Category: দেশজুড়ে

  • আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় না-রীদের মাঝে  ছাগল বিতরণ

    আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় না-রীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

    এম এ আলিম রিপনঃ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল,স্বাবলম্বী ও হালাল পথে উপার্জন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া, টাটিপাড়া সহ স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আন-নাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে সম্প্রতি এ ছাগল বিতরণ করা হয়। ঐতিহ্যবাহী দুবলিয়া হাজী জসিমউদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজ মাঠে আন-নাফি ফাউন্ডেশনের সভাপতি মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে ও আন নাফি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বিপুলের সঞ্চালনায় ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফজিলাতুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক বিশ্বাস। তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অত্র ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মোঃ টিপু বিশ্বাস এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ফাউন্ডেশনের সহ কোষাধ্যক্ষ মো: রবিউল ইসলাম । অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম রহমত (কোষাধ্যক্ষ, আন-নাফি ফাউন্ডেশন), ইকরামুল হক ও সম্রাট বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত ফাউন্ডেশনের প্রধান অর্থ পৃষ্ঠপোষক আনসার আলী প্রমানিক। অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের মাঝে বিনামূল্যে এ ছাগল বিতরণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দঁাড়ানোর গুরুত্ব তুলে আন- নাফি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বিপুল জানান, বিগত কয়েক বছর যাবত দুবলিয়া, টাটি পাড়াসহ আশে পাশের এলাকায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী (বিশেষত রমজান মাসে) বিতরণ করে আসছে। আজকের এ ছাগল বিতরণ কার্যক্রমটি প্রত্যক্ষভাবে আন- নাফি ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণভাবে চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে । এই ধরনের চ্যারিটি কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে । ইসলামের মূল শিক্ষা মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং দারিদ্র‍্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখা। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আন নাফি ফাউন্ডেশন। অতীত এবং বর্তমানের ন্যায় আগামীতেও অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে যাবে আন- রাফি ফাউন্ডেশন বলেও জানান তিনি। বিতরণকৃত ছাগল পালনের মাধ্যমে এসকল অসহায় পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর পাবনা।।

  • প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হে-রোইনসহ ২ জনকে আ-টক করে র‌্যাব-৫

    প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হে-রোইনসহ ২ জনকে আ-টক করে র‌্যাব-৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: গোদাগাড়ীর দিয়ার মানিকচক এলাকার মাদক ব্যবসায়ী আনসারুল রনি কম্পিউটারের প্রিন্টারের মধ্যে অভিনব কায়দায় হেরোইন নিয়ে যাওয়ার সময় র‌্যাব-৫ এর হতে গ্রেফতার হয়েছেন।

    গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর- সোয়া ১২ সময় রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার শিরোইল রেলওয়ে মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ী থানার দিয়ারমানিকচক মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ শামসুল আলীর ছেলে মোঃ আসারুল রনি (২১) ও সিরাজগঞ্জ রেলকলোনীর গ্রামের হযরত আলী শেখের মেয়ে মোছাঃ জাহানারা (৫০) কে গ্রেফতার করে এবং জব্দকৃত আলামত হেরোইন-৬৪০ গ্রাম, প্রিন্টার-০১টি, মোবাইল-০২টি উদ্ধার করে।

    জানা যায় ২নং আসামি জাহানারা বেগম (৫০) সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ট্রেন/বাস যোগে রাজশাহীতে এসে অজ্ঞাত স্থান থেকে হেরোইন সংগ্রহ করতঃ সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট ডেলিভারি করে আসছিলো। এছাড়া ধৃত ১নং আসামি মোঃ আসারুল রনি’র বাড়ী গোদাগাড়ীর দূর্গম চরে হওয়ায় সে সহজেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্তবর্তী অজ্ঞাত স্থান হতে সংগ্রহ করে পদ্মা নদী পার হয়ে জাহানারা বেগম সহ অনেকের কাছে হেরোইন সাপ্লাই দিত।
    রনি গ্রেফতারের বিষয়টি এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছার একমাত্র সরকারি পাঠাগারটি এখন ধ্বং-সের দ্বার-প্রান্তে

    পাইকগাছার একমাত্র সরকারি পাঠাগারটি এখন ধ্বং-সের দ্বার-প্রান্তে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    পাইকগাছা উপজেলার একমাত্র সরকারি পাঠাগারের অবস্থা এখন জরাজীর্ন।বেহাল অবস্থার কারনে এখন পাঠকরাও কম আসেন। প্রতিদিন পত্রিকাও রাখা হয় না। অব্যবস্থাপনা ও তদারকির অভাব, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব এবং কর্তৃপক্ষের অনাগ্রহের কারণেই পাঠাগারের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
    সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পাঠাগারে হাতে গোনা কয়েকটি টেবিল—চেয়ার ও আলমারি ছাড়া বাকি সব আসবাবপত্রের অবস্থা ভঙ্গুর। নতুন কোন বই নেই। ধুলোবালি আর অযত্ন অবহেলায় রয়েছে পাঠাগার। দেয়ালের রঙ চটা অবস্থা আর বিভিন্ন স্থানে ধরেছে ফাটল। পাঠাগারের ভবন ফেটে পানি পড়ে এবং জানালা—দরজাও প্রায় সব ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে।
    খোজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময় উপজেলার এই পাঠাগারে বই পড়তে ভিড় জমাতেন ছাত্র—ছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ পাঠকরা। এখন মাত্র হাতে গোনা ৫—৬ জন চাকরি প্রত্যাশীরা এই লাইব্রেরীতে আসেন। পূর্বে স্থানীয় এবং জাতীয় অনেক পত্রিকা রাখা হতো। কিন্তু এখন পত্রিকাও আসে না। শিক্ষার্থীদের আনা গোনাও অনেকটা কমে গেছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে পাঠাগারটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। একসময়ের পাইকাগাছা উপজেলার জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র এখন কেবল মাত্র নামেই টিকে আছে। কিন্তু এমন বেহাল অবস্থায় থাকলে আর কিছুদিন পর পাঠাগারের নাম মানুষ ভুলে যাবে। প্রত্যেক বছর এই পাঠাগারের জন্য সরকার কর্তৃক একটি বাজেট দেওয়ার কথা থাকলেও আদৌ কাজ হয় না।
    স্থানীয় বাসিন্দা বিজয় সানা জানান, কয়েকবছর আগেও এই লাইব্রেরীতে বহু ছাত্র—ছাত্রী পড়াশোনা করার জন্য আসতো। এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, স্যোশাল মিডিয়া, নতুন বইয়ের কালেকশন, প্রচার প্রচারণা এই লাইব্রেরীতে না থাকার কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে পাঠাগারের গুরুত্ব। তিনি আরও বলেন, পাঠাগারকে সচল করতে হলে অবিলম্বে ভবন সংস্কার, নতুন বই সংযোজন আধুনিক সুযোগ—সুবিধা চালু করতে হবে নইলে তরুণ প্রজন্ম বই থেকে আরও দূরে সরে যাবে।
    শিক্ষার্থী জোবায়ের ইসলাম বলেন, বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের বেশি আগ্রহী। ফলে প্রযুক্তিহীন লাইব্রেরীর কদর কমে গেছে। ডিজিটাল লাইব্রেরী থাকলে পাঠক সহজেই ই—বুক প্রবন্ধ ও গবেষণা ডাটাবেজ ব্যবহার করতে পারতো। এছাড়াও তথ্য সংগ্রহের অনেক সময় নষ্ট করতে হয়। কিন্তু ডিজিটাল প্রযুক্তি থাকলে সময় কম লাগে। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার একটি আধুনিক লাইব্রেরীর অপরিহার্য অংশ। শিক্ষা গবেষণায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োগ জরুরি। একই সাথে বই সংরক্ষনেরও প্রয়োজন রয়েছে। বই পড়লে মানষিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
    চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, একটি উপজেলায় লাইব্রেরী থাকলে অনেক গরিব শিক্ষার্থী লাইব্রেরী থেকে পড়াশোনা করতে পারেন। অনেকের বই ক্রয়ের সামর্থ্য নেই, যার কারণে অনেক সময় তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে উপজেলার লাইব্রেরীতে নতুন নতুন বইয়ের সংগ্রহ থাকলে সকলে সুবিধা পাবেন।
    পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহাব বলেন, উপজেলার এই পাঠাগারটি এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সর্বপ্রথম পাঠাগার সংস্কার করতে হবে। পাঠাগারে বর্তমানে পাঠকের সংখ্যা নেই বললে চলে। একটা সময় দেখেছি এই পাঠাগারে পাঠকরা ভিড় জমাতেন। তিনি আরো বলেন, উন্নত প্রযুক্তির যুগে এখন সকলের কাছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকায় পাঠাগারে আসার আগ্রহ অনেকের নেই বললেই চলে। ইচ্ছা করলে ফোনের মাধ্যমে সব দেখতে পায়। তবে পাঠাগার সংস্কার এবং আধুনিকায়ন করলে পাঠকরা আকৃষ্ট হবে। একটা সময় দেখেছি সেখানে অনেক পত্রিকা পাওয়া যেতো। পাঠকরা পত্রিকা এবং চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতেন পাঠাগারে এসে। কিন্তু এখন বন্ধ রয়েছে সব। দুই একটা পত্রিকা নেওয়া হয় লাইব্রেরীতে। তিনি উল্লেখ করে বলেন, সব ধরনের পত্রিকার ব্যবস্থা করতে হবে এবং নতুন নতুন বই যোগ করতে হবে। তাহলে আস্তে আস্তে আবারো পাঠকরা এই লাইব্রেরীতে আসবেন।
    এ বিষয়ে কথা হয় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহার সাথে। তিনি বলেন, আমি অনেক আগে দেখেছি এই লাইব্রেরীতে অনেক পাঠক আসতো কিন্তু এখন মাত্র কয়েকজন পাঠক আসেন। এখন কেন পাঠকরা এই লাইব্রেরীতে কম আসেন, তা আমাদের আগে খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়াও পাঠকের চাহিদা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এখন উন্নত প্রযুক্তির যুগে সব কিছু মানুষ খুব সহজেই মোবাইল, কম্পিউটারে দেখতে পাচ্ছেন। পাঠকরা চাইলে তারা মূহুর্তের মধ্যে গুগলের মাধ্যমে সার্চ করে পড়তে পারেন। তিনি বলেন, এই লাইব্রেরীতে যদি ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে নতুন প্রজন্মের জন্য সুবিধা হবে। তিনি আরো বলেন ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি নতুন নতুন বইয়ের সাথে পাঠকের পরিচয় করানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
    পাইকগাছা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন বলেন, আমরা পাঠাগারের কার্যক্রম পুনর্জীবিত করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। পাঠাগার কেবল বই রাখার স্থান নয়, এটি মানুষের চিন্তা চেতনা ও মানবিকতার বিকাশের জায়গা। উপজেলার পাঠাগারের অবস্থা উন্নয়নের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নতুন বই, আসবাবপত্র, ডিজিটাল সুবিধার সংযোজন এর উদ্যোগ নেওয়া হবে। যাতে তরুণরা বইয়ের গন্ধে ফিরে আসে। পাশাপাশি পাঠাগারটি সিসি ক্যামেরার আওয়াতায় এনে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • কোটালীপাড়ায় ৪টি বিদ্যালয়ের ভবনের নিলাম নিয়ে তোল-পাড় নিলাম বাতি-লের দাবীতে বি-ক্ষোভ ও অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় ৪টি বিদ্যালয়ের ভবনের নিলাম নিয়ে তোল-পাড় নিলাম বাতি-লের দাবীতে বি-ক্ষোভ ও অভিযোগ

    কে এম সাইফূর রহমান।।

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অকেজো ভবন নিলাম নিয়ে চলছে তোলপাড়। নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে নিলাম সম্পন্ন হওয়ায় ও দরপত্র শিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন ঠিকাদারেরা। নিলাম বাতিল চেয়ে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগের পরও নিলাম বাতিলের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিক্ষুদ্ধরা।

    এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নিলাম হলেও কোন তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট না থাকায় বিষয়টি হাস্যকর এ পরিণত হয়েছে।
    উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিলা সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়, সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪টি পুরাতন ভবন ও পুরাতন ভবনের পরিত্যক্ত মালামাল নিলাম দেওয়ার জন্য গত ০৭ অক্টোবর দরপত্র আহ্বান করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত। এ উপলক্ষে ১২ ও ১৩ অক্টোবর প্রতিটি ভবনের জন্য আলাদা আলাদা নিলাম মূল্য নির্ধারণ করে অফেরৎ যোগ্য ১ হাজার টাকার বিনিময়ে নিলাম শিডিউল বিক্রি করা হয় উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে।
    উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলামের কাছ থেকে জামিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ১শত ১টি প্রতিষ্ঠান, সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ১শত ১টি প্রতিষ্ঠান, আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়লয়ের বিপরীতে ৯৬টি প্রতিষ্ঠান ও তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে ৯১টি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের সিডিউল ক্রয় করেন।
    শিডিউল বিক্রি সংক্রান্ত কোন তথ্য দিতে পারেননি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত। তার কাছে শিডিউল বিক্রির তথ্য চাওয়া হলে তিনি জানান বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলাম জানেন। অন্যদিকে তাওহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন শিক্ষা অফিসার জানেন। বিষয়টি এখন হাস্যকর -এ পরিণত হয়েছে।
    প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকার পে-অর্ডার সহ ১৯ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত বাক্সে দরপত্র জমা নেওয়া হয় এবং ৪ ঘটিকায় উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিথিতে টেন্ডার বাক্স ওপেন করেন নিলাম কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত।
    টেন্ডার বাক্স ওপেন করলে দেখা যায় ৩৮৯টি দরপত্র শিডিউলের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে মাত্র ১৮ টি দরপত্র জমা হয়।
    টেন্ডার বাক্সে নিজেদের দরপত্র না পেয়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে দরপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেন কয়েকজন ঠিকাদার। এ সময় তারা নিলাম বাতিলের দাবী জানান।
    সাবেক ইউপি সদস্য সবুর শেখ বলেন বিএনপির কয়েকজন নেতা আমাদের কাছ থেকে শিডিউল নিয়ে যায়। তারা বলেন বেশি ভিড় করা যাবে না। আমরা শিডিউল জমা দিয়ে দিবো। পরে তারা আর আমাদের শিডিউল জমা দেয় নাই। নিলাম হওয়ার পরে উপজেলা পরিষদ ভবনের পাশে একটি কালো ব্যাগে আমাদের সকলের শিডিউল ফেলে রেখে যায় তারা।
    কোটালীপাড়া উপজেলা নাগরিক পার্টির যুগ্ম সমন্বয়ক নাজমুল দাড়ীয়া বলেন, আমি দরপত্র জমা দিতে গেলে আমার হাত থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায় বিএনপির এক নেতা। পরে যখন বাক্স ওপেন করা হয় তখন বাক্সের ভিতর আমার দরপত্র না দেখে আমি অবাক হই। কিছু ব্যক্তি এই নিলামকে সিন্ডিকেট করেছে।
    বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি নামমাত্র মুল্য দেখিয়ে সিডিউল জমা দিয়েছেন। পরে কয়েকগুন বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়ার পায়তারা চলছে। এভাবে সরকারি ভবন নামমাত্র টাকায় নিলামে বিক্রি করায় সিন্ডিকেটধারীরা হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। আর সরকার হারাচ্ছে কাঙ্খিত রাজস্ব। আমরা এই নিলাম বাতিলের জন্য বিক্ষোভ করেছি এবং ইউএনও স্যারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।

    নিলামসূত্রে জানাযায়, জামিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের জন্য ক্রয়কৃত ১০১টি শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৫টি। শিডিউল। এর মধ্যে ২ টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। সোনাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১শত ১টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৬টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। আশুতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়লয়ের ৯৬টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ৫টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯১টি বিক্রিত শিডিউলের মধ্যে জমা পড়ে ২টি শিডিউল। এর মধ্যে ১টি শিডিউলে কোন দর উল্লেখ করা হয়নি। অন্য শিডিউলে সরাকরি মূল্যের চেয়ে দর কম থাকায় তারাকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিলাম বাতিল করা হয়। অন্য ৩টি বিদ্যালয়ে সর্ব্বোচ দরদাতাকে নিলাম প্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপরই উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন দরপত্র নিলাম বাক্সে জমা না দিতে পারা ব্যক্তিরা।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএনপির কয়েকজন ব্যক্তি সিন্ডিকেট করে ৩৮৯টি শিডিউলের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে মাত্র ১৬টি শিডিউল জমা দেয়। এর মধ্যে ৪টি সিডিউলে কোন দর দেওয়া হয়নি। তারা ইচ্ছেমত দর দেন। সরকারি মূল্যের সঙ্গে নামমাত্র মূল্য যোগ করে তাদের নামে টেন্ডার বের করেন। পরে নিজেদের মধ্যে ও নেগোসিয়েশন করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন।
    গোপনসূত্রে জানাযায়, নিলামের পরদিন ২০ অক্টোবর বিকালে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা পরিষদের কোটালীপাড়ার সদস্যের কক্ষে বসে উচ্চমূল্যে ভবনগুলো বিক্রি হয়।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন ও মালামাল বিক্রিতে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেছেন। এটা উন্মুক্ত নিলাম নাকি দরপত্র তা স্পষ্ট নয়। নিলামে সাধারণত মাইকিং করাসহ প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। এখানে যেহেতু এসব করা হয়নি বরং প্রতিটি সিডিউল এক হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে, তাই এটাকে নিলাম বলা যাচ্ছে না। আবার, যেহেতু পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি, পিপিআর নিয়ম মানা হয়নি, কাজেই এটি দরপত্রও বলা যাবে না। এটি মূলত শিক্ষা অফিসার ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে নির্দিষ্ট কাউকে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। শুধুমাত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের দেয়ালে নামসর্বস্ব একটি নোটিস দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দিতে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে বিংবা উপজেলা শিক্ষা অফিসের ও উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে কোন কিছু প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অনেক ব্যবসায়ী ‍নিলামে অংশ নিতে পারেনি। অন্যদিকে আগে এসব দরপত্র মূল্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকা অফেরতযোগ্য রাখা হলেও এবার দরপত্র মূল্য রাখা হয়েছে ১০০০ টাকা। হঠাৎ করে দরপত্র মূল্য বৃদ্ধি করায় ব্যবসায়ীরা হতবাক হয়েছেন।
    অন্যদিকে উপজেলা শিক্ষা দপ্তরের নিলামের সিডিউল উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের একজন অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক তাওহিদুল ইসলাম কিভাবে বিক্রি করেন এবং আর্থিক বিষয় দেখভাল করেন এ নিয়েও ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জন ভক্ত ও উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অফিস সহায়ক (অস্থায়ী) তাওহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েই অতি গোপনে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন বলে জানান তারা। অতি দ্রুত এ অবৈধ নিলাম বাতিলের দাবিও জানান তারা।

    উপজেল শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত বলেন, আমরা নিয়মমাফিকভাবেই নিলাম আহ্বান ও নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করি। তবে বাহির থেকে কেউ কোন অনিয়ম করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক বলেন, নিলামের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে কয়েকজন আমার নিকট দরখাস্ত করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • মহাসড়ক এখন মৃ-ত্যুফাঁদ! রায়গঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেল ৯ জনের, আ-তঙ্কে এলাকাবাসী

    মহাসড়ক এখন মৃ-ত্যুফাঁদ! রায়গঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেল ৯ জনের, আ-তঙ্কে এলাকাবাসী

    অভিজিৎ কুমার দাস
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : উত্তরবঙ্গ ফোরলেনের রায়গঞ্জের ভূঁইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড এলাকা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত ছয় মাসে এখানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন ১৫ জনেরও বেশি।
    স্থানীয়রা বলছেন, মহাসড়কে এই রাস্তায় কোনো ডিভাইডার না থাকায় দুই দিকের গাড়ি মুখোমুখি চলে আসে। তার ওপর পার্শ্বরাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় দক্ষিণ দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে হঠাৎ মাঝরাস্তায় ঘুরতে হয়। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
    প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টসূত্র মতে গত মে মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই এলাকায় সংঘটিত সাতটি বড় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন নয়জন। এদের মধ্যে রয়েছেন কলেজছাত্র, মোটরসাইকেল আরোহী, ইজিবাইক চালক, ভ্যানচালক ও পথচারী। এছাড়াও আহত অন্তত ১৫ জনের মধ্যে পঙ্গু হয়ে গেছন ৬ জন। ভূঁইয়াগাঁতী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থাকা পার্শ্বরাস্তা বন্ধ হওয়ার পর থেকেই দুর্ঘটনার হার বেড়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
    ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, “এই এলাকায় এখন গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। কখন কে ধাক্কা খাবে বলা যায় না। রোড ডিভাইডার না থাকা মানে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা।”
    প্রফেসর শংকর কুমার দাস বলেন, “আমরা রোড ডিভাইডার স্থাপন ও পার্শ্বরাস্তা খুলে দেওয়ার বহুবার দাবি জানিয়েছি।
    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে.এম মাসুদ রানা, সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবির হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, “ভূঁইয়াগাঁতী এলাকা এখন দুর্ঘটনাপ্রবণ জায়গা হিসেবে চিহ্নিত। আমরা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক টহলও বাড়ানো হয়েছে।”
    সাসেক প্রকল্প-২ এর উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: সরফরাজ হোসাইন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ওই স্থানে স্থায়ী রোড ডিভাইডার স্থাপন ও বন্ধ পার্শ্বরাস্তা চালুর কাজ প্রক্রিয়াধীন।
    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একাধিকবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
    কলেজে ছাত্র ইকরামুল হক বলেন, “আমরা প্রতিদিন এই রাস্তায় চলি। রাস্তা পার হতে গেলেই মনে হয় প্রাণটা হাতের মুঠোয়।
    রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির জানান, ভূঁইয়াগাঁতী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে পার্শ্ব রাস্তার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গাটুকু অধিগ্রহণ করতে হবে। এব্যাপারে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশাকরি অতিদ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।#

  • সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আশুলিয়ায় বি-নামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প ২৯ অক্টোবর

    সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আশুলিয়ায় বি-নামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প ২৯ অক্টোবর

    হেলাল শেখঃ ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার এর আওতায় মোতায়েনকৃত জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৯ অক্টোবর, বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুলিয়ার সামাজিক কনভেনশন হলে একটি বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

    এই কর্মসূচিটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ক্যাম্পে আশুলিয়া এলাকার বাইপাইল, ভাদাইল, নরসিংহপুর, জিরাবো, ইয়ারপুর, বাগবাড়ি, তৈয়বপুর, ইউসুফ মার্কেট ও কাশিমপুর এলাকার দুস্থ ও অসহায় জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ প্রদান করা হবে।

    চিকিৎসা সেবায় থাকবেন মেডিসিন, শিশু, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা, নাক, কান ও গলার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। প্রতি ঘণ্টায় ৭০জন করে সর্বোচ্চ ৫০০ জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী।

    যাদের চিকিৎসা সেবার প্রয়োজন, তাদেরকে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের মোবাইল নম্বর ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯-এ ফোন করে বা এসএমএসের মাধ্যমে (রোগীর নাম, বয়স, পেশা, মাসিক আয় ও রোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ) পাঠিয়ে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    চিকিৎসা সেবায় অংশ নিতে আগ্রহী এলাকাবাসীকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জামগড়া আর্মি ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ।
    যোগাযোগ: জামগড়া আর্মি ক্যাম্প
    মোবাইল: ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯।

  • বলি বাজারে ভ-য়াবহ অ-গ্নিকাণ্ডের ১১টি দোকান পু-ড়ে ছাই

    বলি বাজারে ভ-য়াবহ অ-গ্নিকাণ্ডের ১১টি দোকান পু-ড়ে ছাই

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচিতে শনিবার রাত আনুমানিক ১:৪৫ নাগাদ বলি বাজারে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হঠাৎ এক দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশে পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

    ফায়ার সার্ভিসের আসার আগেই প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে স্থানীয়রা। স্থানীয় লোকজন বালতি ও টিউবওয়েলের পানি দিয়ে আগুন নেভাতে সাহায্য করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুলার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    এই দুর্ঘটনায় ১১টি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এই মুহূর্তে জানা যায়নি। যদিও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও কয়েকজন দোকানদার পায়ের পেরেক ঠুকে আক্রান্ত হয়ে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

    ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

  • অ-বৈধ কোন যানবাহন মহাসড়কে চলতে পা-রবেনা পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান

    অ-বৈধ কোন যানবাহন মহাসড়কে চলতে পা-রবেনা পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মহাসড়কে অবৈধ কোন যানবাহন চলতে পারবে না। এ ব্যাপারে পুলিশ, বিআরটিএ সহ সংশ্লিষ্টরা আমি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা এ ব্যাপারে কঠোর আমি আবারো বলছি এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি। তিনি শনিবার রাতে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এবং বিআরটিএ পঞ্চগড় সার্কেলের যৌথ আয়োজনে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ (নিহত/আহত) ৩২টি পরিবারের অনুকূলে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরিকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
    এসময় তিনি বলেন, কোন লক্কর ঝক্কর গাড়ি মহাসড়কে আমরা চলতে দিবো না। এজন্য বিআরটিএ, প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি গাড়িগুলোও কিন্তু ছাড় পাবে না। আমি বিআরটিএ’র গাড়িও ডাম্প করেছি। সবচেয়ে যে মারাত্মক বিষয়টি আপনারা আলোচনা করেন নাই সেটা হলো আমরা এখন সবাই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টে আছি। ২০৪০ সাল পর্যন্ত আমাদের ইকোনমিক টেকঅফ প্রবলেম। আমাদের অধিকাংশ ইয়াং জেনারেশন যারা দেশটাকে, ইকোনমিটাকে চাঙ্গা করবে তাদের সংখ্যাটা এখন বেশি। ৪০ এর পরে এই সংখ্যাটা কমতে থাকবে। এজন্য আমাদের সজাগ হতে হবে।
    তিনি আরো বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের মাঝে এটি আর্থিক সহায়তা বরং বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে সহযোগিতা। সড়ক দূর্ঘটনা কমানোর জন্য সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি এই দ্বায়িত্বে মাত্র সাড়ে তিন মাস। আমি ও আমার টিম কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা ২০২২ এই আইন অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যেমে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। এই ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার করা প্রয়োজন। যাতে সব ক্ষতিগ্রস্থরাই কিছুটা আর্থিক সহায়তা পান। সংসার পরিচালনায় তাদের কিছুটা সহযোগিতা হয়।
    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় ও জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ফরহাদ হোসেন, বাস মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির সভাপতি মতিয়ার রহমান, পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৪ এর সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন সহ নিহত পরিবারের স্বজনেরা বক্তব্য রাখেন।
    এসময় বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক তন্ময় কুমার ধর, পঞ্চগড় বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক হিমাদ্রী ঘটক, নিহতের পরিবারের স্বজন, জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরগুনার তালতলীতে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা বহি-স্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দাবি নেতাকর্মীদের

    বরগুনার তালতলীতে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা বহি-স্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দাবি নেতাকর্মীদের

    মংচিন থান
    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ জনপ্রিয় নাম। তিনি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভরসা ও আশ্রয়স্থল। মানবিক এই নেতার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পালন করে আসছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দলের দুঃসময়ে সাহসী নেতৃত্ব, আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতায় পাশে ছিলেন তিনি। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রিয় বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চান উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির হাতেখড়ি হয়। পরে তালতলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ-সম্পাদক ও আহ্বায়ক -এর দায়িত্ব পালন করেন। বরিশাল বি.এম. কলেজ ছাত্রলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, তালতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ-সম্পাদক, বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য হন। এরপর বিপুল ভোটের ব্যবধানে তালতলী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের ৫ জুন চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হলেও ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী কালীন সময়ে ১দফাসহ দলীয় নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয় তার নেতৃত্বে। বর্তমানেও দলীয় যেকোন কর্মসূচিতে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে তার রয়েছে স্বরব উপস্থিতি। তিনি দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওয়ান ইলেভেন সরকার ও ফ্যাসিষ্ট সরকার কতৃক ২৫ টি মামলায় আসামি হয়ে ৪ বার কারাবরণ করেন।

    তৃণমূল নেতাকর্মীরে ভাষ্য মতে, তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন। তার নেতৃত্বে হাজার হাজার তৃণমূল নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন সচল রেখেছিলেন। বারবার কারাবরণ করেও তিনি কখনো আপস করেননি। অনেক সময় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আহতকর্মীরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, জেলহাজতে থাকা পরিবারগুলোকে আইনি সহায়তা করেছেন। এ কারণেই তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা বেশি। এছাড়াও দলীয় আনুগত্য এবং জিয়া পরিবারের প্রতি তার অকুণ্ঠ সমর্থন, ভালোবাসা, বিরামহীনভাবে দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর নেওয়ার যে মানসিকতা তা জিয়া পরিবারের মানবিক রাজনীতির মতোই উজ্জ্বল। প্রতিহিংসামুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের কারণে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী মতের মানুষও তার প্রতি সন্তুষ্ট। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের প্রাণভোমরা, জনপ্রিয় ও মানবিক বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চান উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    তালতলী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান সুমন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া. রিয়াজুল ইসলাম, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আল-আমিন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসলাম আকন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া. শামীম আহসান, মিঃ মংসেলেন, লিটন মোল্লা বলেন, ‘তার নেতৃত্বে আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করেছি। এ সময় আমরা জেল-জুলুম, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, মামলা, হামলার শিকার হয়েছি। তিনি দলের দুঃসময়ে উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তাই আমরা উপজেলা বিএনপি, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ তৃনমূলের সকল নেতাকর্মীরা বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী মিয়া মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাই। তার মতো নির্যাতিত নেতা বিএনপিতে প্রয়োজন।’

    এ বিষয়ে মিয়া. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার প্রয়াত বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। বাবার হাত ধরেই আমার বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পণ। রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নানান প্রত্যাশা থাকে। আমি কর্মী-সর্মকদের প্রত্যাশা ও জনগণের চাপে পড়ে নির্বাচন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তবে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করা আমার ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো। যেহেতু দলের দুঃসময়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি আশা করি দল আমার এই ভুল শুধরানোর সুযোগ দিবেন। আমি আমার প্রয়াত বাবার দেখানো পথে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’তে অমৃত্যই থাকব।’

    এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ-উজ-জামান মামুন মোল্লা বলেন, ‘মোস্তাফিজুর রহমানের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে দলের হাইকমান্ডে আবেদন দেওয়া আছে। আশা করি, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করবে।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।

  • যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আ-টক

    যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আ-টক

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ

    যশোরের মুড়লী মোড় এলাকা হতে ১ কেজি বিশ গ্রাম ওজনের আট টি স্বর্ণের বার, এবং ১দশমিক ৪৫ গ্রাম ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটিসহ, শেখ অলিউল্লা নামে এক ব্যাক্তিকে আটক কোরেছে বিজিবি।

    রবিবার  সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর খুলনা মহাসড়কের মুড়লীর মোড় হতে স্বর্ণসহ তাকে আটক করা হয়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্য কাটিয়া গ্রামের শেখ আরিজুল্লার ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঢাকা থেকে যশোর হয়ে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে স্বর্ণগুলো সে নিয়ে যাচ্ছিল। সে আরো জানায়, ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার চোরাকারবারীদের নিকট হতে স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করে যশোর হয়ে সাতক্ষীরা যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হয়।  

    আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য এক কোটি তিরাশি লক্ষ দুই হাজার তিনশত একচল্লিশ টাকা। এছাড়াও তার কাছ থেকে একটি মোবাইল জব্দ করা হয়। যার মুল্য বিশ হাজার টাকা। এবং ১ হাজার ৭৬০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

    এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।