Category: দেশজুড়ে

  • বিদা-য়ের আবেগে আপ্লুত আগৈলঝাড়ার ইউএনও, চোখের জ-লে বিদায়ী সংবর্ধনা

    বিদা-য়ের আবেগে আপ্লুত আগৈলঝাড়ার ইউএনও, চোখের জ-লে বিদায়ী সংবর্ধনা

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষো যেন রূপ নিল এক আবেগঘন মিলনমেলায়। শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা আর স্মৃতিময়তায় বিদায় জানানো হলো বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) চৌকস নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন-কে। মঞ্চের আবহ ছিল ব্যতিক্রম। কোথাও চোখের কোণে জল, কোথাও প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। সবার মুখে এক কথাই আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন শুধু একজন প্রশাসক ছিলেন না, ছিলেন ভালো মানুষ ও আগৈলঝাড়ার সকলের আপনজন।” উপজেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক, সাংবাদিক এবং শিক্ষাক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের কাছেও ছিলেন একজন ভালো মানুষ। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তুলে ধরেন বিদায়ী ইউএনও-র কর্মযজ্ঞ ও মানবিকতার নানা দিক। নিজের বিদায়ী বক্তব্যে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন। তিনি বলেন, আগৈলঝাড়া শুধু আমার কর্মক্ষেত্র ছিল না, ছিল আমার ভালোবাসার স্থান। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমার জীবনের চিরস্মরণীয় সম্পদ হয়ে থাকবে। এই ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত হয় বিদায়ী ইউএনও-র কর্মকাণ্ডের নানা দিক৷ ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্রের মাধ্যমে জানানো হয় কৃতজ্ঞতা। অনেকের চোখেই ছিল অশ্রু, কিন্তু সেই অশ্রু ছিল গর্বের—একজন ভালো কর্মকর্তাকে যথাযথ বিদায় জানানোর গর্ব। উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে অফিসার্স ক্লাবের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন। বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে ইমামা বানিন, কৃষি কর্মকর্তা পিজুষ রায়, অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালাসহ অন্যান্যরা।

  • মেয়ে ঐশী খানের সম্পদের হিসাব চেয়ে শাজাহান খানের বাসভবনের দরজায় দুদকের নো-টিশ

    মেয়ে ঐশী খানের সম্পদের হিসাব চেয়ে শাজাহান খানের বাসভবনের দরজায় দুদকের নো-টিশ

    আরিফুর রহমান, মাদারীপুর ||

    দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের কন্যা ঐশী খানের সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদারীপুর নতুন শহর এলাকার শাজাহান খানের নিজ বাসভবনের দরজায় নোটিশটি টানিয়ে দেয় দুদক। নোটিশ প্রদানের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও থানা পুলিশের উপস্থিতিতে পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

    নোটিশে আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে ঐশী খানকে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পূর্ণ বিবরণী দুদকের কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিবরণী জমা না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

    দুদকের মাদারীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান জানান, দুদকের প্রধান কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে, যাতে বলা হয়—দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন ঐশী খান। অভিযোগ যাচাই–বাছাই শেষে তাকে দুদকে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    তবে নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি হাজির না হওয়ায়, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক জুয়েল আহম্মেদের নেতৃত্বে একটি দল মাদারীপুরে এসে তার বাসভবনের দরজায় আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশটি টানিয়ে দেয়।

    দুদক জানিয়েছে, সম্পদের হিসাব দাখিল না করলে ঐশী খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হবে।

    প্রতিবেদক: আরিফুর রহমান, মাদারীপুর।

  • পলাশবাড়ী সমাজ কল্যান সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    পলাশবাড়ী সমাজ কল্যান সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    “ফল গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান,আসুন সবাই মিলে বৃক্ষরোপন করি,সবুজ পৃথিবী গড়ি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পলাশবাড়ী সমাজ কল্যান সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ১০ই জুলাই সকালে সংস্থার অস্থায়ী কার্যালয় পলাশবাড়ী পৌর শহরের বৈরীহরিণমারী গ্রামে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    কর্মসূচি উপলক্ষে আলোচনা সভায় উক্ত সংস্থার সভাপতি গোলজার সরকার রাজিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাউদ্দীন আহমেদ খান,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নছোয়া কিন্ডার গার্টেন এন্ড হাইস্কুলের পরিচালক শাহজাহান মিয়া।

    এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, পলাশবাড়ী সমাজ কল্যান সংস্থার এমন উদ্যোগ প্রশংসার দাবীদার, সমাজের ভাল কাজে আরো ভূমিকা রাখবে এই সংস্থা এমনটাই আশা করছি আমরা।

    সংস্থার সভাপতি গোলজার সরকার রাজিব বলেন,আমরা এই সংস্থার মাধ্যমে অনেক দিন থেকেই সামাজিক কাজগুলো করে আসছি,শুধু পলাশবাড়ী নয় আগামীতে দেশ ব্যাপী আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে সামাজিক কাজগুলো কবরো,এ সময় সবার সহযোগিতা আশা করেন তিনি।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ,অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান,প্রচার সম্পাদক রাজু আহমেদ,সদস্য ডলার মিয়া,পলাশবাড়ী ব্লাড ডোনার সোসাইটির পরিচালক সাগর ইসলামসহ অনেকে।

    শেষে রাস্তার পাশে গাছের চারা রোপন আম,কাঁঠাল ও পেয়ারার চারা বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দসহ সংস্থার সদস্যরা।।

  • উপজেলা পরিষদের রোপন করা গাছগুলো ঝোপঝাড়ে থাকা বিলে সবুজ প্রাণের স্পন্দন ছড়াবে

    উপজেলা পরিষদের রোপন করা গাছগুলো ঝোপঝাড়ে থাকা বিলে সবুজ প্রাণের স্পন্দন ছড়াবে

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি :
    রংপুর তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের হাতখোপা বিলে এক ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন জাতের প্রায় ৭ শতাধিক চারা রোপন করায় চারিদিক সবুজের সমারহ ঘটেছে। ঝোপঝাড়ে থাকা বিলে সবুজ প্রাণের স্পন্দন ছড়িয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের হাতঘোপা বিলপাড়ে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়। “আজকের গাছ, আগামীর নিশ্বাস” স্লোগানে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা কৃষি অফিসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আয়োজনটি হয়ে ওঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ উৎসব। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা।

    উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায়, কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা, তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ফারুক , স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, শিক্ষার্থী ও পরিবেশপ্রেমীরা। বিলপাড়জুড়ে আম, কাঁঠাল, তাল, নারিকেল, বেলসহ বিভিন্ন জাতের শত শত চারা রোপণ করা হয়।

    ইউএনও রুবেল রানা বলেন, “ আজ যে গাছ আমরা রোপণ করছি, তা একদিন বিশাল বৃক্ষে পরিণত হয়ে এই এলাকার জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

    কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় জানান, “আমাদের লক্ষ্য শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং তার সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা। হাতঘোপা বিলের সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”

    বৃক্ষরোপন করতে আসা, সাদেক আলী বলেন, হাত ঘোপা বিলে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ, উপজেলা প্রশাসন কে আমরা এলাকাবাসীরা এমন উদ্যোগ নেওয়ায় সাধুবাদ জানাই।

  • গোদাগাড়ীর গ্রামীন রাস্তার বেহা-লদশা,  অভিযোগ করেও প্রতি-কার পাচ্ছেন না

    গোদাগাড়ীর গ্রামীন রাস্তার বেহা-লদশা, অভিযোগ করেও প্রতি-কার পাচ্ছেন না

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলার প্রথম শ্রেণীর গোদাগাড়ী পৌরসভার রাস্তার বেহালদশা সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। উপজেলার কিছু রাস্তার চিত্র একই। এ পৌরসভার বেশ কয়েকটি রাস্তার বেহালদশা। ৭ নং ওয়ার্ডের একটি রাস্তা, ১ নং ওয়ার্ডর গড়েরমাঠ থেকে তালতোলার রাস্তাটি টানা বর্ষণের ফলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    গোদাগাড়ীর নুরুজ্জামান নাদিম ফেসবুকে বেহালদশা ও আটকিয়ে পাড়া একটি ও মানুষের ঠেলাঠেলি দৃশ্যে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, গোদাগাড়ী ৭নং ওয়ার্ড এর রাস্তা এটি। গত ১৫ বছর থেকে এভাবেই আছে কেউ দেখার নাই ডাইংপাড়া থেকে ১০ টাকা রিকশা ভাড়া, ৪০-৫০ টাকা দিতে চেয়েও আসেন না, পা ধরা লাগে। এই রাস্তা কি কোনোদিন ভালো হবে না? আমার বাইরের রিলেটিভরা আসলে বলে,, পৌরসভারর রাস্তা দেখলেই বুঝা যাই গোদাগাড়ীটা কতোটা উন্নত।

    আদিলা জেবিন লিখেছেন, রাস্তাগুলো ঠিকই ছিল। যখন থেকে বালু ব্যবসা শুরু হয়েছে, ভারি যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে বিশেষ করে বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর তখন থেকে রাস্তাগুলোর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করেছে। নাহিদ হাসান লিখেছেন, ইহা এলাকার মেয়র, চেয়ারম্যান এর পক্ষ থেকে উপহার। স্মৃতি হিসেবে রেখে স্মৃতিচারণ করতে থাকো। পিও অবিভাবক গুলো যেখানেই থাকুক না কেন খুশি হবে।

    এ দিকে গোগ্রাম ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের
    ফরাদপুর গ্রামের সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি মারাত্মক জনদুর্ভোগের হচ্ছেন। ওই এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি বর্তমানে অত্যন্ত কর্দমাক্ত ও চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিপাতেই পুরো রাস্তাজুড়ে কাঁদা-পানি জমে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুরা এবং বৃদ্ধরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
    এ রাস্তা মূল সড়ক থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে এবং এই পথ দিয়েই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা কঠিন হয়ে পড়েছে, অনেক সময় দুর্ঘটনারও আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

    এ ব্যপারে এমডি মিজানুর রহমান বলেন,
    রাস্তার এই করুণ অবস্থা আমরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মেম্বার ও চেয়ারম্যান জানিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তাই আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমদের নিকট রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার সচিব ( ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকা সারোয়ার জাহান মুকুল বলেন, যেসব রাস্তা চলাচলের অযোগ্য সেটির ছবি তুলে আমাদের নিকট আবেদন করলে আমরা দ্রুত সংস্কার করে দিব। পৌরসভায় অনেক রাস্তা এখনও কাঁচা রয়েছে, টানা বৃষ্টিতে মানুষের চলাচলের সমস্যা হচ্চে।
    চাঁপাই নবাবগঞ্জ – রাজশাহী মহানগরী সড়কটি সড়ক ও জনপথের এখানে আমাদের করার কিছুই নেই। তারা নির্মান কাজ করছেন ধীরগতিতে। তবে পৌরসভার যে সব রাস্তা নষ্ট আছে সেগুলি বাজেটের পর নির্মান ও সংস্কার কাজ হাতে নেয়া হবে। এখন আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভাল।

    উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় জমে হাটু পরিমান পানি। বৃষ্টি কৃষি কাজের জন্য উপকারী, জনজীবনে স্বস্তি দিলেও কিছু জায়গায় তৈরি করে জনদুর্ভোগ। যদিও এর দায় বৃষ্টির নয়, মানুষের। স্বস্তির বৃষ্টি উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন, ভ্যান, সাইকেল, বাইক, মানুষ, শিক্ষার্থীগণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানান এ রাস্তা পাঁকা করার জন্য মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নিকট অনেকবার যোগাযোগ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। ফলে জনগনের কষ্টের সীমা নেই। এলাকাবাসী আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি রাস্তাটিতে।

    এ ব্যাপারে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ খাইরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

    এলাকার ভৃক্তভোগি আর এইচ রানা দেওয়ান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলেও এ রাস্তায় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি। উন্নয়ন বৈষম্যের স্বীকার গ্রামের মানুষ। যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে ওঠে। রাস্তায় জমে হাটুপরিমান পানি ও কাঁদা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এলাকাবাসী এই রাস্তাটি জরুরীভাবে সংস্কারের প্রশাসন ও মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক।

  • ভিপি নুরকে ঘিরে উ-ত্তপ্ত পটিয়া, সমাবেশের আগে হুম-কি-সংকেতে ক্ষু-ব্ধ নেতারা

    ভিপি নুরকে ঘিরে উ-ত্তপ্ত পটিয়া, সমাবেশের আগে হুম-কি-সংকেতে ক্ষু-ব্ধ নেতারা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,পটিয়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের পটিয়ায় আসন্ন ‘জুলাই গণসমাবেশ’ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে আসছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি, সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। তার আগমনকে কেন্দ্র করে এলাকায় টান টান উত্তাপ।

    এ পরিস্থিতিতে বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে পটিয়া থানার মোড়ের একটি রেস্টুরেন্টে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে গণ অধিকার পরিষদ পটিয়া উপজেলা শাখা।

    সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করেন, সমাবেশকে বানচাল করতে বিভিন্ন মহল থেকে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে খোলা-গোপন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শ্রীমাই ব্রিজ, শাহচান্দ আউলিয়ার মাজার গেট এবং গ্রিচৌধুরী বাজার এলাকায় তাদের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

    তারা বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে মতভিন্নতা থাকতেই পারে। কিন্তু ব্যানার-পোস্টার ছেঁড়া, হুমকি দেওয়া—এসব অশুভ, অগণতান্ত্রিক এবং কাপুরুষোচিত আচরণ। যারা এসব করছে, তাদের মনে রাখা উচিত, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান দেখিয়ে দিয়েছে—বাংলাদেশের মানুষ কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি, এবারও করবে না।”
    নেতারা আরও বলেন, “আমরা পটিয়াবাসীকে আশ্বস্ত করছি—সব বাধা পেরিয়ে এই সমাবেশ সফল হবে। পটিয়াকে ‘চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ উপজেলা’ হিসেবে গড়তে গণ অধিকার পরিষদ সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে রয়েছে।”
    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১২ জুলাই (শনিবার) পটিয়ার আব্দুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ‘জুলাই গণসমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন ভিপি নুরুল হক নুর। বিশেষ অতিথি থাকবেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ফারুক হাসান।
    সমাবেশ সফল করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতারা।
    সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক ডা. এমদাদুল হাসান এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব এডভোকেট আরিফুল হক তায়েফ।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আহ্বায়ক ডা. বি. কে. দত্ত, যুব অধিকার পরিষদ আহ্বায়ক মো. আরাফাত (নবাব), ছাত্র অধিকার পরিষদের গোলাম সোবহান, মো. আকরাম হোসেন, মেহেদী হাসান সাকি, রায়হান আহমেদসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।

  • বরিশালে বোর্ডে সেরা পিরোজপুর জেলা  ফেল বেশি ইংরেজি ও গনিতে

    বরিশালে বোর্ডে সেরা পিরোজপুর জেলা ফেল বেশি ইংরেজি ও গনিতে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    এবারের এসএসসি’র ফলাফলে পাশের হাড়ে এগিয়ে বরিশাল বোর্ডের আওতাধীন পিরোজপুর জেলা। এ জেলার পাশের হাড় ৬৫ দশমিক ৩৮ ভাগ। অপরদিকে এ বছরও ফলাফলে সর্বোনিম্নে অবস্থান রয়েছে বরগুনা জেলা।

    বোর্ড সূত্রে জানাগেছে, প্রথম স্থানে থাকা পিরোজপুর জেলায় ২৫৩ টি স্কুলের ১০ হাজার৩১৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। যারমধ্যে পাশ করছেনে ৬ হাজার ৭৪৩ জন। পাশের মধ্যে ছেলে ২ হাজার ৬০৯ জন ও মেয়ে ৪ হাজার ১৩৪ জন। এ জেলার পাশের হাড় ৬৫ দশমিক ৩৮ ভাগ।।

    দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বরিশাল জেলা। পাশের হাড় ৫৭ দশমিক ২০ ভাগ। এ জেলায় ৪৩১ টি বিদ্যালয়ের ২৬ হাজার ৩৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করছেনে ১৫ হাজার ৪১৫ জন। পাশের মধ্যে ছেলে ৫ হাজার ৯৮০ জন ও মেয়ে ৯ হাজার ৪৩৫ জন।

    অপরদিকে পটুয়াখালী জেলা এবারে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এবছরে এ জেলায় ২৭০ টি বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৬৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করছেনে ৮ হাজার ৭১২ জন। পাশের মধ্যে ছেলে ৩ হাজার ৬৫৮ জন ও মেয়ে ৫ হাজার ৫৪ জন। এ জেলার পাশের হাড় ৫৫ দশমিক ৭২ ভাগ।

    ভোলা জেলা এবারে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এ জেলায় এবারে পাশের হার ৫৪ দশমিক ৭০ ভাগ । এ বছর এ জেলায় ২১৯ স্কুলের ১৪ হাজার ৩৭২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। মোট পাশ করেছে ৭ হাজার ৮৬২ জন। যারমধ্যে ছেলে ৩ হাজার ৬০৪ ও মেয়ে ৪ হাজার ২৫৮ জন।

    অপরদিকে পঞ্চম স্থানে রয়েছে বরগুনা জেলা। এ জেলায় ১৬৫ টি বিদ্যালয়ের ৮হাজার ৭২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করছেনে ৪ হাজার ৪৩৭ জন। পাশের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৭৩৩ জন ও মেয়ে ২ হাজার ৭০৪ জন। এ জেলার পাশের হাড় ৫০ দশমিক ৮৪ ভাগ।

    এছাড়া সর্বোনিম্নে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা ঝালকাঠি জেলায় এবারে পাশের হার ৫১ দশমিক ৭৭ ভাগ। এ জেলায় ১৭৩ টি বিদ্যালয়ের ৬ হাজার ৯৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করছেনে ৩ হাজার ৫৮৯ জন। পাশের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ২৩৯ জন ও মেয়ে ২ হাজার ২৫০ জন।

    এক পরিসংখ্যান রিপোর্টে জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বিভাগের ছয় জেলার মোট এক হাজার ৪৯১টি বিদ্যালয় থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ছাত্র ৩৯ হাজার ৫৪৮ জন এবং ছাত্রী ৪৫ হাজার ১৫৪ জন। আর মোট ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল।
    এর মধ্যে পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন।

    বিভাগে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা। প্রতিবারের মতো এবারও এ শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে। গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে ।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বরিশালে এ বছর ফলাফলে এমন অবস্থার কারন বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা যারা গ্রামে পড়াশোনা করেন তারা ইংরেজি ও গনিতে ফেল করেছেন। ফলে ফলাফলের এমন অবস্থা। আমরা প্রতিটি জেলায় জেলায় শিক্ষকদের নিয়ে সমাবেশ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা যাবে। এছাড়া এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রকৃত মান উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

  • বরিশাল বোর্ডের ১৬ স্কুলে শতভাগ ফে-ল

    বরিশাল বোর্ডের ১৬ স্কুলে শতভাগ ফে-ল

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় এবার ১৬ টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা শতভাগ ফেল করেছে। এছাড়া ১৭ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বোর্ডের আওতাধীন ১ হাজার ৫০২ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৬ টি বিদ্যালয় শতভাগ ফেল করেছে। এরমধ্যে বরিশাল জেলায় ১ টি, পটুয়াখালীতে ৪ টি,পিরোজপুরে ২ টি, ঝালকাঠিতে ৪ টি, ভোলায় ৩ টি ও বরগুনায় ২ টি বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া ১৭ টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে, যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৬ টি, পটুয়াখালীতে ৩ টি,পিরোজপুরে ৭ টি, ভোলায় ১ টি ও বরগুনা ও ঝালকাঠিতে শতভাগ পাশ করা স্কুল একটিও নেই।

    এদিকে এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী।

    এক পরিসংখ্যান রিপোর্টে জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বিভাগের ছয় জেলার মোট এক হাজার ৪৯১টি বিদ্যালয় থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ছাত্র ৩৯ হাজার ৫৪৮ জন এবং ছাত্রী ৪৫ হাজার ১৫৪ জন। আর মোট ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন।

    বিভাগে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা। প্রতিবারের মতো এবারও এ শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে। গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে ।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বরিশালে এ বছর ফলাফলে এমন অবস্থার কারন বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা যারা গ্রামে পড়াশোনা করেন তারা ইংরেজি ও গনিতে ফেল করেছেন। ফলে ফলাফলের এমন অবস্থা। আমরা প্রতিটি জেলায় জেলায় শিক্ষকদের নিয়ে সমাবেশ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা যাবে। এছাড়া এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রকৃত মান উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

  • এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ

    এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    টিকারঃ এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী।

    বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে ফলাফলের পরিসংখ্যান ঘোষণা করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী।

    এক পরিসংখ্যান রিপোর্টে জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বিভাগের ছয় জেলার মোট এক হাজার ৪৯১টি বিদ্যালয় থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ছাত্র ৩৯ হাজার ৫৪৮ জন এবং ছাত্রী ৪৫ হাজার ১৫৪ জন। আর মোট ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল।
    এর মধ্যে পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন।

    বিভাগে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা। প্রতিবারের মতো এবারও এ শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে। গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে ।

  • তানোরে টানা বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপ-র্যস্ত

    তানোরে টানা বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপ-র্যস্ত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে জনজীবন প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তানোর পৌরসভার মাসিন্দা, বুরুজ, জিওল, হালদারপাড়া,কুঠিপাড়া, ধানতৈড়, গোকুল।এছাড়াও উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) কুজিশহর, আজিজপুর, অমৃতপুর, নড়িয়াল,তালন্দ ইউপির কালনা, দেউল,কামারগাঁ ইউপির দমদমা, বাতাসপুর, মালশিরা,নেজামপুর, হাতিশাইল ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপির দাড়দহ, বেড়লপাড়া,জুড়ানপুরসহ বিভিন্ন
    এলাকার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির হয়েছে। আষাঢ়ের প্রথমদিন থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে, কখানো ভারী কখানো হালকা।এদিকে টানা বৃষ্টি বৃষ্টি নির্ভর রোপা-আমণ চাষাবাদে উপকারে এসেছে। তবে ক্ষতিের মুখে পড়েছে সবজিখেত।
    জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলে জনবসতি, মৎস্যঘের, সবজিখেত, মরিচখেত জলমগ্ন ও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক স্থানে কাঁচা-পাকা রাস্তা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে করে জনজীবন বিপর্যয় হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ।অতিবৃষ্টির কারণে উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তানোরে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত তিনদিন ভোর থেকেই একটানা বৃষ্টি শুরু হয়। এরমধ্যেও নিম্ন আয়ের দিনমজুর মানুষ তাদের কাজে বের হন।
    এদিকে একটানা বৃষ্টির কারণে গত মঙ্গরবার বুধবার ও বৃহস্পতিবার হাট-বাজারে দোকান-পাটসহ হোটেল, রেস্টুরেন্টগুলোতে মানুষের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। বিশেষ করে উপজেলার নিচু এলাকার বসতবাড়ি, রান্না ঘর, গোয়ালঘরে পানি উঠেছে। অধিকাংশ এলাকায় চলাচলের কাঁচাপাকা রাস্তা নস্ট হয়েছে। নাগরিক জীবন প্রায় বিপর্যস্ত। বিভিন্ন এলাকায়
    নিম্নাঞ্চলে পুকুর মাছেরঘেরে ডুবুডুবু করছে। পুকুর ও ঘের মালিকরা ঘের রক্ষা করতে বাঁধের উপর দিয়ে নেটজাল টানিয়ে শেষ রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
    উপজেলার কামারগাঁ ইউপির মালার মোড়ের আব্দুল আয়ুব ও আব্দুল বলেন, পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ছাঐড় মাঠে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, এতে রোপা-আমণ চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।#