Category: দেশজুড়ে

  • ময়মনসিংহে সিপিবির প্রার্থী এড মিল্লাতের কাস্তে মার্কার সমর্থনে বিশাল সমাবেশ ও গ-ণমিছিল

    ময়মনসিংহে সিপিবির প্রার্থী এড মিল্লাতের কাস্তে মার্কার সমর্থনে বিশাল সমাবেশ ও গ-ণমিছিল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মহান মুক্তিযোদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য,মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক শক্তির সরকার গঠনে সকলের কাছে কাস্তে মার্কায় ভোট ও দোয়া প্রত্যাশায়
    ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাতের বিজয়ের লক্ষে নির্বাচনী সমাবেশ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (৮ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশ শেষে কাস্তে মার্কার একটি বিশাল গণমিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য রাগীব আহসান মুন্না।

    সিপিবি সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড সাজেদা বেগম সাজুর সভাপতিত্বে ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন আহমেদ জুনের সঞ্চালনায় সমাবেশে কাস্তে মার্কায় ভোট ও সকলের দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন সিপিবি মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত।

    সমাবেশে সিপিবি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত বলেন, নির্বাচিত হলে কৃষকের অধিকার, শ্রমিকের অধিকার, মেহনতি মানুষের অধিকার, বঞ্চিতদের অধিকার রক্ষা করবো। ২০২৪ সালে আমরা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে অভ্যূত্থান করেছিলাম, সেই আকাঙ্ক্ষাকে একটি কুচক্রি মহল ভেঙ্গে দিয়ে তছনছ করে দিয়েছে। এই ময়মনসিংহে যারা মানুষের উপর আঘাত আনবে, যারা ধর্মের উপর আঘাত আনবে, যারা মতের উপর আঘাত আনবে তাদের বিরুদ্ধে সামনের নির্বাচনে কাস্তে মার্কা জোরেসোরে গর্জে উঠবে। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযোদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য,মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক শক্তির সরকার গঠনে সকলের কাছে কাস্তে মার্কায় ভোট ও দোয়া চান।

    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিবি ময়মনসিংহ জেলার সাধারণ সম্পাদক শেখ বাহার মজুমদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোকসেদুর রহমান জুয়েল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল ও প্রার্থীর কন্যা প্রমা ইশরাত প্রমুখ। সমাবেশ শেষে ময়মনসিংহ নগরীতে একটি বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হলে মিছিলে সর্বস্তরের জনতার অংশ গ্রহণে মিছিলটি জনস্রোত পরিণত হয়।

  • ময়মনসিংহ-৪ আসনে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল এর ব্যাপক গ-ণসংযোগ

    ময়মনসিংহ-৪ আসনে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল এর ব্যাপক গ-ণসংযোগ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের প্রতিটি জনপদ এখন নির্বাচনী আমেজে মুখর। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সদর আসন এলাকায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির কবর রচনা করার প্রত্যয় নিয়ে
    ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকার ২৯নং ওয়ার্ডে সাধারণ ভোটারদের সাথে ও ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ড দক্ষিন কালিবাড়ি (তৃতীয় লিঙ্গ) হিজড়াদেরকে নিয়ে উঠান বৈঠকসহ ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়ন, ০৫ নং ওয়ার্ডেসহ বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেছেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল তাঁর কর্মী-সমর্থক নিয়ে সিটি করপোরেশনে ৩৩টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার মুরব্বিদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের হাতে নিজের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সম্বলিত লিফলেট তুলে দেন তিনি।

    মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষ বৈষম্যের শিকার। আমি আপনাদেরই সন্তান। ময়মনসিংহ সদর এলাকায় একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির কবর রচনা করতেই আমি দাঁড়িয়েছি। যদি আপনারা আগামী নির্বাচনে আমাকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তবে সদরকে একটি আধুনিক ও আদর্শ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।”

    গণসংযোগকালে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ভোটারদের মতে, মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল একজন সজ্জন ও উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ফলে এবারের নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ ও ‘ধানের শীষ’ এর প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    গণসংযোগে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ মহানগর, সদর ও জেলা -উপজেলা জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি সহ কর্মী-সমর্থকরা।

    অপরিকল্পিত সড়ক ব্যবহার, অবৈধ পার্কিং ও শৃঙ্খলার অভাবে ময়মনসিংহে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যানজটের নগরী ময়মনসিংহের যানজট নিরসনের অঙ্গীকার নিয়ে ইতিমধ্যে তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে যানজট নিরসনকে প্রধান্য দেওয়াসহ নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা চালু,ফুটপাত দখলমুক্ত ও সমাধান, ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণ,ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন,আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা
    পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনাই পারে স্বস্তির, চলাচলযোগ্য ময়মনসিংহ গড়ে তুলতে পাড়ে এমন আশাবাদ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল। তিনি ময়মনসিংহ সদরকে গ্যাংস্টার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারীমুক্ত করে একটি আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।

    কামরুল আহসান এমরুল বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করে ইতিমধ্যে ভোটের মাঠে তার শক্ত অবস্থান তৈরী করে নিতে সক্ষম হয়েছে। তার বিজয়ে আশাবাদী ময়মনসিংহ-৪ আসনের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

  • ফুলবাড়িয়াকে আধুনিক ও বৈ-ষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে-  বিএনপির প্রার্থী ফারুক

    ফুলবাড়িয়াকে আধুনিক ও বৈ-ষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে- বিএনপির প্রার্থী ফারুক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে বিএনপির হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ব্যাপক গণসংযোগ,পথসভা, নির্বাচনী সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি প্রান্তে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করছেন ও পথ সভা করছেন বিজয় নিশ্চিত করতে।

    গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলা শহর ও বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন অলিগলি ও বাড়ী-বাড়ী গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় এবং গণসংযোগ উঠান বৈঠক করাসহ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। 

    ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষে গত শনিবার (৭ফেব্রুয়ারী) সন্ধায় ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমথর্নে এক বিশাল সমাবেশ ও গণ-মিছিল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুকের ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে উপজেলা সদর এলাকায় আয়োজিত সমাবেশ ও গণমিছিলকে জনস্রোতে পরিণত করতে উপজেলা পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকজান বাজার এসে শেষ হয়।

    এর আগে সমাবেশে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে ধানের শীষের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ময়মনসিংহ -৬ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোটাধিকার এবং সঠিক উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি মানুষের মুক্তির অধিকারের প্রতীক। দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।”

    সমাবেশে বিএনপি মনোনিত আখতারুল আলম ফারুক বলেন, ধানের শীষ হলো গণতন্ত্রের প্রতীক, ন্যায়ের প্রতীক। ধানের শীষ বিজয়ী হলে এদেশের মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তায় থাকবে। সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। তিনি আরও বলেন, বিজয়ী হলে বিএনপির মাননীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত উন্নয়নের প্ল্যানের অংশ হিসেবে ফুলবাড়ীয়াকে, আধুনিক, উন্নত, সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজের উন্নয়নসহ বেকার যুবকদের ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

    আখতারুল আলম ফারুকের সমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে। সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে ফারুক বলেন, বিগত বছরগুলোতে যারা অবহেলিত হয়েছেন, তাদের পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য। সনাবেশে ফুলবাড়িয়াকে কে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাসহ তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন আখতারুল আলম ফারুক।

    সমাবেশ ও গণমিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ উপজেলার বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। গণমিছিলকে কেন্দ্র করে ফুলবাড়ীয়ায় এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।

    এ সময় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আকতারুল আলম ফারুক ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এলে এই আসনে ধানের শীষের বিপুল বিজয় হবে। সাধারণ মানুষও তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। অনেক ভোটার মন্তব্য করেন, আখতারুল আলম ফারুক এর মতো উদ্যমী নেতৃত্বই পারে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান করতে।

  • গোলপাহাড় ম-হাশ্মশান কালী মন্দিরে মহাশক্তির আরাধনায় সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞ সম্পন্ন

    গোলপাহাড় ম-হাশ্মশান কালী মন্দিরে মহাশক্তির আরাধনায় সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞ সম্পন্ন

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

    গোলপাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।দেবী চণ্ডীর আরাধনায় আয়োজিত এ যজ্ঞে শান্তি, কল্যাণ ও অশুভ নাশের প্রার্থনা করা হয়

    গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ চণ্ডী যজ্ঞনুষ্ঠানটি আজ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার সকাল থেকে সারাদিন ব্যাপী মাঙ্গলিক নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, হোমযজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    যজ্ঞনুষ্ঠানে ভক্তবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দেশ, জাতির বিশ্বশান্তির মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় পুরোহিতগণ বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে যজ্ঞ সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল শঙ্খধ্বনি, ধূপ-ধুনো ও পূজার সুবাসে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ।

    অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আগত ভক্ত ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

    জানা যায়,,দেবী চণ্ডী হলেন মহাকালী, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতীর সম্মিলিত রূপ।
    সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞানুষ্ঠান দেবী দুর্গার মহাশক্তির আরাধনার এক পবিত্র ধর্মীয় আচার। মার্কণ্ডেয় পুরাণভুক্ত ৭০০ শ্লোকের চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জাগরণ ঘটে বলে বিশ্বাস। এই যজ্ঞের ফলে দুঃখ-কষ্ট, রোগ-ব্যাধি ও বিপদ আপদ দূর হয়ে সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ আসে—এমনটাই শাস্ত্রসম্মত বিশ্বাস।

  • বরিশাল ২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী সান্টু’কে শেরে বাংলার নাতনী ও এনপিপির সমর্থন

    বরিশাল ২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী সান্টু’কে শেরে বাংলার নাতনী ও এনপিপির সমর্থন

    বিশেষ প্রতিনিধি//

    বরিশাল -২ আসনের (বানারীপাড়া -উজিরপুর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনী নীনা হক ও এনপিপির প্রার্থী সাহেব আলী হাওলাদার রনি সমর্থন করেছেন।

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের সমর্থকদের নিয়ে উঠান বৈঠকে হাজারো জনতার সন্মুখে এই সমর্থন করা হয়। আজ ৮ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৩ টায় বানারীপাড়া সরকারি মডেল ইউনিয়ন ইনিস্টটিউশন মাঠের উঠান বৈঠকে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহে আলম মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল -২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর উপস্থিতিতে শেরে বাংলার নাতনী নীনা হক ও এনপিপির প্রার্থী সাহেব আলী হাওলাদার রনি মঞ্চে দাড়িয়ে তাকে সমর্থন করেন ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।

    এসময় নীনা হক, জাতী ধর্ম বর্ন ও দলমত নির্বিশেষে সান্টু সরদার’কে আপনারা বিজয়ী করুন। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ গড়তে চাইলে ধানের শীষে ভোট দিন।

    এদিকে বরিশাল -২ আসনে এনপিপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাহেব আলী হাওলাদার রনি নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন মঞ্চে থেকে। তিনি তার বক্তব্যে তার নিজ এলাকার বড় ভাই সান্টু সরদার হওয়ায় তিনি তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে সান্টু সরদারকে বিজয়ী করতে ঘোষনা দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১২ তারিখ সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিতে বলেছেন।

    এসময় বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা ও পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলল হকের নাতনী নিনা হক ও এন পিপির প্রাথী শাহেব আলী রনি।

    উঠান বৈঠকে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ দুলাল হোসেন, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ আবুল কালাম শাহীন,বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ আহসান কবির নান্না হাওলাদার,উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ সাব্বির আহমেদ সুমন হাওলাদার। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ সবুর খান,কাজী বশির উদ্দিন আহমেদ, সাংগাঠনিক সম্পাদক মোঃ রুহুল আমীন মল্লিক,পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহ ইমরান আহমেদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম রিপন, ফারুক হোসেন মল্লিক,উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মিজান ফকির,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম,মহিলা দলের সভানেত্রী ডেইজি বেগম,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল হোসেন প্রমূখ।

    উল্লেখ্য শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতী ফাইয়াজুল হক রাজুর ছোট সন্তান মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন ও ধানেরশীষে ভোট চেয়েছেন ও সান্টু সরদার’কে বিজয়ী করতে বলেছেন।

  • আশুলিয়ায় সা-জাপ্রাপ্ত যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় সা-জাপ্রাপ্ত যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে জাল জালিয়াতি মামলায় চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও অন্তত ১৫ মামলার পলাতক আসামি কুখ্যাত যুবলীগ ক্যাডার রবিউল ইসলাম ওরফে রবি (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার চারিগ্রাম এলাকার একটি নির্জন বাড়ি থেকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শহিদুজ্জামান।
    গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম রবি আশুলিয়ার চারিগ্রাম এলাকার মো. আব্দুল জলিলের ছেলে। তিনি পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানায়, রবিউল ইসলাম জাল জালিয়াতি মামলার দুটি ধারায় চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন। ভোররাতে এএসআই আসাদুর রহমান ও এএসআই আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, জাল জালিয়াতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পতিত স্বৈরাচার সরকারের আমলে রবিউল ইসলাম জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া দলিল তৈরি করে এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সাধারণ মানুষের জায়গা-জমি দখল করতেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, নারী ধর্ষণ, হত্যা চেষ্টা ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংস হামলায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে—জানায় পুলিশ।

  • ঢাকা-১৯ আসনে আশুলিয়া রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর ভোট প্রার্থনা

    ঢাকা-১৯ আসনে আশুলিয়া রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর ভোট প্রার্থনা

    হেলাল শেখঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৯ আসনে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফারুক খান।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকার সাভার উপজেলার পুরাতন আশুলিয়া জমি রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একই স্থানে অবস্থান করে তিনি তার নির্বাচনী প্রতীক হাতপাখা নিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন।

    গণসংযোগকালে আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, সাভার-আশুলিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা সমস্যা বিরাজ করছে। তিনি বলেন, “এখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই বছরের ১২ মাস জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। পাশাপাশি আশুলিয়া জমি রেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।” তিনি এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
    তিনি আরও জানান, এর আগেও তিনি ঢাকা-১৯ আসনে এমপি পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন এবং এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা সম্পর্কে তিনি অবগত।

    এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঢাকা-১৯ আসনে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ভোটার, বেশ কয়েকজন এমপি প্রার্থী থাকলেও তাদের অনেককেই এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজে তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি। তারা বলেন, হাতপাখা,শাপলা কলি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের বাইরে আরও বেশ কিছু প্রার্থী থাকলেও তাদের অনেকের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম।

    স্থানীয়দের মতে, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু বর্তমানে জনমতে এগিয়ে রয়েছেন।

  • হাসপাতাল থেকে ফি-রেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

    হাসপাতাল থেকে ফি-রেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪, (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী তার সহধর্মিনী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাকে বিজয়ী করতে সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজার,সুতাহাটি বাজার,চৈত্রহাটি বাজার, মাহমুদপুর বাজার,অলিদহ বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আফছার উদ্দিন।
    আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা ও মতবিনিময় সভা করেন। উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী নির্বাচিত হওয়ার পর সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দেন। আফছার উদ্দিন জানান,গত ২৭ জানুয়ারী রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আমার খুব ভালো লাগছে অনেকেই আমার শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং সবার আন্তরিক দোয়ায় আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন। এ জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উল্লাপাড়া-সলঙ্গা অঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার এম আকবর আলীর জন্য দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। নিশ্চয়ই তিনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু মুসা সরকার,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক মেম্বর,থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ,যুগ্ম আহবায়ক আহবায়ক এম আরিফুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদ রানা,থানা সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা-সহ প্রমুখ।

  • সাধারণ মানুষের আ-স্থার প্রতীক রোকন উদ্দিন বাবুল

    সাধারণ মানুষের আ-স্থার প্রতীক রোকন উদ্দিন বাবুল

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট -২ কালীগঞ্জ ও আদিতমারী সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল,  দিন দিন সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক গণসংযোগ, জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়নমুখী প্রত্যাশায় এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা।

    ফজরের নামাজ পড়ার পর সকালের আলো ফোটার আগ থেকেই শুরু হয় তার নির্বাচনী কার্যক্রম। পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার,গ্রামাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন তিনি। মানুষের দুঃখ-কষ্ট শুনে তা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক রাজনীতির অঙ্গীকার তুলে ধরছেন।

    রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য।লালমনিরহাট -২ কালীগঞ্জ ও আদিতমারী আসনের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় আজীবন কাজ করে যেতে চাই। ধানের শীষের বিজয়ের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই আমার লক্ষ্য।”

    স্থানীয়রা জানান, একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পরিচিত। সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে তার ভূমিকা প্রশংসিত।

    তার নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে-বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষক ও শ্রমজীবীদের ন্যায্য অধিকার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠন। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছেন। প্রতিদিনই মিছিল, সভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌছে দিচ্ছেন তারা।

    দলীয় সূত্র জানায়, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দিন বাবুলের, জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে নির্বাচনী মাঠে ইতোমধ্যেই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

    স্থানীয় এক ভোটার বলেন, “বাবুল ভাই সব সময় আমাদের পাশে থাকেন। সুখ-দুঃখে তাকে কাছে পাই। আমরা এবার তাকেই সংসদে পাঠাতে চাই।” সব মিলিয়ে, লালমনিরহাট-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল, হয়ে উঠেছেন পরিবর্তন ও উন্নয়নের প্রতীক। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন বিজয়ের লক্ষ্যে।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গোপালগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও বিক্ষো-ভ অব্যাহত

    নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গোপালগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও বিক্ষো-ভ অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।

    আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সকালে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। এরপর কর্মবিরতি শুরু করে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    মিছিল শেষে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন দাবি আদায় কমিটির সভাপতি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির শেখ হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ মনিরুল ইসলাম, রুমান সিকদার এবং উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীনবন্ধু হালদার।

    বক্তারা বলেন, জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিলো’—এ ধরনের মন্তব্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান।

    বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীতে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।

    এদিকে নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্ম বিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেন।

    এ সময় গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ মনিরুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী সুমন আহমেদ, মোঃ জামিল আহমেদ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সরফুজ্জামান সুজন, বেঞ্চ সহকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ হাসান মোল্লা সহ অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।