Category: দেশজুড়ে

  • ময়মনসিংহ-৪ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন বিএনপির প্রার্থী ওয়াহাব আকন্দ

    ময়মনসিংহ-৪ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন বিএনপির প্রার্থী ওয়াহাব আকন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। তিনি এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় দেড় লক্ষাধিক ভোট পেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিলেন।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মোতাহসিমের কাছ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

    এ সময় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মোতাহসিম উপস্থিত প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নির্বাচনী আচরণবিধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এবারের নির্বাচনী আচরণবিধিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আচরণবিধি সম্পর্কে অবগত থেকে তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে সদর আসনের ভোটারদের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করে সাংবাদিকদের আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, সদর আসনের জনগণ আমার আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তারা আমার পাশে ছিল। আশা করছি এবারও জনগণ তাদের রায় ধানের শীষের পক্ষেই দেবে। আমি দলের মনোনীত প্রতিনিধি মাত্র।

    আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ভয় বা শঙ্কা রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। অতীতে জীবন বাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রামে কাজ করেছি। কোনো অপশক্তি বা স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা: হোসনে আরা, প্রবীণ বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম ভূইয়া, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খান, শাহ শিব্বির আহম্মেদ ভুলু, একেএম মাহাবুবুল আলম মাহাবুব, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ তানভীর তান্না, মহানগর বিএনপির সদস্য শরাফ উদ্দিন কোহিনূর, জগলুল হায়দার এবং মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করে। এ-সময়
    তারা নেতার পাশে দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথকে আরো বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে বিএনপি প্রার্থী মোঃ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দলের মতবিরোধ মিটিয়ে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের কথাও জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সারাদেশের ৩৬টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে ময়মনসিংহ-৪ আসনে মনোনয়ন পান মহানগর বিএনপির জৈষ্ঠ্য যুগ্ম আহবায়ক ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

  • সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজের ৯ দিন পরও মানসিক ভা-রসাম্যহীন নারীর স-ন্ধান মেলেনি

    সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজের ৯ দিন পরও মানসিক ভা-রসাম্যহীন নারীর স-ন্ধান মেলেনি

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে শিউলী আক্তার (৩৮) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নিখোঁজের ৯ দিন পরও তার সন্ধান মেলেনি। অতঃপর থানায় জিডি।

    নিখোঁজ শিউলী আক্তার উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চর খোর্দা গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী।

    জিডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৯ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে সে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

    তার ছেলে রেজোয়ান মিয়া ১৫ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেছে। যার নম্বর ৭০০। তার কোনো সন্ধান পাওয়া গেলে নিকটস্থ থানা বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান তার পরিবার।

    সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে নিখোঁজ নারীর ছেলে।একটি জিডি করেছেন। নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • শীতার্ত মান্তা সম্প্রদায়ের পাশে আরিফুর রহমান শুভ

    শীতার্ত মান্তা সম্প্রদায়ের পাশে আরিফুর রহমান শুভ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    বরিশাল সদর উপজেলার লাহারহাট এলাকায় নদীতে নৌকায় বসবাসরত জলে-ভাষা মানতা সম্প্রদায়ের প্রায় ১৭৮টি পরিবার বসবাস করে আজ তাদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শীতের তীব্রতা থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে ইয়ুথনেট গ্লোবালের উদ্যোগে এবং Abundance Of Good Inc সহযোগীতায় আজ এ মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
    নদীকেন্দ্রিক জীবনযাপনের কারণে মানতা সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ বাসস্থানের মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শীত মৌসুমে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে মানতা সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
    এ সময় ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান বলেন, “মানতা সম্প্রদায় সমাজের অন্যতম অবহেলিত জনগোষ্ঠী। নদীতে নৌকায় বসবাসের কারণে তারা নানাবিধ ঝুঁকির মধ্যে জীবনযাপন করছে। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই ইয়ুথনেট গ্লোবাল তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলমান রয়েছে।
    কর্মসূচিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন। শীতবস্ত্র পেয়ে মানতা সম্প্রদায়ের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    উল্লেখ্য, ইয়ুথনেট গ্লোবাল দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নিয়মিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

  • কদরের অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে কুমিল্লার আদি ঐতিহ্যবাহী বাটিক শিল্প

    কদরের অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে কুমিল্লার আদি ঐতিহ্যবাহী বাটিক শিল্প

    মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা

    নরম রসমালাই আর সূক্ষ্ম খাদির মতোই কুমিল্লার মানুষের হৃদয়ে লুকিয়ে আছে আরেকটি সোনালি ঐতিহ্য—বাটিক শিল্প। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হাতে হাতে গড়ে ওঠা এই শিল্প কুমিল্লার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নীরব গর্ব। পর্যাপ্ত সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এর জৌলুস কিছুটা ম্লান হলেও আজও টিকে আছে বাটিক ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন। ছোট ছোট উদ্যোক্তা ও শ্রমজীবী মানুষের নিরলস প্রচেষ্টায় বেঁচে আছে কুমিল্লার বিখ্যাত বাটিক শিল্প।

    প্রতিদিন ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই বাটিকপল্লীর কর্মশালাগুলো জেগে ওঠে। রঙের ঘ্রাণ, গরম পানির বাষ্প আর কারিগরের যত্নমাখা স্পর্শে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।

    প্রায় ৫০ বছর আগে কুমিল্লার সদর উপজেলার কমলপুর গ্রামে লাল মিয়া ও মোহন মিয়া নামে দুই ভাইয়ের হাত ধরে বাটিক শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। ভারত থেকে বাটিকের কৌশল শিখে এসে তারা এই শিল্পের ভিত্তি গড়ে তোলেন। সময়ের পরিক্রমায় তাদের হাতে তৈরি বাটিক ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। কমলপুর ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামে বর্তমানে গড়ে উঠেছে প্রায় ২৫টি কারখানা। এসব কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে নান্দনিক ডিজাইনের বাটিক শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, লুঙ্গি ও বেডশিট তৈরি হচ্ছে।

    স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এসব বাটিকপণ্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এমনকি বিদেশেও রপ্তানি হয়ে সুনাম অর্জন করেছে কুমিল্লার বাটিক। ঐতিহ্যবাহী খাদির পর জনপ্রিয়তার দিক থেকে বাটিক এখন কুমিল্লার অন্যতম পরিচয়। কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর, কান্দিরপাড় ও রামঘাট এলাকার প্রায় দুই শতাধিক দোকানে কমলপুরের বিখ্যাত বাটিকপণ্য বিক্রি হচ্ছে।

    কারখানার ভেতরে প্রতিদিন চলছে রঙ আর নকশার নিরবচ্ছিন্ন শ্রম। কেউ গরম পানিতে কাপড়ের অপ্রয়োজনীয় ‘মার’ তুলে ফেলছেন, কেউ রঙের কড়াইয়ে তৈরি করছেন নীল, হলুদ, লাল আর মাটির রঙের মায়াজাল। সেই রঙিন কাপড়ে মোমের নকশা, ফুলের ছাপ আর ঢেউয়ের রেখায় ফুটে ওঠে শিল্পীর কল্পনা।

    দীর্ঘ এক যুগ ধরে বাটিক কারখানায় কাজ করছেন শ্রমিক হামিদ চৌধুরী। তিনি কাপড়ের বিহারি, ওয়াশ ও ডাইনের কাজ করেন। একাই সামলাচ্ছেন তিনটি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘বিহারি শেষ করে মোম তুলে কাপড় ওয়াশ করা হয়, এতে কাপড় পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হয়।’

    আরেক শ্রমিক মুশফিকুর রহমান মোন্না জানান, তিনি থ্রি-পিসের কাজ করেন। সাদা কাপড়ে মোম দিয়ে ব্লক করার পর নারীরা তুলি দিয়ে রঙ করেন। প্রতিদিন তিনি ২০ থেকে ৩০টি থ্রি-পিসের মোম ব্লক সম্পন্ন করতে পারেন।

    রঙ করা কাপড় মাঠে সারি সারি করে রোদে শুকানো হয়। কয়েকজন কর্মী সারাক্ষণ কাপড় উল্টে-পাল্টে ঠিক করে দিচ্ছেন। রোদের আলোয় প্রতিটি নকশা হয়ে উঠছে আরও প্রাণবন্ত।

    রঙ শুকানোর পর শুরু হয় আরেক ধাপ। নারীদের কোমল হাতে তুলি ছোঁয়ায় কাপড়ে ফুটে ওঠে নতুন রঙের গল্প। সারিবেঁধে দাঁড়িয়ে তারা ধৈর্য ও মমতায় রঙ ঢেলে দেন কাপড়ে। কারখানার ভেতরে নারীদের এই ব্যস্ততা যেন শুধু কাজ নয়—এ যেন শিল্প আর জীবনের মিলনমেলা।

    নারী কর্মীরা জানান, দলগতভাবে কাজ করায় নতুনরা সহজেই শিখে নিতে পারেন। প্রতিদিন একজন কর্মী ৩০ থেকে ৪০টি কাপড়ে তুলি দিতে পারেন।

    কাপড় ভাঁজ করার কাজ করেন রিতু আক্তার। তিন মাস আগে তিনি এখানে যোগ দেন। তিনি বলেন, ‘যার কাজ যত বেশি দক্ষ, তার মজুরি তত বেশি। মালিকের ব্যবহার ও বেতন-ভাতায় আমরা সন্তুষ্ট।’

    মহাজনদের নির্দেশনায় প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শতাধিক বাটিক তৈরি হয়—কখনো শাড়ি, কখনো থ্রি-পিস, কখনো লুঙ্গি।

    কুমিল্লা নিউ বাটিক ঘরের স্বত্বাধিকারী আবু সাইদ জানান, তার কারখানায় প্রতিদিন ১৫-২০ জন শ্রমিক কাজ করেন। এখানে সুতি কাপড়, থ্রি-পিস, সিল্ক শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরি হয়। কাজের হিসাব সপ্তাহভিত্তিক করা হয়।

    ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাটিকের চাহিদাও ওঠানামা করে। গরমকালে চাহিদা বাড়লেও শীতকালে কমে যায় কাজ। পুঁজি সংকটে অনেক সময় উৎপাদন ব্যাহত হয়।

    কুমিল্লা বাটিক সেন্টারের মহাজন রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা ৩৫ বছর আগে এই কারখানা শুরু করেন। আমাদের ব্যবসা প্রকৃতিনির্ভর। রোদ না থাকলে কাজ বন্ধ থাকে। শীতকালে চাহিদা কমে গেলে কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সরকার যদি স্বল্প সুদে বা সুদহীন ঋণের ব্যবস্থা করত, তাহলে এই শিল্প হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকত না।’

    সব প্রতিকূলতার মধ্যেও থেমে নেই কমলপুরের বাটিক শিল্পীরা। সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা পেলে কুমিল্লার বাটিক আবারও বিশ্ববাজারে নতুন করে জায়গা করে নিতে পারবে—এমনটাই তাদের বিশ্বাস।

    এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার বাটিক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    পুরুষ-নারী, ছোট-বড় সবার সম্মিলিত পরিশ্রমে আজও বেঁচে আছে কুমিল্লার বাটিক শিল্প—রঙে রঙে, নকশায় নকশায় তুলে ধরছে বাঙালির সৃজনশীলতার চিরন্তন মহিমা।

  • মোরেলগঞ্জে শ্রদ্ধা, স্মৃতি আর আগামীর প্রত্যয়ে ১৬ ডিসেম্বর পালিত

    মোরেলগঞ্জে শ্রদ্ধা, স্মৃতি আর আগামীর প্রত্যয়ে ১৬ ডিসেম্বর পালিত

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :

    ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে যখন আকাশে ভেসে ওঠে ৩১ বার তোপধ্বনির গর্জন, তখন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে যেন এক মুহূর্তে ফিরে যায় ইতিহাসের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে। মহান বিজয় দিবসের সকালে লাল-সবুজের পতাকায় সেজে ওঠে জনপদটি—প্রতিটি মুখে, প্রতিটি হৃদয়ে জেগে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও স্বাধীনতার অহংকার।

    মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবসের সূচনা হয়। সূর্যের প্রথম আলো ছোঁয়ার আগেই মানুষ জড়ো হতে শুরু করে মোরেলগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে। সকাল ৭টায় পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ ও মোরেলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমান।

    এরপর একে একে স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জেলা সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইভাবে তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরাও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    শ্রদ্ধার এই স্রোতে অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, উপজেলা প্রেসক্লাব, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, স্কাউটস এবং পৌরসভার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ফুলে ফুলে ঢেকে যায় স্মৃতিস্তম্ভের বেদি। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত।

    দিনের বাকি সময়জুড়ে মোরেলগঞ্জ ছিল বিজয়ের নানা আয়োজনে মুখর। মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উঠে আসে যুদ্ধদিনের স্মৃতি, ত্যাগ আর বেদনার গল্প। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানার সুযোগ করে দেয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান ও আবৃত্তিতে প্রাণ ফিরে পায় স্বাধীনতার চেতনা।

    এদিকে সকালে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন কাজী খায়রুজ্জামান শিপন। আপর দিকে দুপুরে বাগেরহাট -৪ মোরেলগঞ্জ শরনখোলা আসনের জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম স্যারের নেতৃত্বে আবু হুরায়রা আদর্শ দাখিল মাদ্রাসায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।দিনভর এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে মোরেলগঞ্জে মহান বিজয় দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পরিণত হয় স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার এক দৃঢ় প্রত্যয়ে।

  • কাজিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে  শীতবস্ত্র বিতরণ

    কাজিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :
    “স্বপ্নময় দুরন্ত প্রতীক” (SDP) সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে মাদ্রাসার অসহায়,দরিদ্র ও গরিব ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকাল দশটায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর বেড়িপোটল বাহরুল উলুম হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি নুরুল হুদা,মুফতি আল আমিন
    ,ক্বারি জাহাঙ্গীর আলম,মাওলা লিয়াকত আলী.হাজী মজনু ইসলান ও আ:হামিদ বাঘাসহ আরো অনেকে।
    সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার “স্বপ্নময় দুরন্ত প্রতীক”(SDP) এর সভাপতি রাজু আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক জে.এম মোস্তফা কামাল,দপ্তর সম্পাদক জায়েদ আহমেদ শাকিলসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।এ ছাড়াও এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি রাজু আহমেদ বলেন,সমাজে এতিম,অসহায়,পথশিশু ও অনাহারি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে সর্বদাপ্রতিজ্ঞাবদ “স্বপ্নময় দুরন্ত প্রতীক” (SDP) সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন। ২০১৭ সালে দেশের ৬৪ টি জেলায় কমিটি গঠনের স্বপ্ন নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে “স্বপ্নময় দুরন্ত প্রতীক” (SDP) পথ চলা শুরু হয়েছে। সিরাজগঞ্জে স্বপ্নহারা মানুষকে সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখানোর প্রতিজ্ঞা নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে একদল স্বপ্নবাজ তরুণ-তরুণী। আজ তাদের সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে।সমাজের এতিম,অসহায় ও পথশিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে তারা সফল হয়েছে। মানবসেবার দুঃসাহসিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে “স্বপ্নময় দুরন্ত প্রতীক” (SDP) পর্যায় ক্রমে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ বাংলাদেশের সকল জেলার সদস্যবৃন্দ এক সাথে কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।

  • ক্ষেতলালে বিজয় দিবস পালিত

    ক্ষেতলালে বিজয় দিবস পালিত

    মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাবু জয়পুরহাট জেলা স্টাফ রিপোর্টার

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়েছে।দিনের শুরুতে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    ক্ষেতলাল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নিবার্হী অফিসার সানজিদা চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ পারভেজ, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

    বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

  • তানোরের কলমা ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠক

    তানোরের কলমা ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দীনের পক্ষে জনমত সৃস্টি, সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি ও বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষে কলমা ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে উঠান বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অমৃতপুর কুজিশহর ও আজিজপুর গ্রামে ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠক ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা ও দলের সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা শিক্ষক সমিতির আহবায়ক হযরত আলী মাস্টার।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক মানিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন,
    উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রায়হানুল হক রায়হান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্র দলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান,এমদাদুল হক ও রুবেল হোসেনপ্রমুখ। এ সময় নেতাকর্মীরা উপস্থিত নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে সকল ভেদাভেদ ভুলে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
    এদিন উঠান বৈঠকে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপির সকল নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান হযরত আলী মাস্টার।#

  • তানোরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

    তানোরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ১৬ ডিসেম্বর-২০২৫ মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং পরে তানোর উপজেলা ডাকবাংলো মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শনী, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) শিব শংকর বসাক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ( টিএইচও) ডাঃ বার্নাবাস হাসদা উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলী, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) শাহিনুজ্জামান উপজেলা প্রকৌশলী নুরনাহার, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নাদিম উদ্দিন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা শাহিদুর ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী ( জনস্বাস্থ্য ) জাকির হোসেন ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোসাঃ মৌসুমী খাতুনসহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে পুরুষ্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় বিজয় দিবসের চেতনায় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।#

  • বাবুগঞ্জে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ডিসপ্লে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ডিসপ্লে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
    মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। দিবসের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এরপর লাল-সবুজের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ধারণ করে একটি বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করা হয়।

    বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় অহংকার। নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেম জাগ্রত রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক আয়োজনে বাবুগঞ্জ উপজেলাজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।