Category: দেশজুড়ে

  • শার্শায় শান্তিপূর্ণ ভোট: নারী ও তরুণ ভোটারদের জয়জয়কার, বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী আজিজুর রহমান

    শার্শায় শান্তিপূর্ণ ভোট: নারী ও তরুণ ভোটারদের জয়জয়কার, বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী আজিজুর রহমান

    ​আজিজুল ইসলাম, যশোর প্রতিনিধি: যশোর-১ (শার্শা) আসনে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের  নুরুজ্জামান লিটনকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান। এবারের নির্বাচনে নারী ও তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত এবং নজরকাড়া উপস্থিতি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে।

    ​বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় শার্শা উপজেলা অডিটোরিয়ামে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী মাওলানা আজিজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী): ১,১৭,৩৭৭ ভোট (বিজয়ী)​ নুরুজ্জামান লিটন (বিএনপি): ৯২,৯৯৫ ভোট (নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী)​ বখতিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন): ১,৭৪১ ভোট​ জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (জাতীয় পার্টি): ১,৩৬৭ ভোট

    ​মাওলানা আজিজুর রহমান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুজ্জামান লিটনের চেয়ে ২৪,৩৮২ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    ​শার্শা উপজেলা একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৬৩৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ১,৫৫,৮২৩ জন এবং পুরুষ ভোটার ১,৫৫,৮০৭ জন। এছাড়াও ৩ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন।

    ​নির্বাচনী মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়, সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ সারি ছিল। বিশেষ করে কিশোর বা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন এমন তরুণ এবং নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকায় ভোটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    ​শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান, “তেমন কোনো অভিযোগ, অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”

  • সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়

    সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপি হেভিওট নেতা এম. আকবর আলীকে পেছনে ফেলে বিজয়ের মালা গলায় পরেছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাও: রফিকুল ইসলাম খান।তবে এ নির্বাচনে তিনি পোস্টাল ব্যালটে চমক দেখিয়ে জিতেছেন। 
    উল্লাপাড়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৪৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়,এম আকবর আলী ধানের শীষে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট আর মাও: রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট।ব্যালট ভোটে ব্যবধান ৭৬৫ হওয়ায় চূড়ান্ত বিজয়ী তখনো নিশ্চিত ছিল না।
    চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।বৈধ পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২১ টি।জামায়াতের প্রার্থী মাও: রফিকুল ইসলাম খান এতেই বাজিমাত করে ফেলেন।তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ১৭৯ ভোট।অন্যদিকে এগিয়ে থাকা বিএনপির এম আকবর আলী ৮২০ ভোট পেয়ে পিছিয়ে যান।

    ১৪৭টি কেন্দ্রের ভোটের সাথে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনার পর দেখা গেছে, জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট।অন্যদিকে বিএনপির এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।ফলে রফিকুল ইসলাম খান ৫৯৪ ভোটের ব্যবধান নিয়ে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

  • নীলফামারী চারটি সংসদীয় আসনে চারটিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

    নীলফামারী চারটি সংসদীয় আসনে চারটিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনেই জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ফলাফল ঘোষণা করেন।

    নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রের ফলে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সাত্তার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।

    নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ১৩৪টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আলফারুক আব্দুল লতিফ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৯ ভোট।

    নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে ১০৫টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৮ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ১০২ ভোট।

    নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে ১৬৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫২৬ ভোট।

    বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর বিজয়ী প্রার্থীরা ভোটার ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এদিকে তাদের বিজয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আনন্দ মিছিল করতে দেখা গেছে।

    হামিদার রহমান
    নীলফামারী প্রতিনিধি।।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের ৩ টি সংসদীয় আসনে বিএনপির বিজয়

    ঠাকুরগাঁওয়ের ৩ টি সংসদীয় আসনে বিএনপির বিজয়

    গীতিগ গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনেই বিজয়ী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি।।ঠাকুরগাঁও- ১ আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেসরকারিভাবে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী দেলোয়ার হোসেনের চেয়ে তিনি ৪৪হাজার ৪০২ ভোট বিজয়ী লাভ করেছেন।
    গতকাল (১২ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রগুলোর গণনা শেষে এ ফলাফল তবে জানা গেছে।ঠাকুরগাঁও ২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম ৫৯০০ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এবং ঠাকুরগাঁও ৩ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদ ৩৩ হাজার ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনের দায়িত্বে থাকা সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এসব নিশ্চিত হওয়া গেছে। চূড়ান্ত ফলাফল শীট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। আনুষ্ঠানিক ফলাফল শীট প্রকাশ করেম।

  • সুনামগঞ্জ ৫টি সংসদীয় আসনেই বিএনপির জয়

    সুনামগঞ্জ ৫টি সংসদীয় আসনেই বিএনপির জয়

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ।
    ‎এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ৫টি আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষনা করলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড.মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।সারাদেশের ন্যায় ১২ ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
    ‎যার মধ্যে
    সুনামগঞ্জ=১ (তাহিরপুর,মধ্যনগর,ধর্মপাশাও জামালগঞ্জ)-আসনে বেসরকারী ভাবে বিজয় হয়েছেন ধানের শীষ প্রতিকের  প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল।তিনি ১লক্ষ ৬১হাজার ৭৭৪ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রীতিকে তোফায়েল আহমদ ৯২হাজার ৯৬৬ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।এখানে ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রে শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ঐ আসনে হ্যা ভোটের পক্ষে ১,৪২,৮১৩ ভোট এবং না ভোটের পক্ষে ৬৯,৬৯৩ভোট ভোটাররা প্রদান করেন।
    ‎‎সুনামগঞ্জ=২ (দিরাই, শাল্লা)-আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ নাছির চৌধুরী তিনি ৯৯হাজার ৫২২ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিেদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোঃ শিশির মনির ৬৩ হাজার ২২০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। ঐ আসনে ১১১টি ভোট কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এখানে হ্যা ভোটের পক্ষে ছিল ৬৭,৪১০ভোট এবং না ভোটের পক্ষে ৭০,৮২৩ ভোট।
    ‎‎সুনামগঞ্জ=৩ ( জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ)-আসনে ১৪৮টি ভোট কেন্দ্রে শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এবং এই আসনে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হন ধানের শীষের প্রার্থী কয়ছর আহমদ, তিনি ৯৭হাজার ৩১৩ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র  তালা প্রতিকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন ৪২হাজার ২২৬ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। ঐ আসনে হ্যা ভোটের পক্ষে ৯৩,২৭৪ভোট এবং না ভোটের পক্ষে ৪৫,৪১৯ভোট।
    ‎‎সুনামগঞ্জ=৪ ( সদর ও বিশ্বম্ভর)-আসনে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এড.নুরুল ইসলাম নুরুল, তিনি পেয়েছেন ৯৮হাজার ৯২ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সামছ উদ্দিন ৭৫হাজার ৭৩৫ভোট পেয়ে পরাজিত হন।এই আসনে ১১৬টি ভোট কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও এই আসনে গণভোটের হ্যা ভোটের সংখ্যা ছিল ১,২৩,৮২৯ ভোট এবং না ভোটের সংখ্যা ছিল ৫৩,৯১৮ভোট।
    ‎‎সুনামগঞ্জ=৫(ছাতক, দোয়ারা)-আসনে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হন ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। তিনি ১লক্ষ ৫২হাজার ৯৯৭ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী আবদুস সালাম আল মাদানী তিনি ৯৯হাজার ৯২৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। ঐ আসনে ১৭১টি ভোট কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ‎হ্যা ভোটের সংখ্যাছিল ১,৪৭,৯২৪ ভোট এবং না ভোটের সংখ্যা ছিল ৭৬,৫৩০ ভোট।।
    ১২ই ফেব্রুয়ারী গভীর রাত ২ঘটিকায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বেসরকারী ভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষনা করেন। প্রথমে তিনি সারা জেলার প্রত্যেকটি কেন্দ্রের ফলাফল একএক করে ঘোষণা করেন পরবর্তীতে রাত ২ঘটিকায় সমগ্র জেলার ৫টি আসনে নির্বাচিত বিজয়ী প্রার্থী ও ধানের শীষের ফলাফল চুড়ান্ত ভাবে ঘোষনা করেন। ##



  • রাজধানী ঢাকা-৮সহ সাভার- আশুলিয়ায় ভোটকেন্দ্র দ-খলের চেষ্টায় ধাও-য়া-পা-ল্টা ধাওয়া

    রাজধানী ঢাকা-৮সহ সাভার- আশুলিয়ায় ভোটকেন্দ্র দ-খলের চেষ্টায় ধাও-য়া-পা-ল্টা ধাওয়া

    হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনসহ ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা-৮ আসনে এমপি পদপ্রার্থী মির্জা আব্বাস ও নাসিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
    একই সময়ে ঢাকা-১৯ আসনের সাভার ও আশুলিয়ার কয়েকটি ভোটকেন্দ্রেও দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে এবং অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করেন। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

  • অ-বৈধ অনুপ্রবেশ করে ভোট কেন্দ্র দ-খলের চেষ্টায় জামায়াতের দুই এজেন্টকে ২বছর স-শ্রম কা-রাদণ্ড

    অ-বৈধ অনুপ্রবেশ করে ভোট কেন্দ্র দ-খলের চেষ্টায় জামায়াতের দুই এজেন্টকে ২বছর স-শ্রম কা-রাদণ্ড

    হেলাল শেখঃ ঢাকার মিরপুর শহিদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টার দায়ে জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কার দুইজন এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক তাদের কারাদণ্ড এ দেন। তারা হলেন- মেহেদি হাসান খাদেম (৩২), রাইহান হোসেন (২৩)। তাদের দুজনের কাছ থেকে ২টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

    ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই দুই এজেন্ট কেন্দ্রের পোলিং অফিসার মোছা. সুমনা ইসলামের (সহকারী শিক্ষিকা) সহায়তায় ভোটকেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৩(২)(বি) অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    এদিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পোলিং অফিসার মোছা. সুমনা ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর ৬নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র।

  • আশুলিয়ায় ভোট কেন্দ্র দ-খল চেষ্টার অভিযোগে সেনাবাহিনীর হাতে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আ-টক

    আশুলিয়ায় ভোট কেন্দ্র দ-খল চেষ্টার অভিযোগে সেনাবাহিনীর হাতে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আ-টক

    হেলাল শেখঃ ঢাকা-১৯ আসনের আশুলিয়ায় দুইটি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল ধামসোনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নতুননগর নিউ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ৯জনকে আটক করে।

    আটকৃতরা হলেন-ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন মধুপুর এলাকার শামসুল হকের ছেলে আব্দুর রহমান (৪২), বশির উদ্দিন বেপারীর ছেলে মো. শাহজাহান বেপারী (৬৪), ইয়াকুব আলীর ছেলে মোহাম্মদ সরোয়ার (৫২), শাহজাহান বেপারীর ছেলে মো. জুলহাস উদ্দিন (২৪), মো. বাবুল হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৩), আহমদ আলীর ছেলে মো. সুজন (২০), মো. তাইজুল ইসলামের ছেলে মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০), আখতার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (৩৬) এবং গোপিপাড়া এলাকার দানেজ আলী শেখের ছেলে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (৩৫)। তারা সবাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর সমর্থক বলে জানান স্থানীয়রা।

    এছাড়াও একই সময়ে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নলাম ভোটকেন্দ্রে পৃথক অভিযান চালিয়ে আরও ৪জনকে আটক করা হয়।

    আটকৃতরা হলেন-আশুলিয়া থানাধীন নলাম বাগবাড়ি এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. মন্টু মিয়া (৩৫),পানপাড়া এলাকার মো. আলী হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল মিয়া (৩৬), একই এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৩৭) এবং মজিদ বেপারীর ছেলে রাকিব হোসেন (৩৯)। তারাও একই প্রার্থীর সমর্থক বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার এসআই সায়মন শেখ গণমাধ্যমকে বলেন, সেনাবাহিনী রাতেই ১৩ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

  • বৈ-ষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে এনসিপি নেতা এড,মাহবুব এর আহবান

    বৈ-ষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে এনসিপি নেতা এড,মাহবুব এর আহবান

    আরিফ রাব্বানী,ময়মনসিংহ :
    বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন মুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে হ্যা ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়েছে ময়মনসিংহে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলার অন্যতম নেতা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ-৭ আসনে মনোনীত অ্যাম্বেসেডর ও এন পি এস গনমাধ্যম মানবাধিকার সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম।

    রাত পোহালেই ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এইদিন আলাদা ব্যালটে ভোটাররা যে গণভোটে ভোট দিবেন সেখানে সুনির্দিষ্ট করে খুব অল্প করে মাত্র চারটি বিষয় লেখা থাকবে। এই সনদ বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন আছে কী-না, সেই প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিবেন ভোটাররা।

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নির্বাচনের শুরুই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ-৭ আসনে মনোনীত অ্যাম্বেসেডর ও এন পি এস গনমাধ্যম মানবাধিকার সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম এর পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ জেলায় গণভোট নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা করা হয়। প্রথম থেকে নির্বাচন প্রচারণার শেষ সময় পর্যন্ত এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম এর পক্ষ থেকে শুধুমাত্র গণভোট নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রচারণা শুরু করেন তিনি।

    যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, “হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে দেশ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে”।

    সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট, দফায় দফায় রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠকের পর গণভোটে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি প্রস্তাবনা সাংবিধানিক এবং ৩৭টি সাধারণ আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার কথাও জানিয়েছে সরকার।

    এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম তার প্রচারণায় ভোটারদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং নাগরিক অধিকার, ভোটের গোপনীয়তা ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেন।

    লিফলেটে বলা হয়, প্রত্যেক ভোটারের ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং কোনো ভয়-ভীতি বা বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটার কাউকে বাধ্য নন তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন তা জানাতে। ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়।

    এদিকে গণভোটের প্রশ্ন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর চার দফা প্রসঙ্গে লিফলেটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কয়েকটি প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি (হ্যাঁ/না) প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কাঠামো, ভবিষ্যতে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কাঠামো, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো প্রস্তাবগুলোর কথাও রয়েছে।

    লিফলেটে আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে হয়রানি বা অনিয়ম দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা স্থানীয় নির্বাচন অফিসে অভিযোগ জানাতে হবে। এতে আরও নলা হয়েছে-এক ব্যালটে হবে প্রার্থীর ভোট-গোলাপী ব্যালটে দিবো হ্যা ভোট।

    এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম এর প্রচারণায় ভোটারদের উদ্দেশে ভুয়া তথ্য ও গুজব নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করা জরুরি। নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

    স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, লিফলেটের মাধ্যমে ভোটাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের বিষয়টি সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা পাওয়া গেছে।

    প্রচারকারীরা বলছেন, গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; নির্বাচনের বাইরে কমিউনিটি উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাজ পর্যবেক্ষণ করাও নাগরিক দায়িত্বের অংশ।

    এ বিষয়ে এনসিপি নেতা এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, ভোটারদের সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য ছিলো। আশা করছে সকলকে সচেতন করতে পেরেছি। রাত পোহালেই ভোট সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কার উদ্যোগে সমর্থন জানায়- ময়মনসিংহবাসীর কাছে আমরা এটাই প্রত্যাশা করছি

  • রাজশাহী ১ আসনে তিন প্রর্থীর বাড়ি গোদাগাড়ী, জ/য় নির্ধারণ তানোরের ভোটে

    রাজশাহী ১ আসনে তিন প্রর্থীর বাড়ি গোদাগাড়ী, জ/য় নির্ধারণ তানোরের ভোটে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন চারজন প্রার্থী এর মধ্যে তিনজন প্রার্থী হচ্ছে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার অন্যজন রাজশাহী সিটির বোয়ালিয়া থানার। তিনজন নিজ এলাকার কমবেশি সবাই ভোট টানবেন। ফলে সবার নজর এখন তানোর উপজেলার দিকে। এখান থেকে যে প্রার্থী যত বেশি ভোট টানতে পারবেন এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন সম্প্রদায়ের ভোট পাবেন, তাঁর জয়ের সম্ভাবনা তত বেশি।
    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৯টি। এর মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভোটার প্রায় ৮০ হাজার ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারগণ আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
    তবে এ আসনে ‘ধানের শীষ’ ও ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এই আসনে এবার চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে ভোটের মাঠে আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে মূলত বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে ঘিরে।
    মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক সামরিক উপদেষ্টা। অন্যদিকে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর। তিনি ১৯৮৬ সালে একবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে সংসদ সদস্য ছিলেন শরীফ উদ্দীনের বড় ভাই প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। অপর দুই প্রার্থী হলেন এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের আব্দুর রহমান ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মীর ম. শাহজাহান।
    আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান ও গণধিকার পরিষদের মীর মোঃ শাহজাহান মাঠে নেই বললে চলে। দু’জনেই জামানত ঝুঁকিতে আছে। বিএনপি ও জামায়াতের প্রচারণাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার মতো ছিল। বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, পথসভা ও কর্মী সমাবেশে এলাকা সরগরম থাকলেও এবি পার্টি ও গণধিকার পরিষদের তেমন কোনো গণ-সংযোগ ছিলনা বললেই চলে । ফলে ভোটের লড়াই কার্যত দ্বিমুখী হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
    এবার ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ নেই। স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটাররা যেকোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এছাড়াও
    এ আসনে সনাতন ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভোটার রয়েছে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার। ফলে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নানাভাবে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি আওয়ামী সমর্থিত ভোটার টানার চেষ্টা করছেন। ভোট টানতে নিয়মিত পথসভা, সমাবেশ, উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ শেষ করেছেন প্রার্থীরা।
    এছাড়াও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবার সনাতন-ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী
    আওয়ামী লীগ, নারী ও তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের অংশগ্রহণই নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    তাই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতিটি কেন্দ্রে নারী ও আওয়াামী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    গোদাগাড়ী উপজেলার মাধাইপুর, হাজিপাড়া, বেজড়া ও কেশবপরে অনেকের সঙ্গে কথা বল জানা গেছে, ভোটের আলাপ তুলতেই তাঁরা ভোটের হিসাব-নিকাশ ও সমীকরণের চিত্র তুলে ধরছেন। বেজড়া গ্রামের আব্দুল আওয়াল বলেন, লোকজনের কথা তো শুনতে পাই। সাধারণ মুসলিম ভোটার এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটাররা অর্ধেক অর্ধেক হয়ে গেছে। হিন্দু ভোটাররা ভাগ হয়েছে। ভোটাররা দম ধরে আছে।
    নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, রাস্তাঘাট সংস্কার, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নসহ নিজের পক্ষে ভোট টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাঁরা।
    অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘একটা অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার উঠেছে। সমাবেশগুলোতে এত মানুষ আসছেন, দেখে অবাক হচ্ছি। যিনি বিগত দিনে এমপি ছিলেন, তিনি সততার কাজ করেননি। ফলে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবেন ইনশাআল্লাহ। আদিবাসী হিন্দুসহ অন্য ধর্মাবলম্বী গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও আমাদের পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করছেন।’
    এদিকে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বলেন, আমার ভাই ব্যারিস্টার আমিনুল হক কয়েকবার মন্ত্রী ছিলেন এলাকায় স্কুল-কলেজ, রাস্তঘাটসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। আরেক ভাই ড. এম আসাদুজ্জামান পানি সংকট নিরসনে কাজ করেছেন এবং বিএমডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। শরিফ উদ্দিন আরো বলেন, ‘এই আসন অতীতে একাধিকবার বিএনপির এমপি মন্ত্রী ছিল। জনগণ পরিবর্তন চায়। সুষ্ঠু ভোট হলে বিজয় নিশ্চিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে আমরা মাঠে আছি।’