Category: দেশজুড়ে

  • ঢাকা-১৯ আসনের সাভার- আশুলিয়া ঝুঁ-কিতে একাধিক ভোট কেন্দ্র

    ঢাকা-১৯ আসনের সাভার- আশুলিয়া ঝুঁ-কিতে একাধিক ভোট কেন্দ্র

    হেলাল শেখ: ঢাকা-১৯ আসনের সাভার ও আশুলিয়া এখন রীতিমতো রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। কিশোর গ্যাং ও মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই এলাকার একাধিক ভোটকেন্দ্র চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

    গত এক মাস ধরে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাভারের বিরুলিয়াসহ অন্তত ৫ থেকে ৬টি স্পট এবং আশুলিয়ার ধনাইদ, ইউসুফ মার্কেট, সরকার মার্কেট, জামগড়া গফুর মণ্ডল স্কুল সড়ক, জামগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়ক ও মোল্লা বাজার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সময়ের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি স্থানে গুলিবর্ষণ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে কয়েকজন ব্যক্তিকে।

    এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আজাদ নামের ঝুট ব্যবসায়ী এক যুবককে। এছাড়া মুদি দোকানদার ব্যবসায়ী মান্নানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। সর্বশেষ গত রবিবার মোল্লা বাজার এলাকায় উজ্জ্বল শেখকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা।
    এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাভার-আশুলিয়াজুড়ে চুরি, ছিনতাই, মাদক বেচাকেনা ও সশস্ত্র সন্ত্রাস নিয়মিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটনায়। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ঢাকা-১৯ আসন এলাকায়।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন,“অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধি   ১০ই ফেব্রুয়ারী  সকাল ১০. ঘটিকায় নীলফামারী জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্রিফিং প্যারেডের সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম ।

    ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ডিউটিতে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্সদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন  মহাসিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নীলফামারী,এ,বি,এম ফয়জুল ইসলাম  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), নীলফামারী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। 

    উল্লেখ্য যে, নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনে(ছয়টি উপজেলা) মোট ৫৬২ টি ভোট কেন্দ্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট-২০২৬  অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে  নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৪৪৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে ।

    হামিদার রহমান
    নীলফামারী প্রতিনিধি।।

  • কালীগঞ্জে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তিতে খুদে বিজ্ঞানীকে পুরুস্কার বি-তরণ

    কালীগঞ্জে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তিতে খুদে বিজ্ঞানীকে পুরুস্কার বি-তরণ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলায়  কালীগঞ্জ উপজেলার প্রফিট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সহযোগিতা উপজেলায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী ও খুদে বিজ্ঞানী কয়েকজন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

    উপজেলার বিজ্ঞানসেবী সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সহযোগিতা   বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞানসেবী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ এর সভাপতিত্বে বিজ্ঞান হোক আমাদের চালিকাশক্তি এই প্রতিপাদ্য ও গুরুত্বারোপ করে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জের উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাধন কুমার সাহা দলগ্রাম, দলগ্রাম  দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ জুয়েল আলম পিএফ সংস্থার চেয়ারম্যান মোছাঃ মোতাহারা বেগম পিএফ এর প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম ও মুন্নি বেগম।

     

    জাতীয় পর্যায়ে সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশনের  নির্বাহী পরিচালক জানান যে, আমাদের এ  কার্যক্রম দীর্ঘদিন থেকে উঠান বৈঠক, লিফলেট ক্যাম্পেইন ব্যাপক ভাবে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামীতে আরো ব্যাপক ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন। খুদে বিজ্ঞানী কয়েকজন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

    হাসমত উল্লাহ।।

  • বানারীপাড়ায় সেনাবাহিনীর তল্লাশিতে অ-স্ত্র উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় সেনাবাহিনীর তল্লাশিতে অ-স্ত্র উদ্ধার

    বিশেষ প্রতিনিধি ///

    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারি ইউনিয়ন শ্রমিক দল নেতা ফিরোজ সরদারের ঘর থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।ফিরোজ সরদারের বাড়ি উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নের শিয়ালকাঠি গ্রামে।সেনাবাহিনীর ব্রিফিং থেকে জানাগেছে, ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল ১১.০০ টায় ডিজিএফআই ও এনএসআই এর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুল হাসানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ ফিরোজ সরদারের বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি দেশীয় পিস্তল, দুটি রামদা, একটি চাকু, একটি মটর সাইকেল ও মাদক সেবনের কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে।তবে এ সময় ফিরোজ সরদার বাড়িতে না থাকায় সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। এছাড়াও তারা ইউনিয়নের দত্তপাড়ার আদর্শ গ্রাম, বসুরহাট ও বাইশারিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি হাতুরি ও একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সেনাবাহিনী এমন তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করায় উপজেলার সাধারণ জনগনের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস বিরাজ করছে। তারা জানিয়েছেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে তাদের এমন অভিযান অব্যাহত রাখবেন।

  • মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ম-তবিনিময়

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ম-তবিনিময়

    এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সাজন মিস্ত্রি মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আজ সোমবার রাতে (৯ ফ্রেরুয়ারী২৬)
    মতবিনিময় সভা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের কাছে আশীর্বাদ ও ভোট প্রার্থনা করেন।
    গণসংযোগকালে সাজন মিস্ত্রি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। মোরেলগঞ্জ–শরণখোলার মানুষের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলো আমি খুব কাছ থেকে জানি। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব। মোরেলগঞ্জ–শরণখোলাকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেব।”
    তিনি আরও বলেন, মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীর ওপর “সুন্দরবন” নামে একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পল্লী এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
    এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সাজন মিস্ত্রি মনোযোগ দিয়ে সেসব কথা শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
    গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আক্তারুজ্জামান, সহসভাপতি মো. শিমুল ফকির ও আবুল আলম কাজী, দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী হাং, কেন্দ্রীয় নেতা বাবলু কাজী, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি মো. মাসুদ রেজা ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ফরাজী, চিংড়াখালী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি জিএম দ্বীন মোহাম্মদ টুলুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি এস এম সাইফুল ইসলাম কবির ও রমিজ উদ্দিন শেখ, সাধারণ সম্পাদক সিব সজল যিশু ঢালী, অর্থ সম্পাদক মো. নাজমুল, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ তালুকদার এবং সাংবাদিক আব্দুল জলিল প্রমুখ।
    গণসংযোগে তার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রচারণা চলতে দেখা যায়। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনে এলাকার উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

  • আধুনিক  ময়মনসিংহ সদর গড়ার প্রত্যয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গ-ণমিছিল ও নির্বাচনী সমাবেশ

    আধুনিক ময়মনসিংহ সদর গড়ার প্রত্যয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গ-ণমিছিল ও নির্বাচনী সমাবেশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    আধুনিক,সমৃদ্ধ ও মানবিক ময়মনসিংহ সদর গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত
    ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে এক বিশাল গণমিছিল ও গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন কৃষ্ণচুড়া চত্বর থেকে গণ মিছিলটি নগরীর কৃষ্ণচুড়া চত্বর থেকে মিছিল বের হয়ে গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার, জেলা স্কুল রোড,বাউন্ডারি রোড, নওমহল হয়ে চরপাড়া মোড় হয়ে পাটগুদাম ব্রীজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন প্রধান অতিথি ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির কামরুল আহসান এমরুল।

    এর আগে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে মূল মিছিলে যোগ দিলে পুরো নগরী জনস্রোতে পরিণত হয়।

    গণমিছিল শুরুর আগে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন,বিজয়ী হলে সমৃদ্ধ, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক ও আধুনিক ময়মনসিংহ গড়তে সবাইকে সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সদরের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

    গণজমায়েতে আরও বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় গণমিছিল সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে স্বেচ্ছাসেবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

  • ময়মনসিংহের ১১আসনে১৩৬৫টি ভোট কেন্দ্রের সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের প্র-স্তুতি নিয়েছে প্রশাসন

    ময়মনসিংহের ১১আসনে১৩৬৫টি ভোট কেন্দ্রের সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের প্র-স্তুতি নিয়েছে প্রশাসন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতির বক্তব্যে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ সাইফুর রহমান বলেন- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে গৃহীত সার্বিক প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    সভায় জানানো হয়-ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৩৬৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে তার মাঝে ৫৮৩ ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে ৭৮২টি। অর্থাৎ জেলার প্রায় ৪৩ শতাংশ কেন্দ্রেই বিশেষ নজরদারি ও বাড়তি নিরাপত্তায় রাখা প্রয়োজন। পুলিশ সুপার জানান-প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমনেরও হুঁশিয়ারির কথাও জানান।

    জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, নির্বাচন ও গণভোট জনগণের আস্থার বিষয়। এ আস্থা বজায় রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি নির্বাচনকালীন সময়ে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে শান্তিপুর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাচনী কাজে বিএনসিসির সদস্যরাও সহযোগিতা করবেন বলে তিনি জানান।

    পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

    সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা নির্বাচনকালীন তথ্যপ্রবাহ, সংবাদ সংগ্রহে সহযোগিতা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

    মতবিনিময় সভা শেষে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

    সভায় পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান-নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোরভাবে কাজ করছে পুলিশ।পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহীনী, র্যাব,বিজিবি, গোয়েন্দা বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। আশা করছি কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না,শান্তিপুর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান-নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারবেন। কোনও কেন্দ্রে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোরভাবে দমন করবে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।

    সুত্র মতে যায়, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ত্রিশাল ও ভালুকায়। উভয় উপজেলায় ৭২টি করে কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া সদরে ৬৫টি এবং ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁওয়ের পাগলা থানায় ৫৮টি কেন্দ্রকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অন্য উপজেলার মধ্যে ফুলবাড়িয়ায় ৫০টি, ঈশ্বরগঞ্জে ৪৭টি, নান্দাইলে ৪৩টি এবং গৌরীপুরে ৪২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হালুয়াঘাটের ২০টি, ধোবাউড়ায় ২৫টি, ফুলপুরে ১৯টি, তারাকান্দায় ২৯টি, মুক্তাগাছায় ১৯টি এবং গফরগাঁওয়ে ২২টি কেন্দ্র।

    ময়মনসিংহের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে, ময়মনসিংহ জেলার ১১টি আসনে মোট ভোটার ৪৭ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৪ লাখ ৬ হাজার ৮৯২ জন, নারী ২৩ লাখ ৫৭ হাজার ১৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটারের সংখ্যা ৪১ জন। ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট- ধোবাউড়া) আসনে ৭ জন, ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর- তারাকান্দা) আসনে ৭ জন, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ৫ জন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে ৯ জন, ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে ৫ জন, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে ৫ জন, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে ৬ জন, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে ৪ জন, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে ৬ জন, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ৯ জন ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে ৫ জন প্রার্থী মিলে ৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    ভোটাররা জানান, এই জেলার আসনগুলোতে বিএনপি, ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র ও জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মধ্যে লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ১১টি আসনের মধ্যে ৮টিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হতে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটকেন্দ্র শান্তিপূর্ণ থাকলে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন ভোটররা। এজন্য সবার প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।

  • জাতীয় নির্বাচনের ছুটিতে ভাড়া নৈরাজ্য, আশুলিয়ার বাইপাইলে ঘরমুখো মানুষের চরম ভো-গান্তি

    জাতীয় নির্বাচনের ছুটিতে ভাড়া নৈরাজ্য, আশুলিয়ার বাইপাইলে ঘরমুখো মানুষের চরম ভো-গান্তি

    হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার ঘরমুখো মানুষ। ঢাকার আশুলিয়া বাইপাইল- টাঙ্গাইল মহাসড়কে হঠাৎ করেই দূরপাল্লার পরিবহনের ভাড়া অস্বাভাবিক ভাবে দ্বিগুণ করায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঈদের সময়ের চেয়েও বেশি যাত্রীর সমাগম দেখা যায়। এই সুযোগে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা রংপুর ও দিনাজপুরগামী যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা (১২০০) টাকা নেয়া হচ্ছে।

    বগুড়াগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে, রংপুরের যাত্রীদের কাছ থেকে ১২০০-১৪০০/টাকা নিচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এসব রুটে ভাড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

    ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোনো ধরনের নোটিশ বা সরকারি অনুমোদন নেই। বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়ির পথে রওনা হতে হচ্ছে। একাধিক ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, বিকাশসহ মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সীমাবদ্ধতা থাকায় প্রয়োজনীয় টাকা তুলতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা, যা ভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। “ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ করলে বাসে উঠতেই দিচ্ছে না গাড়ির স্টাফরা, সঙ্গে থাকা টাকাও শেষ হয়ে যাচ্ছে, আবার বিকাশ থেকেও ঠিকমতো টাকা তোলা যাচ্ছে না।” দীর্ঘ সময় বাসের জন্য অপেক্ষা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট সংকটে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

    ভুক্তভোগী যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, নির্বাচনী ছুটিকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। তা নাহলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এমন অনিয়ম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সচেতন মহলও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
    “ভাড়া নৈরাজ্যের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল টিম পাঠিয়েছি। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

  • তানোরে বিএনপির স্ম-রণকালের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী জনসভা

    তানোরে বিএনপির স্ম-রণকালের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী জনসভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারী সোমবার উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনায় ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নানের সভাপতিত্বে গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতিক) মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন,
    বিএনপির মিডিয়া রিসার্চ সেন্টারের প্রধান রাতুল আসাদ,তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা,পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক মমিন,পাঁচন্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান,তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা,সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক অরণ্য কুসুম, ড্যাব নেতা ডাঃ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেকপ্রমুখ।অন্যদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ নৃ-গোষ্ঠী,খৃষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাগণ ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
    এদিকে দুপুর থেকেই নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণায় গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। এই মাঠে এর আগে এতো বড় জনসভা হয়নি। নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে
    কোথাও তিল ধারণের জায়গা ছিলো না।এদিন আশপাশের বাড়ির ছাদ ও গাছের মগডালে বসে অনেক নেতাকর্মীরা প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনেন।
    প্রধান অতিথি বলেন,আমরা নিজেরা দুর্নীতি করব না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয়ও দেব না। সকলের জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে, এখানে কেউ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে।
    তিনি বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি জাতির বাক পরিবর্তন এবং জাতিকে সঠিক পথে উঠানোর নির্বাচন। বহু রক্তের বিনিময়ে আমরা এই নির্বাচন পেয়েছি। তিনি প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও আসাদুজ্জামান আসাদের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন এবং তাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
    তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমরা সমাজের সর্বক্ষেত্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সবার আগে বাংলাদেশ এই বাংলাদেশ হবে নতুন বাংলাদেশ।’ তিনি বলেন, আমরা সেই শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেই শিক্ষাব্যবস্থা লড়াকু একজন সৈনিক তৈরি করবে যে দেশটাকে গড়ে দেবে।
    তিনি বলেন, ‘আমরা সে বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে শিশু, বৃদ্ধ, আবাল বনিতা সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। যে বাংলাদেশে আমার মায়েরা ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে, সমাজ তাদের মর্যাদা দেবে সেই বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাচ্ছি।তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ হবে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।’
    তিনি বলেন, ‘কর্মস্থলে যে সমস্ত মা- বোনেরা কাজ করেন; তাদের জন্য বেবি কেয়ার, ডে কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলা হবে জায়গায় জায়গায়। শিল্প এবং ঘন এলাকায় তাদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।#

  • পাবনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের স-মর্থনে বিশাল গণমিছিল

    পাবনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের স-মর্থনে বিশাল গণমিছিল

    সুজানগর প্রতিনিধি ঃ ৬৯ পাবনা-২ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী কে. এম হেসাব উদ্দিনের সমর্থনে এক বিশাল গণমিছিল ও নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । সোমবার সন্ধ্যায় বের হওয়া মিছিলটি সুজানগর পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় ভবানীপুর মোড় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক কে. এম হেসাব উদ্দিন। এ সময় তিনি ভোটারদের কাছে দঁাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে এবং গণভোটে ‘হঁ্যা’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে হেসাব উদ্দিন বলেন, ‘আমি মিথ্যা আশ্বাস দেবো না। বাস্তবতার ভিত্তিতে ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিনি দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও প্রবঞ্চনা দূর করে জনগণের কাছে সততা ও জবাবদিহিতার রাজনীতি চালু করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। হেসাব উদ্দিন বলেন, তিনি বিজয়ী হলে তঁার পরিবার পরিজন কোনো অনৈতিক কাজ, তদবির বাণিজ্য কিংবা নিয়োগ বাণিজ্যে জড়াবে না। ঘুষ-দুর্নীতিমুক্ত ন্যায়-ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। কারো অন্যায়-হুমকিতে আমরা স্তব্ধ থাকব না জানিয়ে তিনি বলেন সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে সবাই সমঅধিকার পাবেন। তিনি আরও বলনে, আমার প্রতি রয়েছে সুজানগর ও বড়ো উপজলোর গণমানুষের ভালোবাসা। ভালোবাসার মানুষদের ভোটেই হবে ব্যালট বিপ্লব। এ বিপ্লবে ইনশাআল্লাহ জয়ী হবে দঁাড়িপাল্লা। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো চঁাদাবাজি বা অন্যায় শাসনের সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো রেকর্ড নেই। নির্বাচিত হলে সুজানগর ও বড়ো উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। ‘জুলাইযোদ্ধাসহ সব শহীদের আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেয়া যাবে না। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই আসনে নাগরিক সুবিধা, কর্মসংস্থান, শিশু ও স্বাস্থ্য খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনগণের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে নির্বাচনী সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের জামায়াতের নির্বাচন পরিচালক অধ্যাপক রেজাউল করিম, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ফারুক-ই আযম, সেক্রেটারী(ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মকবুল হোসেন, সাবেক শিবির নেতা আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল মমিন প্রমুখ।

    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি।।