সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার সাতটিকরী গ্রামের কৃতি সন্তান ও উল্লাপাড়া সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব এ্যাড. আব্দুল হামিদ তালুকদার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুম আব্দুল হামিদ তালুকদার ১৯৫১ সালের ২৫ এপ্রিল উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানাধীন সাতটিকরী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে সিরাজগঞ্জ জর্জ কোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মরহুম আব্দুল হামিদ তালুকদার হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৭ সালে সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়া থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মরহুমের জানাযা নামায আগামীকাল শনিবার সকাল ১০ টায় নাইমুড়ী-রুয়াপাড়া সম্মিলিত কবরস্থান মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।তার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
মহান আল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমের জিন্দেগীর সমস্ত গুণাহ মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন।
Category: দেশজুড়ে
-

সলঙ্গার সাবেক এমপি আব্দুল হামিদের ই/ন্তেকাল
-

লক্ষ্মীপুরে ম/ব সৃষ্টি করে সাংবাদিকের ওপর হা/মলা: সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষো/ভ আ/টক দুই
নাজিম উদ্দিন রানা,লক্ষ্মীপুর:
লক্ষ্মীপুরে তরুণ সংবাদকর্মী তারেক মাহমুদের ওপর মব সৃষ্টি করে একদল দুষ্কৃতকারী মামলা করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকায় কিরন ও শাহীন নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করে।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী আটক দুই ব্যক্তির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
এর-আগে, বেলা ১১ টার দিকে পৌর সভার (৪নং ওয়ার্ড) জেলা মৎস্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সামনে এ হামলার শিকার হন সংবাদকর্মী তারেক মাহমুদ।
তারেক দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রির্পোটার ও স্থানীয় অনলাইন গণমাধ্যম লক্ষ্মীপুর টাইমসের স্টাফ রির্পোটার এবং যমুনা টিভির ক্যামেরা পার্সন হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বর্তমানে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তারেক সহকর্মীদের জানান, লক্ষ্মীপুর শহর থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছেন। হঠাৎ অপরিচিত এক ব্যক্তি তার মোটরসাইকেল গতিরোধ করেন। কিছু বুঝবার উঠার আগেই অখ্যাত ভাষায় গালমন্দ করে। এরমধ্যেই দুইটি রিকশা যোগে আরো কয়েকজন লোক এসে মব সৃষ্টি করে সন্ত্রাসী কায়দায় তার ওপর হামলা করে। ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিত ভাবে হামলাকারীরা আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে আশপাশ থেকে এলাকাবাসী এসে আমাকে উদ্ধার করে।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপিকর্মী কিরন ও ওয়াহিদ এই হামলার নেতৃত্বে দিয়েছে সরাসরি। আমি এই হামলার উপযুক্ত বিচার চাই।
তরুণ সংবাদকর্মী তারেক মাহমুদ হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে জেলার কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা ফুঁসিয়ে উঠছে। পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলছেন।
আহত তারেক মাহমুদকে হাসপাতালে দেখতে এসেছেন লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি আ.হ.ম মোস্তাকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেল সহ কমিটির নেতৃবৃন্দ।
হামলার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক জানান দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
-

প্র/হসনের নির্বাচন বা/তিলের দাবিতে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব তালাবদ্ধ, সাংবাদিকদের প্রতীকী প্র/তিবাদ
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের তথাকথিত প্রহসনের নির্বাচন বাতিলের দাবিতে প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে প্রতীকী ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা। বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা থেকে নগরীর ৪৭ কাচারি রোডে অবস্থিত অস্থায়ী কার্যালয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিনিময় করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের বিতর্কিত ও প্রহসনের নির্বাচন বাতিলের দাবিতে শান্তিপূর্ণ প্রতীকী কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত আনুমানিক ১০টায় সাংবাদিকরা ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
সাংবাদিকরা জানান, নির্বাচন বাতিল কিংবা স্থগিত করার দাবিতে প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জেলা প্রশাসককে একাধিকবার আহ্বান জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
এ সময় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আজ রাতের মধ্যেই প্রহসনের নির্বাচন স্থগিত করতে হবে। জেলা প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, অতীতের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাধানে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করুন।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন ভুলে দ্রুততম সময়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র ও জাতি গঠনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার বিকল্প নেই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে, মো. আরিফ রেওগীর, আলমগীর কবির উজ্জ্বল, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সজিব রাজভর বিপিন, সুমন ভট্টাচার্য্য, এ.জি. জাফর গিফারী, সাদেকুর রহমান, রোকসানা আক্তার, তাসলিমা রত্না, এসকে মিজান, জামাল উদ্দিন, শিউলি রেখা, মোমেনা আক্তার, সেলিম সাজ্জাদ, মাখছুদুল হুদা, মো. আবু হান্নান সরকারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
-

সং/স্কার ছাড়া প্র/হসনের নির্বাচন বাতিলের দাবিতে সাংবাদিকদের কঠোর কর্মসূচি,প্রেসক্লাবে তালা
স্টাফ রিপোর্টারঃ
সংস্কার ছাড়া ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বাতিলের দাবীতে প্রেসক্লাবের মুল ফটকে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির সাংবাদিকরা। প্রেসক্লাব সংস্কার ও তথাকথিত প্রহসনের নির্বাচন বাতিলসহ একাধিক দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।বৃহস্পতিবার (৮জানুয়ারী) রাত সারে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব চত্বরে জড়ো হয়ে সংস্কার কমিটির নেতৃত্ব বঞ্চিত সাংবাদিকরা তালা ঝুলিয়ে দেন।
সংস্কার কমিটির সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব একটি মহলের নিয়ন্ত্রণে থেকে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। সদস্য তালিকা হালনাগাদ না করেই নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা সাংবাদিক সমাজের বৃহত্তর অংশের মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করে করা হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসক একাধারে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেও প্রেসক্লাবের সভাপতির পদে থেকে প্রভাব বিস্তার করছেন, যা স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি করছে। অবিলম্বে জেলা প্রশাসককে প্রেসক্লাবের সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার দাবি জানান তারা। তারা জানান-ময়মনসিংহ ছাড়া দেশের কোথাও জেলা প্রশাসক প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে নেই, তাহলে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে কেন থাকবে এমনটাও প্রশ্ন উঠেছে।
সংস্কার কমিটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবকে ‘‘প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান’’ করার প্রয়োজনে কর্মরত সাংবাদিকদের নামের তালিকা নির্ধারন, গঠনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়ন, সাধারণ সভায় অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ, চুড়ান্ত ভোটার তালিকা নির্ণয় করার মধ্য দিয়ে নির্বাচনের দাবী করা হয়। এতে বলা হয় পেশাজীবী সাংবাদিক সংগঠন/ক্লাবে শুধুমাত্র সাংবাদিকরাই থাকবে।
অপরদিকে অসাংবাদিক, আমলা, আইনজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ব্যবসায়ীরা প্রেসক্লাবের সদস্য থাকতে পারবে না বলেও দাবী জানান তারা। অবিলম্বে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের আসন্ন প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করে এর সুষ্ঠ সমাধান করার জন্য (সভাপতি) জেলা প্রশাসকের নিকট দাবী করেন সংস্কার কমিটি।কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণাও দেওয়া হবে। এ সময় তারা প্রেসক্লাবকে প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জানান।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংস্কারপন্থী কমিটির সাংবাদিক নেতা সুমন ভট্টাচার্যকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হলে এই ঘটনায় শহর জুরে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র নিন্দার ঝর উঠে।
বিশ্লেষকদের মতে- প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সংগঠন, এতে সাংবাদিকরা থাকবে এটা তাদের অধিকার, এখানে জেলা প্রশাসক প্রশাসক কোন ক্ষমতাবলে সভাপতি হন,এখানে আমলা,শিক্ষক, আইনজীবীরা কিভাবে সদস্য হন, তাদেরতো সংগঠন আছে। তাদের প্রশ্ন তাহলে আমলা,আইনজীবী ও শিক্ষকদের যে কমিটি রয়েছে সেখানে কি সাংবাদিকদের সদস্য করবে তারা?
সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে-প্রেসক্লাব কোনো ব্যক্তির নয়, এটি সাংবাদিক সমাজের একটি সম্মিলিত প্রতিষ্ঠান। মতবিরোধ বা অভ্যন্তরীণ বিরোধ থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার পথ খোলা ছিল। সেখানে হঠাৎ করে একজন পরিচিত মুখ, একজন সাংবাদিককে আটক করায় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ, ভয় দেখানো বা একতরফা ব্যবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের পদক্ষেপ সাংবাদিক সমাজের স্বাধীনতা ও মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত করে বলেও তাদের অভিমত।সংস্কার কমিটির সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান আরও জানান- অতীতের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাধানে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন ভুলে দ্রুততম সময়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র ও জাতি গঠনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার বিকল্প নেই।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে, মো. আরিফ রেওগীর, আলমগীর কবির উজ্জ্বল, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সজিব রাজভর বিপিন, সুমন ভট্টাচার্য্য, এ.জি. জাফর গিফারী, সাদেকুর রহমান, রোকসানা আক্তার, তাসলিমা রত্না, এসকে মিজান, জামাল উদ্দিন, শিউলি রেখা, মোমেনা আক্তার, সেলিম সাজ্জাদ, মাখছুদুল হুদা, মো. আবু হান্নান সরকারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
-

ময়মনসিংহে দিপু হ/ত্যাকান্ডের মুল হো/তা ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রে/প্তার করেছে পুলিশ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহের ভালুকার পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে (২৮) পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই নিয়ে মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৫)। গ্রেফতারকৃত ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ি কড়ইতলা মোড় এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। পেশায় ইমাম ও মাদরাসা শিক্ষক। সে গত প্রায় ১৮ মাস ধরে ভালুকার কাশর এলাকায় শেখবাড়ী মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসায় শিক্ষক।বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডে অন্যান্যদের সঙ্গে ইয়াছিন আরাফাতও নেতৃত্ব দেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং ১২ দিন পলাতক অবস্থায় ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকায় বিভিন্ন মাদরাসায় অবস্থান করেন। আত্মগোপনের অংশ হিসেবে তিনি ‘সুফফা’ নামের একটি মাদরাসায় শিক্ষকতার জন্য যোগদান করেছিলেন—প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন কারখানার গেটে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা এবং অন্যান্য গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে ইয়াছিন আরাফাতের সংশ্লিষ্টতা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার ডিএমপির সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, দিপু হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ১৮ জনকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় দিপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় দিপু পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার ভেতরে অবস্থান করছিলেন। কারখানার সামনে লোকজন জড়ো হলে তাকে চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে দিপুকে কারখানা থেকে বের করা হলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস ভালুকা মডেল থানায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। নিহত দিপু চন্দ্র দাস ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি গত দুই বছর ধরে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
-

পুঠিয়ায় কসমেটিকস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জ/রিমানা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার নয়াপাড়ায় অনুমোদনহীন কসমেটিকস কারখানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।এসময় সাফা কসমেটিকস কারখানা মালিকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ক্রীম ও বডিলোশন উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিনারিজ সামগ্রী জব্দ করা হয়। অনুমোদনহীন এসব কসমেটিকস ব্যবহারে ত্বকে অ্যালার্জি, চুলকানি, ফুসকুড়ি, চর্মরোগ, চোখের ক্ষতি ও দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি হতে পারে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাশ বলেন,উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। # -

গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আ/পোষ করেননি – সোহেল মনজুর সুমন
নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।।
পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বলেছেন, “গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি। তিনি সারা জীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল।”
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেছারাবাদের জগন্নাথকাঠী বন্দর কমিটি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সোহেল মনজুর সুমন বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর সুযোগ্য সন্তান, দেশনায়ক তারেক রহমান বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের আপামর জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ও দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো অপশক্তিই খালেদা জিয়ার স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকার গত ১৭ বছর ধরে জনগণকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছে। ১০ টাকা কেজিতে চাল, ঘরে ঘরে চাকরির মতো অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে মরীচিকার পেছনে ছুটিয়েছে। বিএনপি কখনো মিথ্যা স্বপ্ন দেখায় না—এর প্রমাণ আপনারা অতীত বিএনপি সরকারের আমলেই দেখেছেন।”
বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর ত্যাগ ও আদর্শ আমাদের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।”
দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।আনোয়ার হোসেন ।।
-

র্যাব-১২ এর অভিযানে হ/ত্যা মামলার প্রধান প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র্যাব সফলতার সাথে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
১। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, বাদী মোঃ রেজাউল করিম (৪৩), পিতা-মৃত ময়দান আলী, সাং-সয়াধানগড়া খাঁনপাড়া, থানা-সিরাজগঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ এর ছেলে ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ (১৭), ১নং আসামী মোঃ সাকিনসহ ১১ জন এবং অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম সিরাজগঞ্জ থানাধীন চৌরাস্তায় দশতলা- বিল্ডিং এর পার্শ্বে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী হইতে বাহির হইয়া যায়। একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৩০ – ঘটিকার সময় ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ সহ তার তিন বন্ধু সিরাজগঞ্জ পৌরসভাধীন নাজমুল চত্বর হতে বাহিরগোলাগামী ক্রিয়েটিভ স্কুলের সামনে পাকা রাস্তার উপর সিএনজির ভিতরে বসে ছিল। অতপর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সকল আসামীগণ একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৪০ ঘটিকার সময় হাতে বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু, চাইনিজ কুড়াল, রাম দা, চাপাতি, ছুরি ইত্যাদি নিয়ে ভিকটিমের সামনে আসিয়া ঘিরে ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে ও ০৫ নং আসামী ভিকটিমকে দেখে দিয়ে বলে এটাই রিয়াদ বলার পরে তার হুকুমে ০১ নং আসামীর হাতে থাকা বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারী ভাবে কোপ মারিলে বাম কাধে ও ডান কাধে একাধিক গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ০২ নং আসামীর হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দ্বারা ভিকটিমকে কোপ মারিলে বুকের বাম পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ০৪ ও ০৫ নং আসামীর হাতে থাকা বারমিচ চাইনিজ টিপ চাকু দ্বারা ভিকটিমকে কোপ মারিলে ডান বাহুর উপরের অংশে লাগিয়া রক্তাক্ত জখম করে আসামীরা দ্রæত পালিয়ে যায় ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ রাত্রি ১৯.৩০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদকে মৃত বলিয়া ঘোষনা করে। উক্ত হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-৪০, তারিখ-২৯/১২/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে ব্যপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে র্যাব-১২ ছায়াতদন্ত শুরু করে ও আসামি গ্রেফতারের তৎপর হয়।
২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ০৭ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিঃ, দুপুর ১২.৪০ ঘটিকায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন বিরুলিয়া ইউপিস্থ কালিয়াকৈর সাকিনের আলফা জোন এন্ড কোম্পানী’’ হতে হত্যা মামলার ১নং পলাতক আসামী মোঃ সাকিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
৩। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সাকিন, পিতা- মতি, সাং- ধানবান্ধি থানা-সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা সিরাজগঞ্জ।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।
-

বানারীপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দো/য়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
সাব্বির হোসেন, বানারীপাড়া//
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় চাখার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে চাখার ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এবং বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ কামরুল হাসান স্বপনের সার্বিক সহযোগিতায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ আহমেদ মৃধা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মঞ্জুর খান, সহ-সভাপতি আহসান কবির নান্না হাওলাদার, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবদুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক ও মো. জাহিদুল হক জাহাঙ্গীর।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুমন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মল্লিক, গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফখরুল সিদ্দিকী সম্রাট তালুকদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজ আহমেদ, চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন কাজী, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল হোসেন ও সদস্য সচিব সোহাগ হাওলাদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মোঃ সাব্বির হোসেন।
-

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্র/স্তুতি নিয়ে ভালুকায় ডিসির মতবিনিময়,ভোট কেন্দ্র প/রিদর্শন
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি বিষয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় ইউএনও, থানার ওসিসহ উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজ হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতিত্ব করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান ভালুকা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের সাথে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং গণভোট ২০২৬ আয়োজনের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার আহবান জানান। এসময় তিনি হবিরবাড়ী ইউনিয়ন সোনার বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ক্লাস পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান যাচাই করেন।
তিনি ভালুকা থানা পরিদর্শনে গেলে থানা অফিসার ইনচার্জ তাঁকে পুরো থানা প্রদর্শন করে দেখান এবং বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেবার মান উন্নত রাখার পাশাপাশি জনগণ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি ইকবাল হোসেন,
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামসহ ভালুকা উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।