আলিফ হোসেন,তানোরঃ
নওগাঁ পুলিশ সুপার (এসপি)
মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) নওগাঁ জেলা পুলিশের উদ্যোগে সদর থানাধীন ননিয়া পট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ও ফোর্সের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি নওগাঁ যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। ডিবি ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ও ফোর্স সক্রিয়ভাবে অভিযান পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক কারবারিদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন। অভিযান চলাকালে কলোনির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ অর্থ, মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ সময় দুইজন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে মাদকসহ আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি কৌশলে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামিদের সনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে মোট ৭০ কেজি গাঁজা। এছাড়া CAREWS Country Liquor লেখা সংবলিত এক হাজার মিলিলিটার মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল পাঁচটি এবং পাঁচশ মিলিলিটার লেখা সংবলিত মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল তেরটি উদ্ধার করা হয়। আরও উদ্ধার করা হয় সাদা প্লাস্টিক বোতলে রাখা মদ সতেরটি, যার মোট ওজন পাঁচ হাজার একশ গ্রাম। সর্বমোট তরল মদের পরিমাণ ১৬ লিটার ৬০০ মিলিলিটার। পাশাপাশি খালি প্লাস্টিক বোতল পঁয়তাল্লিশটি এবং কর্ক ছয়শ ষাটটি জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়াও বিভিন্ন মূল্যমানের নোটে মাদক বিক্রয়লব্ধ এক লক্ষ আটশত নব্বই টাকা উদ্ধার করা হয়। মাদক কারবারে ব্যবহৃত হওয়ার প্রাথমিক আলামত হিসেবে একটি স্মার্ট মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে পুলিশ।
আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।#
Category: দেশজুড়ে
-

নওগাঁ এসপির নেতৃত্বে বিশেষ অ-ভিযানে ৭০ কেজি গাঁ-জাসহ দুই মা-দক কারবারি আ-টক
-

ওসমান হাদী হ-ত্যার প্র-তিবাদে বানারীপাড়ায় বিক্ষো-ভ মিছিল ও প্র-তিবাদ সভা
বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থী প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বানারীপাড়া ফেরিঘাট থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ছাব্বির হোসেন সোহাগ, বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ সাব্বির হোসেন, উপজেলার শীর্ষ ছাত্রনেতা মোঃ আতিকুল ইসলাম, মোঃ মেহেদী হাসান, আবু বক্কর মাহিব, রিয়াদ মিয়া, মোঃ নাইমুর ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ছাত্রনেতারা।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায়, অবিচার ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদের প্রতীক। তাঁকে হত্যা করে সত্যের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না। এই হত্যাকাণ্ড মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালেই আজ দমন-পীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। তবে শহীদ ওসমান হাদীর রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তব্য শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।মোঃ সাব্বির হোসেন ।।
-

সুষ্ঠু, অবাধ ও নি-রপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করবে প্রশাসন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ
নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।
পিরোজপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেছেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল এনে একটি শক্ত ও কার্যকর কাঠামো গড়ে তুলেছে।
সোমবার দুপুরে নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে গণভোট—দুইটি বিষয়ই জনগণের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গণভোট সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে প্রশাসন নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। পিরোজপুর জেলার সব ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের সময় সহিংসতা পরিহার করে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে আচরণবিধি বাস্তবায়নে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে। প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে, আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তি যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মাদক নির্মূল প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, এ ক্ষেত্রে শুধু প্রশাসন একমাত্র হাতিয়ার নয়। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদী মনোভাব ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ জানান, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক মূল্যবোধ শেখাতে এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সামাজিক ব্যাধি সম্পর্কে সচেতন করতে।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দত্ত, সেনাক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন আল আরাফ, সহকারী পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) সাবিহা মেহেবুবা, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী মো. কামাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. মো. আব্দুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন, শহীদ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাসুম কামাল হাওলাদার, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এস এম আলম, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম লিটু প্রমুখ।
এদিন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ স্বরূপকাঠি উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র, ভূমি অফিস, বিসিক শিল্পনগরী ও ফজিলা রহমান মহিলা কলেজ পরিদর্শনসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
আনোয়ার হোসেন
নেছারাবাদ সংবাদদাতা। -

মুকসুদপুরে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ-উজ-জামান
কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এ সময় মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির, মুকসুদপুর, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ নূরু আমীন ও মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান জেলায় যোগদানের পর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে জেলার আওতাধীন অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।
-

মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দু-র্বৃত্তদের অ-গ্নিসংযোগ
কে এম সাইফুর রহমান,
নিজস্ব প্রতিনিধিঃগোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী (কর্ণেল অবঃ) ফারুক খানের চাচাতো ভাই, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির খানের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার ভোরে মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড় ইউনিয়নের বেজড়া গ্রামের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোর রাতে কে বা কারা মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির খানের বাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেন।
মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার ওহিদুজ্জামান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে খবর পেয়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। এর আগেই ঘরে থাকা, আসবাবপত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে সেটি তদন্ত করে দেখো হচ্ছে।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ফায়ার সার্ভিস থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে, আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির খান এলাকায় না থাকায় ও তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক এম সাব্বির খানের বসত বাড়িতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল। আইনের দৃষ্টিতে কেউ যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মব সৃষ্টি করে কারোর উপর হামলা, বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা এটা কখনো সমর্থনযোগ্য নয়। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের নেতৃবৃন্দরা।
-

বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ধর্মীয় যাজক ও নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কে এম সাইফুর রহমান,
নিজস্ব প্রতিনিধিঃআগামী ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপন নিরাপদ করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলার সকল উপজেলায় বিদ্যমান গীর্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের যাজক ও গীর্জা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদের খ্রিষ্টীয় ধর্মগুরু ব্যক্তিবর্গের সাথে জেলা পুলিশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে রোববার (২১ ডিসেম্বর) পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ।
বিশেষ এ আলোচনা সভায় খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রতিনিধিবৃন্দ আসন্ন ‘বড়দিন’ এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ নিরাপত্তা গাইডলাইন প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছ হতে এ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি সকল অফিসারকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহম্মদ সারোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ জিয়াউল হক, (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুর রহমান সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
-

সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষো-ভ মি-ছিল
হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক অনলাইন পোর্টালের কর্মরত সাংবাদিকরা।
গত রবিবার (২১ ডিাসেম্বর ২৫ ইং) সকাল ১১ টার সময় সাভার মডেল থানার সামনে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহের সময় পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। হামলার পরও হুমকি ধামকি ও উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলা। এর তীব্র নিন্দা জানাই।
বক্তারা আরও বলেন,সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ,সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা সত্যকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা। গণমাধ্যম কর্মীদের কণ্ঠরোধ করতেই মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সাংবাদিক নির্যাতনের এমন ঘটনা সহ্য করা হবে না।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয় মানববন্ধন থেকে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাভার প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও জিটিভির প্রতিবেদক আজিম উদ্দিন, সাভার উপজেলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও এসএ টিভির প্রতিবেদক সাদ্দাম হোসেন, টিআরসির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও এখন টিভির হুমায়ুন কবির, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও গ্লোবাল টিভির তোফায়েল হোসেন তোফাসানি, ধামরাই প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হোসেন সৌকত,ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আদনান হোসেন, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী মানু, সাভার প্রেস ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক লোটন আচার্য্য, বাংলা টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন নিরব, ধামরাই প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ, নাগরিক টিভির মাহিদুল মাহি,৭১ টিভির জাহিদ হাসান অনিক, জনকণ্ঠের সাভার প্রতিনিধি অঙ্গন সাহা, ধামরাই প্রতিনিধি সোহেল রানা, মানবকণ্ঠের ওমর ফারুক,ডেইলি সানের মেহেদী হাসান মানিক, আগামীর সংবাদের আব্দুস সালাম রুবেল, মুভি বাংলা টিভির লিজা খান,শীর্ষ নিউজের রেদওয়ান হাসান,কাজী সাইফুদ্দিন, জাকির হোসেন।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল সাভার মডেল থানার সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীর কাছে মিথ্যা মামলার বিষয়ে জবাবদিহিতা ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য,গত ৮ ডিসেম্বর সাভারের আলমনগরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে যান দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি দেওয়ান ইমন, বিজয় টিভির শরীফ শেখ ও চ্যানেল এসের প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম। এ সময় সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা ও হামলা করেন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এএসএম শাহীন, পেশকার শফিক ও সাইফুল ইসলাম। পরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই উল্টো সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে তুলে মামলা দায়ের করেন সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার। সাংবাদিকদের উপর হামলা ও মামলা করলে সাংবাদিকরা আর বসে থাকবে না।
-

গাজীপুরে গ্যাসের অ-বৈধ সংযোগ বি-চ্ছিন্নকরণ অ-ভিযানে দুদক, আশুলিয়ায় এমন অ-ভিযান দরকার
হেলাল শেখঃ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল অভিযান পরিচালনা করেছেন। এমন অভিযান আশুলিয়াতে জরুরী দরকার বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এই অভিযানে গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিতাস গ্যাস এন্ড ট্রান্সমিশন গাজীপুর অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গাজীপুর শহরের একাধিক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করছেন।
দুদক জানায়, গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অনুমোদনবিহীন গ্যাস সংযোগের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই বাচাই করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রায় শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছেন, এই অভিযানের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।
-

আশুলিয়ায় ৫৬ রাউন্ড গু-লি ও ৩টি অ-স্ত্রসহ গ্রে-ফতার হওয়া জলিল ভিন্ন নামে ভু-য়া মামলার বাদী
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় ৫৬ রাউন্ড গুলি ও ৩টি অস্ত্রসহ গ্রেফতার হওয়া সেই জলিল ভিন্ন নামে ছাত্র জনতার নিহত পরিবারের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে ভুয়া মামলা করার তথ্য ফাঁস। এবার “বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল”। জলিল নিজের মোবাইল নাম্বার দিয়ে সায়েব আলী সেজে একটি হত্যা মামলা করেছে, যে ঘটনায় সে নিজে আশুলিয়ার রাজু গ্রুপের চেয়ারম্যান রাজু আহমেদের সাথে থেকে সাভার আশুলিয়ায় গুলাগুলি করে। সেই মামলা থেকে নিজেকে রেহাই পেতে নিজে বাদী সেজে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে।
উল্লেখ্য, সাভারের আশুলিয়ায় জমি সংক্রান্ত ঘটনার জেরে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে অপহরণের ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের মুলহোতাসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। এ সময় তাদের নিকট থেকে ২টি বিদেশী পিস্তল, ১টি বিদেশী রাইফেল ও ৩টি ম্যাগাজিনসহ ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গত (০৮ নভেম্বর ২০২৩) বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সে সময়ে র্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। এর আগে ওইদিন মঙ্গলবার (০৭ নভেম্বর ২০২৩ইং ) রাতে আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানার দপগ্রাম এলাকার আব্দুল খলিলের ছেলে আব্দুল জলিল (৩০) ও ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বাঘের কান্দা এলাকার মৃত শরিফ উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া (৩৩)। তারা উভয়ের আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এদের মধ্যে আব্দুল জলিল আশুলিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমি দস্যূ একাধিক ভুয়া মামলার ভুয়া বাদী গ্রুপের মুলহোতা বলে জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, একটি অপহরণের অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকা থেকে অপহৃত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী চক্রের মূল হোতা জলিল’সহ দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় জলিলের কাছ থেকে গুলি ভর্তি একটি অবৈধ বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনার অধিকতর তদন্তে, অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন পজিশনে রয়েছে তাদের এ ধরনের চারটি ছবি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ছবিতে দৃশ্যমান অস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে র্যাব-৪ অভিযান শুরু করে এবং গুলিসহ আরো দুইটি অত্যাধুনিক বিদেশী পিস্তল এবং রাইফেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত বিদেশী পিস্তল এবং রাইফেল গুলো রাজু আহমেদ নামের একজনের নিবন্ধিত। যে এলাকায় চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জলিল জানায় যে, রাজু তার নামে নিবন্ধিত অস্ত্রগুলো বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের জন্য জলিল ও তার সহযোগীদের ভাড়া দিয়ে থাকে।
বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে রাজুর বৈধ অস্ত্রগুলো জলিলসহ অন্যান্য বিএনপির সন্ত্রাসীদের কাছে ভাড়া দিয়ে অবৈধ ভাবে ব্যবহার হচ্ছিলো। রাজু এ ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রমের লভ্যাংশ ভোগীয় বটে। র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জলিল আরো জানায় যে, সে বিরোধী রাজনৈতিক দলের একজন সক্রিয় কর্মী, কিন্তু সূত্র জানায় এই জলিল কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি, কখনো ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লব, কখনো জামায়াতে ইসলামী পরিচয়দানকারী। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অস্থিতিশীল করতে এবং তার অপরাধমূলক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সংঘটিত করতে জলিল সদা সক্রিয় রয়েছে। সে সময় র্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজী, ভূমি দখল, মারামারীসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ভবিষ্যতে এরূপ অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে র্যাব-৪ এর সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান। এই জলিলই ভিন্ন নাম সায়েব আলী তার মোবাইল নাম্বার দিয়ে অপরাধ করছে। এই চক্র সক্রিয় ভাবে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা মামলা বাণিজ্য করছে বলে দেশ টিভি ও যমুনা টিভির ৩৮ মিনিটের নিউজ প্রকাশ করা হয়, যা বিস্তারিত তথ্য আশুলিয়া থানার ওসি সাহেব ও এসআই আনোয়ার হোসেনকে দেয়া হয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) আশুলিয়া থানার (এসআই) আনোয়ার হোসেন জানান, সায়েব আলী জলিলের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তিনি, সঠিক ভাবে তদন্ত করে এই ভুয়া বাদীকে গ্রেফতার করার তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদারকে তথ্য দেওয়া হলে তিনি জানান নোট করে রাখা হচ্ছে। সঠিকভাবে তদন্ত করে ভুয়া বাদী সায়েব আলী জলিলসহ এই সিন্ডিকেটের সবাইকে গ্রেফতারের জন্য ওসি সাহেবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল।
-

দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বসবাস করা বসতবাড়ি ভোগদখল জমিজমা নিমিষেই বেদ-খল
আমিরুল ইসলাম কবির,
স্টাফ রিপোর্টারঃগাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পল্লীতে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের প্রজাপাড়া গ্রামে।
ওই এলাকার মৃত জায়দাল হকের ছেলে করিম মিয়া (৪৫) পার্শ্ববর্তী সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামের মৃত ভোলা শেখের ছেলে ছাত্তার মিয়া (৫৫) সহ দশ জন ও অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
সরেজমিনে ও এজাহার সূত্রে জানা প্রকাশ,করিম মিয়া পৈত্রিক সম্পত্তি মূলে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত তার বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছেন। অপরদিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে প্রতিপক্ষ ছাত্তার গং-দের সাথে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে ২১শে ডিসেম্বর রবিবার সকালে ছাত্তার গং-রা জমিদখল ছাড়াও ভুক্তভোগী করিম মিয়াকে ভিটেমাটি ছাড়া করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এজাহার সূত্রে প্রকাশ,প্রজাপাড়া মৌজার দাগ নং ৭৭১১,৯৪ পৈতৃক সূত্রে পাওয়া করিম মিয়া নিজস্ব বসত বাড়িতে বিভিন্ন ফলদ গাছ রোপণ করে ওই জমি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছিলেন।
রোববার সকালে প্রতিপক্ষ ছাত্তার মিয়ার নেতৃত্বে ৫০/৬০ জনের একটি দল ওই জমি দখলের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে করিম মিয়া ও তার ছোট ভাই আশরাফুলের বসবাস করা ৫টি টিনসেড ঘর,আসবাবপত্র ভাঙচুর করে মাটিতে মিশিয়ে দেয় এবং রোপণকৃত গাছগাছালি বেড়া উপড়ে ফেলেন। এমতাবস্থায় দখলদার বাহিনীর হাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেখে প্রাণনাশের ভয়ে পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হয় করিম মিয়া।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত করিম মিয়া বলেন,পৈত্রিক সূত্রে ওই জমির মালিক আমি। ছাত্তার গং প্রভাবশালী হওয়ায় পেশী শক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক আমার জমি দখল করেছেন। আবার তিনি ইতিপূর্বেও আমার বিরুদ্ধে আদালতে,থানায় মিথ্যা হয়রানি মূলক অভিযোগও দায়ের করা সহ মামলা তুলে নেয়ার হুমকি ধামকি এমনকি আমার উপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জমি দখল করতে আসা বেশ ক’জন এজাজভুক্ত আসামির সাথে কথা বললে তারা জানায়,আমরা দীর্ঘদিন যাবত মামলা মোকদ্দমা এমনকি সালিশের মাধ্যমে করিম মিয়াকে অবগত করার পরও সে আমাদের কথায় গুরুত্ব না দেয়ায় আমরা এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।।