Category: দেশজুড়ে

  • সভাপতি রানা সম্পাদক মিলন পীরগঞ্জে সুজনের কমিটি গঠন

    সভাপতি রানা সম্পাদক মিলন পীরগঞ্জে সুজনের কমিটি গঠন

    পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক এর কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    বুধবার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাকক্ষে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও যায়যায়দিন প্রতিনিধি নসরতে খোদা রানা কে সভাপতি ও শিক্ষক মোকাদ্দেস হায়াত মিলন কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
    সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফাতেমা তু ছোগড়া, জেলা কো-অডিনেটর হাসান বাপ্পী, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, শিক্ষক মোকাদ্দেস হায়াত মিলন, নাট্যকার গৌতম দাস বাবলু, সাংস্কৃতিক কর্মি জিয়াউল্লাহ রিমু, প্রথম আলো সাংবাদিক আমিনুর রহমান হৃদয়, উদীচী সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ সিহাব, কম্পিউটার ব্যবসায়ী নুরুন নবী রানা, ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান লিমন, ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন লিটন, ওধুষ ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবী কর্মি তাবসসুম শিমু, গণমাধ্যম কর্মি বাদল হোসেন, মনসুর আহম্মেদ, লাতিফুর রহমান, সাইদুর রহমান মানিক, মামুনুর রশীদ মিন্টু, মুজিবুর রহমান, ফাইদুল ইসলাম প্রমূখ।

  • নির্বাচনে দুই জেলায় ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ১০ অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন

    নির্বাচনে দুই জেলায় ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ১০ অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার ১০টি উপজেলায় ১৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসব এলাকায় ১০টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে ব্যাটালিয়ন সদরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিফুল আলম।প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে বিজিবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী একটিসহ অন্যান্য উপজেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বিজিবি। আগামী ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনী দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েনের পর দুই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৫৫টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তফসিল ঘোষণার পর গত ১১ ডিসেম্বর থেকেই নির্বাচনী এলাকার অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য রেকি সম্পন্ন করেছে ৫৮ বিজিবি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জনসচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার কাজও চলমান রয়েছে।ব্রিফিংয়ে বিজিবির আভিযানিক সাফল্যের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ২০২৫ সালে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ৪১ জন আসামিসহ প্রায় ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রয়েছে।

    এছাড়া একই বছরে মাদক বিরোধী অভিযানে ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের অধীন ৭টি ব্যাটালিয়ন ১৮ জেলার ১০৮ উপজেলায় ৯৩টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে প্রায় ১৮৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করবে। সারা দেশে নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন চলাকালীন যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার ও সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমান।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে দল থেকে ব-হিষ্কার

    নড়াইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে দল থেকে ব-হিষ্কার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য নড়াইল জেলা বিএনপির সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
    উল্লেখ্য, নড়াইল-২ আসনে গত (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর ঠিক ২০ দিন পর (২৪ ডিসেম্বর) মো. মনিরুল ইসলামের জায়গায় ড.ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়।
    এদিকে দলীয় মনোনয় হারিয়ে নড়াইল-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন মনিরুল ইসলাম। পরে নির্ধারিত দিনে যাচাই-বাছাই শেষে নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতিক বরাদ্দ পান তিনি।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভা-ঙচুর করছে শতাধিক মু-খোশধারী স-ন্ত্রাসীরা

    আশুলিয়ার জামগড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভা-ঙচুর করছে শতাধিক মু-খোশধারী স-ন্ত্রাসীরা

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া গফুর মন্ডল রোড (উত্তর পাড়ায়) শতাধিক মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাঙচুরসহ লুটপাটের ঘটনা ঘটিছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    গত বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকালে ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ময়লার গাড়ির মালিক বাচ্চু মিয়া ও আলমগীর হোসেনের মধ্যে ২২ হাজার টাকা লেনদেন ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পূর্ব শত্রুতায় প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে ভাড়াটে গুন্ডা বাহিনী শতাধিক কিশোর গ্যাং ও মুখোশধারী সন্ত্রাসী দিয়ে পরিকল্পিতভাবে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এ ঘটনার পর বিএনপি নেতা হাজী খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) শাহজালাল বলেন,“হামলার সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ বা মামলা করলে দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

    হামলার শিকার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (দুলাল ভান্ডারী) জানান,“আমার কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। আমি খন্দকার সুপার মার্কেটে ব্যবসা করি। বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন ও ফারুক গংদের সঙ্গে আলমগীর হোসেন গংদের কী নিয়ে বিরোধ, তাও আমি জানি না। অথচ তাদের লোকজন শতাধিক মুখোশধারী সন্ত্রাসী আমার দোকানে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর লুটপাট করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই এবং প্রয়োজনে মামলা করবো।”

    অন্যদিকে আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
    “আমার ওপরও হামলা করেছে, মাথায় আঘাত পেয়েছি। চিকিৎসা শেষে আমি ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।”

    ময়লা ব্যবসায়ী মোঃ বাচ্চু মিয়া বলেন,“এলাকায় চাঁদাবাজদের চাপে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ারা অতিষ্ঠ। আগে ময়লার বিল রুমপ্রতি ২০-৩০ টাকা নেওয়া হতো, এখন ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিটি ময়লার গাড়ি থেকে ১০ হাজার, ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করা হয়, চাঁদা দিয়েই ময়লা অপসারণ করতে হয়। বর্তমানে ২২ হাজার টাকা নিয়ে আলমগীর হোসেন ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছে। আমি ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছি এবং ন্যায়বিচার চাই।”

    বিএনপি নেতা হাজী খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন বলেন,
    “আওয়ামী লীগের সময় আলমগীর হোসেন তার লোকজন ময়লা ও গ্যাস ব্যবসা দখলে রেখেছিলো। এখন আওয়ামী লীগ নেই, তবুও তারা দখলদারিত্ব বজায় রাখতে মানুষের ওপর নির্যাতন করছে, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর করছে। আমি এর সঠিক বিচার দাবি করছি।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজরা আগে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় অপরাধ করতো, বর্তমানে বিএনপির স্থানীয় কিছু নেতার আশ্রয়ে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী ও মুখোশধারী বাহিনী লালনপালন করে। এলাকায় কোনো তুচ্ছ ঘটনায় যেকোনো পক্ষ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এটা নতুন কিছু নয়। এর কারণে আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এতে এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানা পুলিশসহ সেনাবাহিনী, ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার, এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

  • মা-দক সেবনকারীরাই অ-পরাধের মূল উৎস নে-শার টাকা জোগাড়ে চু-রি, ছি-নতাই ও খু-ন

    মা-দক সেবনকারীরাই অ-পরাধের মূল উৎস নে-শার টাকা জোগাড়ে চু-রি, ছি-নতাই ও খু-ন

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, উত্তরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদকাসক্তরা মাদকের নেশার টাকা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এমনকি খুনসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
    সচেতন মহলের মতে, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অপরাধচক্রগুলোর কারণেই এসব এলাকায় অপরাধ প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে আইটিভি বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন,“মাদকের মরণ নেশা ধীরে ধীরে যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবনে নারী-পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের (হিজরা) ব্যক্তিদেরও জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।”
    তিনি আরও বলেন, মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে আইটিভি বাংলা সচেতনতা মূলক একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পথশিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে ‘গানের কলি’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে গান ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করে তাদের মাদক থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ইলিশের জাটকা ধরা, বাজারজাত ও পরিবহন নি-ষিদ্ধ থাকলেও মানছে না কেউ

    ইলিশের জাটকা ধরা, বাজারজাত ও পরিবহন নি-ষিদ্ধ থাকলেও মানছে না কেউ

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে ইলিশের জাটকা (ছোট ইলিশ) ধরা, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও সরকারি এই আইন মানছে না অসাধু ব্যবসায়ীরা। দেশের বিভিন্ন হাট-বাজার ও মৎস্য আড়তে প্রকাশ্যেই জাটকা ইলিশ বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকালে ঢাকার বাইপাইল মৎস্য আড়ত ও আশুলিয়ার জামগড়াসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে বিপুল পরিমাণ জাটকা ইলিশ বিক্রির চিত্র চোখে পড়ে। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব জাটকা প্রকাশ্যে বিক্রি করায় সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত টানা আট (৮) মাস জাটকা ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইলিশের ভবিষ্যৎ প্রজনন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই সরকার এই আইন কার্যকর করেছে।

    সচেতন মহলের অভিযোগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান না থাকায় অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা সরকারি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে জাটকা বিক্রি করার সাহস পাচ্ছে। দ্রুত কঠোর অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো না হলে ইলিশ সম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

  • নীলফামারী-২ আসনে  ধানের শীষে ভোট দেয়ার প্রচারণা শুরু করলেন- তুহিন

    নীলফামারী-২ আসনে  ধানের শীষে ভোট দেয়ার প্রচারণা শুরু করলেন- তুহিন

    মোঃ হামিদার রহমান , নীলফামারীঃ বড় শোডাউনের মধ্যদিয়ে নীলফামারীতে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলো বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। বুধবার দুপুরে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচারনা শুরু করেন তিনি। জেলা শহরের ডিসি অফিস চত্তর থেকে একটি বনার্ঢ্য নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল শুরু হয় ধানের শীষের। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাতো ভাই প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন।

    নীলফামারীবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিলোত্তর বক্তব্যে প্রকৌশলী তুহিন বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার শুরু হয়েছে। মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়, মানুষ উন্নয়ন চায়। সাবেক সাংসদ তুহিন বলেন, আমরা আর পেছনে ফিরে যেতে চাই না, নীলফামারীকে উন্নত নীলফামারী গড়তে চাই। সম্ভবনাময় এই জেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চাই। এজন্য আপনাদের সম্মানিত ভোটারদের সমর্থন প্রয়োজন। ধানের শীষে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থণা করি।

    জেলা বিএনপির আহবায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েল বক্তব্য দেন। এরআগে সকাল থেকে সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও নীলফামারী পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন নেতা কর্মীরা। পরে বনার্ঢ্য নির্বাচনী প্রচারণার এই মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    ধানের শীষ ও প্রার্থী তুহিনের পোস্টার হাতে নিয়ে মিছিলে অংশ নেন নেতা কর্মীরা। প্রসঙ্গত এ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এ্যাব) এর কেন্দ্রীয় আহবায়ক প্রকৌশলী তুহিন।

  • সুন্দরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জ-নসভা

    সুন্দরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জ-নসভা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ শাখার উদ্যোগে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার আসর বাদ সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর সুন্দরগঞ্জ শাখার আয়োজনে পৌর আমির একরামুল হকের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী মোঃ মাজেদুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, উপজেলা জামাতের নায়েবে আমির মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাবেক পৌর মেয়র নুরুন্নবী প্রামানিক সাজু, জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম,ছাত্র শিবির শীহীন সরকার, সোহান ইসলাম প্রমূখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন পৌর জামাতের সেক্রেটারি মাহফুজার রহমান।  এ সময় বক্তারা দাঁড়িপাল্লা মার্কায় জনগণের নিকট ভোট প্রার্থনা করেন।

  • সুনামগঞ্জ শহরে পুলিশ সেনাবাহিনীর যৌথ অ-ভিযানে একাধিক মামলার আসামী আব্দুল মালেক ইয়াবাসহ আ-টক

    সুনামগঞ্জ শহরে পুলিশ সেনাবাহিনীর যৌথ অ-ভিযানে একাধিক মামলার আসামী আব্দুল মালেক ইয়াবাসহ আ-টক

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরে পুলিশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে একাধিক মাদক মামলার আসামী ইয়াবা সম্রাট আব্দুল মালেককে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোর সকালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরে তেঘরিয়া এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়া। এসময় একাধিক মাদক মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী মাদক সম্রাট আব্দুল মালেককে নগদ ইয়াবা বিক্রির ৬ হাজার টাকা এবং ২৫ পিছ ইয়াবাসহ আটক করেন সদর থানা পুলিশ ও সেনা বাহিনীর একটি অভিযানিক দল। পরে থাকে সদর থানায় এনে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজুসহ আদালতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ১১ টি মাদক মামলা রয়েছে যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য মামলাগুলি হল, ১। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-২৯, তারিখ- ১৫/০১/২০২৬, ধারা-৩৬(১) সারণির ১০(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ২। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার জিডি নং-১, তারিখ- ১১/০১/২০২৪, সাধারণ ডায়েরীতে সন্দিগ্ধ, ৩। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-১২, তারিখ- ১৪/০৩/২০২৩, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ৪। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-১৭/৩৪৭, তারিখ- ১৩/১১/২০২১, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ৫। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-৫/৩০০, তারিখ- ০২/০৯/২০২০, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ৬। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-২৫/৫৪, তারিখ- ২৪/০২/২০১৯, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ৭। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-৯/১৯১, তারিখ- ০৯/০৮/২০১৮, ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ৮। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-৭/১৭০, তারিখ- ০৯/০৭/২০১৮, ধারা-১৯(১) এর ৯(ক) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ৯। সুনামগঞ্জ এর বিশ্বম্ভরপুর থানার এফআইআর নং-১২/১৩৪, তারিখ- ২৭/১০/২০১৭, ধারা-১৯(১) এর ৯(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১০। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-৩/২২৭, তারিখ- ০৩/০৮/২০১৭, ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১১। সুনামগঞ্জ এর সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-১৫/৩০২, তারিখ-২৬/১১/২০১৬, ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক)/১৯(১) এর ৭(ক) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা পাওয়া যায়।
    ‎এব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান সুনামগঞ্জ পৌর শহরকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো ট্রলারেন্স বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে।এরই ধারা বাহিকতায় একাধিক মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী আব্দুল মালেককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং মাদক ব্যবসার সাথে যারাই জড়িত রয়েছে বাকিদের ও আইনের আওতা আনার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়ছে।

  • গৌরনদীতে সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীর অ-ভিযোগ

    গৌরনদীতে সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীর অ-ভিযোগ

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার টরকী বন্দরের অসহায় ব্যবসায়ী রিপন মিত্র অভিযোগ করেছেন, তার দাদা মনোরঞ্জন মিত্র যখন জমির মালিক, তখন তার বাবা ব্রজ বিলাস মিত্রের কাছ থেকে ওই জমির দলিল গ্রহণ করেছেন চাচা নারায়ন মিত্র। ভুল আর অসঙ্গতিতে ভরা গত ৩৯ বছর পূর্বের এমন একটি দলিল দেখিয়ে গত ৮ মাস ধরে তাদের দুই ভাইয়ের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারাসহ তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করাচ্ছেন ওই চাচা।
    এ ঘটনায় অতিষ্ঠ ওই দুই ভাই তাদের চাচার হয়রানির হাত থেকে মুক্তির জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি সহযোগিতা চেয়েছেন।
    ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে দেয়া লিখিত বক্তব্যে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই অসহায় ব্যবসায়ী বলেন, আমার দাদা মনোরঞ্জন মিত্র উপজেলার টরকী বন্দর সংলগ্ন ৬৩ নং সুন্দরদী মৌজায় একটি বাড়িসহ প্রায় ৭-৮ একর জমি রেখে ১৯৯০ সালে মারা যান। এরপর তার ওয়ারিশ থাকেন তিন পুত্র। এরা হলেন, আমার বাবা ব্রজ বিলাস মিত্র ও আমার দুই চাচা স্বপন কুমার মিত্র এবং নারায়ণ চন্দ্র মিত্র। দাদা মনোরঞ্জন মিত্র মারা যাওয়ার পর তার রেখে যাওয়া ৭-৮ একর জমি আমার বাপ-চাচাদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়। এক পর্যায়ে বাপ চাচারা মিলে ওই মৌজার ১০৪৫ নং খতিয়ানের ১৯৩৪ নং দাগ ভূক্ত পৈত্রিক বাড়ির ৮১ শতাংশ জমি রেখে বাড়ির বাইরের বাকি সব জমি বিক্রি করে দেন। গত প্রায় ৩০ বছর আগে আমাদের মেঝো চাচা স্বপন কুমার মিত্র বসত বাড়িতে তার পাওনা ২৭ শতাংশ জমি বিক্রি করে দিয়ে ভারতে চলে যান। আর ২০ বছর আগে ছোট চাচা নারায়ণ চন্দ্র মিত্র তার ভাগের ২৭ শতাংশ জমি থেকে ২২ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেন। বাকি ৫ শতাংশের উপরে তার বসত ঘর রয়েছে। আমার বাবার ভাগের জমিতে থেকে যায় দাদার আমলের বসত ঘর মন্দির ও শ্মশান।
    আমার বাবা ব্রজ বিলাস মিত্র মারা যায় ১৯৯৮ সালে। এরপর আমরা দুইভাই কিছু জমি বিক্রি করি। ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য বাকি জমি ইসলামী ব্যাংক টরকী বন্দর শাখায় বন্ধক রেখে আমরা ১০ লক্ষ টাকা ঋণ করি। এর কিছুদিন পর আমার মা ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ফলে ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমরা দুই ভাই রিপন মিত্র ও সুমন মিত্র ব্যাংক ঋণের পাশাপাশি এনজিও ও স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে উচ্চ সুদে টাকা ঋণ ও ধার করি। এক পর্যায়ে ব্যাংক লোনের সুদ, এনজিও ঋনের সুদ এবং মহাজনদের কাছ থেকে আনা ধারের টাকার সুদ মিলে আমরা ঋণের চাপের জর্জরিত হয়ে পড়ি। ব্যাংক আমাদের বাড়ি নিলামে উঠানোর প্রস্তুতি নেয়। উপায় না পেয়ে তখন আমরা আমাদের বসত বাড়ির কিছু জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে গত ৮মাস আগে একদিন রাতে আমার ছোট চাচা নারায়ন মিত্র আমাকে ডেকে একটি দলিলের ফটোকপি দেয়। যার দলিল নং ৫৯৬/৮৬ তারিখ ১৬/২/১৯৮৬ ওই দলিলে উল্লেখ রয়েছে আমার বাবা ব্রজ ও বিলাস মিত্র চাচা নারায়ণ মিত্রের কাছে ১০ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন। ওই দলিলে তফসিল বর্ণিত ভূমির যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে সেখানে লেখা রয়েছে ১০৪৫ নং খতিয়ানে ১৯৩৪ নং দাগ, তার পরের তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে ১০৪৫ নং খতিয়ানে ১৯৪৩ নং দাগের ১০ শতাংশ জমি আমার বাবা বিক্রি করেছেন। তফসিলে বর্ণিত ওই ভূমি ৭৭ জি (1x-1) ৭৫-৭৬ সালের হুকুম দখল মোতাবেক আমার বাবা ব্রজ বিলাস মিত্রের নামে রেকর্ড রয়েছে। মূলত ওই রেকর্ডটি আমার দাদার নামের রেকর্ডকৃত। দাদা মনোরঞ্জন মিত্র তখনও জীবিত। ১৯৯০ সালে তিনি মারা যান। রিপন মিত্র প্রশ্ন রাখেন, দাদা জীবিত থাকতে ১৯৮৬ সালে কি করে আমার বাবা, দাদার নামে রেকর্ডকৃত জমি বিক্রি করেন। আমার বাবা তো তখন ওই জমির মালিকই নন।
    তফসিলের অন্য এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে সাব কবলা দলিল মূলে আমার বাবা বিক্রি করেছেন। অথচ ওই দলিলে পীঠ দলিলের কোন নম্বর উল্লেখ করা নেই। দলিলটিতে লেখক দেখানো হয়েছে দুজনকে একজন হলেন শ্রী জিতেন্দ্র নাথ সরকার লাইসেন্স নং ২১২২ ওপর লেখক হলেন স্বপন সরকার লাইসেন্স নং ২২৭৬। রিপন মিত্র বলেন ওটা আমার বাবার দেয়া দলিল নয়। ছোট চাচা নারায়ণ মিত্র একটি খাড়া দলিল করে আমাদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করছে। ##