Category: দেশজুড়ে

  • সলঙ্গায় বিএনপি নেতা কর্তৃক প্রধান শিক্ষক লা-ঞ্ছিত : প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন

    সলঙ্গায় বিএনপি নেতা কর্তৃক প্রধান শিক্ষক লা-ঞ্ছিত : প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    বিএনপি নেতা কর্তৃক সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় উনুখাঁ পাগলাপীর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও শিক্ষকদের অপমানের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। মানববন্ধনে বিএনপি নেতার বিচার দাবী করেছে শিক্ষার্থীরা।আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

    স্থানীয়রা জানায়,উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা তৌহিদুর রহমান দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ে অতর্কিতভাবে ভাবে প্রবেশ করে সুদক্ষ ও প্রবীণ প্রধান শিক্ষক ইসমাঈল হোসেন তালুকদারের সঙ্গে অসদাচরনসহ অন্যান্য শিক্ষকদেরও অপমান করেন।এরই প্রতিবাদে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা তখনই ভুয়া ভুয়া বলে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করলে তাৎক্ষণিকভাবে চলে যেতে বাধ্য হয়।প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন তালুকদার একজন সুদক্ষ,প্রবীণ ও যোগ্য প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন। তাই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিএনপি নেতার এমন অসদাচারণ,খাম খেয়ালিপনার সু-বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
    প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মিন্টু আহমেদ,খায়রুল ইসলাম,রাশিদুল ইসলামসহ অনেকে।
    এছাড়াও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক,অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • চট্টগ্রামে এমপি পদপ্রার্থী জনাব শফিউল আলমের সমর্থনে উঠান বৈঠ-ক অনুষ্ঠিত

    চট্টগ্রামে এমপি পদপ্রার্থী জনাব শফিউল আলমের সমর্থনে উঠান বৈঠ-ক অনুষ্ঠিত

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার আওতাধীন দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি পদপ্রার্থী জনাব মোঃ শফিউল আলমের সমর্থনে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বন্দরটিলা কাঁচাবাজারের পেছনে আলিশা নগর এলাকায়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দারুস সালাম ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি জনাব সাইফুল ইসলাম।

    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইপিজেড থানা জামায়াতে ইসলামী’র সংগ্রামী আমীর জনাব আবুল মোকাররম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ সাহেদ।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দারুস সালাম ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ মিজান খান, যুব ওয়ার্ড সভাপতি আনিসুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার শাহিন,সহ বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার বিপুল সংখ্যক জনগণ।

    প্রধান অতিথি জনাব আবুল মোকাররম তাঁর বক্তব্যে বলেন—“দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে ইসলামী নেতৃত্বকে সামনে আনতে হবে। জামায়াতে ইসলামী সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করছে। আসন্ন নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী শফিউল আলম ভাইকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

    বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ সাহেদ বলেন—“আমরা পরিবর্তন চাই, কিন্তু সে পরিবর্তন আসবে ইসলাম ও সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য আমাদের আরও বেশি জনসংযোগ ও সেবামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।”

    ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ মিজান খান বলেন— “দারুস সালাম ওয়ার্ডের প্রতিটি দায়িত্বশীল মাঠে থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণকে ইসলামী প্রার্থীর পক্ষে উদ্বুদ্ধ করব।”

    যুব ওয়ার্ড সভাপতি আনিসুর রহমান বলেন—“যুব সমাজই পরিবর্তনের চালিকা শক্তি। আমরা তরুণরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আমাদের প্রার্থী শফিউল আলম ভাইয়ের বিজয় নিশ্চিত করব।”

    শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার শাহিন বলেন— “শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় ইসলামী নেতৃত্ব অপরিহার্য। আমরা মাঠে থেকে শ্রমিকদের সংগঠিত করব, যাতে ভোটের মাধ্যমে প্রকৃত পরিবর্তন আনা যায়।”

    বক্তারা এককণ্ঠে আহ্বান জানান— “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়নিষ্ঠ নেতৃত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনাব শফিউল আলমকে বিজয়ী করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

    শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে নির্বাচনী উদ্দীপনা ও ঐক্যের চেতনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উঠান বৈঠকটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত গণসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জমিদারবৃন্দ, দায়িত্বপ্রাপ্ত,ব্যবসায়ী, শ্রমিক, যুবসমাজসহ সর্বস্তরের জনগণ। বক্তাদের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয়।

  • সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বীজ ও সার বি-তরণ

    সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বীজ ও সার বি-তরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, শীতকারনি পেঁয়াজ, মসুর, খেসারী ও অড়হড় ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক ও কৃষাণীদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় এ বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ জাহিদ হোসেন । অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এই প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ২৫০০ জন কৃষক-কৃষাণীকে গম বীজ , ৩১০০ জন কৃষক-কৃষাণীকে সরিষা, ৩০ জনকে সূর্যমুখী, ২৫০ জনকে চিনাবাদাম, ১০০০জনকে পেঁয়াজ বীজ, ৪০০ জনকে মসুর বীজ, ২০০জনকে খেসারী বীজ ও ২০জনকে অড়হড় বীজ সহ উপজেলার সর্বমোট ৭৫০০জন কৃষক-কৃষাণীকে এ বীজ বিতরণের পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত সার বিতরণ করা হয়।

    সুজানগর পাবনা প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ীতে প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের  সহকারী অধ্যাপক  মেরিনার  বিদা-য়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মেরিনার বিদা-য়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহী মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজে আজ ৩০ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার
    সকাল ১০ টায় সমাজকর্ম বিভাগের স্বনামধন্য সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান জ মেরিনা বেগমের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত ) মোঃ জামিউল আরিফ
    ​সভাপতিত্বে ​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি এহসানুল কবির

    সম্মান জানাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বনামধন্য শিক্ষাবিদগণ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, প্রফেসর ড. জোবাইদা আয়েশা সিদ্দিকা ,
    রাজশাহী কলেজের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, (সমাজকর্ম), প্রফেসর ড. সেলিম রেজা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের
    প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ,
    রাজশাহী কলেজের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান, সমাজকর্ম, প্রফেসর বেগম রোকেয়া প্রমূখ।

    জানা গেছে বিদায়ী মেরিনা বেগমের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ যাঁরা ছিলেন ব্যক্তিগত জীবনে সহপাঠী, বন্ধু ও ক্লাসমেট ছিলেন।
    অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজের প্রভাষক মেহেদী মনজুর।

    ​ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ বিদায়ী অধ্যাপক সম্পর্কে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন, কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগ সহকারী অধ্যাপক ড. উম্মে নাহার, সহকারী অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত,
    মোঃ আসাদুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ এখলাসুর রহমান: , হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।

    ​কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মোঃ আনোয়ারুল করিমের
    সঞ্চালনায় বক্তরা বলেন,​প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বনামধন্য সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান জনাব মেরিনা বেগম — যিনি তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা ও অনন্য কর্মদক্ষতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানে সর্বদা জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। মেরিনা বেগম ১ নভেম্বর, ১৯৬৫ সালে রাজশাহী মিশন হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন শ্রদ্ধেয় পিতা মোঃ মুসলেম উদ্দিন ও মাতা জেবুন নাহার বেগমের ঘর আলো করা কনিষ্ঠতম সন্তান।

    জন্মলগ্ন থেকেই অসম্ভব মেধার অধিকারী মেরিনা বেগমের শিক্ষাজীবনের শুরু রাজশাহীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ সরকারি পিএন গার্লস হাইস্কুলে। সেখান থেকে ১৯৮০ সালে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করে তিনি ভর্তি হন বাংলাদেশের সেরা শিক্ষাঙ্গনগুলির অন্যতম রাজশাহী কলেজে। রাজশাহী কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে এইচএসসি-তে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগে ভর্তি হয়ে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

    ​তাঁর কর্মজীবনের শুরু ১৯৯৩ সালে প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজে সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক হিসেবে। দীর্ঘ পথচলায় ২০১৭ সালে তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান এবং যোগদানের পর থেকে তিনি একই বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বকালে তিনি স্বীয় নিষ্ঠা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সমাজকর্ম বিভাগকে কলেজের অন্যতম সেরা বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

    শিক্ষার্থীদের মাঝে কেবল গতানুগতিক একাডেমিক জ্ঞান নয়, তিনি সর্বদা বাস্তব সমাজসম্পর্কিত গভীর জ্ঞান সঞ্চারিত করেছেন। ব্যক্তি, দল ও সমষ্টি পর্যায়ে সমাজকর্মের জ্ঞানকে কিভাবে কাজে লাগিয়ে কার্যকরভাবে সমস্যা সমাধান করা যায়, সেই মূল্যবান দীক্ষা তিনি নিরন্তর প্রদান করে গেছেন।

    ​পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতে ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ। রাজশাহী শহরের ‘সুরবাণী সঙ্গীত বিদ্যালয়ে’ তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নেন। প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানে তাঁর সুরময় কণ্ঠের গানে মুগ্ধ হতেন সকলে।

    ​ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯০ সালে তিনি ইকবাল আহমেদুল কবিরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং বর্তমানে তিনি দুই মেধাবী কন্যা সন্তানের জননী। মায়ের পথ অনুসরণ করে তাঁর বড় মেয়ে মনিকা কবির রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে বিএসসি ও এমএসসি সম্পন্ন করে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন এবং বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার মারডগ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণারত আছেন। তাঁর ছোট মেয়ে আনিকা কবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে মার্কেটিং বিভাগ থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেছেন।

    প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে আমরা এই গুণী শিক্ষাবিদের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করা হয়। তাঁর কর্মময় জীবনের মতো প্রাজ্ঞ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক তাঁর অবসর জীবনও, আপনার প্রতি রইল প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা, বিদায়ী সংবর্ধনা ও অজস্র শুভকামনা করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঝিনাইদহে হাত পা ও গ-লায় দড়ি বা-ধা লা-শ উদ্ধার

    ঝিনাইদহে হাত পা ও গ-লায় দড়ি বা-ধা লা-শ উদ্ধার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    ঝিনাইদহে রাঙ্গীয়ার পোতা গ্রামের ইসহাক আলী (৭০) নামে এক কৃষক খুন হয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। আজ সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের মাঠ তার হাত পা ও গলায় দড়ি বাধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ইসহাক আলী রাঙ্গিয়ার পোতা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।গ্রামবাসী আ: হাকিম জানান, সকালে বাড়ির পাশে ঠাকুর খাল নামক স্থানে একটি ধান ক্ষেতে ইসহাক আলীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে কৃষকরা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। আব্দুল হাকিম জানান, নিহত রুস্তম আলী নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানান। ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আনিছুর রহমান বলেন, পা বেধে গলায় ফাঁস দিয়ে ইসহাক আলীকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ ঘাতকদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ঝিনাইদহ থেকে সিআইডি ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • জন্মমৃ-ত্যু নিবন্ধনে পুরস্কৃত হয়েছেন দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

    জন্মমৃ-ত্যু নিবন্ধনে পুরস্কৃত হয়েছেন দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদরে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রদান কার্যক্রমে লক্ষমাত্রার শর্ত পুরণের সফল হওয়ায় সন্মাননা পুরষ্কার পেয়েছেন উপজেলার ১০ নং দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। মঙ্গলবার উপজেলা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন টাস্কফোর্স কমিটির সভায় ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সালমা আক্তারের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স ।

    এ বিষয়ে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার ও ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক মেহেদী হাসান জানান,- ময়মনসিংহ সদর উপজেলায়
    জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে সবার সেরা জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমের এই অর্জন সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত ও ঐক্যান্তিক প্রচেষ্টার ফল। আমরা সবসময় মানুষের দৌরগোড়ায় সরকারী সেবা সমূহ সহজ ভাবে পৌছে দিতে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।

    ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সালমা আক্তার জানান- জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দাপুনিয়া ইউনিয়নকে প্রতিমাসে ০ _০১ বছরের৮৫টা জন্ম নিবন্ধন ও০_০১ বছরের ২৫টা মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ মাত্রা দেওয়া হয়েছিলো। জন্ম মৃত্যু নিবন্ধনে ইউনিয়ন ভিত্তিক বরাদ্দকৃত সরকারের টার্গেট পূরণ করায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক পুরস্কৃত হন দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। এটা আসলে ইউনিয়নের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, গ্রাম পুলিশ বাহিনী, উদ্যোক্তা সহ সকলের প্রচেষ্টা ও সহযোগীতায় সম্ভব হয়েছে। এই স্বীকৃতি আমাদের আগামী দিনে আরও ভালোভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আগামীতেও এর ধারা অব্যহত থাকবে বলে জানান তিনি।

    উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধনে সফল হওয়ার এই সাফল্য অর্জন করে ইউনিয়ন বাসীকে গৌরবান্বিত করায় দক্ষ ও মেধাবী প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

  • ময়মনসিংহ সদরে ২৮৯তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরি-য়েন্টেশন কোর্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহ সদরে ২৮৯তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরি-য়েন্টেশন কোর্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদরে ২৮৯তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০অক্টোবর) বাংলাদেশ স্কাউটস ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ব্যবস্থাপনায় উপজেলা পরিষদের ব্রহ্মপুত্র হলরুমে এই ওরিয়েন্টেশন কোর্স
    প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫২ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহণ করেন। এই কোর্সের লক্ষ্য ছিল নতুন রোভার স্কাউট লিডার তৈরি করা, যারা ভবিষ্যতে স্কাউটিংয়ের চেতনা ও মূল্যবোধকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

    কোর্সের উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, “স্কাউটিং কেবল একটি আন্দোলন নয়; এটি তরুণ প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার অন্যতম মাধ্যম। নতুন রোভার স্কাউটদের নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম।” তিনি স্কাউটিংয়ের আদর্শ ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের দেশের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার আহ্বান জানান। এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি সৈয়দা তামান্না হুরায়রা,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও বাংলাদেশ স্কাউটস ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শাখার সহ সভাপতি নারায়ন চন্দ্র দাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    বাংলাদেশ স্কাউট ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সম্পাদক ও কাউনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা স্কাউটিংয়ের মূলনীতি, নেতৃত্বের গুণাবলি, এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিশেষ দিকনির্দেশনা লাভ করেন। কোর্স লিডার হিসেবে তিনি তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান দিয়ে রোভার স্কাউটদের স্কাউটিংয়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে পুরো প্রশিক্ষণটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য শিক্ষণীয় ও অনুপ্রেরণামূলক হয়ে ওঠে।

    কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন বলেন, “স্কাউটিং আমাদের শিখায় কীভাবে সমাজের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে হয় এবং কীভাবে সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হয়। এ ধরনের প্রশিক্ষণ তরুণদের নেতৃত্বে দক্ষ করে তোলে এবং দেশের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম করে।” তিনি অংশগ্রহণকারীদের স্কাউটিংয়ের মূল আদর্শকে সামনে রেখে নিজেদের উন্নয়নে এবং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে উৎসাহিত করেন।

    এই ওরিয়েন্টেশন কোর্সের অন্যতম লক্ষ্য ছিল স্কাউট সদস্যদের মাঝে নেতৃত্ব গুণাবলি তৈরি এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শৃঙ্খলা, আত্মনির্ভরশীলতা এবং নৈতিক গুণাবলির বিকাশ ঘটানো হয়। প্রশিক্ষণে স্কাউটিংয়ের আদর্শ ও কার্যক্রমের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করেছেন। এই কোর্সটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে, যা তাদের নেতৃত্বের গুণাবলিকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং আগামীতে দক্ষ রোভার স্কাউট লিডার হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

    প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ৫২জন রোভার স্কাউট সদস্যরা কোর্স শেষে প্রশংসাপত্র লাভ করেন এবং স্কাউটিংয়ের আদর্শকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।

    সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষক ১০৩ নং দিঘারকান্দা-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা বেগম এলটি,ইউনিট লিডার জারিফ মেমোরিয়াল স্কুলের শিক্ষক স্কাউটার মোহাম্মদ আব্দুস সালাম এলটি,বাংলাদেশ স্কাউট ময়মনসিংহ অঞ্চলের সম্পাদক হাসান মাসুদ এলটি,দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক স্কাউটার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এলটি সহ অন্যান্য অতিথিরা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন এবং উপস্থিত সবার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

  • চারঘাটে রাতের আঁধারে আম গাছ কে-টে ফেললো দু-র্বৃত্তরা

    চারঘাটে রাতের আঁধারে আম গাছ কে-টে ফেললো দু-র্বৃত্তরা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় রাতের আঁধারে সাতটি আম্রপালি আম গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী বাগান মালিক সুলতান মাহমুদ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার চককৃষ্ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, অনেক স্বপ্ন নিয়ে আম্রপালি জাতের বাগান করেছিলেন সুলতান মাহমুদ। চককৃষ্ণপুর মৌজার ৫৮২ নং দাগের জমিতে ৭২টি আমগাছ রয়েছে। ২৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ৭টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সকালে জমি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি গাছগুলো কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

    সুলতান মাহমুদ জানান, স্থানীয় হওয়ায় সকলের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। কারও সঙ্গে কোন পূর্বশত্রুতা বা খারাপ সম্পর্ক না থাকাই কাউকে সন্দেহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি অভিযোগ করে বলেন স্থানীয় কারো সহায়তা ছাড়া একসঙ্গে এতগুলো গাছ কেটে ফেলা কারও পক্ষে সম্ভব নয়।
    এর আগেও একই জমির কলা ও মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল। বার বার একই ঘটনা ঘটায় তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।।

  • ঘাটাইলে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালী অ-নুষ্ঠিত

    ঘাটাইলে জাকের পার্টির জনসভা ও র‍্যালী অ-নুষ্ঠিত

    ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    টাঙ্গাইলের জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা বাংলাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জনসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২৯অক্টোবর) বিকেল ৪ টায় উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়ন জাকের পার্টি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কুশারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সন্ধানপুর ইউনিয়ন জাকের পার্টির সভাপতি মোঃ মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন বক্তব্য রাখেন জাকের পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. সায়েম আমীর ফয়সাল।

    জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন,টাঙ্গাইল জেলা জাকের পার্টির সভাপতি ও টাঙ্গাইল ০৩ ঘাটাইল আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান অটল।

    জেলা জাকের পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান আতিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাকের পার্টির সহ সভাপতি মোঃ লুৎফর রহমান, জেলা জাকের পার্টির সহ সভাপতি এবং সড়ক পরিবহন ও শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ মনির হোসেন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল নওশের,জেলা যুব স্বেচ্ছাসেবক ফ্রন্টের সভাপতি শরিফুল ইসলাম খলিল,উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি মোঃ হোসেন আলী,জেলা জাকের পার্টি রন্দন ফন্টের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির,জেলা জাকের পার্টির ছাত্রী ফ্রন্টের সভাপতি সালেহা বেগম,জেলা বাস্তুহারা ফ্রন্টের সভাপতি মোঃ রিপণ মিয়া সহ জাকের পার্টির সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    জনসভা শেষে র‍্যালিটি কুশরিয়া বাজার চত্বর থেকে আরম্ভ হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরে বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।

  • পল্টন ট্রা-জেডির ঘটনায় জ-ড়িতদের শাস্তির দাবিতে সুজানগরে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল

    পল্টন ট্রা-জেডির ঘটনায় জ-ড়িতদের শাস্তির দাবিতে সুজানগরে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগর : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বইঠাধারী সন্ত্রাসীদের তাণ্ডব ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(২৯ অক্টোবর) বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়।
    পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ৬৯ পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কে,এম হেসাব উদ্দিন।অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিস শূরা সদস্য ডাঃ আব্দুল বাছেত, জেলা কর্ম পরিষদের সদস্য রেজাউল করিম, সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ফারুক-ই-আযম, উপজেলা জামায়াতেরসেক্রেটারী(ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক রাফি আহমেদ ফুল, বাংলাদেশ মসজিদ মিশন সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি ও বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মকবুল হোসেন বকুল মাস্টার, সুজানগর উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, বেড়া উপজেলা জামায়াত নেতা মোশারফ হোসেন, সুজানগর জামায়াত নেতা আমিনুল ইসলাম,কেরামত আলী,জেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কালাম আজাদ,সুজানগর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিন প্রমুখ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ৬৯ পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কে,এম হেসাব উদ্দিন বলেন, লগি বৈঠা দিয়ে আওয়ামী লীগ যে হত্যাকাণ্ড করেছিল তা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে সেই খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তারা সেদিন বাংলাদেশে হত্যার মহাউৎসব করেছিল। ১৬ বছর দেশ চালিয়ে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এদেশের জনগণ তাদের বিচার নিশ্চিত করবে। যে ছাত্রজনতা জীবন দিয়ে এদেশকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করেছে। আমরা তাদের সেই সম্মান ধরে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশআল্লাহ। এ সময় অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দঁাড়িপাল্লা মার্কা প্রতীকে সবাইকে ভোট দেবার আহ্বান জানান।
    জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিস শূরা সদস্য ডাঃ আব্দুল বাছেত তার বক্তব্যে বলেন,শেখ হাসিনার নির্দেশে সেদিন লগি বৈঠা দিয়ে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করা হয়। তারা সেদিন হত্যা করে লাশের ওপর নৃত্য করেছিলো। তাই ২৮ অক্টোবরের সেই খুনিদের বিচার করতে হবে।