Category: দেশজুড়ে

  • গোদাগাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের আন্তঃস্কুল বি-র্তক প্র-তিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের আন্তঃস্কুল বি-র্তক প্র-তিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা -২০২৫ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে নিয়ে আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ৭ টি সাব জোন ভিত্তিক এ প্রতিযোগিতা শিক্ষকবৃন্দের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    ভ্যানু গুলি হচ্ছে আফজি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, চব্বিশনগর স্কুল এন্ড কলেজ
    কাকনহাট উচ্চ বিদ্যালয় বিশ্বনাথপুর স্কুল এন্ড কলেজ, পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়
    রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ ও বক্তৃতা দক্ষতা বৃদ্ধি করা। তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশ করা।
    গঠনমূলক চিন্তা ও সহিষ্ণু মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তঃস্কুল বির্তক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
    আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাব জোন ভিক্তিক বির্তক প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার এ জোন ভিক্তক অংশ গ্রহনকারী দল গুলি হচ্ছে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মহিশালবাড়ী আল ইসলা ইসলামিী একাডেমি, গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজ, সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়, চম্পক নগর উচ্চ বিদ্যালয়, আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিয়ার মানিক চক নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ গ্রুপে প্রথম পর্বে আফজি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বির্তক করে এতে সুলতানগজ্ঞ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে জয়লাভ করে দ্বিতীয় পর্যায়ে অবস্থান করে নেন। বি গ্রুপে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে বির্তক করে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা শিক্ষার্থীর জয় লাভ করে। সি গ্রুপে গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা চম্পকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরাজিত করে দ্বিতীয় পর্বে উঠার গৌরব আর্জন করে। ডি গ্রুপে মানিক চক নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনু উপস্থিত থাকায় আল ইসলা ইসলামী একাডেমির শিক্ষর্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় পর্বে উঠে যায়।
    দ্বিতীয় পর্বে গোদাগাড়ী সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পরাজিত করে সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জয়লাভ করে তৃতীয় পর্বে স্থান করে নেয়।
    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আল ইসলা ইসলামী একাডেমির শিক্ষাথীরাদের পরাজিত করে জোনে চূড়ান্ত পর্বে অংশ গ্রহনের যোগ্যতা অর্জন করেন।
    সাব জোনের চূড়ান্ত পর্বে সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরাজিত করে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা জয়লাভ জোন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন করে। শ্রেষ্ট বক্তা নির্বাচিত হন মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সানজিদা খাতুন। এদিকে গোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ সাব জোনে গোগ্রাম স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
    এ সাব জোনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ ইসলাম প্রিয়াস। বিচারক গোদাগাড়ী সরকারী কলেজের প্রভাষক মোঃ সুলতান উদ্দিন, একই কলেজের প্রভাষক শিমুল প্রতীম মজুমদার এবং গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো তফিকুল ইসলাম মিলন, মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী, ফলাফল প্রস্তুুত কারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমোতারা খাতুন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সু-দ ব্যবসায়ী আইনজীবির করা হয়রানি মুলক ১৫ মামলার গ্যা-রাকলে ঐশী পরিবার

    সু-দ ব্যবসায়ী আইনজীবির করা হয়রানি মুলক ১৫ মামলার গ্যা-রাকলে ঐশী পরিবার

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    সুদ ব্যবসায়ী আইনজীবী মোহাম্মদ আলীর মিথ্যা ও হয়রানী মূলক ১৫টি মামলার গ্যারাকলে নিঃস্ব প্রায় অসহায় ব্যবসায়ী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী, কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিকার প্রার্থণা জানিয়েছেন। দেশে মহাজনি সুদ ব্যবসায়ীদের একসময়ের সেই দৌড়াত্ব্য আগের মতো আর দেখা না গেলেও এখনও নির্ভৃতে অনেকেই উচ্চসুদের ব্যবসা গোপনে করে যাচ্ছেন। যার শিকার হয় অভাবগ্রস্ত কিংবা অসহায় মানুষ। সমাজে এরা নানা ডিগ্রীধারী সজ্জন বলে পরিচিত হলেও এসব সুদ ব্যবসায়ীদের চক্রে পড়ে নি:স্ব হাজারো মানুষ। সুদ সহ আসল টাকা নেয়ার পরেও কাগজপত্রের গ্যারাকলে ফেলে সর্বসান্ত করে দেয় গ্রহীতাদের ।

    এমনই একজন সুদ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী। তিনি আবার একজন আইনজীবিও বটে। নাম মোহাম্মদ আলী, রাজধানীর মুগদা থানাধীন পূর্ব মানিকনগর এলাকায় বসবাস করলেও তার বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন কাজলা তালাইমারী এলাকায় । তার পিতা মৃত রেফাউর রহমান।

    অভিযোগকারী ও ডকুমেন্টস সুত্রে জানা যায়, একটি মাধ্যমে পরিচিত হয়ে রাজধানীর বাড্ডার মধ্যবাড্ডা লিংক রোড এলাকার বাসিন্দা মৃত ওয়াজেদ আলীর মেয়ে নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী বিভিন্ন সময় চেক ও ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের বিনিময়ে সুদের উপর ২৪,৫০,০০০/- চব্বিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী তার সমুদয় পাওনা সুদসহ পরিশোধ করেন। আসল সহ সুদের টাকা পরিশোধ করা হলে নাফিছার দেয়া চেক ও ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র গুলি ফেরত চাইলে মোহাম্মদ আলী ডকুমেন্টসগুলি ফেরত না দিয়ে অভিযোগকারী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীরের নিকট হতে আরও ত্রিশ লক্ষ টাকা দাবী করে। এ সময় নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীর তার দাবী মতো টাকা দিতে রাজী না হলে এবং চুক্তিপত্র ও চেক ফেরত চাইলে সে ভিন্ন ভিন্ন জেলা হতে কাল্পনিক ঠিকানা ব্যবহার করে ও নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পগুলি জাল করে ভুক্তভোগী আসিফ আলমগীর তার স্ত্রী, মা, ভাড়াটিয়া, শ্বাশুরী এমনকি তার নিযুক্ত আইনজীবির নামেও মিথ্যা ও হয়রানীমূলক ১৪টি মামলা দায়ের করে।

    মামলাগুলি হলো রাজধানীর বাড্ডা থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৩৩৭/২০২৫, সাভার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১৩৯৪/২০২৫, আশুলিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২১৩/২০২৫, সাভার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১০৪২/২০২৫, মতিঝিল থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২৬৩/২০২৫, কদমতলী থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৬৪০/২০২৫, বাড্ডা থানার পিটিশন মামলা নং ১৫০পি/২০২৫, রাজশাহী জেলার শাহ মখদুম থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিআর মামলা নং ১৪৯/২০২৫, মতিহার থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ১২৬/২০২৫, বোয়ালিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৯৩৯/২০২৫, বোয়ালিয়া থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সি আর মামলা নং ৯৯০/২০২৫, মতিহার থানার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (১) আদালতের পিটিশন মামলা নং ৭০৬পি/ ২০২৫। এছাড়াও খুলনা জেলার খুলনা থানার আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিআর মামলা নং ৮৭৯/২০২৫, একই আদালতের সি আর মামলা নং ৮৮০/২০২৫।

    এ বিষয় সুদ ব্যবসায়ী আইনজীবীর গ্যারাকলে পড়া ভুক্তোভোগী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ সাংবাদিকদের বলেন, আমি এক সময় মোবাইলের খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। আমি সুদের উপর টাকা নিয়েছি সত্য এবং তাকে সুদ সহ নিয়মিত সিংহভাগ টাকা পরিশোধও করেছি। তিনি জানান, তিনি ফ্ল্যাট বন্ধক , গরু বিক্রয়সহ বিভিন্ন বাবদ মাসিক ৫০ হাজার পাঁচশত টাকা সুদের বিনিময়ে ২৪ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছেন । এর বিপরীতেই তিনি টাকাসুদ সহ পরিশোধ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে তার নিকট পরিশোধকৃত টাকার বিনিময়ে তার নিকট প্রদানকৃত চেক ও ষ্ট্যাম্প ফেরত চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং চক্রবৃদ্ধিহারে আরও অধিক টাকা দাবী করেন। সেটার প্রতিবাদ করলে তিনি বিভিন্ন বিজ্ঞ আদালতে আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানী মূলক মামলাগুলি দায়ের করেন।

    তিনি যেহেতু একজন আইনজীবি তাই বিজ্ঞ আদালতে মামলাগুলি দায়ের করলে এক্সটা সুবিধা পেয়েছেন এবং আদালত মামলাগুলি গ্রহন করেছেন। প্রতিটি মামলায় সমন পেয়ে বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দিলে আদালত উভয় পক্ষের কাগজপত্র ও বক্তব্য শুনে জামিনও দিয়েছেন। তবুও যেন থামছেনা মোহাম্মদ আলীর আক্রোশ। শুনছি তিনি আমাকে ও আমার পরিবার, আইনজীবি ও যেই আমাকে সহযোগীতা করবে তার বিরুদ্ধেও কাল্পনিক ঘটনা সৃষ্টি করে মামলা দায়ের করবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন। সরাসরি দাবী না করলেও তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন যে, তিনি মূলত: শ্বশুরবাড়ি সুত্রে প্রাপ্ত আমার ফ্ল্যাট ও গাড়ি দখলের বাসনা করছেন। যে কারন মামলা করেছেন ও আরও করবেন।

    টাকা পয়সা সুদের উপর গ্রহনের যেহেতু সকল ডকুমেন্টস বিদ্যমান এবং লেনদেনেরও যথোপযুক্ত ডকুমেন্টস রয়েছে সেহেতু ডকুমেন্টস অনুযায়ী ভুক্তভোগী আসিফ তার প্রদানকৃত চেক ও ষ্ট্যাম্প ফেরত প্রদান সাপেক্ষে বাকী টাকা প্রদানের প্রস্তাবে বারবার রাজী হলেও মোহাম্মদ আলী তার ডাকে সারা না দিয়ে তিনি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময় মেসেজ দিয়েছেন যে, তাকে মতিঝিলে একা আসতে হবে, আরও ব্ল্যাংক চেক দিতে হবে এবং বিভিন্ন ভাবে তিনি হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন।

    মোহাম্মদআলীর গ্রামের বাড়ি ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য এবং তার গ্রামের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার জাতীয় শ্রমিক লীগের আইন ও দরকষাকষি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন এবং এ সংক্রান্ত একটি পোষ্টারও দেখা গেছে।

    আইনজীবি হিসেবে মোহাম্মদআলীর এহেন আচরনের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নাফিছা আঞ্জুমান ঐশী ও তার স্বামী আসিফ আলমগীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একটি অভিযোগপত্রও দাখিল করেছেন বলে জানান এবং সমুদয় কপি সাংবাদিকদের প্রদান করেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট মোহাম্মদ আলীর বিচার দাবী করেন

  • আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন লাউ ক্ষেত থেকে মোছাঃ তানজিনা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    সোমবার ৩ নভেম্বর সকালে আটোয়ারী ধামোর মধ্যপাড়া এ ঘটনাটি ঘটেছে।
    তিনি ধামোর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিনালের স্ত্রী বলে জানাযায।

    স্থানীয়ভাবে জানা যায়, তনজিনা আক্তারের ১ম স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রায় ১ মাস পূর্বে মিনালের সাথে তার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে গত ৪ দিন পূর্বে তাদের ডিভোর্স হয়। তার মারা যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আটোয়ারী থানা পুলিশ ময়না তদন্ত জন্যে মর্গে প্রেরন করেছে।

    এ বিষয়ে সোমবার ৩ নভেম্বর দুপরে
    আটোয়ারী থানায় ওসি রফিকুল ইসলাম সরকার জানান, আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

  • তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে মোঃ সিংহা নামে এক ২ বছরের ২ মাস শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের মাথাফাটা
    গ্রামে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, শিশু সিংহা মাথাফাটা গ্রামের সাইদুল হকের
    ছেলে। স্থানীয় জানান শিশুটির খেলা করার সময়ে বাড়ি থেকে কিছুদূরে থাকা একটি পুকুরে পড়ে যায় । এদিকে পরিবার লোকজন খুঁজতে থাকেন।
    বেশ কিছুক্ষণ পর পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখে। সেখান থেকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিকি হাসপাতালে ছুটে যান। এদিকে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত

    এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত শিশুটির
    মরদেহ তেতুলিয়া হাসপাতালে জরুরি বিভাগের আউটডোর মধ্যে পুলিশ হেফাজতে পড়ে রয়েছে।

  • নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি সংবাদদাতা : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের উদ্যোগে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার( ৩ নভেম্বর) এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শামসুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনিচুর রহমান হেলাল খান, ভলান্টিয়ার্স অব নলছিটির আহবায়ক শাহাদত আলম ফকির প্রমুখ।

    ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের দায়িত্ব পালন করেন ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও নলছিটি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ সহকারী কর্মকর্তা মো. অহিদুল ইসলাম।

    কুইজ প্রতিযোগিতায় অত্র বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত) মো. জয়নাল আবেদীন মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মো. নুর ই আলম। কুইজ প্রতিযোগিতার পরিচালনায় ছিলেন পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির আহমেদ।

  • কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের এক নেত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। দলীয় পদ ব্যবহার করে একের পর এক লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো, মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, মারধর ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযুক্ত নেত্রী হলেন কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক লাইজু বেগম। সে ফুকরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শওকত হোসেন সরদারের মেয়ে।

    লাইজু বেগমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে খোদ বিএনপি নেতাসহ শতাধিক ভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চান তারা সকলে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, মহিলা দল নেত্রী লাইজু একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করে ‘সুন্দরী চেহারার আড়ালে’ বিভিন্ন লোকজনকে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। দলের নাম ভাঙিয়ে লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার পেশায় পরিণত হয়েছে। তার কর্মকান্ডে গোটা ফুকরা ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ। এমনকি স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরাও তার হাত থেকে রক্ষা পাননি।

    স্থানীয় বিএনপি নেতা বদরুল আলম বলেন, ‘গত ১০ অক্টোবর লাইজু বেগমের আগের স্বামী লোহাগড়া উপজেলার চরদৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা আপেল মাহমুদ ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফুকরা বাসস্ট্যান্ডে আমার কাউন্টারে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় লাইজু অতর্কিকভাবে কাউন্টারে মধ্যে ঢুকে তার ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায় মারধর করতে উদ্যত হলে আমি বাধা দেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন থানায় গিয়ে আমার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করে। ১২ দিন পর একই ঘটনাস্থল দেখিয়ে আদালতে আমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। লাইজু এভাবে বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-অভিযোগ করে টাকার বিনিময় আপোষ করে। আমরা গ্রামবাসী এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চাই।

    ফুকরা গ্রামের ভ্যান চালক চঞ্চল মোল্যা বলেন, ‘দুই মাস আগে লাইজু ফুকরা বাজার থেকে একটি ওয়ারড্রব বাড়িতে পৌছে দিতে বলে। ভ্যান বাড়িতে না যাওয়ায় রাস্তা পর্যন্ত পৌছে দেই। আমাকে রাস্তা থেকে মাথায় করে নিয়ে পৌছে দিতে বলে। আমি অসুস্থতার কারণে ওয়ারড্রব বাড়ি পৌঁছে দিতে রাজি না হওয়ায় লাইজু নিজেই তা বহন করতে গিয়ে ভেঙে ফেলে। এরপর আমার কাছে ৪ হাজার টাকা দাবি করে এবং র‌্যাব-পুলিশের ভয় দেখা। একপর্যায়ে ‘গায়ে হাত দেওয়ার’ মিথ্যা অভিযোগ তুলে বলে, ‘টাকা দিবি না, তাহলে আমার গায়ে হাত দিলি কেন?’ অথচ সে আমার মেয়ের বয়সি। পরে মান-ইজ্জতের ভয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পাই।’

    ধলগ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদুল ইসলাম রানা বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে আমার মুঠোফোনে অজ্ঞাত নাম্বার থেকে কল করে লাইজু আমাকে বাজারে ডেকে নেয়। সেখানে আমার ওপর চড়াও হয় এবং আমার মোটর সাইলেলের চাবি কেড়ে নেয়। এক পর্যায় মামলার ভয় দেখায়। লাইজু একজন চরিত্রহীন নারী, লোকজনকে মামলা দিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। এই দুশ্চরিত্র নারীর হাত থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী। তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হোক।’

    ফুকরা বাজারের কম্পিউটার ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, ‘লোকজনকে বিপদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে আমার ধারণা সে মানসিকভাবে অসুস্থ। তার কর্মকান্ডে এলাকা ও দলের বদনাম হচ্ছে।’

    লিটন সরদার নামে এক যুবক বলেন, ‘লাইজু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেছে। সে এখন আপোষের কথা বলে লোক মারফতে মোটা অংকের টাকা দাবি করছে। টাকা দিলে সে মামলা প্রত্যাহার করবে। আমরা ফুকরা ইউনিয়নবাসী এই নারীর হাত থেকে বাঁচতে চাই।’

    এ সকল অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইজু বেগমের মুঠোফোনে ০১৭…৫৮৪ নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ বিষয় কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শিলা বেগম বলেন, ‘আমি একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো”।

  • রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল (৩য় তালা), চলন্ত সিঁড়ির পাশে কক্ষ নং ৩১১, জামগড়া, আশুলিয়া, ঢাকায় আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের স্থান পরিবর্তন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর ২০২৫ইং) বিকেলে বাদ আছর আশুলিয়ার জামগড়ায় রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর (৩য় তালায়) ৩১১ নং কক্ষে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবটির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে নতুন ঠিকানায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের আশুলিয়া থানা কমিটির ১ নং সহ-সভাপতি জনাব মোঃ বকুল ভুঁইয়া, তিনি বলেন, সাংবাদিকরা হলেন দেশ ও জাতির বিবেক, সাংবাদিকরা সমাজের আয়না, প্রতিদিন চলমান ঘটনা সত্যটা জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের কাজ, তবে চোখ কান খোলা রেখে সাবধানতা অবলম্বন করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। আপনাদের সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে আমি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আনন্দিত, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন সবসময় এরকম সামাজিক কাজে সবার সাথে থেকে মানুষের সেবামূলক কাজ করতে পারি।

    আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর সভাপতিত্বে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সকল সদস্য আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, আমাদের কারো সাথে কোনো বিবাদ নেই, আমরা সবার সাথে সমন্বয় করে চলি, তবে আমরা কারো সাথে লাগতে যাই না, তবে কেউ আমাদের সাথে লাগলে তাদেরকে ছাড় দিবো না। যারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা তাদের এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর সিকিউরিটি ইনচার্জ জামাল সাহেব. এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কহিরুল ইসলাম খাইরুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, এ ছাড়াও ঢাকার ডাক পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, দেশেরপত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার দাউদুল ইসলাম নয়ন, মোকাম্মেল মোল্লা সাগর, সৌরভসহ বিভিন্ন মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে জুলাই বিপ্লব জুলাই আগষ্টে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

  • সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্য বাহী মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসার উদ্দ্যোগে হিফজ ছাত্রদের সবক প্রদান উপলক্ষে ইসলাহী মাহফিল -২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। ২রা নভেম্বর রবিবার বিকেলে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব সোহরাব হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি হারুনুর রশিদের সার্বিক তত্বাবধানে আয়োজিত, মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে তাশরীফ পেশ করেন,লক্ষীপুর কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান, পীর সাহেব আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ।এসময় আরও গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন, ঢাকা কুরআনের ধ্বনি ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল,
    বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব,সেনবাগ জামেয়া ইব্রাহীমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা রহিমুল্লাহ বশিরী,
    লক্ষীপুর পোদ্দার বাজার
    মাদরাসাতুল আবরার প্রধান ক্বারী
    হাফেজ ক্বারী মাহফুজুর রহমানসহ দেশবরেণ্য অসংখ্য আলেম ওলামাগন।এসময় মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক জাফর উল্লাহ,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, ইন্জ্ঞিনিয়ার আজমত হোসেন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে হিফজ ও নাজেরা বিভাগের ৮ জন ছাত্রকে সবক প্রদান করা হয়।

  • সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    জি.এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ : 
    “সুশিক্ষা সুবিবেক গঠন করে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় গড়ে উঠেছে মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।সলঙ্গায় স্বনামধন্য সরকারি,বেসরকারি ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তাল মিলিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষার মান যথাযথ অটুট রেখে সুদক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা সুশীতল ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে শিক্ষাদান করে চলেছেন মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।কচি কন্ঠের শিক্ষা- সংস্কৃতির অন্যতম বিদ্যাপিঠ স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান একজন সুশিক্ষিত আলোকিত মানুষ।এলাকার অসচ্ছল, শ্রমজীবী,ব্যবসায়ী,চাকরিজীবিসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সন্তানদের মান সম্মত শিক্ষার জন্য অভিভাবকেরা  এই স্কুলে ভর্তি করে থাকেন।সলঙ্গার সচেতন মহলের সহযোগীতায় অধ্যক্ষের দৃঢ় মনোবল ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে আজ স্কুলটি সলঙ্গায় সুশিক্ষার শ্রেষ্ঠ বাতিঘর হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেছে।কিছুদিন ধরে স্থান পরিবর্তন করে ৪০০ গজ দক্ষিনে সলঙ্গা টু বড়গাছা মেইন রাস্তার সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বে নতুন ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে।কোলাহলমুক্ত,নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে বিশাল পরিসরে শিক্ষাবান্ধব নিজস্ব ভবনে পরিচালিত হচ্ছে স্কুলটির কার্যক্রম।সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত শতভাগ নিরাপত্তায় শত শত শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে বর্তমান পাঠদান।স্কুলটিতে রয়েছে শিক্ষার্থীদের শতভাগ ইউনিফর্ম,সুইমিং পুলসহ বিনোদনের সকল অবস্থাই রয়েছে।  

    স্কুলের স্মাট,মেধাবী ও পরিশ্রমী ২০ জন শিক্ষক/কর্মচারী তাদের দক্ষতা ও নিষ্ঠা দিয়ে স্কুলটির পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।এ কারণে স্কুলটিতে রয়েছে অভাবনীয় সাফল্য,সুনাম ছড়েছে শ্রেষ্ঠ  আলোকবর্তিকা হিসেবে।সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন,শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সৃজনশীলতা,বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, বিতর্ক,নৃত্য,আবৃত্তি,চিত্রাঙ্কন,সাধারন জ্ঞান প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় এ স্কুলে।শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর,মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে এই স্কুলটিতে।শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখে শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্কুলটিকে এগিয়ে নিতে কর্মরত সকল শিক্ষক/কর্মচারীদের সাথে নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল,নিবেদিত প্রাণ আন্তরিক অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি আরও সকলের সহযোগীতা ও পরামর্শ কামনা করেন।

  • তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গবাদিপশু খাদ্যর (খড়) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা নির্ভর করছে কচুরিপানা ও ঘাষের ওপর। তবে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে অকাল বন্য। গত ২৯ অক্টোবর বুধবার থেকে ৩১ শুক্রবার রাতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে, অকাল বন্য ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে,গোচারণভূমি ও ফসলের মাঠ ডুবে যাওয়ায় জমির আইল থেকে ঘাস কাটতে পারছে না।এতে গোখাদ্যর সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠেছে।
    স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বর্তমান সময় খড়ের কেজি ও আঁটির দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ কৃষকের পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। মেশিনে কাটা এক কেজি খড় বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। ফলে গরুর জন্য সহজলভ্য খাবার হিসেবে কচুরিপানা (দল) কেটে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে অকাল বন্যার কারণে সেটাও বন্ধের পথে।
    তানোরের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা মাঠ ও পুকুর-ডোবা থেকে কচুরিপানা (দল) সংগ্রহ করছেন। কেউ বাঁশ বা লাঠির সাহায্যে পানির ভেতর থেকে টেনে তুলছেন, আবার কেউ নৌকা ব্যবহার করছেন। কৃষকদের মতে, কচুরিপানা (দল) গরুর জন্য খুব একটা পুষ্টিকর খাবার নয়, তবে খড়ের চড়া দামের কারণে বিকল্প হিসেবে এটি একমাত্র ভরসা।
    স্থানীয় কৃষক আব্দুল ও আয়ুব বলেন, “আগে খড়ই ছিল গরুর প্রধান খাবার।কিন্ত্ত এখন ১৪ হাজার টাকা কাউন ও মেশিনে কাটা খড় ৩০ টাকা কেজি। এত দামে আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই কচুরিপানাই (দল) ভরসা।”
    কৃষকরা জানান, খড়ের সংকট অব্যাহত থাকলে গরু মোটাতাজাকরণ ও কৃষি কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা সরকারের কাছে খড়ের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং বিকল্প পশুখাদ্য সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হঠাৎ বন্যায় আধাপাকা
    আমণখেত পানির নিচে।আবার গো-খাদ্যর অন্যতম উৎস্য ঘাস নষ্ট।অন্যদিকে টি-আমণ ধান কিছুটা আধা পাকা অবস্থায় হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে কাটা মাড়াই করায় গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দেয়। কিছু কিছু এলাকায় খড় পাওয়া গেলেও প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারীদের হাতের নাগালে নেই দাম। বাজারে বিক্রি করা গো-খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী। যার ফলে প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারী গৃহস্থরা পড়েছেন চরম বিপাকে। গবাদিপশু (গরু) বাঁচিয়ে রাখতে তারা বাড়ির পাশের খাল, বিল ডোবায় জন্মানো কচুরিপানা দল তুলছেন। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানাই এখন তাদের শেষ ভরসা। কেউ কেউ নিজেদের বাড়ির কাছাকাছি কচুরিপানা না পেয়ে রিকশাভ্যান ভাড়া করে কেউবা পায়ে হেঁটেই দূর-দূরান্ত থেকে সংগ্রহ করছেন কচুরিপানা। অনেক খামারিও গো-খাদ্য সংকটের কারণে শ্রমিক দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা(দল)সংগ্রহ করছেন।
    গ্রামীণ জনপদে কচুরিপানার এ ব্যবহার নতুন কিছু নয়, তবে এবার খড়ের অস্বাভাবিক দামের কারণে তা গরুর প্রধান খাবারে পরিণত হয়েছে।
    উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা(এএও) আকবর হোসেন বলেন, কচুরিপানা (দল) একধরনের বহুবর্ষজীবী ভাসমান উদ্ভিদ। উদ্ভিদটি গো-খাদ্যের চাহিদা মেটানোসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে কৃষিতাত্ত্বিকভাবে বিবেচনা করলে এটি একটি আগাছা। কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশবিস্তার করে। এজন্য নিচু ফসলি জমিতে বিশেষ করে ধানের জমিতে এই উদ্ভিদকে আগাছা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানা ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে এক দিকে যেমন নিচু ফসলি জমিতে কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে গো-খাদ্যের চাহিদাও মিটবে।এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলী বলেন, শুধু কচুরিপানার ওপর নির্ভর করে গবাদিপশু লালন পালন করা অত্যন্ত কষ্টের। তবে এ মৌসুমে খাল-বিলে প্রচুর কচুরিপানা পাওয়া যাচ্ছে। এতে গবাদিপশু পালনকারীদের জন্য উপকার হয়েছে। তবে কচুরিপানা গরু বা মহিষকে খাওয়ানোর পূর্বে রোদে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো।#