Category: দেশজুড়ে

  • বানারীপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি কবির খানের জামায়াতে যোগদান

    বানারীপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি কবির খানের জামায়াতে যোগদান

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    বরিশালের বানারীপাড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের উদ্যোগে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান।
    উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ায় সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করা শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ও এনসিপি নেত্রী এ কে ফ্লোরা।
    সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. খলিলুর রহমান শাহাদাৎ, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, এনসিপির বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    উঠান বৈঠকে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি কবির খান আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
    এসময় বক্তারা নবযোগদানকারী নেতৃবৃন্দকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
    উঠান বৈঠকে স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

    সাব্বির হোসেন।।

  • গোবিপ্রবিতে দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত

    গোবিপ্রবিতে দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা হওয়ার পথে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) উদ্যোক্তা মেলা-২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে।

    ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের আয়োজনে এই উদ্যোক্তা মেলা আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এতে ২২টি স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের সৃজনশীল উদ্যোগ প্রদর্শন করে।

    দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান উদ্যোক্তা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসার নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও উদ্যোক্তা মেলার আহ্বায়ক ড. দিপংকর কুমার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মাদ আনিসুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. মো. কামরুজ্জামান, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. মো. সোলাইমান হোসাইন, আইন অনুষদের ডিন মানসুরা খানম, এনিমেল সায়েন্স ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন ড. মো. মাহবুব হাসান, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    এছাড়া বিকেলে উদ্যোক্তা মেলায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • সাভারে ডিবি পুলিশের অভি-যানে ৯টি চো-রাই মোবাইল ও মালামালসহ দুইজন গ্রে-ফতার

    সাভারে ডিবি পুলিশের অভি-যানে ৯টি চো-রাই মোবাইল ও মালামালসহ দুইজন গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তন চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে IMEI পরিবর্তনের সফটওয়্যার, একটি ল্যাপটপ, ৯টি চোরাই মোবাইল ফোন, মোবাইলের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ডিবি পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন সাভার সিমলিম টাওয়ার মার্কেটে অভিযান চালানো হয়।
    অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
    ১) জালাল (৪০), পিতা- মৃত বাবর আলী, সাং- উত্তর চাপাইন লালটেক, থানা- সাভার, জেলা- ঢাকা ২) মোঃ ইকরামুল হোসেন (২৫), পিতা- আব্দুল কুদ্দুস, সাং- সুলতানপুর, থানা- দামুড়হুদা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা (বর্তমান ঠিকানা: শাহীবাগ, সাভার)

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের সফটওয়্যার, একটি ল্যাপটপ, IMEI পরিবর্তিত ৯টি মোবাইল ফোন, মোবাইলের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং নগদ ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২নং আসামি ইকরামুল হোসেন এই চক্রের মূল হোতা। তাদের একটি সংঘবদ্ধ দল রয়েছে, যেখানে ১০-১২ জন সদস্য রাস্তায় চুরি, ছিনতাই ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে মোবাইল ফোন সংগ্রহ করে। পরে সেগুলো IMEI পরিবর্তন করে সাভার ও আশপাশের এলাকায় গোপনে বিক্রি করা হতো।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বাসা বাড়িতে অ-সামাজিক কার্যকলাপের অ-ভিযোগ

    রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বাসা বাড়িতে অ-সামাজিক কার্যকলাপের অ-ভিযোগ

    হেলাল শেখঃ রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, গাজীপুর এবং সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন ভবনের বাসাবাড়িতে অবাধে অসামাজিক কার্যকলাপ ও দেহব্যবসা চলছে-এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তাদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে এবং সামাজিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।

    গত এক মাসে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে জানা গেছে, ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী কিছু নারী বিভিন্ন ভবনে ভাড়া বাসা ও আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে দেহব্যবসা ও তথাকথিত ‘ফিটিংবাজি’ কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনায় একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, এই দালাল চক্রের সঙ্গে মাদক ব্যবসারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাত গভীর হলে সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা বাড়ে, যা সাধারণ পরিবার ও নারী-শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভুক্তভোগী বাসিন্দা জানান, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হলে এক দুইটি অভিযান চালিয়ে কিছু নারী পুরুষকে আটক করা হয়। নারীরা আদালত থেকে সহজে জামিন নিয়ে এসে আবারও সক্রিয় ভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এসব বাসাবাড়ি ও হোটেলে নজরদারি বাড়িয়ে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা না হলে সামাজিক অবক্ষয় আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

  • পরিবারতন্ত্র ভেঙে সাধারণ মানুষের বাংলাদেশ গড়তে হবে: আসিফ মাহমুদ

    পরিবারতন্ত্র ভেঙে সাধারণ মানুষের বাংলাদেশ গড়তে হবে: আসিফ মাহমুদ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি চলছে। কমিশনারের ছেলে কমিশনার, চেয়ারম্যানের ছেলে চেয়ারম্যান, এমপি ও মন্ত্রীর ছেলে এমপি-মন্ত্রী হচ্ছে। এভাবে আর কত দিন চলবে সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে একজন কৃষকের ছেলে, একজন মুদি দোকানদারের ছেলে কিংবা একজন রিকশাচালকের ছেলেও এমপি হতে পারবে। সেই বাংলাদেশ গড়তে হলে পরিবারতন্ত্র ভাঙতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সারজিস আলমের নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, পরিবারতন্ত্র ভাঙতে হলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের এক নম্বর আসনে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। শাপলা কলিতে ভোট দিলে পঞ্চগড়ে আর কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, শাপলা কলিতে ভোট দিলে চাকরির জন্য আর ঘুষ দিতে হবে না, মামা-দাদার পরিচয় লাগবে না। প্রত্যেক ঘরে অন্তত একজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে গিয়ে আর কেউ যেন জীবন না হারায়, সেই ব্যবস্থাও করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    আগামী বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশা জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে অনেকেই সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেননি। কেউ কেন্দ্রে গিয়ে দেখেছেন তার ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে, আবার কেউ ঝামেলার কারণে ভোট না দিয়েই ফিরেছেন।
    তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, এবার শুধু ভোট দিতে চাইলেই হবে না। ফজরের নামাজের পর কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত থেকে নিজের ভোট নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশীদের ভোট নিশ্চিত করেও ঘরে ফিরতে হবে।

    একদিনের পরিশ্রম পাঁচ বছরের শান্তির কারণ হতে পারে এ কথা মনে রাখার আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা।

  • বরগুনার তালতলীতে ৩০’ কেন্দ্রে ১৭’ঝুঁকিপূর্ণ।

    বরগুনার তালতলীতে ৩০’ কেন্দ্রে ১৭’ঝুঁকিপূর্ণ।

    মংচিনথান তালতলী প্রতিনিধি।।
    আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনার তালতলী উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উপজেলায় স্থাপিত ৩০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন প্রশাসন। এর মধ্যে ১১টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত সতর্কতা ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিস।
    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বরগুনা-১ (তালতলী–আমতলী-বরগুনা সদর) সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ জন। এর মধ্যে তালতলী উপজেলায় ভোটার রয়েছেন ৮৬ হাজার ১১ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪২ হাজার ৭১৮ জন, নারী ভোটার ৪৩ হাজার ২৯২ জন এবং হিজড়া ভোটার শূন্য।
    ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তালতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মোট ৩০টি ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে ১৮৮টি ভোটকক্ষে। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
    উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে। ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেটের , বাংলাদেশ নৌবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা একযোগে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
    নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পৌঁছানো নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রের আশপাশের সড়ক সংস্কার ও চলাচল উপযোগী করার কাজও শুরু হয়েছে।

    এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনকে স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু করতে উপজেলা প্রশাসন সব প্রস্তুতি নিয়েছে। উপজেলার সব ৩০টি ভোট কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং নির্বাচনের সময় পুলিশের সদস্যরা বডি ক্যামেরা ব্যবহার করে পর্যবেক্ষণ করবেন।
    আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। সব ভোট কেন্দ্রে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিশেষ করে যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত, সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকবে এবং বিশেষ নজরদারি করা হবে।
    উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সরকার শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার সুযোগ দেওয়া হবে না।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি

  • ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশাল আয়োজনে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উদযাপন

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশাল আয়োজনে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উদযাপন

    ময়মনসিংহ ব্যুরো।।
    ইউনাইটেড বাই ইউনিক’ এই প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হাসপাতালের রেডিওথেরাপি বিভাগের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি হাসপাতাল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রেডিওথেরাপি বিভাগের সামনে এসে শেষ হয়।

    পরে রেডিওথেরাপি বিভাগের উদ্যোগে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং কেক কেটে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাজমুল আলম খান।

    রেডিওথেরাপি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. উম্মে জান্নাতুল আরা জিনিয়ার সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক ডা. মাইনুদ্দীন খান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্যান্সার ও রেডিওথেরাপি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান খান।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. নাজমুল আলম খান বলেন, প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত হয়। এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের সহায়তায় মানুষকে উৎসাহিত করা।

    তিনি আরও বলেন, ক্যান্সার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল—কোনো দেশই এই রোগের বাইরে নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, বিশ্বে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ ক্যান্সার। প্রতিবছর প্রায় এক কোটি মানুষ এ রোগে মৃত্যুবরণ করে। তবে সচেতনতা ও সুষ্ঠু জীবনযাপনের মাধ্যমে এই রোগের একটি বড় অংশ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    অধ্যাপক নাজমুল আলম খান বলেন, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা অনেক সহজ হয়। ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়লে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। বর্তমানে দেশে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ১০৬ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত। প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ৫৩ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মোট মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ ক্যান্সারের কারণে ঘটছে।

    তিনি জানান, দেশে বিদ্যমান ৩৮ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে স্তন, মুখগহ্বর, পাকস্থলী, শ্বাসনালি ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রকোপ বেশি। ধূমপান, পান-জর্দা ও তামাকজাত দ্রব্য সেবন, শাকসবজি ও ফলমূল কম খাওয়া, শারীরিক ব্যায়ামের অভাব, স্থূলতা, অতিবেগুনি রশ্মি, এক্স-রে রেডিয়েশন, কিছু রাসায়নিক পদার্থ এবং কিছু ভাইরাস ও জীবাণু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

    অনুষ্ঠানে প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন, রেডিওথেরাপি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পাঠান, রেজিস্ট্রার ডা. বিউটি সাহা, মেডিকেল অফিসার ডা. আহমেদ জাবির, রেডিওথেরাপিস্ট ডা. মো. রাকিবুল ইসলাম মাসুদসহ রেডিওথেরাপি বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীদের হস্তক্ষেপে দ-খল হওয়া দোকান ফিরে পেলেন মূল মালিক মসলা ব্যবসায়ী

    পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীদের হস্তক্ষেপে দ-খল হওয়া দোকান ফিরে পেলেন মূল মালিক মসলা ব্যবসায়ী

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী কালিবাড়ী হাটে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগে দখল হয়ে যাওয়া একটি দোকান ঘর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মূল মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ৩রা ফেব্রুয়ারী বাদ আসর কালিবাড়ী হাটের মুরগী হাটির সামনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দোকানটি মূল মালিক মসলা ব্যবসায়ী আব্দুল মোতালেব সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    ভুক্তভোগী আব্দুল মোতালেব সরকারের পুত্র হাসান আলী সাংবাদিকদের জানান,তার বাবা দীর্ঘকাল ধরে ওই দোকানে ব্যবসা করে আসছিলেন এবং সরকারিভাবে দোকানটি তাদের বরাদ্দ দেয়া ছিল। তবে গত ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময় আব্দুল মোতালেব ও তার স্ত্রী পবিত্র হজব্রত পালনে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। সেই সুযোগে জনৈক ‘মিলন’ নামের এক ব্যক্তি দোকানটি অবৈধভাবে দখল করে নেয়।

    দীর্ঘদিন পর “স্থানীয় হাট-বাজার ব্যবসায়ী সমিতি”র নেতাদের মধ্যস্থতায় দোকানটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। মঙ্গলবার দোকানটি ফিরে পেয়ে আব্দুল মোতালেব সরকার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    দোকান হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন-হাট-বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য সুমন সরকার,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহেল সরকার,ব্যবসায়ী নুরে আলম,বিশিষ্ট সমাজ সেবক সারোয়ার হোসেন হযরত,তরুণ সমাজ সেবক অর্ণব আহমেদ সামিদ,মেহেদী হাসান গালিব এবং শাওন মন্ডল প্রমুখ।

    এছাড়াও স্থানীয় হাট-বাজার সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত বক্তারা বলেন,ক্ষমতার দাপটে কারও সম্পদ দখল করা বর্তমান সময়ে বরদাশত করা হবে না। ন্যায়ের পথে থেকে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় তারা সব সময় কাজ করে যাবেন বলে জানান।।

  • ‎সুনামগঞ্জ শহরে অ-জ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু-র্গন্ধ  মর-দেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম)

    ‎সুনামগঞ্জ শহরে অ-জ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু-র্গন্ধ  মর-দেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম)

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরের জামতলা এলাকায়  অজ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু*র্গন্ধ  মরাদেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন সদর থানার ওসি রতন সেখ (পিপিএম)। মানুষ যখন নাকে হাত দিয়ে চলে যায়, ওসি রতন শেখ পিপিএম-এর নেতৃত্বে তখন অজ্ঞাত  পাগল রুপি এক ব্যাক্তির গলিগ দুর্গন্ধ  লাশ উদ্ধারে এগিয়ে আসে পুলিশ।
    ‎৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং তারিখ রোজ সুনামগঞ্জ শহরের ব্যস্ততম পুরানো বাস স্ট্যান্ড জামতলা পয়েন্ট এলাকায় পড়ে থাকা এক অজ্ঞাত পরিচয়ের বৃদ্ধ পুরুষের  ম*রদেহ ঘিরে যখন সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল অবহেলা ও অনীহা, তখন দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার উদাহরণ তৈরি করে এগিয়ে আসেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।
    ‎স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩রা ফেব্রুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন বাস স্ট্যান্ড জামতলা পয়েন্ট এলাকায় এক বৃদ্ধ পুরুষের মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ম*রদেহটি দেখে এবং চারিপাশের গন্ধে  অনেকেই নাকে হাত দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পরই অফিসার ইনচার্জ রতন শেখ পিপিএম-এর নেতৃত্বে, এসআই ফয়সাল সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওসি রতন শেখ (পিপিএম) নিজেই ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ফুটপাতের দোকান থেকে দুটি  পলিথনের ব্যাগ নিয়ে হাত গ্লাস  তৈরি করে  মানবদেহটি নিজ বডি ব্যাগে প্রবেশ করিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পুলিশের গাড়িতে করেই সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
    ‎একজন মানুষ জীবিত থাকুক বা মৃত অবস্থায় থাকুক, তার মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্র ও পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন ওসি রতন সেখ পিপিএম । কোনো মানুষ অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকলে পুলিশ কখনো দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করেন তিনি।
    ‎মরদেহ উদ্ধারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান সদর থানা পুলিশ  পুলিশ। অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই পুলিশ ও সিআইডি পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন ওসি রতন সেখ পিপিএম।##

  • ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে মছলন্দপুর রিভারভিউ  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম দুই শ্রেণীতে দুইজন ছাত্র শিক্ষক পাঁচজন

    ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে মছলন্দপুর রিভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম দুই শ্রেণীতে দুইজন ছাত্র শিক্ষক পাঁচজন

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের মসলন্দপুর রিভারভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম পাওয়া গেছে। জানা যায়,সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় স্কুলে একটি ও ছাত্র-ছাত্রী নেই পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে দুইজন শিক্ষক একজন শিক্ষক তার বাচ্চাকে ভাত খাওয়াতে ব্যস্ত আর একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিল এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায় প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা তার ব্যক্তিগত কাজে পীরগঞ্জ অবস্থান করছেন সহকারী শিক্ষক শাহানাজ বেগম ও সাধন চন্দ্র রায়কে স্কুলে পাওয়া যায়নি। সহকারী শিক্ষক গুলমতি দেবশর্মা জানায় এখন লাঞ্চ টাইম তাই শিক্ষকরা ভাত খেতে গেছে আর অন্যক্ষেত্রে জানা যায় যে লাঞ্চ টাইমে আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থাকে না এছাড়াও মসলন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তৃতীয় শ্রেণীতেই একজন ছাত্র ও চতুর্থ শ্রেণিতে মাত্র একজন ছাত্র আছে বলে জানায় তবে প্রধান শিক্ষক বলেন যে স্কুলে ছাত্রছাত্রী না আসলে আমাদের করণীয় তো কিছু নাই। স্কুল ছেড়ে সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় এক কিলো দূরান্ত চা খেতে যায় চা খেয়ে আসে তিনি বলেন যে আমি চা খেতে গিয়েছিলাম এরপর তার সাথে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইতে হলে তিনি উপযুক্ত প্রমাণ দিতে অস্বীকার করেন তিনি মৌখিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা দেন। একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী আসলে কী কারণে থাকছে না বিষয়টি একান্ত দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অথচ আশেপাশে ছাত্র কিন্ডারগার্ডেন ও কেজি স্কুলে টাকা দিয়ে পড়তেছেন তবুও সেই স্কুলে বিনা পয়সায় পড়াশোনা করছেন না। এর কারণ কি।