Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইলের লোহাগড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ আ-ইনশৃঙ্খলা সভা

    নড়াইলের লোহাগড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ আ-ইনশৃঙ্খলা সভা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নড়াইলের লোহাগড়ায় বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত
    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাবাহিনীর
    লে:কর্ণেল মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল খন্দকার আবু সহল আব্দল্লা, নড়াইলের পুলিশ সুপার আল মামুন শিকদার,রেব স্কট কমান্ডার এডিশাল এসপি রেজাউল হক,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক, লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু হায়াত সাবু, লক্ষ্মীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোরাদুজ্জামানসহ।
    সভায় নির্বাচনকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটারদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিসহ অন্যান্য বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
    সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    বরিশালের বানারীপাড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামী বানারীপাড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সরকারি ইউনিয়ন ইনিস্টিউশন (পাইলট) স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান।
    উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ায় সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারী শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ও এনসিপি নেত্রী এ কে ফ্লোরা।
    বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মো. খলিলুর রহমান শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মো. খলিলুর রহমান শাহাদাত, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমীর কাওসার হোসেন, এনসিপির বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলী এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ তাহিদুলের পিতা আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় বিএনপির উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালিস মাহমুদ, সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুহুল আমিন, সদর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আল আমীনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
    এছাড়াও এনসিপিতে যোগদান করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতা ও সরকারি ফজলুল হক কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন।

    বক্তারা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাপনী এই উঠান বৈঠকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

    মোঃ সাব্বির হোসেন।।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় জা-ল জালিয়াতি কাগজপত্রে চাকরি করার অভি-যোগ উঠেছে

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় জা-ল জালিয়াতি কাগজপত্রে চাকরি করার অভি-যোগ উঠেছে

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় একাডেমিক সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জাল-জালিয়াতি করে এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার লিখিত অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের কালদাসপাড়া গ্রামের জহির উদ্দীন আহমদ এর ছেলে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেন, একই গ্রামের মেনাজুল হকের ছেলে মো. তাহিরুল ইসলাম।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান নিয়োগের সময় ভুয়া কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন। তার এই ভুয়া কাগজপত্রের বিষয়টি ওই মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট বদরুজ্জামান অবহিত। অভিযোগে আরও জানা যায়, মাহফুজার রহমান বেতন ও ভাতা বাবদ সরকারি অংশ উত্তোলনের বিরবরণীতে যে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন সেটি প্রকৃতপক্ষে ভুয়া। শুধু এনআইডি কার্ড নয় তিনি একাডেমিক সকল সার্টিফিকেট জাল জালিয়াতি করেছেন। জাল জালিয়াতির বিষয়ে গুরুত্বের সহিত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের প্রার্থনা জানানো হয়েছে তৎসঙ্গে সরেজমিনে উভয়পক্ষকে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানান অভিযোগকারী।

    অভিযোগকারী তাহিরুল জানায়, শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্র্সাার এবতেদায়ী শাখার প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান বাদী হয়ে তাদের কয়েকজনের নামে বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত তেঁতুলিয়া পঞ্চগড়ে অস্থায়ী ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার মামলা করেন। মামলা চলার সময় তিনি আদালতে মাহফুজারের এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় দাখিলকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ এবং বেতন ও ভাতা বাবদ সরকারি অংশ উত্তোলনের বিবরণী শীট আদালতে দাখিল করেন। জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বেতন ও ভাতার শীটে মাহফুজার রহমানের জন্ম তারিখ দেওয়া আছে ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি। আদালত মামলা পর্যালোচনা শেষে একটি আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে মাহফুজার রহমানের কাগজপত্র পর্যালোচনা অন্তে প্রতিয়মান হয় যে, ১৯৬২ সালের ১ অক্টোবর মাহফুজার রহমান জন্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তার মাদ্রাসায় নিয়োগ বিধিমালায় জন্ম তারিখ রয়েছে ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি। আদেশে আরো উল্লেখ আছে, মাহফুজার রহমানের ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম তারিখটি সঠিক নয়। যেহেতু উক্ত জন্ম তারিখ সঠিক নয়, সেহেতু উক্ত জন্ম পরিচয় তারিখের উপর ভিত্তি করে যে সমস্ত কাগজাদী সৃষ্টি বা অর্জিত হয়েছে তা সঠিক নয়। মাহফুজার রহমান ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি তারিখ দিয়ে এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে অবৈধভাবে চাকরি করে আসছে সেটা প্রকৃতভাবে অবৈধ। এজন্যই তিনি তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী সুষ্ঠ বিচার পাবেন। যদি তিনি সুষ্ঠ বিচার না পায়, তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশনের শরানাপন্ন হবেন।

    মাহফুজার রহমান বলেন, তার জন্ম তারিখ যেটা এনআইডি ও জন্ম নিবন্ধনে রয়েছে সেটাই সঠিক। তখন নাবালক হিসেবে জমি বেচাকেনা হয়েছে। সেই সময় জমি ক্রয় করতে তেমন জন্ম তারিখ প্রয়োজন হয়নি। আদালতে অভিযোগকারী না পেরে এখন চাকরিতে কোনো ব্যঘাত ঘটানো যায় কিনা সুযোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট বদরুল আলম সরকার বলেন, জন্ম তারিখ আগপিছের বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। মাহফুজার রহমান মাদ্রাসায় প্রদর্শিত সার্টিফিকেট দিয়েই চাকরি করে আসছেন। কারো ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো শিক্ষককেই তিনি কোনোদিন জিজ্ঞাসা করেননি।

    গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) তদন্তে আসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শওকত আলীর কাছে কিছু জানার আগ্রহ প্রকাশ করার আগেই তিনি দেখেও না দেখার ভান করেন এবং তুই-তুকারি ভাষায় বলেন, তুই আমার বিরুদ্ধে লিখতে থাক। তবে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানা যায়, ওই মাদ্রাসায় উভয়পক্ষকে নিয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে আদালতের আদেশে দেখেন ইবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান ১৯৬২ সালের ১ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেছেন। অপরদিকে শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় এবতেদায়ী শাখায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে তার নিয়োগ বিধিমালায় জন্ম তারিখ রয়েছে ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, জাল জালিয়াতি কাগজপত্রে চাকরি একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী ব্যবস্থা শেষ হলে তিনি নিজেও তদন্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন জানিয়েছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • পরিবর্তনের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার  আহবানে এনসিপি নেতা মাহবুবের লি-ফলেট বিতরণ

    পরিবর্তনের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহবানে এনসিপি নেতা মাহবুবের লি-ফলেট বিতরণ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলার অন্যতম নেতা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ-৭ আসনে মনোনীত অ্যাম্বেসেডর ও এন পি এস গনমাধ্যম মানবাধিকার সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম। এ সময় তিনি ভোটারদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং নাগরিক অধিকার, ভোটের গোপনীয়তা ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়-ময়মনসিংহের সদর ও ত্রিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম এর পক্ষ থেকে ভোটারদের মধ্যে একটি তথ্যভিত্তিক লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে ভোটারের অধিকার, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা, অনিয়ম দেখা দিলে অভিযোগ করার নিয়মসহ নানা নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়।

    লিফলেটে বলা হয়, প্রত্যেক ভোটারের ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং কোনো ভয়-ভীতি বা বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটার কাউকে বাধ্য নন তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন তা জানাতে। ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়।

    এদিকে গণভোটের প্রশ্ন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর চার দফা প্রসঙ্গে লিফলেটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কয়েকটি প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি (হ্যাঁ/না) প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কাঠামো, ভবিষ্যতে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কাঠামো, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো প্রস্তাবগুলোর কথাও রয়েছে।

    লিফলেটে আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে হয়রানি বা অনিয়ম দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা স্থানীয় নির্বাচন অফিসে অভিযোগ জানাতে হবে। এতে আরও নলা হয়েছে-এক ব্যালটে হবে প্রার্থীর ভোট-গোলাপী ব্যালটে দিবো হ্যা ভোট।

    এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম এর প্রচারণায় ভোটারদের উদ্দেশে ভুয়া তথ্য ও গুজব নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করা জরুরি। নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

    স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, লিফলেটের মাধ্যমে ভোটাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের বিষয়টি সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা পাওয়া গেছে।

    প্রচারকারীরা বলছেন, গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; নির্বাচনের বাইরে কমিউনিটি উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাজ পর্যবেক্ষণ করাও নাগরিক দায়িত্বের অংশ।

    এ বিষয়ে এনসিপি নেতা এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, ভোটারদের সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কার উদ্যোগে সমর্থন জানায়-এটাই আমরা প্রত্যাশা করছি ।

  • তানোরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে  বিএনপির ম-তবিনিময়

    তানোরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে বিএনপির ম-তবিনিময়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার তানোর পৌরসভার গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে
    তানোর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (প্রতিক ধানের শীষ) মেজর জেনারেল (অবঃ) শরীফ উদ্দিনের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এই জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তানোর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তিনি তাঁর বক্তব্যে আসন্ন জনসভার সার্বিক প্রস্তুতি, কর্মসূচি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।
    মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ড্যাব নেতা ডা. মিজানুর রহমান, পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান, বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, বিএনপি নেতা তোফাজ্জুল ইসলাম তোফা, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি পলি বেগম, তানোর পৌর কৃষক দলের আহবায়ক মশিউর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সমশের, নজরুল, তানোর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক রনজু ইসলাম ও আতিকুর রহমান লিটনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
    বক্তারা বলেন, তানোরের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ এবং শেষ জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    এবিষয়ে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন,নির্বাচনী জনসভা ঘিরে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি রীতিমতো উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তিনি বলেন,নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই জনসভা স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভায় পরিণত হবে ইনশাল্লাহ।#

  • দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়

    দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়

    উজ্জ্বল রায়, প্রতিনিধি:

    দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়। দেবী-যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠের নাম-যশোরেশ্বরী। এই পীঠ বাংলাদেশের খুলনায়। হাসনাবাদ রেল স্টেশন থেকে ২৫ মাইল দূরে ঈশ্বরী পুরে। পীঠনির্ণয়তন্ত্র মতে এখানে দেবী সতীর হস্তের পাণিপদ্ম পড়েছিলো। পাণিপদ্ম কি? এটি কিন্তু দেহের কোনো অঙ্গ নয়, কিন্তু দেহের সাথে জড়িত। পাণি” শব্দের অর্থ হস্ত, পদ্ম একটি ফুল। অর্থাৎ দেবীর হাতের পদ্ম এখানে পতিত হয়েছিলো। দেখবেন দেবী হস্তে পদ্ম ধারন করেন। পদ্ম কোমলতা ও পূর্ণ বিকাশের প্রতীক। এখন প্রশ্ন দেবীর পদ্ম হতে কিভাবে দেবী সৃষ্টি হোলো ? পদ্ম ত জলজ পুস্প। উদাহরণ এই যে দক্ষ প্রজাপতির তপস্যায় তুষ্টা হয়ে আদ্যাশক্তি মহামায়া দক্ষ দুহিতা সতী রূপে জন্ম নিয়েছিলেন, দেবীর অঙ্গে নানা দেবীশক্তি বিদ্যামান ছিলো, দেবী যা ধারন করতেন তাতেও দেবীর শক্তি ছিলো সমভাবে বিদ্যামানা। সুতরাং দেবীর সেই করের পদ্মটিও একজন দেবী। পীঠনির্ণয়তন্ত্র তন্ত্র শাস্ত্রে লিখিত আছে-
    যশোরে পাণিপদ্ম দেবতা যশোরেশ্বরী
    চণ্ডশ্চ ভৈরবো যত্র তত্র সিদ্ধির্ণসংশয়।
    দেবীর নাম যশোরেশ্বরী, তাঁর ভৈরব হলেন চণ্ড । দেবীকে এখানে সর্ব সিদ্ধিদায়িনী বলা আছে। যশ” প্রদানকারিণী মহাশক্তি তিনি। যশ শব্দের অর্থ কীর্তি । সকাম উপাসকেরা দেবীর কাছে আয়ু, আরোগ্য, সৌন্দর্য, টাকা, ধন, দৌলত, সুন্দরী স্ত্রী “রূপং দেহি যশ দেহি ভার্যাং দেহি ” বলে প্রার্থনা করেন । দেবী এই সকল যশ প্রদান করেন। আবার নিস্কাম উপাসকেরা চৈতন্য, আত্মজ্ঞান, মাতৃকৃপা, মাতৃ দর্শন ইত্যাদি যশ বা কীর্তি প্রার্থনা করেন, দেবী সেসকল কিছু প্রদান করেন । সেই জন্য দেবীর নাম যশোরেশ্বর। আর এই পীঠকে সর্ব সিদ্ধিদায়িনী বলে তন্ত্রে লিখিত হয়েছে । ঠিক এই কারনে সর্ব প্রকার বিকাশ বা অভ্যুত্থানের প্রতীক পদ্ম পুস্প দেবীর হস্ত থেকে এখানে পতিত হয়েছে ।
    দয়াময়ী মায়ের কৃপা কতো । স্বেচ্ছায় নিজ দেহ থেকে ৫১ পীঠ সৃষ্টি করে মানব কল্যাণের জন্য বিরাজিতা হলেন । ভক্তি- শক্তি- মুক্তি মেলে দেবীর শক্তিপীঠে গিয়ে।
    এই মন্দিরের প্রকাশ কিভাবে ঘটে ? বাংলার বার ভুইয়াদের রাজত্ব আমলের কথা। রাজা প্রতাপাদিত্যের এক বিশ্বস্ত অনুচর ছিলো। তাঁর নাম কমলখোঁজা। তিনি ইচ্ছামতী নদীর তীরে একদা ভ্রমণ কালে একটি জ্যোতি দেখতে পান। এরপর তিনি মহারাজাকে জানালে মহারাজ প্রতাপাদিত্য সেই বাদাবন পরিষ্কার করে দেবীর অঙ্গশিলা প্রাপ্তি করেন। ভিন্ন মতে যশ পাটনী নামক এক মাঝি নদীবক্ষে জ্যোতি দর্শন করেন। তিনি এই অলৌকিক কাণ্ড রাজা প্রতাপাদিত্যকে জানালে রাজা সেই স্থানে ডুবুরী নামিয়ে দেবী সতীর অঙ্গশিলা উদ্ধার করেন । এই ঘটনার পর রাজা প্রতাপাদিত্যের যশ বৃদ্ধি পায়। তিনি উৎকল আক্রমণ করে উৎকলেশ্বর শিব ও গোবিন্দ মূর্তি হরণ করে আনেন ও নিজ রাজ্যে মন্দির স্থাপনা করে প্রতিষ্ঠা করেন । অপরদিকে মুঘল শাসনকালে আকবরের নেতৃত্বে জয়পুরের রাজা মানসিংহ প্রতাপাদিত্যের রাজ্যে আক্রমণ করে দেবী সতীর অঙ্গশিলা জয়পুরে নিয়ে যান। সেখানেই এখন পূজা হয়। একটা প্রবাদ আছে না- হিন্দুই হিন্দুর বড় শত্রু”। রাজা প্রতাপাদিত্য যেমন হিন্দু রাজ্য উৎকল আক্রমণ করে অযথা হিন্দু হিন্দুর মধ্যে যুদ্ধ লাগালেন, আবার রাজা মানসিংহ তিনিও হিন্দু রাজ্য আক্রমণ করে অযথা হিন্দুদের মধ্যে রক্তপাত ঘটালেন। মাঝখান থেকে “লাভের গুড়” খেলো মুঘলেরা।
    দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়। এই মন্দির অনেক পুরানো-দেখলেই বোঝা যায়। রাজার আমলে এই মন্দির নাকি প্রচুর কারুকার্যে শোভিত ছিলো । সেই সব চোখ ধাঁধানো কারুকার্য এখন আর নেই । সিমেন্টের আবরণের তলায় ঢাকা পরে গেছে। আশেপাশে রাজার নির্মিত যাত্রীনিবাস সেগুলিও এখন ধূলিসাৎ । স্থানীয় এক পুরোহিতের বাড়ীতে মায়ের শির আছে । স্থানীয় পুরোহিতের কথায় রাজা মানসিংহ নাকি নকল অঙ্গশিলা নিয়ে গেছিলেন । যাই হোক এসকল বিতর্কিত বিষয়। স্থানীয় একঘর অধিকারী ব্রাহ্মণ বংশ পরম্পরা ধরে মন্দিরে পূজোর দায়িত্ব পালন করছেন । অতীতে নাকি এই মন্দিরে নরবলি হোতো। তন্ত্র মতে দেবীর পূজো হয়। দেবী এখানে কালী রূপিনী। এখন ছাগাদি বলি হয়।
    এই মন্দিরের সামনে একটি রাজার নির্মিত বাটি ছিলো। এক সময় দেবীর বিশাল সমারোহে পূজা হোতো। সেই বাটিতে বহু পাণ্ডা, পুরোহিত থাকতেন। এটাও এখন নেই। যশোর থেকে যশোরেশ্বরী যশোরের দক্ষিণে সাতক্ষীরা তে যেতে হবে। সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জ ৩৩ কিমি। সেখান থেকে শ্যামনগর হয়ে ২ কিমি দূরে বংশীপুর বাজার। সেখান থেকে অল্প দূরে এই মন্দির। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকা যাওয়ার বাস আছে । ঢাকা থেকেও এই মন্দিরে যাওয়া যায় । এই হোলো মা যশোরেশ্বরীর কথা। আসুন মায়ের চরণে প্রনাম জানিয়ে বলি-
    সহিতমহাহব মল্লমতল্লিক মল্লিতরল্লক মল্লরতে
    বিরচিত বল্লিক পল্লিক ঝিল্লিক ভিল্লিক বর্গবৃতে ।
    সিতকৃতফুল্ল সমুল্লসিতারুণতল্লজ পল্লব সল্ললিতে
    জয় জয় হে মহিষাসুরমর্দিনী রম্যকপর্দিনি শৈলসুতে ।।
    অর্থাৎ- হে মাতঃ! তুমি জুঁইফুলের লতার মতো কোমল হয়েও বহুবিধ মল্লযুদ্ধ বিশারদ যোদ্ধার শক্তিকেও হার মানিয়েছো। কিন্তু তবু মধুমক্ষিকাকুলে সমাকীর্ণ জুঁইফুলে সুসজ্জিতা পল্লিবালার মতো সদ্যজাত ও ঈষৎলাভের কচিকচি পত্রপল্লব দ্বারা বেষ্টিতা মহানন্দে পরিপূর্ণা তুমি অতি সুন্দর । তুমি শৈলসুতা জটাজুটধারিণী পার্বতী। তুমিই মহিষাসুর বধ করেছো। উজ্জ্বল রায়, প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে ভ্যান চালকের র-ক্তাক্ত ম-রদেহ উ-দ্ধার

    নড়াইলে ভ্যান চালকের র-ক্তাক্ত ম-রদেহ উ-দ্ধার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ঘর থেকে ভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার। নড়াইল সদর উপজেলায় জাহাঙ্গীর হোসেন সানা (৫৫) নামে এক ভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর তার ব্যবহৃত ভ্যানটি নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    নিহত জাহাঙ্গীর সানা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি গ্রামের নয়েজ সানার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যান চালক ছিলেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর হোসেন সানা প্রায় ১৫ বছর আগে নড়াইল সদর উপজেলায় আসেন। গত এক বছর ধরে তিনি চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের বাড়ি দেখাশোনা করতেন এবং সেখানে একাই বসবাস করতেন। প্রতিদিনের মতো ভ্যান চালিয়ে শনিবার রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা জাহাঙ্গীরের ঘরের দরজা খোলা দেখে তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের ভেতরে গিয়ে তারা জাহাঙ্গীরের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
    নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী বিউটি বেগম বলেন, ‘গত দুইদিন ধরে মান-অভিমানের কারণে তার সাথে আমার যোগাযোগ ছিল না। খবর পেয়ে এসে দেখি তাকে হত্যা করে ভ্যানটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, আমি তাদের কঠোর বিচার চাই।’
    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • তানোরে জামায়াতের গণ-মিছিল ও পথসভা

    তানোরে জামায়াতের গণ-মিছিল ও পথসভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও ভোট প্রার্থনা করে রাজশাহীর তানোরে উপজেলা জামায়াত এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নির্বাচনী গণ-মিছিল ও পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, রোববার (৮ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলা ডাকবাংলো মাঠ থেকে নির্বাচনী গণ-মিছিল শুরু হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে থানা মোড়ে পথসভার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়।
    এদিন পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-১ (তানোর -গোদাগড়ী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত (দাঁড়িপাল্লা প্রতিক) প্রার্থী কেন্দ্রীয় জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান। এ সময় তিনি আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়ি পাল্লায় ভোট প্রার্থনা করেন।তিনি বলেন, অতীতে যারা ক্ষমতায় এসেছে সবাই দুর্নীতি করেছে। কিন্তু ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশে কোন দুর্নীতি হবে না। ন্যায় বিচার ও এদেশের মানুষের উন্নয়নে তার দল কাজ করবে।
    উপজেলা জামায়াতের আমীর আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক ডিএম আক্কাস আলী দেওয়ানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, রাজশাহী জেলা মসজিদ মিশন বিষয়ক সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রহমান, জামায়াতের পশ্চিম জেলা সাবেক আমির আমিনুল ইসলাম,মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, পাঁচন্দর ইউপি জামায়াতের আমির মাওলানা জুয়েল রানা,চাঁন্দুড়িয়া ইউপি জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ও সরনজাই ইউপি জামায়াতের আমির কাজি আফজাল হোসেনপ্রমুখ।
    এদিন তানোর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এবং সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মজিবুর রহমান বিভিন্ন গ্রামে ও পাড়া মহল্লার বাড়ি বাড়ি এবং হাট বাজারের দোকানপাটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর মুন্ডুমালা পৌরসভা জামায়াতের আয়োজনে প্রচার মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ কার্ড না পেয়ে সাংবাদিকদের ক্ষো-ভ প্রকাশ

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ কার্ড না পেয়ে সাংবাদিকদের ক্ষো-ভ প্রকাশ

    হেলাল শেখঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষণ কার্ড না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক সাংবাদিক। অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম মেনে আবেদন করেও দুই দিন ধরে অপেক্ষা করে হয়রানির শিকার হয়েছেন অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দৈনিক ঢাকা পত্রিকার সাংবাদিক সৌরভ জানান, রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন অফিসে নির্ধারিত সকল নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও অনেক সাংবাদিককে পর্যবেক্ষণ কার্ড দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “এটি স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের বেড়াজাল তৈরি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অন্যায়।” তিনি আরও বলেন, সংবাদ সংগ্রহের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদার পরিপন্থী।

    এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, “সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে কেন এত বাধার সম্মুখীন হবেন? সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে-এটা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা এবং তাদের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড না দিয়ে বাধা সৃষ্টি করার কারণ কী? এটা কেমন বিচার?”

  • মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠকে ধানের শীষে ভোটের আহ্বান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গ-ণসংযোগ জো-রদার

    মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠকে ধানের শীষে ভোটের আহ্বান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গ-ণসংযোগ জো-রদার

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জননেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তৃণমূলে গণসংযোগ ও জনমত গঠনের অংশ হিসেবে মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৪১ নং ওয়ার্ডের মধ্যম পাড়া (দক্ষিণ পাড়া) এলাকায় আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহধর্মিণী তাহেরা খসরু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মোঃ নুরুল আবছার।

    উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক নাজমুল হুদা চৌধুরী নাজিম এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান মিয়া।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাহেরা খসরু বলেন, “দেশ আজ এক সংকটকাল অতিক্রম করছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষের বিকল্প নেই। জননেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সবসময় চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা রেখেছেন।”

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোঃ নুরুল আবছার বলেন, “চট্টগ্রাম-১১ আসনের উন্নয়ন ও জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একজন পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা। তৃণমূল বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিজয় নিশ্চিত হবে।”

    উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. জসিম উদ্দিন মিলকি, থানা বিএনপির সাবেক তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মো. আলী আকবর, সংগঠক কাজী জিয়া উদ্দিন সোহেল, ওয়ার্ড সদস্য মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের ওয়ার্ড আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম রিপন, ছাত্রদল নেতা মো. শাহীন মুরাদ এবং মহিলা দল নেত্রী নুরজাহান।

    বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। উঠান বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটাররা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।