Category: দেশজুড়ে

  • সুজানগর এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলীর মৃ-ত্যু

    সুজানগর এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলীর মৃ-ত্যু

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক(৪৭) মারা গেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।তার বাড়ী টাংগাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার নিশ্চিপুর গ্রামে। এদিকে হঠাৎ তার মৃত্যুর খবরে তার প্রিয় সহকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম ও সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুন্নবী গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ২০১৯ সাল থেকে সুজানগর উপজেলায় কর্মরত ছিলেন।

    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।।

  • নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেছারাবাদে  যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেছারাবাদে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উ-দযাপন

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    ‘যুব ঐক্য প্রগতি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
    ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নেছারাবাদ উপজেলা এবং স্বরূপকাঠি পৌর যুবদলের নেতৃত্বে গৌরব, ঐতিহ্য সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৭ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড থেকে বাদক দলের সমন্বয়ে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় র‍্যালিটি শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলায় এসে শেষ হয়।

    এ সময় র‍্যালিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান এবং পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল কবির উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, নেছারাবাদ উপজেলা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন , যুব নেতা আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পৌর ছাত্রদল ও আহবায় থানা ছাত্রদল, যুবনেতা হাসিবুর রহমান (সুহান)
    সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পিরোজপুর জেলা ছাত্রদল। সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
    সরকারি স্বরুপকাঠী কলেজ ছাত্রদল, যুবনেতা রেজাউল কবির নান্টু, মারুফ তালুকদার, আব্দুর রহিম,আতিকুল হাসান,মাসুম বিল্লাহ, জিহাদ হাসান জয়,ইমরান খন্দকার, শরিফুল ইসলাম, কামরুজ্জামান হাফিজ প্রমুখ।

    পৌর যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুবনেতা আসলাম ডাকুয়া সাবেক পৌর যুগ্ম আহবায়ক, যুব নেতা আল আমিন সিকদার সাবেক যুগ্ন আহবায়ক পৌর ছাত্রদল, যুব নেতা বদরুল আহসান, যুব নেতা রাকিবুল ইসলাম রানা, রাসেল,ইসরাফিল, সাজ্জাত হোসেন, রাসেল খান প্রমুখ।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি।।

  • ধামইরহাটে লগি-বৈঠার না-রকীয় হ-ত্যাযজ্ঞের বি-চার দাবিতে জামায়াতের বিক্ষো-ভ ও সমাবেশ

    ধামইরহাটে লগি-বৈঠার না-রকীয় হ-ত্যাযজ্ঞের বি-চার দাবিতে জামায়াতের বিক্ষো-ভ ও সমাবেশ

    নওগাঁর ধামইরহাটে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর রাজধানীসহ দেশব্যাপী হত্যা -নৈরাজ্যের বিচার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে ধামইরহাট উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নওগাঁ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও নওগাঁ -২ আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নেতৃত্বে উপজেলা সদরের নিমতলী মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে আমাইতাড়া হয়ে টিএন্ডটি বাজারে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওঃ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্য প্রদান করেন নওগাঁ -২ আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। তিনি তার বক্তব্যে ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর রাজধানী পল্টনে নারকীয় হত্যাযজ্ঞসহ দেশব্যাপী হত্যা ও নৈরাজ্যের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সেদিন রাজপথে জামায়াতের সাথে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তৎকালীন জোটসঙ্গী বিএনপি না থাকায় কঠোর সমালোচনা করেন এবং তখন থেকেই কার্যত ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন ।

    জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি রেজোয়ানের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও জেলা যুব সভাপতি মারুফ আহমেদ, ধামইরহাট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওঃ কামরুজ্জামান, নায়েবে আমির মাওঃ আমানউল্লাহ, মাওঃ আতাউর রহমান প্রমুখ।

    বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • নলছিটির ইয়াবা খ-লিল ফের ডিবির হাতে গ্রে-প্তার

    নলছিটির ইয়াবা খ-লিল ফের ডিবির হাতে গ্রে-প্তার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে নলছিটিতে ১০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৫) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের বেল্লাল হোসেনের মাছের ঘেরের সামনে ইটের সোলিং রাস্তা থেকে তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

    আটক যুবকের নাম মো. খলিলুর রহমান (২৭)। তিনি একই এলাকার ফারুক খানের ছেলে।

    জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রে জানা যায়, এসআই (নিঃ) মো. হারুনার রশিদ-এর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে খলিলের হাতে থাকা লাল রঙের শপিং ব্যাগ থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় একাদিক মাদক মামলা রয়েছে। 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত খলিলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত এবং তার মাধ্যমে নলছিটির তরুণ ও যুবকরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। এর আগে একাধিকবার খলিল ও তার বাবা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। কিন্তু কিছুদিন পর আদালত থেকে জামিনে এসে পুনরায় এই ব্যবসা শুরু করে। মাছের ঘের, মুরগির খামার ও কাঠের ব্যবসার আড়ালে তিনি তৈরি করেছেন বিশাল এক সিন্ডিকেট।

    অভিযোগ রয়েছে, তার মাদক চক্রের সঙ্গে স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক কর্মী, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কিছু সদস্য এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন মোটরসাইকেল ও পিকআপ চালক জড়িত রয়েছেন।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, “খলিল (বাবা খলিল নামে পরিচিত)  তার কারণেই আমাদের এলাকার আনাচে-কানাচে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। সে হোলসেলে মাদক বিক্রি করে, তবে তার এলাকা ভিত্তিক ডিলার রয়েছে। গ্রাহকদের জন্য নির্দিষ্ট ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক এবং চালান আনা-নেওয়ার জন্য তার নিজস্ব পিকআপ ও ডাইসু গাড়ির চালকও রয়েছে।

    তার ব্যবসা পরিচালনার অর্থের যোগান দেন কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী। সেই সঙ্গে তালতলা বাজারের প্রতিটি মোড়ে তার সোর্স থাকে সবসময়। আওয়ামী লীগের সময়ে কিছু ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা তার কাছ থেকে পারসেন্টেজ নিতেন; এখনো কয়েকজন ছাত্রলীগের সদস্য তার ব্যবসা সম্প্রসারণে সহযোগিতা করছেন বলে জানান। 

    স্থানীয়দের দাবি নলছিটিকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে খলিলের মাদক কারবারের সাথে জড়িত সকলকে খুঁজে বেড় করে যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    এ বিষয়ে ঝালকাঠি গোয়েন্দা শাখার ওসি মোঃ সেলিম উদ্দিন বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে তাকে আটক করা হয়, তাকে আদালতে প্রেরন করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • চার শতাধিক লোক পেলো বিনামূল্যে চিকিৎসা সু-বিধা

    চার শতাধিক লোক পেলো বিনামূল্যে চিকিৎসা সু-বিধা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা যুবদল ও পৌর যুবদলের আয়োজনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নলছিটি পাবলিক লাইব্রেরি সম্মুখে দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা জেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম তুহিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান খান, যুবদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন শাহীন এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম লাভলু,যুগ আহ্বায়ক জিয়াউল কবির মিঠু, যুগ্ম আহবায়ক রেজোয়ান উল হক,নলছিটি পৌর যুবদলের আহবায়ক রুস্তুম শরিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বশির তালুকদার,যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রাজীব, সোহাগ মুন্সি, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন প্রমুখ।

    এসময় তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে আজকে এ আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি জনগণের দল তারা জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিল এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। শুধু মেডিকেল ক্যাম্পেইন নয় যে কোন মানবিক কাজে যুবদলের অংশগ্রহণ থাকবে।

    চিকিৎসা সেবা পাওয়া ব্যক্তিরা তাদের এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন রাজনীতি মানুষের কল্যানের জন্য। তাদের এই ধরনের মহতি কাজ চলমান থাকুক সেই দোয়া রইলো।

    এসময় দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ডা: সুব্রত দাস সাথে ছিলেন উপসহকারী কমিউনিটি ক্লিনিক অফিসার ডা: আশিষ মন্ডল।

  • সিরাজগঞ্জ কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃ-ত্যু

    সিরাজগঞ্জ কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃ-ত্যু

    অভিজিৎ কুমার দাস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহমদ মোস্তফা খান বাচ্চু (৮০) মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার এ.এস.এম. কামরুল হুদা

    জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি এনায়েতপুর দরবার শরীফ এলাকার বাসিন্দা এবং একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের (নিষিদ্ধ দল) বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন।

    সিরাজগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার এস. এম. কামরুজ্জামান বলেন, তিনি গত ২৪ এপ্রিল থেকে কারাগারে ছিলেন। এনায়েতপুর থানায় হামলা ও ১৫ পুলিশ সদস্য হত্যা মামলাসহ চারটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে পরিকল্পিত অ-পপ্রচার

    ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে পরিকল্পিত অ-পপ্রচার

    স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ।
    ময়মনসিংহে মসজিদ-মাদ্রাসার ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে বড় মসজিদ জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) মাদরাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্ষমতার অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চরম আকার ধারণ করছে। দুপক্ষের প্রথম পক্ষের একাংশ ময়মনসিংহ বড় মসজিদের ঈমাম মাওলানা আব্দুল হক তার একনায়কতন্ত্র কায়েম করতে মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তারা মেয়ের জামাতাদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন অপর পক্ষ মুফতি শহীদ তার অবস্থান শক্ত করতে তার নিজস্ব আত্মীয় স্বজনদের নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এনিয়ে গত প্রায় ১বছর যাবৎ নিয়ে দুপক্ষের মাঝে তুমুল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় ময়মনসিংহে অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ময়মনসিংহের মানবিক ও দক্ষ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম তাদের আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে মাওলানা আব্দুল হক এর মেয়ের জামাতা
    মুফতি মোফাজ্জল হককে শিক্ষক পদ থেকে বহিষ্কার করেন এবং মুফতি সারোয়ার হোসেনকে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ ও পরিচালনা কমিটি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে সরিয়ে দেয়া হয় একই সাথে
    অনৈতিক ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসা শিক্ষক আজিজুল হককে সর্ব সম্মতিতে আবারও পুনর্বহাল করেন। এনিয়েই জেলা প্রশাসকের সাথে শত্রুতা শুরু হয় মাওলানা আব্দুল হক গ্রুপের।

    এনিয়ে গত জুলাই মাসে বড় মসজিদের ঈমাম মাওলানা আব্দুল হক এর ইন্ধনে ২৬ জুলাই শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা নগরীর জামিয়া ফয়জুর রহমার রহ: বড় মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা শহরের পাটগুদাম থেকে কাচারি সড়কে অবস্থান নিয়ে এই বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নাজুক আকার ধারণ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহীনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার জেড় ধরে কয়েকমাস ফের ২৭ অক্টোবর রাতে বড় মসজিদ-মাদ্রাসা পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠে।যার নেপথ্যে রয়েছে মাওলানা আব্দুল হক। এবার ছাত্ররা তার ইন্ধনে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের অপসারণসহ ৫ দফা দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে।তবে বিষয়টি ময়মনসিংহের অনেকে ভালোভাবে নিচ্ছেনা। আলোচনা-সমালোচনা চলছে বড় মসজিদের ঈমাম সাহেবের একনায়ক তন্ত্র রাজত্বের বলি হিসাবে ভালো একজন জেলা প্রশাসককের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে অস্থিরতা সৃষ্টিতে কোন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্র জড়িত থাকতে পারে এমনটাই মনে করছেন ময়মনসিংহের সচেতন মহল।

    অন্যদিকে ঘটনাবলিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহঃ) মাদরাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী দ্বন্দ্ব নিরসনে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম নিজ উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা সভা আয়োজন করেন। সভায় উভয় পক্ষের প্রতিনিধি, ইসলামি আলেম ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা গঠিত হলে সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং হাসিমুখে সভা শেষ হয়।

    তবে সভা শেষে একপক্ষের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও তাদের সহযোগী চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করতে শুরু করে। অভিযোগ উঠেছে—গোষ্ঠীগত স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে তারা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। অথচ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মহল এসব নিরপেক্ষ অবস্থানকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড শুধু প্রশাসনকেই বিব্রত করছে না, বরং শান্তি ও শৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্ট করে সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। তারা মন্তব্য করেন, “নিরপেক্ষ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মানে রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল করার প্রচেষ্টা।”

    এদিকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জানিয়েছে, অপপ্রচারের বিষয়টি নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে আইনগত পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে— বিভ্রান্ত না হয়ে যাচাইকৃত ও প্রামাণ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য।

  • মোরেলগঞ্জে জামায়াতের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে শহী-দদের প্রতি শ্রদ্ধা ও র-ক্তপাতের প্রতি-বাদ

    মোরেলগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে শহী-দদের প্রতি শ্রদ্ধা ও র-ক্তপাতের প্রতি-বাদ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, মোড়েলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে ভয়াল ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে শহীদদের স্মরণে ও রক্তপাতের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে মোড়েলগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাপুডিয়াপট্রি চত্বরে সমাবেশে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন বাগেরহাট -৩ আসনের গণমানুষের নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, উপজেলা আমির মাওলানা শাহাদাত হোসেন নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান, পৌর সভাপতি মাস্টার রফিকুল ইসলাম পৌর সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আলামিন হাওলাদার সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, “২৮ অক্টোবরের ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

    বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

  • চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে সংঘটিত পল্টন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ ও খুনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২৫) বিকেল সাড়ে ৪ টায় চারঘাট মডেল মসজিদ থেকে চারঘাট বাজার হয়ে চারঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনতার স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণে এই ঐতিহাসিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সফল ভাবে শেষ হয়।

    চারঘাট উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা শাখার সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওঃ মোঃ শফিকুল, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ শোয়েব আলী, রাজশাহী জেলা পূর শিবিরের সভাপতি মোঃ রুবেল আলী, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চারঘাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ তরিকুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা শিবিরের সভাপতি নাহিদ হাসান শুভ।

    আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ শেরে আলম সহ উপজেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহের আমীর, সভাপতি ও সেক্রেটারি গণ সহ উপজেলা জামায়াত ও শিবিরের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনতা।

    উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ বলেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের লগি-বৈঠার তান্ডবে প্রিয় মাতৃভূমি রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাসের সেই বর্বরতম অধ্যায়কে বর্তমান প্রজন্ম মনে রেখেছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে পল্টন হত্যাকান্ডে জড়িত সকল খুনি ও সন্ত্রাসীদের বিচার করুন। তিনি বলেন, ইসলামের দুশমনরা মাসুম, শিপন, মুজাহিদদের হত্যা করে ইসলামী আন্দোলনের কাজকে বন্ধ করে রাখতে পারেনি। ওরা নেই, আরো মুজাহিদ এগিয়ে আসছে ওদের শূন্যস্থান দখল করার জন্য। আল্লাহর পথে বাধা দিতে গিয়ে তারাই ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে ফেরাউন ও নমরুদের মতো। এর বাস্তব প্রমাণ হলো ৩৬ শে জুলাই বিপ্লব।

    যা ছাত্ররা প্রতিবাদ করে এবং তা গণবিপ্লবে রূপ নেই। আগামীতে আর যেনো কোন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরচার না আসতে পারে এজন্য আগামীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত, চৌদ্দ দল নিষিদ্ধ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী, বিগত ফ্যাসিষ্টদের বিচার নিশ্চিত করা সহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

    সম্মানিত প্রধান অতিথি ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের সকল শহীদ, পঙ্গুত্ব বরণকারীর জন্যে দোয়া করার পাশাপাশি জুলাই-আগষ্টের শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের চেতনা বুকে লালন করে দেশের স্বাধীনতা ও সারভৌমত্ব রক্ষায় আগামী দিনে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সকলের জন্য মহান রবের নিকট কল্যান কামনা করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।

  • পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ  মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়ায় জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল বিচার দাবি ও স্মরণ স-ভা অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়া,( রাজশাহী)  প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল, বিচার দাবি, ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৪:৩০ মিনিটে পুঠিয়া পিএন স্কুল মাঠে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে জামায়াত নেতা-কর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার দাবি এবং শহীদদের স্মরণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    পুঠিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মন্জুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নুরুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমদূল্লাহ রাজশাহী জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ হাফিজুর রহমান উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা শহীদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারী জেনারেল মুনসুর রহমান মুন্টু এবং ইউনিয়ন আমীরগণসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশে প্রধান রাজশাহী জেলার সহকারী সেক্রেটারি ও পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “২০০৬ সালের এই দিনে পল্টনে যে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তার বিচার আজও হয়নি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি এবং সেই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।”

    পিএন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে ত্রিমোহনী মসজিদের সামনে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।#

     
    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী।