Category: দেশজুড়ে

  • বিনামূল্যের বই বিক্রি করতে গিয়ে শিক্ষকসহ দুইজন আ-টক

    বিনামূল্যের বই বিক্রি করতে গিয়ে শিক্ষকসহ দুইজন আ-টক

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত অষ্টম ও নবম শ্রেণির বিনামূল্যের বই লাইব্রেরিতে বসে বিক্রি করতে গিয়ে এক শিক্ষকসহ দুইজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

    বরিশাল নগরীর সদর রোডের অনামি লেনের একটি লাইব্রেরির সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠী অগ্রযাত্রা আইডিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও ভ্যানচালক রুবেল খান।

    রবিবার দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল হোসেন বলেন, বইগুলো কর্ণকাঠী অগ্রযাত্রা আইডিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। শনিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উল্লেখিত দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এসময় সরকারি বরাদ্দের ৩২৯টি বই উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আটক শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সদর উপজেলার সিংহেরকাঠী গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। অপর আটক ভ্যানচালক রুবেল খান সদর উপজেলার সাহেবেরহাট এলাকার নরকাঠী গ্রামের নুর ইসলাম খানের ছেলে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসআই কামাল হোসেন উল্লেখ করেন। ###

  • বাবার জন্য ভোটের মাঠে ছেলের প্রচারনা, এলাকাজুড়ে আ-লোড়ন

    বাবার জন্য ভোটের মাঠে ছেলের প্রচারনা, এলাকাজুড়ে আ-লোড়ন

    কে এম সোহেব জুয়েল ,ঃ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবেখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানের জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন তার (সোবহান) বড় ছেলে পারভেজ সোবহান।

    তার ব্যতিক্রমধর্মী প্রচার-প্রচারনা ও ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করা হলে এলাকাবাসীর সবধরনের ভাগ্যোন্নয়নসহ বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনার বিষয়ে পারভেজ সোবহানের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে বরিশাল-১ আসনের সর্বস্তরের ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    পাশাপাশি বাবা ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানের মতো সরল মনের মানুষ আখ্যাদিয়ে সাধারণ ভোটাররা পারভেজ সোবহানের ভূয়শী প্রশংসা করেছেন।

    এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি নিজ অর্থায়নে এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

    বরিশাল-১ (গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া) আসনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান নিজ অর্থদিয়ে সম্পন্ন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের চড়াই উৎরাইয়ে তার (সোবহান) পরিবারের কাউকে কখনও তিনি মাঠে নামাননি। দেশের বাহিরে রেখে সন্তানদের তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন।

    এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য গত কয়েকদিন থেকে পারভেজ সোবহান ভোটের মাঠে নেমে বাবার পাশাপাশি তিনি (পারভেজ) নিজেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এলাকার সাধারণ ভোটাররা উচ্চ শিক্ষিত পারভেজ সোবহানকে কাছে পেয়ে এবং আগামী ১২ ফেব্রæয়ারির নির্বাচনে ফুটবল মার্কাকে বিজয়ী করা হলে তাদের উচ্চ পরিকল্পনার বক্তব্য শুনে সর্বস্তরের ভোটাররা অনেকটা ভরসার স্থান খুঁজে পেয়েছেন।

    অপরদিকে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও পথসভা করেছেন। এসময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান অভিযোগ করে বলেন, গৌরনদীর বাটাজোরসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়েছে। তাতে কিছু যায় আসেনা, ফুটবল মার্কা মানুষের মনের ভিতরে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর সমর্থকরা ব্যানার ছিড়তে পারবে কিন্তু মানুষের মন থেকে ফুটবল মার্কাকে কেঁড়ে নিতে পারবে না।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি সর্বস্তরের ভোটারদের কাছে উন্নয়নের প্রতীক ফুটবল মার্কাকে বিজয়ী করার জন্য অনুরোধ করেন। ##

  • তাড়াশে ধানের শীষের প্রচারনায় জনসভা অ-নুষ্ঠিত

    তাড়াশে ধানের শীষের প্রচারনায় জনসভা অ-নুষ্ঠিত


    জি,এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ :

    ১২ ফেব্রুয়ারির ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ‎রবিবার বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভাটি জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন।স্লোগান,ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। 
    ‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
    ‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময় খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর।সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদারের পুত্র,জেলা বিএনপির সদস্য রাহিদ মান্নান লেনিন,
    ‎‎জনসভাটি সঞ্চালনা করেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
    ‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার,উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা,সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ
    ‎উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।


  • আড়িয়লে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় নির্বাচনী গ-ণসংযোগ

    আড়িয়লে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় নির্বাচনী গ-ণসংযোগ

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি ।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ–২ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আড়িয়ল ইউনিয়নের আপরকাঠি, দামপাড়া, মাছপাড়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ গণসংযোগ পরিচালনা করেন।

    গণসংযোগকালে নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
    জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে হৃদয় খানের উদ্যোগে এবং টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবাসী আবু সাঈদ খান শিপুর সহযোগিতায় আড়িয়ল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আঃ আলী নান্টু মাদবর ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু শেখ ফারুকের নেতৃত্বে গণসংযোগে অংশ নেন উপজেলা বিএনপির ভূমি ও বৃক্ষরোপণ বিষয়ক সম্পাদক রায়হান খান চুন্নু, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সজল বেপারি, আড়িয়ল ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলমগীর হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মিরাজ শেখ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ ছৈয়াল, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন খলিফা, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার বেপারি, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলমগীর কবির একদিল, আড়িয়ল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আঃ কাইয়ুম মাদবর, প্যানেল চেয়ারম্যান জামাল শেখ, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য একলাস সর্দার, ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোঃ তোফাজ্জল শেখ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য রুহুল আমিন।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আড়িয়ল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাদশা মাদবর, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা জামাল বেপারি, মহিউদ্দিন, শাহরিয়ার রাকিব, আড়িয়ল ইউনিয়ন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মকবুল, সাবেক ছাত্রদল নেতা মাসুম হোসাইন ও সাগর হাওলাদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বাবুর দিন-রাত প্র-চারণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বাবুর দিন-রাত প্র-চারণা

    হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ও সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু দিন-রাত ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    গত তিনদিন ধরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-১৯ আসনের সাভার ও আশুলিয়ার ইয়ারপুর, ধামসোনা ও শিমুলিয়া ইউনিয়নসহ প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হাট-বাজার, মার্কেট ও বাসাবাড়িতে গণসংযোগ করছেন তিনি। এ সময় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন ডা. সালাউদ্দিন বাবু। প্রচারণাকালে তিনি বলেন, “আমরা শতভাগ আশাবাদী-ধানের শীষ প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে তিন মাসের মধ্যেই মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলবো। সাভার-আশুলিয়ায় মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের কোনো ঠাঁই হবে না।”

    উল্লেখ্য, দেশের অন্যান্য আসনের তুলনায় ঢাকা-১৯ আসনে ভোটার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে সাত লাখ। এবারের নির্বাচনে এই আসনে ধানের শীষ ও শাপলা কলিসহ বিভিন্ন প্রতীকে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ইউজিসির প্রশিক্ষণে মে-ধা তালিকায় প্রথম হলেন গোবিপ্রবির মার্কেটিং বিভাগের  শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক

    ইউজিসির প্রশিক্ষণে মে-ধা তালিকায় প্রথম হলেন গোবিপ্রবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য ‘প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট ট্রেনিং’-এ মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক।পিডিটি ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষদের মধ্যে তিনি একই সঙ্গে ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (এইচইএটি) প্রকল্পের আওতায় এটিএফ এসপিপি প্রাপ্ত বাংলাদেশের একমাত্র শিক্ষক।
    ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন এইচইএটি প্রকল্পের আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত প্রায় ৬০ জন শিক্ষক প্রথম স্লটে এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
    ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন গোবিপ্রবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তিনি গবেষণায় আগ্রহী ও পারদর্শী একজন শিক্ষক। আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত তার কাজের সাইটেশন কাউন্ট বর্তমানে ৪০০ ছাড়িয়েছে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমির ভারপ্রাপ্ত রেক্টর ও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. তানজিম উদ্দিন খান এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুকের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন।

    এ পুরস্কার প্রাপ্তিতে মোহাম্মদ ফারুককে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

  • সাংবাদিকদের নি-রাপত্তা নেই, হা-মলা ও মা-মলার শি-কার হয়ে গণমাধ্যমের মহান পে-শা ছাড়ছেন অনেকেই

    সাংবাদিকদের নি-রাপত্তা নেই, হা-মলা ও মা-মলার শি-কার হয়ে গণমাধ্যমের মহান পে-শা ছাড়ছেন অনেকেই

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকদের কোনো নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত নৃশংস হামলা, মামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এর ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন-যা দেশের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

    সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির বিবেক, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। অথচ সেই সাংবাদিকদের-যাদের কলম সমাজের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলে-নির্বাক করার চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। সত্য প্রকাশের অপরাধে আজ কলম সৈনিকরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
    এখনো সময় আছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ করে অবিলম্বে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাধীন ও নিরাপদ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা গেলে তবেই রাষ্ট্র, গণতন্ত্র এবং দেশ ও জাতির প্রকৃত কল্যাণ সম্ভব হবে-ইনশাআল্লাহ। এমনই মন্তব্য করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা ও মামলা করা মানবাধিকার লঙ্ঘন আর মানবাধিকার লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি আরো বলেন, সরকার যায় সরকার আসে কিন্তু সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা বন্ধ হচ্ছে না কেন তা জাতি জানতে চায়।

  • গোদাগাড়ীর সাফিনা পার্কে ওয়াটার পুলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃ-ত্যু

    গোদাগাড়ীর সাফিনা পার্কে ওয়াটার পুলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃ-ত্যু

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী গোদাগাড়ীর সাফিনা পার্কের ওয়াটার পুলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আবিদ আহানাফ সোয়াদের (১৫) মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের দিগ্রাম এলাকায় অবস্থিত সাফিনা পার্কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    ওই শিক্ষার্থী বগুড়ার ইকরা মডেল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র ও আবু হাসিব সোহরাওয়ার্দীর ছেলে। আবিদ বর্তমানে বগুড়া সদর থানার ঠনঠনিয়া এলাকায় বসবাস করলেও তার স্থায়ী ঠিকানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার মাছখড়িয়া মাধবপুর সৈয়দপুর গ্রামে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আনন্দ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইকরা মডেল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সাফিনা পার্কে আসে। পরে আবিদ আহানাফ সোয়াদ তার সহপাঠীদের সঙ্গে ওয়েভ পুলে লাফ দিলে নাক, বুক ও মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয় ও পানিতে ডুবে যায়। সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    গোদাগাড়ী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, এঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ দেয়নি। অপমৃত্যুর মামলা হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে মাঠজুড়ে ফুলকপির বা-ম্পার ফলন

    নড়াইলে মাঠজুড়ে ফুলকপির বা-ম্পার ফলন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের মাঠজুড়ে এখন শুধুই সাদার হাতছানি। শীতের এ সময়ে জেলার দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে শোভা পাচ্ছে সারি সারি ফুলকপি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়ায় জেলার কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নড়াইল জেলাজুড়ে ২২৭ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ। জেলার সদর উপজেলা, লোহাগড়া ও কালিয়া এই তিন উপজেলাতেই বাণিজ্যিকভিত্তিতে প্রচুর পরিমাণে ফুলকপির চাষ হয়েছে।
    সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন ক্ষেত থেকে কপি সংগ্রহ ও তা বাজারজাত করতে। এবার স্নোবক্স ও হাইব্রিড জাতের কপির আবাদ বেশি হয়েছে। প্রতিটি কপির আকার ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় পাইকারি বাজারেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
    সদর উপজেলার কৃষক মো. আশরাফুজ্জামান জানান, আল্লাহর রহমতে এবার ফলন খুব সুন্দর হয়েছে। সময় মতো সেচ ও সার দেওয়ায় এবার বড় কোনো রোগবালাই আক্রমণ করতে পারেনি। খরচও তুলনামূলক কম হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত বাজারের এই দাম বজায় থাকে, তবে কৃষকরা বড় অংকের লাভের মুখ দেখব।
    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জানান, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া আর উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে নড়াইলে ফুলকপি চাষ এখন বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে। অনেক শিক্ষিত যুবকও এখন সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • খুলনা-৬ আসনে জয়ের আশা বিএনপির; প্র-ত্যাবর্তন চায় জামায়াত

    খুলনা-৬ আসনে জয়ের আশা বিএনপির; প্র-ত্যাবর্তন চায় জামায়াত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ কয়রা ও পাইকগাছা আসনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। পুরোদমে চলছে প্রচার-প্রচারণা। এই আসনে এবার পাঁচজন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। নির্বাচনে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটাররা ধারণা করছে।নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পি। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, জাতীয় পার্টির মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আসাদুল্লাহ ফকির ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মণ্ডল।
    খুলনা-৬ কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটি জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় জোটবদ্ধ হয়ে রাজনীতির মাঠে থাকলেও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অতীতে বিএনপি সাধারণত জামায়াতে ইসলামীর জন্য আসনটি ছেড়ে দিত। তবে দীর্ঘদিনের জোট রাজনীতির সমীকরণ ভেঙে যাওয়ায় এবার বিএনপি ও জামায়াত আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় হারানো আসনটিতে প্রত্যাবর্তন করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত। আর বিএনপি চায় ভোটের জোয়ারে জয় পেতে।ভোটার ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আসনটিতে বিএনপি যদি পরিবর্তন আনতে পারে, সেটি হবে কেবল তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ফল। আর জামায়াতের যদি প্রত্যাবর্তন হয় তবে সেটি হবে বিএনপির অনৈক্যের কারণে। তবে সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোট যেদিকে বেশি যাবে, শেষ পর্যন্ত জয় তারই হবে। সামান্য ব্যবধানও ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসনটিতে বিএনপি সর্বশেষ জয় পেয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জয় পায় জামায়াত। অন্য নির্বাচনগুলোয় আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়। এবার বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।কয়রা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন বলেন, খুলনা-৬ আসন জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে দুবার আমাদের প্রার্থী এমপি হয়েছেন। মানুষের যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে এবারো দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হবেন বলে আশা করছি।অবশ্য জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্থানীয় বিএনপির নেতারাও। কয়রা উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এমএ হাসান বলেন, এ এলাকায় বিএনপির নিজস্ব ভোটব্যাংক আছে। জোটবদ্ধ রাজনীতির কারণে আগে ছাড় দিতে হয়েছে। এবার নিজস্ব প্রার্থী থাকায় আমরা সুফল পাব। দীর্ঘদিন পর আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারব বলে আশা করছি।নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৫২৪, পুরুষ ২ লাখ ১০ হাজার ২০৯ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন একজন।সরজমিনে নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। অবহেলিত এ উপকূলীয় জনপদে এবার নতুন কোনো পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন ভোটাররা।

    এ আসনের ভোটারদের বড় অংশই সুন্দরবননির্ভর শ্রমজীবী মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তন আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে টিকে থাকতে হয় তাদের। তাদের কাছে নির্বাচনের মূল ইস্যু হয়ে উঠেছে উপকূলের উন্নয়ন। পাশাপাশি তারা চান নির্বাচনে নতুন সরকার এলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং সংখ্যালঘু ও নারীদের নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন, চিকিৎসাসেবার উন্নতি ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন বিকাশ। যারা দীর্ঘদিনের এ বঞ্চনা দূর করে টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন, তাদেরই তারা বেছে নেবেন।বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হাসান বলেন, নির্বাচিত হলে নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, ঘরে ঘরে সুপেয় পানি সরবরাহ ও কয়রায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। কয়রা ও পাইকগাছায় বিচারিক আদালত স্থাপন এবং সব উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগের জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতি ও নিষ্ক্রিয়তায় সরকারি বাজেট লুটপাট হয়েছে। নির্বাচিত হলে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের পর্যাপ্ত ভবন নির্মাণ ও চিকিৎসাসেবার ঘাটতি দূর করা হবে।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,