Category: দেশজুড়ে

  • বানেশ্বরে দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড  নিয়ে বিভ্রা-ন্তি, আলোচনায় সমাধান

    বানেশ্বরে দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড  নিয়ে বিভ্রা-ন্তি, আলোচনায় সমাধান

    পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি ঃ

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ে দিকনির্দেশক সাইনবোর্ডে স্টিকার লাগানোকে কেন্দ্র করে সাময়িক বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ প্রসাশনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনায় পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।

    রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ থেকে আগত কয়েকজন সেনাসদস্য রাজশাহী-চারঘাট সড়কের বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ে অবস্থিত দিকনির্দেশক ফলকে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার নামসংবলিত সাইনের ওপর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দিকনির্দেশক স্টিকার লাগান। ওই ফলকে আগে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা এর দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড ছিল। পরবর্তীতে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে পুনরায় ওই ফলকের স্টিকার খুলে অপর পাশে লাগানো হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার-এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) চক্রধর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

    রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ থেকে আগত সেনাসদস্য সার্জেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা এর একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, ওই স্থানে থাকা দুইটি দিকনির্দেশক ফলকেই উভয় প্রতিষ্ঠানের স্টিকার থাকবে। ফলকের বাইরের অংশে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদারের এবং ভেতরের অংশে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দিকনির্দেশক সাইন রাখা হবে। #

    মাজেদুর রহমান( মাজদার)
    পুঠিয়া রাজশাহী।।

  • সমুদয়কাঠিতে উঠান বৈঠক ঘিরে উত্তেজনা, হুমকি ও ভয়ভীতির অভিযোগ

    সমুদয়কাঠিতে উঠান বৈঠক ঘিরে উত্তেজনা, হুমকি ও ভয়ভীতির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন।।
    নেছারাবাদ প্রতিনিধি পিরোজপুর।।

    সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনের একটি উঠান বৈঠকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, উঠান বৈঠকে অংশ নিতে আসা কিছু সমর্থককে জোরপূর্বক ধানের শীষ প্রতীকের মিছিলে যুক্ত করা হয়।
    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম সাঈদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উঠান বৈঠক চলাকালে নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম শাকিল আহম্মেদের নেতৃত্বে শতাধিক লোক নিয়ে ধানের শীষের একটি মিছিল সেখানে আসে। এ সময় ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত কয়েকজন।
    উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি জানান, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সভায় যোগ দিতে গেলেও পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে মিছিলে অংশ নিতে হয়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
    এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘটনাটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং পরিকল্পিতভাবে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর অপচেষ্টা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
    উঠান বৈঠকের স্থানদাতা ও সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম সাঈদ বলেন, “আমার বাড়িতে একটি শান্তিপূর্ণ উঠান বৈঠক চলছিল। হঠাৎ মিছিল নিয়ে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়, যা এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। আমি কোনো সহিংসতা বা জোরজবরদস্তির পক্ষে নই। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করতে পারে, সেটাই কাম্য।”
    তবে এ বিষয়ে বিএনপি বা সংশ্লিষ্ট ছাত্রদল নেতাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    এদিকে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি নজরে আসার পর সরেজমিনে পরিদর্শন করে পুনরায় উঠান বৈঠক আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • তানোরে সিলিন্ডার এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় চ-রম দু/র্ভোগ

    তানোরে সিলিন্ডার এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় চ-রম দু/র্ভোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার। তার পরেও সচরাচর পাওয়া যাচ্ছে না। হঠাৎ করেই গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের সাধারণ মানুষ। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
    জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন দোকানে তা দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে এক হাজার ৮০০ থেকে এক হাজার ৯৫০ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। ওমেরা, পেট্রোম্যাক্সসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার একইভাবে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।
    সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তানোর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও দোকানপাটে অধিকাংশ ব্যবসায়ী ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ রান্নাবান্নার জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে রান্না কমিয়ে দিচ্ছে বা বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে।
    স্থানীয় ভোক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সকল পেশাজীবী মানুষ।#

  • ওসি মনজুরুলের নেতৃত্বে রূপনগরে অভিযান ১১ জন আ-সামি আদালতে প্রেরণ

    ওসি মনজুরুলের নেতৃত্বে রূপনগরে অভিযান ১১ জন আ-সামি আদালতে প্রেরণ

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর রূপনগর থানা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে,রূপ নগরথানা পুলিশ। অভিযানে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত দুইজনসহ পৃথক পৃথক অপরাধে জড়িত মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী রূপনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদের সরাসরি নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আটক করতে সক্ষম হয়।অভিযানে গ্রেফতার হওয়া সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা হলেন,মোঃ ইমাম হোসেন, সিআর মামলা নং-৩৩৫/২৪ (এন) মূলে এবং
    মোঃ আইনাল হোসেন, সিআর মামলা নং-৪৩৭/২০২৫, বিদ্যুৎ আইন ২০১৮ এর ৩২/৩৩/৪০ ধারায়, প্রসেস নং-১২৬/২৬ মূলে।গ্রেফতারের পর তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    অভিযান চলাকালে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৯ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, মোঃ শাহিন মিয়া (২৯), মোঃ নুরুজ্জামাল (২৮), মোঃ শরিফ মিয়া (২০), মোঃ মনির হোসেন (২৮), মোঃ হাফিজুল ইসলাম (২৩), মোঃ আরিফ হোসেন (২০), মোঃ তারেক ইসলাম (১৮), মোঃ রিফাত (১৯) এবং মোঃ নাহিদ (১৮)।
    তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মিরপুর বিভাগের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ডিএমপি, ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের কারণে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমেছে। তারা পুলিশের এ ধরনের অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।এ বিষয়ে রূপনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল হাসান মাসুদ বলেন,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ দমনে রূপনগর থানার অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং সাধারণ জনগণকে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা তৎপর থাকবে।

  • মহেশপুরে দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মহেশপুরে দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

    ৩১ জানুয়ারী বিকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির মহিলা দলের আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির আপোষহীন দেশ নেত্রী তিন বারের সাবেক সফল প্রধান মন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা ও মহিলা দল কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মহেশপুর উপজেলা বিএনপির মহিলা দল সভানেত্রী রুপা খাতুন এর সভাপতিত্বে উক্ত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তরফদার মাহম্মদ তৌফিক বিপু। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার লিজি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব দবীর উদ্দিন বিশ্বাস, মহেশপুর উপজেলা বিএনপির নির্বাচন কমিটির প্রধান মোঃ কামাল উদ্দিন, তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মোঃ-ওলিয়ার রহমজন, কাজীরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার এনামুল হক, বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান, ফরজ আলী, আকবার আলী, শরীফ উদ্দিন, জেল মহিলা দলের সহ-সভাপতি ফাতেমা ভূইয়া প্রমুখ।
    এসময় জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি / সম্পাদক ও দলীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পুরুষ / মহিলা সহ হাজার হাজার নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবিদ কামার রুবেল।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ

  • ঝিনাইদহের চিকিৎসকের কেস হিষ্ট্রি স্থান পেল আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি জার্নালে

    ঝিনাইদহের চিকিৎসকের কেস হিষ্ট্রি স্থান পেল আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি জার্নালে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
    ঝিনাইদহের এক হোমিও চিকিৎসকের অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতি একটি আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। জার্নালে স্থান পাওয়া মোট ৭টির মধ্যে চিকিৎসক নজরুল ইসলামের চিকিৎসাধীন ৫টি কেস হিস্ট্রি প্রকাশিত হয়েছে। এই জার্নাল নিয়ে উপমহাদেশ ছাপিয়ে বিশ্বব্যপী সাড়া পড়ে গেছে। বইটি সম্পাদনা করেছেন ভারতের চিকিৎসক ডাঃ শ্যামল কুমার দাস।“এ নিউজ ভয়েজ ইউথ রিয়েল হোমিওপ্যাথি” জার্নাালে প্রকাশিত কেস হিস্ট্রিগুলোতে বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়, উপসর্গ বিশ্লেষণ এবং যথাযথ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এসব কেসে রোগীদের শারীরিক ও মানসিক উপসর্গের সমন্বিত মূল্যায়নের মাধ্যমে ধাপে ধাপে চিকিৎসা পদ্ধতির ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে, যা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।জার্নালে হোমিও চিকিৎসক নজরুল ইসলামের পেটের অ্যাডেনোকার্সিনোমা, সিএ স্টোমাক, লাং ক্যান্সার, বিপজ্জনক রেটিনোব্লাস্টোমার ও স্ক্যাল্প ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ নিরাময়ে সুক্ষ ডায়াগোনিসিস ও ওষুধ প্রয়োগের বিষয়টি (কেস হিষ্ট্রি) স্থান পেয়েছে। ডাঃ নজরুল ইসলামের হোমিও চিকিৎসায় এমন শত শত রোগী নিরাময় হচ্ছেন।

    বইটি সম্পর্কে আমেরিকার ওকলাহোম কলেজের কার্ডিওলোজিষ্ট প্রফেসর ডাঃ আচলা সিংহল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্গানন অফ মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাঃ ডঃ প্রবীর দাস, এম.ডি (হোম), নয়াদিল্লির কেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ এস. এন. জানা ও ভারতের সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি ডঃ পদ্মালয় রথসহ দেশি বিদেশী একাধি বিষেশজ্ঞ চিকিৎসক ভুয়সি প্রসংশা করেছেন।হোমিও চিকিৎসক নজরুল ইসলাম ১৯৭০ সালে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার সতব্রিজ রামনগর গ্রামের একটি কৃষক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম গোলাম রব্বানী। ১৮ বছর তিনি জার্মানি ও ইতালিতে অবস্থান করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইউরোপে অবস্থানকালে তিনি আধুনিক গবেষণাভিত্তিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি আয়ত্ত করেন এবং বিভিন্ন জটিল রোগের সফল চিকিৎসা পরিচালনা করেন।তিনি স্থায়ীভাবে কুষ্টিয়া শহরে বসবাস করলেও বর্তমানে প্রতি সোমবার মাতৃভমির টানে হরিণাকুণ্ড শহরের হলবাজার এলাকায় অবস্থিত ‘সাদিয়া হোমিও হল’ নামে তার নিজস্ব চেম্বারে রোগী দেখেন। পাশাপাশি কুষ্টিয়া শহরের শঙ্খনীল টাওয়ারেও তার স্থায়ী চেম্বার রয়েছে।

    হরিণাকুন্ডুর সালেহা খাতুন কলেজের শিক্ষক মাহবুব মোর্শেদ শাহিন জানান, চিকিৎসক নজরুল ইসলামের এই গবেষণাভিত্তিক সাফল্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রতি নতুন করে আস্থা সৃষ্টি করবে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের বিকল্প চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্রেও একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।হোমিও চিকিৎসক নজরুল ইসলামের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ও যবিপ্রবির ভিসি ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, “উনি বেশ কিছু জটিল রোগ বিশেষ করে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা দিয়েছেন বলে শুনেছি। আসলে ৭টি কেস হিষ্ট্রি জেনারালাইজড করার সুযোগ কম। এ ধরণের উপসর্গ নিয়ে আসা আরো অনেক রোগীকে ব্রডস্কেলে তথ্য সংগ্রহ করে চিকিৎসা দিলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ইনডিভিজুয়াল কেসগুলো সাইনটিফিক এভিডেন্স হিসেবে গ্রহন করা দুরুহ ব্যাপার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীতে পড়ে মতুয়া সংঘের সদস্য মনোজ পাইক নি/খোঁজ

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীতে পড়ে মতুয়া সংঘের সদস্য মনোজ পাইক নি/খোঁজ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নবগঙ্গা নদীতে পড়ে এক মতুয়া সংঘের সদস্য নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম মনোজ পাইক (৪৮)। তিনি খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানার কামারগাতী গ্রামের সুনীল পাইকের ছেলে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে মতুয়া সংঘের একটি দলের সঙ্গে মনোজ পাইক কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের কালু খালি (জুশালা) গ্রামে অনুষ্ঠিত একটি মহা উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন। অনুষ্ঠান শেষে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নৌকাযোগে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে কালিয়া খেয়াঘাট এলাকা অতিক্রম করার সময়, ঘাট থেকে আনুমানিক পাঁচ মিনিট দূরত্বে অসাবধানতাবশত তিনি নবগঙ্গা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
    তার সঙ্গে থাকা আত্মীয়স্বজন ও সঙ্গীরা ঘটনার পরপরই নদীতে খোঁজাখুঁজি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, নিখোঁজ মনোজ পাইক একজন মৃগী রোগী ছিলেন।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রিস আলী জানান, দিঘলিয়া এলাকা থেকে খায়রুল গাজী নামের এক ব্যক্তি ফোনে ঘটনাটি অবহিত করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তিনি আরও জানান, বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মথুরাপুর শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বাবুল আক্তার। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শামীম হোসেন।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের। বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক আখতারুজ্জামান জর্জ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আব্দুর রহমান মিয়া, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো.ইসহাক আলী, সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, দেব প্রসাদ রায়, আবু বকর সিদ্দিক, আজিজুর রহমান, ভক্তি রানী দাস, রেজাউল করিম, তাসলিমা খাতুন, এনামুল হক, মাসুদ রানা, আফরোজা পারভিন, মাহফুজা আক্তার, রায়হান উদ্দিন, সোহেল রানা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অফিস সহকারী জয়নুল আবেদীন, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর শাকিল হোসেন, অফিস স্টাফ শামীম শেখ, মানিক শেখ, হেলেনা খাতুন, হান্নান খান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • সিসিটিভিতে ধরা পড়ল ব্যবসায়ী মান্নানকে কু/পিয়ে হ/ত্যার চেষ্টার দৃশ্য

    সিসিটিভিতে ধরা পড়ল ব্যবসায়ী মান্নানকে কু/পিয়ে হ/ত্যার চেষ্টার দৃশ্য

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীরা এক ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে। আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার দি-রোজ পোশাক কারখানার পেছনে অবস্থিত একটি মুদিখানা দোকানের মালিক আব্দুল মান্নান (৪৫)-এর ওপর ৮ থেকে ১০ জন মুখোশধারী কিশোর গ্যাং সদস্য অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার পুরো দৃশ্য আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে।

    স্থানীয়রা আহত অবস্থায় আব্দুল মান্নানকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিলো।

    ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান গণমাধ্যমকে জানান,
    “আমি একজন সাধারণ ছোট ব্যবসায়ী। আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার আত্মীয়স্বজন রাজনীতি করতে পারে-এতে আমার কী দোষ? কিশোর গ্যাংয়ের মাদক সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

    এ বিষয়ে থানা পুলিশ ও র‍্যাব জানায়, আশুলিয়ার জামগড়া ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় মুখোশধারী কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবার অভিযোগ কিংবা মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে চরমভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।

  • আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে স-রকার

    আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে স-রকার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের ব্যাপক অবৈধ সংযোগের কারণে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে একেকটি অভিযানে সরকারের দুই লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো স্থানে ৮থেকে ১০ বার পর্যন্ত অভিযান পরিচালনার ঘটনাও ঘটেছে।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) সকালে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া মীরবাড়ি, মোল্লা বাড়ি, ভুঁইয়া পাড়া, ভাদাইল, নরসিংহপুর নিশ্চিতপুর ও পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

    অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রায় বেশিরভাগ ভবনে গ্যাসের বৈধ সংযোগের সঙ্গে অতিরিক্ত অবৈধ চুলা সংযুক্ত রয়েছে। ভাদাইল এলাকার একটি ভবনে একটি বৈধ চুলার সঙ্গে ৬১টি অবৈধ চুলা সংযুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া জোনাল বিপণন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন বলেন,“আমাদের প্রতিমাসে নিয়মিত ৪ থেকে ৫টি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারকারী যেই হোক না কেন, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে জেল ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
    তিনি আরও জানান, অভিযানে নিম্নমানের পাইপ, রাইজার ও অবৈধ চুলা জব্দ করা হচ্ছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের মতে, অবৈধ সংযোগের ফলে একদিকে যেমন গ্যাসের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব ঝুঁকি কমাতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

    অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীদের দাবি-তাদের সংযোগ বৈধ করে দিলে তারা অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।