আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর কাস্টসাগরা গ্রামে এস্কেভেটর দুর্ঘটনায় চালক সবুজ কাজী (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে ফাইভ স্টার ইটভাটা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সবুজ কাজী পাবনার সুজানগর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের দুলু কাজীর ছেলে। নিহত’র ভাই সোহাগ কাজী জানায়, রাত ১১ টার দিকে এক্সেভেটর দিয়ে মাটি কাটছিলো তার ভাই সবুজ কাজী। মেশিনের চেইন ছিঁড়ে গেলে ডান পাশের জানালা দিয়ে চাকা দেখার চেষ্টা করছিলো সবুজ। এ সময় দুর্ঘটনায়বশত এস্কেভেটরের বাকেটের বুম মাথায় লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। ফাইভ স্টার ইটভাটার ম্যানেজার মাহফুজুর রহমান জানান, বড় ভাই অসুস্থ থাকার কারণে ছোট ভাই এস্কেভেটর চালাচ্ছিলেন। মধ্যরাতে মাটি কাটার সময় চেইন কেটে বাকেটের বুম মাথায় লেগে মারা যায়। আঘাতে মাথা থেতলে যায়। স্থানীয় কালীচরণপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বর মিজানুর রহমান মিজু জানান, এটা দুর্ঘটনা না অন্য কিছু তা নিয়ে আমরা পুরোপুরি জানতে পারিনি। তবে মনে হচ্ছে মাটি কাটার সময় দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে। এস্কেভেটরের বাকেটের আঘাতে তার মাথা চ্যাপটে গেছে। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এটা দুর্ঘটনা। তারপরও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
Blog
-

ঝিনাইদহে এস্কেভেটররের চেইন ছিড়ে চালকের মৃ*ত্যু
-

নড়াইলের কালিয়ায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মরা গাছে যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দু*র্ঘটনা
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রধান সড়কে মরা শিশু গাছ যেন মরণ ফাঁদ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কালিয়া- যোগানীয়া সড়কের বাঐসোনা থেকে যোগানীয়া পর্যন্ত প্রধান সড়কের পাশে অসংখ্য মরা শিশু গাছ মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ঝড় বা দমকা হাওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে সড়কে আছড়ে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, এটি একটি ব্যস্ততম সড়ক। প্রতিদিন শত শত যানবাহন এ সড়কে চলাচল করে। কালিয়া থেকে গোপালগঞ্জ যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। রাস্তার পাশের মরা শিশুগাগুলো দীর্ঘদিন ধরে এভাবে থেকে পচন ধরেছে। যে কোনো সময় প্রাকৃতি দুর্যোগে ভেঙে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মরা গাছগুলো সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।বাঁকা গ্রামের মিঠু শিকদার জানান, মরা গাছগুলো দ্রুত কেটে সরিয়ে নেওয়া দরকার। বড় ধরনের বাতাস হলে আমরা খুব ভয়ে থাকি, কখন ভেঙে মানুষের মাথার ওপর পড়ে।
নিরাপদ সড়ক ও রেলপথ বাস্তবায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মহাসড়কের পাশে সামাজিক বনায়নের গাছ অপসারণ করতে বিভিন্ন দফতরে ধরণা দিতে হয়। মরা গাছ সড়কের পাশে থাকা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, এতে যে কোনো সময় ভেঙে পড়ে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাবেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনু সাহা এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে, বলেন, ওই গাছগুলো কোনো দপ্তরের আওতায় পড়েছে নায়েবকে পাঠিয়ে নিশ্চিত হয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। -

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গুপ্তধন স্পর্শ করতেই আহত-৪
মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বোতলের মত বস্তুকে গুপ্তধন ভেবে স্পর্শ করতে গেলে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের জিগাবাড়ি গ্রামে এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জিগাবাড়ি চর গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে আব্দুল হাকিম (৩৯), তার স্ত্রী পারভীন বেগম (৩৩), ছেলে মারুফ মিয়া (২০) ও রিপন মিয়া (১৭) গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, দুপুরে তিস্তা নদীর চরে ভুট্টার জমি দেখতে যায় আব্দুল হাকিম ভুট্টু। এ সময় সে নদীতে ভেসে আসা একটি সীসার বোতলের মত বস্তু দেখতে পায়। সেই বোতলটি বাড়িতে এনে বিকেলে দা দিয়ে কাটার চেষ্টা করলে মুহূর্তেই বিস্ফোরণ ঘটে। যার কারণে সবাই আহত হন। আহতদের মধ্যে ফারুকের বাম হাতের কবজি ও রিপনের ডান চোখ এবং বুকে জখম হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে রেফাড করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাদের।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডাক্তার সুবর্ণা ইসলাম বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবস্থা খারাপ হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এব্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা বিস্ফোরক পর্যবেক্ষক টিমকে অবহিত করে এখানে আসতে বলেছি।
-

বেতাগীতে ৬০ মার্কের এক পরীক্ষার্থীর দায়িত্বে ১৩ কর্মকর্তা ও কর্মচারী
খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার বেতাগীতে ৬০ মার্কের মাত্র একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য কেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। উপজেলার বেতাগী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এসএসসি ভোকেশনাল নবম শ্রেণি ফাইনাল আরবী -১ বিষয়ে পরীক্ষায় বেতাগী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নুর মোহাম্মদ অনীক নামে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী ছিল।
জানা গেছে,অণীক উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের রাণীপুর গড়িয়াবুনিয়া এছাহাকিয়া আলীম মাদ্রাসার একজনপরীক্ষার্থী। কক্ষ পরিদর্শক ঐ মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির হোসেন জানান, তার প্রতিষ্ঠানে ঐ বিষয়ে ৩ জন পরীক্ষার্থী ছিলো। কিন্ত তার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত রয়েছে। কী কারণে অনুপস্থিত সে বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আরবী বিষয়ে লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। তাই তারা আসেনি।
নুর মোহাম্মদ অনীক কেন্দ্র জুড়ে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী হলেও সুষ্ঠুভাবে তার পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে দায়িত্বে কোনো ঘাটতি ছিল না। তার জন্য পরীক্ষা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ম্যাজিস্ট্রের দায়িত্বে সহকারি কমিশনার (ভূমি), একজন কক্ষ পরিদর্শকসহ একজন বেন্দ্র সচিব, একজন সহকারী কেন্দ্র সচিব, একজন হলসুপার,পুলিশ একজন, পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য ৩ জন, অফিস ও চতূর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োজিত ছিল ৩ জন। এ কারনে বন্ধের দিনেও পররীক্ষার খাতা ডাক করার জন্য খোলা রাখা হয় উপজেলা ডাকঘরও । সেখানে কর্মরত থাকতে হয়েছে পোষ্ট মাষ্টার সহ আরেক কর্মচারির।
পরীক্ষা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমদ বলেন, পরীক্ষার্থী একজন কিংবা আরও বেশি সংখ্যক থাক সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। যেহেতু সরকারি দায়িত্ব সেহেতু যথাযথভাবেই সকলকে পালন করতে হয়। এর সাথে যারা সংশ্লিস্ট তাদের এ দায়িত্ব গাফেলতি ও এড়িয়ে যাওয়ার কোন সূযোগ নেই।
বেতাগী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম কবির বলেন, মাত্র একজন পরীক্ষার্থী থাকলেও পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নিয়ম অনুয়ায়ী তার সকল ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়। কোনো কিছুর ঘাটতি ছিল না। -

ময়মনসিংহ-৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনলেন ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী সালমা
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফুলবাড়িয়া উপজেলার জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিমা বেগম সালমা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তিনি শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নিজের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন।এ সময় গণমাধ্যমের কাছে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সেলিমা বেগম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযোগি হতে চাই। ময়মনসিংহ-৬ আসনকে স্মার্ট আসন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করে আজীবন শেখ হাসিনার একজন সৈনিক হিসেবে ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনকে আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য প্রতিরোধে জনগণের-জান মালের নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি দলের প্রতি আমার অবদানের কথা বিবেচনায় নিয়ে তিনি আমাকে মনোনয়ন দিবেন।
সেলিমা বেগম সালমা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকায় সাধারণ মানুষ আজ নানা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। তাই আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার সরকারের মনোনীত নৌকার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে শেখ হাসিনার অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। আর বর্তমান দেশের উন্নয়নের গতিশীলতা জনগণের কাছে দৃশ্যমান। দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারও আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের এই জনবান্ধব নারী নেত্রী। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
-

তারাকান্দায় খবর পেয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত এবং থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। শনিবার বিকালে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সিংহেরকান্দা গ্রামে এ বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান,
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিংহেরকান্দা গ্রামে ১৬ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে সদর উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হাসান মাহমুদের (২৩) বিয়ে ঠিক হয়। শুক্রবার রাতে বিয়ে পড়ানোর আয়োজন চলছিল। পরে স্থানীয় একজন ইউএনও মিজাবে রহমতকে ফোন করে বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানান।পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেখানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কাজি ও কনের বাবাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজাবে রহমত। দুই পক্ষের অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রাপ্তবয়ষ্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা আদায় করা হয়।
শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সিংহেরকান্দা গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইউএনও জানায়- তারাকান্দা থানায় বাল্য বিয়ের বিষয়টি জানান, থানার (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের বাবা, ছেলের বাবা ও কাজিকে আটক করে থানা নিয়ে আসে। মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেবেন না শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর ইউএনও মিজাবে রহমত শনিবার দুপুরে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে কাজি মো. আতাউর রহমানকে ২০ হাজার ও মেয়ের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজাবে রহমত এর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় ইউএনও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সেই স্কুলছাত্রী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
-

পাইকগাছায় মা*দক ও বিভিন্ন মা*মলার পরোয়ানা ভুক্ত ৫ আ*সামি
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় মাদক ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানার ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহষ্পতি বার ও শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের শুক্রবার আদালতে পাঠালে তিন জনকে জামিন মঞ্জুর করে এবং দুইজনকে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরোয়ানার গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, গোলাম গাজীর ছেলে বাচ্চু গাজী(৪৫), ইমরান আলী গাজীর ছেলে গফ্ফার গাজী, গোপালপুর আরশাদ আলী শিকারীর ছেলে রনি শিকারী, সাতক্ষীরা জেলার পাটকেল ঘাটা এলাকার নেপাল বিশ্বাসের ছেলে নয়ন বিশ্বাস, কপিলমুনি ইউনিয়নের বীরেন্দ্র বৈরাগীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী দিলীপ বৈরাগী(৫০)। পাইকগাছা সিনিয় জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ৫ জনের মধ্য হতে বাচ্চু গাজী, গফ্ফার গাজী ও রনি শিকারীকে জামিন মঞ্জুর করে এবং নয়ন বিশ্বাস ও দিলীপ বৈরাগীকে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন। শনিবার সকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পাইকগাছায় পূর্ব শ*ত্রুতার জেরে খু*ন জ*খমের হু*মকি থানায় সাধারণ ডায়েরী
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা ও খুন জখমের হুমকির প্রতিবাদে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে । শনিবার সাধারণ ডায়েরী করেছেন উপজেলার শান্তা গ্রামের মোবারক শেখের ছেলে আব্দুল মান্নান শেখ।
ডায়েরী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কুমখালী গ্রামের জালাল শেখের ছেলে বাবুল শেখ(৪২), ও ফকিরাবাদ গ্রামের চায়েব আলী গাজীর ছেলে মিনাজ গাজী(৪৬) সাথে শান্তা গ্রামের মোবারেক শেখের ছেলে আব্দুল মান্নান শেখের সাথে পূর্ব হইতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলিতেছে। আব্দুল মান্নান শেখ জানান, আমি
নৌকায় জঙ্গলে মাছ ধরতে যায়। সেখান থেকে তাদের সাথে আমার বিরোধ চলছে। সেই জেরকে কেন্দ্র করিয়া এবং পূর্ব শত্রুতার কারণে শনিবার সকাল অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় আমার বসত বাড়ির সামনে বাবুল শেখ ও মিনাজ গাজী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করিতে থাকে। আমি তাদেরকে গালাগালি করিতে নিষেধ করিলে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারপিট করার জন্য উদ্যত হয়। আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসিলে তারা আমাকে খুন করিয়া লাশ গুম করে দিবে বলিয়া হুমকি প্রদান করে। তাছাড়া তারা আমার নৌকায় অবৈধ মালামাল রাখিয়া আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দিবে বলিয়া হুমকি দিয়ে চলে যায়। উপান্ত না পেয়ে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। -

ঝিনাইদহে কলা ক্ষেতে পড়ে ছিল দিনমজুরের র*ক্তাক্ত লা*শ
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি কলা ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত (৫০) এক দিনমজুরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর একটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ রক্তাক্ত লাশটি উদ্ধার করে। তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে মনে করছে। ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত কিছু জামাকাপড়, একটি শাপল, কিছু বেগুন ও একটি কাচি পাওয়া গেছে। মহারাজপুর ইউনিয়নের খামারাইল ওয়ার্ডের মেম্বর জাহিদুল ইসলাম জানান, সকালে রামনগর গ্রামের কলা ক্ষেতে লাশ পড়ে থাকার বিষয়টি জানতে পেয়ে প্রথমে ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশকে অবগত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশটি উদ্ধার ও সনাক্ত করার চেষ্টা করে। মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিয়া খুরশিদ আলম জানান, নিহত ব্যাক্তি হয়তো দিনমজুরের কাজ করে। তার মাথায়, হাতের তালু ও কানের পাশে আঘাতের চিহ্ন আছে। সম্ভবত শাপল দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন, পাশের ক্ষেত থেকে বেগুন তোলার কারণে কেউ চোর সন্দেহে তাকে হত্যা করতে পারে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান জানান, মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা লাশের পরিচয় উদ্ধারে প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। হয়তো দ্রুতই নিহত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত হতে পারে। সেই সঙ্গে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

নড়াইলে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী হাসান’র যোগদান
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী হাসান’র যোগদান পুলিশের পক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শনিবার (১৮ নভেম্বর) মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার নড়াইল জেলা পুলিশের কর্ণধার হিসেবে নড়াইল জেলায় উপস্থিত হলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। অতঃপর তিনি সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি (২৫) তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
তিনি চাকুরী জীবনে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ (কুমিল্লা অঞ্চল), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), শাহজাদপুর সার্কেল এএসপি,
সিরাজগঞ্জ জেলা, ডিএমপি’র মতিঝিল বিভাগ ও ট্রাফিক-সাউথ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র্যাব ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স, ডিএমপির ওয়ারী বিভাগ ও ট্রাফিক-সাউথ বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
মোহাঃ মেহেদী হাসান পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ট্রাফিক-সাউথ বিভাগ, লালবাগ ট্রাফিক বিভাগ, এস্টেট বিভাগ, প্রটেকশন বিভাগে দক্ষতা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন কঙ্গোতে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি শিক্ষাজীবনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিভাগে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি ডিপ্লোমা অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড ডিগ্রী অর্জন করেন।
এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); নড়াইলসহ জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।