Category: দেশজুড়ে

  • আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া মোহামেডান ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান নি-র্বাচিত হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা

    আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া মোহামেডান ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান নি-র্বাচিত হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহি ক্রীড়া সংগঠন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়াই
    শুক্রবার বিকালে পটিয়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা
    ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর,পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হারুন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আবুল কালাম,জিয়াউর রহমান জিয়া,সেলিম সিকদার,জাগির হোসেন মেম্বার, আবদুল মাবুদ,তাহের,জাফর,মহিউদ্দীন সাইফুল আলম,এম এ রুবেল,
    আবদুর শুক্কুর,পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য সাজ্জাদ হোসেন,মোহাম্মদ সোলাইমান, কামাল উদ্দিন, মোঃ সুমন, আবদুল হামিদ, বাসেল,শফিউল আলম নুরুল হাকিম,মোঃ জাহাঙ্গীর সহ আরো অনেকেই।

  • দপদপিয়া ইউনিয়ন  ডিগ্রি কলেজ পরি-দর্শন করলেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

    দপদপিয়া ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ পরি-দর্শন করলেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক ই আজম শনিবার ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনকালে তিনি কলেজের সাইক্লোন শেল্টারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও শিক্ষা কার্যক্রমের সমস্যাগুলো ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কলেজের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    তিনি কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্যোগ সহনশীল হিসেবে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।”

    পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব কাওছার হোসেন, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব লাভলী ইয়াসমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান, ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জনাব খন্দকার অহিদুল ইসলাম বাদল, আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক জনাব আরিফুর রহমান শুভ।এছাড়াও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিমন, শিক্ষক-শিক্ষিকা,শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    উল্লেখ্য, উপকূলীয় এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়ে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে।

  • কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে ব্রেস্ট ক্যা-ন্সার সচেতনতার লক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে ব্রেস্ট ক্যা-ন্সার সচেতনতার লক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    প্রতি বছর দেশে ৬ হাজার নারীর মৃত্যু হয় স্তন ক্যান্সারে।

    দেশে দুই দশক ধরে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হলেও প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্ক্রিনিং সেবা এখনো যথাযথভাবে গড়ে ওঠেনি। প্রতিবছর কত নারী এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং কতজন মারা যাচ্ছেন এর সঠিক তথ্য সরকারের কাছে নেই। ফলে বাংলাদেশকে এখনও আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিসংখ্যানে নির্ভর করতে হচ্ছে।

    আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরের পর কুমিল্লার সেবা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ব্রেস্ট ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস সেমিনার–২০২৫”। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর বশীর আহম্মেদ বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর।

    সেমিনার সঞ্চালনা করেন ও স্বাগত বক্তব্য দেন ট্রমা সেন্টারের প্রধান উপদেষ্টা মো. জহিরুল ইসলাম। এসময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট ডা. কাজী ইশরাত জাহান, ডা. কামরুল ইসলাম মামুন (ময়নামতি মেডিকেল কলেজ) এবং ডা. এম.এম.এম. আরিফ হোসেন (ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস)।

    এসময় বক্তারা বলেন,“স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সামাজিক ট্যাবু ও ভয় দূর করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব। আমরা চাই কুমিল্লা থেকে শুরু হোক ক্যান্সারবিরোধী সচেতনতার নতুন ধারা।”

    এদিকে বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাসকে ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস মান্থ’ হিসেবে পালন করা হয়।এ বিষয়ে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন,অনুষ্ঠানটি নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    বক্তারা আরও জানান, প্রতি ৮ জন নারীর মধ্যে একজন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২০ সালে বিশ্বে নতুন রোগীর সংখ্যা ২২ লাখ ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছেন প্রায় ৬ লাখ ৮৫ হাজার নারী। একই বছরে বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার নারী এবং মারা গেছেন ৬,৭৮৩ জন। অর্থাৎ দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩৬ জন নারী নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

    বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের আয়োজনে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। , এসময় আরো বক্তব্য রাখেন
    ময়নামতি মেডিক্যালের প্লাস্টিক  সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা কামরুল ইসলাম মামুন, ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন  এন্ড এ্যালাইড সাযেন্স কুমিল্লার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, সহযোগী অধ্যাপক ও পরিচালক ডা এম এম আরিফ হোসেন।
    ‎মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ সফি উল্লাসহ হসপিটালের কর্মকর্তা ও কর্ম চারী গন।

  • নলডাঙ্গায় নিজ অ-র্থায়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বৃক্ষ রোপণ করেন (জাঃসঃপ্রাঃবি) প্রধান শিক্ষক খন্দকার জাহিদ

    নলডাঙ্গায় নিজ অ-র্থায়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বৃক্ষ রোপণ করেন (জাঃসঃপ্রাঃবি) প্রধান শিক্ষক খন্দকার জাহিদ

    এ,কে,এম, খোরশেদ আলম ।।
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

    নলডাঙ্গার পিপরুল ইউনিয়নের পিপরুল গ্রামে জামতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার জাহিদ হোসেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফলজ বৃক্ষ রোপন করেন।
    ১১ই অক্টোবর রোজ শনিবার পিপরুল গ্রামে লিচু,বেল,ছবেদা,বেদেনা, ও আমড়াসহ প্রায় ১০০টি ফলজ বৃক্ষ রোপণ করেন।
    অসহায় ও দারিদ্র মানুষদের সহযোগিতার জন্য
    তার ব্যক্তিগত মানবিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গরীবদের ভ্যান রিকসা ও অসহায়দের গরু, ছাগল,
    প্রদান করেন।
    তার এ উদ্যোগ এলাকায় সকলের কাছে প্রসংশীয়।

  • দলের সাথে জ-নগণের সাথে যার সম্পর্ক নাই তার নমিনেশন আশা করাও ভুল-আনিসুর রহমান খোকন

    দলের সাথে জ-নগণের সাথে যার সম্পর্ক নাই তার নমিনেশন আশা করাও ভুল-আনিসুর রহমান খোকন

    মোঃ মোঃমিজানুর রহমান, কালকিনি- ডাসার
    (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ
    দলের সাথে জনগণের সাথে যার সম্পর্ক নাই তার নমিনেশন আশা করাও ভুল। মানুষের সাথে যাদের সম্পর্ক,দলের সাথে তাদের সম্পর্ক,তাদেরই কিন্তু পার্টির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে ভালো সম্পর্ক। আজ শনিবার দুপুরে কালকিনি ফাযিল মাদ্রাসা মাঠে কালকিনি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ওয়ার্ড ভিক্তিক(বিএনপি) নবায়ন ও ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    বীরমুক্তিযোদ্ধা ও কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ফজলুল হক বেপারীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব হোসেন মুন্সির সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন বেপারী, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন সরদার,বিএনপি নেতা নরে আলম ছান্টু,বিএম জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা শামীম মোল্লা, তুহিন হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদার, সদস্য সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • রাঙ্গাবালী ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনীয় গ-ণসমাবেশ

    রাঙ্গাবালী ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনীয় গ-ণসমাবেশ

    রফিকুল ইসলাম ,
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলা সদরের মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশ হয়। সকাল থেকে সভা স্থলে ছয়টি ইউনিয়নয় থেকে নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। এতে প্রায় ৩ হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ১১৩ পটুয়াখালী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী।

    জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ভোটের মাঠে প্রচার-প্রচারণায় সরব হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলো। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গাবালী উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত এ গণসমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইসলামী আন্দোলন রাঙ্গাবালী উপজেলার সভাপতি  মাওলানা আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গাবালী উপজেলা মুজাহিদ কমিটি সদর আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ফরাজী, ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ জিহাদী, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দীন খান দুলাল ও ধুলাসসার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম প্রমুখ।

    পটুয়াখালী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর এদেশে এখন নব্য স্বৈরাচার সৃষ্টি হয়েছে। একটি দল ক্ষমতায় যাবার আগেই সবকিছু দখল করে রেখেছে। তাই আগামী নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী সহ সমমনা দল গুলোর নেতৃত্বে এই নব্য স্বৈরাচার হটিয়ে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেমেছি আমরা।” বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি নিজে আজীবন বিএনপির রাজনীতি করলেও ৫ই আগস্টের পরে এই দলটির অব্যাহত চাদাবাজি, লুটপাট আর দখলদারিত্বের ফলে বাধ্য হয়েছি পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করা দল ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিতে। তারেক রহমান বারবার সতর্ক করেও তার দলের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, তাই যে দলের কর্মীরা এখনই তার নেতার আদেশ মানেনা তাদের দ্বারা আগামীর বাংলাদেশ নিরাপদ হতে পারে না।

  • কুমিল্লা নামেই বিভাগ চায় কুমিল্লার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

    কুমিল্লা নামেই বিভাগ চায় কুমিল্লার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

    তরিকুল ইসলাম তরুণ,

    কুমিল্লার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কুমিল্লা নামেই বিভাগ চায়, অন্যথায় কঠোর আন্দোলন করবে, রাজপথ,রেলপথ, মহাসড়ক অবরোধ ব্লকেড, অবরোধ, সহ বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়ে আগাবে এমনটাই ১০ ই অক্টোবর বিকালে কুমিল্লার টাউন হলের মাঠে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারী দিয়েছে একই ভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল হক চৌধুরী ও
    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। এছাড়া একই সুরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর প্রাণের দাবি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভাগ ঘোষণা না হলে কুমিল্লার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করা হবে। 
    কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ের পূবালী চত্বরে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে কুমিল্লা জেলা কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজিত এক সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন। বিএনপি কুমিল্লা মহানগর সভাপতি উৎবাতুল বারি আবু একাত্মতা প্রকাশ করেন।এছাড়া কুমিল্লা

    বিভাগের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে একাত্মতা পোষণ করে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান আমির। কুমিল্লার জনপ্রিয় দৈনিক কুমিল্লার কাগজের সম্পাদক আবুল কাসেম হৃদয় বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আন্দোলনে যোগ দেন।

  • সেনবাগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি পৌর ক্রিকেট লীগের শুভ উদ্বোধন

    সেনবাগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি পৌর ক্রিকেট লীগের শুভ উদ্বোধন

    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর সেনবাগে ক্রীড়ামোদীদের সরব উপস্থিতিতে শুভ উদ্বোধন হলো,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি পৌর ক্রিকেট লীগ ২০২৫। সেনবাগ ক্রিকেট ক্লাবের উদ্দ্যোগে আয়োজিত, সভাপতি মিজানুর রহমান সুমনের সভাপতিত্বে, ১০ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে পৌরএলাকার আন্জ্ঞু ব্রিকস মাঠে,উক্ত টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

    খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তরুণ প্রতিভাবান আইনজীবী ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, সেনবাগ উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আজিজুর রহমান মিশু।উক্ত টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফখরুল ইসলাম টিপু।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মোঃ মনির আহমেদ জুলেটসহ অনেকেই ।

  • বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও সাহসী কলম যো-দ্ধাই হলো সাংবাদিকতা-গোলাম কিবরিয়া পলাশ

    বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও সাহসী কলম যো-দ্ধাই হলো সাংবাদিকতা-গোলাম কিবরিয়া পলাশ

    ডেস্ক রিপোর্টঃ
    বর্তমান বিশ্বে যখন গুজব, অপপ্রচার ও পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য দিয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, তখন সত্য প্রকাশে অটল থাকা সংবাদকর্মীরা সমাজের সত্যিকারের নায়ক। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা কেবল তথ্যই সরবরাহ করেন না, বরং গড়ে তোলেন একটি সচেতন সমাজ। সাহসী কলম যোদ্ধারা হচ্ছেন সেই অদম্য কণ্ঠ, যারা চাপ, হুমকি কিংবা প্রলোভনের তোয়াক্কা না করে নিরপেক্ষ ও সত্য সংবাদ পরিবেশন করেন।

    একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্য ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশন করা। এটি কখনোই সহজ কাজ নয়, বিশেষ করে যখন সংবাদ প্রকাশের ফলে প্রভাবশালী গোষ্ঠী ক্ষুব্ধ হয় অথবা সাংবাদিকের জীবনের ওপর হুমকি আসে। তা সত্ত্বেও অনেক সাংবাদিক আছেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েও জনগণকে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত আছেন। তারা শুধু পেশাগত দায়িত্বই পালন করছেন না, বরং গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবেও কাজ করছেন।

    বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা মানে হচ্ছে, অপ্রিয় হলেও সত্য বলা, পক্ষপাতহীন বিশ্লেষণ তুলে ধরা এবং প্রতিটি ঘটনার পেছনে সত্য অনুসন্ধান করা। আজকের ডিজিটাল যুগে যখন যে কেউ তথ্য তৈরি ও ছড়াতে পারে, তখন এই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা হয়ে উঠেছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    সাহসী কলম যোদ্ধারা শুধু রাজনৈতিক অনিয়ম বা দুর্নীতিই প্রকাশ করেন না, তারা সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা বৈষম্য, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্রও তুলে আনেন। তাদের কলম হয়ে ওঠে প্রতিবাদের হাতিয়ার, যা জাগিয়ে তোলে জনসচেতনতা, উন্মোচন করে লুকানো সত্য এবং দাবী তোলে ন্যায়ের।

    তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে-বিদেশে অনেক সাংবাদিক হুমকি, নিপীড়ন এমনকি জীবন হারানোর ঘটনাও ঘটছে। তবুও তারা পিছু হটছেন না। কারণ তারা বিশ্বাস করেন সত্যের পক্ষে থাকা, ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া এবং মানুষের কণ্ঠস্বর হওয়াই সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য।

    একজন বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিক শুধু খবর প্রকাশ করেন না, তিনি হয়ে ওঠেন সমাজ পরিবর্তনের পথিকৃৎ। তাই এই কলম যোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সত্য-ভিত্তিক সাংবাদিকতা রক্ষার জন্য আমাদের সকলেরই সচেতন হওয়া জরুরি।

  • অ-পরাধীদের আ-তঙ্ক আর সাধারণ মানুষের নির্ভরতার প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন

    অ-পরাধীদের আ-তঙ্ক আর সাধারণ মানুষের নির্ভরতার প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা এলাকায় এখন অপরাধীরা গা ঢাকা দিচ্ছে , মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে—এ দৃশ্য এক সময় কল্পনাও করা যেত না। অথচ আজ তা বাস্তব। এর পেছনে যিনি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন, তিনি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন। ক্রাইমের সফলতা বিবেচনায় সম্প্রতি তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্থ ও প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। জেলাবাসী বলছেন—অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন হচ্ছেন অপরাধীদের জন্য আতঙ্ক, আর সাধারণ মানুষের জন্য নির্ভরতার প্রতীক।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম (এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে গত কয়েক মাসে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন থানায় এলাকায় চালানো হয়েছে শতাধিক ছোট-বড় অভিযান। গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের। সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপুজায় নজির বিহীন নিরাপত্তায় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া দুর্গোৎসবকে উপহার দিয়ে ময়মনসিংহ জেলা এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন তিনি।

    এছাড়া এক সময় জেলার ময়মনসিংহ নগরীসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ছিল অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল। তার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় বিভিন্ন থানার পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালানোর ফলে এখন এসব হোটেল অনেকটাই ‘পরিচ্ছন্ন’। হোটেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত সভা ও সতর্কীকরণ উদ্যোগে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।

    শুধু অপরাধ দমন নয়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জোর দিয়েছেন জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর। যে কারণে থানায় এসে এখন সাধারণ মানুষ কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই অভিযোগ জানাতে পারছেন। তার কঠোরতা ও নির্দেশনায় ওসিরা নিজেই প্রতিদিন বহু মানুষের কথা শোনেন, সমাধান দেন, প্রয়োজনে মামলা গ্রহণ করেন।

    সেবা গ্রহীতাদের অনেকে জানান- আগে থানায় যেতে ভয় লাগত। এখন নিজের সমস্যার কথা বলতে পারি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতো অফিসার থাকলে জেলার প্রতিটা থানার পুলিশের সেবা ও আইনশৃঙ্খলা এমনিই ভালো থাকবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে অপরাধীদের দমন করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা জোরদার করার মাধ্যমে জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতিটি থানা পুলিশের কার্যক্রম।

    বিভাগীয় জেলা ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালন করা যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তার জন্য চ্যালেঞ্জিং, কারণ এখানে প্রতিনিয়তই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে। তবে জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন যোগদান করার পর থেকেই বদলে যেতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।

    ৫ আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর ময়মনসিংহে জেলায় যখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল, চারদিকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, চুরি,ছিনতাই বেড়ে চলছিল, চারদিকে পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিলো -তখনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করেন। তিনি পুলিশের মনোবল ও জনগণের মধ্যে আস্তা ফিরিয়ে আনেন। অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেন এবং ময়মনসিংহকে সন্ত্রাস ও মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে নিরলস পরিশ্রম করছেন।

    তার নেতৃত্বে ময়মনসিংহ জেলায় পুলিশের শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। অপরাধ দমনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি কখনো কারো কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেননি। বরং ঘুষখোরদের দূরে সরিয়ে রেখেছেন এমনটাই মনে করেন সাধারণ মানুষ। “তার এই সততা ও দায়িত্বশীলতার কারণে তিনি ময়মনসিংহের দুর্নীতিবাজ, অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা, অপরাধীদের কাছে” আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন।

    তিনি যোগদানের পর থেকে ময়মনসিংহকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ,দূর্নীতি,ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত করতে নিরলস ভাবে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও তিনি মব, নাশকতা প্রতিরোধ, সন্ত্রাস দমন, অস্ত্র উদ্বার, খুনের রহস্য উদঘাটন, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, অবৈধ পন্য উদ্ধার, জানজট নিরসন, মাদক ব্যবসা নির্মুল সহ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে কাজ করছেন। যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন থানা এলাকার অপরাধ নির্মুলে তার মাঠে কাজের ব্যাপক সফলতাও দেখিয়েছেন।

    জেলার বিভিন্ন এলাকার নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্যরা বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন যোগদানের পর থেকে ময়মনসিংহ নগরীসহ সকল উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা, মাদক, চুরি-ডাকাতি বহুলাংশে বন্ধ হয়েছে। উনি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার কারণে এখন মাদক অনেকটাই নির্মুলের পথে।সকলেই তার সফলতা কামনা করেছেন।

    জেলা পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে তিনি নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ময়মনসিংহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে তার নেতৃত্ব প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠেছে।

    অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধকে কাজে লাগিয়ে পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম এর দিক নির্দেশনা মোতাবেক তিনি জেলা পুলিশের কাজে প্রযুক্তিনির্ভরতা, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থা চালু করার দিকে নজর দিচ্ছেন। ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের পরামর্শ দিয়ে অপরাধ তথ্য বিনিময় আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অপরাধী চক্রের গতিবিধি শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারেও তিনি অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

    একজন আধুনিক চিন্তাধারার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন ময়মনসিংহে পুলিশ বিভাগে শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন বলে দাবী ময়মনসিংহবাসীর।

    তার দিক-নির্দেশনায় বিভিন্ন থানা পুলিশের কঠোর নজরধারীতে বর্তমানে ময়মনসিংহের মানুষ অনেকটাই নিরাপদ, যে কোন প্রয়োজনে নির্ভয়ে পুলিশের সাহায্য নিতে পারে মানুষ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন এর মতো সৎ ও কর্মঠ পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে এক অনন্য উদাহরণ। তার নেতৃত্ব অব্যাহত থাকলে ময়মনসিংহ আরও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হবে, এমনটাই মনে করেন সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা।