Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইলে বিধ-বা নারীকে ধ-র্ষণ,থানায় মামলা আ-সামি গ্রেফ-তারের চেষ্টা চলছে

    নড়াইলে বিধ-বা নারীকে ধ-র্ষণ,থানায় মামলা আ-সামি গ্রেফ-তারের চেষ্টা চলছে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় তেলকাড়া গ্রামে মধ্যবয়সী এক বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করেছে জহির শেখ (৩৫) নামের এক যুবক।
    গত মঙ্গলবার (১৭জুন রাত আনুমানিক ২টার দিকে লোহাগড়া উপজেলায় তেলকাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটেছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (১৮ জুন) লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃশরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    ধর্ষক জহির শেখ লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের তেলকাড়া গ্রামের টুলু শেখের ছেলে।
    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,জহির শেখ দীর্ঘদিন ধরে ওই বিধবা মহিলা (৪৫) কে কুপ্রস্তাব এবং উত্যাক্ত করে আসছিলেন এবং ওই বিধবা একাকী নিজ ঘরে বসবাস করতেন।

    গত মঙ্গলবার রাতে ২ টার দিকে ধর্ষক জহির ওই মাহিলার ঘরের দরজার খিল ভেঙ্গে সুকৌশলে খুলে প্রবেশ করে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সমাজপতিরা স্থানীয়ভাবে সালিশ ও মীমাংসার চেষ্টা করে এবং তাকে জিম্মি করে রাখেন থানায় আসতে দেন না পুলিশ ও সাংবাদিক ঘটনা জানতে পারলে,পরে লোহাগড়া থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করেন।

    ধর্ষিতা বিধবা লোহাগড়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর (১) ধারায় জহির শেখকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। লোহাগড়া থানা মামলা নং-১৪।

    এবিষয়ে ওই বিধবা নারী সাংবাদিকদের জানান ধর্ষণের পরে সে থানায় আসতে গেলে স্হানীয় মাতুব্বররা তাকে থানায় আসতে বাঁধা দেয় পরে লোহাগড়া থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসার বিষয়ে জানতে মাতুব্বর লিয়াকত শেখের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি কিছু জানি না এসব বিষয়ে।

    এবিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, ওই বিধবা মহিলা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। আসামি জহির শেখকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • মেয়েকে বাঁচা-তে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পাইকগাছার বৃক্ষ প্রেমিক সিদ্দিক গাজী

    মেয়েকে বাঁচা-তে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পাইকগাছার বৃক্ষ প্রেমিক সিদ্দিক গাজী

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    মানুষ মানুষের জন্য, জীবন তো জীবনেরই জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা! হ্যা সহানুভূতি পেতেই পারে। আর তাই ভূপেন হাজারিকার বিখ্যাত এ কালজয়ী গানটির কথা স্মরণ করিয়ে একজন সংকটাপন্ন হতদরিদ্র মানুষের স্কুল পড়ুয়া মেয়ের চিকৎসায় এ মানবিক প্রতিবেদন।

    খুলনার পাইকগাছার বৃক্ষ প্রেমিক সিদ্দিক গাজী (৬৯)। উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের মৃত বেলায়েত গাজীর ছেলে। যদিও এলাকায় সবাই তাকে চেনেন বকুল সিদ্দিক নামে। দারিদ্রতা নিত্য সঙ্গী হলেও ১৯৮৫ সাল থেকে শুরু করে অদ্যাবধি খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা সহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় পায়ে হেটে ঘুরে ঘুরে সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি বকুলের চারা রোপন করেছেন তিনি। এনিয়ে বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালে বকুল গাছ নিয়ে বিটিভি”র জনপ্রিয় “ইত্যাদি অনুষ্ঠানে তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করে এবং ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। সে অর্থও তিনি ব্যয় করেছিলেন মানবতার কল্যাণে বৃক্ষ রোপনে।

    সর্বশেষ দারিদ্রতাকে নিত্য সঙ্গীকরে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন বিল থেকে বিরগুণি শাক সহ নানা রকমের শাক সংগ্রহ করে কপিলমুনি বাজার সহ বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে সেগুলো বিক্রির টাকায় নানা সংকটেও বেশ কাটছিল তার জীবন। তবে স্বল্প সুখই যেন সইলোনা তার।

    কয়েকদিন আগে তার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে খাঁদিজা অসুস্থ্য হলে চিকিৎসার জন্য তাকে ডাক্তারের কাছে নিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অ্যাপেন্ডিসাইটিস ধরা পড়ে। ফলে অপারেশন সহ ওষুধের খরচ বাবদ ১৪-১৫ হাজার টাকার কথা জানায় চিকিৎসকরা। এর পর কয়েকদিন যাবত মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন হতদরিদ্র একজন মানবিক মানুষ সিদ্দিক গাজী।

    বৃক্ষ প্রেমিক সিদ্দিক গাজী জানান, বিল থেকে সংগৃহীত শাক বিক্রির টাকায় নানা সংকটেও কোন রকম খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চলছিলেন তিনি। এর মধ্যে কয়েকদিন আগে তার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে খাঁদিজার অ্যাপেন্ডিসাইটিস ধরা পড়ে। এর পর থেকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্যের আবেদন জানিয়ে ৩ হাজার টাকা জোগাড় করেছেন তিনি। বাকি টাকার অভাবে মেয়ের চিকিৎসা করাতে ব্যার্থ হয়েই সকলের দারস্থ হয়েছেন। তাই সকলের সামর্থ অনুযায়ী সহায়তার আবেদন জানান তিনি। হতদরিদ্র সিদ্দিককে সহায়তায় তার ব্যবহৃত নম্বর ০১৯৫৬৬৩৯৭৬৭ (নগদ-বিকাশ পার্সোনাল)।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে শুরু করে খুলনা,যশোর, সাতক্ষীরা সহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় অদ্যাবধি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২ হাজারেও বেশি বকুলের চারা রোপন করেছেন তিনি। প্রথমে তিনি বিভিন্ন নার্সারী থেকে চারা কিনে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রোপন করতেন। এরপর ১৯৯০ সালে তিনি ১০ কাঠা জমিতে নার্সারী গড়ে তোলেন। যদিও এলাকার লোকজন নার্সারীটি নষ্ট করে দেয়। এরপর আবারও অন্যের জমি ইজারা নিয়ে নার্সারী গড়ে তোলেন। ১৯৯০ সালে তৎকালীন ইউএনও মিহির কান্তি মজুমদার তাকে কপিলমুনি কলেজে মালি পদে চাকুরি দেয়। এ চাকুরি প্রত্যাখ্যান করে বকুলের চারা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন সিদ্দিক গাজী। ২০১৫ সালে বকুল গাছ নিয়ে বিটিভি”র জনপ্রিয় “ইত্যাদি অনুষ্ঠানে তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করে এবং ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হয়।

    বর্তমানে বিভিন্ন বিল থেকে বিরগুণি শাক সহ নানা রকমের শাক সংগ্রহ করে উপজেলার বিভিন্ন বাজার সহ বিভিন্ন গ্রামে সেগুলো বিক্রি করে তিনি জীবীকা নির্বাহ করে থাকেন।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • ছাতকে প্রবাসীর বাড়ি লু-ট: ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

    ছাতকে প্রবাসীর বাড়ি লু-ট: ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

    হারুন অর রশিদ,
    ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের আছদনগর গ্রামে প্রবাসী আমীর উদ্দিনের বসতঘর লুটের অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (১৮ জুন) বিকেলে ছাতক পৌরশহরের মন্ডলীভোগ এলাকায় আয়োজিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রবাসীর বাড়ির কেয়ারটেকার শাহীন মিয়া ও ভুক্তভোগী পরিবারের জামাতা মোঃ আব্দুস ছোবহান বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

    আব্দুস ছোবহান জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে একই গ্রামের মোঃ নাজমুল ইসলাম, মোঃ কালা শাহ, মোঃ লোকমান আহমদ ওরফে পরাগসহ ১২-১৩ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবাসীর বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। পরে বসতঘরের তালা ভেঙে প্রায় দেড় শ মন বোরো ধান, দুইটি ফ্রিজ, একটি টিভি, কাঠের আটটি পালং খাট, পানির পাম্প, দশটি সিলিং ফ্যান, কাপড়সহ নানা আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

    কেয়ারটেকার শাহীন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, হামলাকারীরা তাকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করে। ভয়ে তিনি কোনো প্রতিরোধ করতে পারেননি।

    প্রবাসী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এই লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
    এ বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) রঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • দিনমজুর শরিফুলের দু,ছেলের ফরমফিলাপের ব্যবস্থা করে দিলেন গোদাগাড়ীর মানবিক ইউএনও

    দিনমজুর শরিফুলের দু,ছেলের ফরমফিলাপের ব্যবস্থা করে দিলেন গোদাগাড়ীর মানবিক ইউএনও

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের দিনমজুর শরিফুল ইসলামের দুই মেধাবী সন্তান আবু সাঈদ ও আবুবক্কর। একজন ইলেকট্রনিক্স, আরেকজন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত। বর্তমানে তারা তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। কিন্তু সামনে থাকা সেমিস্টার পরীক্ষার ফরম ফিলাপের টাকা জোগাড় করতে না পেরে দুশ্চিন্তায় পড়েন তারা।

    বাবার সামান্য আয়ে চলতে হয় তাদের পুরো পরিবারের। শরিফুল ইসলাম কখনো অন্যের জমিতে কাজ করেন, কখনো রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। শহরে থেকে পড়াশোনার খরচ চালাতে আবুবক্কর একটি কোচিং সেন্টারে টিউশনি করেন, আর আবু সাঈদ প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের খরচ সামাল দেন। কিন্তু ফরম ফিলাপের জন্য প্রয়োজন হয় একসঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকা। অসহায়ত্ব নিয়ে বুধবার (১৮ জুন) মা নাসিমা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ছুটে যান গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদের কাছে।

    ইউএনও সাহেবের কাছে গিয়ে তাদের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানালে তিনি শুধু আশ্বাস দেননি, দিয়েছেন সাড়া। বৃহস্পতিবার (ফরম ফিলাপের শেষ দিন) নিজের বেতনের টাকা থেকে আবু সাঈদ ও আবুবক্করকে ফরম ফিলাপের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি।

    ছেলেদের মা নাসিমা বেগম বলেন, “ইউএনও স্যার খুব ভালো ও মানবিক মানুষ। তিনি আমার সন্তানদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, আল্লাহ যেন তাকে উত্তম প্রতিদান দেন।”

    আবুবক্কর বলেন, “ফরম ফিলাপের জন্য যখন টাকার প্রয়োজন, আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ইউএনও স্যারের কাছে আগেও গিয়েছিলাম, তিনি তখন আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজ সেই আশ্বাস বাস্তব হলো। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই, তিনি আমাদের পরিবারের জন্য একজন অভিভাবকের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন।”

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমাদের সমাজে এমন অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছে, যারা শুধু টাকার অভাবে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছি তাদের পাশে দাঁড়াতে। হয়তো এই সহযোগিতা বড় কিছু নয়, কিন্তু যদি তারা এতে উৎসাহ পায়, তাহলেই আমার প্রচেষ্টা সফল।”

    দিনমজুর বাবার দুই মেধাবী সন্তানের জন্য এই মানবিক সহযোগিতা শুধু তাৎক্ষণিক স্বস্তি নয়, বরং সমাজের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির এক অনন্য উদাহরণ। গোদাগাড়ীর ইউএনও’র এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, চাইলেই রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হয়ে একটি হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়-যেখানে ভেঙে পড়া এক ভবিষ্যতের ভিত্তি রচিত হয় সহানুভূতির উপর।
    এদিকে ফেসবুকে মূহূত্বে ভাইরাল হয়েছে বিষয়টি। শত শত লাইক, কমান্ড শিয়ার হয়েছে। প্রশাংসায় ভাসছেন ইউএনও ফয়সাল আহমেদ।
    আসমাউল হোসনাইন লিখেছেন, সত্যি স্যার আপনার কাজ গুলো অনেক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
    গোলাম মোস্তেফা লিখেছেন, মাশাল্লাহ খুব ভালো একটা উদ্যোগ এগুলো বেশি বেশি নেন যাতে মেধাবী ছাত্রগুলো অকালে ঝরানো যায়।
    রুহুল আমিন লিখেছেন, আল্লাহ আপনাকে উত্তম যাযা দান করুন।

    মোঃ হায়দার আলী
    ,নিজস্ব প্রতিবেদক

  • শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফির ইন্তে-কাল

    শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফির ইন্তে-কাল

    নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজশাহীঃ ) রাজশাহী জেলার
    গোদাগাড়ী উপজেলার সারাংপুর মহল্লার মৃত অহংকার, শত শত আলেমের উস্তাদ, আল মারকাজুল ইসলামি আস-সালাফি, নওদাপাড়া, রাজশাহীর প্রতিষ্ঠা উস্তাজ শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফি, আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার সময় ইন্তেকাল করিয়াছেন। ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)

    গোদাগাড়ীর সারাংপুর গ্রামের কৃতি সন্তান শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফি হাফিজাহুল্লাহ শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, অসংখ্য মসজিদ, মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা, ইসলামিক স্কলার, অসংখ্য আলেমে দ্বীনের ওস্তাদ ছিলেন।

    তিনি প্রবীণ সংগঠক, কারা নির্যাতিত নেতৃত্ব ,আহালুল হাদিস কওমের উজ্জ্বল নক্ষত্র, সৌদি মাবউস , বাংলাদেশ আহলেহাদীস জামা’আত এর আমীর ও আল-মারকাজুল ইসলামী আস-সালাফীর
    প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল ছিলেন শায়খ আব্দুস-সামাদ সালাফী।

    বিশিষ্ট শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফি হাফিজাহুল্লাহ মৃত্যুতে দেশ, জাতি একজন আলেমেদীনকে হারালেন। তার অভাব পূরণ হবার নয়। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন!

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব সংবাদদাতা

  • আশুলিয়ায় গ্যাস বিস্ফো-রণে ভবন ধসে ৬ জন দ-গ্ধ হয়ে আহত

    আশুলিয়ায় গ্যাস বিস্ফো-রণে ভবন ধসে ৬ জন দ-গ্ধ হয়ে আহত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একটি দ্বিতল ভবন ধসে পড়েছে।এসময় বিস্ফোরণে অন্তত ৬ জন দগ্ধ হয়। দগ্ধ আহত ৬জনকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

    বুধবার(১৮ই জুন২০২৫ইং) সকাল সাড়ে ৭ দিকে ঢাকার আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের মন্ডল মার্কেট সংলগ্ন জুয়েল আহমেদের ২য় তলা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বাড়ির মালিক জুয়েল মিয়ার বাড়িটি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো বলে এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণে আহতরা হলেন-জাহানারা (৪০), জুয়েল (২৪), শান্ত (২১) হাওয়া আক্তার (২৩),জহুরুল ইসলাম (২৬) ও নাসির (৩৮)। নাসির প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেলেও বাকি ৫ জন দগ্ধ অবস্থায় এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজন আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে স্থানীয়রা জানায়,জুয়েল মিয়া নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ও অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছিলেন। সেই বাড়ির কক্ষে লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। ফলে রান্নার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এসময় ভবনটি ধসে পরে ও অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। এই আগুনে অন্তত ৬ জন দগ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন।এছাড়া বাড়ির মালিক জুয়েল মিয়ার দ্বায়িত্বরত (ম্যানেজার) শামীম মিয়া বলেন, নিচতলার ভাড়াটিয়া জহুরুল ইসলামের রুমের রাইজারে লিকেজ ছিলো।দরজা জানালা বন্ধ থাকায় সারা-রাত গ্যাস বের হয়ে ঘরে জমে ছিল। সকাল আনুমানিক ৭ ঘটিকার দিকে রান্নার জন্য চুলোতে আগুন জ্বালাতেই বিকট শব্দে দ্বিতল বাড়ি ধসে পড়ে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া বিস্ফোরণের শব্দের কারণে পাশের বাড়ির জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে আশেপাশে আগুন দেখে ফায়ার সার্ভিসে জরুরী কল দিলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হোন।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখন জানানো যাচ্ছে না, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • সেনবাগে উপজেলা বিএনপি নেতা মমিন উল্লাহ চেয়ারম্যানের উপর হা-মলার প্রতি-বাদে বিক্ষো-ভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    সেনবাগে উপজেলা বিএনপি নেতা মমিন উল্লাহ চেয়ারম্যানের উপর হা-মলার প্রতি-বাদে বিক্ষো-ভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    নোয়াখালীর সেনবাগে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মমিন উল্লাহ র উপর ছমিরমুন্সীর হাটে সন্ত্রাসী হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দগন।১৭ জুন বুধবার সকালে পৌর শহরে অনুষ্ঠিত, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবদল নেতা ফখরুল ইসলাম টিপুর নেতৃত্বে প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করে।এসময় পৌর কাউন্সিলর মহিন উদ্দিন, যুবদল নেতা মামুন মেম্বার, সাবেক ছাত্র নেতা মনির হোসেন জুলেট, দিদার হোসেন সোহাগসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।এসময় বক্তারা জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে,
    অবিলম্বে উক্ত হামলার ঘটনা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান।

  • নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী দেখেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি নি-ষেধ করায় ইউএইচএপপিওকে হুম-কি

    নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী দেখেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি নি-ষেধ করায় ইউএইচএপপিওকে হুম-কি

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ কোম্পানির এক প্রতিনিধি নিয়মিত রোগী দেখেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে তাকে নিষেধ করায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ কর্মচারীদের নানা হুমকি প্রদান করে আসছেন ওষুধ কোম্পানির ওই প্রতিনিধি। এমনকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান নির্বাহীর হাত পা ভেঙে দেওয়াসহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় শরীফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড নামে একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি কথিত সাংবাদিক মোহাম্মদ মহসিনের নামে নলছিটি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান নির্বাহী মো. মিজানুর রহমান।
    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদ মহসিন নামে ওষুধ কোম্পানির ওই প্রতিনিধি প্রতিদিন নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের নানাভাবে বিরক্ত করে আসছেন। তিনি জরুরী বিভাগে এবং সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারদের (স্যাকমো) কক্ষে গিয়ে প্রভাব বিস্তার করে নিজেই রোগী দেখেন। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিউলী পারভীনের নজরে এলে তিনি ওষুধ কোম্পানির ওই প্রতিনিধিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বসে রোগী দেখতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় মোহাম্মদ মহসিন। কর্তৃপক্ষের নিষেধ আমান্য করেও তিনি নিয়মিত রোগী দেখে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ জুন তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রধান নির্বাহী মো. মিজানুর রহমানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময তিনি আউট সোর্সেসিংয়ে জনবল নিয়োগের কাগজপত্র দেখতে চান। কাগজপত্র সিভিল সার্জন অফিসে রয়েছে জানালে প্রধান নির্বাহীকে মহসিন হাত পা ভেঙে ফেলাসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেন। এখানে চাকরি করতে হলে তাকে সবকিছু জানাতে হবে বলেও হুশিয়ারি দেন মহসিন। তাঁর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন কর্তৃপক্ষ। কিসের ক্ষমতাবলে তিনি এসব করে যাচ্ছেন এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান নির্বাহী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, মোহাম্মদ মহসিন সাংবাদিকতার ভয় দেখিয়ে নেক দিন ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। স্বাস্থ্য কর্মপ্লেক্স সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন সময় মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। সর্বশেষ আমার কক্ষে ঢুকে হাত পা ভেঙে ফেলাসহ জীবননাশের হুমকি দিয়েছে। আমি এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
    নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিউলী পারভীন বলেন, মহসিন নামে ওষুধ কোম্পানির ওই প্রতিনিধি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অবৈধভাবে রোগী দেখেন। এটা নিষেধ করায় তিনি ফেসবুকে উল্টাপাল্টা লিখে যাচ্ছেন। আমার অফিস স্টাফদের হুমকি দিচ্ছেন। অফিসে এসে কাগজপত্র এলোমেলো করেন। তাকে কেউ কিছু বললেও তিনি শুনছেন না। তাঁর যন্ত্রণায় আমরা সকলে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আমি আশা করি।
    এ ব্যাপারে শরীফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড নামের ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আউট সোর্সসিংয়ের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্ন কাগজপত্র দেখতে চেয়েছি। আমাকে মিজান তা দেখায়নি। মিজান বলে সিভিল সার্জন অফিসে আছে, সেখান থেকে দেখে নিন। আমি তাকে কোন হুমকি দেইনি। আমি হাসপাতালে রোগীও দেখি না। এসব মিথ্যা।
    নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ধূম-পান ও তামা-কজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে- ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    ধূম-পান ও তামা-কজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে- ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসনের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেছেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ব্যবহারের ফলে মানব শরীরের মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে শিরা সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। যার ফলে হাইপার টেনশন, হার্ট-স্টোকের মতো মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়।

    বুধবার (১৮জুন) দুপুরে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০২৫ বাস্তবায়নে গঠিত উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য,অংশীজন ও কর্তত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জুন ২০২৫ মাসের মতবিনিময় সভায় প্রশিক্ষণ কর্মশালার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সভা-সেমিনার আয়োজন এবং মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং শিশুদেরকে খেলাধুলা ও নানাবিধ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পরিবার থেকে ছেলে-মেয়েদেরকে সচেতন করতে হবে। উপজেলা ক্রীড়া অফিসারগন বেশি বেশি করে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করবেন। জনবহুল স্থানে ধূমপান বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এসময় তিনি তামাক চাষীদের তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করে অন্য ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে আহবান জানান।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহজাহান কবির এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে
    কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ ফখরুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম,কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ হোসেন। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বেলায়েত হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসক হাবিবুর রহমান, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসক মেহেদী হাসান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসক শরীফ আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোবায়রা বেগম সাথী,অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তারিক আজিজ,স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) নাজমুল হুদাসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং
    টাস্কফোস কমিটির সদস্য,অংশীজন ও কর্তত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনায় বক্তারা জানান, নতুন আইনে পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ১০০ গজের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ, এবং তামাকজাত দ্রব্যের প্রচার-প্রচারণা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন বাস্তবায়নে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হবে।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার বক্তব্যে- ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার( নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০২৫ বাস্তবায়নে টাস্কফোস কমিটি সদস্য,অংশীজন ও কর্তত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের কঠোরতার সহিত কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধূমপানমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত সমাজ গঠনের পথ সুগম হবে। সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই আইন বাস্তবায়ন সম্ভব।

    জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল-এর উপপরিচালক মোঃ শহীদুল ইসলাম উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার মূল প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন।

    প্রশিক্ষণে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট ও নির্দেশিকা বিতরণ করা হয়

    উল্ল্যেখ- ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৫ বাস্তবায়নে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়।প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য গুলো হলো-১. আইনের সঠিক ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।২. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা। ৩. আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা।৪. জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন কৌশল ও পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
    ৫. তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সাথে জড়িত বিভিন্ন অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি করা।

  • চার দিনেও খোঁজ মে-লেনি ঢাকায়  নি-খোঁজ বানারীপাড়ার আদি’র

    চার দিনেও খোঁজ মে-লেনি ঢাকায় নি-খোঁজ বানারীপাড়ার আদি’র

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    চার দিনেও খোঁজ মেলেনি ঢাকায় নিখোঁজ বানারীপাড়ার সন্তান মেধাবী শিক্ষার্থী আদি’র। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে আদি’র মা-বাবা পাগল প্রায়। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তার নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আদি ইবনে জামান (১৩) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের গরদ্বার গ্রামের মো. মনিরুজ্জামান ও হামিদা জামানের ছোট ছেলে। গম ১৫ জুন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি সে। পরে তার পরিবার তাদের স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পায়নি। এ বিষয়ে ওইদিন (১৫ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ৮৪৯) করেন আদি ইবনে জামানের বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। জিডিতে তিনি বলেন,তার ছেলে ‘আদি ইবনে জামান (১৩) ,১৫ জুন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতার আমার নিজ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।’ নিখোঁজ ছেলের বর্ণনায় তিনি জানান, ‘গায়ের রং ফর্সা, চুল ছোট, উচ্চতা ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি, স্বাস্থ্য মাঝারি, পরনে ছিল নীল জিন্সের ফুল প্যান্ট ও পেস্ট কালারের টি শার্ট।’ আদি ইবনে জামান ঢাকার বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বরিশালের বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মো.হাবিবুর রহমান জুয়েলের ছোট বোনের ছোট ছেলে এবং গরদ্বার নিবাসী ডা. মো.আবুল কালাম আজাদের ভাইয়ের ছেলে।

    আদির মামা মো. হাবিবুর রহমান জুয়েল জানান, ১৫ জুন সকালে নিখোঁজের পর সম্ভাব্য সব জায়গায় আদিকে খোঁজ করা হয়েছে কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় কাফরুল থানায় জিডি করা হয়। এ প্রসঙ্গে জিডির তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপ-পরির্দশক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘নিখোঁজ স্কুল ছাত্রটিকে খুঁজে বের করার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। বাসা ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। সব সোর্সকে কাজে লাগানো হচ্ছে। ছেলেটি তার মায়ের মোবাইল থেকে বন্ধুদের সাথে কথা বলতো। সিডিআর হাতে পেলে তদন্তের কাজ আরও তরান্বিত হবে।’ এদিকে কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেলে নিচের মোবাইল নাম্বারে জানানোর জন্য অনুরোধ রইল: ০১৯১১-২৪৫২২৩ ( আদির বাবা) ও ০১৯১২-৪৭৪০৩৩ ( আদির মা)। ##