Category: দেশজুড়ে

  • ঢাকা-১৯ আসনে এনসিপি মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী দিলশারা পারুলের গ-ণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত

    ঢাকা-১৯ আসনে এনসিপি মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী দিলশারা পারুলের গ-ণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকা-১৯ (সাভার- আশুলিয়া) আসনের এনসিপি মনোনীত ১১দলীয় জোটের এমপি প্রার্থী দিলশারা পারুল দিনব্যাপী আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) আশুলিয়ার ধলপুর, শেরআলী, কাঠগড়া, শ্রীখন্ডিয়া, আশুলিয়া বাজার ও জামগড়াসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ১১ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চালান দিলশারা পারুল।

    প্রচারণাকালে স্থানীয়দের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সমর্থন চোখে পড়ার মতো ছিলো। এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমর্থন কামনা করেন।

    নেতাকর্মীরা জানান, জুলুমের বিরুদ্ধে মজলুমের পক্ষে দাঁড়াতে এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান নিতে তারা এই নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তাদের মতে, মানুষের আশা ও আস্থা শাপলা কলি প্রতীকের দিকেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে।
    গণসংযোগকালে দিলশারা পারুল বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সাভার-আশুলিয়া গড়তে এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা দিন-রাত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ১১দলীয় জোটের ভোট ব্যাংক, যুবসমাজের বড় একটি অংশ এবং বিএনপি-বিরোধী ভোটের উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি পাবেন। সেই কারণে জয়ের বিষয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

    এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আশুলিয়া থানা সেক্রেটারি আবুল হোসেন মীর বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শাপলা কলি প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।”

  • আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ ৩ জন গ্রে-ফতার, বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্র উদ্ধার

    আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ ৩ জন গ্রে-ফতার, বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্র উদ্ধার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিল। অভিযানের সময় তাদের হেফাজত থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতার তিনজনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মফিজুর রহমান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ গত ০৪/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখ ২৩:১০ ঘটিকায় আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল মোড় এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ ইমরান (২৩), পিতা-মোঃ বাচ্চু মোল্লা, মাতা-মোছাঃ মুক্তা বেগম, সাং-বামন ডাঙ্গা মোল্লা বাড়ি, থানা-নগর কান্দা, জেলা- ফরিদপুর, এ/পি সাং-ইটখোলা (তরিকুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকাকে ৫০ (পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ডিবির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান।

  • থানচিতে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) কর্তৃক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ

    থানচিতে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) কর্তৃক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ

    থানচি (প্রতিনিধি) : মথি ত্রিপুরা।
    বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলাধীন থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় ২৫০ জন অসহায়, দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে ২৫০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। শীত মৌসুমে দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কষ্ট লাঘবের লক্ষ্যে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) নিয়মিতভাবে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বলিপাড়া জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস, পদাতিক। এসময় তিনি বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি বিজিবি সর্বদা সাধারণ জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
    এছাড়াও, উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়া জোনের সহকারী পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য, প্রতি বছর শীত মৌসুমে পাহাড়ি অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে বলিপাড়া জোন ৩৮ বিজিবি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
    শীতবস্ত্রপ্রাপ্ত উপকারভোগীরা এ মানবিক উদ্যোগের জন্য বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করেন, এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বিজিবি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্য, আস্থা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • গোপালগঞ্জ তথ্য অফিস  এর আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ তথ্য অফিস এর আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ এবং আচরণবিধি অবহিতকরণের লক্ষ্যে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসার মোঃ সুলাইমান -এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল জলিল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ অলিউল ইসলাম। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র কর; তারাপদ দাশ, অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং
    ৭নং উরফি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির গাজী।

    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ভোট আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তিনি আরো বলেন, আপনারা গণভোটে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত দিবেন।

    নির্বাচন অফিসার বলেন, এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। কোনো অনিয়ম হওয়ার সম্ভবনা নেই।

    সভাপতির বক্তব্যে তথ্য অফিসার ভোটারদের আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি অন্যান্য বক্তাগণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং ভোটের দিন করনীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

  • শেরপুর রোরোয়া বেতগাড়ী শেখপাড়া মানবিক কল্যান ফাউন্ডেশন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    শেরপুর রোরোয়া বেতগাড়ী শেখপাড়া মানবিক কল্যান ফাউন্ডেশন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    অভিজিৎ কুমারঃ

    বগুড়া শেরপুর রোরোয়া বেতগাড়ী শেখ পাড়া মানবিক কল্যান ফান্ডেশন উদ্যোগে,এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শেখপাড়া মানবিক কল্যান ফাউন্ডেশন কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পে ২ শতাধিক নারী পুরুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দিকে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের বেতগাড়ী গ্রামে এ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উদ্ভাবন করেন সীমাবাড়ি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ সরকার।শেখপাড়া মানবিক কল্যান সংস্থার সভাপতি মো আরিফ আহমেদ। অনুষ্ঠানে রোরোয়া বেতগাড়ী শেখপাড়া মানবিক কল্যান ফাউন্ডেশনের সভাপত্বি করেন বগুড়া জেলার সহ-সভাপতি শেখ এনামুল হক তারেক। বিশেষ উপদেষ্টা মো আবু সুফিয়ান রিপন ও মো জাহিদুল ইসলাম। ডাক্তার বৃন্দ আব্দুল কাদের প্রসুতি ও গাইনি ডা.শ্রী সীথি রানী মন্ডল,ডা. ইব্রাহিম খলিল ও আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    রোরোয়া বেতগাড়ী প্রত্যন্ত গ্রামে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিস পরিমাপ ও রক্তচাপ পরিমাপের মতো সেবা পেয়ে খুশি স্থানীয়রা। এমন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা করতে চান।

    মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। মানবতার কল্যাণের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ জরুরী।

    শেখপাড়া মানবিক কল্যান ফাউন্ডেশন সংস্থার সভাপতি মো. আরিফ আহমেদ বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে আমরা দাঁড়াতে চাই। গ্রামের মানুষ অনেকেই তাদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কেও জানে না। বগুড়া জেলার সীমান্তবর্তি চিকিৎসা সেবা থেকে মানুষেরা পিছিয়ে আছে। আমরা মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আগামীতে আরও নানা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করবো।

  • গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কে-ন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপার

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কে-ন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপার

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান এবং জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র তার সরেজমিনে পরিদর্শন করেনপ।

    এ সময় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৌশিক আহমেদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতাউর রহমান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনিসুর রহমান সহ জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আচরণ বিধি লঙ্ঘন, সারজিস আলম কে জ-রিমানা

    আচরণ বিধি লঙ্ঘন, সারজিস আলম কে জ-রিমানা

    মোঃ বাবুল হোসেন , পঞ্চগড়:

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে রাত ৮টার পর মাইক ব্যবহার করায় পঞ্চগড়-১ আসনের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলমের প্রতিনিধি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি বাজারে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী পথসভায় এ জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তেঁতুলিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম আকাশ।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ১৭(২) ধারা অনুযায়ী রাত ৮টার পর মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও তা অমান্য করে সভা চলছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হাবিবুর রহমান হাবিবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে নগদ পরিশোধ করা হয়। এ সময় পুলিশের একটি দল, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলমসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাইক ব্যবহারের বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়।

    এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আকাশ বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালনে তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কেউ বিধি লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বুধবার রাতে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১১ দলীয় জোটের সভায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে অসহায় বিধবা আদিবাসী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের বাড়িতে অ-গ্নি সংযোগ করেছে দু-ষ্কৃতীরা

    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে অসহায় বিধবা আদিবাসী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের বাড়িতে অ-গ্নি সংযোগ করেছে দু-ষ্কৃতীরা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে অসহায় বিধবা আদিবাসী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করেছে দুষ্কৃতীরা ৩ (ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি বিধবা মহিলার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা।তবে ঘটনাটি ঘটেছে রানীশংকৈল উপজেলার ৩ নং হোসেন গ্রামের জেব্রা পুকুর আদিবাসী গ্রাম এলাকায়।
    ৪ (ফেব্রুয়ারি) বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে এলাকার মানুষদের সাথে আগুন কিভাবে লাগলো কারা আগুন দিয়েছে এই বিষয়ে জানাতে চাওয়া হলো তারা বলেন, আমরা তো সবাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম আমরা এই বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ভুল্লী মুরমুর বাড়িটা আগুন পুড়ে কয়লার মতো ছাই হয়ে গেছে। দেখে আমার সবাই ভয় পেয়েছে কারা আমাদের মতো দিনমজুর অসহায় মানুষদের এত বড় ক্ষতি করে দিলো। আমরা তো কোন দিন কারো কোন ক্ষতি করিনি। তাহলে কেনো আমাদের উপর এই হামলা হলো আমরা এটার বিচার চাই। আজকে ভুল্লী মতো বিধবা মহিলার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। কালকে যে আমাদের বাড়িঘরে এবং আমাদের মা বোনদের উপর হামলা হবে না তার কি গ্যারন্টি আছে বলেন। আপনারা তো সাংবাদিক! আপনারা তো লেখালেখি করেন খবরের কাগজে আপনারা আজকে এটা লিখবেন ঠিক আছে এটা দেখে ইউএনও, ডিসি, স্যার আমাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কিছু শুকনা খাবার আর বাড়িতে মেরামত করার জন্য টাকা পয়সা দিতে পারে আর কিছু না। আমরা এই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু উপজাতিরা নিরাপত্তা চাইতেছি সরকারের কাছে। না হলে একদিন এই বাংলাদেশে উপজাতি শূন্য হয়ে যেতে পারে বলে আমরা সবাই মনে করি।
    এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী ভুল্লী মুরমুর কাছে জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি রাতে খাওয়া দাওয়া করে বাড়িতে ঘুমিয়ে গেছিলাম ছেল মেয়ে নিয়ে। আমার ঘরের পাসের ঘরটা আমার ভাইয়ের মধ্যে রাতে হঠাৎ আমার ভাইয়ের চিৎকার চেচামেচির আওয়াজ শুনতে পেলাম আগুন লেগেছে। উঠে দেখে আমার ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে কেহবা কাহারা চলে গেছে। আমি কোনরকম বেড়া কেটে আমার গরুগুলাকে বের করতে পেরেছি। কিন্তু আমার বাড়িতে থাকা রান্না করা সামগ্রী এবং কাপড়গুলা সব আগুনে পড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমরা পরিবারে উপার্জন করার মতো কেউ নাই। আমার স্বামী ১০-১২ বছর আগে আমার ছেলে মেয়েরা ছোট থাকতে মারা গেছে। এখন আমার এত বড় ক্ষতি হয়ে গেলে কে দিবে আমার এই ক্ষতি পূরণ। উপজেলা প্রশাসন জেলা প্রশাসক ডিসি স্যারের কাছে আমার ক্ষতিপূরণ এবং সহযোগিতা চাইতেছি। আমি ছাড়া আমার পরিবারের ইনকাম করার মতো কেউ নেই আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। না হলে আমার বাড়ি মেরামত করার মতো কোন টাকা পয়সা নেই। আমি দিন আনি দিন খাই।এবং তিনি সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।

  • রাজশাহী-১ ভাগ্য নির্ধারণ করবে আওয়ামী ‘ভোট ব্যাংক’

    রাজশাহী-১ ভাগ্য নির্ধারণ করবে আওয়ামী ‘ভোট ব্যাংক’

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে এবার বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে এখন উত্তাপ ছড়াচ্ছে চায়ের দোকানে। চলছে নির্বাচন নিয়ে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ।
    বিএনপির একজন কর্মী বলেন, “১৭ বছর যাঁদের আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে দেখেছি, এখন তাঁদের আবার বিএনপির মিছিলে দেখছি। নেতারা মনে করছেন, জয় পেতে আওয়ামী লীগের ভোট লাগবে। আওয়ামী লীগের ভোটারগণ বলছে, তারা আগামিতে দিনেও ভালো থাকতে বিএনপির পক্ষ নিয়েছেন।
    তানোর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আখেরুজ্জামান হান্নান দাবি করেন, “আওয়ামী লীগের ভোটারদের ৮০ শতাংশ ভোট বিএনপি পাবে। একইভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভোটও আমাদের দিকে যাবে। ফলে এ আসনে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।”
    ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। এবার বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামছে। বিশেষ করে, প্রায় ৭০ হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারের কারণে ‘আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত এই আসন। সব মিলিয়ে প্রার্থীর ভাগ্য এই ভোটেই নির্ধারিত হবে।
    চার প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ভোটের মাঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হল বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন ও জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। শরীফ উদ্দীন বিএনপির চেয়ারপারসনের সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন। মুজিবুর রহমান জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এবং ১৯৮৬ সালে একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
    ১৯৯১-২০০১ সালে আসনটি সংসদ সদস্য হিসেবে দখল করেছিলেন শরীফ উদ্দীনের বড় ভাই আমিনুল হক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৬ ভোট। বিএনপির এম এনামুল হক পেয়েছিলেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৫০ ভোট।
    তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীর ইতিমধ্যে দুজন নেতা জামায়াতের সমর্থনে মঞ্চে উঠেছেন। দেবানন্দ বর্মন তানোর উপজেলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি। তিনি দাঁড়িপাল্লাকে সমর্থন দিয়েছেন। তানোরের দর্শনাথ দাসও একইভাবে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।
    গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে অনেকেই এখনও দ্বিধাগ্রস্ত। পাঁঠাকাটার মোড়ের কর্মকার সম্প্রদায়ের এক নারী জানালেন, “আমরা কী করব বুঝতে পারছি না। যে দল হারবে, সে ভোটের পরে এসে অভিযোগ করতে পারে আমরা ভোট দিই নি।”
    গোদাগাড়ী উপজেলার এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের ভোটারদের নাখোশ অবস্থা তুলে ধরেন। “আমাদের নামে হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে, তবে আমরা জানিই না। এ সব মামলা করার পিছনে বিএনপি নেতাদের হাত রয়েছে। এই ক্ষোভে সাধারণ কর্মীরা জামায়াতকে ভোট দিতে পারে। গ্রামের অনেক কেন্দ্রে জামায়াত জিতলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।তবে আরেক নেতা বলেন,বিএনপির পরাজয় হলে পরবর্তীতে মামলার সংখ্যা বাড়তে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই আওয়ামী লীগের ভোটারগণ বিএনপির পক্ষে ঝুকছে।
    গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম জানান, “আওয়ামী লীগের ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গেলে বিএনপিকেই ভোট দেবেন। ২০০৮ সালে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে আমাদের ভোট কমানো হয়েছিল। এবার সেই ভোটেই জয় হবে।”
    গোদাগাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির নুমাউন আলী বলেন, “আমরা কারও নামে হয়রানিমূলক মামলা করি না। নির্বাচনে জিতলেও বা হারলেও কাউকে ক্ষতি করি না। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।”