Blog

  • বাবুগঞ্জে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবস-রপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সং-বর্ধনা অ-নুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবস-রপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সং-বর্ধনা অ-নুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে এবং ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে।

    রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান জনাব এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
    প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক সহ সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদল এ্যাডঃ এইচ এম তসলিম উদ্দিন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
    বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স
    সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এ্যাডঃ ইউনুস আলী রবি
    ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদল মামুন রেজা খান
    প্রাক্তন ছাত্র ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ রকিবুল হাসান খান
    অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে বিদ্যালয়ের ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
    ১. জনাব মোঃ আবদুল আজিজ খান
    ২. মোঃ আব্দুল বারী তালুকদার
    ৩. মোঃ ওয়াজেদ আলী শরীফ
    ৪. মোঃ আলী আহম্মেদ হাওলাদার
    ৫. মোঃ বজলুর রহমান
    ৬. মোঃ আব্দুল হাই হাওলাদার
    ৭. মোঃ আমির হোসেন
    ৮. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক শরীফ
    ৯. শিশির কুমার মুখার্জী
    ১০. অশোক কুমার মন্ডল
    ১১. খোকন চন্দ্র দাস
    ১২. মোঃ রফিকুল ইসলাম
    ১৩. মোঃ আছাদউজ্জামান খান
    ১৪. মোঃ নুরুল আলম শরীফ
    ১৫. এস এন কিউ জুলফিকার আলী
    ১৬. মোঃ নুরে আলম জমাদ্দার
    ১৭. রনজিৎ কুমার মুখার্জী
    ১৮. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
    ১৯. আঃ হক হাওলাদার (মোয়াজ হাওলাদার)

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—
    বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস
    বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক আল-আমিন
    বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইয়াসিন আরাফাত
    বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি মোঃ আসিফ সিকদার
    অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও প্রাণবন্ত।

  • র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে হ-ত্যা মাম-লার যা-বজ্জীবন সাজা-প্রাপ্ত পলা-তক আ-সামি গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে হ-ত্যা মাম-লার যা-বজ্জীবন সাজা-প্রাপ্ত পলা-তক আ-সামি গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে শাহজাদপুর থানা এলাকা হতে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ২৩ আগস্ট ২০১২ খ্রিঃ তারিখে আসামি মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে বাদী মোঃ ওসমান গণী শাহজাদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪ পেনাল কোড। উক্ত মামলার বিচার কাজ শেষে বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নং-০২, সিরাজগঞ্জ গত ২৭ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত মোঃ সেলিম রেজাকে পেনাল কোড এর ৩০২/৩৪/১৪৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ০২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন এবং তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন। রায় হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামি মোঃ সেলিম রেজা আত্মগোপনে থাকেন বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ, বিকাল ১৭.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর বিসিক বাসস্ট্যান্ড হতে’’ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • অ-বৈধভাবে কাঠ পো-ড়ানো ব-ন্ধের দাবি এলাকাবাসীর

    অ-বৈধভাবে কাঠ পো-ড়ানো ব-ন্ধের দাবি এলাকাবাসীর

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে কয়লার চুল্লি।ফলে হুমকির মুখে পরিবেশ। প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে কয়লার চুল্লি। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরিতে পরিবেশ বিপর্যয় মুখে।এ নিয়ে বিভিন্ন সময় পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে নড়ে চড়ে বসে চুল্লির গোলা মালিকরা। অধিক লাভজনক হওয়ায় সবদিক ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসায় নেমে পড়েছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর ক্ষমতার উৎস কি রয়ে গেছে মানুষের অজানা!

    সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খুলনা জেলার পাইকগাছা-কয়রা উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে, চাঁদখালী বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণে কয়লার চুল্লি গড়ে উঠেছে।এ চুল্লিতে প্রতিদিন শত শত মন কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে এতে করে পরিবেশের ব্যাপকভাবে ক্ষতি হচ্ছে।

    প্রতিদিন এমন ভাবে কাঠ পুড়তে থাকলে বনজসম্পদ উজাড় হয়ে যাবে। ফলে জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণীর অস্তিত্বকে হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়াও এটি জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমিধস, বন্যা,খরা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়িয়ে মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় সচেতন মহল বলেছেন অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

    স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,একটি চুল্লিতে প্রতিবার দুই থেকে চার’শ মন পর্যন্ত কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিবার কমপক্ষে পঁচিশ হাজার মন কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিমাসে প্রত্যেকটি চুল্লিতে তিন থেকে চারবার কাঠ পুড়িয়ে কয়লা করা হয়। প্রতিমাসে কয়লার চুল্লিতে আশি হাজার থেকে এক লক্ষ মন কাঠ পোড়ানো হয়।কয়লার চুল্লির এই গোলায় ১২ মাস চলে এতে প্রতি বছর হাজার হাজার মন কাঠ পোড়ানো হয় এ গোলায়। ফলে ধ্বংস হচ্ছে প্রাকৃতিক সহ সামাজিক বনায়ন। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। এদিকে বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, প্রকৃতি ধ্বংস সহ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও অদৃশ্য কারনে এতদিন কর্তৃপক্ষ্য নিরব। এবং গোলার মালিকরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়লার চুল্লির ধোঁয়ার কারনে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় পথচারীরা এ সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় চোখ জ্বালা সহ যেনো দম বন্ধ হয়ে যায় তাদের। এলাকাবাসীর অভিযোগ কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ার কারনে বসবাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে চোখের বিভিন্ন সমস্যা সহ শ্বাসতন্ত্র জনিত সমস্যা যেন লেগেই থাকে। কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়া থেকে পরিত্রাণ পেতে চান এলাকাবাসী।

    সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবৈধ চুল্লি ধ্বংস বা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট মো. আসিফুর রহমান ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।সে সময়ে ৬৯টি চুল্লির মধ্যে স্কাভেটর দিয়ে ৫টি ধ্বংস করা হয়েছিলো। বাকী কয়লা চুল্লি গুলো বন্ধ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। মানবিক কারনে ১ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ ও অপসারণ করার শর্তে স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু শাহাজাদা ইলিয়াস মুচলিকা দেওয়ায় কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নেন। তিন বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও বন্ধ হয়নি কয়লার চুল্লি, অভিযান পরিচালনার পরে পুনরায় নড়েচড়ে বসে মালিকপক্ষ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এ প্রতিবেদককে জানান, এই কয়লার গোলা মালিকদের একটা সমিতি রয়েছে।তাদের একটি ফান্ডও আছে, মাসিক চাঁদা উঠিয়ে সেই ফান্ডে রাখে এবং সেটা দিয়ে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে। তারা খুব ক্ষমতাশালী, সব দিক ম্যানেজ করে তারা চলে যার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ কেউ করে না। কয়লার এই গোলা স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে না পারলে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।

    পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এফএমএ রাজ্জাক বলেন, প্রতিবছর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে যেয়ে কিছু টাকা জরিমানা করে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে এই অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা বন্ধ করতে না পারলে পরিবেশের জন্য এটি হুমকিস্বরূপ। এই ভাবে চলতে থাকলে পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। তাই দ্রুত কয়লার চুল্লি গুলো স্থায়ী ভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন।

    কাঠের চুল্লিতে ব্যবহার, অধিক জনসংখ্যার চাপ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বন উজাড় হচ্ছে। বনজ সম্পদ রক্ষা করা না হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে, যার প্রভাব পড়বে প্রকৃতিতে। দিনের পর দিন এমনি ভাবে বনজ সম্পদ উজাড় করার ফলে পরিবেশ আজ বিপর্যয়ের মুখে।ফলে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামবাসী। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

    এবিষয়ে উপজেলার চাঁদখালী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ সরদার জানান, এই কয়লার চুল্লি গুলো ১২ (বারো) মাস চলে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অভিযান চালায় স্থানীয় প্রশাসন। কয়েকটি চুল্লি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে এবিষয়ে তার কাছে কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ করলে আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি আরো বলেন এই কয়লার চুল্লি পরিবেশের ক্ষতি করছে। এছাড়াও বায়ু দূষণ সহ এলাকার গাছপালা উজাড় করে ফেলেছে।

    এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম জানান, আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পবিত্র মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    পবিত্র মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    হারুন অর রশিদ।

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদরাসায় মীলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
    শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ২ টায় ভুজনা কালিকাপুর খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদরাসা কক্ষে ডা. আব্দুল হামিদ এর সভাপতিত্বে ও মাদরাসা শিক্ষক হাফিজ খালেদ আহমেদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনাদের ছেলে মেয়েদের ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রী নিতে মাদরাসায় পড়ান। আলিয়া মাদরাসা গুলো এখন আর পিছিয়ে নয়। আপনাদের সন্তানের কথা চিন্তা করেই খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার তৈরি করা হয়েছে। আপনারা সবাই মাদরাসার দায়িত্ব পালন করলে অচিরেই এর সুফল ভোগ করবেন। এসময় তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, হাজী আব্দুর নূর, আব্দুল মতিন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম নেয়ামত, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক, সাইদ হাসান, মুজিবুর রহমান, কবির মিয়া, নূরুল আমিন, আলি আহমদ, আলি আসকর, আব্দুল জলিল, মাদরাসার শিক্ষক রাকিব হাসান, হাফিজ মাসরুর আহমেদ, মাওলানা হাফিজুর রহমান, হাফিজ খালেদ আহমেদ প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানে মাদরাসার উন্নয়ন, নতুন একাডেমিক ভবনে স্থানান্তর। স্থানীয়দের মাদরাসার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উৎসাহ প্রদান। এছাড়াও মীলাদুন্নবী উপলক্ষে হাম, নাত গজল ও কুরআন তেলাওয়াতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • নড়াইলে আসন্ন শার-দীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আই-ন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অ-নুষ্ঠিত

    নড়াইলে আসন্ন শার-দীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আই-ন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অ-নুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) টাউন কালী বাড়ি মন্দিরে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে নড়াইল পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে শারমিন আক্তার জাহান, জেলা প্রশাসক, নড়াইল; এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে মোঃ রবিউল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নড়াইল উপস্থিত ছিলেন।
    মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার তার বক্তব্যের শুরুতে সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং পূজা উদযাপন বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা ও মত প্রকাশ করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নড়াইল জেলা পুলিশ সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সরকারি সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ পূর্বক শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে এবং নড়াইল জেলা পুলিশের মেসেজ তৃণমূল পর্যায়ে সকলের নিকট পৌঁছে দিতে আহবান জানান।
    এ সময় তিনি পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, কলাপসিবল গেটের ব্যবস্থা করা, পূজা মন্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মন্ডপে পালাক্রমে ডিউটির ব্যবস্থা করার জন্য পূজা উদযাপন কমিটিকে অনুরোধ করেন। নারী ও শিশুদের প্রতি বিশেষ নিরাপত্তা এবং মাদক থেকে বিরত থাকতে সবাইকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।
    এছাড়া কোথাও কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিট অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ৯৯৯ অথবা পুলিশ সুপারকে অবহিত করার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
    উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, নড়াইল, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নড়াইল জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দরজা সবার জন্য খোলা-  শামীম সাঈদী

    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দরজা সবার জন্য খোলা- শামীম সাঈদী

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    সিরাতুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আয়োজনে নৌ র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। নৌ র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ২ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সালঈদীর পুত্র শামীম সাঈদী। ঐ র‍্যালিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের জলাবাড়ি ও আটঘর কুড়িয়ানার শতাধিক লোকজন র‍্যালি শেষে তার সাথে দেখা করেন এবং বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীতে যোগদানের সময় তিনি ঐ কথা বলেন।

    ১৩ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল দশটায় জগন্নাথকাঠি বন্দর থেকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে মসজিদ ঘাট থেকে শতাধিক টলার নিয়ে র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিতে জামায়াতে ইসলামী নেছারাবাদ উপজেলার নেতৃবৃন্দ ও জেলা নেতৃবৃন্দ, ছাত্র শিবির ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঐ নৌ র‍্যালির অংশগ্রহণ করে।

    নেছারাবাদ উপজেলা শাখার জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল কালাম আজাদের দিক নির্দেশনায় র‍্যালিটি পরিচালিত হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে মিয়ারহাট বন্দরে এসে শেষ হয়।

    পূর্বে দুপুরে মধ্যাহ্ন বিরতির সময় জলাবাড়ি এবং আটঘর কুড়িয়ানা থেকে ঐ নৌর‍্যালিতে অংশ নেয়া প্রায় শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন, সামীম সাঈদীর সাথে দেখা করে জামাইয়েত ইসলামীতে যোগদান করেন। এ সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন, আমরা আওয়ামীলীগ দেখেছি, বিএনপিকে দেখেছি, জাতীয় পার্টিকে দেখেছি তারা সবাই আমাদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করেছে। তাই আমরা জামায়েত ইসলামী যোগ দিয়েছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়ি পাল্লায় ভোট দেব।

    এসময় শামীম সাঈদী সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামে সবার জন্য দরজা খোলা যারাই জামায়েত ইসলামের যোগ দিতে চায় আমরা তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করবো। এই পিরিজপুরে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এমপি ছিলেন, তার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শান্তিতে ছিল তাই তারা মনে করছেন জামায়েত ইসলামের দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে তারা শান্তিতে থাকতে পারবেন।এজন্য তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিচ্ছেন।

    এ সময় শামীম সাঈদীর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাময়েত ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওঃ মো মহিউদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো আব্দুর রশিদ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো জহিরুল ইসলাম, বাইতুল মাল সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দিন, কর্মপরিষদ সদস্য মো গোলাম আযম আছলাম, শাহ মোঃ জাকির হোসাইন, মো সাইদুর রহমান, মজলিশে শূরা সদস্য মো মাছুম বিল্লাহ, মাওলানা আবুল হালিম প্রমুখ।

  • খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা টাউন ডিফেন্স পার্টি (টিডিপি)। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামাজিক উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, টিডিপি সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে লবনচরা সুইজগেট খালের জমে থাকা কচুরিপনা অপসারণ করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে অপরিষ্কার থাকা এই খালটি ডেঙ্গু মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল, যা স্থানীয়দের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছিল।

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর খুলনা জেলা কমান্ড্যান্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবী টিডিপি এবং আনসার টিডিপি ক্লাবের সদস্যরা। শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন খুলনা সদর থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষিকা হামিদা খাতুন। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড টিডিপি দলনেতা মোঃ শফিকুজ্জামান বলেন, দেশের মোট ডেঙ্গু রোগীর প্রায় ৫২ শতাংশ উপকূলীয় ১৩টি জেলায়, যার মধ্যে খুলনা অন্যতম। শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা টিডিপি সদস্যরা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে এই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। স্থানীয়রা টিডিপি সদস্যদের এই মহৎ উদ্যোগকে সাধারণ মানুষজন সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপনায় ভরে থাকা এই খালটি শুধুমাত্র জলাবদ্ধতাই নয়, বরং ডেঙ্গু মশার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট হয়ে উঠেছিল। টিডিপির এই স্বতঃস্ফূর্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এলাকার স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। এ সময় আনসার ভিডিপি ও টিডিপি সদস্য ও সদস্যা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আনসার ভিডিপি’র মহাপরিচালকের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমি পরি-দর্শনে

    আনসার ভিডিপি’র মহাপরিচালকের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমি পরি-দর্শনে

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত আনসার ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শন করেছেন। তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর গাজিপুর জেলার সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমী পরিদর্শন করেন। ঐ দিন তিনি একাডেমিতে পৌঁছালে একাডেমির কমকর্তারা তাঁকে স্বাগতম জানান। এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল একাডেমির চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, নতুন অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণার্থীদের আবাসন ব্যবস্থার সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

    পরিদর্শনের শুরুতে মহাপরিচালক এলাহি বক্স অডিটোরিয়ামে চলমান মনিটরিং মাঠকর্মী প্রশিক্ষণ-২০২৫ (২য় ধাপ) এর প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশ নেন। সেখানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। এরপর তিনি নবনিযুক্ত প্রশিক্ষকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং তাদের আসন্ন প্রশিক্ষণগুলো সততা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। মহাপরিচালক একাডেমি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে ছিল নবনির্মিত প্রশিক্ষণার্থী ব্যারাক, টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার), এসল্ট গ্রাউন্ড, হরিণ খামার এবং পিকনিক স্পটের কটেজ প্রমূখ। তিনি বিশেষ ভাবে ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবন, ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার আনসার ভিডিপি স্কুল এন্ড কলেজ, এবং ২ নম্বর গেটের কাছে অবস্থিত আনসার মার্কেট পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শন শেষে মহাপরিচালক একাডেমির প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফিদা মাহমুদ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; উপমহাপরিচালক (প্রশাসন) কর্নেল মোঃ ফয়সাল আহাম্মদ ভুঁইয়া, পিএসসি; এবং উপমহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল আবছার ডেপুটি কমান্ড্যান্ট, আনসার ভিডিপি একাডেমি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

  • বাবুবাবুগঞ্জের (আগরপুরে) গন অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সু-স্থতায় দোয়া মোনা-জাত

    বাবুবাবুগঞ্জের (আগরপুরে) গন অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সু-স্থতায় দোয়া মোনা-জাত

    কে এম সোয়েব জুয়েল।
    বাবুুগঞ্জ উপজেলার ১নং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে, গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাবেক ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের সুস্হতা কামনা করে দোয়া মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় বাবুবাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর বন্দরে এ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন,বারিশাল জেল গনঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন,জেলা যুবঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদর রাজন মৃধা,বাবুুগঞ্জ উপজেলা গনঅধিকার পরিষদের রানা আহম্মদ, জুয়েল আকন, মাসুম বিল্লাহ, রেজাউল করিম খান।উপজেলা যুবঅধিকার পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম আকাশ,জহিরুল ইসলাম। জাহাঙ্গীরনগর ইউয়ন গনঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কবির হোসেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজি আলামিন
    সহসভাপতি মুমিনুল।ইউনিয়ন ছাত্র নাহিদ ইসলাম, সজল,রোমান এবং সাধারণ জনতা,উপস্থিত সবাই গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সুস্হতা ও দেশবাসির শান্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন। যুবঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মাহাবুবুর রাহমান, জেলা গনঅধিককার পরিষদের সভাপতি শামিম রেজা,সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাসান,প্রবাসী অধিকার পরিসষদ ইটালি শাখার সভাপতি এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন, কুয়েত শাখার শহিদ পাহলান,উপজেলার যুব সহসভাপতি বি এম ইব্রাহীম জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে এত সুন্দর আয়োজন করায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ড়

  • জামায়াতের নমীনি পরিবর্তনের দা-বীতে ঐক্যবদ্ধ জনতার বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    জামায়াতের নমীনি পরিবর্তনের দা-বীতে ঐক্যবদ্ধ জনতার বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    মো: সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : ১৫০ ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন কে পরিবর্তনের দাবীতে ‘ফুলবাড়িয়া উপজেলা ঐক্যবদ্ধ জনতা’ ব্যানারে অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন এর সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বিকালে উপজেলা সদরের চত্বরে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সাবেক শিবির নেতা মাওলানা ইউছুফ আলী নূরী, সাবেক শিবির নেতা জাকির হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন তারা,
    বক্তারা বলেন, এক সময়কার জেলা আমীর অধ্যাপক জসিম উদ্দিন শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ। অথচ উর্ধ্বতন নেতাদের বুঝানো হয়েছে তিনি (অধ্যাপক জসিম উদ্দিন) শারীরিকভাবে অক্ষম। এ আসনে জামায়াতের কার্যক্রম সম্প্রসারণের ব্যাপারে তার অবদান অপরিসীম। আমাদের রক্ত মাংসে জামায়াত শিবির মিশে আছে অথচ গতকাল শুক্রবার আমাদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে জিডি করে ফুলবাড়িয়া থানার পাঠানো হয়েছে। রাতে আমাদের বাসায় পুলিশ গিয়েছিল। আমরা বলেছি, আমাদের শরীরে শিবিরের রক্ত আমরা ফ্যাস্টিট না। বক্তারা হুঙ্কার দিয়ে বলেন, যদি এ আসনে জামায়াতের এমপি হতে চান, তাহলে আমাদের সাথে সমন্বয় করে যেতে হবে, তা না হলে এমপি হওয়ার স্বপ্নই দু:স্বপ্নই থেকে যাবে। উপস্থিতিতে দেখে বলেন, আমাদের প্রথম বিজয় হয়ে গেছে। এখন দ্বিতীয় বিজয় (ঘোষনার বাকী) হবে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুলবাড়িয়ার আসন নিয়ে পুন: বিবেচনার আহ্বান জানান।