আলিফ হোসেন,তানোরঃ
আহম্মদ চ্যারিটি সেন্টারের উদ্যোগে রাজশাহীর তানোর, মোহনপুর ও রাজশাহী সদর এলাকার দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত অস্বচ্ছল ও অত্যন্ত মেধাবী পাঁচজন শিক্ষার্থীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা ও বাৎসরিক বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে মোহাম্মদ মাসুদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, আশহাজ্ব আব্দুল লতিফ বাবল ও আতাউর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন আহম্মদ চ্যারিটি সেন্টারের উপদেষ্টা আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য আব্দুল হান্নানসহ উপকারভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সদর এলাকার একজন গৃহকর্মী ও একজন ভ্যানচালকের মেয়েকে চিকিৎসা সহায়ক সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের হাতে বাৎসরিক বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, সমাজের অবহেলিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থেমে না যায়, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আহম্মদ চ্যারিটি সেন্টার যে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের সহায়তা ভবিষ্যতে দক্ষ চিকিৎসক গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরাও আহম্মদ চ্যারিটি সেন্টারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সহায়তা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।
উল্লেখ্য, আহম্মদ চ্যারিটি সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও দেশের অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি।#
Category: দেশজুড়ে
-

আহম্মদ চ্যারিটির উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও আর্থিক স-হায়তা প্রদান
-

বানারীপাড়ার চাখারে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত – পাঁচ নেতার যোগদান
বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
বরিশালের বানারীপাড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান।
উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ায় সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করা শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ও এনসিপি নেত্রী এ কে ফ্লোরা।
চাখার ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম চাখারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মো. খলিলুর রহমান শাহাদাৎ, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমীর কাওসার হোসেন এবং এনসিপির বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উক্ত উঠান বৈঠকে বিএনপি থেকে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর তালুকদার,সলিয়া বাকপুর ইউনিয়ন বিএনপি সহ-সভাপতি সিরাজুল হক মিয়াসহ পাঁচজন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
এদিকে বক্তারা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উঠান বৈঠকে স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।মোঃ সাব্বির হোসেন ।।
-

পঞ্চগড় কারাগার থেকে ভোট দেবেন ১৮ জন কা-রাবন্দি
মোঃ বাবুল হোসেন , পঞ্চগড়: পঞ্চগড় জেলা কারাগারে থাকা ১৮ জন কারাবন্দি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন। এদের মধ্যে ১২ জন কয়েদি ও ৬ জন হাজতি রয়েছেন। ভোটারদের মধ্যে দুজনের বাড়ি দিনাজপুর ও বগুড়া জেলায়, বাকি সবাই পঞ্চগড় জেলার বাসিন্দা। ভোটারদের সবাই পুরুষ, নারী ভোটার নেই।
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পঞ্চগড় জেলা কারাগারে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে কারাগারে মোট ৩৫৬ জন কারাবন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন কয়েদি। কারাগারে বর্তমানে ৮ জন নারী কারাবন্দি ও ৬ জন বিদেশি নাগরিক আছেন।
এদিকে জেলা কারাগার থেকে ৫৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন।
কারাগারে দায়িত্বে নিয়োজিত হাবিলদার মেরাজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে চাকরিতে নিয়োজিত আছি। এবার চাকরিরত অবস্থায় প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পারবো। বিষয়টি ভেবে আমি খুবই খুশি।
পঞ্চগড় জেলা কারাগারের জেলার আখিরুল ইসলাম জানান, কারাগার থেকে এবার ১৮ জন কারাবন্দি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। ভোট গ্রহণের জন্য কারাগারের ভেতরে একটি গোপন বুথ স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া কারাগার থেকে ৫৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, জেলায় মোট ৮ হাজার ৬৯ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছেন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ হাজার ১৩০ জন এবং পুরুষ ভোটার ৫ হাজার ৯৩৯ জন।
-

আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভি/যানে ইয়াবাসহ তিন মা/দক ব্যবসায়ী গ্রে/ফতার
হেলাল শেখ: ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া ও সাভার এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) পুলিশ।
ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আঃ সালাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ইং রাত ১১টা ৪০ মিনিটে আশুলিয়া থানাধীন ডেন্ডাবর পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল শেখ (৩৯) ও মোঃ মেহেদী হাসান শাওন (৩৮)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০০ (একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অপর এক অভিযানে ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং সাভার থানাধীন বলিয়ারপুর এলাকা থেকে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোশারফ (৪০)-কে ৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন।ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীদের সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায় যে মোঃ সোহেল শেখ (৩৯) এর বিরুদ্ধে পূর্বে আরও একটি মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ডিবি পুলিশ জানায়।
-

সাভার-আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে অবৈ-ধ ইটভাটায় পরিবেশ বি-পর্যয় প্রশাসনের নি-রব ভূমিকা
হেলাল শেখঃ হাইকোর্টের নির্দেশনা ও বিদ্যমান আইন অমান্য করে ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইসহ মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে পরিচালিত শতাধিক ইটভাটা মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করে চলেছে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।
গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে আম, কাঁঠালসহ নানা প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছ নির্বিচারে পোড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আশপাশের ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন আবাদযোগ্য জমি কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় ফসল,গাছপালা ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা ও নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তারা। শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও অভিযোগ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
পরিবেশবিদদের মতে, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা না করা হলে এ অঞ্চলের পরিবেশ ও কৃষি খাত ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। -

বরগুনার তালতলীতে পুকুরে ডু-বে শিশুর মৃ-ত্যু
মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলী পুকুরে ডুবে আবদুল্লাহ্ (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের মরানিদ্রা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুল্লাহ্ মরানিদ্রা এলাকার বাসিন্দা মনিরের ছেলে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরের দিকে আবদুল্লাহ্ বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে একা খেলাধুলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে পা পিছলে পুকুরে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় শিশুটিকে বাড়িতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন বাড়ির পাশের পুকুরে গিয়ে শিশুটিকে পানিতে ভাসতে দেখতে পান। পরে দ্রুত স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহফুজা আক্তার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে শ্বাসরোধজনিত কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মংচিন থান
তালতলী প্রতিনিধি।। -

গোপালগঞ্জ-২ আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থীর গণ-সংযোগ ও উঠান বৈঠক
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
“রাষ্ট্র ও সমাজের অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে” গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, সামাজিক সুরক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডঃ কামাল হোসেন -এর গণফোরাম মনোনীত গোপালগঞ্জ-২ আসনে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবা করার সুযোগ প্রার্থনা করেন এমপি প্রার্থী শাহ মফিজ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) বিকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রসুলপাড়া এলাকায় গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জাতির বিবেক, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের প্রতিষ্ঠিত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মূলধারার রাজনৈতিক দল গণফোরাম। গণফোরাম জন্মের পর থেকে দুর্বৃত্তায়িত ও রুগ্ন রাজনীতির বিরুদ্ধে সুস্থ ধারার রাজনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। ‘৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে গণফোরাম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য দেশের মালিক জনগণের কাছে গণফোরাম কিছু জরুরী দাবি নিয়ে হাজির হয়েছে। গণফোরাম মনে করে নির্বাচনের মাধ্যমে “শুধু দল পরিবর্তন নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন চাই”।
তিনি আরো বলেন, আপনারা যদি এ দেশকে বাঁচাতে চান, এ দেশের ইতিহাসকে বাঁচাতে চান, তাহলে গণফোরামের ছায়াতলে আসার আহ্বান করেন। দেশের মানুষ আগামী নির্বাচনের দিকে অধিক গ্রহে তাকিয়ে আছে। তাই এই নির্বাচন হতে হবে কালো টাকা, সন্ত্রাস, পেশিশক্তি ও প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত একটি আবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।এ সময় তিনি জয়ী হলে গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য যা যা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হলো-
সকলক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে প্রজাতন্ত্রের সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বেকারভাতার ব্যবস্থা করা। কৃষি পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করতঃ কৃষি উপকরণের দাম কমিয়ে কৃষিখাতে উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিরোধ করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। সুশাসন নিশ্চিত করে প্রশাসনের সর্বত্র স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা করা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, দুর্নীতিবাজদের দমন এবং তাদের বিরুদ্ধে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রোধ করা এবং সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধিসহ গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। দেশে সম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রেখে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল মানুষের সুখ-শান্তি ও জীবন-মান উন্নয়নের অংশীদার করা। বিচার বিভাগের পরিপূর্ণ স্বাধীনতাসহ বিচার বিভাগীয় কার্যকর স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ করা এবং তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা। বন্ধ্য শিল্পকারখানা চালু করাসহ গারমেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা। বিদেশে নতুন শ্রম বাজার সৃষ্টিসহ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের আসা-যাওয়ায় ক্ষেত্রে বিশেষ সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মব সংস্কৃতি বন্ধ করে নৈরাজ্য সৃষ্টি, হত্যা, ধর্ষণ, খুন-গুমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দমনে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সর্বক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করে নারীর নিরাপত্তা বিধান, নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধর্মীয় উত্তেজনা, ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ করা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু জীবন ও সম্পদের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান করা।
সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”, এই নীতির ভিত্তিতে ন্যায়সংগত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্র সম্পর্ক গড়ে তোলা। প্রতিবেশী ভারতের সাথে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডসহ ন্যায্য পানি হিস্যা এবং অমীমাংসিত সকল দ্বিপাক্ষিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা।এ সময় গণফোরাম গোপালগঞ্জ জেলা কমিটির আহ্বায়ক সুব্রত ভট্টাচার্য, সদস্য সচিব বুলবুল মোল্লা সহ জেলায় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনে বাগমামুদালী পাড়ায় ধানের শীষের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
লিটন মাহমুদ,
মুন্সীগঞ্জমুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২ নং
ওয়ার্ড বাঘমামুদআলী পুকুর মাঠ প্রাঙ্গনে বিএনপির ধানের শীষের উঠান বৈঠকের সভানুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ৩১ শে জানুয়ারি রাতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বাগমামুদালী পাড়া পুকুর মাঠ প্রাঙ্গনে ২ নং ওয়ার্ডের যুবদল ছাত্রদলের আয়োজনে সংসদ সদস্য মুন্সীগঞ্জ তিন আসনের বিএনপির ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ-কল্যাণ বিযয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতনের
নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান রতন বলেন,
বিএনপি সরকার গঠন করলে এবং আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে নারায়নগঞ্জ মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রাজধানীর সঙ্গে আশপাশ জেলায় ট্রেন লাইন স্থাপন প্রকল্প মুন্সীগঞ্জ জেলা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ঢাকা-নারায়নগঞ্জ -জেলাবাসীর প্রত্যাশা বাগমামুদালীপাড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র এ কেএম এবাদত মানু। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার লিটন হোসেন,এডভোকেট রোজিনা আক্তার ।
ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, শহর যুবদল নেতা সালেহিন আহম্মেদ,শহর যুবদল নেতা সাইদ হোসেন সাইদ, মোঃ রিগান হোসাইন। মোঃ কাদির মিয়া, মনির হোসেন,
শহর ছাত্রদলের নেতা জাহিদুর রহমান পিমন,তাহামিদ মাদবর,আজিম মাদবর, সেলিম ফরাজী সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। -

সিরাজগঞ্জ-৩, জামায়াতের তৃণমূলে ভা/টা বিএনপির উচ্ছ্বাস
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. শায়খ আব্দুস সামাদ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়ায় এ আসনে বিএনপি তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
প্রায় সাড়ে ৪ লাখ ভোটার নিয়ে গঠিত এই আসনে শুরুতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক এবং জামায়াতের প্রার্থী ড.শায়খ আব্দুস সামাদ মাঠে সক্রিয় থাকায় নির্বাচনী উত্তাপ বিরাজ করছিল।গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সাংগঠনিক তৎপরতায় দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করার চেষ্টা চালাচ্ছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় জোটের শরিক (মামুনুল হক–খেলাফত মজলিশ) এর প্রার্থী মুফতি আব্দুর রউফ (রিকশা মার্কা) কে সমর্থন জানিয়ে জামায়াতের প্রার্থী ড. শায়খ আব্দুস সামাদ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন।এতে করে এ আসনের রাজনীতিতে এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাংক থাকলেও নিজেদের প্রার্থী না থাকায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্দীপনা কমে গেছে। অনেকেই খেলাফত মজলিশের নতুন ও অপরিচিত প্রার্থীকে গ্রহণ করতে পারছেন না।প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনায় কিছু নেতাকর্মী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও জানান।
অন্যদিকে,জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় বিএনপির জন্য ভোটের মাঠ অনেকটাই উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক রাজপথের পরিচিত নেতা ও কারাবরণকারী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত।তার মনোনয়নে তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেড়েছে।দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করছেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবী করছেন, রায়গঞ্জ,তাড়াশ–সলঙ্গা এলাকা ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। অতীতে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আসনটি দখল করা হয়েছিল বলেও তারা মন্তব্য করেন।এবার বিপুল ভোটে বিজয়ের লক্ষ্যে গ্রাম-পাড়া,মহল্লা, বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণসংযোগ জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,এই আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের বাইরে আরও ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।তারা হলেন,জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফজলুল হক (লাঙ্গল মার্কা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াস হোসেন রবিন (ঘোড়া মার্কা)।তবে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ভিপি আয়নুল হকের বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কেন্দ্রে কতটা উপস্থিত হন এবং জোটের ভোট কোন দিকে গড়ায় তার উপরে নির্ভর করছে এ আসনের চূড়ান্ত ফল। -

পরিবর্তন চাই, পরিবর্তন সম্ভব—এই স্লোগানে থানচিতে গ-ণসংহতি আন্দোলনের হ্যাঁ ভোট প্রচারণা
বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।
“পরিবর্তন চাই, পরিবর্তন সম্ভব”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একইদিনে গণভোটে অংশগ্রহণ ও ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের থানচি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উসাইশৈ মারমা। দপ্তর সম্পাদক উথোয়ইওয়াং মারমা।
আজ রবিবার(১ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলাবিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় এই প্রচারণা চালানো হয়। এ সময় গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। থানচি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সব এলাকায় গণভোট প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত পথ সভায় তারা এ আহ্বান জানান।
উথোয়াইওয়াং মারমা বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে সফল করতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট থেকে উত্তরণে ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি। সেই পরিবর্তনের পথ তৈরি করতেই হ্যাঁ ভোটের বিকল্প নেই। তারা আরও বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’
তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেয়ার পাশাপাশি গণভোটকে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
গণসংহতি আন্দোলন থানচি উপজেলা শাখার এক নেতা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি জনগণই পরিবর্তনের মূল শক্তি। হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে মানুষ তাদের অধিকার ও ভবিষ্যতের পক্ষে অবস্থান নেবে।”
এই সময় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন থনাচি উপজেলা কমিটি সদস্য বৃন্দ
.ইউলিয়াম বম ছাই অং মারমা. রাফেয়েল ত্রিপুরা. লাল রিন সান বম. হানি বম.জেসপার বম. রৌলিয়ান বম. মোহাম্মদ কালাম. উক্যচিং মারমা. হ্লাচিং থোয়াই মারমা. উক্যছাই মারমা প্রমুখ।
প্রচারণা চলাকালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানান।