Blog

  • সিংড়ার ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ সিরাজগঞ্জে উদ্ধার

    সিংড়ার ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ সিরাজগঞ্জে উদ্ধার

    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
    নাটোরের সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর সদস্য ও ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি মো. ফরিদুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার হাইওয়ের পাটধারী এলাকা থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম উপজেলার বামিহাল গ্রামের মৃত খোকা আকন্দের ছেলে।

    সিংড়া থানার ওসি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিংড়া উপজেলার বামিহাল গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত চলে আসছিল। সেখানে এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম অপর গ্রুুপের আফতাব হোসেন।প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২জন নিহত হওয়ার পর বামিহাল গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন ফরিদুল ইসলাম। সম্প্রতি সিংড়ার বামিহালে আফতাব হত্যা মামলার আসামি ছিলেন তিনি। আজ বুধবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার হাইওয়ের পাটধারী এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    সূত্রে জানা যায়, নাটোরের সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বামিহাল বাজারে গত ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১নং শুকাশ উইনিয়নের ১নংওয়ার্ডের সসাধারন সসম্পাদক আফতাব গ্রুপর আফতাব হোসেন (৫০) ফরিদ গ্রুপের সমর্থক রুহুল আমিন (৪৫)নিহত হন। পূর্ব বিরোধের জেরধরে রোববার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বামিহাল বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,গত ইউনিয়ন নির্বাচনে পরাজীত মেম্বর পদপ্রাথী আফতাব ও বর্তমান ইউপি সদস্য ফরিদুলের মধ্যে বামিহাল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বামিহাল গ্রামে ২০০৩ সালে আফতাব খন্দকারের মা চম্পা বেগম ও শাজাহান আলী নামে দুইজনকে খুন করা হয়। চম্পা বেগম হত্যার প্রায় ২০ বছর পর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আফতাব ও ফরিদুলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আফতাব খন্দকার মারা যান। এ ঘটনার ৯ দিন পরে আজ সকালে ফরিদুলের মরদেহ পাওয়া যায়।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
    সিংড়া নাটোর।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে জাতীয় স্যানিটেশন ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে জাতীয় স্যানিটেশন ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ২০২২ ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যলি ও আলোচনা সভা জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে।

    সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল কুমার রায়,উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃআলী আসলাম জুয়েল,মো মমিনুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী,জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,বালিয়াডাঙ্গী ঠাকুরগাঁও,মোহাম্মদ আলী সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,বালিয়াডাঙ্গী শাখা,ঠাকুরগাঁও,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার ও কর্মচারী বৃন্দ,সাংবাদিক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক,ছাত্র ছাত্রী,এনজিও প্রতিনিধি বৃন্দ ও সুধিবৃন্দ প্রমুখ।

  • ধামইরহাটে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    ধামইরহাটে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও উৎসব মুখর ও জাকজমক পূর্ণ পরিবেশে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে। ১৯ অক্টোবর বেলা ১১ টায় ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ও বেসরকারী সংস্থা ডাসকো ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে একটি র‌্যালী উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। ‘হাতের পরিচ্ছন্নতায় এসো সবে এক হই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র‌্যালী শেষে উপজেলা চত্বরে ইউএনও মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান, মেডিকেল অফিসার ডা. নিয়াজ মুস্তাক চৌধুরী, জন স্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসএম মহিদুল ইসলাম, ডাসকো ফাউন্ডেশনের উপজেলা কর্মকর্তা রওনক লায়লা প্রমুখ হাত ধোয়া বিষয়ে সচেতনতামুলক বক্তব্য প্রদান করেন। হাতধোয়ার সঠিক নিয়ম দেখানোর জন্য হাতধোয়া প্রদর্শন করেন ডাসকো ফাউন্ডেশনের যুবনারী উর্ষুলা কিস্কু। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড ভিশনের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শারমীন আকতার সুরভী, স্পন্সরশীপ সিস্টেম অফিসার লুজি মুখিম, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু মুছা স্বপন, সাংবাদিক আমজাদ হোসেনসহ ব্র্যাকের প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে হাত ধোয়ার মাধ্যমে সঠিক কৌশল দেখিয়ে দেন ডাসকো ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিগণ।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • পাথরঘাটায় মোবাইল চুরির অপবাদে শিক্ষার্থীকে অমানুষিক  নির্যাতন

    পাথরঘাটায় মোবাইল চুরির অপবাদে শিক্ষার্থীকে অমানুষিক নির্যাতন

    পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি।
    মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

    এ অভিযোগ উঠেছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী নারী শিক্ষক ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নের কালীপুর গ্রামে। ঘটনায় আহত কাইউমের বাবা দেলোয়ার মাঝি বাদী হয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩ জনকে আসামি করে মামলা করলে মামলাটি এস আই কৃষ্ণকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

    এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ভুক্তভোগীর বাবা দেলোয়ার পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের কালীপুর ছালেহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খাদিজা বেগমের মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ অভিযোগে একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে কে কে আজিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র কাইউমকে মোবাইল চুরির অপবাদে ১৫ অক্টোবর শনিবার খাদিজা, তার স্বামী বাদল মিয়া ও তাদের সহযোগী বাবু মিয়া ছালেহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরতান ভবনের একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে লাঠি দিয়ে পেটায়। তাদের বেধরক পিটুনির একপর্যায়ে কাইউম বমি করে দেয়। তাৎক্ষণিক তাকে কাঁঠালতলী পরিষদ বাজারে জননী ফার্মেসিতে গিয়ে দুটি বমির ও একটি ব্যথার ট্যাবলেট খাওইয়ে দেয়া হয়। এরপর তার মেঝভাই আবদুল আলিমকে খবর দেয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করে অবস্থা গুরুতর দেখে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে টানা চার দিন চিকিৎসা নেয়া হয়।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক খাদিজা বেগম মঠোফোনে বলেন,আমার ফোন চুরি হইছে এঘটনা সত্য। তবে কে কাকে মারধর করেছে;তা আমি কিচ্ছু জানিনা।

    ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ নূরুন্নাহার বলেন, এমন ঘটনা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি বিষয়টি প্রসঙ্গে তেমন কিছুই জানিনা।

    এদিকে স্থানীয় সালাম নামক এক গ্রাম পুলিশ বলেন, ঘটনার দিন চুরির অভিযোগকারী ওই শিক্ষকের ভাইয়ের ছেলে এবং অভিযুক্ত কাইউমকে স্কুলের দিকে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন। তিনি পরে শুনেছেন কাইউমকে মারধর করা হয়েছে এবং চুরি যাওয়া ফোন তার ভাইয়ের ছেলের কাছে পাওয়া গেছে বলে তিনি শুনেছেন।

    পাথরঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার টি এম শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,হ্যাঁ এমন একটি অভিযোগ শুনেছি। ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

    অমল তালুকদার।।

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে বাবা-ছেলেসহ ৩ জেলে আটক  ইলিশ ও জাল-ট্রলার জব্দ

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে বাবা-ছেলেসহ ৩ জেলে আটক ইলিশ ও জাল-ট্রলার জব্দ

    পাথরঘাটা(বরগুনা)প্রতিনিধিঃ ১৯ অক্টোবর বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী নৌ-পুলিশ সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদে অভিযান চালিয়ে ৩ জেলেকে আটক করে। এসময় দুটি ট্রলার থেকে ৩ হাজার ৭’শ ৫০মিটার জাল, ৪৫কেজি ইলিশ জব্দ করে বলে জানাগেছে।

    চরদুয়ানী নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাথরঘাটার বলেশ্বর নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে বড় টেংরা গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান হাওলাদার (৫০)কে ১টি ট্রলার, ২ হাজার মিটার সাইন জাল, ২০ কেজি মা ইলিশ সহ আটক করা হয়।

    অপর এক অভিযানে বড় টেংরা এলাকার আমিন প্যাদার ছেলে আবু জাফর পেদা(৪২) এবং তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর অপরাধী ছেলে হাসান পেদা(১৪)কে ১৭৫০ মিটার সাইন জাল ও ২৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করে পুলিশ।

    চরদুয়ানী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ সহিদুল ইসলাম সর্দার বলেন, আসামি আবু জাফর সহ হাবিববুর ও কবির হোসন এর বিরুদ্ধে উভয় ঘটনায় পৃথক ২ টি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

    এছাড়াও ওসি শহিদুল ইসলাম সরদার বলেন,অবরোধ চলাকালে নিষেধাজা অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে#

  • পটিয়ায় শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উদযাপন

    পটিয়ায় শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উদযাপন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পটিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলমের সমর্থকরা কেক কাটার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু করে। অটো রিক্সা শ্রমিকদের নিয়ে বিশাল এক শোভাযাত্রা বের করা হয়। এছাড়াও ৫ শতাধিক শ্রমজীবি মানুষদের মাঝে লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

    র‍্যালী পরবর্তী এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ডি.এম জমির উদ্দিন, শ্রমিকলীগ নেতা খোরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা মো. মামুন, উজ্জল ঘোষ, সাইফুল ইসলাম সাইফু, হাসান শরীফ, নজরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, মোঃ দেলোয়ার, সাইফুদ্দিন ভোলা, ইকবাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাহীন, তৌহিদুল ইসলাম জুয়েল, কামাল উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম জুয়েল, আকতার হোসেন, সুজন বড়ুয়া, ছোটন আর্যাচ্য, মোঃ মাসুদ ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন, মোঃ আনিস, মোঃ রুবেল প্রমুখ।

  • কালী প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ

    কালী প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটে রেল কলোনির কালী মন্দিরের পুরনো কালী প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসে দুই জন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। বুধবার দুপুরে (১৯ অক্টোবর) আড়াইটার দিকে ছোট যমুনা নদীর চকশ্যাম ঘাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিখোঁজরা হলেন, জয়পুরহাট সদরের স্টেশনরোড এলাকার মৃত বিশ্বজিৎ বাষ্পের ছেলে সনজিত বাষ্প (২৩) ও একই এলাকার পরশ রজকের ছেলে তন্ময় রজক (১৬)।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিখোঁজ পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সদরের বেল কলোনি কালী মন্দিরের পুরনো কালী প্রতিমা বিসর্জন দিতে আসেন ৭-৮ জন কিশোর ও যুবক। এসময় ছোট যমুনা নদীর চকশ্যাম ঘাটে কালী প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া শেষে তারা নদীতে স্নান করছিল। নদীর গভীরতা বেশি থাকায় সাঁতার না জানায় দুই জন নিখোঁজ হয়ে যায়। এরমধ্যে তন্ময় রজক এসএসসি পরীক্ষার্থী ও সনজিত বাষ্প উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সদস্যরা নদীতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করলেও এখনো পর্যন্ত উদ্ধার তাদেরকে করা সম্ভব হয় নাই।

    জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঠাকুর বলেন, বেল কলোনি কালী মন্দিরের পুরনো কালী প্রতিমা বিসর্জন দিতে আসেন ৭-৮ জন কিশোর ও যুবক। এসময় ছোট যমুনা নদীর চকশ্যাম ঘাটে কালী প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া শেষে তারা নদীতে স্নান করছিল। নদীর গভীরতা বেশি থাকায় সাঁতার না জানায় দুই জন নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজের তিন ঘন্টা অতিবাহিত হলেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এখনো তাদের উদ্ধার করতে পারে নাই। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জয়পুরহাটের মতো জেলায় একজনও ডুবুরি নেই। যার ফলশ্রুতিতে এখনো তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। যদি আজ একজন ডুবুরি থাকতো তাহলে এতোক্ষণে তাদেরকে উদ্ধার করা সম্ভব হতো।

    জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক শওকত আলী জানান, আমাদের ডুবুরি দল না থাকার কারনে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল আসলে উদ্ধার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। রাশেদুজ্জামান।জয়পুরহাট।
    ছবির ক্যাপশন: নিখোঁজ স্বজনদের আহাজারি। বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট সদরের ছোট যমুনা নদীর চকশ্যাম ঘাট থেকে তোলা।

  • উপজেলা পরিষদের সিএ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা ডাকাতি মামলার অভিযোগ

    উপজেলা পরিষদের সিএ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা ডাকাতি মামলার অভিযোগ

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের সিএ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ডাকাতি/দস্যুতা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।

    জানা গেছে, গত ৬ (অক্টোবর) জয়পুরহাট চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ক্ষেতলাল উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের মুহরী আলী মর্তুজা চৌধুরী রবিনের ২য় স্ত্রী ফজিলাতুন নেছা বাদী হয়ে উপজেলা পরিষদের সিএ এস,এম শওকত, তার স্ত্রী জুলেখা পারভীনসহ সূর্যবান মহল্লার ইয়াসমিন এর নামে ৩৯৪/৩৪ ধারায় ৮৩ পি/২২ নং একটি ডাকাতি/দস্যুতা মামলা দায়ের করেছেন।

    ঘটনার বিবরনে জানা যায় যে, বাদী ক্ষেতলাল সদরের মেইন রোড সংলগ্ন সেকেন্দার আলীর বাসার নীচ তলাতে ভাড়া থাকে। সে ও তার স্বামী রবিন উপজেলা ক্যাম্পাসের উত্তর পশ্চিম পার্শ্বে বাড়ী নির্মান করতেছে। উপজেলা পরিষদের সিএ শওকত পরিষদের বাসা-বাড়ীর শ্যামলী ভবনে বসবাস করেন। সেই ভবনের সামনে রবিন বাসা নির্মাণের সামগ্রী রাখলে চলাচলে কিছুটা সমস্যা হয় বিধায় রবিন ও তার স্ত্রীকে সে সব মালামাল সরিয়ে নিতে বললে তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রবিনে স্ত্রী গত ২৭/০৯/২০২২ তারিখ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় তার ক্ষেতলাল বাজারের সদর রাস্তা সংলগ্ন ভাড়া বাসায় ডাকাতি/দস্যুতা করে নগদ ৪ লক্ষ টাকা ও ২লক্ষ ৪০ হাজার টাকার গহনা ডাকাতি করে নিয়ে আসে মর্মে আদালতে মামলা দায়ের করেছে।

    মামলার বিবাদী উপজেলা পরিষদের সিএ এসএম শওকত বলেন, আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি সঠিক তদন্ত পূর্বক এর সুষ্ঠু আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিকট আবেদন জানান।

    এ বিষয়ে বাসার মালিক সেকেন্দার আলী জানান যেহেতু আমার বাসায় আমি নিজেও বসবাস করি সেহেতু আমি জানি এ রকম কোন ঘটনা ঘটেনি। একই বাসার অপর ভাড়াটিয়া প্যাথলজিস্ট এনামুল হক জানান, তাদের বাসায় এর রকম কোন ডাকাতি বা দস্যুতার ঘটনা ঘটেনি।

    মামলায় উল্লেখিত বাসা সংলগ্ন ক্ষেতলাল বাজারের বিভিন্ন দোকান মালিক, আত্তাব হোসেন, খায়রুল, জার্যিস সহ অনেকে সাথে কথা বললে তারা বলেন, ক্ষেতলাল বাজারে দিনের বেলা এত বড় কোন ঘটনা ঘটেনি ঘটলে আমরা নিশ্চয় জানতাম। বাজারে হই হই পড়ে যেত। এ রকম কোন ঘটনা আদৌ ঘটেনি এসব সাজানো।

    এ বিষয়ে একই বাসার ভাড়াটিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুজ্জাম তালুকদার নাদিম বলেন, ডাকাতির কোন ঘটনা ঘটেনি তারপরেও রবিন ও তার স্ত্রীর এ রকম একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করা উচিত হয়নি।

    ক্ষেতলাল বাজারে বসবাসকারী পৌর মেয়র সিরাজুল ইসলাম বলেন তার পৌর এলাকার ক্ষেতলাল বাজারে দিনের বেলা এ রকম কোন ডাকাতি/দস্যুতার ঘটনা ঘটেনি।

    এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার সদ্য বদলী হওয়া সাবেক অফিসার ইনচার্জ রওশন ইয়াজদানীর সাথে মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে, তিনি থাকাকালিন কোন ডাকাতি/দস্যুতার ঘটনা ঘটেনি। এ রকম কোন ঘটনা ঘটলে পুলিশ নিশ্চয় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করত।

    থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল হক জানান, কোর্ট থেকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে সঠিক প্রতিবেদনই প্রেরণ করবে।

    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মন্ডল বলেন, আমার পরিষদের সিএ এসএম শওকত উক্ত তারিখে পুরো সময় (সকাল ৮:০০-বিকাল ০৩:টা) অফিসে থেকে আমাকে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দাপ্তরিক কাজে সহযোগিতা করেছে।

    এ ব্যপারে বাদীর স্বামী আলী মর্তুজা চৌধুরী রবিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ঘটনার দিন অভিযুক্ত ও তার স্ত্রী মিলে আমার ভাড়া বাসায় এসে স্ত্রী কে মারধর করে নগদ ৪ লক্ষ টাকা ও ২লক্ষ ৪০ হাজার টাকার গহনা ডাকাতি করে নিয়ে যায় পরে আমি বাসায় গিয়ে আমার স্ত্রী কে হাসপাতালে ভর্তি করায়। এতো বড় ডাকাতির ঘটনা অথচ ওই বাসার মালিক ও স্থানীয়রা কেউ বলতে পারেনা এবিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাসা মালিক কি সব সময় বাসায় থাকে যে ডাকাতির সময় তিনি ঘটনাটি দেখবেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন গণমাধ্যম কর্মী কে আমি বলিনি, এই নিউজ আপনাদেরকে করতে করতে হবে না।

  • ভুল চিকিৎসায় নারী চিকিৎসকের দৃষ্টি হারানোর বিচার দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন

    ভুল চিকিৎসায় নারী চিকিৎসকের দৃষ্টি হারানোর বিচার দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ভুল চিকিৎসায় কমিউনিটি বেজড মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মাহজাবিন হকের ৩৩% দৃষ্টি হারানোর বিচার গ্রেফতার দাবি করে
    অভিযুক্ত চক্ষু চিকিৎসক ডা. দীপক কুমার নাগের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে হাজারো জনতা।

    বুধবার (১৯ অক্টোবার) দুপুরে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সামনে থেকে পাটগোদাম ব্রীজের মোড় পর্যন্ত ১২টি স্পটে মানববন্ধন কর্মসুচীতে বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষসহ ছাত্র-জনতা অংশ নেন।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি শংকর সাহা, নারী উদ্যোক্তা সেলিমা রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফকরুল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য লুতফুল নেচ্ছা লাকী,গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ শাহা, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর প্যানেল মেয়র ৩ শামীমা রহিম, কাউন্সিলর রোকেয়া হোসেন, শ্রমিক নেতা রাকিবুল ইসলাম শাহীন, ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সহসভাপতি অধ্যক্ষ মিনার, শহিদুল ইসলাম, যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহবায়ক স্বপ্না খন্দকার, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইমতিয়াজ আহমদ বুলবুল, ছাত্রলীগের মহানগর সভাপতি নওশেল আহমেদ অনি,গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিমুল ইসলাম শুভ সহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা। বক্তারা ভুল চিকিৎসার জন্য দায়ের করা মামলা অভিযুক্ত চক্ষু চিকিৎসক ডা. দীপক কুমার নাগের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।

    অভিযোগ রয়েছে দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসক দীপক কুমার নাগের ভুল চিকিৎসায় ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি ব্যবসায়ী নেতা আমিনুল হক শামীম(সিআইপি) এর মেয়ে মাহজাবীন হক মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। এব্যাপারে গত ১০ আগস্ট ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঢাকার সোবানবাগ এলাকার দীন মো. চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. দীপক নাগকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এর আগে চিকিৎসক দীপক কুমার নাগের বিচার দাবিতে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করা হয়।১৯ শে অক্টোবর আবারও তার শাস্তির দাবীতে হাজার হাজার নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করে মানববন্ধন করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করা ও সোসাল মিডিয়ায় ব্যপক প্রচার করা হয়।

    আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআরভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি ও সিআইপি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। মাশার স্বামী এসএসএফের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা।

    বাদীর অভিযোগ, গত জুন মাসে মাহজাবীন হক মাশার চোখের সমস্যা হওয়ায় দীন মো. চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. দীপক নাগের চিকিৎসা নেন। এ সময় তিনি মাশার চোখে লেজার প্রতিস্থাপন করেন। কিন্তু লেজার লাগানোর পর চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করে মাশা। এই অবস্থায় মাশাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান লেজার স্থাপনের কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে।

    মাশা জানায়, পরে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুংগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের রেটিনার ৩৩ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

    বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, চোখে অতিরিক্ত লেজার লাগানোর কারণে আমার বোনের এত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা কারো সঙ্গেই আর না ঘটে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে এটাই আমার প্রত‍্যাশা।

  • ময়মনসিংহে ভবনে এডিস মশার লার্ভা,মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    ময়মনসিংহে ভবনে এডিস মশার লার্ভা,মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের সানকিপাড়া নয়নমণি মার্কেট এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ভবন মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার (১৯অক্টোবর) বেলা ১২ টায় সানকিপাড়া নয়নমণি মার্কেট এলাকায় সিটি করপোরেশনের
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    এছাড়াও, মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটুর নির্দেশনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি এডাল্টিসাইটড ও লার্ভিসাইড প্রয়োগ, ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা, মাইকিং লিফলেট বিতরণ ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    অভিযানকালে উপস্থিত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এইচ কে দেবনাথ বলেন, স্থানীয়ভাবে এডিস মশা দ্বারা সংক্রমিত ডেঙ্গু রোগী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এখনও পাওয়া যায়নি। তথাপিও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। এজন্য মাননীয় মেয়র এর নির্দেশনায় প্রতিরোধমূলক ও সচেতনতা মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ সময় খাদ্য ও স্যানিটেশন বিষয়ক কর্মকর্তা দীপক মজুমদার, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবাল, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মাসুদ রানা জানান নিরাপদ নগরী উপহার দিতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, মসিকের স্বাস্থ্য বিভাগ নির্মানাধীন ভবন ও প্রতিষ্ঠান এডিস মশার লার্ভা সনাক্তকরণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেছে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।