Category: দেশজুড়ে

  • লালমনিরহাট-৩টি আসনে ধানের শীষের জয় লাভ

    লালমনিরহাট-৩টি আসনে ধানের শীষের জয় লাভ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহন শেষে। লালমনিরহাট-৩টি আসনের গণনা শেষে ধানের শীষ প্রার্থী জয়লাভ ।জেলার ৩টি আসনে লালমনিরহাট-১ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, লালমনিরহাট জেলা বিএনপি’র সভাপতি। রোকন উদ্দিন বাবুল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, তিনজন জয় লাভ করেন। 

    গত(১২ই ফেব্রুয়ারি)২০২৬ইং বৃহস্পতিবার  নির্বাচন শেষে ফলা ফল অনুযায়ী লালমনিরহাট-১ ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১লক্ষ ৩৮হাজার ৬শত ৮৬ ভোট। তার  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দারিপ্লা প্রতীকের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, পেয়েছেন ১লক্ষ ২৯হাজার ৫৭২ ভোট। লালমনিরহাট-২-জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বাবুল, ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১লক্ষ ২৩ হাজার ৯৪৬ভোট। তার  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দারিপ্লা প্রতীকের ফিরোজ হায়দার লাভলু, পেয়েছেন ১লক্ষ ১৭ হাজার ২৫৩ভোট। লালমনিরহাট-৩- আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১লক্ষ ৩৯হাজার ৬৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দারিপ্লা প্রতীকের আবু তাহের, পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট। লালমনিরহাট-১আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন ৯জন, ২আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৭জন, ৩আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৬জন, ৩টি আসনে  প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন মোট ২২প্রার্থী। 

    হাসমত উল্লাহ।।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৩টি আসনেই বিএনপি জয়ী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৩টি আসনেই বিএনপি জয়ী

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

    ব্যালট পেপার ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে রাত আটটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

    ২১৫ গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ):
    এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লা ধানের শীষ প্রতীকে ৬৯ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত এমপি প্রার্থী মো. কাবির মিয়া ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩২৯ ভোট। যদিওবা তিনি একাধিক মামলায় দীর্ঘদিন যাবত কারাবন্দী রয়েছেন। কারাগারে থেকেই তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন।

    ২১৬ গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ):
    এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কে এম বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।

    গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া): বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম জিলানী ধানের শীষ প্রতীকে ৬০ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৩৯ ভোট।

    জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে গঠিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান নিজে উপস্থিত থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

    এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেল প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফারিহা তানজিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ অলিউল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতাউর রহমান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার প্রতিনিধি সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং জেলায় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ সম্পন্ন হওয়ায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যৌথবাহিনী, আনসার ও ব্যাটালিয়ন, গণমাধ্যমকর্মী সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ- উজ-জামান।

  • ভোট গননা চলছে,ঢাকা-১৯ আসনের বিজয়ের মুকুট কার হবে সালাউদ্দিন বাবু’র নাকি দিলসানা পারুল

    ভোট গননা চলছে,ঢাকা-১৯ আসনের বিজয়ের মুকুট কার হবে সালাউদ্দিন বাবু’র নাকি দিলসানা পারুল

    হেলাল শেখঃ ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকালে ১০টার পর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইন, আবার কোথাও মাঝারি উপস্থিতি-সব মিলিয়ে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে-বিজয়ের মুকুট উঠবে কার হাতে, বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু, নাকি ১১দলীয় জোটসমর্থিত প্রার্থী দিলসানা পারুলের?

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে সাভার পৌরসভা, আশুলিয়া, বিরুলিয়া ও শিমুলিয়া, ইয়ারপুর,ধামসোনা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ভোটার রোকেয়া বেগম বলেন, “আমরা চাই উন্নয়ন আর নিরাপত্তা। যে এগুলো নিশ্চিত করতে পারবে, তাকেই ভোট দিয়েছি।” তবে কাকে ভোট দিয়েছেন-তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

    ঢাকা-১৯ এর ৮জন এমপি পদপ্রার্থী ছিলো, তার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় ছিলেন। ডা. দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন তাঁর ধানের শীষের প্রচারণায় উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। ভোট শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে এসেছেন। আমি আশাবাদী, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন।” তাঁর সমর্থকদের দাবি, শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিকদের একটি বড় অংশ এবং সাভারের তরুণ ভোটাররা তাঁদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।

    অন্যদিকে ১১ দলের মনোনীত শাপলা কলি দিলসানা পারুল তাঁর প্রচারণায় নারী নেতৃত্ব, সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থানীয় সমস্যার সমাধানকে গুরুত্ব দেন। ভোট শেষে তিনি বলেন, “মানুষ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চায়। আমি বিশ্বাস করি, তারা সেই আস্থাই প্রকাশ করেছেন।” তাঁর সমর্থকদের মতে, গ্রামীণ এলাকায় এবং নারী ভোটারদের মধ্যে পারুলের অবস্থান শক্ত।
    ভোটের দিন বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি কেন্দ্রে ধীরগতির ভোটগ্রহণ নিয়ে সাময়িক অসন্তোষ দেখা দেয়। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল চোখে পড়ার মতো ছিলো।

    সাভার বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, “আমরা চাই ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ ভালো থাকুক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। এবার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে।” একই সুর শোনা যায় আশুলিয়ার এক গার্মেন্টস কর্মী শামসুন্নাহার ও সাথী’র কণ্ঠেও। তারা বলেন, “আমাদের মজুরি, বাসাভাড়া, যাতায়াত-এসব সমস্যা নিয়ে যে কথা বলেছে, তাকেই ভোট দিয়েছি।”

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ঢাকা-১৯ আসনে ফল নির্ধারণে শিল্পাঞ্চলের ভোট বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। গত কয়েক বছরে এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও যানজট, মাদক ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ ছিলো জনমনে। যে প্রার্থী এসব ইস্যুতে বেশি আস্থা জাগাতে পেরেছেন, তিনিই এগিয়ে আছেন।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় মন্তব্য করেন ও জরিপ করে বলেন, এবং নিউজে প্রকাশ করেছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের এমপি পদপ্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু জনমতে এগিয়ে আছেন। তিনিই বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

    ভোটের হার কেমন হয়েছে-তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে ধারণা করা হচ্ছে, সন্তোষজনক উপস্থিতি ছিলো। উভয়ই নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। ডা. সালাউদ্দিন বাবুর সমর্থকদের মতে,পরিবর্তনের বার্তা স্পষ্ট। আর দিলসানা পারুলের শিবির বলছে, নীরব ভোটাররাই তাঁদের চমক দেখাবে। এখন শুরু হচ্ছে গণনার পালা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রে কেন্দ্রে গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হবে কার হাতে উঠছে সাভার-আশুলিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের বিজয়ের মুকুট।

    সাভার-আশুলিয়ার মানুষ অপেক্ষায়-নতুন নেতৃত্ব কি পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে, নাকি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে ফলাফল ঘোষণার পরই। ততক্ষণ পর্যন্ত উত্তেজনা আর জল্পনা-কল্পনাই ভর করে থাকবে পুরো সাভার আশুলিয়াবাসী প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ভোটার ও এই এলাকার বসবাসকারী জনগণ।

  • ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সালাউদ্দিন বাবু বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা, বিভিন্ন মহলে শুভেচ্ছা

    ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সালাউদ্দিন বাবু বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা, বিভিন্ন মহলে শুভেচ্ছা

    স্টাফ রিপোর্টার হেলাল শেখঃ ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে। রাত প্রায় ১টার দিকে গণনা কার্যক্রম শেষ হয়। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বেসরকারিভাবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

    প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন পেয়েছেন ১,৯০,৯৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১,২৫,২৮৩ ভোট।
    এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৭,৪১,৫৫৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ২৭৫টি এবং সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী।
    উল্লেখ্য, ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপির পরপর দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু এবারও বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পুনরায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেন।

    বিজয়ের পর তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়। তিনি বলেন, “আমাদের সবার পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত এমপি ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তার সংসদীয় এলাকার জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

  • দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা: জাহিদ হোসেন নির্বাচিত

    দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা: জাহিদ হোসেন নির্বাচিত

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা: আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১৪ হাজার ৪১৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।

    ১৯৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে তিনি মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট।

    জেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহমিনা সুলতানা নীলা রাত সাড়ে ১১টায় বিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের কাছে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল জানান।

    মো: জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • রাজশাহী -৬ -আসনের  বেসরকারি  ভাবে ফলাফল

    রাজশাহী -৬ -আসনের  বেসরকারি  ভাবে ফলাফল

     মাজেদুর  রহমান, (মাজদার) রাজশাহী পুঠিয়া

    রাজশাহী-১- ( তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মোট ১৬০ -কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১- হাজার -৭৮৬ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন -১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। ১ হাজার ৮৮৪ ভোট বেশী পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুজিবুর রহমান।

    রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মোট কেন্দ্র- ১১৬টি। এর মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট ৷ এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।

    রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে মোট কেন্দ্র ১৩২ টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট।

    রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২৩টি। এর মধ্যে ১২৩ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২৪৮ ভোট। বিএনপি প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট। ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোটের ব্যবধানে ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন।

    রাজশাহী ৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৩ টি। এরমধ্যে ১৩৩ টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মন্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট। এখানে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট।

    রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১১৯ টি। এরমধ্যে ১১৯ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। এ আসনে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।

  • পটুয়াখালী-৪ আসনে এবিএম মোশাররফ হোসেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় 

    পটুয়াখালী-৪ আসনে এবিএম মোশাররফ হোসেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় 

    রফিকুল ইসলাম,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) 

    ১১৪ পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই প্রথমবার তিনি এ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

    নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। এ আসনে এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    বেসরকারি ফলাফলে এবিএম মোশাররফ হোসেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৪৮।

  • রাজশাহী-০৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে আবু সাঈদ চাঁদ বিজয়ী

    রাজশাহী-০৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে আবু সাঈদ চাঁদ বিজয়ী

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহী – ০৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন “ধানের শীষ” মনোনীত বিএনপি’র প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ০৭ টা থেকে বিকাল সাড়ে ০৪ টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।

    এ আসনে ১১৯টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত সবশেষ ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১৪৭৩৫৯ ভোট ও জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক পেয়েছেন ৯১৪৬০ ভোট৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৫৫ হাজার ৮৯৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আবু সাঈদ চাঁদ।

    রাজশাহী-০৬ (চারঘাট-বাঘা) এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৭ জন ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৮৮ জন। ১১৯ টি কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত এবং শান্তিপূর্ণ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।।

  • বাগেরহাট-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম

    বাগেরহাট-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:

    উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে বাগেরহাট জেলার বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোর প্রাপ্ত ফলাফলে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম। তিনি ১,১৪,৯২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

    তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী সোমনাথ দে পেয়েছেন ৯৫,৫৯৫ ভোট।

    ভোটার পরিসংখ্যান

    বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৮ জন। এর মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫০ এবং শরণখোলা উপজেলায় ১ লাখ ৭ হাজার ২২৮ জন ভোটার রয়েছেন।
    মোট ভোটারের মধ্যে নারী ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬৩ জন, পুরুষ ১ লাখ ৯১ হাজার ২১২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

    মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৪ আসনটি ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জামায়াত প্রার্থীরা জয়ী হন। ২০০৮ সালেও জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে আসনটি জামায়াতকে ছেড়ে দেয় বিএনপি।

    ফলাফল ঘোষণার পর জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থকরা জেলা প্রশাসকেন্দ্র কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষা করছেন। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ফলাফল আসার খবর পেলেই তারা উল্লাস প্রকাশ করছেন এবং খোদার দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছেন।

  • সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের বিজয়

    সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের বিজয়

    জি.এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ :
    সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ ভোট।

    তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিশের প্রার্থী মুফতি আব্দুর রউফ সরকার (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৩ ভোট।ফলে প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৭ হাজার ৬৬১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন ভিপি আয়নুল হক।

    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,পুরো নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় সুষ্ঠ,সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। কোথাও কোনো ধরনের সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণে নির্বাচন ছিল উৎসবমুখর।

    এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪১ হাজার ৫৫২ জন।১৫৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন,যা উল্লেখযোগ্য ভোটার উপস্থিতির প্রমাণ বহন করে।

    বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।তবে সার্বিকভাবে পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রিত ছিল।