।
উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব তফাজ্জল হোসেন তোতার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এডভোকেট আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ছিদ্দিকুর রহমান,ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শাহজাহান সরকার সাজু, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের, দাপুনিয়া ইউনিয়নের সভাপতি রফিক হাসান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আরিফ রব্বানী,বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ,৬ নং চর ঈশ্বরদীয়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুর রহমান, বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন অষ্টধার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাবলু মিয়া,খাগডহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নূর মোহাম্মদ,সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তপন,বোররচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ,চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মিলন প্রমুখ।এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন- দীর্ঘ ১৯বছর ধরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি হলেও কমিটিতে কে কোন পদে আছে তা এখনো কেউ জানেনা, কোন তৃর্ণমুল নেতাকর্মীদের খোজ কেউ রাখেনা, উপজেলার সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করে উপজেলার দুর্দিনের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করে আগামী দিনে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বাস্তবায়ন দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
-

ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন মোস্তাকিমকে বিরামপুরে সংবর্ধনা
জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
ভারতের আসাম গোহাটিতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়া রিজিওনাল জুনিয়র ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২২ (অনুর্ধ্ব-১৫) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া মোস্তাকিম নিজ এলাকায় ফিরলে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন ও মোস্তাকিমের প্রিয় সংগঠন বিরামপুর ব্যাডমিন্টন একাডেমী ফুলেল শুভেচ্ছাসহ সংবর্ধনা দিয়েছে।
শনিবার (৮অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলা চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে মোস্তাকিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট দিয়ে স্বাগত জানান এবং সেইসাথে দশ হাজার টাকার চেক সন্মাননা হিসেবে উপহার দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার। এর আগে ঢাকা থেকে ফেরার পথে রেলগুমটিতে মোস্তাকিমকে বরণ করে নেন উপজেলা ব্যাডমিন্টন একাডেমীর সদস্যরা। বরণ শেষে মোস্তাকিমকে খোলা জীপে নিয়ে পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়কে শোভাযাত্রা করা হয়। এ সময় সাধারণ মানুষ এ কৃতী খেলোয়াড়কে স্বাগত জানান।
উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিরামপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অদ্বৈত কুমার, উপজেলা ব্যাডমিন্টন একাডেমীর সভাপতি সাইনুর আলম, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুজ সাকিব সোহেল, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, মোস্তাকিমের বাবা ও পরিবারের সদস্যরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার বলেন, অভিনন্দন মোস্তাকিমকে। বিরামপুর তথা দেশের মুখ উজ্জ্বলকারী মোস্তাকিম দেশের জন্য আগামীতে আরও ভাল কিছু বয়ে আনবে এই প্রত্যাশা করছি।
মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
বিরামপুর, দিনাজপুর। -

ক্ষেতলালে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাট ক্ষেতলালে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ফজলুর রহমান (৫০) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয়রা। (৭অক্টোর) শুক্রবার রাতেই এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ফজলুর রহমান ক্ষেতলাল উপজেলার রামপুরা গ্রামের মৃত আজিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে যানা গেছে, আটক ফজলুর রহমান উপজেলার গ্রাম অঞ্চলের এক গৃহবধূকে (২১) দীর্ঘ দিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূ রাতের খাবার গুছিয়ে নিচ্ছে এ সময় ফজলুর কৌশলে তার শয়নকক্ষে ঢুকে ঝাপটে ধরে ঐ নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ফজলুরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে শুক্রবার (৭আগস্ট) রাতে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে থানা পুলিশে সোর্পদ করেন। শুক্রবার রাতেই নির্যাতিত নারীটি বাদী হয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
বিবাদী পক্ষের স্বজন মাছুম বলেন, ফজলুর আমার চাচা তিনি ঐ গৃহবধূকে ধর্ষন চেষ্টা করেনি৷ আমার চাচার কাছ থেকে মেলা করার জন্য টাকা চেয়েছিলো ওই মহিলা সেই টাকা লেন দেনের ঝামেলা হওয়াই চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে৷৷
স্থানিয়রা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় মেয়েটি মীমাংসা করতে চেয়েছিলো মামলা করতে চায়নি তার স্বামী মোটা অংকের টাকা দাবি করে তার দাবি পূরণ না করায় সাজনো মামলায় ফাঁসানো হয়ছে ফজলুরকে৷
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রওশন ইয়াজিদনী গৃহবধূর বরাত দিয়ে জানান, শুক্রবার রাতে ওই নারী তার বাচ্চাকে দুধ পান করিয়ে শোয়ার প্রস্তুতি নিলে ঐ বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় ফজলুর। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। -

জয়পুরহাটে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার-২
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানাধীন চেঁচড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকসহ দু’জন কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
৮ অক্টোবর রাত ২ টা ৩০ মিনিটে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোঃ মোস্তফা জামান, আর্টিলারি ও সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ৩ টি ওয়ান শুটারগান, ৩ রাউন্ড গুলি, একটি ছুরি, ৪ বোতল ফেন্সিডিল ও ৬ বোতল বিদেশি মদ, ৬টি মোবাইল ফোন, ৫ টি মেমোরি কার্ড ও নগদ ৮৬০০ টাকা উদ্ধারসহ তাদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার চেঁচড়া গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মোঃ হৃদয় আলী (২৬) ও উত্তর গোপালপুর গ্রামের আজাদ মন্ডলের ছেলে মোঃ শাকিল মন্ডল ওরফে বাঘা (২১)
জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে গ্রেফতারকৃতরা ভারত হতে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক এনে স্থানীয় অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করত। ইতিপূর্বেও তারা একই কাজ করার জন্য একাধিকবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ধরা পড়েছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় যথাক্রমে ০৫টি ও ০৪টি মামলা পাওয়া গেছে।
তাদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানায় অস্ত্র আইন ১৮৭৮ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের প্রক্রিয়ীধীন রয়েছে।
-

ক্ষেতলালে বিয়ের দাবিতে অনশন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ছেলে পলাতক
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বিয়ের দাবিতে মামুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা রিপনের বাড়িতে অনশন করে তাসলিমা আক্তার শাপলা (২৮)। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে অতঃপর ছেলে উধাও। ৮ (অক্টোবর) শনিবার সকাল ৮ টার সময় উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের সান্জাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, মামুদপুর ইউনিয়ন পরিষদে উদ্যোক্তা সান্জাপাড়া গ্রামের আবুল কশেম এর ছেলে রিপন হোসেন (২৩) ও মিনিগাড়ী গ্রামের দুলালের মেয়ে তাসলিমা আক্তার শাপলা (২৮) দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। দীর্ঘ দেড় বছর এই প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে শাপলা রিপন কে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রিপন বিয়েতে রাজি না হওয়ায় আজ সকালে রিপনের বাড়িতে অনশন করে বিয়ের দাবি জানায় শাপলা। পরে স্থানীয় বাবু মন্ডলের নেতৃত্বে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ দুপক্ষের স্বজনদের ডেকে বিয়ের মাধ্যমে আপোষ- মিমাংসা করবার চেষ্টা করলে ছেলে বিয়েতে রাজি হয়, এক লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হবে এই মর্মে ছেলে বাড়িতে গিয়ে আর ঘটনাস্থলে আসেনি, বর্তমানে সে পলাতক। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রিপনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সাংবাদিক দের বলেন, এখানে কি মানুষ মারা গেছে নাকি কোন দূর্ঘটনা ঘটেছে আপনারা কেন এসেছেন। আমি মেয়েকে বিয়ে করবো।
স্থানীয়দের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানায়, ওই মেয়ে বয়সে রিপনের অনেক বড় তবুও ছেলেটাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফাসিয়েছে। মেয়েটি ইতিপূর্বেও বগুড়ায় লেখাপড়া কালে এমন ঘটনা শুনেছি তাছাড়া মেয়েটিও ভালো স্বভাবের নয়।
এব্যপারে ভুক্তভোগী মেয়ে শাপলার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি বগুড়া আযিজুল হক কলেজ হতে মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। রিপনের সাথে আমার দেড় বছরের প্রেম এবং খুব গভীর সম্পর্ক। রিপন আমার অনেক জুনিয়র তবুও প্রেমের সম্পর্ক হয়ে গেছে। আমি তাকে বিয়ের উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আজ অনশন করি পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মিটিয়ে দিবে বলে আমাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। আমাদের দুজনার মধ্যে কথা হয়েছে ছেলে আমাকে বিয়ে করতে রাজি আছে। আগে কোথায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছে কি, না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটেনি এটাই প্রথম।
সরোজমিনে ঘটনার স্থলে আরো জানা যায়, শাপলা চৌমনী বাজার ডাস বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় চাকুরি করে। ওই ব্যাংকের বাসা মালিক বাবু মন্ডলের সংঙ্গে বিভিন্ন সময় ঘুরতে দেখে স্থানীয়রা এমন কি রাত বিরাতেও মেয়েটিকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসেন বাবু মন্ডল৷
এব্যপারে বাবু মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন সে ব্যাংকিং এজেন্ট শাখায় চাকুরি করে, চাকুরীর সুবাধে অনেক সময় গিয়েছি। তাতে কি হয়েছে৷
মামুদপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য হেলাল উদ্দীন বলেন, মেয়টি আমার গ্রামের লোক মারফতে জানতে পারি ওই মেয়েটি সকালে মামুদপুর ইউনিয়ন উদ্যোক্তা রিপনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করে। পরে আমরা বিষয়টি বিয়ের মাধ্যমে আপোষ মীমাংসা করার চেষ্টা করি এবং এক পর্যায়ে ছেলে রাজিও হয়। এক লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হবে সব ঠিকঠাক দুপুরে বিয়ে এরমধ্যেই ছেলে রিপন বাড়ি থেকে পালিয়েছে৷
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সকালে বিয়ের গুঞ্জন উঠলেও পরে জানা যায় ছেলে বাড়ি হতে উধাও।