Category: দেশজুড়ে

  • রাজশাহী ১ আসনে বাঘে সিংহের লড়াই বেশ জমে উঠেছে। বিএনপি, জামায়াত কেউ কাকে ছাড় দিতে নারাজ

    রাজশাহী ১ আসনে বাঘে সিংহের লড়াই বেশ জমে উঠেছে। বিএনপি, জামায়াত কেউ কাকে ছাড় দিতে নারাজ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভিআইপি আসন হিসেবে খ্যাত রাজশাহী ১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এবি পাটির প্রার্থীদের মাঠ পর্যায়ে গণসংযোগ, পথসভার, মিনি টুর্নামেন্ট, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, মসজিদের অনুষ্ঠান, মাহাফিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। মাঠে চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। চলছে সমীকরণ, দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাসহ প্রার্থীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন নিজ নিজ প্রার্থীর সমর্থনে নেতা, কর্মী সমর্থকগন।

    রাজশাহী ১ আসনটি উপজেলা গোদাগাড়ী ও তানোর নিয়ে গঠিত। রাজশাহী – ১ (গোদাগাড়ী – তানোর) আসনটির মোট আয়তন ৭৬৭.৫৩ বর্গ কিলোমিটার।

    রাজশাহী-১ আসনের ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫২ রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে গোদাগাড়ী উপজেলায় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯১০ জন। আর তানোর উপজেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭০ জন। এ আসনের কিংমেকার’ হতে পারেন নারীরাই। বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক বড় অংশের বসবাস রয়েছে এ আসনে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা খুবই সাধারণ জীবন যাপন করে থাকেন। মাঠে ঘাটে কৃষি কর্মে তাদের সময় কাটে অধিক। তাদের বসে আনতেও চলছে নানা তৎপরতা। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, শীর্ষ পর্যায়ের হেভিওয়েট বিএনপির এবং জামায়াতের নায়েবী আমির প্রার্থীর মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটারদের ধারণা-এ আসনে মূলত দ্বিমুখী হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এ আসনে ১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান। তিনি এবারেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী। পিতার নাম সেরাজুল ইসলাম। অপরদিকে, বরেন্দ্র বহুমূখি উন্নয়ন প্রকল্পের কর্ণধর, অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মরহুম ড. আসাদুজ্জামান ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ সাবেক মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহোদর ভাই ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরিফ উদ্দিন নির্বাচন করছেন ধানের শীষ প্রতীকে। কিন্তু তিনি এর আগে কোন এমপি নির্বাচনে অংশ নেননি। তার বাড়ি গোদাগাড়ীর কেল্লাবাবুইপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম ফহিম উদ্দীন বিশ্বাস। কিন্তু তানোর উপজেলা থেকে এবারে এ আসনে কোন এমপি প্রার্থী দাঁড়াননি। এ উপজেলায় কোন প্রার্থী না থাকায় বড় ফ্যাক্টর এ উপজেলার ভোটারগণ।

    এছাড়াও এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন- গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মির মো. শাহজাহান। তার পিতার নাম মির মো. আজাহার। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। বাড়ি রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকায়। অপরদিকে, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার সারাংপুর রোডপাড়া শ্যামপুর এলাকায়। তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এ আসনটি নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ২০০৮ এর পূর্বে বিএনপি তথা মরহুম ব্যারিষ্টার আমিনুল হকের দখলে ছিল। এখন দলীয় সমীকরণ বদলেছে, ভোটে আ.লীগ প্রার্থীর অংশগ্রহণ না থাকলেও মাঠে ফিরেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ। স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের লড়াই মূলত বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মো. শরিফ উদ্দিন ও জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। তাদের বাড়ি একই উপজেলার গোদাগাড়ীতে। বিশেষ করে এ দুই প্রার্থীর মধ্যে বিপুল সংখ্যক ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় প্রার্থীদের মাঝে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিক থেকে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি এবং জামায়াতও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই। জামায়ের প্রার্থী অভিজ্ঞ একবার নির্বাচন করে এমপি। নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    এদিকে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিনুল হক রাজশাহী-১ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে একদলীয় নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ১৯৯৬ সালের সপ্তম এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠনকালে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। সেইসাথে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।

    কিন্তু শরিফ উদ্দিন মরহুম ড. আসাদুজ্জামান ও ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহোদর ভাই হবার সুবাদে তাদের নিজস্ব ভোটব্যাংক ও বিএনপির নীরব সমর্থন রয়েছে বলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছেন। নারী কর্মীদের সম্পৃক্ত করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগঠিত প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি ও তার কর্মী সমর্থকরা। আর নিষিদ্ধ আ.লীগের ভোটার ও কর্মী সমর্থকরা নীরবে গোপনে যে দলের প্রার্থীর দিকে যাবে তিনি বেশ এগিয়ে যাবেন।
    তবে, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মির মো. শাহজাহান ও এবি পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় এখনো এখনও পিছিয়ে রয়েছেন। এছাড়াও তারা বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেন না বলেই অধিকাংশ ভোটারের অভিমত। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ভোটারদের মাঝে উত্তাপ ততই বাড়ছে। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের রায়ে। এখন শুধু অপেক্ষার পালা রাজশাহী-১ আসনে এমপি হিসেবে ভোটাররা কাকে বেছে নেন সেটায় দেখার বিষয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা মাহবুব মাস্টারের জামায়াতে যোগদান

    বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা মাহবুব মাস্টারের জামায়াতে যোগদান

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি ॥
    বরিশালের বানারীপাড়ায় তিন শতাধিক নেতাকর্মীসহ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির অন্যতম সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার।
    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের আয়োজনে এক উঠান বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি ও তার অনুসারীরা জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান শাহাদত, পৌর জামায়াতের আমির মো. কাওছার হোসাইনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
    এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দলের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র, অবমূল্যায়ন ও বঞ্চনার অভিযোগ তুলে বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন মাহবুব মাস্টার।
    পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে হামলা, মামলা, জেল-জুলুম সহ্য করে দলের জন্য কাজ করেছেন। একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে তিনি দলীয়ভাবে অবহেলিত, লাঞ্ছিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন—যার কারণে বাধ্য হয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
    তার পদত্যাগের পর থেকেই বরিশাল ও বানারীপাড়া বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    জানা যায়, পদত্যাগের আগের দিন বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে দলটির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন—
    “দেয়ার ছিল অনেক, দিয়েছিও অনেক। চাওয়া ছিল শুধু একটু মূল্যায়ন আর যোগ্য আসন। ব্যর্থতা কার? আমার?”
    আরেকটি আবেগঘন পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, দলের দুঃসময়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার তিনি রেখেছেন। তবে এখন সুবাতাস বইতে শুরু করায় হয়তো তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে।
    পদত্যাগের পর ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহবুব মাস্টার লেখেন—
    “একজন নেতার ভয়ঙ্কর ইগো এবং কতিপয় দালালের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শহীদ জিয়ার গড়া দল থেকে অব্যাহতি নিলাম। দীর্ঘ ৪৫ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করা ত্যাগী নেতাকর্মীদের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

    মোঃ সাব্বির হোসেন ।।

  • শাজাহানপুরে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা সুষ্ঠু ও সু/শৃংখল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    শাজাহানপুরে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা সুষ্ঠু ও সু/শৃংখল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪২ বগুড়া-৭ ( শাজাহানপুর -গাবতলি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোরশেদ মিল্টনের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা সুষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ৩০/০১/২০২৬ ইং,রোজ:-শুক্রবার ০৯ নং আমরুল ইউনিয়নের ১নং ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন মিন্টুর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক,এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মাশফিকুর রহমান মামুন, ১নং ভোট কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মাহতাবউদ্দিন সন্টু,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা মতিউর রহমান বাদশা,উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ পায়েল,প্রবীণ বিএনপি নেতা আতাহার আলী মোমদেল,আমিনুর রহমান, আলীমুদ্দিন মোল্লা,মমদেল মোল্লা,আমিনুর, ইউনিয়ন কৃষকদলনেতা আরজু,ওলামা দলের সদস্য সচিব নাফিস , স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুম্মান,ছাত্রদল নেতা সোহেল,মিনহাজ,তানভীর, বাবু সহ আমরুল ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
    আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন শাজাহানপুর উপজেলা জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক, ১নং নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বিপুল রানা মোল্লা ।

  • মোরেলগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ শীর্ষ নেতার হ/ত্যার প্রতি/বাদে উত্তাল রাজপথ গ্রে/প্তার ও দৃষ্টা/ন্তমূলক বি/চারের দাবি

    মোরেলগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ শীর্ষ নেতার হ/ত্যার প্রতি/বাদে উত্তাল রাজপথ গ্রে/প্তার ও দৃষ্টা/ন্তমূলক বি/চারের দাবি

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যার প্রতিবাদে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টায় মোরেলগঞ্জ পৌর জামায়াতের উদ্যোগে নব্বইরশী বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় পরিণত হয়।
    প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান সাঈফ, পৌর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাস্টার আল আমিন, সহ-সেক্রেটারি রেজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আলীম, জামায়াত নেতা অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ তালুকদার এবং যুব জামায়াতের পৌর সভাপতি মেহেদী হাসান নিয়াজ।
    বক্তারা বলেন, মাওলানা রেজাউল করিমের হত্যাকাণ্ড একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় সারাদেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
    সমাবেশে শহীদ মাওলানা রেজাউল করিমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় বক্তারা আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীমের পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

  • ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ নিয়ে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরখরিচা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী। পরিদর্শনকালে তিনি ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে ভোটকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী বলেন, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ভোট কেন্দ্রগুলো ধারাবাহিকভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। পরিদর্শনকালে কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কক্ষ বিন্যাস, ভোটগ্রহণের পরিবেশ, উপকরণ সংরক্ষণ কক্ষ এবং প্রবেশপথের সুবিধাসমূহ পর্যবেক্ষণ করছি। পরিদর্শনের উদ্দেশ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, সামনে নির্বাচন। যাতে করে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা যায়। একই সঙ্গে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এসব বিষয়ে কেন্দ্রভিত্তিক সব ধরনের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এসময় ইউএনও ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন, ভোটারদের ভোগান্তি লাঘব এবং সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    তিনি বলেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে যে কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সক্রিয় থাকতে হবে।

    পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, আইসিটি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শীতের পিঠায় হাসি ফুটল এতিম শিশুদের মুখে

    শীতের পিঠায় হাসি ফুটল এতিম শিশুদের মুখে

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন , পঞ্চগড়: শীতের সকালে মিষ্টি পিঠার ঘ্রাণ আর আনন্দের হাসিতে মুখর হয়ে উঠেছিল পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের জলাপাড়া গ্রামে অবস্থিত আহছানিয়া মিশন শিশু নগরী। সেখানে শীতের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবে অংশ নেয় প্রতিষ্ঠানটিতে বসবাসরত এতিম, পথশিশু ও পরিবারবিচ্ছিন্ন প্রায় দেড় শতাধিক শিশু।

    ঢাকা আহছানিয়া মিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত শিশু নগরীটি বর্তমানে ১৫০ জন শিশুর নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এদের বেশির ভাগই শৈশবেই হারিয়ে গেছে পরিবার থেকে, অনেকেরই নেই বাবা-মায়ের পরিচয়।

    শুক্রবার দুপুরে শিশুদের আনন্দ দিতে পঞ্চগড়ের সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকারের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় শীতের ঐতিহ্যবাহী দুধ পিঠার উৎসব। নিজ হাতে শিশুদের পিঠা পরিবেশন করেন তিনি। এতে শিশু নগরীতে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, চোখেমুখে ফুটে ওঠে উচ্ছ্বাস আর আনন্দ।

    পিঠা খেয়ে খুশির কথা জানায় আব্দুর রাহিম নামে এক শিশু। সে বলে, অনেক দিন পর এমন মজার পিঠা খেলাম। খুব ভালো লাগছে।

    হযরত নামে আরেক শিশু জানায়, আজকে আহসান আঙ্কেল এসে আমাদের পিঠা খাওয়াইছে। পিঠা খাইছি, খুব আনন্দ লাগছে। তার জন্য সবসময় দোয়া করবো।

    এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকার বলেন, এই শিশুরা আমাদের সমাজেরই অংশ। তাদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারলে সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। শীতের পিঠার আনন্দ তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতেই এই ছোট আয়োজন। সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসে, তাহলে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    আহছানিয়া মিশন শিশু নগরীর সেন্টার ম্যানেজার দীপক কুমার রায় বলেন, শিশুদের জন্য এ ধরনের আয়োজন তাদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজ শিশুরা খুব আনন্দিত। সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যদি এসব এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ান, তাহলে তারা ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্পদে পরিণত হবে।

    তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকারকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। শিশুদের জন্য এমন উৎসবমুখর পিঠা আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।

  • নলছিটিতে রানাপাশা ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক অ-নুষ্ঠিত

    নলছিটিতে রানাপাশা ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক অ-নুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে নলছিটি রানাপাশা বি এন পির উদ্যোগে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুটোর পক্ষে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা হাসিব বিল্লার বাড়ি ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করা এবং উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয় ।
    উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ৪ নং রানাপাশা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ ইলিয়াছ মোল্লা । অত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম রনি, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার,সাধারন সম্পাদক মো নেছাব আলি কামরুল, সাবেক সভাপতি মোতালেব হোসেন মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুলফিকার আলী জুলহার শিকদার, যুগ্ন আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম সজল, যুগ্ন আহবায়ক আসলাম হাওলাদার, যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মো শহিদুল ইসলাম মোল্লা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খলিফা, যুবদল নেতা কাইয়ুম সিকদার, মোস্তফা কামাল ফকির,আল আমিন ফকির, মিজানুর রহমান লাচ্চু, ছাত্রদল নেতা আবু বক্কার সিদ্দিক, হাসিব বিল্লাহ, রিয়াজ, বাইজিদ, সজিব,মোঃ লিজান হোসেন সহ ইউনিয়ন বি এন পি অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জয়ের মামা হাতেম আলী সরদারের জানাজা ও দা-ফন সম্পন্ন

    সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জয়ের মামা হাতেম আলী সরদারের জানাজা ও দা-ফন সম্পন্ন

    হেলাল শেখঃ আইটিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়ের মামা মোঃ হাতেম আলী সরদার (৭০) আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) ভোর ৬টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    মরহুমের জানাজার নামাজ শুক্রবার বিকেল ৫টায় পাবনার আমিনপুর থানার রতনগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

    এ সময় মরহুমের ভাগিনা মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, “আমার মামা একজন অত্যন্ত ভালো ও ধর্মভীরু মানুষ ছিলেন। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন- তার আত্মার মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।”
    মরহুমের মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • গোপালগঞ্জে জেলা জজের বাসভবনে দুষ্কৃতকারীদের ছোঁড়া  ক-কটেল হা-মলার প্রতি-বাদে আইনজীবীদের মা-নববন্ধন

    গোপালগঞ্জে জেলা জজের বাসভবনে দুষ্কৃতকারীদের ছোঁড়া ক-কটেল হা-মলার প্রতি-বাদে আইনজীবীদের মা-নববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সামছুল হকের বাসভবনে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক পৌনে ১০ টার দিকে দুর্বৃত্তদের ছোঁড়া বোমা (ককটেল) হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া ও জেলায় কর্মরত সকল বিচারকগণ, আইনজীবী ও আইনজীবীর সহকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের দাবিতে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মেইন ফটকের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কে দাঁড়িয়ে তারা প্রায় ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান ও সঞ্চালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির বারবার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম জুলকদর রহমান।

    গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এম নাসির আহমেদ -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোঃ আজগর আলী খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সুরা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন সরদার, গোপালগঞ্জ -২ আসনে জাকের পার্টি মনোনীত এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোঃ মাহমুদুর রহমান মাহমুদ সহ আরো অনেকে।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যে কোনো ইস্যুতে গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি অতীতের ন্যায় স্বচ্ছতা বজায় রেখে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে চলেছে। একজন সন্ত্রাসী তার বড় পরিচয় সে একজন সন্ত্রাসী। সে কোন দলের নয়, গোপালগঞ্জ জেলা বিচার বিভাগের প্রধান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সামছুল হক স্যারের বাসভবনে গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে স্যার ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি সাধনের অপচেষ্টা চালিয়েছে, যা কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট জেলা বিচারবিভাগের সকল বিচারকগণ, আইনজীবী ও তাদের সহকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহ প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানান। অন্যথায় নতুন কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা জানান বক্তারা।

    মানববন্ধন কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির প্রায় দুই শতাধিক আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পুঠিয়ায় অটোরিক্সা ও নছিমনের সং-ঘর্ষে অটোচালক নিহ/ত

    পুঠিয়ায় অটোরিক্সা ও নছিমনের সং-ঘর্ষে অটোচালক নিহ/ত

    পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় অটোরিক্সা ও নছিমনের 

    মুখোমুখি সংঘর্ষে রবিউল ইসলাম (২৮) নামের এক অটোরিক্সা চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে পুঠিয়া-তাহেরপুর আঞ্চলিক সড়কের ধোপাপাড়া মোহনপুর মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রবিউল ইসলাম নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর দিঘা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম তার অটোরিক্সা নিয়ে পুঠিয়া থেকে তাহেরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। ধোপাপাড়া মোহনপুর মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা গরুবোঝাই একটি নছিমনের সঙ্গে তার অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিক্সাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে রবিউলের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।

    স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার পর ঘাতক নছিমনটি আটক করেছে পুঠিয়া থানা পুলিশ। তবে নছিমনের চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মাজেদুর রহমান (মাজদার) 
    পুঠিয়া রাজশাহী।।