Category: দেশজুড়ে

  • তানোরে বিএনপির স্মরণকালের স-র্ববৃহৎ প্রচার মিছিল

    তানোরে বিএনপির স্মরণকালের স-র্ববৃহৎ প্রচার মিছিল

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে রাজশাহীর তানোর পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এবং তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপির স্মরণকারের সর্ব বৃহৎ প্রচার মিছিল ও পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।

    সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী) শেষ বিকেলে তানোর উপজেলা পরিষদ ডাকবাংলো মাঠ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে থানা মোড়ে পথসভার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করা হয়।তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লার সভাপতিত্বে তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক ও রায়হান আলীর সঞ্চালনায় পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের পুত্র অথৈ জয় শরিফ। উপস্থিত ছিলেন ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, তানোর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সবুর,কলমা ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, ইয়াসিন আলী, পাঁচন্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মজিবুর রহমান, চান্দুড়িয়া ইউপি বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজান, সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সাবেক সম্পাদক ফিরোজ কবির, বিএনপি নেতা তৌহিদুর রহমান রেজা, জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুলতান আহম্মেদ, শরিয়তুল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন, তানোর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক শাহীন সরকার, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাহাবুর মোল্লা, ওবাইদুর রহমান মাস্টার, মুঞ্জুর রহমান ও সেলিম রেজা প্রমুখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। #

  • সানলাইট আইডিয়াল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    সানলাইট আইডিয়াল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    হারুন অর রশিদ।।
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সানলাইট আইডিয়াল একাডেমির মহব্বতপুর বাজার এর উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার দিনব্যাপী সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মহব্বতপুর বাজারের সানলাইট আইডিয়াল একাডেমিতে
    প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে এবং ফুল মিয়ার উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান জনাব মো. হারুনূর রশিদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমুজ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর অধ্যক্ষ অসীম কুমার মোদক, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার দ্বীন মোহাম্মদ, সহকারী অধ্যাপক মো, ছাদেক মিয়া, অধ্যাপক জালাল উদ্দীন, দোয়ারাবাজার কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন সভাপতি মজিবুর রহমান, বড়কাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস শহিদ, জামাল উদ্দিন, মহব্বতপুর বাজার কমিটির সভাপতি মারফত আলী কবিরাজ,সাধারণ সম্পাদক পারভেজ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • রাজশাহী-২ আসনে আ-লোচনায় জামায়াত প্রার্থী ডাঃ জাহাঙ্গীর

    রাজশাহী-২ আসনে আ-লোচনায় জামায়াত প্রার্থী ডাঃ জাহাঙ্গীর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-২ (বোয়ালিয়া-রাজপাড়া) আসনে ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার আলোচনায় রয়েছেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। যিনি গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত।এছাড়াও এখানে প্রতিদন্দিতা করছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও রাসিকের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু,আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মুহাঃ সাঈদ নোমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল ইসলাম, নাগরিক ঐক্যর মোহাম্মদ সামছুল আলম ও
    স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদ। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭৮ হাজার ২৪৯ জন, নারী ভোটার এক লাখ ৯১ হাজার ৩০৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৮ জন।
    জানা গেছে, রাজশাহী-২ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে জামায়াত মনোনীত ডা, জাহাঙ্গীর বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অদিকারী।
    এক আলোকবর্তিকার পথচলা…
    সুফি-সাধক হযরত শাহ্ মখদুম রুপোস (রহ:)-এর স্মৃতি বিজড়িত ও পদ্মাবিধৌত রাজশাহী মহানগরী ইসলামী আদর্শের এক উর্বর চারণভূমি। এই জনপদের পবিত্র মাটি অসংখ্য শহীদের রক্তে রঞ্জিত। ত্যাগ, কুরবানী আর সংগ্রামের মহিমাময় ভূমি রাজশাহী সদর নিয়ে গঠিত নির্বাচনী আসন রাজশাহী-২। এক নতুন সোনালি বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও ‘গরীবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে। মানবতার মহান ব্রতে নিয়োজিত ডাঃ জাহাঙ্গীর মানুষের কল্যাণে আত্মউৎসর্গিত এক মহৎপ্রাণ মানুষ। চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত প্রচারবিমুখ এই ব্যক্তিত্ব আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের এক মহান কারিগর। ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, সমাজসেবক, উদ্যোক্তা ও রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৬০ সালে রাজশাহী নগরীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে তাঁরা রাজশাহীর দরগাপাড়ায় বসবাস করলেও পরবর্তীতে পরিবারসহ কাদিরগঞ্জে স্থানান্তরিত এবং স্থায়ী হোন। পিতা ডা. লুৎফর রহমান ছিলেন বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক এবং মাতা রোকেয়া বেগম ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী গৃহিনী। দশ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে যষ্ঠ। ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রাজশাহী শহরের হেঁতেম খাঁ মহল্লার পাঠশালা স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করার পর ভর্তি হন রাজশাহী সরকারি কলেজিয়েট স্কুলে। তিনি স্কুল ও কলেজ জীবনে একজন সক্রিয় স্কাউট সদস্য ছিলেন, বিভিন্ন স্কাউট ক্যাম্প ও রোভার মুটে অংশ নিয়েছেন। স্কুল জীবনে একজন দক্ষ ব্যাজধারী ও সিগন্যালিং-এ পারদর্শী স্কাউট ছিলেন। অধ্যায়নকালীন তিনি মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্য হন। উল্লেখ্য যে তাঁদের গ্রুপটি রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ স্কাউট দলের স্বীকৃতি লাভ করে। তিনি স্কাউটের সাংস্কৃতিক দলেরও সদস্য ছিলেন এবং বর্তমানেও বাংলাদেশ স্কাউটের একজন বন্ধু সদস্য।
    তিনি ১৯৭৫ সালে কলেজিয়েট স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বিভাগে এসএসসি সম্পন্ন করেন। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৭৭ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন এবং একই বছর তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হোন। ১৯৮৪ সালে অর্জন করেন এমবিবিএস ডিগ্রী। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেসথেসিওলজি) কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বায়োলজিকাল সাইন্সেস (আইবিএসসি) থেকে এম-ফিল/পিএইচডি ফেলো হিসেবে গবেষণা করেন এবং বারডেম ঢাকা থেকে সিসিডি (ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্ট) কোর্স সম্পন্ন করেন। নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক ডিগ্রী এম.পি.এইচ অর্জন করেন।
    কর্ম জীবন
    ১৯৮৪ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন সার্ভিস ট্রেনিং এর মাধ্যমে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি রাজশাহী ও নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার এবং রেসিডেন্সিয়াল মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যানেসথেসিওলজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ফার্মাকোলজি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সুপারের (অবৈতনিক) দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ রাজশাহীতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি মালদ্বীপের ইন্দিরাগান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং আই কেয়ার হাসাপাতালে কনসাল্টেন্ট অ্যানেসথেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ২০১৭ সালের পহেলা আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকার বসুন্ধরা আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকার আদ্‌-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিকুল হক হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে স্বাস্থ্য প্রশাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর থেকে তিনি বসুন্ধরা আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজের অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের প্রফেসর (CC) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩-২০২৪ পর্যন্ত নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামের অ্যাডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে যুক্ত ছিলেন, যা তাঁর একাডেমিক অবদানের বহুমাত্রিকতাকে প্রকাশ করে। এভাবে ধাপে ধাপে অর্জিত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ তাঁকে শুধু একজন দক্ষ চিকিৎসকই নয়; বরং জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও গবেষণার এক বহুমুখী বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবন
    ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের রয়েছে এক সমৃদ্ধ পারিবারিক ঐতিহ্য। শিক্ষা, চিকিৎসা ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন পূর্ব পুরুষগণ ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বিংশ শতকের শুরুতে রাজশাহীতে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলেন। পিতা ডা. লুৎফর রহমান এবং চাচা ডা. গোলাম মোস্তফা কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এইচএমবি (ক্যাল) ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক ছিলেন এবং রাজশাহীতে তাদের সুপরিচিত চেম্বার ছিল তৎকালীন রাজনীতিবিদ, শিক্ষিত সমাজ ও ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের আলোচনার কেন্দ্রস্থল। এই পরিবেশে বেড়ে ওঠা ডা. জাহাঙ্গীর ছোট বেলা থেকেই ছিলেন রাজনীতি সচেতন। ১৯৮৭ সালে তিনি শিক্ষাবান্ধব পরিবারের মেয়ে সাবরীনা শারমিন বনির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি বর্তমানে রাজশাহীর বিনোদপুরে অবস্থিত ইসলামিয়া কলেজে ইংরেজি বিভাগে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনিও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে। সম্পৃক্ত এবং নারী অধিকার আদায়ের সোচ্চার কন্ঠস্বর ও বাংলাদেশ জামায়াতে। ইসলামী রাজশাহী অঞ্চল, মহিলা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডা. জাহাঙ্গীরের শ্বশুর আব্দুস সামাদ সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রথিতযশা শিক্ষক এবং শাশুড়ি ছিলেন রাজশাহী কলেজের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর বেগম লুৎফা। দাম্পত্য জীবনে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর তিন সন্তানের জনক। তাঁর সন্তানেরা উচ্চশিক্ষিত এবং ইসলামী আন্দেলন ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত। তার বড় সন্তান সাদিয়া তাবাসসুম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে এমএসসি সম্পন্ন করেছেন এবং বড় জামাতা একজন স্বনামধন্য সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। ছোট মেয়ে ডা: তাসনীম তারান্নুম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেডিওলজি বিভাগে এমডি কোর্সে অধ্যয়নরত এবং ছোট জামাতা সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে স্কিন ভিডি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দ্বায়ীত্ব পালন করছেন। একমাত্র ছেলে সাদেক জাফরুল্লা নাহিন একজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সন্তান। তবে সে নিজের জগতে উদ্ভাসিত। একমাত্র
    পুত্রবধূ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং একজন হোমিও চিকিৎসক। ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগ দেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী মহানগরীর সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচনে ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল এসেশিয়েশনে কয়েকবার বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হন। ছাত্রজীবন শেষে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। সাংগঠনিক জীবনে নওগাঁ জেলার শুরা সদস্য, রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারী এবং কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর।

    রাজনৈতিক জীবনে জুলুম ও নির্যাতনের শিকার
    ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রাজনৈতিক জীবনে বারবার রাষ্ট্রীয় জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি যৌক্তিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে তিনি সরব অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব প্রদান করে চলেছেন। আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা তান্ডবের বিচার, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভোটাধিকারের দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলন, ২০১৮ ও ২০২৪ কোটা আন্দোলনসহ ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী রেজিমের পতনের গণ-আন্দোলনে তিনি ছিলেন সক্রিয় ও সোচ্চার এক কন্ঠস্বর। ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস কারাগারে রাখা হয়। এছাড়াও তিনি তিনবার কারাবন্দী হন।

    জুলাই বিপ্লবে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ভূমিকা
    ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের সময় ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ঢাকার ডাক্তারদের মাঝে একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। ঢাকা ও রাজশাহীতে আহতদের চিকিৎসার জন্য তিনি কন্ট্রোল রুম স্থাপন, ফান্ড রেইজিং এবং ঔষধ সরবরাহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।আহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষৎ, মতবিনিময় এবং আর্থিক সহায়তার কাজে জড়িত আছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা নিয়ে তার একাধিকবার বৈঠক হয় এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সঙ্গেও মতবিনিময় হয়। জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বৈষম্যের অবসান এবং কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

    সমাজকল্যাণে অবদান
    ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ হবার পাশাপাশি একজন নিবেদিত প্রাণ সমাজসেবক হিসেবেও পরিচিত। ছাত্র জীবনেই সমাজ সেবাতে তাঁর হাতেখড়ি হয় (দি অ্যাথলেটস) ক্লাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটি কাদিরগঞ্জ-এর প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদের ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করত। এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর রাজশাহী নগরীর ডাঁশমারী এলাকায় দাওয়াতুল ইসলাম ট্রাস্টের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদানের কর্মসূচি হাতে নেন। রাবেতা আলমে আল ইসলামির অর্থায়নে পল্লী চিকিৎসক প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করেন এবং ফ্রি সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে পল্লী চিকিৎসক তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। এই পল্লী চিকিৎসকগণের দ্বারা তিনি প্রত্যন্ত পল্লীর মানুষেরা সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষার এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছেন। তাঁর নেতৃত্বে একাধিক গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যা স্থানীয় মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল লক্ষীপুর, ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক নার্সিং কলেজ ও ইনিস্টিটিউট, ইসলামী ব্যাংক ইনিস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম উদ্যেক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর। এসকল প্রতিষ্ঠান উত্তরবঙ্গের হাজার হাজার মানুষকে কম খরচে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করছে এবং শত শত রাজশাহীবাসীর কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শতশত অসহায় মানুষ বিনামূল্যে খৎনা, ছানি অপারেশন, ঠোঁট ঠোঁট কাটা, তালু কাটার মতো জটিল অপারেশন করতে পারছেন। এখান থেকে প্রচুর সংখ্যক দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী তৈরি হচ্ছে, যারা শুধু দেশের অভ্যন্তরেই সেবা দিচ্ছে না বিদেশেও সুনামের সঙ্গে কাজ করে রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।
    তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএসসি থেকে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রীকে বিএমডিসির স্বীকৃতি এনে দিতে কাজ করেন; যার ফলে চিকিৎসকবৃন্দের কর্মজীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট সদস্য হিসেবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রী চালু করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ফলে অসংখ্য চিকিৎসকের উচ্চ শিক্ষার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
    ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর অসংখ্য সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ)-এর আজীবন সদস্য ও সাবেক কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক এবং জাতীয় অ্যানেস্থেসিওলজিট ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

    বহরমপুর উত্তরা জামে মসজিদের, রানী বাজার জামে মসজিদের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় বিভিন্ন সময় ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে তিনি সিনিয়র নাগরিক ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি এবং দাওয়াতুল ইসলাম ট্রাস্ট পরিচালিত এতিমখানার সভাপতি। রাজশাহী উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে। স্থানীয় উন্নয়ন, দরিদ্রদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থিক সহয়তা প্রদান, ত্রাণ বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাবার ও শীতবস্ত্র বিতরণ প্রভৃতি সমাজসেবামূলক কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এলাকার উন্নয়নে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিং দূরীকরণ, বৃক্ষরোপন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, টিউবয়েল, মসজিদ, ওযুখানা নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

    গবেষণা, প্রকাশনা ও আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ
    ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং কোভিড-১৯ সহ জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন বিষয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯ সালে মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সেমিনারে শ্রেষ্ঠ প্রেজেন্টর হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পান।
    জনকল্যানে ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ভিশন
    বাংলাদেশের উত্তর জনপদের এক ঐতিহ্যবাহী শহর রাজশাহী। শিক্ষানগরী হিসেবেখ্যাত এই শহরের বুকে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অধিকারী এই শহরের প্রতিটি মানুষ স্বপ্ন দেখে একটি উন্নত নিরাপদ ও মানবিক নগর জীবনের। এখন সময় এসেছে রাজশাহীকে কেবল একটি বিভাগীয় শহর নয়; বরং একটি আধুনিক, স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরীতে রূপান্তরের। সময় এসেছে এমন নেতৃত্বের যিনি বা যারা জনগণের জন্য চিন্তা ও কাজ করেন এবং তাদের পাশে থাকেন। এই ভাবনা থেকেই রাজশাহী-২ আসনের এমপি পদপ্রার্থী প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর উপস্থাপন করেছেন একটি পরিচ্ছন্ন, বাস্তবভিত্তিক ও যুগোপযোগী উন্নয়ন ভিশন যা শিক্ষিত, সচেতন, কর্মক্ষম ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি স্মার্ট রাজশাহী গড়ার অঙ্গীকার।
    এদিকে স্থানীয়রা বলছে,মনোনয়ন ও কমিটি নিয়ে মহানগর বিএনপিতে মতবিরোধ রয়েছে।এছাড়াও বার বার একই ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে নেতৃত্ব বিকাশের পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।যা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা মেনে নিতে পারছেন না।তারা সভা সমাবেশে প্রকাশ্য দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সরব থাকলেও, গোপণে নিরব ভূমিকা পালন করছে, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিপক্ষে কাজ করছে বলেও আলোচনা রয়েছে। এখানে বিএনপির মতবিরোধ কাজে লাগিয়ে জামায়াত বিজয়ী হবার স্বপ্ন দেখছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।#

  • ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় মাঠে সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী নেতৃবৃন্দরা

    ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় মাঠে সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী নেতৃবৃন্দরা

    হারুন অর রশিদ।।

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জ ৫ ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এর পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণা কার্যক্রম চালিয়েছেন, সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী। সোমবার বিকেলে দোয়ারাবাজার সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজারের জনসমাগমস্থলে এই প্রচারণা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    প্রচারণাকালে আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দরা সাধারণ মানুষের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে বিজয়ী করতে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই। এসম উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ জেলা জজ কোটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী নেতৃবৃন্দরা এডভোকেট শামসুর রহমান,
    এডভোকেট মাসুক আহমেদ, এডভোকেট গোলাম জিলানি, এডভোকেট আবদুল জলিল, এডভোকেট মোহাম্মদ মানিক, এডভোকেট সালেহ আহমেদ, এডভোকেট জামাল উদ্দিন, এডভোকেট ফজলুল হক,
    এডভোকেট মাসুক মিয়া, এডভোকেট আইনুদ্দিন,এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন,
    এডভোকেট হেলাল আহমেদ, এডভোকেট আব্দর রউফ, এডভোকেট সাইফুল ইসলাম জনি প্রমুখ।

  • বাবুগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

    বাবুগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

    মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি।

    বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতী ইউনিয়নের নতুনহাট বাজারে বরিশাল–৩ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কর্মসূচিতে অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এ সময় তিনি বাজারের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    গণসংযোগকালে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান এবং ভোটারদের সমর্থন কামনা করেন।

    কর্মসূচিকে ঘিরে নতুনহাট বাজার এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা চোখে পড়ে। নেতাকর্মীরা বলেন, জনসাধারণের ব্যাপক সাড়া তাদের উৎসাহিত করেছে।

  • সাবাই স্বাবলম্বী হতে হবে রাজশাহীর ডিসি আফিয়া আখতার

    সাবাই স্বাবলম্বী হতে হবে রাজশাহীর ডিসি আফিয়া আখতার

    গোদাগাড়ী (রাজশাহী ) থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৩ মাস সেলাই প্রশিক্ষন শেষে ৩০ প্রশিক্ষার্থীদের মাঝে সিঙ্গার কোম্পানির সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। সোমাবার সকাল সাড়ে ১০ টার সময় উপজেলা পরিষদের পুরাতন অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্নের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শামসুল ইসলাম, মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর, কোর্স কডিনেটর আতিকুর রহমান প্রমূখ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন জানান, উচ্চতর দক্ষতা সম্পূর্ণ সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ জনকে জেলা প্রশাসক স্যারের মাধ্যমে আজকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে।। কিছুদিনের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাচ শুরু হবে। মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর খুবই দক্ষ, খুব সহজে ভালভাবে শিখিয়াছেন।

    জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, যারা সেলাই মেশিন পেল তাদের সবাইকে স্বাবলম্বী হতে হবে। এ মেশিন বিক্রি করা যাবে না।
    পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে। নিজে কিছু করার জন্য আগে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা বাড়াতে হবে। এজন্য সেলাই প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপর্ণ। সেলাই প্রশিক্ষণ নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে নারীরা সমাজে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারে। সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং নিজেদের জন্য একটি স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করতে হবে । এধরনের নিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। যা দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখছে। বেকার যুবক ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাচ শুরু করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশনা দেন।

    মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর বলেন, যারা কাজ শিখছেন তারা খুব আন্তরিক, মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহন করছেন। সেলাই প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে অনেকভাবে উপকারী আসতে পারে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজস্ব দক্ষতা ব্যবহার করে একদিকে যেমন আয় করতে পারেন অন্যদিকে তেমনী দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন। কেন না অন লাইন মার্কেটিং করে বিদেশে তৈরীপুন্য রপ্তানী করতে পারবেন। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে সেলাই ও ড্রেস মেকিং এর মতো ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ রয়েছে যেমন বাড়িতে দর্জির কাজ, দোকানে পোশাক তৈরি করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়। কম বিনিয়োগ সেলাই মেশিন কিনে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করা সম্ভব যা পরিবারের আয়ের উৎস হতে পারে।
    তিনি আরও বলেন সেলাই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নতুন ডিজাইন তৈরি এবং পোশাকের ক্ষেত্রে সৃজনশীলতা বাড়ানো যায়। আধুনিক বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নিজের এবং পরিবারের পোশাক তৈরির সাথে সাথে নিজকে উপস্থাপন করা যায়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী দক্ষতা।
    নিজের মেধা, দক্ষতা কলা-কৌশল কাজে লাগিয়ে যুগোপযোগী, সৃজনশীলতা, রুচিশীল, চাহিদা সম্পন্ন, উন্নত মানসম্পূর্ন্ন পোশাক তৈরী করা যায়।
    দক্ষ সেলাই জানলে ভবিষ্যতে নিজস্ব বুটিকস বা ফ্যাশন ডিজাইনিং এর উদ্যোগ শুরু করার পথ খুলে যেতে পারে। আধুনিক বিশ্বে ফ্যাশান ও পোশাকের চাহিদা সবসময় থাকে তাই সেলাই চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে ইনসাল্লাহ।

    গৃহবধূ ও প্রশিক্ষনার্থী মোসাঃ জোহরুন নেসা বলেন, উদ্যোক্তা হওয়ার জন্যই কাজ শিখতে এসেছি। আমাদের মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর ম্যাডাম খুব ভাল মনের মানুষ, আমি সেলাইয়ের কোন কিছু জানতাম না। অনেক কিছু শিখেছি। ম্যাডাম আমাদেরকে একটি কাজ ৫/৭ বার পর্যন্ত হাতে কলমে, সহজ উপায়ে শিখিয়ে দিয়েছেন। আমরা বুঝতে না পারলে ম্যাডামের নিকট ছুটে যায়। কেউ ডাকলে ম্যাডামও চলে এসে একধিকবার করে বুঝিয়ে দেন, কোন বিরক্ত বোধ করেন না। একই মন্তব্য করেন প্রশিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী নেত্রী ঝর্ণা।

    বিধবা সুরভী বলেন, দেড় বছর আগে স্বামী মারা গেছেন, দুইটি ছেলে নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাই। বড় ছেলে ১০ বছর ছোট ছেলেটি ১৮ মাসের। ২ ছেলেকে শাশুড়ী নিকট রেখে এসে সেলাই প্রশিক্ষন অংশ গ্রহন করেছিলাম । সংসার চালাতে হিমসিম খাই। প্রশিক্ষন শেষে সেলাই মেশিন পেয়ে আমি দারুন খুশি। কিছু ইনকাম করতে পারবো ইসসাল্লাহ।

    প্রতিবন্ধী কামরুল ইসলাম বলেন, আমি কাজ জানি, কিন্তু শিখার শেষ নেই। তাই তো উচ্চতর সেলাই প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন করেছিলাম। মেশিন পেয়ে সবাই দারুন খুশি।

    কোর্স পরিচালক আতিকুর রহমান আতিক বলেন,সমাজের অসহায় শিক্ষার্থী ও নারীদের হাতে-কলমে সেলাই প্রশিক্ষণের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল এ প্রশিক্ষণে। তিন মাস প্রশিক্ষণ শেষে মেশিন পেয়ে সবাই ইদের মত আনন্দ করছেন। সাবেক ইউএনও ফয়সাল আহমেদ সেলাই মেশিন প্রদান ও মিনি গামেন্টস করার কথা বলেছিলেন। আজ একটি দাবী পূরণ হওয়ায় সাবাই খুশি হয়েছেন। আগামীতে দ্বিতীয় ব্যাচ শুরু হবে ইনসাল্লাহ।
    প্রশিক্ষার্থী কুলসুম বেওয়া জানান, স্বামী ঢাকায় কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনা মারা গেছেন। ১ ছেলে ও ১ মেয়ে কষ্ট করে হাঁস – মুরগী পুষে ( পালন করে) ডিম বিক্রি করে সংসার চালাই। বাড়ীতে সেলাই মেশিন নেই। কেনার সামর্থ নেই। মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর ম্যাডাম যে কাজ দেন সেই কাজ সুঁই সুতা ব্যবহার করে জমা দিয়েছিলাম। আজ ভাল লাগছে সেলাই মেশিন পেয়ে। প্রশিক্ষনের অভিজ্ঞতাকে কাজ লাগিয়ে ইনকাম করতে করে ছেলে মেয়ের মুখে হাসি ফোঁটাতে পারব ইনসাল্লাহ।

    এ প্রশিক্ষণে প্রথম ব্যাচে অংশ গ্রহন করছেন ৩৫ জন গরীব, দুস্থ্য, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী, স্বচ্ছল অবস্থাশালী পরিবারের বেকার নারী, পুরুষ, যুবক, যুবতীরা অংশ গ্রহন করেন। নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষন সম্পূন্ন করেন ৩০ জন। এতে প্রথম স্থান অধিকার করেন, গৃহবধূ মোসাঃ জোহরুন নেসা, দ্বিতীয় স্থান মোসাঃ অধিকার করেন মেহেরুন বেওয়া, তৃতীয় স্থান অধিকার করেন কুলসুম বেওয়া। প্রথমে এ ৩জন কে সেলাই দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এ তিন জন্য সেলাই মেশিন না নিয়ে সবাই সাবাই দেয়ার আহ্বান জানান।

    পরবর্তী মাষ্টার ট্রেনার শাহানারা বিশ্বাস শাহিনুর, বিভিন্ন সময়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহম্মেদ ও বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্নের সাথে দেখা করে সাবাইকে সেলাই মেশিন দেয়ার দাবী জানান। কয়েকজন প্রশিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে নতুন ইউএনও স্যারের সাথে দেখা সবাইকে সেলাই মেশিন দেয়ার জোর দাবী জানান এবং সবাইকে মেশিন দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

    প্রশিক্ষণ শেষে তাদের চোখে, মুখে স্বপ্ন একটি মিনি গার্মেন্টস এর মালিক হওয়া, উদ্যোক্তা হওয়া, নিজের পরিবারের কাজগুলি করা, আশেপাশের মানুষের কাজ করে কিছু ইনকাম করে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা, সুখে শান্তিতে বসবাস করাসহ স্বাবলম্বী হওয়া।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,রাজশাহী।

  • নড়াইলে বাসের ধা-ক্কায় মোটরসাইকেলের চালক নিহ-ত

    নড়াইলে বাসের ধা-ক্কায় মোটরসাইকেলের চালক নিহ-ত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালক নিহত। নড়াইল সদর উপজেলায় কালনা-যশোর মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালক মো. নজরুল মুন্সি (৫০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার যশোর-কালনা মহাসড়কের নাকসী মাদরাসা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে এদিন সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।
    নড়াইলের তুলরামপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মো. নজরুল মুন্সি সদর উপজেলার ভওয়াখালি গ্রামের মৃত গনি মুন্সির ছেলে।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলের দিকে নজরুল মুন্সি নামে ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে কালনা-যশোর মহাসড়ক দিয়ে নাকসী মাদরাসা থেকে নড়াইল শহরে ফিরছিলেন। এসময় পেছন দিক থেকে আসা এক বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। যেখানে চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরিু বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে খুলনা নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তাকে খুলনা সিটি মেডিকেলে নিয়ে গেলে সন্ধ্যায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
    নড়াইলের তুলরামপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি শেখ সেকেন্দার আলী বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে অবগত হয়েছি। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় বৃষ্টি ছাড়াই জলাবদ্ধতা,পানির নিচে রাস্তা- জনগণের চরম ভো-গান্তি

    আশুলিয়ার জামগড়ায় বৃষ্টি ছাড়াই জলাবদ্ধতা,পানির নিচে রাস্তা- জনগণের চরম ভো-গান্তি

    হেলাল শেখ: ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া-বাগবাড়ি সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে বৃষ্টি না থাকলেও জলাবদ্ধতায় পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে রাস্তা। এতে দিন দিন বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা,চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও পোশাক শ্রমিকরা।

    সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে সরেজমিনে আশুলিয়ার জামগড়া-বাগবাড়ি সড়ক ঘুরে দেখা যায়, দীর্ঘ অংশজুড়ে পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া গভীর গর্তে পড়ে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দুর্ঘটনায় পথচারী আহত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

    এলাকার বাসিন্দা হাজী সোহরাব হোসেন মীর বলেন,“জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে আমরা বহুবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বৃষ্টি না থাকলেও রাস্তা পানির নিচে থাকে-এটা চরম অবহেলার প্রমাণ।”

    এ বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লায়ন আক্তার হোসেন ও আশুলিয়া থানা তাঁতি দলের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব বকুল ভুঁইয়া বলেন,
    “আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি সরকারি প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নয়নজুলি খাল দখলমুক্ত করতে। খালটি উদ্ধার করা গেলে আশুলিয়ার এই দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।”
    এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ ও টেকসই সমাধান দাবি করেছেন, অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।

  • আশুলিয়ায় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সং-ঘর্ষ, নারীসহ আহ-ত ৮

    আশুলিয়ায় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সং-ঘর্ষ, নারীসহ আহ-ত ৮

    সাইফুল ইসলাম জয়: ঢাকার আশুলিয়ায় নির্বাচনী ব্যানারকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত এক প্রার্থীর সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনাটি ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে ভোটারদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর হাসান কলোনী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার মাত্র ১০ মিনিট আগে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু একটি নির্বাচনী ক্যাম্প পরিদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তার চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই একই প্রার্থীর সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুর নির্বাচনী ব্যানার নিয়ে তার সমর্থক কিবরিয়া ও আলম পারভেজ বুলেটের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আলম পারভেজ বুলেট তার সহযোগীদের নিয়ে কিবরিয়ার পরিচালিত নির্বাচনী অফিস ও পাশের একটি চায়ের দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলা ঠেকাতে গেলে নারীসহ কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
    সংঘর্ষে গুরুতর আহত তৌহিদ সরকারকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে আসছে। এ ঘটনার পর নির্বাচনী এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানান, অভিযোগ পাইনি।

  • গণতন্ত্রের বার্তা হাতে নিয়ে বাবার পক্ষে ভোটারদের দ্বারে ইসরাফিল খসরু

    গণতন্ত্রের বার্তা হাতে নিয়ে বাবার পক্ষে ভোটারদের দ্বারে ইসরাফিল খসরু

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী তৎপরতা জোরদার হচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গণসংযোগে নেমেছেন তাঁর ছেলে, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু।

    ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। এ সময় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে বাবার রাজনৈতিক আদর্শ, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরা হয়।

    গণসংযোগ চলাকালে ইসরাফিল খসরু এলাকাবাসীর সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মতবিনিময় করেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম-১১ আসনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর পক্ষে সরাসরি মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

    এই কর্মসূচিতে ইপিজেড থানা ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন নগর বি এন পির সদস্য,ও ৩৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, শরফরাজ কাদের রাসেল, ইপিজেড থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আনসারি; ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ উদ্দিন; ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান, মোহাম্মদ রাশেদুল আলম; মোঃ শাহজাহান ও মোঃ শরিফ (সহ-সভাপতি, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি); মোঃ সুমন (ওয়ার্ড বিএনপি নেতা);এবং মোঃ আকিফ জাবেদ (সদস্য সচিব, ইপিজেড থানা ছাত্রদল) মোঃ শাহেদ হোসেন,

    এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারাও গণসংযোগে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোঃ জাহেদ আনসারী (আহবায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল, ইপিজেড থানা শাখা), মোঃ শিহাব (সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক), মোঃ সিদ্দিক (যুগ্ম আহবায়ক), মোঃ কবির (মহানগর তাঁতীদল), মোঃ হাসান (সদস্য সচিব, তাঁতীদল), মোঃ ইদ্রিস মুন্সি (মহানগর যুগ্ম আহবায়ক) এবং মোঃ রহমত উল্লাহ।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনগুলোতে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। ধারাবাহিক এই মাঠপর্যায়ের কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।