Blog

  • বীরগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে  দশম শ্রেণীর ছাত্রের আত্মহত্যা

    বীরগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রের আত্মহত্যা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি – দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ডে-লাইট স্কুলের আবাসিক ছাত্রাবাস পৌর শহরের খানসামার রোডের মকছেদ প্লাজার ৫ম তালা হতে ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে এক দশম শ্রেনীর ছাত্র গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ৷

    গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করা ছাত্রের নাম রনি কিশোর (১৭)। নিহত রনি কিশোর কাহারোল উপজেলার কামড়হাট এলাকার শংকর কুমার রায়ের ছেলে।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা জানায়, রনি কিশোর সন্ধ্যার পর ঘরের দরজা লাগিয়ে ঘুমায়। রুমে থাকা অপর ছাত্ররা পড়ালেখা করে রাতের খাওয়া খেয়ে রুমে ঢুকার জন্য দরজায় গেলে দরজা ভিতর হতে লাগানো দেখে। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে রুমের দরজা ভেঙে দেখে ফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলন্ত রয়েছে রনি কিশোরের মরদেহ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র জানান, ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার সাথে ঝগড়া বিবাদ চলছিল। এর জের ধরে রনি আত্মহত্যা করতে পারে।

    থানার এসআই আশরাফুল ইসলাম জানায়, কি কারণে আত্মহত্যা করতে পারে তা তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কেশবপুরে আন্ত উপজেলা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুলর্নামেন্টের উদ্ধোধন-যশোর সদর উপজেলা একাদশের জয়

    কেশবপুরে আন্ত উপজেলা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুলর্নামেন্টের উদ্ধোধন-যশোর সদর উপজেলা একাদশের জয়

    মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুরঃ

    কেশবপুরে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজনে আন্তঃজেলা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুট বল টুলর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হয়েছে।
    ১৪অক্টোবর বিকাল ৩ টায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে আন্তঃজেলা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুলর্নামেন্টে খেলায় বেলুন উড়িয়ে খেলার উদ্ধোধন করেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন প্রমূখ। টুর্লামেন্টের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের উত্তেজনাপূর্ন খেলা গোল শুন্যভাবে অমিমাংশিত হলে নকআউট পর্বে এই খেলায় সরাসরি ট্রাইবেকারে ৪-২ গোলে কেশবপুরকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়ে সেমিফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করেছে যশোর সদর উপজেলা ফুটবল একাদশ ।
    খেলা শেষে যশোরের হোটেল জাবের ইন্টারন্যাশনাল এর পক্ষ থেকে বিজয়ী দল যশোর সদর উপজেলা একাদশের গোলরক্ষক মিতুল হাসানকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরুষ্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শাহীন চাকলাদার এমপি।
    খেলা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। খেলা দেখার জন্য দর্শকরা মাঠে জায়গা না পাওয়ায় কেউ বা গাছের ডালে, কেউ বা ছাদের পড়ে, কেউ বা পাচুলির পাড়ে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছে।

    উল্লেখ্য, যশোর জেলার ৮টি উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে।

  • জনতার সেবক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান।।

    জনতার সেবক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান।।

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    সরকারী সুযোগ সুবিধা আর উন্নয়ন সেবা নিয়ে ইউনিয়নবাসীর ঘরে ঘরে সরেজমিনে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে প্রকৃতই জনতার সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাইদুর রহমান। মানব সেবায় নিবেদিত জনপ্রতিনিধি হয়ে নিজেকে সার্বিকভাবে নিয়োজিত করেছেন জনকল্যাণকর কাজে।

    জনসমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক ঝাপিয়ে পড়ে দ্রুত অবসান ঘটাচ্ছেন ভোগান্তির। মাঠে ময়দানে ছুটে গিয়ে নিজ হাতে করছেন রাস্তা ড্রেন সংষ্কারের কাজ। রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়েই লোকজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বিপদে আপদে।

    নির্মোহভাবে ন্যায্যতার সাথে নিষ্পত্তি করছেন বিবাদ বিরোধ। ফলে উপযুক্ত ব্যক্তিরা সুবিধা পাওয়ায় জনমনে ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী সৃষ্টি হয়েছে।

    এমনই অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান এর প্রতি ইউনিয়নবাসীর। তারা জানান, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সচেতন এবং তৎপর। যে কারণে দিন রাত যে কোন সময়ই তিনি সাড়া দেন জনতার ডাকে। যথাসময়ে পৌঁছে সচেষ্ট থাকেন তাদের আবদার পূরনে।

    স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন,সাইদুল চেয়ারম্যান জন্মগতভাবেই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক পরিবারের সন্তান। তিনি দীর্ঘদিন এই ইউনিয়নে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক নপতা হিসাবে জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন। যিনি জনসেবায় কৃতিত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। একজন জনবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হওয়ায় গত নির্বাচনে মানুষের ভালবাসা ও ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

    সাইদুর রহমান একজন আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিধ,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করে জনসেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন। একারণে দলীয় মনোনয়ন না পেয়েও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত দুই বারের নির্বাচিত রানিং চেয়ারম্যান কে পরাজিত করে ইউনিয়ন পরিষদে নিজের আসন অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর অমায়িক আচরণে এলাকাবাসী মুগ্ধ হওয়ায় এবং আশ্বাসে বিশ্বাস করায় এমন সাফল্য এনে দিয়েছে ভোটাররা। সেই বিশ্বাসের মান রাখতে তিনি বদ্ধপরিকর। সেইসাথে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনে আন্তরিক। তাই তিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই জনকল্যাণে ইউনিয়নের উন্নয়নে নেমে পড়েছেন। যার প্রত্যক্ত সত্যতা জনগণ দেখতে পাচ্ছে তাঁর চলমান কার্যক্রমে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ মানুষ ।

    চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ইউনিয়নের মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসায় আমি চেয়ারম্যান হয়েছি। তাই সততা, ন্যায়, নিষ্ঠার সাথে স্থানীয় সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই। এজন্য সকলের সহযোগীতা, দোয়া ও পরামর্শ কামনা করি। জনগনের তাদের প্রত্যাশিত ও বিধিসম্মত সেবা, উন্নয়ন ও সুবিধা দিয়ে ইউনিয়নকে আলোকিত জনপদ হিসেবে গড়ার মাধ্যমে চিরঞ্জীব হওয়াই আমার একান্ত কাম্য।

  • যতদিন বেঁচে আছেন জনগণের জন্য কাজ করতে চান সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ

    যতদিন বেঁচে আছেন জনগণের জন্য কাজ করতে চান সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ

    যতদিন বেঁচে আছেন জনগণের জন্য কাজ করতে চান সিরতা ইউনিয়নের জনবান্ধব চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ। তাই প্রতিপক্ষরা তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে গেলেও তিনি এসব ষড়যন্ত্র কে তোয়াক্কা না জনগণের শক্তি নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সৎ ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে ইউনিয়নে তার কোন বিকল্প নেই। জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসাবে শীর্ষে রয়েছেন তিনি। যতদিন বেঁচে আছেন জনগণের পাশে থেকে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ।

    সাঈদ চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই শুধু জনগণের সেবা দেওয়াই তার একমাত্র অঙ্গীকার। গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে তিনি সুনামের সাথে জনগনের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন।

    খেটে খাওয়া মানুষ কৃষক, শ্রমিক, জেলে সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন ভালো মানুষ বলে এলাকার অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।

    গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান দলীয় মনোনয়ন পেয়ে (নৌকা প্রতিক) নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর সরকারী ঘোষিত কর্মসূচী বাস্তবায়নে অসহায় ব্যক্তিদের পাশে থেকে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন সাঈদ চেয়ারম্যান। এর আগেও তিনি সাবেক ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবে দায়িত্বে থেকেও ইউনিয়ন তথা পুরো ময়মনসিংহ সদর উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করেছেন।

    স্থানীয়রা জানান, তিনি এলাকার অনেক স্কুল, কলেজ সহ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। পুরো সিরতা ইউনিয়ন জুড়ে রাজা চেয়ারম্যানের ব্যাপক সুনাম রয়েছে । ছোটবেলা থেকেই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি কোন মানুষকে অন্যায় ভাবে কষ্ট দেন না এবং হয়রানিও করেন না। বরং তিনি সিরতার চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেও গিয়েও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলায় আসামী হয়ে হয়রানিতে আছেন। তবুও তার প্রচেষ্টায় এলাকায় অসংখ্য রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ড্রেন নির্মাণ এবং ইউপি ডেকোরেশন সহ সবকিছুর উন্নয়ন হচ্ছে।

    তিনি গত নির্বাচনে ও ব্যাপক সমর্থন সহ বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ভিক্ষুক মুক্তকরাসহ শতভাগ বয়স্ক ভাতা, পঙ্গু ভাতা, বিধবা ভাতা, ভিজিডি কার্ড প্রদান করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করছেন।

    এছাড়াও তিনি স্থানীয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এরসহযোগীতায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন, ভূমিহীনদের সরকারি বাড়িঘর প্রদান, প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মোড়ে সৌর বিদ্যুতের ষ্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং যাত্রী ছাউনী স্থাপন, বসার শেড নির্মাণ, বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাটির রাস্তা সোলিং করা, শতশত দরিদ্র পরিবার এবং হাটবাজারে টিউবয়েল প্রদান, গরীব অসহায় পরিবারে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, প্রায় ৮ শতাধিক পরিবারে স্যানীটারী ল্যাট্রিন প্রদান, বিনামূল্যে ৬শতাধিক পরিবারের সদস্যদের মাঝে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যাক্তি উদ্যোগে ৩ হাজার বৃক্ষরোপনসহ সরকারী সকল সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে এলাকার মানুষের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছেন।

    আগামীতে আবারো জনগনের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত হবেন এটাই তার প্রত্যাশা। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় অনেক উন্নয়ন হয়েছে,আরো হবে বলে আশাবাদ স্থানীয় জনগণের।

    জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ভীষন-২০৪১ বাস্তবায়নে সাঈদ চেয়ারম্যান কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন ।

    সাবেক ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও তারই সুযোগ্য সন্তান মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহিত উর রহমান শান্তর সার্বিক সহযোগীতা, দিক নির্দেশনা এবং পরামর্শেক্রমে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সিরতা ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ইউনিয়নকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি আধুনিক ও সুখী সমৃদ্ধ এলাকায় পরিণত করতে কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ।

  • মুন্সীগঞ্জে জেলা যুবলীগের শীঘ্রই সম্মেলন হওয়ার সম্ভাবনা

    মুন্সীগঞ্জে জেলা যুবলীগের শীঘ্রই সম্মেলন হওয়ার সম্ভাবনা

    মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

    মুন্সীগঞ্জে খুব শীঘ্রই জেলা যুবলীগের সম্মেলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এ সম্মেলন কে ঘিরে পদ পদবী প্রাপ্তিতে জেলার নেতাদেরকে দৌড়ঝাপ করতে দেখা যাচ্ছে।

    অনেকে আবার সভাপতি হিসেবে পেতে চাই এমন ধরণের আবদার নিয়ে গণযোগাযোগ মাধ্যমে সেইসব ব্যক্তিদের ছবিসহ প্রচার ও প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কে যে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন তা এ মুহূর্তে বলা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রার্থী বেশি থাকার কারণে। আসন্ন জেলা যুবলীগের সম্মেলন ছাড়া এ বিষয়টি এখনই পরিস্কার হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে অনেকে নেতারা মনে করছেন।

    তবে এ সম্মেলনে দীর্ঘ বছর পর জেলায় যুবলীগের নতুন মুখের নেতৃত্বে আসছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের কেউ কেউ। এমনটি খবর পাওয়া যাচ্ছে এখন সর্বত্র। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র নেতারাই এ পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন।

    এ সম্মেলনে নতুন মুখের প্রার্থীদের মধ্যে থেকে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নাম ঘোষণা আসবে নিয়ম ও প্রথা অনুযায়ী। তাই এই নিয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থীদের মাঝে টানটান উত্তেজনা বিরাজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলার শহরে।

    তবে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কে আসছেন তা নিয়ে জেলা শহরে গুঞ্জনের বাতাস বর্তমানে ভারী হয়ে উঠেছে। তবে এবার প্রথমবারের মতো এ দু’টি পদে প্রার্থীর সংখ্যা অনেকটাই বেশি। আগে এমনটা ছিল না। অতি সম্প্রতি জেলা যুবলীগের সম্মেলনকে ঘিরে কেন্দ্রীয় যুবলীগ ঐ দু’টি পদে আসতে চাওয়া প্রার্থীদের রাজনৈতিক জীবন বৃত্তান্ত আহবান করেন।
    কেন্দ্রীয় নেতাদের এ ধরণের ডাকে সারা দিয়ে জেলা যুবলীগের ঐ দুটি পদের জন্য অনেক যুব নেতা প্রার্থী হিসেবে তাদের রাজনৈতিক জীবনের আমলনামা ইতোমধ্যে কেন্দ্রে জমা প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। তাতে সভাপতি পদে ৭জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯জন যুব নেতা জীবন বৃত্তান্ত জমা দেন কেন্দ্রে। এ বিষয়টি একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯জনের জীবন বৃত্তান্ত প্রদানের বিষয়টি অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন। এর আগে এতো পরিমাণ এ পদের জন্য এ জেলা থেকে এমনভাবে প্রদানের ঘটনা ঘটেনি। যারা সভাপিত পদের জন্য জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন তারা হচ্ছেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিএম মনসুর উদ্দিন। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এডভোকেট গোলাম মাওলা তপন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান সুমন। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিস উজ জামান আনিসের ছোট পুত্র হাজী জালাল উদ্দিন রুমী রাজন। গজারিয়া উপজেলার হোসেনদি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল হক মিঠু। শ্রীনগর উপজেলা থেকেও জেলা যুবলীগের সভাপতি পদের জন্য একজন প্রার্থী রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে এখানে এ পদের জন্য ৭জন প্রার্থী জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। তবে এবার জেলা যুবলীগের এ পদে লড়াইয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ৩জন এ পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। আগে এ জেলায় এমন ঘটনা কখনো ঘটে নি।
    এদিকে মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ও জিএম মনসুর উদ্দিন এ দু’টি জুটি ৯০’এর স্বৈরাচার আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি ভুমিকা পালন করেন। তবে তাদের সাথে সহযোদ্ধা হিসেবে সেই সময়ে ছাত্রলীগের অনেকে নেতাই ছিলেন। তারা পর্যায়ক্রমে জেলায় ছাত্রলীগেরে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    জেলা যুবলীগের সভাপতি পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় এখানে প্রার্থী বাছাইয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে। এ পদের জন্য যারা এখানে প্রার্থী হয়েছেন তারা সকলেই বিগত দিনে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে যোগ্য নেতা হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। তাদের রাজনৈতিক জীবনের আমলানামাও পরিচ্ছন্ন বলে জানা গেছে।
    কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা যুবলীগের সম্মেলনে সভাপতি পদে যাকে যোগ্য মনে করবেন তার নামই সেদিন ঘোষণা করা হবে। সেদিন সভাপতি পদে একাধিক প্রার্থীরা সেই ঘোষণা মেনে নিবেন বলে অনেক প্রার্থী অভিমত প্রকাশ করেছেন।
    রাজনৈতিক বিবেচনায় জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদরের উপজেলাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই হিসেবে জেলা যুবলীগের সভাপতি পদটি মুন্সীগঞ্জ সদরের দিকে ঝুঁকে রয়েছে বলে জানা গেছে। তাই এখান থেকে এবার জেলা যুবলীগের সভাপতি পদটি পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বিগত দিনে এমনটিই দেখা গেছে। তার পরের সাধারণ সম্পাদক পদটি জেলার অন্য উপজেলা থেকে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এমনভাবেই জেলার পদ পদবি বিন্যাস করা হয়ে থাকে।

  • কেন্দুয়ায় শত্রুতার বিষে পুড়ল কৃষকের আমন ধান

    কেন্দুয়ায় শত্রুতার বিষে পুড়ল কৃষকের আমন ধান

    কেন্দুয়া নেত্রকোণা প্রতিনিধি।
    নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় মামলা-মোকদ্দমা ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক কৃষকের ৩৫ শতাংশ জমির আমন ধানখেত কীটনাশক (বিষ) প্রয়োগের মাধ্যমে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    ঘটনাটি উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের গগডা উত্তরপাড়া গ্রামে ঘটেছে।

    এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কেন্দুয়া থানা পুলিশ।

    এর আগে গত সোমবার (১০ অক্টোবর) রাত ১০টার থেকে মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৪টার মধ্যে ওই আমন ধান খেতে কীটনাশক প্রয়োগের এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গগডা উত্তরপাড়া গ্রামের কৃষক তারা মিয়া তার খরিদকৃত ৩৫ শতাংশ জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছিলেন। আবাদকৃত ওই জমির অংশীদার দাবি করে আসছিলেন একই গ্রামের এলাই মিয়া ও তাদের লোকজন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা ও মামলা-মোকদ্দমা চলে আসছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় মাতব্বরগণ দরবার সালিশও করেছেন। কিন্তু এলাই মিয়া ও তাদের লোকজন সালিশের সিদ্ধান্ত না মানায় তা সমাধান হচ্ছিল না। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) সকালে তারা মিয়া তার ধান খেতে গেলে খেতের সব ধান গাছ পোড়া দেখতে পান। পরে ওইদিনই তারা মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৯ জনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    কৃষক তারা মিয়া বলেন, শত্রুতার জের ধরে এলাই মিয়া ও তার লোকজনই আমার আমন ধান খেত বিষ দিয়ে পুড়িয়েছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের এলাই মিয়া বলেন, আমরা বিষ দেইনি। আমাদেরকে হয়রানি করার জন্য শত্রুতা করে তারা নিজেরাই নিজেদের ধান খেতে বিষ দিয়ে পুড়িয়েছে এবং আমাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছে।

    এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোণা থেকে।।

  • ব্যারিস্টার সুমনের ফুটবল খেলা দেখতে এসে নিহত ১, আহত ১০

    ব্যারিস্টার সুমনের ফুটবল খেলা দেখতে এসে নিহত ১, আহত ১০

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ফুটবল খেলা দেখতে এসে টিনশেট ঘর ভেঙে খোরশেদ আলম (২২) নামে যুবক মারা গেছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ১০ জন। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে জেলা আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    নিহত যুবক- জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার রামাপুর গ্রামের খলিল হোসেনের ছেলে।
    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকেলে ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমির সঙ্গে পাঁচবিবির রাধানগর খেলোয়াড় কল্যান সমিতির ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়ে পাঁচবিবির শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। খেলার আয়োজন করেন রাধানগর খেলোয়াড় কল্যান সমিতি। খেলায় হাজার হাজার ফুটবল প্রেমী দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। এসময় স্টেডিয়ামের পাশের একটি টিনশেটের ঘরের চালার উপর উঠে খেলা দেখছিলেন অনেকগুলো দর্শক। হঠাৎ করেই টিনশেট ভেঙে পড়ে ১ জন নিহত হয়। এঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ১০ জন।
    শুক্রবার রাতে পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব একজন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন ধরে রাখতে নৌকার বিকল্প নেই-ময়মসিংহে ডাঃ এম এ আজিজ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন ধরে রাখতে নৌকার বিকল্প নেই-ময়মসিংহে ডাঃ এম এ আজিজ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব, সাবেক ছাত্রনেতা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ বলেছেন-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা টানা ১৩ বছরে বিশেষ উন্নয়নের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেস উল্লেখযোগ্য।দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন দৃশ্যমান।

    শুক্রবার (১৪অক্টোবর) দুপুরে তিনি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ১১ নং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে জনসমক্ষে প্রচার ও গণসংযোগ কালে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি স্থানীয় হাজী জমন সরকার বাড়ী মাদ্রাসা ও জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। এসময় তার সাথে উপস্হিত ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক, ডাঃ এইচ গোলন্দাজ তারা,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম শাহীন,মাছুম মেম্বার,রব্বানী মেম্বার, রানা মেম্বার, ওয়ার্ডের মাসুম মেম্বার সহ এলাকার ময়মুরুব্বি ও আওয়ামিলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের কর্মী বৃন্দরা।।

    অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বাধীন সরকারের বাস্তবায়নকৃত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে। চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে এগিয়ে নিতে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে এর কোন বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রত্যেক ভোটারের ঘরে ঘরে গিয়ে আওয়ামী লীগের উন্নয়নের কথা জানান দিয়ে নৌকা প্রতিকে ভোট চাইতে হবে। সারা দেশে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত হলে আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা। আর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে দেশ ও জাতি উন্নয়নের দিকে আরও এগিয়ে যাবে। গণসংযোগকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা এসময় সাথে ছিলেন।

  • শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক-বান্ধব সরকার- ত্রিশালে জাতীয় শ্রমিকলীগের অনুষ্ঠানে মেয়র আনিছ

    শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক-বান্ধব সরকার- ত্রিশালে জাতীয় শ্রমিকলীগের অনুষ্ঠানে মেয়র আনিছ

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ বলেছেন- আমাদের শ্রমিকদের এখন অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথ ঘেরাও করতে হয় না। আগে শ্রমিকরা রাজপথ দখল করে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে অধিকার আদায়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতেন। এখন আর তা করতে হয় না, কারণ শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক-বান্ধব সরকার।

    ১২ অক্টোবর (বুধবার) বিকালে জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পৌর মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় জননেতা ত্রিশাল পৌরসভার তিনবার তিনবার নির্বাচিত জননন্দিত সফল মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান (আনিছ)-এর দিক নির্দেশনা ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার রুপকার দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত র্যালী,আলোচনা সভায় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ এসব কথা বলেন। পরে কেক কাটার মাধ্যমে উৎসব মোখর পরিবেশে জাতীয় শ্রমিকলীগ এর আন্দোলন সংগ্রাম ও সফলতার ৫৩ বছরে পালিত হয়।

    মেয়র বলেন- বঙ্গবন্ধু শোষিত, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে ছিলেন এবং তার আজীবনের লড়াই ছিল সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার, যে কোন শ্রমিককে জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন বঙ্গবন্ধুর জীবন চলার মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন উদাহরণের পাল্লা ভারী করে সর্বদাই৷ তিনি বলেন- মালদ্বীপ, শ্রীলংকার মতো দেশ ধনী থেকে গরীব হয়ে যাচ্ছে। অথচ শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বের কারণে আমাদের অর্থনীতিকে ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। জীবন এবং জীবিকার কথা চিন্তা করেই সারা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক সেদিন শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কালাম মোঃ শামসুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।

    কেক কাটা ও আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের পরপরই এক বনার্ঢ্য আনন্দর‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

    জাতীয় শ্রমিকলীগ ত্রিশাল উপজেলা শাখার সভাপতি সুয়েল মাহমুদ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুমন-এর নেতৃত্বে ত্রিশাল পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে হতে একটি বনার্ঢ্য আনন্দর‌্যালী শুরু হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সহ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এসে আনন্দর‌্যালীটি সমাপ্ত হয়।

    এসময় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা সরকার বার বার দরকার, আওয়ামী লীগ সরকার বার বার দরকার স্লোগানে মুখরিত হয় ত্রিশাল পৌর শহর। এছাড়াও উক্ত আনন্দর‌্যালীতে জাতীয় শ্রমিকলীগ-এর ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

  • মধুপুরে ৫০ হাজার টাকার হেরোইন সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মধুপুরে ৫০ হাজার টাকার হেরোইন সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন শেওড়াতলা থেকে বৃহস্পতিবার( ১৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদকদ্রব্য ৫০ হাজার টাকার হেরোইন সহ মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ। থানা পুলিশ শেওড়াতলা বাজারের জনৈক মকবুল হোসেন এর মুদির দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর মাদক অভিযান পরিচালনা করে মধুপুর পৌরসভাধীন আকাশি (পশ্চিম পাড়া), গ্রামের মো. দুলার হোসেন এর ছেলে মো. রুমানকে মাদক দ্রব্য পাঁচ গ্রাম হেরোইন সহ গ্রেফতার করে।এসময় তার নিকট থেকে মাদকদ্রব্য পাঁচ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা। এই সংক্রান্তে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করে শুক্রবার ১৪ অক্টোবর আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।