Category: দেশজুড়ে

  • মুন্সীগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্মচারীদের ৩ দিনের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু

    মুন্সীগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্মচারীদের ৩ দিনের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
    মুন্সীগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সহায়ক কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি শীর্ষক তিন দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

    রোববার (২৬ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৩ টা থেকে সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ হয়। চলবে আগামী ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার পর্যন্ত। এ প্রশিক্ষণ চীফ জুডিসিয়াল আদালতে সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাজী দেলোয়ার হোসেন।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হোসাইন রনি, মানিক দাস, ইফতি হাসান ইমরান ও দুরদানা রহমান।

    কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি কর্মশালায় মুন্সীগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারি, স্টেনোগ্রাফার, এম এল এস এস পদ সহ অন্যান্য কর্মচারীদের কর্মদক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

  • বানারীপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    বানারীপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি।। কাস্টমস বিভাগের অ্যাসিষ্ট্যান্ট কমিশনার (অবসরপ্রাপ্ত) ৭১’র মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান (৭০) আর নেই। শনিবার ২৫ জানুয়ারী সকাল পৌণে ১১টায় ঢাকার বসুন্ধরার নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)।

    ব্রেন স্ট্রোকের কারনে তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

    এদিন (শনিবার) বাদ মাগরিব ঢাকায় বসুন্ধরার ডি ব্লক জামে মসজিদে প্রথম ও রোববার ২৬ জানুয়ারী সকাল ১০টায় বানারীপাড়া উপজেলার খলিশাকোঠা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁকে গার্ড অব অনার ও দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মাদারকাঠি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।

    এ সময় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বায়েজিদুর রহমান, ণথানার ওসি মো. মোস্তফা, উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু, চাখারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আনিছুর রহমান মিলন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম সরদার, সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী বশির আহম্মেদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারি কমান্ডার মীর সাইদুর রহমান শাহজাহান, চাখার ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সুলতান হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    মরহুম সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বানারীপাড়া থানা জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এদিকে তার মৃত্যুতে বানারীপাড়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল ।

  • প্রকাশিত সাংবাদের ভিন্নমত

    প্রকাশিত সাংবাদের ভিন্নমত

    আব্দুল আউয়াল,
    বানারীপাড়া প্রতিনিধি।

    গত ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনামে আমি সঞ্জয় দেবনাথ আমার বন্ধন সঞ্চয় সমিতির গ্রাহকদের টাকা নিয়ে অন্যরকম সংবাদ প্রকাশ করে যার আমি ভিন্নমত প্রকাশ করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    আমি সঞ্জয় দেবনাথ বিগত ৯ বছর যাবৎ সম্মানের সাথে সমিতির কাজ কর্ম পরিচালনা করে আসছি। বিগত করোনা ভাইরাস কোভিড ১৯ এর সময় আমার বন্ধন সঞ্চয় সমিতি বানারীপাড়াতে এক নজির স্থাপন করেছে তা সবারই দৃষ্টি গোচড় হয়েছে। তখনকার সময়ে কয়েক বছরে বানারীপাড়ায় অন্য এলাকা থেকে আসা অসংখ্য সমিতি গ্রাহকের টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি খুব শীঘ্রই সকল গ্রাহকদের পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং গ্রাহকরা যাতে তাদের পাওনা টাকা তাড়াতাড়ি পায় তার জন্য আমি নিজেই পদক্ষেপ গ্রহন করেছি। এজন্য আমি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

  • জীবননগরে পুরাতন মোটরসাইকেলের হাট উদ্বোধন

    জীবননগরে পুরাতন মোটরসাইকেলের হাট উদ্বোধন

    আল আমিন মোল্লা 

    জীবননগর ব্যুরো প্রধান।

    শনিবার (২৫ জানুয়ারি)  বেলা ১১টার দিকে

     জীবননগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের পাশে

     মনোহরপুর বটতলায় এই হাটের উদ্বোধন করা হয়।

     

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে হাটের উদ্বোধন করেন 

    জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন। 

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

     জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর,

     সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু,

     জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন ময়েন। 

    জীবননগর পুরাতন মোটরসাইকেল 

     হাট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন

     জীবননগর পৌর যুবদলেন যুগ্ম আহ্বায়ক 

    মোঃ আজমত আলী ও সাইফুল ইসলাম 

    জীবননগর পুরোতন মোটরসাইকেল 

     হাটে মোটরসাইকেল যদি বিক্রি হয়

     তাহলে ক্রেতাকে ৫০০ টাকা  এবং

     বিক্রেতাকে ৫০০ টাকা হাট কর্তৃপক্ষেকে দিতে হবে।

     তবে বিক্রি না হলে কোনো প্রকার টাকা দেওয়া লাগবে না। আমরা হাটে  আনা

     সকল মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই করে তারপর হাটে ঢুকবে। এখানে কোনো দুই নাম্বারি  গাড়ি হাটে বিক্রয় করতে পারবে না।

     ক্রেতা-বিক্রেতাদের আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্ত দেব এবং সর্বপ্রকার সহযোগিতা করব।

  • মেডিকেলে চান্স পাওয়া তামান্নার দায়িত্ব নিলেন ভিপি নুরুল হক নুর

    মেডিকেলে চান্স পাওয়া তামান্নার দায়িত্ব নিলেন ভিপি নুরুল হক নুর

    মুহাম্মদ মুনতাসীর মামুন, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি :

    পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলাধীন গোলখালী ইউনিয়নের বড় গাবুয়া গ্রামের মেয়ে তামান্না আক্তার পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।
    আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে তার মেডিকেল এ পড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ার একটি সংবাদ প্রচার হওয়ায় নুরুল হক নুরের দৃষ্টিগোচর হয়।
    জানা যায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর নির্দেশনায় গলাচিপা উপজেলার নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে তামান্না আক্তারের বাড়িতে শুভেচ্ছা জানানের জন্য যায় তামান্নার লেখাপড়া দায়িত্ব নুরুল হক নুর নিজে নিবেন বলে তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন।
    একই সাথে তার পরিবার কিছু এনজিওর ঋণের সমস্যা কথা জানালে সে বিষয়গুলো সুরাহা করার জন্য আশ্বস্ত করেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ সভাপতি মো. আবু নাঈম, গণঅধিকার পরিষদ গলাচিপা উপজেলার আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব মো. জাকির মুনসী, যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. রাসেল ও সদস্য সচিব মো. আবুল হোসাইন, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মো. আমির হোসেন সহ ছাত্র যুব শ্রমিক ও গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

  • সুজানগরে  টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী

    সুজানগরে  টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি :  সুজানগরে টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী কঁাচারীপাড়া স্টেডিয়াম মাঠে শুক্রবার দুপুর ৩টায় কঁাচারীপাড়া যুব ক্রীড়া সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় আতাইকুলা থানার লক্ষীপুর ইউনিয়নকে  পরাজিত করে সুজানগর পৌরসভার চর ভবানীপুর ক্রিকেট  একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। পরে কাচারী পাড়া যুব ক্রীড়া সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সোবাহানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাবিল হোসেনের সঞ্চালনায় টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর  ফারুক-ই আযম,উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, পৌর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ইয়াকুব আলী প্রামানিক, সুজানগর থেকে প্রকাশিত একমাত্র পত্রিকা সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম এর সম্পাদক আব্দুর শুকুর, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন , উপজেলা পোস্ট মাস্টার আফজাল হোসেন, জামায়াত নেতা মোস্তাক,কেরামত আলী, ছাত্র প্রতিনিধি দ্বীপ মাহবুব, অন্তু, শেখ রাফি, মানিক,স্থানীয়দের মধ্যে ফিরোজ রানা, বাদশা, ছাত্রদল নেতা আব্দুস সবুর প্রামানিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।খেলায় প্রধান আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন ক্রীড়া সংগঠক শাহীন এবং সহকারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চঞ্চল। ধারা বর্ণনায় ছিলেন পিন্টু।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে কুড়ানো শামুকে কর্মসংস্থানের হয়েছে কয়েক হাজার নারী-পুরুষের

    নড়াইলে কুড়ানো শামুকে কর্মসংস্থানের হয়েছে কয়েক হাজার নারী-পুরুষের

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে শামুক কুড়িয়ে ২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। নড়াইল জেলার বিল অঞ্চলে শামুক কুড়ানো থেকে আয় হচ্ছে বছরে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার শামুক পাড়ি দিচ্ছে যশোর, খুলনা, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলায়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মৌসুমি এ কাজে সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষের।
    কৃষি প্রধান জেলা নড়াইলে প্রায় ৮ লাখ মানুষ বসবাস করা এই জেলা বিল ও মাছের ঘের দিয়ে বেষ্টিত। প্রতি বছরের মতো এবারও বিল থেকে শামুক কুড়িয়ে মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে কয়েক হাজার নারী-পুরুষের। নারী-পুরুষ মিলে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ টাকা আয় করে সংসারে এনেছেন সচ্ছলতা। শামুকের ভেতরের অংশের পাশাপাশি খোলারও বাড়ছে ব্যাপক চাহিদা। যা এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে এনেছে নতুন গতি।
    নড়াইল শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে বিল অঞ্চলের হুগলাডাঙ্গা গ্রামের নারী-পুরুষ প্রতিদিন ভোরের আলো ফুটতেই ছোট নৌকা নিয়ে যান শামুক কুড়াতে। কুড়িয়ে আনা শামুকের ভেতরের অংশ বের করে বিক্রি করেন মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে এবং খোলাটা বিক্রি করেন খোলা ব্যবসায়ীদের কাছে।
    প্রতিদিন একেকজন নারী-পুরুষ ২০ থেকে ২৫ কেজি শামুক বিক্রি করে। তাদের আয় হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা।
    শুধু হুগলাডাঙ্গা গ্রামে নয়, জেলার লোহাগড়া, কালিয়া এবং সদর উপজেলার শোলপুর বিল, ইছামতি বিল, কলোড়াসহ ১২টি বিলের শামুক কুড়িয়ে একেকজন প্রতিমাসে আয় করছেন প্রায় ১৫ হাজার টাকা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার শামুক যাচ্ছে যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, মাগুরাসহ বেশ কয়েকটি জেলায়।
    নড়াইল সদর উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী জানায়, পড়া লেখার পাশাপাশি সে বর্ষার মৌসুমে প্রতিদিন সকালে বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বিক্রি করে থাকে।
    কালিয়া উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামের দিনমজুর কালু মিয়া শেখ জানান, সংসার চালানোর জন্য তিনি বিল-খাল থেকে শামুক সংগ্রহ করে মৎস্য চাষিদের কাছে বিক্রি করে থাকেন। এতে তার প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টাকা আয় হয়ে থাকে। যা দিয়ে তিনি সংসারের ব্যয় নির্বাহ করে থাকেন।
    নড়াইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, মাছের খাদ্য হিসেবে শামুকের ব্যবহারকে আমরা নিরুৎসাহিত করে থাকি মৎস্য চাষিদের। কারণ কাঁচা শামুক খাওয়ানোর ফলে মাছের শরীরে রোগ জীবাণুর এবং গ্যাসের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ওই মাছ খেলে মানুষের শরীরেও নানা রোগ জীবাণু ছড়ায়। শামুক মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। খাল বিলে বেশি পরিমাণ শামুকের বিচরণ থাকার কারণে পানি
    ও মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। শামুক মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য ঘের মালিকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • জাকিরের যন্ত্রণায় জনজীবন অতিষ্ঠ, প্রশাসন নির্বিকার

    জাকিরের যন্ত্রণায় জনজীবন অতিষ্ঠ, প্রশাসন নির্বিকার

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্ত সংলগ্ন নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুর ইউনিয়নের (ইউপি)কুঁচড়া গ্রামে পুকুর সংস্কার এবং সেই মাটি অবৈধভাবে বিক্রি করে কাঁচাপাকা রাস্তা নস্ট ও পরিবেশ দুষণ করা হচ্ছে। গ্রামবাসী বলেন, মেম্বার জাকিরের যন্ত্রণায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও প্রশাসন নির্বিকার। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনকে জানালে উল্টো বিপদে পড়তে হচ্ছে।
    এদিকে নিয়ামতপুর উপজেলা সীমান্তে পুকুর খনন করা হলেও তানোর উপজেলার চৌবাড়িয়া, কাদিপুরসহ বিভিন্ন ইট ভাটায় মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারি পাকা-কাঁচা রাস্তা নষ্ট এবং ভেকুঁ ও ট্রাক্টরের বিকট শব্দের পাশাপাশি ধুলা-বালিতে পরিবেশ দুষণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
    অন্যদিকে ফসলি জমি ভরাট বা মাটি বিক্রি দুটোই দন্ডনীয় অপরাধ।অথচ এই অপরাধমুলক কাজ করা হচ্ছে প্রকাশ্যে দিবালোকে ? কিন্ত্ত অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন নিরব ?
    স্থানীয়দের অভিযোগ,উপজেলা প্রশাসনের একশ্রেণীর কর্মকর্তাকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে এসব অবৈধ মাটি বাণিজ্য করা হচ্ছে। স্থানীয়রা
    বলেন, ট্রাক্টরে কাঁদা মাটি পরিবহণ
    করায় নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি কাঁচা-পাকা রাস্তা-ঘাট।মাটিবাহী অবৈধ গাড়ির বেপরোয়া গতির কারণে ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ পথচারিরা। এছাড়া প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। আবার এসব মাটি বাহী ট্রাক্টর গাড়ি চালাচ্ছেন অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর।

    অভিযোগ উঠেছে,রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় একশ্রেণির এক্সেভেটর (ভেকু) ব্যবসায়ীরা চুক্তিভিত্তিক মাটি বাণিজ্যে করছে। আর সমাজের কিছু অসাধু ব্যক্তির পকেট ভরাতে গিয়ে রাস্তা-ঘাট নষ্ট হচ্ছে,এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা নিমিষেই বানের জলে ভেসে যাচ্ছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খোলা ট্রাক্টরে পুকুরের মাটি এনে বিভিন্ন জায়গা ভরাট করা হচ্ছে।মাটিবাহী গাড়ির কাদামাটি পড়ে কাঁচাপাকা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। সেই কাদামাটি সরানোর কাজে শ্রমিকদের নিয়োজিত রেখেছেন ভেকু ব্যবসায়ীরা। কোদাল দিয়ে মাটি সরাতে গিয়ে পাকা সড়কের পাথর ও উপরের প্রলেপ বিটুমিন উঠিয়ে ফেলা হচ্ছে। মকবুল, কাদের ও মিজানুর বলেন, ভেকুর বিকট শব্দ ও ধুলাবালিতে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বলেন,বিষয়টি ইউএনও এবং বাহাদুর ইউপির বিট অফিসারকে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা প্রশাসক (ডিসি) বলেন, ইউএনও সাহেবকে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে। এবষিয়ে জানতে চাইলে পুকুর মালিক জাকির মেম্বার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অনুমতি নিয়ে পুরাতন পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে তাতে সমস্যা কি ? তিনি বলেন, অল্প কিছু মাটি ইট ভাটায় দেয়া হয়েছিল,কিছু মাটি এলাকায় দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, রাস্তার কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
    এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, রাস্তার বিটুমিনের শত্রু হচ্ছে কাদামাটি। নিয়ম না মেনে মাটি পরিবহন করায় রাস্তায় কাদামাটি পড়ে রাস্তাঘাট দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। এবিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মুঠোফোনে বলেন, আমাকে ভিডিও ফুটেজ ও লোকেশান দেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    এবিষয়ে ভেকুঁ দালাল আলমগীর বলেন,তার গাড়ী জাকির মেম্বার ভাড়া নিয়েছে,সে সব কিছু ম্যানেজ করে পুকুর পুনঃখনন ও মাটি বিক্রি করছে।#

  • ইউএনওর  উদ্যোগ বদলে গেছে গৌরনদীর নাগরিক সেবার চিত্র

    ইউএনওর উদ্যোগ বদলে গেছে গৌরনদীর নাগরিক সেবার চিত্র

    কে এম সোয়েব জুয়েল,বরিশাল
    সাধারণ মানুষের মুখে অনেক সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ শোনা যায়। কিন্তু বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু আবদুল্লাহ খান সেই তালিকার বাইরে। তার ‘জনসেবার’ মানসিকতার ফলে বদলে গেছে উপজেলার নাগরিক সেবার চিত্র। দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা। এই কর্মকর্তার ব্যবহারেও খুশি উপজেলার বাসিন্দারা।

    আবু আবদুল্লাহ খান ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগ দেন। তিনি যোগদানের পর থেকেই সততা ও ন্যায়ের সঙ্গে কাজ সামলে যাচ্ছেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর ‘নানা কারণে মাঠ প্রশাসনে কাজের চাপ বেড়েছে। উপজেলা প্রশাসন সামলানোর পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ, পৌরসভায় দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদে থাকার কারণে ইউএনওদের ব্যস্ততা আগের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু চাপ থাকলেও এ উপজেলার নাগরিক সেবার মান কমেনি। বরং আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। আর সেটা ইউএনও আবু আবদুল্লাহ খানের ভূমিকায়।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ‘পতনের পর মাঠ প্রশাসনে অস্থিরতা দেখা দেয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন ইউএনও আবু আবদুল্লাহ। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ন্যায্যমূল্যের ‘বিপণন কেন্দ্র ও কৃষি কর্নার স্থাপন করেন তিনি, যা বেশ প্রশংসা পায়। এ ছাড়া উপজেলা মডেল
    পাঠাগার, গৌরনদী ক্লাব অ্যান্ড সোসাইটি চালুকরণ, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ডিবেটিং ক্লাব, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা ক্লাব ও বিজ্ঞান ক্লাব স্থাপনের উদ্যোগ তিনি। নিয়েছেন

    ভূমি সেবায়ও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। এ উপজেলায় সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার এক দিনের মধ্যে নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে ইউএনওর নির্দেশনায়, যা বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে খাল-নালা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    এসব বিষয়ে ইউএনও আবু আবদুল্লাহ খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক। যেখানেই চাকরি করেছি, সবসময় নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নাগরিকদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, যেদিন এখানে যোগদান করেছি, সেদিনই বলেছি এ উপজেলা আমার। যতদিন আছি এভাবে সেবা দিয়ে যেতে চাই। সবার সহযোগিতায় গৌরনদীকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ইউএনওরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সবার সহযোগিতায় আমরা সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারব।

  • চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহরে জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতী‌ সভায় মহানগর নায়েবে আমির নজরুল ইসলাম

    চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহরে জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতী‌ সভায় মহানগর নায়েবে আমির নজরুল ইসলাম

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন ৩৯নং ওয়ার্ডস্থ দক্ষিণ হালিশহর সাইট পাড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক ওয়ার্ডের উদ্যোগে দাওয়াতী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির নজরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ বছর দোসর ও জালেমী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের এদেশের রাজনৈতিক ভাবে আর প্রতিষ্ঠিত করতে দেওয়া হবে না,কেউ যদি স্বৈরাচারী সরকারের ন্যায় ওদের সহযোগিতা করতে চাইলে জনরোষের মাধ্যমে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দেন। তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসরদের প্রতিরোধে জনমত গঠন করে রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার করে তার পর রাজধানীর মাঠে নামতে পারেন..!
    অন্যথায় জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক ভাবে সর্বশক্তি দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন।
    সাংগঠনিক ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ আঃ রহিম বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ডাঃ মোঃ কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর সদস্য ও ইপিজেড থানা জামায়াতের আমীর মোঃ আবুল মোকাররম, আলোচকদের বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও ৩৯ নং ওয়ার্ড জামায়াতের নেতা এড, মোঃ শাহেদ ।দাওয়াতী সভায় আরো সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মামুনুর রশিদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ মুজিবুল হক বকুল, জামায়াত নেতা মোঃ ওসমান গনি, মোঃ শফিউল আলম শফি, মোঃ ইউনুছ, ডাঃ মোঃ আলী, আঃ মান্নান, মাওলানা মুহাম্মদ বখতিয়ার হোসেন,যুব সংগঠক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীল সংগঠক গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    ২৪ জানুয়ারি, শুক্রবার সন্ধ্যায় নারিকেল তলাস্থ মেইনরোড সংলগ্ন এলাকায় সাংগঠনিক দাওয়াতী সভায় শতশত গণমানুষ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    পরিশেষে বিশেষ মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন ।