Blog

  • ময়মনসিংহে ব্যাপকভাবে উপজেলা দিবস পালন করেছে জাপার রওশনপন্থীরা

    ময়মনসিংহে ব্যাপকভাবে উপজেলা দিবস পালন করেছে জাপার রওশনপন্থীরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে উপজেলা দিবস পালন করেছে জাতীয় পার্টি। রবিবার (২৩ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যৌথ উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মোখর পরিবেশে দিবসটি পালিত হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে নগরীর সুন্দর মহলে জাতীয় পার্টি
    উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে একটি বিশাল র্যালী বের হয়ে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নগরীর কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এসে
    এক আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি করা হয়।

    এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জাতীয় পার্টির নারী এবং পুরুষ কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

    র‍্যালী শেষে জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা প্রদান করেন জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও মহানগর শাখার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ কে আর ইসলাম,মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম, জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন,জেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি এড এম এ বারী, নুর মোহাম্মদ নুরু,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্বাস আলী তালুকদার, সহ সাধারণ সম্পাদক লাল মিয়া লাল্টু, মহানগর জাতীয় পার্টির অন্যতম সদস্য-আফজাল হোসেন হারুন, শাহজাহান মিয়া,বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। জেলা জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য কাউসার আহমেদ,পরাণগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার,ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী,জাপা নেত্রী রেখা রাণী, মহিলা ইউপি সদস্য ইসমত আরা,চরনিলক্ষা ইউপি সদস্য রাণী আক্তারসহ জাতীয় পার্টির জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সভাপতি-সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব বলেন- দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে পল্লী বন্ধু খ্যাত এরশাদ সরকার সারা বাংলাদেশে উপজেলা সেবা চালু করেন যা বর্তমানে চলমান রয়েছে তিনি আরো বলেন- আগামী সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সরকার গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে তিনশো আসনে প্রার্থী দিবে। এসময় রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে দলকে সাংগঠনিক ভাবে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন-বেগম রওশন এরশাদ এমপি আমাদের ময়মনসিংহের গর্ব, তিনি ময়মনসিংহবাসীকে বিভাগ উপহার দেওয়াসহ নানামুখী উন্নয়ন করেছেন। তার দ্বারা অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন,নেতা হয়েছেন, আজ তারা উনার সাথে বেঈমানী করেছেন। তিনি বলেন- রওশন এরশাদ এমপির সাথে বেঈমানী করার আগে আপনাদের ভাবা উচিত ছিলো কার অনুগ্রহে আপনারা নেতা হয়েছেন। মির্জাফরের খাতায় নাম লেখানোর আগে মনে করা উচিত ছিলো কার অনুগ্রহে আপনি এমপি, আপনারা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে চলুন। ময়মনসিংহের মাটিতে রওশন এরশাদ এমপির বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্রকারীর স্থান হবেনা। কর্মসূচিতে উপস্থিত জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহের জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নিয়ে ময়মনসিংহকে বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসাবে পরিণত করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • ওসি কামালের নেতৃত্বে অভিযানে নাশকতার পরিকল্পনাকালে  জামাতের ১৯ নেতা গ্রেফতার

    ওসি কামালের নেতৃত্বে অভিযানে নাশকতার পরিকল্পনাকালে জামাতের ১৯ নেতা গ্রেফতার

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
    ময়মনসিংহে অরাজক, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও বড় ধরণের নাশকতা চালিয়ে ময়মনসিংহকে অস্থির এবং উত্তপ্ত করে তুলতে জামাতে ইসলামী আবারো মাঠে নেমেছে। বিভাগীয় নগরীতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ কঠোর নজরদারি রেখেছে। শনিবার জেলা জামাতের সেক্রেটারী মোঃ মোজাম্মেল হক আকন্দের নেতৃত্বে ২৫/২৫ জনের একটি গ্রুপ নগরীতে নাশকতার লক্ষ্যে গোপন বৈঠককালে ১৯ জামাত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।
    কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ময়মনসিংহে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অতীতের যে কোন সময়ের অনেক ভাল। মানুষ নিরাপদে চলাচল ও বসবাস করছে। এই পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহকে উত্তপ্ত করে তুলতে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘিœত করতে জামাত ইসলামি বগ ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা করে আসছে। এই অবস্থায় পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা’র নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ কঠোর নজরদারি রেখেছে। শনিবার জেলা জামাতের সেক্রেটারী মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে জামাতের একটি বিশাল চক্র ময়মনসিংহে বড় ধরণের নাশকতা ও শান্ত ময়মনসিংহকে অস্থির করে তুলতে চরপাড়া এলাকায় বৈঠক করে। খবর পেয়ে শনিবার রাতে কোতোয়ালী পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৯ জামাত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।
    গ্রেফতারকৃতরা হলো, জেলা জামাতের সেক্রেটারী মাওলানা মোজাম্মেল হক, ওসমান গনি, আজিজুর রহমান, ফেরদৌস আলম, মোঃ আল আমিন, দেলোয়ার হোসেন কুদ্দুস, মোঃ তাজুল ইসলাম, মোঃ আসাদুজ্জামান, মোঃ শাহিন খান, মাহমুদুল হাসান শাহিন, মাহাবুবুল হাকিম, মোঃ মেহেদী হাসান, সারোয়ার হোসেন, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ নাফিজ, মোঃ আবু হানিফ, ফজলুল করিম ফারুকী, শেখ আহমেদ আফিফা ও মোঃ নুরুল হক। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা ৮১, তাং ২৩/১০/২০২২, ধারা বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/৩ তৎসহ ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/ ৩৫৩ প্যানাল কোড দায়ের হয়েছে। রবিবার ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ওসি শাহ কামাল আকন্দ আরো বলেন, নাশকতাকারী যে দলের কিংবা যত ক্ষমতাধর হোক না কেন তাদেরকে ছাড় দেয়া হবেনা। আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
    নগরবাসির মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আইন শৃংখলা বাহিনীর নিয়মিত নজরদারির ফলে দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষ নিরাপদে চলাচল, ব্যবসা বানিজ্য, নিত্যদিনের কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। এ অবস্থায় ঘাপটি মেরে থাকা জামাতে ইসলামী প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে ময়মনসিংহকে অশান্ত করে তুলতে মরিয়া হয়ে উঠে। চক্রটি জিমিয়ে পড়া জামাত নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে তাদেরকে যুদ্ধের মত রনকৌশলে প্রশিক্ষিত করতে নগরীর আনাচে কানাচে এবং পাড়া মহল্লায় বৈঠক শুরু করে। এ সকল বৈঠক থেকে সরকার ও প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলতে প্রয়োজনে লাশ ফেলে দেয়ার মত জঙ্গি মনোভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলেও খবর রয়েছে। নগরবাসির অনেকেই দাবি করেন, জামাত ইসলামী ময়মনসিংহে বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনায় এই গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। আইন শৃংখলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময় রক্তাক্ত পরিস্থিতির মত জঘণ্য ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিলো।

  • সুন্দরগঞ্জে আলোচিত খলিল হত্যার ঘটনায় ২ আসামি গ্রেফতার

    সুন্দরগঞ্জে আলোচিত খলিল হত্যার ঘটনায় ২ আসামি গ্রেফতার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অটো চালককে হত‍্যা করে অটো ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৭২মঘন্টার মধ‍্যে ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ভোরে উপজেলার গংসার হাট এলাকা থেকে খুনের সাথে জড়িত শান্তিরাম ইউনিয়নের পরাণ গ্রামের আফছার আলীর ছেলে রানা মিয়া(২৭) ও খামার পাচগাছি এলাকা থেকে পরাণ গ্রামের মোঃ মনজু মিয়ার ছেলে মোশাররফ হোসেন মনির(১৯)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    থানা অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম জানান, চালককে হত‍্যা করে অটো ছিনতাইয়ের ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আসামীদের ধরার জন‍্য সোচ্চার ছিল। যার কারণে পরের দিনই পুলিশ ছিনতাই হওয়া সেই অটো বাইকটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেন। এছাড়া এই ঘটনায় আরো একজন জড়িত আছে বলে জানান। পুলিশ তাকেও ধরার জন‍্য তৎপর রয়েছে।

    উল্লেখ্য- গত বৃহস্পতিবার উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের উত্তর বেকাটাড়ি গ্রামের রাস্তার পাশের ধান ক্ষেত থেকে খলিল (৪৫) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • সুনামগঞ্জে সাংবাদিক শাহিনের উপর হামলার মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    সুনামগঞ্জে সাংবাদিক শাহিনের উপর হামলার মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে সাংবাদিক শাহিন ও তার পরিবারের উপর বারংবার হামলা,বাড়ি জমি দখল,লুটতরাজ ও বাজারঘাটে চাঁদা আদায়কারীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়েছে। রোববার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে এই কর্মসুচি পালিত হয়।
    সাবেক এমপি ও সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট শামছুন নাহার বেগম শাহানা রব্বানীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক দৈনিক আজকালের প্রতিনিধি মুহাম্মদ আমিনুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি দৈনিক সুনামকন্ঠ সম্পাদক বিজন সেন রায়,সহ-সভাপতি রওনক আহমদ, দৈনিক সমাচার প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিজান, দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও বাসস প্রতিনিধি আল-হেলাল, ইউএনবি প্রতিনিধি অরুন চক্রবর্ত্তী,সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি দৈনিক সুনামগঞ্জের সময় পত্রিকার সম্পাদক সেলিম আহমদ তালুকদার,সাধারন সম্পাদক ও সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি হিমাদ্রি শেখর ভদ্র মিঠু,প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শ্যামল,অর্থ সম্পাদক একে কুদরত পাশা,দৈনিক জালালাবাদ প্রতিনিধি মো.জসীম উদ্দিন ও সাংবাদিক আব্দুল শহীদ প্রমুখ। মানববন্ধনে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এবং ইলেক্ট্রনিক,প্রিন্ট ও অনলাইন ওয়েবপোর্টালের প্রায় শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
    বক্তারা বলেন,সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সোহালা গ্রামের আফতাব উদ্দিন একজন আত্মস্বীকৃত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দ্বারা সে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাংলা ভাইকেও ছাড়িয়ে গেছে। জনগন তাকে তাহিরপুরের বাংলা ভাই হিসেবে ভয় পায় ও এ নামে ডাকে।
    তার দ্বারা দুবার আহত ও লুটতরাজের স্বীকার হয়ে গত ১৩/১০/২০২২ইং তারিখে সাংবাদিক শাহীন বাদী হয়ে তাহিরপুর কোর্টে ২২৬/২০২২ নং পিটিশন দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে তাহিরপুর থানার নিয়মিত মামলা নং ৯ তাং ১৯/১০/২০২২ইং ধারা ৩৮৫/৩৭৯/৩২৩/৫০৬/৩৪ দ:বি: রুজু হয়। শুধু তাই নয়,রুহিঙ্গা নাগরিকদেরকে বাদাঘাট ইউনিয়নের ভূয়া নাগরিক সাজিয়ে সনদপত্র প্রদানের ঘটনায় প্রশাসন বাদী হয়ে আফতাব উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের ও চার্জসীট প্রদান করেছেন। ইউনিয়নের পৈলানপুরের মানিক মিয়ার দায়েরকৃত দাঙ্গা হাঙ্গামার মামলার প্রধান আসামী আফতাব উদ্দিন। সরকারী গাছ কেটে নেয়ার ঘটনায় তহশীলদার আশীষ বাবু তাকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পুত্র হাকিকুল মিয়াকে রামদা দিয়ে কোপিয়ে জখম করার ঘটনায় বাদাঘাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোঃ রেনু মিয়ার দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী আফতাব উদ্দিন। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
    এছাড়াও ঘাগড়া গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সাবেক মেম্বার শামসুল হক শিকদার, পাটানপাড়া নিবাসী হুমায়ূন কবীর সর্দার ও অবলা বিধবা ফেরদৌস বেগম তাহিরপুর থানা ও বিজ্ঞ আদালতে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। তারপরও তাহিরপুর থানা পুলিশ আফতাব উদ্দিন ও তার সহযোগী শিপন,রিপন,জিন্নাহ,মানিক ও আলাইউনগংদেরকে গ্রেফতার করছেনা।
    সাংবাদিকরা গডফাদার আফতাব উদ্দিন ও তার বাহিনীর সকল চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • বরিশাল জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মোঃ হেলাল উদ্দিন

    বরিশাল জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মোঃ হেলাল উদ্দিন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশাল জেলার গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মোঃ হেলাল উদ্দিন বরিশাল জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হলেন।দুর্র্ধর্ষ ডাকাত সদস্যদের গ্রেপ্তারে সফলতা অর্জন করায় সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বরিশাল জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হলেন মোঃ হেলাল উদ্দিন।সে গৌরনদী মডেল থানায় বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আল বেরুনী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোঃ শাহজাহান হোসেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌরনদী সার্কেল এসএম আল বেরুনী, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন।জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বিপিএম সেপ্টেম্বর মাসের শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ হেলাল উদ্দিনের হাতে শ্রেষ্ঠত্বর সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিয়েছেন।

  • ফেসবুকের পরিচয়ে প্রেম বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ

    ফেসবুকের পরিচয়ে প্রেম বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ

    সুমন তালুকদার।।

    রিপোর্ট!! গৌরনদী প্রতিনিধি।

    ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্রধরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক, অতঃপর বিয়ের প্রলোভনে নিজ বাড়িতে বেড়াতে এনে প্রেমিকাকে (২৬) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে প্রেমিক।
    পরবর্তীতে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতিতা প্রেমিকার দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় শনিবার সকালে ধর্ষক প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ।

    ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের বোরাদী গরঙ্গল গ্রামের।
    এজাহারের বরাত দিয়ে গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হেলাল উদ্দীন জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা এক যুবতীর সাথে পাঁচ মাস পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বোরাদী গরঙ্গল গ্রামের মৃত দিলীপ সরকারের ছেলে দীপক সরকারের (৩৪)। সে সুবাধে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকাকে নিজ বাড়িতে বেড়াতে এনে গত ৭ আগস্ট রাতে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে দীপক। পরবর্তীতে বিয়ের জন্য চাঁপ প্রয়োগ করা হলে দীপক নানা তালবাহানা শুরু করে।
    নির্যাতিতা এজাহারে আরো উল্লেখ করেন, গত ২১ অক্টোবর তিনি দীপক সরকারের বাড়িতে এসে বিয়ের জন্য চাঁপ প্রয়োগ করলে দীপক তাকে মারধরসহ বিভিন্নধরনের হুমকি প্রদান করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। উপায়অন্তুর না পেয়ে ওইদিন রাতে নির্যাতিতা যুবতী বাদি হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। রবিবার সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কেএম আব্দুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ধর্ষক দীপক সরকারকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৌরনদীতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

    তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৌরনদীতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

    রিপোর্ট!! গৌরনদী প্রতিনিধি।
    তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন সুমন হাওলাদার (৩৫) নামের আরেক চাচাতো ভাই।
    ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার উত্তর বিল্বগ্রাম এলাকার। নিহত সুমন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছেলে। সে বিল্বগ্রাম বাজারের ইলেকট্রিক মেকার ছিলো।
    স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, বসতবাড়ির পুকুর থেকে পানি নামানো নিয়ে শুক্রবার সকালে একই বাড়ির চাচাতো ভাই জাফর হাওলাদার, হেলাল হাওলাদার ও ইদ্রিস হাওলাদারের সাথে বিরোধ হয় সুমনের। একপর্যায়ে চাচাতো ভাইদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয় সুমন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। শনিবার বিকেলে সুমনের অবস্থার অবনতি হলে কর্তরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে শনিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় মারা যায় সুমন। পরে লাশ নিয়ে গৌরনদী মডেল থানায় যায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
    গৌরনদী মডেল থানার ওসি মোঃ আফজাল হোসেন জানান, রবিবার সকালে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    সুমন তালুকদার
    গৌরনদী, বরিশাল

  • মধুপুরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১

    মধুপুরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরের আলোকদিয়া ইউনিয়নের রানিয়াদ এলাকা হতে ৪৫ পিছ ইয়াবা সহ আকতারুজ্জামান(৩৪) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে মুক্তাগাছার এপিবিএন। জানা যায় গতকাল শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুক্তাগাছার এপিবিএন এর একটি দল মধুপুরের রানিয়াদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে রানিয়াদ বালিয়াচরা এলাকা থেকে রানিয়াদ গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে আকতারুজ্জামানকে ৪৫ পিছ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করে। এসময় তার হেফাজতে থাকা (৪৫) পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে তার বিরুদ্ধে এপিবিএন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এজাহার দায়েরের পর তার বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করে রবিবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • দোয়ারাবাজারে টিসিবি’র খোলা প্যাকেট নিয়ে ডিলারের সংবাদ সম্মেলন

    দোয়ারাবাজারে টিসিবি’র খোলা প্যাকেট নিয়ে ডিলারের সংবাদ সম্মেলন

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    দোয়ারাবাজারে টিসিবি’র খোলা প্যাকেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বক্তব্য দিয়েছেন নিযুক্ত ডিলার কৃপা সিন্ধু রায় ভানু। রোববার দুপুর দোয়ারাবাজার প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ডালের প্যাকেট গুদাম থেকে নিয়ে আসার সময় কিছু কিছু প্যাকে ফেটে যায়। এসব প্যাকেট থেকে ডাল খালি করে সাদা পলিথিনে করে ভোক্তাদের দেয়া হয়। খালি প্যাকেটগুলো ফেলে দিয়েছি। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ লোকজন ২০/২৫টি খোলা প্যাকেট নিয়ে নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। গত রমজান মাসে ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টিও অহেতুক। গত রমজান মাসে ডিসি স্যার তাঁর লোক দিয়ে প্যাকেট করেছেন। এসব প্যাকেটের কোনো কোনোটিতে পণ্য কম ছিল কোনোটিতে বেশি ছিল। এসবের কোন ভিত্তি নেই। সম্প্রতি ফেটে যাওয়া কয়েকটি প্যাকেট ফেলে দিলে তার ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

    জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, টিসিবি’র ডালের খোলা প্যাকেটের ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

  • সারাদেশে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে তেল, চিনি ও ডিমসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য-অভিযান অব্যাহত

    সারাদেশে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে তেল, চিনি ও ডিমসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য-অভিযান অব্যাহত

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে তেল, চিনি, ডিমসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য। অভিযান অব্যাহত থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা কোনভাবেই দাম কমাচ্ছে না, প্রায় প্রতিটি এলাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ২ মাস ধরে ডিম, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে, বর্তমানে গত ৩-৪দিন ধরে আবার চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে, চিনি প্রতি কেজি ৯৫ টাকা থেকে ১২০ টাকা করা হয়েছে। জানা গেছে, গত (২০ আগস্ট ২০২২ইং) তারিখে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডিমের দাম বৃদ্ধি করে একটি চক্র। গত ৭ আগস্ট ২০২২ইং প্রতিটি ডিমের ক্রয় মূল্য ৯টাকা ৪০ পয়সা ছিলো-২০ পয়সা লাভে বিক্রি করে তার মূল্য হয় ৯ টাকা ৬০ পয়সা করার কথা। ১৭ আগস্ট ২০২২ আবার প্রতিটি ডিমের মূল্য ৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে বিক্রি মূল্য ১১ টাকা ৮০ পয়সা করা হয়, প্রতিটি ডিমের লাভ ২টাকা ৭০ পয়সা করে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার আশুলিয়ায় ডিমের ৩টি আড়তকে মোট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার জরিমানাসহ ১টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর। ওইদিন শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বগাবাড়ি বাজার এলাকায় ডিমের আড়তে প্রথমে অভিযান পরিচালনা শুরু করে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। এসময় কয়েকজন অসাধুডিম ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়, আটককৃতরা হলেন-আসিফ হোসেন এন্টারপ্রাইজ ডিমের আড়তের মালিক শাহ আলম হোসেন ও এসজে এগ্রো এর মালিক স্বপন ইসলাম, পরে তাদেরকে জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়।
    জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডিমের বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ায় ডিমের আড়তে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এভাবে কারসাজির মাধ্যমে ডিমের দাম বৃদ্ধি করা ইত্যাদি অপরাধে আসিফের ডিমের আড়তকে ১ লক্ষ টাকা, এস জে এগ্রো ডিমের আড়তকে ১ লক্ষ টাকা এবং আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুরের সরকার মার্কেটের ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ সর্বমোট ৩টি প্রতিষ্ঠান ডিমের আড়ৎকে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুইটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয় এবং পরে জরিমানা আদায় করে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
    উল্লেখ্য গত ১৩ আগস্ট ২০২২ইং তারিখে কাজী ফার্মে উৎপাদিত সব ডিম প্রস্তাবিত দরের চেয়ে বেশি দর হাঁকিয়ে নিলামের মাধ্যমে সব ডিম ক্রয় করে অতি মুনাফা লাভের আশায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে তারা। উক্ত প্রতিষ্ঠানে ডিম ক্রয়-বিক্রর কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি, এমনকি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ৩০ জুন ২০২২ইং তারিখে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এ সকল অপরাধে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের সকল প্রকার কার্যক্রম জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়, কিন্তু আইন অমান্য করে তারা পরের দিন থেকেই তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন।
    জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে তদারতিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয় এর আগেও কিন্তু তারা এখনও নিয়ম ভেঙে তাদের পাম্পে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এ অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল ও ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মাগফুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার।
    উক্ত অভিযান পরিচালনাকালে রাজধানীর মতিঝিল থানাধীন করিম এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের ২টি ডিসপেনসিং ইউনিট অকটেন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায় এবং ১টি ডিসপেনসিং ইউনিটে প্রতি ৫লিটার অকটেনে ৫৪০ মিলিলিটার ও অপরটিতে ৪৯০ মিলিলিটার অকটেন কম পাওয়া যায়। অকটেন ডিসপেনসিং ইউনিটে (অকটেন পরিমাপক যন্ত্রে) কারচুপি, ডিজেল বিক্রির উদ্দেশ্যে ওইদিন রাত ১২টার আগেই ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখা ইত্যাদি অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলে ভোক্তা-অধিদপ্তর কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার মন্ডল জানান। একই সাথে ডিসপেনসিং ইউনিট ২টি থেকে অকটেন বিক্রি জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার পূর্বক জরিমানা প্রমান করা এবং সকলের উপস্থিতিতে ডিসপেনসিং ইউনিট ২টি কারেকশন করাসহ ভবিষ্যতে এ ধরণের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন মর্মে অঙ্গীকার করেন।
    উল্লেখ্য এর পূর্বে রমনা ফিলিং স্টেশনে তদারকি করে মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া গেলেও বিস্ফোরক ও ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি। উল্লেখ্য ফিলিং স্টেশনটিতে ২৭ হাজার ৬শ’ ২৩ লিটার অকটেন বর্তমান মজুদ পাওয়া গেলেও বিনা নোটিশে গতকাল বিকেল ৬টা থেকে ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রবেশ দ্বারে “ভিআইপি চলাচলে নিরাপত্তার সার্থে সাময়িকভাবে তেল বিক্রয় বন্ধ” লেখা টানানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। সত্যি কোনো ভিআইপি চলাচল করছে কিনা এবং সরকারের কোনো সংস্থা কর্তৃক প্রতিষ্ঠাটিকে অনুরুপ অনুরোধ/নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে সেব্যাপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণসহ স্থিতিশীল বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ঢাকা জেলা কার্যালয়ের অফিস প্রধান মোঃ আব্দুল জব্বার মন্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর কর্তৃক এ ধরণের অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে। দেখা যাচ্ছে, প্রায় প্রতিটি এলাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তেল, চাল, চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্য বেশি দামে বিক্রি করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা, কোনো ভাবেই দাম কমানোর বালাই নেই। এতে সরকারের বদনাম হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল জানায়।