Category: দেশজুড়ে

  • মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঢাকা মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের আয়োজনে প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠে এ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন
    কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাফসা বেগম।দিনব্যাপী ১১টি ইভেন্টে কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

    ক্রীড়ানুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহরিন সিরাজ।

    প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য অধ্যক্ষ হাফসা বেগম বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শরীরচর্চা ও খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক দৃঢ়তা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আমাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যবোধ জাগ্রত করে—যা জীবন গঠনে অপরিহার্য।

    শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর নাসরিন তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই আয়োজন হোক আনন্দ, বন্ধুত্ব ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মিলনমেলা। সবাই খেলায় অংশ নেবে, সবাই উপভোগ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    বার্ষিক ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক শাহরিন সিরাজ তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদন নয়; এটি শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জয়-পরাজয়কে সমানভাবে গ্রহণ করতে শেখে, যা ভবিষ্যৎ জীবনে তাদের আরও দৃঢ় করে। আজকের এই আয়োজন আমাদের শিক্ষাজীবনে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে—এই প্রত্যাশা করি। সবাই সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের সেরাটা উপহার দেবে, এটাই কাম্য।

    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেন, খেলাধুলা ও পড়াশোনা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ ঘটে থাকে। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলারও প্রয়োজন রয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, শুধু খেলাধুলায় নয় তোমাদের সকল ক্ষেত্রেই উৎকৃষ্ট হতে হবে। আমরা তোমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখি। তোমরা আগামীর বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র কলেজের অধ্যাপক আশরাফী জাহান, অধ্যাপক নাসির উদ্দীন ,অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার ,অধ্যাপক ফাতেমা হুসাইন ,অধ্যাপক ফাহমিদা মঅধ্যাপক ড. হেমশঙ্কর রায়, অধ্যাপক নীলিমা আফরোজ, সহযোগী অধ্যাপক সাবিনা বেগম, জহিরুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, শামীম মিয়া, আলমগীর কবির, শামসুল হক, শাহ আলম, আলিম আল রাজি , জাকির হোসাইন, আমিনুল ইসলামসহ শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন তামান্না আক্তার, আলভি হোসেন , সোনিয়া আফরিন ও মৌসুমি পাল এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনায় ছিলেন শরীর চর্চা শিক্ষক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত স্কুলের সকল শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক বৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম কর্মী।

  • গোবিপ্রবির সিএসই বিভাগের প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারের হাতে পেনশনের চেক হ-স্তান্তর

    গোবিপ্রবির সিএসই বিভাগের প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারের হাতে পেনশনের চেক হ-স্তান্তর

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রয়াত সহকারী অধ্যাপক রাহাত হোসেন রবি’র পরিবারের হাতে পেনশনের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রয়াত এ শিক্ষকের স্ত্রী লাকী আক্তারের হাতে চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর।

    প্রয়াত রাহাত হোসেন রবির আনুতোষিক, ছুটি নগদায়ন ও প্রভিডেন্ট ফান্ড বাবদ প্রায় ১৬ লাখ ৭১ হাজার টাকার চেক তার স্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হয়।

    এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি ড. মৃণাল কান্তি বাওয়ালী ও রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, রাহাত হোসেন রবি ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

  • সাইদুর রহমান বাসু হ-ত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁ-সি ৪ জনের আমৃ-ত্যু কা-রাদণ্ড ও ১১ জনের যাব-জ্জীবন 

    সাইদুর রহমান বাসু হ-ত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁ-সি ৪ জনের আমৃ-ত্যু কা-রাদণ্ড ও ১১ জনের যাব-জ্জীবন 

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে মটর শ্রমিক নেতা সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। 

    আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় প্রদান করেন। রায়ে ৫ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ১১ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    আদালত দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৪, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: ১. বুলবুল শেখ ২. হেদায়েত শেখ ৩. তফসির শেখ (পলাতক) ৪. ঝন্টু শেখ (পলাতক) ৫. কিবরিয়াল কাজী। হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাদের গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড টটকার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মামলার অপর ৪ আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন: মিন্টু শেখ, কেনাই মোল্লা, আলিমুজ্জামান বিটু (পলাতক) এবং প্রিন্স খাঁ।

    এছাড়া মামলার বাকি ১১ জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তারা হলেন: ইকবাল খাঁ, টুটুল শেখ, রনি শেখ, আকরাম আলী, হাবিল কাজী, বুলগান কাজী, সজিব শেখ, পনির শেখ, সিহাব শেখ, রাশেদ শেখ ওরফে রাশেদ খাঁ এবং শওকত শেখ।

  • মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে সলঙ্গা বি-দ্রোহ দিবস পালিত

    মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে সলঙ্গা বি-দ্রোহ দিবস পালিত

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    আজ মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ইতিহাসের অবিস্মরণীয় ঘটনা রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস সলঙ্গায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।মানবিক সংগঠন “প্রিয় সলঙ্গার গল্প”র উদ্যোগে আজ বিকেলে মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল হল রুমে এ আয়োজন করা হয়।
    ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার গো-হাটায় সংঘটিত হয় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নির্মম হতাহতের ঘটনা। ব্রিটিশ শাসন ও তাদের দোসরদের নির্মম গুলিতে সরকারি হিসেবে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ হতাহত হয়। সাহসী ও আত্মত্যাগী সাধারণ মানুষ প্রতিরোধে আন্দোলনে নামে।তৎকালীন সলঙ্গার সিংহ পুরুষ মাও: আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সাহসী ও আত্মত্যাগী সাধারন মানুষ প্রতিরোধে আন্দোলনে নামে।বাংলার গ্রামীণ জনপদের সেই শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয়। এছাড়াও বক্তারা শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য গো-হাটায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ,সলঙ্গায় পৌরসভা ও উপজেলার দাবি জানান।কে. এম আমিনুল ইসলাম হেলালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,চীফ এডমিন শাহ আলম ।সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,উপদেষ্টা সহকারি অধ্যাপক বেলাল হোসেন,উপদেষ্টা আব্দুস ছালাম মাস্টার,অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান,এডমিন হারুনর রশিদ, শাহিদুল ইসলাম, মডারেটর তুষার তালুকদার,নাজমুল হুদা,রাজু আহমেদ ও সুজন হোসেন প্রমুখ।

  • দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে জামায়াতে ইসলামীর আনন্দ মিছিল

    দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে জামায়াতে ইসলামীর আনন্দ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনা-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কে.এম হেসাব উদ্দিনকে দঁাড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী এবং দশ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা জামায়াত ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সুজানগর পৌর শহরে এ বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মোড়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের দঁাড়িপাল্লা প্রতীক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কে.এম হেসাব উদ্দিন। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য দেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ফারুক-ই আযম, উপজেলা সেক্রেটারী(ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, অর্থ সম্পাদক রাফি আহমেদ ফুল, জেলা জামায়াতের আইন সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল মমিন, সেক্রেটারী মকবুল হোসেন বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক কেরামত হোসেন, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কালাম আজাদ, জেলা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক শাহরিয়ার হাসান জিহাদ, সদর পূর্ব সাংগঠনিক থানার সভাপতি আব্দুল মমিন, উপজেলা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক হাফেজ তামজিদ আহমেদ, পৌর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাসিম উদ্দিন, সেক্রেটারী মিরাজুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ নাফিজ হোসেন প্রমুখ। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী কে এম হেসাব উদ্দিন বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি ইনসাফভিত্তিক পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকা গড়ে তুলতে চাই। এ অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজে রূপান্তর এবং প্রতিটি জনপদকে সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজমুক্ত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এ জন্য আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়েই একটি সুন্দর ও স্মার্ট পাবনা-২ অঞ্চল গড়ে তুলবো।এ সময় তিনি আরো বলেন , আগামী ১২ তারিখ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ন্যায়, ইনসাফ ও সৎ নেতৃত্বের পক্ষে রায় দেবে এবং দঁাড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হবে ইনশআল্লাহ বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনা-২ আসনে নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পর এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পাওয়ায় সুজানগরে আনন্দ মিছিল করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সুজানগর পৌর শহরে এ বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি থানা চত্বর থেকে শুরু হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কওে পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের ধানের শীষ প্রতীক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, বিএনপি নেতা মিনু মন্ডল,ফজলুর রহমান, হারুন মন্ডল, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু,সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা পল্টন,সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, পৌর শ্রমিকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মাজেদ,ছাত্রদল নেতা এরশাদ, গাজী মাহারুল ইসলাম, এস এম আফতাব, শেখ রুবেল, আব্দুস সবুর জয় ও সংগ্রাম প্রমুখ। বক্তারা তাদের বলেন“ধানের শীষ কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার ব্যালটের মাধ্যমেই তারা সেই অধিকার পুনরুদ্ধার করবে।তারা আরও বলেন, সেলিম রেজা হাবিব একজন পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব নেতা। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে এই অবহেলিত জনপদ একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।

  • এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে  সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে  সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার বিকেল ৫ ঘটিকায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার আয়োজনে ও সভাপতিত্বে আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারী 
    ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। এসময় আলোচনা সভায় আরও  উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়শা আক্তার,  অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনামগঞ্জ সঞ্জিত কুমার চন্দ্র, পুলিশ সুপার আবু বসার মোহাম্মদ জাকির হোসেন (পিপিএম),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার শুকুর মাহমুদ মিয়া। এছাড়া আরও   সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভসপতি লতিফুর রহমান রাজু, দৈনিক সুনামগঞ্জ খবর পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক পংকজ কান্তি দে, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি খলিলুর রহমান, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন, সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিজান, ৭১টিভির প্রতিনিধি  শহিদনুর আহমেদ,সাংবাদিক জাকির হোসেন,হাসান চোধুরী,নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ,সাংবাদিক বাবুল মিয়া,দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি কেএম শহীদুল ইসলাম,দেশ টিভির প্রতিনিধি শাবাজ মান্না,সাংবাদিক সামিয়ান তাজুল, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সুনামকন্ঠের প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর, নাসিম, সাংবাদিক রাজু আহমেদ রমজানসহ সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আরও আনেকই উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন আগামী নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ এবং গ্রহন যোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান। তারা সাংবাদিকদের জন্য এবারের নির্বাচনে কিছু নতুন নিয়ম কানুন রয়েছে এবং যারা পেশাগত সাংবাদিক তাদের অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই বাছাই করে নির্বাচনের পাস কার্ড দেওয়াসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কাজ করবে বলে জানানো হয়। এরই লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ সকল সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( WFP) প্রকল্পের আওতায় বদলে যাচ্ছে পাইকগাছার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা

    বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( WFP) প্রকল্পের আওতায় বদলে যাচ্ছে পাইকগাছার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।

    খুলনার পাইকগাছায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি’র আওতায় বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা। WFP এর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় এক কোটি ২৪ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা ইউনিয়ন সোলাদার দুই কিলোমিটার ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুটি রাস্তার উন্নয়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯৫ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। এদুটি রাস্তার উন্নয়ন করার ফলে উপজেলা সদর সহ এলাকার হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরে যাতায়াত এবং নদী পারাপার সহজ হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।
    উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন শিবসা নদীর ধারে অবস্থান হওয়ায় প্রতিবছর দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সোলাদানা ইউনিয়ন। আধুনিক জনজীবনে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে এই ইউনিয়ন টি। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ফলে মানুষের জীবন মানের এখনো তেমন উন্নতি হয়নি। বেশির ভাগ রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হয় এখানকার মানুষের। দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে সোলাদানা অন্যতম। বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন কর্তৃক বাস্তবায়ীত ”দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) প্রকল্পের” ইউনিয়নের দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে আমুরকাটা বাজার হতে দীঘা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার ৪২০ মিটার দৈর্ঘ্যের মাটির রাস্তা সংস্কার ( বিএফএস)। একাজের চুক্তি মূল্য ধরা হয়েছে ৯৯ লক্ষ্য ৫২ হাজার ৯০৪ টাকা। উন্নয়ন কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাগর এন্টারপ্রাইজ। ইতোমধ্যে ৮৭ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তার উন্নয়ন করার ফলে দীঘা, দক্ষিণ কাইনমূখী, উত্তর কাইনমূখী, পশ্চিম কাইনমূখী ও গোলবুনিয়া সহ ৫ গ্রামের মানুষের উপজেলা সদর, আমুরকাটা বাজার ও চারবান্দা বাজার এবং স্কুল, মসজিদ মন্দিরে যাতায়াত সহজ হবে।
    অনুরূপভাবে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৭৩৬ টাকা ব্যয়ে সোলাদানা বাজার হতে খেয়াঘাট পর্যন্ত ২৩০ মিটার মাটির রাস্তা উন্নতিকরণ করা হচ্ছে। উন্নয়ন কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরাফ এন্টারপ্রাইজ। এটার প্রায় ৯৫ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইট বসানোর কাজ শেষ হলে রাস্তাটি শতভাগ ব্যবহার করতে পারবেন নদী পারাপারের মানুষ।এর আগে সোলাদানা খেয়াঘাটের এই রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। যার কারণে নদী পারাপারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ এবং ভোগান্তি হতো। এখন থেকে সোলাদানা, লতা ও দেলুটি সহ ৩ ইউনিয়নের মানুষের নদী পারাপার সহজ হবে বলে জানান সোলাদানা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক। প্রকল্পের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এলজিইডি)। এদিকে উন্নয়ন কাজের শেষ পর্যায়ের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ২৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক, জনস্বাস্থ্যের উপ সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল, এলজিইডি’র উপ সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের প্রকল্প সমন্বয়কারী-মো: ইমরান হোসেন, জেলা সমন্বয়কারী-স্নিগ্ধা ঘোষ, উপজলা সমন্বয়কারী-আয়ুব আলী, ডিআরআর সমন্বয়কারী-তানভীর আহমেদ, প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ইউপি সদস্য শেখর চন্দ্র ঢালী, ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম ও গাজী ফয়সাল রাশেদ সনি।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • মহেশপুরে অ্যাসেট প্রকল্পে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণে ভর্তি

    মহেশপুরে অ্যাসেট প্রকল্পে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণে ভর্তি

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

    দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স আয়ের লক্ষ্য নিয়ে সরকারের অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-তে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) পরিচালিত এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে কম্পিউটার অপারেশন, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন ও মেইনটেন্যান্স, ওয়েল্ডিং, টেইলরিং ও ড্রেস মেকিং এবং ড্রাইভিং ট্রেডে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বেকার নারী ও পুরুষ, হতদরিদ্র, অনগ্রসর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন। প্রশিক্ষণকালীন মাসিক ভাতা ও যাতায়াত ভাতার সুবিধাও রয়েছে। বিশেষভাবে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণে আগ্রহী মহেশপুর উপজেলার প্রার্থীদের আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব খাদিজা আক্তার “মহেশপুর উপজেলা প্রশাসন” নামের ফেসবুক আইডির মাধ্যমে তথ্যটি সর্বসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে সকলের আবেদনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ।

  • গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে কুমড়োর বড়ি  তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গৃহবধুরা

    গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে কুমড়োর বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গৃহবধুরা

    রাজশাহী থেকে মো. হায়দার আলী : প্রতি বছরের মতো এবারো রাজশাহীর গোদাগাড়ী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ গোটা উত্তরাঞ্চলজুড়ে মাসকলাই ও কুমড়োর বড়ি তৈরিতে হাজার হাজার বউ, শাশুড়ি, মা-বোনেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। শীত মৌসুমের শেষ সময়ে মাসকলাইয়ের ডালের আটা ও পাঁকা চাল কুমড়ো মিশিয়ে এ সুস্বাদু বড়ি তৈরি করা হয়। এ অঞ্চলের নারীরা শত শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কয়েক মাস পূর্ব থেকে চাহিদা মতো চালকুমড়ো পাঁকানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। নতুন কলাই জমি থেকে ঘরে, বাজারে আসার সাথে সাথে বড়ি তৈরির ধুম পড়ে যায়। এসব এলাকার ৮০ ভাগ মহিলারা পালা করে বড়ি দেয়ার কাজটি করে থাকেন। পাক পবিত্র অবস্থায় বড়ি দিতে হয়। অপবিত্র অবস্থায় দিলে বড়ির রং হলুদ হয়ে যায় এবং গন্ধ হয়ে যায়, স্বাদ লাগে না।

    বড়ির প্রধান উপাদান ভালো জাতের মাসকলাই সংগ্রহ করে প্রথমে সূর্যের আলোতে শুকিয়ে যাঁতাতে ডালের আকার দেয়া হয় এবং ওই ডালকে পানিতে ৫/৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে হাত দিয়ে চটের ছালায় ঘুষে ডালের খোসা ছাড়ানো হয়, তারপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রোদে শুকোতে হয়। শুকানো ডাল (যাঁতার দ্বারা) আটায় পরিণত করা হয় এবং খুব সকালে পাকা কুমড়োকে দু’ভাগ করে কেটে কুড়ানি দিয়ে চিকন করে নিয়ে কুমড়োর বীচি আলাদা করে নিতে হয়। ওই কলাইয়ের আটা ও কুড়ানো কুমড়ো একটি পাতিলে মিশিয়ে দীর্ঘসময় নাড়াচাড়া করতে হয়। মিশ্রণ ঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা দেখার মহিলারা মাঝে মাঝে বড়ির আকৃতি করে পানির পাত্রে ছেড়ে দিলে তা যদি ডুবে যায় তবে আরো ফেনাতে নাড়াচাড়া করতে হয়, আংশিক ভাসলে বড়ি তৈরি উপযোগী হয়েছে বলে তারা মনে করেন। ২/৩ জন মহিলা সুতি মশারী কিংবা প্লাস্টিকের জাল দড়ির খাটের উপর বিছিয়ে দিয়ে এর উপর ওই মিশ্রণ বড়ি আকৃতি করে লাইন করে দেয়া হয়। ৩/৪ দিন ভালো করে রোদে শুকোতে হয়।

    মেঘলা ও ঘন কুয়াশা থাকলে বড়ি গন্ধ ও লাল হয়ে যায়। সেগুলো সহজে সেদ্ধ হয় না। খেতেও ভালো লাগে না। ভালোভাবে শুকিয়ে মুখ আটকানো পাত্রে সংরক্ষণ করলে ১২ থেকে ১৪ মাস পর্যন্ত খাওয়া যায়। অনেক গৃহবধূরা মাসকলাই’র সাথে পিঁয়াজ, পাঁকা লাউ, আলু, পেঁপে, মূলা, কপিসহ নানা পদের সবজি মিশিয়ে বড়ি তৈরি করে থাকেন। বিশেষ করে পিঁয়াজের বড়ি বেশ সুস্বাদু কিন্তু এগুলো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায় না। আগের দিনে প্রায় বাড়ির ছাঁদে, ঘরের টিনের উপর কিংবা চালে পাঁকা কুমড়া দেখা যায় আর জমিতে তো মাসকলাই হতো অনেক বেশি। কিন্তু এখন নদীর ভাঙনে চরে বেশিরভাগ জমি নদী গ্রাস করেছে। পলিমাটির পরিবর্তে হাজার হাজার একর জমিতে শুধু বালি আর বালি পড়ায় কলাইয়ের আবাদ কমে গেছে। আগে যে কলাই বড়ি দেয়ার জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যেত সে কলাই এখন ১১২ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বড়ি দেয়ার ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি। কুমড়ো বিক্রি হচ্ছে ২৫/৩৫ টাকা কেজি এতে ১টি বড় সাইজের কুমড়ো ২শ’ থেকে ৪শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঘরে তৈরি করা ডালের বড়ি রেডিমেট কেনা ডাল দিয়ে বড়ির চেয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু। বড়ির উপকরণের মূল্য বেশি হওয়ায় বড়ি তৈরিতে এখন খরচ অনেক বেশি হচ্ছে। অনেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বড়ি তৈরি করে বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করে জীবন-জিবিকা নির্বাহ করে থাকেন, এ বড়ি কেউ কেউ বিদেশে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে বড়ির উপকরণের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে তারা বড়ি তৈরির আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বড়ির সাথে ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, বেগুন, হাঁস, মুরগির ডিম বেশ মজাদার খাবার।

    বড়িকে এককভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। বিদেশে বড়ি এখন বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আত্মীয়-স্বজনের নিকট বিদেশে বড়ি পাঠাচ্ছেন এবং বিদেশে পাড়ি দেয়ার সময় তরকারি হিসেবে বড়িকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন এমবিবিএস ডাক্তার এ প্রতিবেদককে জানান, বড়ির পুষ্টিগুণ অনেক বেশি, পেটের জন্য বেশ উপকারী, রুচিসম্মতভাবে খাওয়া যায়। দীর্ঘসময় ক্ষুধা নিবারণের কাজ করে থাকে।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী মহাল্লার মোসাঃ জোহরুল নেসা বলেন, বড়ি দেয়া খুব ঝামেলার কাজ অনেক কষ্ট হয়। এ বছর প্রচুর বৃষ্টির কারনে এলাকায় চালকুমড়া হয় নি। কালাইয়ের ডাল ১৫৫ টাকা কেজি ও ৩০/৩৫ কেজি কুমড়া কিনে বড়ি দেয়া খুবকষ্টকর তাই একটি কুমড়া কিনেছি ৫৩০ টাকা দিয়ে, জমির কালাই আজ সকালে বড়ি দিয়েছি, বড়ি খুবই ভাল হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।