Category: দেশজুড়ে

  • ভোট জালিয়াতি করার দুরভিসন্ধি আঁকে সঙ্গে সঙ্গে  জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-মামুনুল হক

    ভোট জালিয়াতি করার দুরভিসন্ধি আঁকে সঙ্গে সঙ্গে জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-মামুনুল হক

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    সন্ত্রাসের মাধ্যমে বা পেশি শক্তির মাধ্যমে জনতার রায় ব্যালটকে যদি কেউ ছিনতাই করার চেষ্টা করে প্রতিটি কেন্দ্রে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। ভোটারদের কাছে আমাদের আহবান হবে আপনারা সবার আগে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সারিবদ্ধ হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে
    রিক্সা মার্কায় ভোট দিবেন বলে আহবান জানান খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক।

    সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় গোপালগঞ্জ ৭ই মার্চ চত্বর রোডে ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তিনি আরো বলেন, ভোট দেওয়ার পরে আপনারা বাড়ি গিয়ে ঘুমাবেন না। আপনাদের এই ভোটের ফসল সন্ধ্যা বেলায় যেন ঘরে তুলে আনতে পারেন সেজন্য প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে আপনাদের অবস্থান করতে হবে। যদি কেউ ভোট চুরি করার বা ভোট জালিয়াতি করার দুরভিসন্ধি আঁকে সঙ্গে সঙ্গে জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জাল ভোট দেওয়ার একটা পাঁয়তারা করা হচ্ছে আমাদের কাছে সংবাদ আছে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু মানুষ কারা মারা গেছে, কারা বিদেশে আছে, কারা দূরে আছে তাদের তালিকা করা হচ্ছে। প্রতিবছর শুনি মরা মানুষ এসে ভোট দিয়ে যায়। তারা মরা মানুষের ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরার পাঁয়তারা করতেছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে। এ সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত এমপি প্রার্থী মুফতি শুইয়াব ইবরাহীমকে আগামী ১২ তারিখে রিক্সা প্রতীকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠানোর আহবান জানান খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা মামুনুল হক।

    এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক এম রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামী নেতা মাসুদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল আজিজ ‘সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী ও সমর্থকেরা অংশগ্রহণ করেন। ৭ই মার্চ চত্ত্বর সড়ক সকাল থেকেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পথসভা সম্পন্নের লক্ষ্যে জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নজরদারি ছিলো চোখে পড়ার মতো। আলোচনা সভা শেষে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা মামুনুল হক গোপালগঞ্জ-২ ও ৩ আসনে এমপি প্রার্থীদের হাতে রিক্সা প্রতীকের রেপ্লিকা তুলে দেন। এরপর তিনি পথসভায় উপস্থিত সকলকে সাথে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।

  • চাঁ-দাবাজমুক্ত আধুনিক শহর গড়ে তোলার অঙ্গীকার বিএনপি প্রার্থী এম. আকবর আলীর

    চাঁ-দাবাজমুক্ত আধুনিক শহর গড়ে তোলার অঙ্গীকার বিএনপি প্রার্থী এম. আকবর আলীর

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী এম আকবর আলী উল্লাপাড়াকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন।
    আজ সোমবার দুপুরে উল্লাপাড়া পৌরসভার মামুন হল চত্বরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য আকবর আলী বলেন, নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণ সমাজকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে উল্লাপাড়ায় একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে স্বাবলম্বী হতে পারবে।
    তিনি আরও জানান, তার প্রতিষ্ঠিত উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজে মাস্টার্স ডিগ্রি কোর্স চালু করা হবে। চিত্তবিনোদনের জন্য শিশুপার্ক গড়ে তোলা হবে। লাইটিং, বিশুদ্ধ পানি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মালের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
    এছাড়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে উল্লাপাড়ায় একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান এম আকবর আলী।
    উল্লাপাড়াবাসীর ন্যায্য দাবি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
    মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এম আকবর আলীর সহধর্মিণী লায়ন মোমেনা আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক মেয়র বেলাল হোসেন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল মোমেন শফি ও হেলাল সরকার, শহীদ জেহাদ স্মৃতি পরিষদের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ওবায়দুর রহমান মাহবুবসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

  • মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে হাতপাখা মার্কায় গনসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিল্লাল হোসাইন

    মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে হাতপাখা মার্কায় গনসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিল্লাল হোসাইন

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কেএম বিল্লাল হোসাইন নির্বাচনী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন।

    আজ সোমবার (২ রা জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানাড়ী ইউনিয়নের চর এলাকা আটিগাও, মান্দ্রা বাজার ও বিদগাওঁ গ্রামে সহ আশেপাশের এলাকায় গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী কেএম বিল্লাল হোসেন চর এলাকা আটিগাও, মান্দ্রা বাজার ও বিদগাওঁ গ্রামে
    প্রতিটি দোকানদার ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং হাতপাখা প্রতীকে ভোট ও দোয়া কামনা করেন।

    হাসাইল বানাড়ী ইউনিয়নের পরে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দিঘীড়পাড় চরে একটি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেএম বিল্লাল হোসাইন বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত সমাজ গঠনে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান ।

    গণসংযোগ চলাকালে প্রার্থী এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নির্বাচনে তাদের সক্রিয় সমর্থন কামনা করেন।

    গনসংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ ইসলামী আন্দোলন মুন্সীগঞ্জ জেলার সেক্রেটারি গাজী রফিকুল ইসলাম ,সৌদি আরব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আল আমিন খলিফা, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শাখার
    সেক্রেটারি ডাক্তার ওবায়দুল হক সরদার, টগিবাড়ি উপজেলা সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সিকদার, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান বিক্রমপুরী সহ উপজেলা শাখার সর্বস্তরে নেতাকর্মী বন্দ।

  • ময়মনসিংহ সদরে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে “প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহ সদরে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে “প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের সদরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে “প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    সোমবার (২ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রি) সকালে সদর উপজেলা প্রশাসনের ব্রহ্মপুত্র হল রুমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার ১৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের আওতাধীন ডিজিটাল সংযোগ (ব্রডব্যান্ড) স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে “প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)- জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী।

    উপজেলা আইসিটির অফিসার হাবিবুল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি- জেলা আইসিটি অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে জানান- তথ্য
     ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (EDC) প্রকল্প’-এর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে (End User) সংযোগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের বিল পরিশোধের নিমিত্তে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি (Tripartite Agreement) স্বাক্ষর করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হচ্ছে সেবার মান ও টেকসই ব্যবহার।

    সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ তার বক্তব্য End User Connectivity: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপজেলা কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন [৪, ৬],ত্রিপক্ষীয় চুক্তি (Tripartite Agreement): ইন্টারনেট ব্যবহারের শর্তাবলী, ব্যান্ডউইথ এবং মাসিক বিল পরিশোধের বিষয়ে গ্রাহক, অধিদপ্তর ও সেবা প্রদানকারীর মধ্যে চুক্তি [৪, ৮]।গ্রাহক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ: সংস্থাপিত ইন্টারনেট ও ডিভাইসগুলো সঠিক ব্যবহারে ব্যবহারকারীদের সক্ষমতা তৈরি করা [৩, ৫],প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান [৪] সহ
    প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান এই উদ্যোগের ফলে ‘Last Mile Connectivity’ বা শেষ মাইল পর্যন্ত ডিজিটাল সেবা পৌঁছে যাচ্ছে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বা স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক।

    এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরগুনার তালতলীতে মা-দক ব্যবসায়ীকে তিন মাসের কারা-দণ্ড

    বরগুনার তালতলীতে মা-দক ব্যবসায়ীকে তিন মাসের কারা-দণ্ড

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে ১০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৬৪ হাজার ৫০০ টাকাসহ মোঃ রফিক নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নৌবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে উপজেলা শহরের মাছবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটকৃত রফিক একই এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে।

    নৌবাহিনী সূত্রে জানা যায়, নৌ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার মাছ বাজার এলাকায় লেফটেন্যান্ট শাকিল মাহমুদ এর নেতৃত্বে একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মোঃ রফিক নামে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে তাকে তল্লাশি চালিয়ে ১০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তালতলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেবক মন্ডল ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।।

  • পঞ্চগড়ে দুই উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনী ব্যানারে অ-গ্নিসংযোগের অ-ভিযোগ

    পঞ্চগড়ে দুই উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনী ব্যানারে অ-গ্নিসংযোগের অ-ভিযোগ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমিরের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় ও তেঁতুলিয়া থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
    সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের নির্বাচনী এজেন্ট নওফল জমির।

    (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার প্রতিবাদ জানান পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের নির্বাচনী এজেন্ট নওফল জমির।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পঞ্চগড় সদর থানাধীন ধাক্কামারা ইউনিয়নের যতনপুকুরী জামিয়া কারিমীয়া কেরাতুল কোরআন মাদ্রাসার সামনে টানানো বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী ব্যানারে শনিবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা অগ্নিসংযোগ করেন। অন্যদিকে একই রাতে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সন্ন্যাসীপাড়া গ্রামের তেপথী মোড় এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ব্যানারটি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে সংঘটিত বলে সংসাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

  • ত্রিশালে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্র/শিক্ষণ, পথসভা ও যৌথ ম/হড়া অনুষ্ঠিত

    ত্রিশালে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্র/শিক্ষণ, পথসভা ও যৌথ ম/হড়া অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ত্রিশালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (১ফেব্রুোয়ারী) ত্রিশাল নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

    একই দিনে ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের বালুর মোড় এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং নির্বাচনকালীন আচরণবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    এছাড়াও নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন মোঃ সাইফুর রহমান, জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটসহ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    পথসভায় বক্তারা বলেন, ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ ছাড়া একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আপনারা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

    যৌথ মহড়া প্রসঙ্গে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন চলাকালীন যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

  • পাবনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের ব্যাপক গ-ণসংযোগ

    পাবনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের ব্যাপক গ-ণসংযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬৯পাবনা-২ সংসদীয় আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক কে. এম হেসাব উদ্দিন। পাবনা-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে তিনি ভোটারদের কাছে দঁাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন এবং গণভোটে ‘হঁ্যা’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। রবিবার বেড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি । এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি মিথ্যা আশ্বাস দেবো না। বাস্তবতার ভিত্তিতে ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিনি দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও প্রবঞ্চনা দূর করে জনগণের কাছে সততা ও জবাবদিহিতার রাজনীতি চালু করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। গণসংযোগকালে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পথচারী ও দোকানিদের সাথে কথা বলে হেসাব উদ্দিন তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক কে. এম হেসাব উদ্দিন গত শনিবার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধাসহ সব শহীদের আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেয়া যাবে না। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই আসনে নাগরিক সুবিধা, কর্মসংস্থান, শিশু ও স্বাস্থ্য খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনগণের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। গণসংযোগে স্থানীয় মুরব্বি, যুবক, শ্রমজীবী মানুষ ও নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। দিনভর এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে জামায়াত প্রার্থীর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও সাড়া চোখে পড়ার মতো ছিল।

    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি।।

  • মহেশপুরে ধানের শীষের পথসভায় জ/নস্রোত

    মহেশপুরে ধানের শীষের পথসভায় জ/নস্রোত

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নে বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মেহেদী হাসান রনির পথসভায় বিপুল জনসমাগম দেখা গেছে। ১লা ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকালে বাগাডাঙ্গা বাজার থেকে শুরু হয়ে নেপা বাজার, সেজিয়া বাজার ও বাকোসপোতা মোড়সহ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, যা চোখে পড়ার মতো।
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ জোরদার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ – ৩ আসন (মহেশপুর-কোটচাঁদপুরে) ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রনির নেতৃত্বে নেপা ইউনিয়নে বিশাল এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    পথসভাটি বাগাডাঙ্গা বাজার থেকে শুরু হয়ে নেপা বাজার, সেজিয়া বাজার ও বাকসপাতা মোড়সহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ঘুরে জনসভায় রূপ নেয়। প্রতিটি স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং সাধারণ মানুষ রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন।
    পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহেদী হাসান রনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে পুনরুদ্ধার করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড চালু করা হবে। পাশাপাশি নির্বাচিত হওয়ার আট মাসের মধ্যে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের বাস্তব উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার নয়, এটি মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই। তাই প্রতিটি নেতাকর্মীকে মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।
    পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দিন বিশ্বাস, ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান লিপকন, মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল আমিনুর রহমান মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ফুটান মাস্টার, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবুল বাশার, বাগাডাঙ্গা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর , সাধারণ সম্পাদক লিটনসহ দলীয অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    বক্তারা সবাই এক কণ্ঠে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে মাঠে থাকার আহ্বান জানান। পথসভা ঘিরে বাগাডাঙ্গা ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতি যোগ হয়।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় গাছে গাছে আমের মুকুল ;পরিচর্যায় ব্য/স্ত চাষি

    পাইকগাছায় গাছে গাছে আমের মুকুল ;পরিচর্যায় ব্য/স্ত চাষি

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    খুলনার পাইকগাছায় মাঘের শীতে আম গাছের পল্লবে মুকুল বের হতে শুরু করেছে। মাঘের মাঝামাঝি আম গাছে মুকুল আসায় গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা ও হপার পোকা দমনে বালাইনাশক প্রয়োগে চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। মুকুল আসার পর ভালো ফলন পেতে ছত্রাকনাশক ও সার ব্যবহারের পাশাপাশি বাগান মালিকরা নিয়মিত জলসেচ ও গাছের গোড়া পরিচর্যায় বিশেষ যত্ন নিচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।আম চাষীরা গাছের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিচর্যা শেষে করে দ্বিতীয়বার ঔষধ প্রয়োগ করছে। পাইকগাছা উপজেলার আম বাগানের গাছে মুকুল ধরা শুরু করেছে। হপার পোকা দমনে আম চাষীরা গাছের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিচর্যা শেষ যে সব গাছে মুকুল বের হয়েছে তার পরিচর্যা করছে। ভালো ফলন পেতে বাগান মালিক ও আম চাষীরা আম বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে আম চাষী ও বাগান মালিকরা।পাইকগাছা বড় আম বাগানের মালিক বিরাশির অখিলবন্ধু ঘোষ, সনাতন কাঠির আমিন সরদার, মোমিন সরদার, গদাইপুরের সামাদ ঢালী, মোবারক ঢালী, গোপালপুরের আবুল হোসেন জানান, রুপালী,আম্রপলী, বোম্বাই লতা ও হিম সাগরসহ বিভিন্ন জাতের আমের গাছ রয়েছে। বাগানের আম গাছে গাছে মুকুল এসেছে এবং পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। গদাইপুর গ্রামের আম চাষী মোবারক ঢালী বলেন, বাগান পরিচর্যায় আম গাছে কীটনাশক সাইপার মেথ্রিন ১০ইসি, ছত্রাকনাশক কার্বনডাজিম ৫০ডব্লিউ জি ও ভিটামিন পিজিআর ম্যাশিনের সাহায্যে গাছে স্প্রে করছেন।তিনি এ বছর আমের ভালো ফলনের আশা করছে।পাইকগাছার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুুনি, রাড়ুলী ও পৌরসভা ছাড়া বাকী ইউয়িনগুলিতে একেবারে সীমিত আমের গাছ রয়েছে। উপজেলায় ৬শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের বাগান আছে, মোট আম গাছের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার ১শ ৮০ টি। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আম গাছ আছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: একরামুল হোসেন জানান, আম গাছে মুকুল ধরা শুরু করেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আম চাষী ও বাগান মালিকদের আমগাছ পরিচর্যায় পরামর্শ দিচ্ছে। ভালো ফলন পেতে বাগান মালিক ও আম চাষীরা আম বাগান পরিচর্যা করছেন।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।