Category: দেশজুড়ে

  • পলাশবাড়ীতে বিএনপি নেতা শফিউল আলম ব্রেইন স্ট্রোক সহ স্ত্রী ছেলে জটিল রোগে আ-ক্রান্ত

    পলাশবাড়ীতে বিএনপি নেতা শফিউল আলম ব্রেইন স্ট্রোক সহ স্ত্রী ছেলে জটিল রোগে আ-ক্রান্ত

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের গিরিধারীপুর গ্রামের চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুর রশিদ প্রামাণিকের ছেলে সাবেক বিএনপি নেতা গ্রীল মিস্ত্রি শফিউল আলম প্রামাণিক (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে এখন চিকিৎসাধীন আছেন। তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৪) কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনিও চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃতীয় ছেলে জাকারিয়া প্রামাণিক আবিদ এর বিগত ২০১৪ সালে ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লে জমা জমি বিক্রি ও আত্মীয় স্বজনদের নিকট ধার দেনা করে ৪৩ লক্ষ টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা নিয়ে সে এখন মোটামুটি সুস্থ। বর্তমানে সে কম্পিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলেও সেও মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ছোট ছেলে জুবায়ের প্রামাণিক আবিদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিষয়ে অনার্সে অধ্যায়নরত।
    বড় দু মেয়েকে অনেক আগেই বিবাহ দিয়েছেন।
    বর্তমানে ৪ সন্তানের জনক জননী শফিউল আলম ও জাহানারা দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে এখন প্রায় নিঃস্ব হয়ে ভবিষ্যতের চিন্তায় চোখ শর্ষের ফুল দেখছেন।

    সরেজমিনে প্রকাশ,শফিউল আলম বিগত সময় পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হাদী’র হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন এবং সে সময় তিনি (শফিউল আলম) বিএনপির শ্রমিক দলের ১নং যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করন। পাশাপাশি তিনি গ্রিলের গ্রিল মিস্ত্রি) কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। দলের প্রতি মায়া মোহাব্বত ও ভালোবাসা অটুট থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি কোনো কর্মসূচীতে যেতে না পারলেও তাদের দলের জন্য ত্যাগ ও ভালোবাসা আমৃত্যু পর্যন্ত থাকবে বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

    এ বিএনপি নেতা শফিউল আলম বিগত ২০১৮,২০০০ ও ২০২৩ সালে পরপর তিনবার ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অসুস্থতার পর তাকে রংপুর নেয়া হলে কিছুটা সুস্থ হন তবে তার চলন শক্তি ও কথা বলা অস্পষ্ট (প্যারালাইসিস) হয়ে যায়।

    বর্তমানে তিনি ডা. খন্দকার আতাউর রহমান এমবিবিএস,এমডি (নিউরোলজি,নার্ভ,ব্রেইন স্ট্রোক,প্যারালাইসিস,মাথা ব্যথা,শরীর ব্যথা,খিচুনি রোগ),নিউরোলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান,নিউরোলজি বিভাগ প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রংপুর এর চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে তার প্রচুর অর্থ ব্যায় হয়।

    এর আগে তার তৃতীয় ছেলে জাকারিয়া প্রামাণিক এর বিগত ২০১৪ সালে ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লে জমা জমি বিক্রি ও আত্মীয় স্বজনদের নিকট ধার দেনা করে ৪৩ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে সে সুস্থতা লাভ করলেও মাঝে মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    এরপর তার স্ত্রী জাহানারা বেগম ২৩ সালে দুটি কিডনি ড্যামেজ হলে তার চিকিৎসা ব্যায় হয় মোটা অংকের টাকা। বর্তমানে তারও চিকিৎসা চলমান।

    বর্তমানে সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি শফিউল আলম এ বিএনপি পরিবারটির এতো এতো চিকিৎসা ব্যয়ে এখন তারা নিঃস্ব প্রায়। শফিউল আলম ও জাহানারা দম্পতি কোনো কূল কিনারা না পেয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

    তাদের সুস্থতা ফিরে পাওয়ার জন্য তারা দেশবাসী সহ সবার দোয়া কামনা ও উন্নত চিকিৎসা এবং অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর সরাসরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
    (বিকাশ নাম্বার ০১৭৯৭-৩৬৩৭৯১) শফিউল আলম ও জনতা ব্যাংক পলাশবাড়ী শাখা হিসাব নং 0100218269677 ( জাহানারা বেগম) এ নাম্বারে অর্থ পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।।

  • সিরাজগঞ্জ-৩ জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী সাধারণ ভোটারদের

    সিরাজগঞ্জ-৩ জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী সাধারণ ভোটারদের

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ,তাড়াশ- সলঙ্গা) আসনে ভোটের মাঠ যেন হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ।
    জামায়াতে ইসলামীর দীর্ঘদিনের পরিচিত প্রার্থী বাদ দিয়ে হঠ্যাৎ করে অচেনা মুখকে জোট প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পর ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ,অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ। সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে চারটি আসন জামায়াতকে দেয়া হলেও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে।জোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরপরই এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় আলোচনা–সমালোচনা।
    এই আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতি আব্দুর রউফের নাম ঘোষণা করা হয়। অথচ এর আগে মাঠে সক্রিয় ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর শায়েখ আলহাজ্ব  ড. আব্দুস সামাদ। তাঁর নাম জোটের তালিকা থেকে বাদ পড়ায় জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য,জামায়াতের নিজস্ব পরিচিত প্রার্থী থাকলে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হতো। কিন্তু জোটের অচেনা প্রার্থী নিয়ে ভোটের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে গেছে।
    রায়গঞ্জ উপজেলার একাধিক ভোটার জানান,শক্ত ও পরিচিত প্রার্থী থাকলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে। তাঁদের মতে,জামায়াত ও বিএনপি—দু’পক্ষই মাঠে সক্রিয় থাকলে ভোটারদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রতিযোগিতামূলক আবস্থা অনুপস্থিত। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের ভাষ্য,ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে শুধু দল নয়, প্রার্থীর স্থানীয় পরিচিতি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার মানুষের সঙ্গে যাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকে,উন্নয়ন ও সমস্যার সমাধানে তাঁদের কাছ থেকেই বেশি প্রত্যাশা করা যায়।
    উপজেলা ও ইউনিয়ন জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক জানান, ড. আব্দুস সামাদ ছিলেন,এ আসনে দলের সবচেয়ে শক্ত ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী। তাঁর পরিবর্তে ভিন্ন দলের প্রার্থী দেয়ায় জামায়াতের তৃণমূলে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, জোটের প্রার্থী তালিকা পুনর্বিবেচনা করা হলে ভোটের সমীকরণ ভিন্ন হতে পারত।তারা আরও বলেন,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর নাম ঘোষণার পরই অনেক এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে,জোট প্রার্থী মাঠে তেমন শক্ত অবস্থানে নেই,তারা নির্দ্বিধায় পাশ করে যাচ্ছে।জামায়াত সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর স্থানীয় সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল এবং অনেক ওয়ার্ডেই কার্যকর কমিটি নেই। ফলে ভোটারদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা সীমিত এবং এ কারণেই নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় ব্যবধান তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
    তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ ভিন্ন কথা বলছেন।তাঁদের দাবি,দলের প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে কর্মী ও সমর্থকেরা সক্রিয় রয়েছেন। ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।অন্যদিকে,বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ভিপি আয়নুল হককে। তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সর্বদা মাঠে সক্রিয় থেকেছেন।
    দলীয় নেতা-কর্মীদের ধারণা,একজন ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ভিপি আয়নুল হক ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করবেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।
    বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক ও বা্ংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুল ইসলামের কাছে সিরাজগঞ্জ- ৩ আসনে জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী করছেন সাধারণ ভোটাররা।ভোটারদের দাবি,সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,কেন্দ্রীয় জাময়াতের হঠকারী সিদ্ধান্তে আমরা সীমাহীন দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি, একথা বলতে গিয়েও আমাদের হৃদয় কাঁপছে। আপনারা অবগত আছেন,সিরাজগঞ্জ- ৩ আসনটি সুষ্ঠ নির্বাচনে ধারাবাহিক ভাবে ধানের শীষের বাইরে এখানে কখনই কেউ বিজয়ী হতে পারেনি। এই বাস্তবতার কারনেই এই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুগের পর যুগ সীমাহীন জুলুম,নির্যাতন ও ত্যাগ শিকার করে এসেছে। ভোটারদের আকুতি দুই শীর্ষনেতার সামান্য ভূল বোঝা বুঝি করে এ আসনটি পরাজয়ের পথ তৈরি করে দিবেন না। জামায়াতের যে প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন,তিনি ইনশাল্লাহ বিজয়ী হবেন -এ বিশ্বাস এই রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গাবাসীর।ভোটাররা আগাধ শ্রদ্ধা রেখেই বলছেন,দয়া করে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে তৃণমূল জামায়াত নেতাকর্মীদের কান্নার জবাব দিন। রিক্সা মার্কার এমন অপরিচিত মুখ,প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আশা ও অশ্রুকে সম্মান করুন। আর নির্বাচনী এলাকায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরিবেশ তৈরি করুন।

  • দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক

    দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক

    জাকিরুল ইসলাম (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিজুল দারুল হুদা কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক ও কামিল হাদীস বিভাগের প্রধান মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক এবার দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কক্ষে বিশেষ গুরুত্বসহ পাঠদানের জন্য এবার জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষে তাঁকে দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়। তিনি ইতিপূর্বে ২০০৪ ও ২০০৮ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ত্রৈমাসিক গবেষণা পত্রিকা, মাসিক জনপ্রিয় জার্নাল প্রেরণা, গবেষণা জার্নাল ছাত্র সংবাদ, গবেষণা ম্যাগাজিন দ্বিমাসিক মাদরাসা, জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সীরাতুন্নবী ম্যাগাজিন ও সাপ্তাহিক সোনার বাংলা সীরাতুন্নবী ম্যাগাজিনে তাঁর শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ ও সমসাময়িক কলাম প্রকাশিত হয়েছে এবং তাঁর একটি গবেষণা গ্রন্থ ২০২৬ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি বই মেলায় প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। তার এই সাফল্যে শিক্ষক, সাংবাদিক ও সূধিমন্ডলী তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    দিনাজপুর, প্রতিনিধি।

  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ‎কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    ‎শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‎সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরকারি গৌরনদী কলেজের শহীদ মিনারে সকাল ১১টায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
    ‎‎অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে শিশু ও কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ছিল— স্বাধীনতা, দেশপ্রেম, জাতীয় প্রতীক, গ্রামবাংলা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ। ‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য এম জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তার সততা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস। আজকের এই শিশুরাই একদিন রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে তাদের মাঝে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত জরুরি।”‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জুলফিকার, সাবেক সভাপতি মো. গিয়াসউদ্দিন মিয়া, খন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক সোলায়মান তুহিন, এসএম মোশারফে, উত্তম কুমার, নাসির উদ্দীন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল গমস্তা, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তানিমসহ আরও অনেকে। ‎এছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার আদর্শ তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক। ‎অনুষ্ঠানের শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

    ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।

    গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ কে সামনে রেখে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে ময়মনসিংহে ভোটের গাড়ির প্রচারণার গান ও ভিডিও ডিসপ্লের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটের গাড়ির সুপার ক্যারাভ্যান দিয়ে ময়মনসিংহে ভিডিও প্রদর্শনী ও অবহিতকরণ সভার প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সাথে গণভোটে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ভোটারদের ভোটদানে উদ্বুদ্ধকরণ ও আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে ময়মনসিংহের পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট মাঠে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

    এসময় গণভোট বিষয়ে ভোটের গাড়ির মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সারাদেশ জুড়ে চলমান রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ভোটের গাড়ির উদ্দেশ্য হচ্ছে গণভোট ও সংসদীয় ভোট বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টি। বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর এদেশে সকল মানুষের অধিকার যেন সমুন্নত থাকে, একতাবদ্ধ একটি জাতি প্রতিষ্ঠা করা যেন সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই গণভোট-২০২৬। দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে আর যেন কেউ ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে, জনগণের অধিকার হরণ না করতে পারে, সেজন্য দেশের জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণ করতে হবে। নাগরিক অধিকার ও কাঙ্খিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবাই যেন গণভোটে নিজের ভোটটি প্রদান করি। সংবিধানের পরিপূর্ণ রূপ দিতে সবাই যেন একতাবদ্ধ থাকি।

    জেলা প্রশাসন ময়মনসিংহের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা তথ্য অফিস ময়মনসিংহের সম্বন্বয়ে আয়োজিত উক্ত
    গণভোট-২০২৬ বিষয়ে সচেতনতায় সংগীত ও ডিসপ্লে প্রচারণা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন
    জেলা তথ্য অফিস ময়মনসিংহের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহাম্মদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপীসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, মিডিয়াকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গরা।

  • গণভোটই গণতন্ত্রের গ্যারান্টি—ঝালকাঠিতে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    গণভোটই গণতন্ত্রের গ্যারান্টি—ঝালকাঠিতে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে এবং তা নিয়ে আর প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ থাকবে না।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি শিশু পার্কে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফরিদা আখতার বলেন,আগামীতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসনের জন্ম না হয় সে লক্ষ্যেই গণভোট। পরিবর্তনের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করবে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা রাজনৈতিক দলগুলিই এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ফলে সনদ বাস্তবায়নের দায়ভার তাদের কাঁধেই বর্তায়। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

    উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ঝালকাঠির শহীদ ওসমান হাদীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ঝালকাঠির গর্বের সন্তান শহীদ ওসমান হাদী নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাঁর স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে হলে এবারের নির্বাচনকে অবশ্যই সুন্দর ও নিরপেক্ষ করতে হবে।

    সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন কবির, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন এবং জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আলম হোসেন।

    সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ইমাম, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন এই গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণমূলক সুধী সমাবেশের আয়োজন করে।

  • রামগড়ে প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

    রামগড়ে প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

    রামগড় প্রতিনিধি।।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে মাষ্টারপাড়া শিল্পী কমিউনিটি সেন্টারে রামগড় প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য মুছা আহমেদের সঞ্চালনায় ও সদস্য সচিব মোঃ ফয়েজ আহম্মদ এর স্বাগত ব্যক্তব্যের মাধ্যমে দোয়া মাহফিল অনু্ষ্ঠিত হয়।

    শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দোয়া মাহফিল শুরু করা হয়।

    দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

    তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার রাজনৈতিক জীবন দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক। তার নেতৃত্ব ও ত্যাগ বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”

    রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন বলেন, “দেশের ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।”

    এছাড়া উপস্হিত থেকে বক্তব্য রাখেন,রামগড় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ ভূঁইয়া এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত উল্ল্যাহ্,প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আব্দুল কুদ্দুস।
    বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশবাসীর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করেন।

    দোয়া মাহফিলে রামগড় প্রবীণ উপদেষ্টা কমিটির সকল নেতৃবৃন্দসহ, বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
    উল্লেখ্য, রামগড় প্রবীণ বিএনপি উপদেষ্টা কমিটির আয়োজনে এর আগে ১নং রামগড় সদর ইউনিয়ন ও ২নং পাতাছড়া ইউনিয়ন এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • পুন:তফসিল জারির প্রেক্ষিতে  পাবনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর পুনরায় মনোনয়নপত্র দাখিল

    পুন:তফসিল জারির প্রেক্ষিতে পাবনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর পুনরায় মনোনয়নপত্র দাখিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : ঃ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পুন:তফসিল জারির প্রেক্ষিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কে এম হেসাব উদ্দিন পুনরায় মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
    রবিবার(১৮ জানুয়ারী) মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর নিকট তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ফারুক- ই আজম,বেড়া উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আবুল বাশার ও সুজানগর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক উপস্থিত ছিলেন।
    মনোনয়ন ফরম জমাদান শেষে সাংবাদিকদের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন জানান, আমরা আশাকরছি আগামী নির্বাচন উৎসবমূখর পরিবেশে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ । দীর্ঘদিন পরে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা ২ আসন থেকে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করতে ভোটারের তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করবেন ইনশআল্লাহ। এ সময় বেড়া উপজেলা জামায়াত নেতা মকছেদ আলম,সুজানগর উপজেলা জামায়াত নেতা জামশেদ আলম টিপু, রায়হান উদ্দিন, সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াত নেতা ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, রাফি আহমেদ ফুল,শহীদুর রহমান, সাবেক ছাত্র শিবির নেতা আবুল কালাম আজাদ সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি।।

  • পুনরায় পাবনা-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন   বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব

    পুনরায় পাবনা-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পুন:তফসিল জারির প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব পুনরায় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। রবিবার (১৮ জানুয়ারী) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের নিকট সেলিম রেজা হাবিব মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাগর আহমেদ, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম ও বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়ন পত্র দাখিল শেষে অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। ধানের শীষ ছাড়া অন্য কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন এবং সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজি নির্মূলে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডল, সুজানগর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল,সাবেক যুবনেতা আরিফুল ইসলাম টুটুল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা এরশাদ, এস এম আফতাব,শেখ রুবেল, সংগ্রাম,আব্দুস সবুর জয়, সহ সুজানগর ও বেড়া উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • বিএনপি ক্ষ-মতায় আসলে ৪ কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে…  মনিরুল হাসান বাপ্পী

    বিএনপি ক্ষ-মতায় আসলে ৪ কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে… মনিরুল হাসান বাপ্পী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা) ।।

    খুলনা – ৬ ( পাইকগাছা- কয়রা) আসনের বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার জন্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রতিটি মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যা এবং চাওয়া পাওয়ার কথা শুনেছি। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মানে বিএনপির মহা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তাদের কাছে তুলে ধরেছি, মানুষ বিএনপির পরিকল্পনা সাদরে গ্রহণ করে যেভাবে সাড়া দিয়েছে এবং সমর্থন করছে তাতে নির্বাচনে ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে আশা করছি। মনিরুল হাসান বাপ্পী ১৮ জানুয়ারি রোববার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এ-সব কথা বলেন। তিনি বলেন এলাকায় ভোটের উৎসব শুরু হয়েছে, মানুষ ১৭ বছর পর ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাপ্পী বলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। ওই দলের যারা দেশ এবং মানুষের সাথে অন্যায় করেছে আইনগত ভাবে তাদের বিচার হবে। তবে যারা নিরপরাধ কিংবা নিরীহ তাদের ব্যাপারে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। তাদের কে কেউ হয়রানি করবে না। বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা পছন্দ হলে তারা চাইলে বিএনপিকে ভোট দিতে পারবে। এতে আমাদের কোন আপত্তি থাকবে না। মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের কোন এলাকা অবহেলিত থাকবে না, প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন ৪ কোটি মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবে, প্রতিটি এলাকায় মিনি হাসপাতাল করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। খাল ও নদ নদী খনন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষা কে উপযোগী করে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হবে। মানুষ স্বাধীন ভাবে কথা বলবে এবং গণমাধ্যম স্বাধীন ভাবে কাজ করবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন প্রশাসন এখনো নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে তবে একটি গোষ্ঠী ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ ও প্রশাসন কে ব্যবহার করে দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ কে হয়রানি করছে। এব্যাপারে প্রশাসন কে সতর্কতার সাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি। প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট এফএমএ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এসএম ইমদাদুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মজিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামুল হক, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন এ আর খান, বিএনপি নেতা তুষার কান্তি মন্ডল, সেলিম রেজা লাকি, মোস্তফা মোড়ল, শেখ রুহুল কুদ্দুস, অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন সুমন ও ছাত্র নেতা রাশেদুজ্জামান। সভায় প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা,খুলনা