Category: জাতীয়

  • আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায় মোংলা -খুলনা  রেলপথসহ ৩ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা-মোদি

    আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায় মোংলা -খুলনা রেলপথসহ ৩ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা-মোদি

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত তিনটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সরকার প্রধান নরেন্দ্র মোদি। প্রকল্পগুলো হচ্ছে-আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ, খুলনা-মোংলা রেলপথ এবং রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট। পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী করতে খুলনা থেকে বাগেরহাটের মোংলা বন্দর পর্যন্ত নির্মিত রেলপথ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
    এর মধ্য দিয়ে মোংলার সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রানজিট সুবিধার আওতায় মোংলা বন্দর থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী হবে। খুলনা-মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের পর এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আরও বাড়বে। সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান এবং বিকাশ ঘটবে সুন্দরবনের পর্যটনশিল্পেরও। বাড়বে সরকারি রাজস্ব। রেলপথে পণ্য পরিবহনে কমবে খরচ।

    ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে যে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে সেটা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে খুলনা-মোংলা রেললাইন চালুর মধ্য দিয়ে। প্রাণ পাবে মোংলা ইপিজেড। নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তরা আসবে এ অঞ্চলে।

    খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, খুলনার সঙ্গে মোংলা বন্দরের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় এ বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। এতে প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটান রেলপথ দিয়ে সহজেই মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। আগে সড়ক ও নদীপথে এ বন্দরের পণ্য পরিবহন হতো। তখন খরচ বেশি হতো। এখন রেলপথে পণ্য পরিবহনে খরচ অনেক কমে যাবে। যার প্রভাব পড়বে পণ্য মূল্যের ওপর।

    এদিকে রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খুলনা-মোংলা রেললাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং মোংলা পোর্ট পর্যন্ত রেলপথে আরামদায়ক ভ্রমণের সুব্যবস্থা করা হয়েছে।

    খুলনা-মোংলা রেলপথের মাধ্যমে রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আশা দেখছেন তারা।

    বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ জামান বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খুলনা-মোংলা রেলপথ। সে দাবি পূরণ হয়েছে। এই রেলপথের মাধ্যমে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

    মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী বলেন, যে কোনো বন্দরের জন্য মাল্টিমডাল যোগাযোগ তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এত দিন আমরা নদীপথে পণ্য পরিবহন করতে পেরেছি। পদ্মা সেতু হওয়ার পর সড়কপথে পরিবহন করা হচ্ছে। এবার রেলপথে পণ্য পরিবহন করা হবে। এই রেললাইনের ফলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে স্বল্প খরচে বিশেষ করে কনটেইনার পরিবহন করা যাবে। এতে করে বন্দরের ব্যবহারও বাড়বে। গার্মেন্টস পণ্য আমদানি ও রপ্তানি সহজতর হবে। এছাড়া বিদেশি প্রকোটল ব্যবহার করে খুলনা-মোংলা রেললাইন দিয়ে নেপাল-ভুটানে পণ্য পরিবহন করতে পারবো। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ স্থাপন হবে। এতে শিল্পায়ন গতিশীলতা পাবে। বাড়বে বন্দরের রাজস্ব।

    ট্রানজিট সুবিধার আওতায় ভারত, নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহন সহজ করতে ২০১০ সালে খুলনার ফুলতলা রেলস্টেশন থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। প্রকল্পটি তিন বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর পেরিয়ে গেছে ১৩ বছর। মেয়াদ বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে প্রকল্পের ব্যয়ও। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় এক হাজার ৭২১ কোটি টাকা থাকলেও কয়েক দফায় বেড়ে বর্তমানে ব্যয় দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২৬০ কোটি টাকার বেশি। ভারত সরকারের ঋণসহায়তায় কনসেশনাল লাইন অব ক্রেডিটের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লার্সেন অ্যান্ড টার্বো ও ইরকন ইন্টারন্যাশনাল। যার মোট প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার।

    প্রকল্পের আওতায় রূপসা নদীর ওপর ৫ দশমিক ১৩ কিলোমিটারের রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে প্রায় ৯০ কিলোমিটার রেলপথ। রেলপথটিতে রয়েছে নয়টি প্লাটফর্ম। ১০৭টি ছোট সেতু ও নয়টি আন্ডারপাসও নির্মাণ করা হয়েছে ওই প্রকল্পের আওতায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর খুলনা-মোংলা রেল চালু হওয়ার ফলে ভারত, নেপাল ও ভুটান বাণিজ্যিকভাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের সঙ্গে। এতে আরও গতিশীল হবে মোংলা বন্দর।

    এই প্রকল্পে মোংলা বন্দর ও খুলনায় বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মোংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হলো। জানা যায়, ট্রেনে ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার, যা পাড়ি দিতে সময় লাগে ৩১ থেকে ৩৬ ঘণ্টা। বর্তমানে আগরতলা থেকে আখাউড়া হয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কলকাতা যাতায়াতে দূরত্ব ও সময় উভয়ই কমবে। কলকাতা যেতে মাত্র ১০ ঘণ্টা সময় লাগবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ট্রেনে যে কোনো পণ্য আগরতলা হয়ে ভারতের যে কোনো রাজ্যে পৌঁছানো যাবে। একইভাবে ভারতের পণ্যবাহী ট্রেন আগরতলা হয়ে আখাউড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ হবে। আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনে প্রথমবারের মতো কাস্টম-ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতাও শুরু হয়েছে।#ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট সংবাদদাতা:

  • আগৈলঝাড়ায় ১৬৬ মন্ডপে ৫১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি

    আগৈলঝাড়ায় ১৬৬ মন্ডপে ৫১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শারদীয় উৎসবে ১৬৬টি পুজা মন্ডপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার ও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান করলেন জাতির পিতার ভাগ্নে, স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের অন্যতম সদস্য, মন্ত্রী মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহবায়ক, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ -এমপি। ১৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে উপজেলার শহীদ সুকান্ত আবদুল্লাহ হল রুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ প্রতি পুজা মন্ডপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের হাতে সরকারী অনুদানের ১৯ হাজার টাকা ও তার নিজস্ব তহবিলের অনুদানের ১২ হাজার টাকাসহ মোট ৩১হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি অবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বলেন- ২০০১ সালের কথা আপনাদের অবশ্যই মনে আছে? আমরা প্রতিহিংসা পরায়ন না বলেই খালেদা জিয়া আদালতের রায়ে কারাদন্ডের পরেও মানবতার মা শেখ হাসিনা তাকে বাসায় বসে চিকিৎসার সুযোগ করে দিয়েছেন। অথচ এই জামাত-বিএনপি জোট সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে তাদের অত্যাচার নির্যাতনের কারণে এই আগৈলঝাড়ার ৫০ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের জীবন বাঁচানোর জন্য রামশীল গ্রামে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। আমি নিজের জন্য ভোট চাই না। তবে আপনারা প্রতিজ্ঞা করেন আর যেনকোন সাম্প্রদায়িক শক্তি ক্ষমতায় আসতে না পারে।এ সময় মন্ত্রী বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বেশী পুজা আগৈলঝাড়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রশাসনের প্রতি মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানসহ পুজায় আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কমিটি করে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে সমাজ সেবা অফিসার সুশান্ত বালার সঞ্চালনায় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ সভায় অন্যান্যদেরে মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, একুশের পদক প্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা অজয় দাসগুপ্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, আগৈলঝাড়া পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ মোশারফ হোসেন জানান, দূর্গা পুজায় সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ৮৩ মেট্টিক টন জিআর চাল বরাদ্দ হিসেবে প্রতি মন্ডপে ৫শ কেজি করে চাল উপ-বরাদ্দ প্রদানের সাথে মন্ত্রী মহোদয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে ১২ হাজার টাকাসহ মন্ডপ প্রতি ৩১ হাজার টাকা করে মোট ১৬৬টি মন্ডপে ৫১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেছেন। আগৈলঝাড়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলম চাঁদ বলেন, উপজেলায় ৩৫টি অধিক ঝুঁকিপূণ মন্ডপ, ৫৪টি ঝুঁকিপূর্ণ মন্ডপ এবং ৩৫টি সাধারণ মন্ডপ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্ডপের প্রকারভেদে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ২০ অক্টোবর ষষ্ঠী পুজা থেকে প্রতীমা বিসর্জন পর্যন্ত নিরাপত্তা গ্রহন ছাড়াও পুজার পরেও তিন দিন পর্যন্ত আনসার বাহিনীর সদস্যরা মন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অনুষ্ঠানে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, আগৈলঝাড়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলম চাঁদ, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তপন বোস,
    দৈনিক বাংলাদেশের আলো ও দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন, বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, জনপ্রতিনিধি,আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ১৬৬মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে শিক্ষকদের মিলন মেলা

    শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে শিক্ষকদের মিলন মেলা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া অবস্থিত শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে স্মার্ট ফকিরহাট বিনির্মানে শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় প্রবর্তিত নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের ভূমিকা ও করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ফকিরহাট, রামপাল ও বটিয়াঘাটা উপজেলার মোট দশ ইউনিয়নের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ১ হাজার ৩৭৪জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মিলন মেলায় পরিনত হয়।
    মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন দেশ ও জাতির উন্নয়নে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষার মান উন্নয়ন করেছেন। তিনি ক্ষমতায় থাকলে শিক্ষার মান আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও অত্র কলেজের প্রতিষ্ঠাতা স্বপন দাশ। অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আহসান হাবীব, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক খো. রুহুল আমীন, মাউশি ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক এএসএম আব্দুল খালেক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মোসলেম উদ্দীন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা বেগম নেলী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাশ।
    এদিন শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজের শেখ রাজিয়া নাসের একাডেমিক ভবন, নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুকি মোকাবেলায় চেঞ্জরুম, স্বপন দাশ অডিটোরিয়াম ভবন, রূপা চৌধুরী লাইব্রেরী এবং শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়াল পত্রিকার শুভ উদ্বোধন করেন। এছাড়া কুমারখালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির ভবন উদ্বোন করেন।
    এসময় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গনমাধ্যমকর্মি, শিক্ষার্থী সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ- আমু এমপি

    দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ- আমু এমপি

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    খাদ্য ঘাটতির দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি ক্ষমতায় এসে উন্নয়ন করবে এই কথা বলে আর আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করে তারপর ক্ষমতায় আসার কথা বলে। সোমবার(১৬অক্টোবর)এগারোটায় উপজেলা পরিষদ মিলনাতয়নে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার দিবসের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ১৪দলের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু(এমপি)।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো.নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেণ,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোহাম্মদ শাহ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মো.মুহিতুল ইসলাম,জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.সিদ্দিকুর রহমান,নলছিটি পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহেদ খান,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তরুন কর্মকার,নলছিটি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেণ,নলছিটি পৌরসভাকে ৩য় শ্রেনীর পৌরসভা থেকে ২য় শ্রেনীর পৌরসভায় উন্নিত এই সরকারের আমলেই করা হয়েছে। আজকে গ্রাম পর্যায়ে মহিলাদের বিনামূলে ল্যাপটপ বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার যে উন্নয়ন করেছে তা আমাদের সকলের কাছে তুলে ধরতে হবে। এরপর তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন।

  • আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দূর্গা পুজার প্রস্তুতি সভায় আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে নির্দেশ

    আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দূর্গা পুজার প্রস্তুতি সভায় আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে নির্দেশ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নির্দেশ। জাতির পিতার ভাগ্নে, মন্ত্রী মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন-আসন্ন পুজার পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই পুজাকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করবে। এজন্য আমাদের সজাগ দৃষ্টি রেখে আইন শৃংখলা সমুন্নত রেখে শারদীয় দূর্গোৎসব সম্পন্ন করতে হবে। যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নিরবিঘ্নে পুজার্চনা সম্পন্ন করার পাশাপাশি সরকারের অসাম্প্রদায়িক ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।এজন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শৃংখলা কমিটি গঠন করে সর্বত্র মনিটরিং করতে হবে। পুজার সময় মন্ডপগুলো লোড শেডিং মুক্ত রাখা, পুজার আগে ৩দিন, পুজার ৫দিন ও পুজার পরে ৩দিনসহ মোট ১১দিন মন্ডপগুলোতে আনসার সদস্যরা দ্বায়িত্ব পালন করবে। মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিজস্ব জেনারেটর সরবরাহ করে মন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৮৭০জন আনসার সদস্যর পাশাপাশি পুলিশের ১৫টি মোটরসাইকেল টিম, ৪টি ভ্রাম্যমান টিমসহ ৪টি তল্লাশী চেক পোস্ট বসাবে পুলিশ। এছাড়াও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করার কথা জানানো হয়।
    পুজায় ৮৩ মেট্টিক টন সরকারী চাল বরাদ্দের সাথে মন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান প্রদানেরও ঘোষণা দেন তিনি।“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার” আবহমান কাল থেকে এই চেতনার অ-সাম্প্রদায়িক উর্বর ভূমি বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি মুলক সভায় প্রধান অতিথিব বক্তব্যে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
    সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি মুলক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, গৌরনদী পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, আগৈলঝাড়া পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার, বাগধা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল হোসেন টিটু, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুরাদ হোসেন সিকদার, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, আগৈলঝাড়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলম চাঁদ,সভায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোঃ খায়রুল বশার, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন, ভাইস চেয়ারম্যানগন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়-১৬৬টি মন্ডপে পুজার আয়োজনের মধ্য দিয়ে অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বেশী পুজা অনুষ্ঠিত হবে আগৈলঝাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে। পুজায় সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ৮৩ মেট্টিক টন জিআর চাল বরাদ্দ হিসেবে প্রতি মন্ডপে ৫শ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।এর সাথে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নিজস্ব তহবিল থেকে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতি মন্ডপে অনুদান প্রদান করা হবে।থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ আলম চাঁদ জানান, এ বছর ১৫৮টি স্থায়ী মন্ডপের মধ্য সাধারণ পুজা মন্ডপের সংখ্যা ৫২টি, ঝুঁকিপূর্ণ মন্ডপের সংখ্যা ৫৪টি এবং অধিক ঝুঁকিপূণ মন্ডপের সংখ্যা ৩৫টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫৮টি পুজা মন্ডপ ছাড়া বাকি ৮টি মন্ডপে আগামী চৈত্র মাসে বাসন্তি পুজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫৮টি পুজা মন্ডপে প্র্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন স্তরে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে ষষ্ঠী পুজা থেকে প্রতীমা বিসর্জন পযন্ত নিরাপত্তা গ্রহন করা হয়েছে। এ ছাড়াও মন্ডপগুলোতে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সাথে প্রায় ৮শ ৭০জন প্রশিক্ষিত আসনার সদস্যদের মাধ্যমে মন্ডপ ও যাতায়াতের পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
    মন্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা বন্ধের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছে প্রশাসন ও উপজেলা পুজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দরা।

  • নড়াইলে সেনা প্রধান দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে

    নড়াইলে সেনা প্রধান দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম সফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, রবিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইলের লোহাগড়ার করফা গ্রামে পৈতৃক ভিটায় নির্মিত মরহুম পিতা অধ্যাপক শেখ মোঃ রোকন উদ্দিন আহমেদ এর নামে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের হাসপাতাল উদ্বোধন করেন। তিনি এসময় আরো বলেন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় করফা গ্রামে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তিনি হাসপাতালের পাশে একটি গাছের চারা ও একটি মসজিদেরও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ।
    পরে সেনাপ্রধান করফা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারের সাথে কুশল বিনিময় এবং অনুষ্ঠিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিদর্শন ও শিশু কিশোরদের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন। সেনাবাহিনী প্রধান স্কুল মাঠে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতায় সম্প্রতি মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সরকারি করণ, এলাকায় হাসপাতল নির্মান করা হয়েছে। মধুমতি নদী শাসনের কাজ চলমান রয়েছে। এলাকাতে আরও উন্নয়ন কাজ করা হবে।
    এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এর পরিবারের সদস্যরা এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রটোকল ভেঙে পায়ে হেঁটে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রটোকল ভেঙে পায়ে হেঁটে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : প্রটোকল ভেঙে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার সড়ক পথ হেঁটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    দু’দিন সফরের শেষ দিন আজ বুধবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কায্যালয়ে করা হয় আয়োজন।

    মঙ্গলবার নিজ বাড়িতে রাত্রীযাপন শেষে সকালে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কায্যালয়ে যেতে বের হন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি প্রটোকল ভেঙে গাড়ীতে না উঠে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার সড়ক পথ হেঁটে পৌঁছান টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। এসময় নেতাকর্মীরা সময় উষ্ণ অভ্যর্থনা আর স্লোগান-মিছিলে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বরণ করে নেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও হাত থেকে নেতাকর্মীদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাব দেন।

    পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেখানে বক্তব্য দেন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের কথা শোনেন।

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে ছোট বোন শেখ রেহানা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গণভবন থেকে রওনা হয়ে সড়কপথে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পৌঁছেন। সেখানে ৮২ কিলোমিটার রেলপথ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সুধী সমাবেশে যোগ দেন। এরপর মাওয়া স্টেশন থেকে থেকে রেলযোগে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটে ভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সফর সঙ্গীরা। এরপর তিনি ভাঙ্গা ডা. আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    জনসভায় বক্তব্য শেষে বিকেলে সাড়ে তিনটায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। বেলা ৪টা ৫৫ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নিজ বাড়িতে যান তিনি। #

  • নিজ হাতে ইলিশ পোলাও রান্না করে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী

    নিজ হাতে ইলিশ পোলাও রান্না করে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ব্যক্তিগত সফরে এসে নিজের হাতে ইলিশ পোলাও রান্না করে স্বজনদের মাঝে পরিবেশন করে রাতের খাবার খেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতের রান্না করা খাবার খেতে পেরে উচ্ছ্বাসিত তার স্বজন ও শেখ পরিবারের সদস্যরা।

    মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) রাতে টুঙ্গিপাড়ার নিজ বাড়িতে নিজের হাতে ইলিশ পোলাও রান্না করেন প্রধানমন্ত্রী।

    জানাগেছে, দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ছোটবোন শেখ রেহানা ও তার পরিবারের সদস্যরা সাথে ছিলেন। বিকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে টুঙ্গিপাড়ায় তার নিজ বাড়িতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সেখানে স্বজন ও শেখ পরিবারের সদস্যদের জন্য নিজ হাতে ইলিশ পোলাও রান্না করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই খাবার সবার মাঝে নিজ হাতে পরিবেশন করেন। পরে সকলকে নিয়ে একসঙ্গে রাতের খাবার খান শেখ হাসিনা। এছাড়াও টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পাঠানো হয় খাবার।

    প্রধানমন্ত্রীর নিজ হাতে রান্না করা ইলিশ পোলাওসহ খাবারের ম্যানুতে ছিল, গরুর মাংস, খাসির মাংস, সবজি, ডাল, কয়েক প্রকার মাছসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শেখ পরিবারের সদস্য বাগেরহাট-০১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে বাগেরহাট-০২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, শেখ দিপু, শেখ লিপু গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র শেখ রকিব হোসেন, টুঙ্গিপাড়ার মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুলসহ টুঙ্গিপাড়ায় বসবাসরত শেখ পরিবারের সদস্যরা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে টুঙ্গিপাড়ার মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী এত ব্যস্ততার মধ্যেও আমাদের নিজ হাতে রান্না করে খাবার খাইয়েছেন। এতে আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত। রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একসাথে খাবার খেয়েছি। এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী আগামীতে টুঙ্গিপাড়ায় এসে আমাদের সঙ্গে এভাবেই খাবার খাবেন সেই প্রত্যাশা আমাদের। #

  • দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : আগামী ১০ ও ১১ অক্টোবর দুইদিনের ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সফরে তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। এছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দিক নির্দেশনা দিতে নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক করতে পারেন বলেও জানাগেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় শেষ হয়েছে সকল প্রস্তুতি।

    আগামী ১০ অক্টোবর ৮২ কিলোমিটার রেলপথ উদ্বোধন করতে ঢাকার মাওয়া থেকে রেল যোগে ফরিদপুর ভাঙ্গায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সেখানে তিনি জনসভায় অংশ নিবেন।

    এরপর একই দিন (আগামী ১০ অক্টোবর) ব্যক্তিগত সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ও ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও মোনাজাতে অংশ নিবেন। পরে নিজ বাসভবনে রাত্রী যাপন করেন।

    ১০ অক্টোবর রাত্রী যাপনের পর ১১ অক্টোবর সকালে গোপালগঞ্জ, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এ বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিতে পারেন বলে জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    প্রধানমন্ত্রী এ সফরকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় শেষ হয়েছে সকল প্রস্তুতি। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন নেতাকর্মীরা। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিক নির্দেশনা দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমনটাই মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো: বাবুল শেখ বলেন, আগামী কাল ১০ ও ১১ অক্টোবর ব্যক্তিগত সফরে দুই দিনের জন্য টুঙ্গিপাড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এসময়রকে ঘিরে নেতার্মীসহ সাধারন মানুষের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। আমরা মনে করছি এ সফরের মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনের দিক নির্দেশনা দিবেন প্রধানমন্ত্রী।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার খায়ের বলেন, দুই দিনের সফরে নিজ জন্মভূমি টুঙ্গিপাড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ অক্টোবর টুঙ্গিপাড়ায় পৌছে বঙ্গবন্ধুর নমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর নিজ বাড়ীতে রাত্রী যাপন করবেন। পর দিন ১১ অক্টোবর গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের এ সফর নির্বিঘ্নে শেষ করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স ও বাসবভন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং শোভা বর্ধন করা হয়ছে। প্রধানমন্ত্রী আগমনকে কেন্দ্র করে নির্বাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। #

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নবনিযুক্ত ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমানের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নবনিযুক্ত ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমানের শ্রদ্ধা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ-প্রতিনিধি: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমণ্ডি ৩২-এর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন এবং পরিদর্শন শেষে জাদুঘরে পরিদর্শন বইয়ে সই করেন কমিশনার। এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপপুলিশ কমিশনারসহ অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    এর আগে দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৬তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান।
    গত ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব সিরাজাম মুনিরা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমানকে ৩৬তম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে পদায়ন দেওয়া হয়।

    (এস এম সাইফুল ইসলাম কবির)