Blog

  • এমপি পদপ্রার্থী সবুজ খানের অবরোধ বিরোধী বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

    এমপি পদপ্রার্থী সবুজ খানের অবরোধ বিরোধী বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য আশিকুর রহমান খান সবুজ নেতৃত্বে এ মিছিল হয়। মিছিলটি পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শতাধিক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে আশিকুর রহমান খান সবুজ সুজানগর পৌরসভা,উপজেলার সাতবাড়িয়া,মানিকহাট,ভাঁয়না নাজিরগঞ্জ,হাটখালী,দুলাই,তাঁতীবন্দ ইউনিয়নসহ পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য আশিকুর রহমান খান সবুজ বলেন, অবরোধের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সড়কে অবস্থান করছেন। রাজপথে থেকেই দেশ বিরোধীদের নৈরাজ্য মোকাবেলা করা হবে। অবরোধের নামে সড়কে কোন নাশকতা নৈরাজ্য বিএনপি জামায়াতকে করতে দেওয়া হবেনা। নাশকতা রোধে আমাদের এই অবস্থান ও মিছিল। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের মোকাবেলা করব। মিছিলে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হামিদুল হক হাজারী, সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল হাসান রোজ, উপজেলা আ.লীগের সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল, সুজানগর পৌর কাউন্সিলর মুশফিকুর রহমান সাচ্চু, সরদার পাশু,নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম মন্ডল ,বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মানিক খান ও আ.লীগ নেতা তফিজ মন্ডল,দলীয় নেতা মুক্তি, স্বপন, শ্রী সুবাশ,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সোহেল হাসান বাবুসহ পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য দলীয় নেতাকমী অশগ্রহণ করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি

  • টুরিস্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে  টুরিস্ট পুলিশ এবং হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁর সমঝোতা

    টুরিস্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টুরিস্ট পুলিশ এবং হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁর সমঝোতা

    বি এম মনির হোসেন স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    পর্যটন শিল্প বিকাশে বাংলাদেশের ফাইভ স্টার চেইন হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ এবং টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক পিপিএম এর মধ্যে ডিরেক্টরস এবং হোটেল কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় টুরিস্ট পুলিশের ঢাকা রিজিয়ন পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক পিপিএম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোমেনা খাতুন ও পুলিশ ইন্সপেক্টর আব্দুর রাকিব উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগা এর পক্ষে ম্যানেজিং ডিরেক্টর এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী (যুগ্ম সচিব), জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) রবিন জে. এডওয়ার্ডস, চিফ অফ সিকিউরিটি স্কোয়াড্রন লিডার ( অবঃ) মিস উম্মে সালমা, পাবলিক রিলেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ নাফিউজ্জামান সহ আরো অন্যান্য হোটেল প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল।এ সময় তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ভ্রমণে আসা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন: সেন্স অফ সিকিউরিটি, পর্যটন স্পট ভ্রমণে টুরিস্ট পুলিশের সহযোগিতা,হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ অবস্থানরত পর্যটকদের সমস্যা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক পিপিএম বলেন “পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি শক্তিশালী খাত। তাই পর্যটন শিল্প বিকাশে এবং টুরিস্টদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য টুরিস্ট পুলিশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের মানসম্মত প্রতিটি হোটেলে টুরিস্ট পুলিশ “টুরিস্ট পুলিশ হেল্প সেন্টার” স্থাপন করবে। যেখান থেকে পর্যটকরা পুরো বাংলাদেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সব ধরনের তথ্য পাবে। বর্তমানে টুরিস্ট পুলিশের হট লাইন নাম্বার থেকে এই সুবিধা দেয়া হচ্ছে।”পরবর্তীতে টুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগা কর্তৃপক্ষকে টুরিস্ট পুলিশের হটলাইন সম্বলিত কাট আউট,এক্স ব্যানার ও ডেস্ক ইনফর্মেশন বক্স দেয়া হয়।

  • স্ত্রীর মৃ*ত্যুর চার ঘন্টা পর মা*রা গেলেন মুক্তিযোদ্ধা স্বামী, সিরাজুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফ*ন সম্পন্ন

    স্ত্রীর মৃ*ত্যুর চার ঘন্টা পর মা*রা গেলেন মুক্তিযোদ্ধা স্বামী, সিরাজুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফ*ন সম্পন্ন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    স্ত্রীর মৃত্যুর চার ঘন্টা পর মারা গেলেন মুক্তিযোদ্ধা স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রী রীনা বেগমের ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর চার ঘন্টা পর বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদীর বাসায় মারা গেছেন কিডনি রোগে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম (৭৫)। একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে নিহতের পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বক্তিয়ার হোসেন শিকদার দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেনকে জানান রোববার দুপুর বারটার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রীনা বেগম (৫০)। একইদিন বিকেল চারটার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহির…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তারা এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সোমবার স্ত্রীকে দাফনের একঘন্টা পর সকাল দশটায় মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে নিহতের গ্রামের বাড়ি আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল বড় শিকদার বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

  • গুইমারায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা প্রদান করেন ইউএনও

    গুইমারায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা প্রদান করেন ইউএনও

    গুইমারা(খাগড়াছড়ি)প্রতিনিধি:
    অসহায় মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করেছেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী।কন কনে শীতে কোমলমতি শতাধিক শিশু সকাল বেলায় হাজাপাড়া নুরানি মাদ্রাসায় পড়তে কষ্ট হয়, এমন খবর শুনেই নিজ উদ্যোগে শীত বস্ত্র কম্বল নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে বিতরন করেছেন তিঁনি।

    সোমবার বিকালে উপজেলার হাজাপাড়া নুরানি মাদ্রাসায় শীত বস্ত্র হিসেবে কম্বল গুলো বিতরন করা হয়েছে।পরে অতিদরিদ্রদের জন্য ইউজিপিপি কর্মসূচির কাজ পরিদর্শন করেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী।এর আগে উপজেলার মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ সহযোগিতা বিতরন করেন তিঁনি।

    এসময় গুইমারা সদর ইউনিয়নের পাঁচ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দিদারুল আলম,মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা গোলাম মোস্তফা,সমাজ সর্দার আব্দুল মালেক সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    কম্বল পেয়ে মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা গোলাম মোস্তফা বলেন,সকাল বেলায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা মাদ্রাসার ফ্লোরে পড়া লেখা করে। শীতে কষ্ট পায়।বিষয়টি কোন মাধ্যমে শুনেছেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী।আজ বিকাল বেলায় তিঁনি নিজের গাড়িতে করে কম্বল নিয়ে আসেন মাদ্রাসায়। এমন মানবিক সেবার জন্য অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক অফিসার পাওয়া বর্তমান সময়ে অনেক কঠিন বিষয়।মহান আল্লাহ তার পরিবার সহ সকলকে নেক হায়াত দান করুন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী বলেন,শিশুরা শীতের কারনে সকাল বেলায় লেখা পড়ায় অসুবিধে হয় বিষয়টা জেনে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।সার্বক্ষণিক মানুষের সেবায় কাজ করার ব্রত নিয়ে গুইমারা উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছেন।সকলের সার্বিক সহযোগিতা পেলে গুইমারাকে আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিঁনি।

    গুইমারা(খাগড়াছড়ি)প্রতিনিধি:

  • গোপালগঞ্জে বাসের চা*পায় মোটর সাইকেল চালক নি*হত

    গোপালগঞ্জে বাসের চা*পায় মোটর সাইকেল চালক নি*হত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাসের চাপায় নাইমুল ইসলাম সুজন (৪০) নামে এক মোটর সাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

    আজ সোমবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপজেলার কলেজ মোড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম দূর্ঘটনায় নিহত হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত নাইমুল ইসলাম সুজন মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

    ওসি মোহাম্মদ আশরাফুল আলম জানান, নিজের মোটর সাইকেলে করে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ আসছিলেন নাইমুল ইসলাম সুজন।

    এসময় ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলটি পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটর সাইকেল চালক নাইমুল ইসলাম সুজনের মৃত্যু হয়।

    পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মায়না তদন্ত ছাড়াই মরহদেহ হস্তান্তর করা হয়। ঘাতক বাসটিকে আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানায় ওসি।

  • আত*ঙ্কে দিনযাপন স্বামীর-তেঁতুলিয়ায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর লিখিত অভিযোগ

    আত*ঙ্কে দিনযাপন স্বামীর-তেঁতুলিয়ায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর লিখিত অভিযোগ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নানান সমস্যা নিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রাম আদালতে স্বামীর একাধিক লিখিত অভিযোগ উঠেছে। এতে আতঙ্কে দিনযাপন করছেন স্বামী আবু তাহের। আবু তাহের উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সিপাহীপাড়া গ্রামের ফয়জুল হকের ছেলে। অপরদিকে তাঁর স্ত্রী তানিয়া বেগম একই উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গনাগছ গ্রামের জহিরুল হকের মেয়ে।

    জানা যায়, গত ২০১৬ সালে জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ তাদের উভয়ের মধ্যে ইসলামী শরীয়ত সম্মতভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পর ৭ বছরের মোছাঃ আফিয়া ও দেড় বছরের মোঃ আব্দুল্লাহ সন্তান জন্ম লাভ করেন। বিবাহের প্রায় সাড়ে ৭বছর পর তাদের সংসারে নেমে আসে অশান্তির ছায়া।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আবু তাহেরের সহিত তার স্ত্রীর যেকোনো সময় ঝগড়া হলে প্রায় সময় আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বিষ পান ও ফাঁস লাগানোর চেষ্টা করেন। ফাঁস লাগানোর দায়ে আবু তাহের গত ২০২২ সালের জুলাই মাসের ২০ তারিখ স্ত্রীকে বিবাদী করে দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগের পর চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে একটি স্থানীয় আপোষ নামা হয়।

    এরপর উভয়ের মধ্যে খুব ভালোভাবেই ঘর-সংসার চললে আপোষ নামার ১বছর ১মাস ১০দিন পর আবু তাহেরের স্ত্রী চলতি সালের গত সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ দিবাগত রাতে সোয়ার বিছানা থেকে তার বাপের বাড়িতে পালিয়ে যায়।

    পরে আবু তাহের তাঁর স্ত্রীসহ ৫জনের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদে আবারো একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, আবু তাহেরের স্ত্রীকে অন্যান্য বিবাদীরা আত্মগোপনে রেখে গুম মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। পরবর্তীতে তাদের পরিকল্পনা ভেচকে যায়।

    আবু তাহের জানান, তাঁর স্ত্রী শেষ বারের মতো যখন চলতি সালের গত সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ৩টায় দেড় বছরের সন্তানকে রেখে সোয়ার বিছানা থেকে পালিয়ে যায়। তখন রেখে যাওয়া দুধের সন্তানকে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁর স্ত্রীর হাতে তুলে দেয়। এরপর স্ত্রীর বিরুদ্ধে শেষ বারের মতো ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ জানালে গ্রাম আদালতকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর ফন্দিতে গত মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় তার বাড়িতে প্রবেশ করে সোয়ার ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এরপর বাড়িতে থাকা তাহেরের মা ও আশপাশের লোকজন এসে তানিয়াকে সামলানোর চেষ্টা করে। পরে তানিয়ার ফুফু মাজেদা বেগম তানিয়াকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। তানিয়া ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার পর গ্রাম পুলিশ তার হাতে কাটা দাগ দেখতে পায়।

    স্ত্রী তানিয়া বেগম জানান, তার উপর অত্যাচার করায় তিনি তার বাপের বাড়িতে চলে যায়। গত মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ছেলে সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে গেলে বটির আঘাতে তার হাত কাটা যায়। মেয়ের বাবা জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি তার মেয়ের অত্যাচারের বিষয়ে জানিয়ে অন্যান্য প্রশ্নের কোনো সদুত্তোর না দিয়ে মুঠোফোনে কথা বলা বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

    এদিকে সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসির কাছ থেকে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) মারধরের বিষয়ে কোনো ঘটনা ঘটেনি। তানিয়া তাহেরের বাড়িতে এসেছিল এবং বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হয়। তবে তাকে কোনো মারধর করা হয়নি।
    এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলী বলেন, তিনি গত মঙ্গলবারের ঘটনায় ঘটনাস্থলে যাননি। তিনি বলেন, ছেলের পরিবার তানিয়ার উপর অত্যাচার করেন। পার্শবর্তী আরেক ইউপি সদস্য আইবুল হক বলেন, মেয়েটি এর আগে ফাঁসি লাগাতে ও বিষ পান করতে গিয়েছিলেন। এ নিয়ে অনেক বিচার সালিশ হয়েছে।

    মেয়ের বাপের বাড়ি এলাকার ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহের আলী বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত আছেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

    ৩নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ আবুল কালাম বলেন, তানিয়ার ফুফু মাজেদা তাহেরের বাড়ি থেকে তানিয়াকে নিয়ে আসার পথে আমি উপস্থিত হয়। এরপর তানিয়ার ফুফুর বাড়ি থেকে তানিয়ার একটি চিৎকার শুনতে পায় পরে দেখি তানিয়ার হাতে কাটার দাগ।

    এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ছলেমান আলী বলেন, এর আগে আবু তাহেরের স্ত্রী তার বাপের বাড়িতে গেলে অভিযোগের ভিত্তিতে একটি আপোষ নামা করে দেন। পরবর্তীতে জানতে পারেন আবার মেয়েটি গভীর রাতে তার বাপের বাড়িতে চলে যায়। মেয়ে বাপের বাড়িতে চলে যাওয়ার ব্যাপারে প্রথমে মেয়ের বাবা বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে সিসি ক্যামেরার কথা বললে মেয়ে পক্ষ বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর আবু তাহের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দাখিল করলে মেয়ের বাবা সালিশী ডাকে সারা দেয়নি এবং তাহেরের স্ত্রী তার বাপের বাড়িতেই ছিল বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) তাহেরের স্ত্রী গ্রাম আদালতকে না জানিয়ে স্বামীর বাড়িতে গেলে খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • তারাগঞ্জে টায়ার পু*ড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে তেল তৈরির অভিযোগে ১টি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরি*মানা

    তারাগঞ্জে টায়ার পু*ড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে তেল তৈরির অভিযোগে ১টি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরি*মানা

    খলিলুর রহমান খলিল,রংপুর প্রতিনিধিঃ

    রংপুরের তারাগঞ্জে অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে তেল তৈরির অভিযোগে ১টি কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    উপজেলার খিয়ারজুম্মা এলাকার মনোয়ারের ভাটার পাশে খোলা পরিবেশে অত্যন্ত অরক্ষিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি টায়ার পুড়িয়ে একধরনের তেল তৈরি করে আসছিল । পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন ওই প্রতিষ্ঠানে টায়ার পোড়ানোর ফলে আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল । এছাড়াও টায়ারের ছাই আশপাশের গাছ ও ফসলের ক্ষতি করছিল ।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালিত হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা উপস্থিত ছিল । তারা ঝুঁকিপূর্ন অবস্হায় টায়ার পড়ানো কাজটি চালিয়ে যাচ্ছিল ।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুবেল রানা জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয় ও অবৈধ প্রতিষ্ঠানটিকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রতন কুমার জানান, কারখানাটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া গাড়ির টায়ার পুড়িয়ে এক ধরনের তেল তৈরি করছিল। এর ফলে যে ছাই, ধোয়া ও বর্জ্য তৈরি হত তা পরিবেশ ও জনস্বাস্থের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই উক্ত প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬(গ) ধারায় তাদের ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

  • পানছড়ির রসুলপুরে শ*ত্রুতার জেরে বসতবাড়ি আ*গুন ,সুষ্ঠ বিচারের দাবী

    পানছড়ির রসুলপুরে শ*ত্রুতার জেরে বসতবাড়ি আ*গুন ,সুষ্ঠ বিচারের দাবী

    খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা

    খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার রসুলপুর এলাকায় সৎ ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন,নাছির উদ্দিন ও তার বন্ধু শামসুল হক দ্বারা বসতবাড়ী পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনেন সোরহাব আলী নামের এক ব্যক্তি (৫৫)।

    গত মাসের ২৭ অক্টোবর শুক্রবার আনুমানিক রাত ১১. ৩০ এর দিকে সোরহাব আলী নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকলে হঠাৎ করে দেখে তার বাড়ির বারান্দায় আগুন লেগেছে। বারান্দায় দরজা খোলার চেষ্টা করলে বাইরে থেকে তালা মারা থাকায় ভেতরের জানালা ভেঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন তিনি।সে সময় তার চিৎকারে এলাকার কয়েকজন লোক নজরুল, ফজলু,ইউনুস, নুরনবীসহ কয়েকজন ছোটে আসে এবং পানি এনে আগুন নিবায়।বারান্দার কক্ষে থাকা হাস,মুরগী ও বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যায়।

    সোরহাব আলী জানান,আমার দুই সৎভাই মুসলিম নগর এলাকায় আমার নিজ জায়গায় থাকা দোকান তারা নিজেদের দাবী করে।তারা আমার দোকানটি ভেঙ্গে দেই।এই নিয়ে মামলা দায়ের করি।যা এখনো বিচারাধীন রয়েছে। সে ঘটনার জের ধরে তারা আমার বসতবাড়ীতে বাইরে থেকে তালা দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেই।আমার স্ত্রী সালমা আক্তার মেয়ের শশুর বাড়ি ও ছেলে রমজান আলী বাজারে কাজের
    স্থানে থাকায় তারা এই অগ্নিকান্ড থেকে রক্ষা পায়। আমিও অনেক চেষ্টায় জানালা ভেঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসি।তারপর এলাকার লোকজন আমার চিৎকারে ছোটে আসে।এবং পানি দিয়ে আগুন নিবায়।

    তিনি আরও বলেন,আমি এলাকার মেম্বার ও পানছড়ি থানায় এর সুষ্ঠ বিচারের জন্য দরখাস্ত দিয়েছি।কিন্তু এখনো কোন বিচার পাইনি।আমি এর সুষ্ঠ বিচার ও ক্ষয়ক্ষতি দাবী করছি।

    এলাকার মহিলা মেম্বার হালিমা বেগম জানান,সোরহাব কাকার বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনাটি সকালে শুনার সাথে সাথে আমি ছোটে আসি।দেখি আগুনে তার গৃহপালিত হাস মুরগী ও জিনিসপ্ত্র পুড়ে যায়। বিষয়টিতে আসলে খুবই দুঃখজনক।তিনি একজন খুবই গরীব লোক।তবে আমি যতটুকু শুনেছি মুসলিম নগর এলাকায় একটি জায়গাকে কেন্দ্র করে তাদের সৎ ভাইয়ের মাঝে ঝামেলা আছে।তবে আগুন কারা লাগিয়েছে তা আমরা নিশ্চিত জানিনা।

    তিনি আরও জানান,সোরহাব কাকা আমাকে দরখাস্ত দিয়েছে। আবার থানায়ও অভিযোগ দিয়েছে। যেহেতু এটা একটা বড় ঘটনা।এই বিষয়ে থানায় যদি আমাকে ডাকায় আমি যা জানি তা বলবো।

    নজরুল নামের এক ব্যক্তি জানান,আগুন লাগার খবর শুনে আমি ছোটে যাই।গিয়ে দেখি বারান্দা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।বাকি মেইন ঘরটি আমরা পানি দিয়ে নিবাই।তবে কারা আগুন লাগিয়েছে আমরা তা দেখিনি।

    সৎভাই শামসুল হক জানান, আমরা এই বিষয়ে কিছুই জানিনা।পরের দিন সকাল ১১ টার দিকে শুনি তার ঘর পুড়ে গেছে।সোরহাব আলী ও তার পরিবারের লোকজন আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।সে এর পূর্বে আমাদের জায়গা তার দাবী করে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এটাতে আমরা রায় পেয়েছি। আর তাছাড়া আমাদের বাড়ি হচ্ছে তার বাড়ি থেকে অনেক দূরে উল্টাছড়ি এলাকায়। সে আমাদের নামে আগুন লাগানোর মিথ্যা দায় করছে।

    পানছড়ি থানা সূত্রে জানা যায়,আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় অভিযোগ এসেছে এবং সত্যতা রয়েছে।আগুন লাগানোর ঘটনায় কারা আগুন লাগিয়েছে সরাসরি সাক্ষী পাওয়া যায় নি।তবে কারা লাগিয়েছে তার জন্য তদন্ত প্রক্রিয়াধীন আছে।

  • এবার পাসপোর্ট-বোর্ডিং পাস ছাড়াই বিমানে উঠতে বিমানবন্দরে ঢুকে পড়লো শিশু

    এবার পাসপোর্ট-বোর্ডিং পাস ছাড়াই বিমানে উঠতে বিমানবন্দরে ঢুকে পড়লো শিশু

    খলিলুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধি

    ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পর এবার নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে অবৈধভাবে প্রবেশের পর মানিক (১২) নামে এক শিশুকে আটক করেছে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

    রোববার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।

    আটক শিশু মানিক রংপুর সদরের দেউডুবা গ্রামের অটোচালক মিঠু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় হাজী তমিজ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলের দিকে রংপুর থেকে একটি বাসে চড়ে সৈয়দপুর শহরে আসে শিশু মানিক। তারপর বাস টার্মিনাল থেকে সন্ধ্যার দিকে অটোরিকশায় চেপে বিমানবন্দরে আসে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ এন্ট্রি গেট দিয়ে কোন বাধা ছাড়াই অন্যান্য যাত্রীদের সাথে ঢুকে পড়ে শিশুটি। এ সময় সিভিল অ্যাভিয়েশনের সুপারভাইজার ফাহমি হাসিবের শিশুটি চলাফেরা দেখে সন্দেহ হলে শিশু টিকে আটক করেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন অবৈধভাবে ঢুকে পড়েছে শিশুটি । শিশুটি বিমানযোগে ঢাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

    এ বিষয়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ম্যানেজার সুপ্লব কুমার ঘোষ জানান, শিশুটিকে আটক করার পরেই তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে । বয়স কম হওয়ায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার পরিবারের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    শিশুটির বাবা মিঠু মিয়া জানান, ছেলেটা ছোট থেকেই আকাশে প্লেনের শব্দ পেলে ঘর থেকে ছুটে যেতো পেলেন দেখার নেশায় , আর বাড়িতে ফিরে আমাকে বলতো বাবা আমি বড় হয়ে পাইলট হব প্লেন চালাবো আমি প্রতিবন্ধী মানুষ তেমন একটা কাজ কাম করতে পারিনা তাই ছেলেকে একটা ফার্নিচারের দোকানে দিয়েছি কাজ করতে ওই দোকানের মালিক ওকে স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে মানিক ওখানে কাজের পাশাপাশিএখন দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, আর্থিকভাবে অসচ্ছল না হওয়ায় ছেলেটাকে ঠিকভাবে পড়াতে পারি না ।

    হাজী তমিজ উদ্দিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা বেগম জানান, মানিক আমার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর স্টুডেন্ট। এই ঘটনাটা আজকে আমি স্কুল আসার পর জানতে পেরেছি, ও কালকে সৈয়দপুরে চলে গেছিল। ওর আসলে মা নাই তো, কেয়ার করার মতো তেমন কেউ নাই যদি ওকে অনুকূল পরিবেশ দেয়া যায় আর্থিক সহযোগিতা করা যায় তাহলে ও হয়তো জীবনে পড়ালেখাটা চালিয়ে যেতে পারবে।

  • পানছড়িতে ইয়াবাসহ ১ নারী গ্রেফতার

    পানছড়িতে ইয়াবাসহ ১ নারী গ্রেফতার

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে শাহানাজ বেগম (৫৫) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে ১৫০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

    রোববার (১২নভেম্বর) দুপুরের দিকে জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সুদক্ষ দিক-নির্দেশনায় পানছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ ইউছুফ ও তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ পানছড়ি থানা এলাকায় অবরোধ ও পিকেট ডিউটি পরিচালনা করাকালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পানছড়ি থানাধীন ৫নং উল্টাছড়ি ইউপির ১নং ওয়ার্ড মোল্লাপাড়া আক্কাছ আলীর টিলার সামনে মোল্লাপাড়া হইতে ফাতেমানগর গামী পাকা রাস্তার উপর আসামী শাহানাজ বেগম (৫৫),১৫০ পিচ কমলা রংয়ের ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত আসামি শাহানাজ বেগম (৫৫) পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়ন এর মোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন, এর স্ত্রী।

    পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন আসামীর বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।