Category: দেশজুড়ে

  • ইউএনও এর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত সুবিধার্থে সিসি সড়ক নির্মাণে খুশী শিক্ষার্থীরা

    ইউএনও এর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত সুবিধার্থে সিসি সড়ক নির্মাণে খুশী শিক্ষার্থীরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার টাংগারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ও জনসাধারনের যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এতে করে দূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেনী পেশার লোকজন। প্রধান সড়ক হতে স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটি দীর্ঘদিন কাঁচা রাস্তা থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচলে অসুবিধা ও দুর্ভোগের শিকার হতে হতো। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে যেত এবং কাদা ও কর্দমাক্ত অবস্থার কারণে এলাকাবাসী, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। অবশেষে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এই রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শুরু করে উপজেলা প্রশাসন ও ইউএনও’র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন স্থানীয় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

    এরই মাঝে উপজেলার টাংগারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ কাজটির উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।

    একই দিনে আরো বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড ও বিভিন্ন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়াও
    টাংগারীপাড়া এলাকাবাসী কোথায় কি সমস্যা আছে তা নিরসনে পরিদর্শনসহ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মতৎপরতা দেখিয়েছেন।

    সুত্র জানিয়েছে-উপজেলার টাংগারীপাড়া এলাকার মেইন রোড থেকে টাংগারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন সড়ক বিদ্যালয় পর্যন্ত কোন রাস্তা না থাকায় ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনসাধারনের দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এমন কি ওই রাস্তা না থাকার কারনে এলাকাবাসী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা কাঁদা পানি ও বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে যেত এবং কাদা ও কর্দমাক্ত অবস্থার কারণে
    পার হয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হতো। এ ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে
    টাংগারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ
    করা হয়। এতে করে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনসাধারন দূর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পাবে।
    স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন তাদের পানি-কাঁদা পার হয়ে স্কুলে আসতে হত। কিন্তু এখন রাস্তা নির্মান করায় আমাদের ভোগান্তির দিন শেষ হলো।

    তাদের মতে-এই জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বকশীগঞ্জ উপজেলার সম্মানিত ইউএনও মাসুদ রানা। তাঁর উদ্যোগে ও তত্ত্বাবধানে বর্তমানে এই রাস্তায় সিসি ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, যা এলাকার মানুষের চলাচলে উন্নত- সুব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, আমার নিজের স্বার্থে নয় এলাকাবাসী ও স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে রাস্তাটি আমরা নির্মান কাজ শুরু করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো জানান, উপজেলার সকল বেহাল সড়ক ও স্কুল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষারমান বাড়াতে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। অচিরেই এর জনদুর্ভোগময় এলাকাগুলোতে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানো হবে এবং উপজেলার মাটির গ্রামীন সড়ক পাকাকরনের আওতায় আনা হবে।

  • চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়নে বিডব্লিউবি উপকার ভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে বিডব্লিউবি উপকার ভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে দুস্থ অসহায় নারীদের জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট (ভিডব্লিউবি) কার্যক্রমের আওতায় ১ জুলাই /২০২৫ হতে ৩০ জুন/২০২৭ চক্রের (ভিডব্লিউবি) প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন, খাদ্য ও কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করণে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে।

    রবিবার (২৯ জুন) দুপুর আড়াইটায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে উম্মুক্ত পরিবেশে ৮৪৭ জন আবেদনকারী থেকে ২১২ জন উপকারভোগী বাছাইয়ে যৌথভাবে এই লটারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তারিক আজিজসহ লটারী কার্যক্রমের প্রতি ওয়ার্ডের বাছাই কমিটির সদস্য,ইউপি সদস্যগণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • গোদাগাড়ীর ২ মাদ-ক ব্যবসায়ী হেরো-ইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফ-তার

    গোদাগাড়ীর ২ মাদ-ক ব্যবসায়ী হেরো-ইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফ-তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
    রাজশাহী গোদাগাড়ীর উপজেলার ২ কুখ্যাত হেরোইন ব্যবসায়ীকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার। বিষয়টি গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীর টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

    গত শনিবার (২৯ জুন ২০২৫) রাত ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকার ফুড সিটি ইন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের একটি কাঁচা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব ১২ এর একটি বিশেষ টীম ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী মহল্লার মৃত. নৈমুদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), ও একই এলাকার মৃত. বিজয় কর্মকারের ছেলে সুমন কর্মকার (৩৫)।
    আসামিদের কাছ থেকে হেরোইন ছাড়াও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২হাজর ৮০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা দীর্ঘদিন থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকদ্রব্য হেরোইন সরবরাহ করে আসছিল। তারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।
    আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

    ***Md. Haider Ali***
    01745532222
    Godagari,Rajshahi

    On Sun, Jun 29, 2025, 9:07 PM MD. Haider Ali wrote:
    গোদাগাড়ীর ২ মাদক ব্যবসায়ী হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
    রাজশাহী গোদাগাড়ীর উপজেলার ২ কুখ্যাত হেরোইন ব্যবসায়ীকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার। বিষয়টি গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীর টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

    গত শনিবার (২৯ জুন ২০২৫) রাত ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকার ফুড সিটি ইন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের একটি কাঁচা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব ১২ এর একটি বিশেষ টীম ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী মহল্লার মৃত. নৈমুদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), ও একই এলাকার মৃত. বিজয় কর্মকারের ছেলে সুমন কর্মকার (৩৫)।
    আসামিদের কাছ থেকে হেরোইন ছাড়াও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২হাজর ৮০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা দীর্ঘদিন থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকদ্রব্য হেরোইন সরবরাহ করে আসছিল। তারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।
    আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে কৃষি কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

    সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে কৃষি কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলামকে পদোন্নতিজনিত কারনে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলার সর্বস্তরের কৃষক-কৃষাণীদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে এবং এসএপিপিও আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ ফারুক হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জাহিদ হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, সাইদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, কৃষক হেলাল উদ্দিন প্রামানিক ও কৃষাণী হোসনেয়ারা খাতুন প্রমুখ। শেষে বিদায়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামকে উপজেলার সর্বস্তরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য উপজেলার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সফল এ কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার অতিরিক্ত উপ পরিচালক(শস্য) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নীলফামারী আদালতে ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দায়ের

    নীলফামারী আদালতে ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দায়ের

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনার সময় বিএসটিআই আইন- ২০১৮ এর ১৫ ও ২১ ধারা লংঘনের কারণে অনুযায়ী ২৯ জুন ২০২৫ খ্রি: তারিখে নিম্ন বর্ণিত ০৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, নীলফামারী এবং ০১টি প্রতিষ্ঠানের ০২জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, নীলফামারীর আদালতে ১টি সহ মোট ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। দায়েরকৃত ১০টি মামলা নম্বর হচ্ছে সিআর- ১৪/২৫ হতে সিআর ২৩/২৫ পর্যন্ত।

    মামলা দায়েরকৃত প্রতিষ্ঠানগুলি হচ্ছে:
    ০১। মোঃ মঈন আহমেদ (৯১), মেসার্স মঈন এগ্রো, জহুরুল হক রোড, বঁাশবাড়ী, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পন্য- সরিষার তেল ও গমের ভূষি
    ০২। মোঃ ফয়জুলহক প্রধান (৫০), মেসার্স প্রধান পাইপ ইন্ডাষ্ট্রিজ, সবুজপাড়া, সদর, নীলফামারী;
    পণ্য- পাইপস এন্ড ফিটিংস মেড অব পিভিসি-ইউ, ইউজড ফর পর্টেবল ওয়াটার সাপ্লাই
    ০৩। মোঃ জাহেদুল ইসলাম (৪৫), মেসার্স নুরানী বেকারী, চড়াইখোলা, টেক্সটাইল, সদর, নীলফামারী;
    পণ্য- বিস্কুট ও ব্রেড
    ০৪। সখেন ঘোষ(৬০), মেসার্স পাহলওয়ান সুইটস, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৫। মোঃ কায়সার (৫১), মেসার্স নিউ দিলকুশা মিস্টি ভান্ডার, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৬। শাকিল আহম্মেদ (৪৮), মেসার্স দিলশাদ মিস্টান্ন ভান্ডার, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৭। মোঃ আরাফাত হোসেন (৪২), মেসার্স শাহ হোটেল এন্ড রেস্টেুরেন্ট, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৮। রঞ্জন সরকার (৫২), মেসার্স আজিম সুইটস এন্ড রেস্টুরেন্ট, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৯। মোঃ সাহাবুদ্দিন (৫৫), মেসার্স আল সামস সুইটস, ক্যান্টনমেন্ট রোড, বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ১০। মোঃ সিদ্দিকুল আলম (৫৫), মেসার্স ইকু কয়েল ফ্যাক্টরী (সিদ্দিক কেমিক্যাল ওয়ার্কস), ঢেলাপীর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- মশার কয়েল
    ১১। মোঃ আব্দুল কাদের বিপুল (৪৫), মেসার্স ইকু কয়েল ফ্যাক্টরী (সিদ্দিক কেমিক্যাল ওয়ার্কস), ঢেলাপীর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- মশার কয়েল

  • গোদাগাড়ীর মোহনপুর  ইউনিয়নের পালশা এলাকায় রাস্তার বেহা-ল দশা

    গোদাগাড়ীর মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা এলাকায় রাস্তার বেহা-ল দশা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় জমে হাটু পরিমান পানি। বৃষ্টি কৃষি কাজের জন্য উপকারী, জনজীবনে স্বস্তি দিলেও কিছু জায়গায় তৈরি করে জনদুর্ভোগ। যদিও এর দায় বৃষ্টির নয়, মানুষের। স্বস্তির বৃষ্টি উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন, ভ্যান, সাইকেল, বাইক, মানুষ, শিক্ষার্থীগণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানান এ রাস্তা পাঁকা করার জন্য মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নিকট অনেকবার যোগাযোগ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। ফলে জনগনের কষ্টের সীমা নেই। এলাকাবাসী আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি রাস্তাটিতে।

    এ ব্যাপারে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ খাইরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

    এলাকার ভৃক্তভোগি আর এইচ রানা দেওয়ান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলেও এ রাস্তায় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি। উন্নয়ন বৈষম্যের স্বীকার গ্রামের মানুষ। যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে ওঠে। রাস্তায় জমে হাটুপরিমান পানি ও কাঁদা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    এলাকাবাসী এই রাস্তাটি জরুরীভাবে সংস্কারের প্রশাসন ও মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভি-যানে  ১০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ ২ জন মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভি-যানে ১০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ ২ জন মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অদ্য ২৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ রাত ০১.৫৫ ঘটিকায় র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় ও র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানাধীন হাটিকুমরুল সাকিনস্থ ফুড সিটি ইন হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের্^ কাঁচা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২,০৮০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ০১। মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), পিতা- মৃত নৈমুদ্দিন, মাতা- মোছাঃ আনোয়ারা বেগম, ০২। শ্রী সুমন কর্মকার (৩৫), পিতা- মৃত বিজয় কর্মকার, মাতা- মৃত শোভা রানী, উভয়ের সাং- মহিষালবাড়ী, থানা- গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ¦য়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন- মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গু-লি, শীর্ষ সন্ত্রা-সী বাপ্পি’র সহযোগীসহ ৩জন গ্রেফ-তার-অ-স্ত্র উদ্ধার

    ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গু-লি, শীর্ষ সন্ত্রা-সী বাপ্পি’র সহযোগীসহ ৩জন গ্রেফ-তার-অ-স্ত্র উদ্ধার

    হেলাল শেখঃ রাজধানীর ফকিরাপুলে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার বাপ্পি ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

    রোববার (২৯ জুন ২০২৫ইং) ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে যশোর জেলার ঘোপ নওয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পি ওরফে মো. আলী ওরফে ফিরোজ আলম ওরফে আহসানুল হক এবং তার সহযোগী আবু খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে বোমা রিপন ও মো. কামরুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলিভর্তি ম্যাগজিনসহ ১৫১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    এর আগে গত ১৯ জুন রাজধানীর ফকিরাপুলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে লক্ষ্য করে এই মাদককারবারি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গুলির ঘটনা ঘটে। এরপর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে তাদেরকে গ্রেফতার করেন।

  • আশুলিয়ার বাইপাইলে চাঁদাবা-জদেরকে কঠোর হুশি-য়ারী দিয়েছেন পুলিশ

    আশুলিয়ার বাইপাইলে চাঁদাবা-জদেরকে কঠোর হুশি-য়ারী দিয়েছেন পুলিশ

    হেলাল শেখঃ দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির অভিশাপ থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা। চাঁদাবাজি, হামলা-পাল্টা হামলা আর মানববন্ধন-পাল্টা মানববন্ধনের এক অস্বস্তিকর অধ্যায়ের পর পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে স্বস্তি ফিরেছে এই এলাকায়। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের রীতিমতো ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কাউন্টারগুলোতে ফিরিয়ে এনেছে স্বাভাবিক গতি, যা সাধারণ ব্যবসায়ী ও কাউন্টার মালিকদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি এনে দিয়েছে। বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবিরের একটি মাইকিং এতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের এমন উদ্যোগ প্রশংসার কুড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

    রবিবার (২৯ জুন ২০২৫ইং) তারিখ হতে অভিযান শুরু, ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড, যা ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত, দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় চাঁদাবাজ চক্রের হাতে জিম্মি ছিলো। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্র বাস স্ট্যান্ড ঘিরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে পরিবহন কাউন্টার, খাবার হোটেল, ক্ষুদ্র দোকানপাট এবং হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছিলো। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই নেমে আসতো হামলা, ভাঙচুর ও শারীরিক লাঞ্ছনার মতো ঘটনা। এমনকি চাঁদা আদায়ের ক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন চক্রের মধ্যে নিজেদের মধ্যেই হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটেছে, যা বাইপাইল এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিলো। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছে, যা সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার করেছিলো।

    ব্যবসায়ীরা জানান, পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে এবং চাঁদাবাজদের কোনো রকম চাঁদা না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে ব্যবসার গতি স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে।

    চাঁদাবাজির এই লাগামহীন দৌরাত্ম্যে এখানকার ব্যবসায়ীরা ছিলেন চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাউন্টার মালিক জানান, “চাঁদাবাজির কারণে আমাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিলো। প্রতিদিন চাঁদা দিয়ে আমাদের লাভ তো দূরে থাক, উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছিলো। প্রতিবাদ করলেই হামলার শিকার হতে হতো। আমরা একরকম অসহায় হয়ে পড়েছিলাম।” আরেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, “প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতে হতো। না দিলে দোকানের সামনে এসে হুমকি-ধামকি দিতো, এমনকি দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিতো। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফল পাইনি। তবে এখন পুলিশ নিজে এসে চাঁদা আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থানে তাকায় আমরা আশা করছি ভালো কিছু হবে। তারা সকাল থেকে খোঁজখবর নিচ্ছেন। “

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হান্নান সাহেবের নেতৃত্বে অভিযান চলমান রয়েছে, থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমন জানান, “চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকার চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্ভয়ে ব্যবসা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

    ভাইরাল ভিডিও ফুটেজে দেওয়া ঘোষণায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর বলেছেন, ” আমরা আপনাদের সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবো। কেউ যদি চাঁদাবাজি করতে আসে তাহলেও আমরা সর্বোচ্চ আইন ব্যবহার করবো। আমরা ৫ই আগস্টের আগের পুলিশ না। আমরা মানুষের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে চাই। সে জন্য যা করতে হবে করবো। তবু মানুষকে স্বস্তি দিবো। তাই আমরা অবৈধ কোন কর্মকান্ড হতে দিবো না। আমাদের কথা একটাই মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • প্রাণিসম্পদ অফিসে সাংবাদিক প্রবেশে বা-ধা প্রতিশ্রুতি দিলেও – ১০ দিনেও নেয়া হয়নি ব্যব-স্থা

    প্রাণিসম্পদ অফিসে সাংবাদিক প্রবেশে বা-ধা প্রতিশ্রুতি দিলেও – ১০ দিনেও নেয়া হয়নি ব্যব-স্থা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরে জাতীয় দৈনিকের তিন সাংবাদিকের সাথে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এক কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণে উপজেলার সাংবাদিক মহলের উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন দাপ্তরিক ব্যবস্থা।

    গত ১৮ জুন (বুধবার) দুপুরে দৈনিক কালবেলা, আমার দেশ ও সকালের সময় পত্রিকার তারাগঞ্জ প্রতিনিধিগণ তথ্য সংগ্রহের প্রাণিসম্পদ অফিসে গেলে কর্মরত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. মামুনুর রশীদ তাদের সঙ্গে রূঢ় ও কটূক্তিপূর্ণ আচরণ করেন এবং অফিস প্রবেশে বাধা দেন। কার অনুমতি নিয়ে অফিসে প্রবেশ করেছেন বলে প্রশ্ন তোলেন এবং বাকবিতন্ডা শুরু করেন। প্রাণিসম্পদ অফিসের বিতর্কিত এই ঘটনা উপজেলার সংবাদিক মহল ও উপজেলা প্রশাসনে জানাজানি হলে, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে উপজেলার সকল সাংবাদিক উপস্থিত হয়ে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি শোনেন এবং সাংবাদিকদের সাথে প্রাণিসম্পদ অফিসে দাপ্তরিক শুদ্ধাচার লংঘনের এমন ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, যেকোন তথ্য সংগ্রহ সাংবাদিকদের অধিকার। সেখানে সরকারি অফিসে তথ্য সংগ্রহকালে একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়।
    এসময় অফিসে অনুপস্থিত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফোন করে ডেকে নেন। পরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার অফিস কক্ষে সকল সাংবাদিক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. মামুনুর রশীদ এর শুদ্ধাচার লংঘিত ঘটনাকে অনভিপ্রেত ঘটনা বলে উল্লেখ করেন এবং ১ সপ্তা‌হের ম‌ধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। এসময় সাংবাদিকের সাথে উদ্ধত আচরণে অভিযুক্ত মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবিলম্বে অন্যত্র বদলির দাবি জানান। কিন্তু ঘটনার দশদিন অতিবাহিত হলেও দাপ্তরিক ভাবে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।
    প্রসঙ্গত, উপজেলার বিভিন্ন কসাইখানার মাসয়োরা চাঁদাবাজ মামুনুর রশীদ ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কেএম ইফতেখারুল ইসলাম যোগদানের পর যোগশাজোস করে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে হাসপাতাল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কর্তন এবং এলডিপি প্রকল্পের উপকারভোগী পিজি গ্রুপের সদস্যদের সভা ও প্রশিক্ষণে খাবার ও ভাতা বাবদ বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ-এর ঘটনায় টিভি চ্যানেল সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে একাধিক বার সংবাদ প্রকাশের পর দুই দফা তদন্ত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর নেয়নি কোন ব্যবস্থা। উল্টো পক্ষপাতমুলক বক্তব্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। যা স্ব-দাপ্তরিক স্বজন প্রীতি অনুমানযোগ্য।
    উল্লেখ্য যে- উপ-সহকারী মামুনুর রশীদ আ‌গের কর্মস্থল রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আচরণ খারা‌পের জন‌ স্থানীয়দের হাতে তিনি গণপিটুনি খে‌য়ে‌ছি‌লেন বলেও শোনা যায়। আর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কেএম ইফতেখারুল ইসলাম নাটোরের সিংড়া উপজেলায় কর্মকালে সাবেক আইসিটি মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের ছত্রছায়া ও ওলামা লীগ সম্পৃক্ততায় ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার করতেন মর্মেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট থেকে দেখা যায় গাছ খেকো এই কর্মকর্তা এখনো অজ্ঞাত আওয়ামী শক্তির ফ্যাসিস্ট আচরণেই আবদ্ধ।
    উপজেলার সাংবাদিক ও সুধী সমাজ বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসের অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবকিছু জেনেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরো বেপরোয়া এবং স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন। তারা আরো বলেন, শুধু সাংবাদিক সমাজ নয়, প্রাণিসম্পদ সম্পৃক্ত উপজেলার অধিকাংশ সুবিধাভোগী খামারী ও পিজি সদস্যরা এই দুই অভিযুক্ত অফিসারের উপর অতিষ্ঠ! দেশে কি আর কোন পশু সম্পদ অফিসার নেই? এমন প্রশ্ন তোলেন এবং তারাগঞ্জবাসী ও অফিস শৃঙ্খলার স্বার্থে দুর্নীতিবাজ ও গাছ খেকো এই দুই কর্মকর্তাকে দ্রুত অপসরণের দাবি করেন।
    এ বিষ‌য়ে‌ রংপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সা‌ঈ‌দের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।