Blog

  • ময়মনসিংহে কোতোয়ালি পুলিশের সফল অভিযানে ৭২ ঘন্টায় বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উদঘাটন

    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি পুলিশের সফল অভিযানে ৭২ ঘন্টায় বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উদঘাটন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি সফল অভিযানে অজ্ঞাত বস্তাবন্দি লাশের (গৃহবধু) রহস্য উদঘাটন, হত্যাকান্ডের মুলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেফতার ও লাশ বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করেছে পুলিশ।

    বস্তাবন্ধী লাশ উদ্ধারের পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে সোমবার গাজীপুর সহ আশপাশ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার (১৭ই অক্টোবর) কোতোয়ালি মডেল থানায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিহতের স্বামী মেহেদী ও বাসার মালিক লাশগুমের মহানায়ক স্বপন। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে তার স্বিকারোক্তিমোলক জবানবন্দি করেছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান সদর সার্কেল শাহিনুল ইসলাম ফকির এবং কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ সোমবার সকালে কোতোয়ালি মডেল থানায় সাংবাদিকদের সাথে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরো জানান, শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আকুয়া- রহমতপুর বাইপাস রোডের বাদেকল্পা এলাকা থেকে অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় সনাক্ত করা হয়। নিহতের নাম তাছলিমা(৩২)। সে নান্দাইলের ভাসাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুর রশিদ বাদি হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা নং ৫৬(১০)২২ দায়ের করে।
    মামলার বাদি ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য মতে, ওসি শাহ কামাল আকন্দ আরো বলেন, নিহত তাছলিমার সাথে ফুলপুরের মেহেদীর সাথে বিয়ে হয়। এটা ছিল তাছলিমার তৃতীয় বিয়ে। এই বিয়ের পর থেকে তাছলিমা তার স্বামী মেহেদীকে নিয়ে চট্টগ্রামে বসবাস করছিল। গত ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার তারা স্বামী-স্ত্রী চট্টগ্রাম থেকে গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় জনৈক স্বপনের বাসায় ভাড়া উঠে। পরদিন বুধবার রাতে ঐ বাসায় স্ত্রী তাছলিমাকে হত্যা করে স্বামী মেহেদী পালিয়ে যায়। ওসি শাহ কামাল আকন্দ আরো বলেন, নিহতের পরিচয় সনাক্তের পর পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অজ্ঞাত এই হত্যাকান্ডের রহস্য দ্রুততম সময়ে উদঘাটন এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃত স্বামী মেহেদী ও বাড়ির মালিক স্বপনের বরাত দিয়ে ওসি আরো বলেন, হত্যাকান্ডের পর স্বামী মেহেদী লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির মালিক স্বপন নতুন ভাড়াটিয়া তাছলিমা ও তার স্বামী মেহেদীর জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে ঐ বাসায় যায়। এ সময় দরজার কড়া নেড়ে শব্দ না পেয়ে দরজা ধাক্কা দেয় এবং দরজা খুলে তাছলিমার উলঙ্গ মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পায়। স্বপন ভয়ে পুলিশ কিংবা তেমন কাউকে কিছু না জানিয়ে লাশ গুমের পরিকল্পনা শুরু করে। বৃহস্পতিবার দিনভর ঘর বন্ধ রাখার পর ঐ রাতে লাশ বস্তাবন্দি করে স্বপনের নিজস্ব প্রাইভেটকারে বস্তাবন্দি লাশ নিয়ে নির্জন স্থানে ফেলে দিতে ময়মনসিংহের দিকে রওনা দেয়। কোথাও সুবিধা জনক স্থান না পেয়ে অবশেষে আকুয়া- রহমতপুর বাইপাসের বাদেকল্লা এলাকায় ঐ নারীর বস্তাবন্দি লাশ ফেলে পালিয়ে যায় স্বপন ও তার সহযোগিরা।
    এসআই নিরুপম নাগ, মিনহাজ উদ্দিন, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা, কনস্টেবল জোবায়ের ও মিজান উদ্দিন এই অভিযান পরিচালনা করেন। এসআই নিরুপম নাগ বলেন, ওসি শাহ কামাল আকন্দের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় টানা অভিযান চালিয়ে লাশ উদ্ধারের ৭২ ঘন্টার মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন ও খুনিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। ব্রিফিংকালে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুল ইসলাম ফকিরসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে দ্বিতীয় মেয়াদে জেলা পরিষদ মহিলা সদস্য নির্বাচিত আরজুনা কবির।

    ময়মনসিংহে দ্বিতীয় মেয়াদে জেলা পরিষদ মহিলা সদস্য নির্বাচিত আরজুনা কবির।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-২ (সদর-তারাকান্দা-গৌরীপুর) এলাকার সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন
    ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য,সাবেক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুনা কবির।
    তিনি টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩১ ভোট তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাজমুন নাহার মুক্তা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২৮ ভোট।

    সোমবার (১৭অক্টোবর) ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এনামুল হক।

    দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে আরজুনা কবির বলেন, তাঁর স্বামী হুমায়ুন কবির ভুট্টো একজন আওয়ামী লীগ নেতা,শশুর মরহুম আব্দুল কাদির কাদু সদর উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। ময়মনসিংহবাসীর উন্নয়ন ও কল্যাণে শশুর কাদু চেয়ারম্যান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ জন্য তিনি ময়মনসিংহবাসীর সহায়তা কামনা করেন।প্রতিটি উপজেলাকে মডেল হিসাবে উপহার দিতে রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নের কথা বলেন তিনি।

    আরজুনা কবির বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য,ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি গত মেয়াদেও জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা ঘাট এর ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করায় আসন্ন নির্বাচনেও টপ ফেবারিট প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের আলোচনায় ছিলেন। দক্ষ ও মেধাবী নারী নেত্রী আরজুনা কবির ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সাবেক বয়ড়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল কাদের কাদু মিয়ার পুত্র হুমায়ুন কবির ভুট্টোর স্ত্রী। বিভিন্ন ইউনিয়নের গণমানুষের বিপদে-আপদে পাশে থেকে তিনি নিজেকে একজন সফল ও মানবিক নেত্রী, জনপ্রতিনিধি হিসাবেও জনবান্ধব গড়ে তুলেন।

    জনপ্রিয় নারী নেত্রী আরজুনা কবির এর পূর্বসূরি জনপ্রতিনিধিগণের ব্যাপারে প্রাপ্ত সুত্রে জানা গেছে-*স্বাধীনতা পরবর্তী সাবেক কেওয়াটখালি ইউনিয়ন এর প্রথম ও বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির (কাদু) এবং বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রথমবার নির্বাচিত সাবেক মহিলা চেয়ারম্যান রুখসানা কাদের এর পুত্রবধূ। আরজুনা কবির এর নিজে গত
    *২০০৯ সনের ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ময়মনসিংহ জেলা সদর এর তৃণমূলে সর্বাধিক ভোটে মনোনয়ন হওয়ার পর ও আওয়ামী লীগ এর দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সত্ত্বেও বি.এন.পি এর জেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন পারভীনকে প্রায় ৩৭,০০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এ সর্বাধিক ১,০৩০০০ ভোট পেয়ে প্রথমবার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন.*২০১৬ সনের ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মাঝেও নির্বাচন করে জেলা পরিষদের প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের জনপ্রতিনিধিগণের মাঝে ছিলেন- ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ পৌরসভার সাবেক প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহীদ মার্কেট,মাহবুব ম্যানশন,গোল্ড মার্কেট,হোসেন প্লাজা ও উত্তরা হোটেল এর স্বত্বাধিকারী মরহুম আবুল হোসেন তার চাচা শশুর.*সদর এর বিদ্রোহী মৌজা দেশের সাবেক দ্বিতীয় বৃহত্তম আকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবদুল খালেক সরকার আরজুনা কবির এর ননদ এর শশুর.*সাবেক আকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর দুইবারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ মুসা সরকার আরজুনা কবির এর ননদ এর ভাসুর.*নানা শশুর মরহুম মিয়া চাঁন মাস্টার কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়ন পরিষদ এর বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান.*দেশের প্রথম উপজেলা নির্বাচনে করিমগঞ্জ উপজেলার প্রথম নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান শিহাবউদ্দিন মাস্টার মামা শশুর.
    *নিকটাত্মীয়দের আরো অনেকেই জনগণের জন্য রাজনীতি করেছেন.জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচিত হয়েছিলেন।

  • টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  আলহাজ্ব জগলুল হালদার ভূতু ইন্তেকাল করেছেন

    টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জগলুল হালদার ভূতু ইন্তেকাল করেছেন

    লিটন মাহমুদ।
    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব জগলুল হালদার ভূতু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন)।

    মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ভূতু হালদারের ভাতিজা যুবরাজ হালদার ফয়সাল জানান, সোমবার (১৭-১২-২০২২)ইং দুপুর ৩ টায় ঢাকার বাংলাদেশ স্প্যাশালাইজড হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স ছিলো (৭৮)।

    বর্ষীয়ান এই নেতার মৃত্যুতে জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা শোক প্রকাশ করেন।

  • সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন  সদস্য পদে আব্দুল খালেক বিজয়ী

    সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন সদস্য পদে আব্দুল খালেক বিজয়ী

    হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজারঃ

    সুনামগঞ্জের জেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়ারাবাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত ১১ নং ওয়ার্ডের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে একটানা দুপুর ২ টা পর্যন্ত দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াংকা জানান, ১১৯ ভোটের মধ্যে মোট প্রাপ্ত ভোট ১১৯। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে নুরুল হুদা মুকুট (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৪০ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির রুমেন (ঘোড়া) পেয়েছেন ৭৯ ভোট। ১১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল খালেক (তালা) পেয়েছেন ৭৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (হাতি) ৪০ ভোট।

    এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে সেলিনা আক্তার (ফুটবল) পেয়েছেন ৬৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুন নাহার (হরিণ) ৫৩ ভোট পান।

    সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান, সদস্য এবং সংরক্ষিত সদস্যসহ ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য দোয়ারাবাজার উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল খালেককে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দোয়ারাবাজার প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে প্রেসক্লাব সভাপতি মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী, সাধারণ সম্পাদক আশিক মিয়া বলেন, অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিয়েছে প্রশাসন। নির্বাচনে বিজয়ীরা আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

    শুভেচ্ছা জানিয়ে আরও বিবৃতিতে দিয়েছেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমীরুল হক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ,দোয়ারাবাজার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা বজলুর রহমান, সহসভাপতি আলাউদ্দিন, কামাল পারভেজ, শাহজাহান আকন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ করিম লিলু, হাফিজ সেলিম আহমদ, সদস্য ইয়াছিন আহমদ, মাসুদ রানা, সুমন আহমদ প্রমুখ।

  • বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচন  সদস্য পদে পাথরঘাটার এনামুল এবং সংরক্ষিত আসনে সিমু  বিজয়ী

    বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচন সদস্য পদে পাথরঘাটার এনামুল এবং সংরক্ষিত আসনে সিমু বিজয়ী

    অমল তালুকদার পাথরঘাটা প্রতিনিধিঃ

    ১৭ অক্টোবর বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বচনে সদস্য হিসেবে ৫নং ওয়ার্ড পাথরঘাটা থেকে এনামুল হোসাইন ৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা আসনে ২ নং ওয়ার্ডে শিমু আক্তার ১৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

    এই নির্বাচনে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন । বর্তমান জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক এবং পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসাইন।

    নির্বাচনে ১০৭ ভোটের মধ্যে ১০৪ ভোট কাউন্ট হয়। তার মধ্যে তালা প্রতিক নিয়ে এনামুল হোসাইন ৯৩ভোট পেয়ে পাথরঘাটা থেকে বিজয়ী হয়। অপর প্রার্থী এম এ খালেক টিউবওয়েল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১১টি ভোট।

    সংরক্ষিত (পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী) পদে ২ নম্বর ওয়ার্ডে শিমু আক্তার ফুটবল প্রতীকে ১৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফৌজিয়া খানম দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

    উল্লেখ্য পাথরঘাটা ৫ নং ওয়ার্ডে এনামুল এর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক গতকাল ১৬অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন বাতিলের দাবি অনশন করেছিলেন। জেলা প্রশাসক ওই দাবি আমলে না নেয়ায় ১৭ অক্টোবর সোমবার নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ৬ অক্টোবর এই নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে পাথরঘাটায় এম এ খালেক একটি সংবাদ সন্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনেও এই নির্বাচন বাতিল সহ নানা অনিয়ম,ঘুষবানিজ্যের অভিযোগ তোলেন এম এ খালেক। জবাবে ওইদিন দুপুরে এনামুল হোসাইনও পাল্টা সংবাদ সন্মেলন করে তার বিরুদ্ধে আনা নানা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    পাথরঘাটায় নির্বাচনের ভোট গ্রহন সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২ টা পর্যন্ত চলমান ছিলো।
    বিকাল ৪টার দিকে পুলিং অফিসার (পাথরঘাটা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা) মোঃ তারিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন।

  • জেলা পরিষদ নীলফামারীর  চেয়ারম্যান হলেন এ্যাডঃ মমতাজুল হক

    জেলা পরিষদ নীলফামারীর চেয়ারম্যান হলেন এ্যাডঃ মমতাজুল হক

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। —

    নীলফামারী জেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলেন ক্ষমতাসীন দলের মনোনিত প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মমতাজুল হক।
    আনারস প্রতীকে তিনি ৫৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৮ ভোট।
    গতকাল সোমবার ১৭ই অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও নীলফামারী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বেসরকারি ভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
    এছাড়া নির্বাচিত সাধারণ সদস্যরা হলেন- ডিমলা উপজেলায় ফেরদৌস পারভেজ, জলঢাকা উপজেলায় মোশারফ হোসেন, সৈয়দপুরে উপজেলায় মিজানুর রহমান লিটন, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ফাতেমা বেগম, ডোমার উপজেলায় মঞ্জুর আহম্মেদ ডন ও নীলফামারী সদর উপজেলায় সাইদুর রহমান এ্যাপোলো। সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নীলফামারী সদর- কিশোরগঞ্জ- সৈয়দপুরে আসনে ইসরাত জাহান পল্লবী ও ডোমার- ডিমলা- জলঢাকায় – মেহেরুন আক্তার পলিন বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
    এর পূর্বে সকাল ৯টায় জেলার ৬ উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে। নীলফামারীর ৬টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ৬১টি ইউনিয়নের মোট ৮৫৮ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৫৩ এবং নারী ২০৫ জন।
    অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ৬টি সাধারণ সদস্য পদে ২১ জন ও সংরক্ষিত ২টি পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
    নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও নীলফামারী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন- সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর অবস্থা সৃষ্টি হয়নি। ভোটার শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট প্রদান করতে পেরেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাডঃ মমতাজুল হক আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

  • কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ী

    কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ী

    মো.হাসমতআলী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।

    লালমনিরহাট জেলায় কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘গরুর গাড়ী।গরুর গাড়ী এক সময় যাত্রী বান্ধব বন্ধু হিসেবে অনেকেই অখ্যায়িত করত।

    এক সময় গরুর গাড়ী নিয়ে ছুটে চলতেন গ্রামের পর গ্রামে।বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবক ও মধ্যবয়সী সহ সবাই গরুর গাড়ী নিয়ে বের হতেন।গরুর গাড়ী নিজের কাজের পাশাপাশি ব্যবহার হতো বিভিন্ন মালা মালা বাহনের কাজে। কিন্তু আধুনিকায়নে বিভিন্ন যানবহন বৈদ্যুতিক গাড়ী এলাকা ভরপুর।যার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে একমাত্র উৎস রত ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ী।

    সরেজমিনে কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়,তখনকার সময়ে গরুর গাড়ী মেরামতের জন্য হাট বাজারে দোকান দিয়ে বসত।এছাড়া অনেকে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে গরুর গাড়ী মেরামত করত।

    কিন্তু এখন আর গরুর গাড়ী ব্যবহার না করার ফলে গরুর গাড়ীর মিস্ত্রীদের এখন আর দেখা যায় না।কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট এলাকার গরুর গাড়ী চালক দেলবার হোসেন,বলেন এক সময় গরুর গাড়ী ছাড়া রাতে ও দিনে চলাচল করা যেত না।কিন্তু এখন এলাকায় কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের যনবহন বের হওয়ায় এখন আর গরুর গাড়ী প্রয়োজন হয় না।

    প্রফিট ফাউন্ডেশনেে নির্বাহী পরিচালক নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, আগে রাতে ও দিনে বেরহলে গরুর গাড়ী ছারা অনন্য কোন যানবহন পাওয়া যেতনা। কিন্তু এখন ঘরে থেকে বেরহলে বিদ্যুৎতের গাড়ী ও অনন্য যানবহন পাওয়া যায় কারণে এখন আর গরুর গাড়ীর প্রয়োজন হয় না।

    চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাটের এক গরুর গাড়ীর মেকার জানায়,এক সময় নিজের হাতে অনেক গরুর গাড়ী মেরামত করেছি। কিন্তু এখন কার সময়ে বাড়ী গাড়ী থাকলেও তা কেউ ব্যবহার করে না।এতে মেরামতের কাজ হয় না।যার কারণে এই পেশা ছাড়তে হয়েছে।তিনি আরও বলেন,সময়ের আবর্তে এক সময় গরুর গাড়ীর দেখতে যেতে হবে জাদুঘরে। নতুন প্রজন্ম হয়তো জানবেও না গরুর গাড়ীর ইতিহাস।

    হাসমতআলী।

  • জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ”লীগ প্রার্থী খাজা শামসুল আলম নির্বাচিত

    জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ”লীগ প্রার্থী খাজা শামসুল আলম নির্বাচিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ খাজা শামসুল আলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯১ ভোট ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের প্রার্থী আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত পেয়েছেন ৯৬ ভোট।

    খাজা শামসুল আলম জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে বে-সরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

    জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়। মোট ৪৯২ জন ভোটারের মধ্যে সর্বমোট ৪৮৭ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    সাধারণ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১নং ওয়ার্ড (পাঁচবিবি উপজেলা)আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, ২নং ওয়ার্ড(জয়পুরহাট সদর উপজেলা) রমজান আলী সরদার ৩নং ওয়ার্ড (কালাই উপজেলা) রফিকুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড (ক্ষেতলাল উপজেলা) আব্দুল হান্নান মিঠু, ৫নং ওয়ার্ড (আক্কেলপুর উপজেলা) মাজহারুল আনোয়ার লিটন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে সাবিনা চৌধুরী ও রত্না রশিদ জয়লাভ করেছেন।

  • পাইকগাছায় প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরণকৃত ৫০ হাজার রেনু পোনা জব্দ;তিন জনের জরিমানা

    পাইকগাছায় প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরণকৃত ৫০ হাজার রেনু পোনা জব্দ;তিন জনের জরিমানা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা॥

    পাইকগাছায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে চিংড়ি পোনা আহরণ ও সরবরাহ করার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে।রবিবার সকালে উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়ার কাদের বক্স এর ছেলে আব্দুর রব গাজী (৪০), হরেন্দ্র নাথের ছেলে বিকাশ চন্দ্র (৪০) ও আলমতলার আমিরুল গাজী (৪৫) গড়ইখালী থেকে তিনটি ইঞ্জিন ভ্যানে পোনা বহন নিয়ে যাওয়ার সময়ে খড়িয়ার ঢেঁমশাখালীতে তাদের আটক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ। এসময়ে ১৬ ড্রামে আনুমানিক ৫০ হাজার বাগদার রেনু পোনা জব্দ করা হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তিন জনের প্রত্যেক ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ টাকা জরিমানা এবং জব্দকৃত পোনা বাইনতলা খেয়াঘাটস্থ শিবসা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে চিংড়ি পোনা বহন করায় নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগমের নির্দেশনায় মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ভ্রাম্যমান আদালতে তিনজনকে ১৫ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে এলাকার জেলেদের সহযোগিতায় কিছু অসাধু ব্যাক্তি মাঝ নদী থেকে পোনা আহরণ করে এলাকায় বিক্রি করে। এতে দুটি প্রজাতির পোনা নিয়ে বাকি ২৫ থেকে ৩০ প্রজাতির পোনা নষ্ট করে ফলে। যার কারণে নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের শুন্যতা দেখা দেয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন —প্রসিকিউটর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ টিপু সুলতান, পেশকার অমর্ত্য বিশ্বাস, এস আই রাকিব সহ সঙ্গীয় ফোর্স ।

  • পাবনা জেলা পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের আহমেদ ফররুখ কবির বাবু সদস্য নির্বাচিত

    পাবনা জেলা পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের আহমেদ ফররুখ কবির বাবু সদস্য নির্বাচিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে পাবনাজেলা পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড (সুজানগর উপজেলার) ভোটগ্রহণ। এ ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে মোট ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আহমেদ তফিজ উদ্দিনের পুত্র এবং বর্তমানে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবিরের আপন ছোট ভাই আহম্মেদ ফররুখ কবির বাবু (টিউওবয়েল) প্রতিক নিয়ে ৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে রেজাউল করিম বাচ্চু মোল্লা (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতিক নিয়ে পান ৬৩ ভোট এবং সেলিম মোর্শেদ রানা(তালা) প্রতিক নিয়ে পান শূন্য ভোট। এ কেন্দ্রে ১৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৪৪ জন ভোটার তাদেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এ ছাড়া সুজানগর,বেড়া ও সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ২ নং ওয়ার্ডে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন আনোয়ারা আহমেদ(ফুটবল ) প্রতিক নিয়ে এবং অপরজন শামসুন্নাহার মুক্তা(টেবিল ঘড়ি) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সুজানগর কেন্দ্রে আনোয়ারা আহমেদ আহমেদ(ফুটবল ) প্রতিক নিয়ে পান ৮৫ ভোট এবং শামসুন্নাহার মুক্তা(টেবিল ঘড়ি) প্রতিক নিয়ে পান ৫৯ ভোট। ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন পাবনা জেলা প্রশাসক ও পাবনা পুলিশ সুপার। ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে দেখা যায়। ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি