Category: দেশজুড়ে

  • মোস্তফা প্রি ক্যাডেট স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বি-তরণ 

    মোস্তফা প্রি ক্যাডেট স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বি-তরণ 

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে উৎসব মুখর পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ শনিবার সকালে কুতুবের চর মাঠে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,যশোর সরকারি মধুসূদন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক খ.ম রেজাউল করিম,রায়গঞ্জ সদর মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক,সাংবাদিক সাজেদুল আলম, লেখক,গবেষক উজ্জ্বল কুমার মাহাতো,শিক্ষক আব্দুস সালাম,সাংবাদিক সাহেদ আলী,রফিকুল ইসলাম মন্টু,আব্দুর রহিম,হোসেন আলী,তুষার আহমেদ প্রমুখ।সকাল ৯ টা হতে বিকেল পর্যন্ত ৩৯টি ইভেন্টে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। স্কুলের অধ্যক্ষ মোস্তফা জামানের সভাপতিত্বে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান শুরু হয়। দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শেষে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।   
    পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত  বক্তব্যে বক্তারা বলেন,লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই।খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়।এমনকি মাদকসহ সব ধরনের নেশা থেকে দূরে রাখে।

  • ‎সুনামগঞ্জের মহনপুর ইউনিয়নে ধ/র্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু – ধ/র্ষক আটক

    ‎সুনামগঞ্জের মহনপুর ইউনিয়নে ধ/র্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু – ধ/র্ষক আটক

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মহনপুর ইউনিয়নের তাজ নগর গ্রামে ২য় শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পাষন্ড ঘাতককে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে। বর্তমানে মুমূর্ষ অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  রয়েছে ৭ বছরের ঐ শিশু মেয়ে ফৌজিয়া । সে মোহনপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজার আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন স্কুলে নার্সারী-২তে পড়ে। প্রত্যক্ষদোষী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে ইউনিয়নের তাজনগর গ্রামে ৭ বছরের শিশু মেয়ে ফৌজিয়া তার ৫ বছর বয়সী ছোট ভাই বাইজিতকে নিয়ে পাশের বাড়ির উঠানে খেলতে যায়।  এসময় পাশের বাড়ির পাষন্ড জিয়াউর রহমান (৪০),মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ঘরের ভিতরে নিয়ে যায় এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এসময় ভাই বাইজিত দৌড়ে এসে নিজ বাড়িতে তার মায়ের কাছে বলে ফৌজিয়াকে পাশের বাড়ির জিয়াউর রহমান মুখে চেপে ধরে ঘরের ভিতরে নিয়ে গেছে। বাইজিতের কথা শুনে আশপাশের লোকদের নিয়ে মেয়েটির স্বজনেরা পাষন্ড জিয়াউর রহমানের ঘরের দরজায় ডাকতে থাকেন।  পরে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এলাকাবাসী ৭ বছরের শিশু মেয়েটিকে মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়নের জামা কাপর ছাড়া অসচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং ধর্ষণকারী জিয়াউর রহমানকে হাতে নাতে আটক করে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী। ঘটনার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণকারী জিয়াউর রহমানকে আটক করে। নির্যাতনের শিকার শিশু মেয়েটিকে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম)’ এর  তত্বাবধানে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মুমূর্ষ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মেয়েটি পুলিশের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় মেয়ের চাচা মোঃ আলী আহমদ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন যার মামলা নং-৫০,তারিখ ২৯/১/২০২৬ইং, ধারা – নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন_( ২০০০ সনের-৯ এর (১) ধারা। এব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।  নির্যাতনের শিকার শিশুটি অনেক আহত হয়েছে পুলিশের তত্বাবধানে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে,  ঘাতক ধর্ষণকারী আসামীকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, আশা করি অপরাধী আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে। এই নেক্কার জনক ঘটনার জন্য আমরা হতভঙ্গ হয়েছি, কি করে একটি শিশুর সাথে এমন নির্মম নির্যাতন কাজ করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।###

  • গোপালগঞ্জে এবার আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কম্পাউন্ডে দু-র্বৃত্তদের ছোঁড়া ক-কটেল বিস্ফো-রণ 

    গোপালগঞ্জে এবার আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কম্পাউন্ডে দু-র্বৃত্তদের ছোঁড়া ক-কটেল বিস্ফো-রণ 

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ শহরের বেদগ্রাম এলাকায় আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।  এ নিয়ে জেলা শহরের তিন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা বেদগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ন (২বিএন) সদর দপ্তরের ভেতরে ডাইনিং বিল্ডিং ও মডেল বিল্ডিংয়ের মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় জর্দার কৌটায় কালো স্কচটেপ পেঁচানো একটি ককটেল অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা নিক্ষেপ করে। ককটেল বিস্ফোরণে এলাকায় বিকট শব্দ হয়। তবে এতে কোন হতাহত বা কোন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ বেদগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাসকিন আরা জানান, “জর্দার কৌটায় কালো কসটেপ পেঁচানো ককটেলটি নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন নন বলেও জানান। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।” তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে এ নিয়ে গত ৫ দিনে জেলায় তিনটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো।
    গত সোমবার রাত পৌঁনে ১০টায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে, বুধবার রাত পৌঁনে ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের বাসভবনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ এসব ঘটনার তদন্ত করছে। পুলিশ ও আইন শৃংখলা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে আলামত ও সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি তবে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের বাসভবনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা হবে।

  • মুকসুদপুরে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারা

    মুকসুদপুরে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারা

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    টগোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ইসলামী আদর্শভিত্তিক ন্যায়, ইনসাফ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রতি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও গণঅধিকার পরিষদের গোপালগঞ্জ জেলা, মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মুকসুদপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পার্টি অফিসে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ও উৎসবমুখর যোগদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হন। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ নবযোগদানকারী নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    যোগদানকারী নেতৃবৃন্দ হলেন— হাসিবুল ইসলাম, জেলা সভাপতি, যুব অধিকার পরিষদ, গোপালগঞ্জ; মোঃ নাঈম সরদার, সভাপতি, ৮নং ওয়ার্ড, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মুকসুদপুর পৌরসভা; মিরাজুল ইসলাম খলিফা, সাধারণ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ, গোপালগঞ্জ জেলা; মোঃ আহাদ মোল্লা, সভাপতি, যুব অধিকার পরিষদ, মুকসুদপুর উপজেলা; মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, সভাপতি, যুব অধিকার পরিষদ, কাশিয়ানী উপজেলা;
    মোঃ মোরসালিন শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুব অধিকার পরিষদ, কাশিয়ানী উপজেলা;ইমরান হোসেন মফিজ, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক, যুব অধিকার পরিষদ, মুকসুদপুর উপজেলা শাখা এবং মোহাম্মদ আরমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, যুব অধিকার পরিষদ, উজানী ইউনিয়ন, মুকসুদপুর।

    নবযোগদানকারী নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইসলামী আদর্শভিত্তিক, ন্যায়পরায়ণ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা তারা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন বলেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে তারা সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, এই যোগদানের ফলে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংহত ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে ইসলামী রাজনীতির ভিত্তি আরও বিস্তৃত হয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

  • চাঁ-দাবাজ মুক্ত আধুনিক  ভালুকা গড়ে তুলতে হরিণ প্রতীকে ভোট চান ভালুকার মোর্শেদ আলম

    চাঁ-দাবাজ মুক্ত আধুনিক ভালুকা গড়ে তুলতে হরিণ প্রতীকে ভোট চান ভালুকার মোর্শেদ আলম

    স্টাফ রিপোর্টার:
    সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত আধুনিক ও মানবিক ভালুকা গড়ে তুলতে “হরিণ” প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারী) সন্ধায় উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড এলাকায় গণসংযোগ কালে তিনি ভোটারদের প্রতি এই আহবান জানান।

    উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মোর্শেদ আলম বলেন, আপনাদের ভোটে আমি হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম, আপনাদের চেয়ারম্যান হিসেবে পরবর্তীতে আমি বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামে মহাসচিব হতে পেরেছিলাম।

    আপনাদের সন্তানকে সারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান-মেম্বারগণ সম্মান দিয়ে ছিলো, এই সম্মান আপনাদের। হরিণ প্রতীকে ভোট চেয়ে মোর্শেদ আলম বলেন, বিগত দিনে খালি হাতে আপনারা আমাকে ফিরিয়ে দেননি, আপনারা আমার সাথে ছিলেন, আছেন ও আগামী দিনেও আমার সাথে থাকবেন এটা আমার বিশ্বাস।

    তিনি বলেন, আমার ব্যক্তি জীবনে কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। আপনারা আমার পাশে থাকেন, আমরা সবাই মিলে এই ভালুকাকে সন্তাস, চাঁদাবাজ মুক্ত একটি আধুনিক ও মানবিক ভালুকা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।

    মোর্শেদ আলম বলেন, ১২ তারিখ “হরিণ” প্রতীক পরাজিত হলে, আমার-আপনার প্রিয় এই ভালুকা সন্ত্রাস চাঁদাবাজের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে। “হরিণ” প্রতীক বিজয়ী হলে ভালুকার সাধারণ মানুষের বিজয় হবে। গণসংযোগকালে তার সাথে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    গণসংযোগকালে তিনি ৯নং ওয়ার্ডের নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে হরিণ মার্কার লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোট চান। নির্বাচিত হলে উচ্ছেদ আতঙ্ক দূর করে স্থায়ী আবাসন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম।

  • পাবনার- ২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের নির্বাচনী সভা

    পাবনার- ২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের নির্বাচনী সভা

    এমএ আলিম রিপন, সুজানগর : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পাবনা -২ আসনে দলটির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ্যাডভোকেট এ. কে. এম. সেলিম রেজা হাবিব নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভা করেছেন।
    বৃহস্পতিবার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভা করেন করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, অতীতে যেমন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা নিরাপদ ছিল, তেমনি করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশের পতাকা নিরাপদ রাখতে ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে, জনগণ নিরাপদে থাকে, দেশে সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়।সেলিম রেজা হাবিব আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের সকল দলের মানুষ নিরাপদ থাকবে এছাড়া দেশ থেকে মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূল করা হবে।
    এসময় অন্যান্যদের মাঝে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান, সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডল, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, হারুন মন্ডল, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, ভায়না ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অ-ভিযান, দেশীয় অ-স্ত্র ও ই-য়াবাসহ পাঁচজন গ্রে-প্তার

    নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অ-ভিযান, দেশীয় অ-স্ত্র ও ই-য়াবাসহ পাঁচজন গ্রে-প্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অভিযান, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ পাঁচ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতিতে গভীর রাতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ পাঁচজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক দশটার দিকে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাপ্টেন আয়মান (৬ ইবি)-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানাধীন জয়ানগর ইউনিয়নের দেবদুন এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি বসতবাড়িতে চালানো হয়।
    অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাঁচটি ইয়াবা ট্যাবলেট, পাঁচটি মোবাইল ফোন, একটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি হাসুয়া, একটি ছুরি, একটি স্টিলের তরবারি, একটি কোঁচ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুটি ইউনিফর্ম সেট, একটি হ্যান্ডকাফ এবং নগদ চার হাজার সাতশ চল্লিশ টাকা জব্দ করা হয়।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—দেবদুন গ্রামের মো. ইব্রাহিম কাজী (৩২), পিতা ইলিয়াস কাজী; ফরহাদ শেখ (২৫), পিতা শেখ সৈয়দ আলী; ইসরাফিল মুন্সি (১৬), পিতা ইব্রাহিম মুন্সি; জাহিদুল ইসলাম (২২), পিতা (মৃত) সারোয়ার এবং আব্দুল কাদের (২১), পিতা (মৃত) তাহাদ্দুদ। তাঁরা সবাই নড়াগাতি থানাধীন জয়ানগর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
    গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত মালামালসহ নড়াগাতি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    অভিযানকারী কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আয়মান বলেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদক ও অস্ত্র কারবার প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, সেজন্য স্থানীয়ভাবে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ।
    এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বহুদিন ধরে দেখছি কিছু মানুষ মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। আজকের অভিযানে এলাকার কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আশা করি, প্রশাসন নিয়মিতভাবে এই ধরনের পদক্ষেপ নেবে।” “যুব সমাজকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে এই ধরনের অভিযান জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ সবাইকে সতর্ক করবে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • গোদাগাড়ীতে টমেটো চাষে বিপ্লব- ব্যবসা হয় ১৮শ কোটি টাকার- হি-মাগারের বড্ড অভাব

    গোদাগাড়ীতে টমেটো চাষে বিপ্লব- ব্যবসা হয় ১৮শ কোটি টাকার- হি-মাগারের বড্ড অভাব

    গোদাগাড়ী ( রাজশাহী ) থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ দেশের টমেটো উৎপাদনের বেশিরভাগই হয় রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে । এজন্য ‘টমেটোর রাজ্য’ বলা হয় গোদাগাড়ীকে। তবে গত সাত বছরে টমেটো চাষে ‘নীরব বিপ্লব’ হলেও বাড়নি চাষের জমি। কৃষকরা বলছেন, বছরভেদে টমেটোর দাম বাড়া-কমা হওয়ায় কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরে নি সে ভাবে। এলাকায় আধুনিক কোল্ড ষ্টোরেজ না থাকায় অনেক টমেটো পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গোদাগাড়ীতে টমেটোর আবাদ হয় ২৬৫০ হেক্টর জমিতে। সেখানে উৎপাদন হয় ৫৮ হাজার ৫৯৫ মেট্রিক টন। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে আবাদ ২১৫০ হেক্টর, উৎপাদন ৪৯ হাজার ৫২৫ টন; ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ ২৪৬০ হেক্টর, উৎপাদন ৫৯ হাজার ৪০ টন; ২০২১-২২ অর্থবছরে আবাদ ২৮৫০ হেক্টর, উৎপাদন ৭১ হাজার ২৫০ টন; ২০২২-২৩ অর্থবছরে আবাদ ৩০১৫ হেক্টর, উৎপাদন ৮৭ হাজার ৪৩৫ টন; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদ ২২৪৫ হেক্টর; উৎপাদন ৬৫ হাজার ১০৫ টন এবং সবশেষ ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে টমেটোর আবাদ হয়েছে ২৬৭০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৭৬০ টন। এ বছর গড়ে ১৫
    টাকা কেজি করে বিক্রি ধরা হলে আয় হবে ১১২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এসব টমেটো চাষের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আট হাজার কৃষক।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমি থেকেই বিক্রি হয় এসব টমেটো। উৎপাদন ও বিক্রি ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় টমেটো চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। ফলে টমেটােতে আগ্রহ বাড়ছে। সাধারণত আউশ ধান কেটে নেওয়ার পরে টমেটোর চাষ শুরু হয়। গোদাগাড়ী উপজেলায় ১৭-২০ জাতের টমেটোর চাষ হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগই হাইব্রিড। তবে অন্য যেকোনো মাঠ ফসলের চেয়ে টমেটো চাষ অত্যন্ত লাভজনক। তবে ভালো ফলন, বীজ ও দাম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে কোনো বছর চাষের হার বেড়েছে আবার কোনো বছর কমেছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী এলাকার কৃষক সুমন আলী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘গোদাগাড়ীতে আগের মতো টমেটো চাষ নেই। এখন যা হয় সব মাঠেই বিক্রি হয়ে যায়। আগে তো মাঠের পাশেই অনেক টমেটো দেখা যেত। এখন সেখানে দেখা যায় না। তবে চাষ আছে। মানুষ চাষ করছে। ব্যবসায়ীরা জমিতে থেকেই টমেটো কিনে নেন। লাভও হচ্ছে।’

    মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দাম ভাল থাকায় জমজমাটভাবে চলছে টমেটোর কারবার। গোদাগাড়ী হেলিপ্যাড, সিএন্ডবি, রেলগেট, হাবাসপুর, গোপালপুর, কাঁকনহাট, মহিশালবাড়ী, বসন্তপুর, রেলগেট, চর আষাড়িয়াদহ, পিরিজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পরিণত হয়েছে পাঁকানোর কারবার, টমেটো পাঁকাতে টমেটো রোদে শুকানো হচ্ছে। আবার কোনো কোনোগুলো স্তুপ করে রেখে খড় দিয়ে ঢেঁকে রাখা হয়েছে।
    যেগুলোতে প্রায় পুরোপুরি লাল রং ধারণ করবে, সেগুলো আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাজারজাত করণ হবে। এই টমেটোগুলোই চলে যাবে নাটোর, বগুড়া, নওগা, ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এভাবে টমেটো প্রক্রিয়াজতের মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়।

    বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে অস্থায়ী বাড়ি করে বা বাড়ি ভাড়া নিয়ে ফাঁকা জমি বর্গা নিয়ে সেখানে কাঁচা টমেটো পাঁকিয়ে বাজারজাত করছেন। এভাবে গোদাগাড়ীর অন্তত ৫০টি স্থানে চট্রগ্রাম, সিলেট, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে এই টমেটো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। গত প্রায় একমাস ধরে এবারকার মৌসুমের টমেটো বেচাকেনা শুরু করে অব্যাহতভাবে চলছে। এই দুই মাস টমেটোর চরণভূমি বলে খ্যাত গোদাগাড়ীতে শুধুমাত্র টমেটো মৌসুমে প্রায় ১৫ শ থেকে ১৮ শ কোটি টাকার। অস্থায়ীভাবে ৮ থেকে ৯ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, এই অঞ্চলে দুবার টমেটোর চাষ হয়। এরমধ্যে গ্রীষ্মকালীন টমেটো রয়েছে। এই টমেটোর বেশি দাম পান চাষিরা। এবছর এই টমেটো ১৫-১৬০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি হয়েছে।
    শত শত কোটি টাকার এখানে বানিজ্য হয়। শুধু তাই নয়, টমেটো বেচাকেনাকে কেন্দ্র অস্থায়ীভাবে ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে হিমেল হাওয়ায়  জিরা চাষে  কৃষকের স্বপ্ন, সে সাথে দুলছে কৃষকের মন

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে হিমেল হাওয়ায় জিরা চাষে কৃষকের স্বপ্ন, সে সাথে দুলছে কৃষকের মন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সাদা জিরার চাষ শুরু হয়েছে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ অঞ্চলে জিরার চাষে সফলতার মুখ দেখবে বলে দাবি করেছেন উপজেলা কৃষি বিভাগেরি কর্মকর্তারা।

    চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ী উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ৩ বিঘা বা ১ একর জমিতে জিরার আবাদ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বিঘা প্রতি জিরার গড় ফলন পাওয়া যাচ্ছে ১১০ কেজি। সেই হিসেবে ১ একর জমি থেকে প্রায় ৩৩০ কেজি জিরা উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্বল্প খরচ ও পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় এই মসলা চাষে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষকরা।

    ২০২৩ ইং সালে প্রথমবার গোদাগাড়ী উপজেলায় ৩ জন কৃষক ১ বিঘা জমিতে ৩ টি প্রদর্শনি প্লটে জিরার আবাদ করেছিলেন এবং ভাল ফলন পেয়েছিলেন। একজনের ১০ শতক জমিতে ৪০ কেজি জিরা হয়েছিল ১৫শ টাকা কেজি বিক্রি করেছিল বলে চাষীরা জানিয়েছেন। কম খরচে বেশি লাভবান হওয়া, সেচ সুবিধা তেমন না লাগা, জমির সহজলভ্যতা, অনুকূল আবহাওয়া, চাষ উপযোগী মাটি ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগীতার থাকায় এবার ১০ বিঘা জমিতে জিরা চাষ করা হয়েছে।

    উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার জানান, জিরা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ায় কৃষকরা সঠিকভাবেই এর চাষাবাদ করছেন। এবছর এ উপজেলার গোলায়, রাজবাড়ী, বিজয়নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় ১০ বিঘা জমিতে জিরার চাষ করা হয়েছে।

    ৪টি প্রদর্শনী প্লট ছাড়াও জিরার চাষ করা হয়েছে । গোদাগাড়ীতে জিরা চাষকারী কৃষকরা হলেন, , গ্রাম – , দেওপাড়া ইউনিয়নের বিজয়নগর এলাকার মো: সাব্বির হোসেন একই ইউনিয়নের গোলাই গ্রামের মো: জিয়ারুল ইসলাম, মাটিকাটা ইউপির মাজহারুল ইসলাম, বাসুদেবপুর ইউনিয়নের আতাউর রহমান, গোগ্রাম ইউনিয়নের মোস্তফা।

    সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এ উপজেলায় বেনিপুর, কাকনহাট কাদিপুর, গোগ্রাম এলাকায় বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেতে জিরার চাষ হয়েছে। চাষীরা তাদের ক্ষেত পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    জিরা চাষি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, আগে টবে জিলা চাষ করেছিলাম। তাতে সফল হয়েছি। কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এবার জমিতে প্রথম জিরা চাষ করেছি। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়েছিল। আবাদে খরচের জন্য ৪ হাজার টাকা দিয়েছে কৃষি অফিস। ১০ শতক জমিতে জিরা চাষ করেছিলাম এবং ৪৫ কেজি জিরা পেয়েছিলাম ২৬ টাকা কেজি বিক্রি করেছিলাম। এবার ইনসাল্লাহ বাম্পার ফলন হবে। ২৫ শ থেকে ২৮শ টাকা কেজি দাম পাওয়া যেতে পারে। ১ লাখ টাকা পাওয়া যেতে পারে। যে কোন ফসলের চেয়ে জিরা চাষ লাভজনক।
    বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) উদ্ভাবিত দেশের প্রথম উচ্চফলনশীল জাত ‘বারি জিরা-১’ চাষ করেই এই সফলতা এসেছে। এই জাতটির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

    ​উপযুক্ত মাটি: বেলে-দোঁআশ ও সুনিষ্কাশিত উর্বর মাটিতে এটি ভালো জন্মে। ​মাত্র ১০০ থেকে ১১০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা যায়। সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত ফলন সম্ভব।

    ​জিরা মূলত একটি রবি শস্য যা নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বপন করা হয়। হেক্টরপ্রতি মাত্র ৮-১০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় এতে সেচ ও সারের খরচ তুলনামূলক কম। এছাড়া বাজারে জিরার আকাশচুম্বী দাম থাকায় কৃষকরা হেক্টরপ্রতি মোটা অংকের মুনাফা অর্জনের স্বপ্ন দেখছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, গোদাগাড়ীর মাটি ও আবহাওয়া জিরা চাষের জন্য উপযোগি। মশলা হিসেবে জিরা বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য একটা সম্ভাবনাময় ফসল। আগামীতে এই মশলা ফসলটি ছড়িয়ে দেওয়া হবে কৃষকদের মাঝে। এতে মশলার আমদানি নির্ভরতা কমবে। কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে যেমন তেমনী দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নতুনদিগন্তের সূচনা হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পিরোজপুর-২ আসনে সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর

    পিরোজপুর-২ আসনে সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর

    নেছারাবাদ প্রতিনিধি(পিরোজপুর)।।

    পিরোজপুর-২ সংসদীয় আসন (কাউখালি, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ)-এ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আধুনিক পিরোজপুর গড়া ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর নেছারাবাদ উপজেলার চিলতলা গ্রামে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    পথসভায় আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন বলেন,
    “সনাতনী ভাই ও বোনদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ—আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের পাশে থাকবেন। আপনাদের রাজনৈতিক অধিকার অনুযায়ী যেকোনো প্রতীকের পাশে থাকার স্বাধীনতা রয়েছে। তবে যে প্রতীককে ঘিরে একসময় মানুষের প্রত্যাশা ছিল, আজ তা আর নেই। তাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও দেশের অগ্রগতিতে অংশ নিন।”

    তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার পরাজিত একটি চক্র নানা কৌশলে ভোটের অধিকার হরণ করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তাদের লক্ষ্য ক্ষমতায় গিয়ে দেশকে ভিন্ন শক্তির হাতে তুলে দেওয়া। দেশ ও মাটিকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে বিএনপির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।”

    বিএনপি প্রার্থী দাবি করেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিগুলো আজও দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চায়নি। তিনি বলেন, “বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে দেশনায়ক তারেক রহমানই রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য নেতৃত্ব। তাই একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।”

    দৈহারী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জাহিদুল ইসলাম জাহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম ফরিদ, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আল-বেরুনী সৈকত, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী কামাল হোসেন, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন তালুকদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    আনোয়ার হোসেন।।