Category: দেশজুড়ে

  • পটিয়ায় মোখলেছ ভান্ডার দরবার  শরীফের ওরশ আজ (সোমবার)

    পটিয়ায় মোখলেছ ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ আজ (সোমবার)

    নিজস্ব প্রতিনিধি,পটিয়াঃ
    পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নে হযরত শাহছুফী ছৈয়দ মোখলেছুর রহমান আল মাইজভান্ডারি এর বেলায়েত বার্ষিকী উপলক্ষে মোখলেস ভান্ডার দরবার শরীফে আজ (সোমবার) ওরশ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বাদে ফজর খতমে কোরআন শরীফ, বাদে আছর খতমে গাউছিয়া, বাদে মাগরিব মিলাদ মাহফিল ও বাদে এশা আখেরী মুনাজাত ও পরে তবরুক বিতরন করা হবে।

    মোকলেছুর রহমান মাইজভান্ডারির দরবারের আওলাদ মাস্টার মো: আবদুল গণি মাইজভান্ডারি জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবছর বার্ষিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিতে চান প্রফেসর ড.এ আর খান

    আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিতে চান প্রফেসর ড.এ আর খান

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পুরোনো সব বদনাম কলঙ্ক ধুয়ে-মুছে দেশের সকলের কাছে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে আগামীদিনে দলটির কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে দলের দায়িত্ব নিতে চায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী পর্যটন লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সাবেক সদস্য প্রফেসর এ আর খান।

    তিনি ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের আচারগাঁও গ্রামের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ খানের ছেলে। ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন।

    সম্প্রতি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও আওয়ামী লীগ করার কারণে তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তিনি এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার স্থান দখল করে নেন।

    প্রফেসর ড এ আর খান গত ২০০৪ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। পরবর্তীতে ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী পর্যটন লীগ নামে একটি সংগঠন গঠন করে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সে সময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যার্শী ছিলেন। কিন্তু দল থেকে সে সময় মনোনয়ন পাননি বিশিষ্ট এই পর্যটনবিদ।

    পরে গত ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়ে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও ভোটে দাঁড়াতে পারেননি।

    প্রফেসর এ আর খান নিজেই একটি রাজনৈতিক দল—ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টি গঠন করেন। বর্তমানে তিনি এফডি পার্টির প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন। তবে এখন পর্যন্ত দলটি নিবন্ধন না পাওয়ায় প্রফেসর ড এ আর খান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেন। তাতেও শেষ রক্ষা হলো না তার। আওয়ামী লীগের গন্ধ শরীরে থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার মনোনয়ন পত্রটি অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে দেয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরবর্তীতে আপিল করেও মনোনয়ন পত্রের বৈধতা পাননি প্রফেসর ড.এ আর খান।

    প্রফেসর ড. এ আর খান কখনো অপরাজনীতি করেনি, তিনি মনে করেন রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য কাজ করা, মানব সেবার ব্রত নিয়ে নিয়ে তিনি কাজ করে যেতে চান। তাই তিনি নিজে একটি দল গঠন করেন। তার গঠিত দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পুর্বে নিবন্ধিত না হওয়ায় তিনি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ করার কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়ায় দলটির দায়িত্ব নিয়েই কাজ করতে চান।

    প্রফেসর ড. এ আর খান বলেন, দলটিকে শক্তিশালী সংগঠনে তৈরী করতে আমি দলের দায়িত্ব নিতে চাই তবে এটি দলের সদস্যদের ওপর নির্ভর করছে। যদি দল চায় তিনি (শেখ হাসিনা) নেতৃত্ব দেবেন, তবে তিনিই থাকবেন। কারণ আওয়ামী লীগ পুরোপুরি গণতান্ত্রিক দল। জনগণের দল, কে নেতৃত্ব দেবে, সেটি সম্পূর্ণরূপে দলের সদস্য ও দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করবে।’

    তবে দলের এই দুঃসময়ে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নেওয়াটা জরুরি আর সে লক্ষেই তিনি দলটির দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে চান বলে জানিয়ে তিনি বলেন- তার নেতৃত্ব ও দলের প্রতি আনুগত্য থাকবে প্রশ্নাতীত। তিনি দলের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে কাজ করতে চান, যা দলের সংকটময় মুহূর্তে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সাহায্য করবে।

    তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি এদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, আবেগ, অনুভূতি আর ভালোবাসার এক বহিঃপ্রকাশ। তিনি দলের ঐক্য ও শৃংখলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কুয়াশার চাদরে মোড়া পঞ্চগড়:  শিক্ষা সুপারভাইজার সজীবের স্বপ্নিল ভ্রমণকথা

    কুয়াশার চাদরে মোড়া পঞ্চগড়: শিক্ষা সুপারভাইজার সজীবের স্বপ্নিল ভ্রমণকথা

    বিশেষ প্রতিনিধি ।।

    পঞ্চগড় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি মনোরম জেলা। এখানে প্রকৃতির অবারিত সৌন্দর্য, বিস্তীর্ণ চা বাগান, উর্বর কৃষি জমি এবং শান্ত জীবনযাত্রা মিলিত। পঞ্চগড়ের মানুষদের জীবন সরল, প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে মিশে আছে। এখানকার অর্থনীতি মূলত কৃষি, চা শিল্প এবং পর্যটনের উপর নির্ভরশীল। জেলার তেতুলিয়া থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে ঘিরে আছে পাহাড়, নদী এবং অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য। বাংলাদেশের উত্তরদিকের শেষ জেলা হিসেবে পঞ্চগড় ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক অপরিসীম প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

    আমি, সজীব সাহা, বেসরকারি সংস্থা আশার একজন শিক্ষা সুপারভাইজার, আমার বন্ধু ওমর ফারুক (মার্কেটিং চাকুরীজীবি), রিদয় পাল (ব্যবসায়ী) এবং শামীম ইসলাম (ব্যবসায়ী) সঙ্গে এই মনোরম ভ্রমণে যাই। সবাই প্রকৃতিপ্রেমী এবং ভ্রমণে উৎসুক। যখন ঘুরতে যাওয়ার কথা শুনি, নিজেকে ধরে রাখতে পারি না। পুরো ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিল বন্ধু ওমর ফারুক।

    আমাদের যাত্রা শুরু হয় ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ৯টায় কমলাপুর রেলস্টেশন, ঢাকা থেকে। সবাই শীতের কাপড় নিয়ে প্রস্তুত ছিল। পরের দিন, বুধবার সকাল ৭ টা ৩০ এ আমরা পঞ্চগড় রেলস্টেশনে পৌঁছাই। নামার সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো, যেন বর্ষাকাল চলছে—সারা জায়গা কুয়াশায় ঢাকা। আমরা মাফলার দিয়ে মুখ ঢেকে নিই এবং নাস্তা সেরে অটো ভাড়া করি। যাত্রা শুরু হয় তেতুলিয়া, কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং বাংলাবান্ধার উদ্দেশ্যে। পঞ্চগড়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো—যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো অটো এবং তিন চাকার ভ্যান, কারণ সন্ধ্যা ৬টার পর সিএনজি বন্ধ হয়ে যায়।

    অটো চলতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রকৃত অনুভূতি আসে। আমি জ্যাকেটের উপরে আরেকটি জ্যাকেট পড়েছিলাম। মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে রং চা খেয়ে শরীর গরম করি। পরে পৌঁছাই তেতুলিয়া চা বাগানে, যেখানে রাস্তার বাম পাশে মাত্র ৪–৫ হাত দূরেই ভারতের সীমানা। এরপর যাই শিলিগুড়ি ব্রিজ ভিউ পয়েন্টে, যেখানে মাঝখানে একটি নদী, তারপরই ভারত। কুয়াশায় ঢাকা ব্রিজ যেন এক অন্য জগৎ। আমরা কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্টেও গিয়েছিলাম, কিন্তু কুয়াশার কারণে পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখা হয়নি।

    তেতুলিয়া জেলা বাংলাদেশের উত্তর দিকের শেষ জেলা হলেও, উত্তরবঙ্গের শেষ প্রান্ত হলো বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। তেতুলিয়া থেকে বাংলাবান্ধা প্রায় ১২–১৫ কিমি, শিলিগুড়ি ১৬ কিমি, দার্জিলিং ৭৭ কিমি, গ্যাংটক ১৩৩ কিমি, সিকিম ১৫৪ কিমি, থিম্পু (ভুটান) ২৮৬ কিমি এবং কাঠমুন্ডু (নেপাল) ৪৯৪ কিমি। বাংলাবান্ধায় পৌঁছে আমরা সূর্যের আলো পাই—আহা, শান্তির অনুভূতি! সেখানে বাংলাদেশ থেকে ভারত আসে বড় বড় পাথর বোঝাই ট্রাক, যা ভাঙা হয়ে ব্যবহারযোগ্য করা হয়। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো বাংলাদেশের বিশাল জাতীয় পতাকা উড়ছে, চোখ জুড়িয়ে যায়। পর্যটকদের আনাগোনা এবং মুখরিতা প্রতিটি পর্যটন স্পটে লক্ষ্য করা যায়।

    পঞ্চগড়ের মানুষদের জীবনযাত্রা সরল ও প্রকৃতির সাথে মিশে আছে। তারা মূলত কৃষি, চা শিল্প, এবং পর্যটন নিয়ে নিয়োজিত। তেতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা বাগান এখানকার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানকার মানুষ শান্ত, মনোরম, এবং পর্যটকদের আতিথেয়তায় আন্তরিক। প্রতি বছর অসংখ্য পর্যটক কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। এছাড়া, স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ছোঁয়া চোখে পড়ে—উৎসব, স্থানীয় খাবার (পিঠা, পায়েস) সকলেই উপভোগ করে। পঞ্চগড় এক শান্তি, এক প্রকৃতি, এক অভিজ্ঞতা—যা মনে রাখার মতো।

    লেখা :
    সজীব সাহা
    বেসরকারি সংস্থা আশা
    শিক্ষা সুপারভাইজার,।
    জেলা: কুমিল্লা
    উপজেলা : নাঙ্গলকোট
    ইনস্টিটিউট: ফেনি সরকারি কলেজ
    মাস্টার্স শেষ বর্ষ (২০২২-২০২৩) সেশন।
    হিসাববিজ্ঞান বিভাগ

  • যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে  শীতার্তদের মাঝে বিনামূল্যে কম্বল বিতরন

    যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে বিনামূল্যে কম্বল বিতরন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ও অর্থায়নে অসহায়, দুস্থ শীতার্তদের মাঝে নলছিটিতে বিনামূল্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারী)বিকাল ৪ টায় উপজেলার ৯ নং দপদপিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দপদপিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাফেজি মাদ্রাসার মাঠে এ কম্বল বিতরন করা হয়।
    কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক বরিশাল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজার জনাব মনজ কুমার সেন, আরো উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক বরিশাল শাখার ফাস্ট অফিসার আমিনুল হক,বরিশাল ব্যাংক শাখার অফিসার আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরো উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মুহতামিম হাফেজ মোঃ আবুল কালাম।এ সময় প্রায় ২০০ এতিম ও অসহায় দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়৷

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে অবৈধভাবে ভেকু দিয় মাটি ও বালু উ-ত্তোলনের অপরাধে জ-রিমানা

    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে অবৈধভাবে ভেকু দিয় মাটি ও বালু উ-ত্তোলনের অপরাধে জ-রিমানা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮ জানুয়ারি (রবিবার ) দুপুরে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের গরকোই বিলে অভিযান পরিচালনা করেন রানীশংকৈল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

    এ সময় অভিযান পরিচালনা করেন রানীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবর রহমান ।
    এ সময় অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে ১ জনকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সহায়তা করেন রানীশংকৈল থানা পুলিশ।

    জানা যায়,অবৈধভাবে কৃষিজমি কেটে মাটি ও বালু উত্তোলনের অপরাধে -দুর্লভপুর গ্রামের পাহুলান হোসেনের ছেলে উমের আলীকে এ অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
    সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবর রহমান জানান– কৃষিজমি কেটে মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে উমের আলী নামের এক ব্যক্তিকে ৮০,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

  • আলো–ছায়ার মেলবন্ধনে চট্টগ্রামের রাত, প্রবর্তকের নগরজীবনের নান্দনিক রূপ

    আলো–ছায়ার মেলবন্ধনে চট্টগ্রামের রাত, প্রবর্তকের নগরজীবনের নান্দনিক রূপ

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

    আলো–ছায়ার নান্দনিকতায় ভিন্ন এক রূপে ধরা দেয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। রাত নামলেই ব্যস্ত নগরজীবনের কোলাহলের মাঝেও ফুটে ওঠে শহরের নিজস্ব সৌন্দর্য। ছবিতে দেখা যাচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রবর্তক মোড়—যা রাতের আলোয় হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।

    প্রবর্তক মোড় সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঐতিহ্যবাহী ইসকন মন্দির, শ্রী শ্রী মহাশ্মশান গোলপাহাড় কালী মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি ধর্মীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এসব স্থাপনার আশপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন, রেস্টুরেন্ট, শপিং আউটলেট ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা রাতের বেলায় আলোয় ঝলমল করে উঠে।

    রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি, রিকশা ও পথচারীদের ব্যস্ততা জানান দেয়—এই নগরী কখনো ঘুমায় না। সড়কবাতির আলো, দোকানপাটের ঝলমলে সাইনবোর্ড আর ভবনগুলোর আলোকসজ্জা মিলিয়ে সৃষ্টি হয় এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। কর্মব্যস্ত মানুষ দিনের ক্লান্তি ঝেড়ে রাতে বেরিয়ে পড়েন প্রয়োজন ও বিনোদনের খোঁজে।

    নগরবাসীর মতে, চট্টগ্রামের রাত মানেই নিরাপত্তা, গতিশীলতা আর সৌন্দর্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ। বিশেষ করে প্রবর্তক এলাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাতের এই দৃশ্য নতুন প্রজন্মের কাছে শহরের প্রতি ভালোবাসা আরও বাড়িয়ে তোলে।

    আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের সহাবস্থানে চট্টগ্রামের রাত তাই শুধু সময়ের পরিক্রমা নয়—এ এক জীবন্ত নগরচিত্র, যেখানে আলোয় আঁকা হয় শহরের গল্প।

  • সলঙ্গায় ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনে বি-দ্যুৎস্পর্শে দিনমজুরের মৃ-ত্যু

    সলঙ্গায় ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনে বি-দ্যুৎস্পর্শে দিনমজুরের মৃ-ত্যু

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিদ্যুৎ সংযোগের একটি ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রেজাউল করিম (৩০) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বে অবহেলা ও খাম খেয়ালিপনার কারণে একটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ায় সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুত অফিস সংশ্লিষ্টদের এমন ঘটনা ধামাচাপা ও তাদের এহেন কর্মকাণ্ড নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে সলঙ্গা ইউনিয়নের চৌবিলা গ্রামের মাঠে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রেজাউল করিম চড়িয়া উজির শাওপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী শেখের ছেলে।তিনি দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দিন মজুর,বিদ্যুৎ লাইনে গাছ কাটা,অফিস ঝাড়ু ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও লেবারের কাজ করে আসছিল।
    স্থানীয়রা জানায়,রোববার সকালে পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান আতিকের সঙ্গে লেবার হিসেবে রেজাউল করিম চৌবিলা উত্তরপাড়া মাছিডাঙ্গা বিলের মধ্যে ইরিগেশনে একটি শ্যালো মোটরের
    ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের কাজে যায়। সেখানে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইনম্যান আতিক বিদ্যুতের খুঁটিতে না ওঠে সহযোগী দিমজুর রেজাউলকে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠিয়ে দেয়।
    কাজ শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে বলে আতিক জানায়।তবে দুর্ভাগ্যবশত: লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকায় রেজাউল করিম উক্ত পোলে উঠলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এমন দুর্ঘটনার পর আতিক দ্রুত বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খুঁটি থেকে রেজাউল করিমের নিথর লাশ নামানো হয়।
    এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সলঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের (ভারপ্রাপ্ত) এজিএম জিলাল এর সাথে একাধীক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।বিকেলে সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস গিয়েও অফিস বন্ধ পাওয়া যায়। জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার,(ভারপ্রাপ্ত) এজিএম জিলাল হোসেনের মুঠোফোনে সন্ধ্যার পর আবারো যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে ব্যস্ত আছি পরে কথা বলবো বলেই ফোন কেটে দেন।
    সলঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ নন্দী জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করেছেন।এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছেন এজিএম জিলাল হোসেন।মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।একজন পরিচ্ছন্নকর্মী,গাছ কাটা শ্রমিক,দিনমজুরকে কীভাবে ট্রান্সফরমার স্থাপনের কাজে বিদ্যুতের পোলে উঠিয়ে দেয়া হলো?কে দিবে এই তাজা প্রাণের বিচার?সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুতের রয়েছে এমন অনেক অনিয়ম,দুর্নীতি,কাজে ফাঁকি ও অবহেলার অভিযোগ।মৃত ব্যক্তির পরিবারকে পল্লী বিদ্যুত অফিসে চাকরির আশ্বাস ও অর্থের বিনিময়ে এমন ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

  • শাজাহানপুরে  শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

    শাজাহানপুরে শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে ফুলকোট নিউ স্টার ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩ ঘটিকায় উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট নবোদয় কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে । আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ চঞ্চলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মাশফিকুর রহমান মামুন, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমরুল ইউনিয়ন ছাএদলের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ পায়েল, বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য সাংবাদিক সরকার মুক্তা, শাজাহানপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ইবনে সাউদ, সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাএদল বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখার সদস্য সচিব হোসেন সোহাগ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক শামিম আহম্মেদ,খেলার আয়োজন ও সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন আজিজুল হাকিম নয়ন,রহেদ আলী, আবু সাইদ সহ ফুলকোট নিউ স্টার ক্লাবের সকল সদস্য বৃন্দ । খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হওয়াই ট্রাইবেকারে বামনদীঘি একাদশ কে ০৪-০৫ গোলে হারিয়ে ফুলকোট ইয়াং ষ্টার ক্লাব চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
    বিজয়ী দল কে পুরষ্কার হিসাবে ২টি রাজহাঁস এবং পরাজিত দলকে ১টি রাজহাঁস উপহার প্রদান করা হয় । খেলাটি উপভোগ করতে ফুলকোট গ্রাম সহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক লোকজন উপস্থিত ছিলেন ।

  • গোলপাহাড় মহাশ্মশান  কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত

    গোলপাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা , চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার ঐতিহ্যবাহী গোলপাহাড় শ্রী শ্রী মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনভর নানা ধর্মীয় আয়োজন ও ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল মুখরিত।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ২০২৬ রটন্তী অমাবস্যা উপলক্ষে এ পূজার আয়োজন করা হয়।
    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পূজার আনুষ্ঠানিকতায় তন্ত্রধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পণ্ডিত শ্রী পরিমল ভট্টাচার্য ও পণ্ডিত শ্রী সুমন কান্তি চক্রবর্তী। তাঁদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ পূজা, অর্চনা ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পন্ন হয়।

    পূজা উপলক্ষে দুপুরে ধর্মীয় ভজন ও ভক্তিমূলক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়, যা উপস্থিত ভক্ত ও দর্শকদের মধ্যে আধ্যাত্মিক অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ভজন-সঙ্গীতের মাধ্যমে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণ ভক্তিময় পরিবেশে পরিণত হয়।

    এছাড়া ভক্তদের জন্য দুপুর ও রাতে প্রসাদ অন্ন বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির তথ্যমতে, এদিন প্রায় ৩০ হাজার ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। সুশৃঙ্খলভাবে প্রসাদ বিতরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক ও আয়োজকরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

    আয়োজকরা জানান, রটন্তী অমাবস্যা পূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এদিন মা কালীর আরাধনার মাধ্যমে ভক্তরা শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করেন।

    উল্লেখ্য, গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা পরিষদ এ পূজার সার্বিক আয়োজন করে। আয়োজকরা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • সুজানগরে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার স্মরণে শো-কসভা  ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার স্মরণে শো-কসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পাবনা-সুজানগর রোডে চলাচলকারী সুজানগর সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে শোকসভা ও খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । এতে উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, সুজানগর উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আওয়াল, সাবেক যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম টুটুল,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ইকরাম হোসেন মধু,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক কামাল হোসেন,সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হোসেন শান্ত, সুজানগর পৌর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দ্বীন ইসলাম, সুজানগর সিএনজি মালিক সমিতির মো.বঁাকী, রুবেল, বিল্লাল, মাসুম, রুহুল, ইকবাল, মাসুদ, ইমদাদুল, শামীমসহ এলাকার সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও সততা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে দোয়া মাহফিলের পূর্বে বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তার অকৃত্রিম দেশপ্রেম এবং সততা আমাদের সকলের জন্য আদর্শ ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক।