Category: দেশজুড়ে

  • পরিশুদ্ধ অন্তরের মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বাধিক সম্মানিত হবে : ছারছীনার পীর সাহেব

    পরিশুদ্ধ অন্তরের মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বাধিক সম্মানিত হবে : ছারছীনার পীর সাহেব

    আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর সাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন—মানুষের দুটি বিষয় মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে অত্যন্ত মূল্যবান। একটি হলো বান্দার পরিশুদ্ধ অন্তর, আরেকটি হলো নেক আমল। মনে রাখতে হবে, আল্লাহ আমাদের বাহ্যিক চেহারা, চাল-চলন কিংবা বিত্ত-বৈভবের প্রতি কখনোই দৃষ্টিপাত করেন না। পক্ষান্তরে যাদের অন্তর হবে পরিষ্কার তথা কলুষতামুক্ত, অন্তর শিরক ও কুফরির মতো ময়লা-আবর্জনা থেকে পবিত্র থাকবে, তারাই হবে সফলকাম।

    এক কথায়, যাদের অন্তর ঈমান, ইখলাস ও সঠিক আকিদায় পরিপূর্ণ থাকবে, যারা বিদআতকে ঘৃণা করবে এবং সুন্নতের প্রতি মহব্বত রাখবে, তারাই ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি লাভ করবে। সর্বোপরি, পরিশুদ্ধ অন্তরের মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বাধিক সম্মানিত হবে।

    পীর সাহেব কেবলা আরও বলেন—বর্তমান দ্বীন ইসলামের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রান্তিলগ্নে সহশিক্ষার ছোবল থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার নিমিত্তে দীনিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা একান্ত প্রয়োজন। কাজেই আমাদের সন্তান-সন্ততি, নাতি-নাতনীদের কিতাবি ও সঠিক আকিদা ও আমলি আলেম হিসেবে গড়ে তুলতে দীনিয়া মাদরাসায় লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই।

    আজ ১৭ ডিসেম্বর, রোজ বুধবার, বাদ জোহর পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলাধীন সুটিয়াকাঠী জোড়াব্রিজস্থ আলহাজ্ব আব্দুর রঊফ নেছারিয়া দীনিয়া-হাফেজিয়া ও বাইতুন নূর জামে মসজিদের উদ্যোগে আয়োজিত ঈছালে সাওয়াব দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর সাহেব কেবলা এসব কথা বলেন।

    মাহফিলে মাদরাসা থেকে হেফজ সম্পন্নকারী ৫৩ জন হাফেজে কুরআনকে হযরত পীর সাহেব কেবলা দস্তারবন্দি করান। তাদেরকে মাদরাসার পক্ষ থেকে ক্রেস্ট, পাগড়ি, জায়নামাজ ও জামা-পায়জামার কাপড় প্রদান করা হয়।

    মাহফিলের প্রথম দিনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন—ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার মুদীর মাওলানা মাহমুদুল মুনীর হামীম, মুফতি মাওলানা মোঃ হায়দার হোসাইন এবং ঢাকা মিরপুর জনকল্যাণ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল আলম মোহেব্বী।

    দ্বিতীয় দিনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন—বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মির্জা মোঃ নূরুর রহমান বেগ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব এবং হযরত পীর সাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেন, কাউখালি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আহসান হাবিব, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী মোঃ কামাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

  • বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পড়াশোনার চাপ না থাকায় হাজিরার বিনিময়ে ছাত্ররা মাঠে

    বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পড়াশোনার চাপ না থাকায় হাজিরার বিনিময়ে ছাত্ররা মাঠে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    শ্রমিক সংকট কাটাতে কনকনে শীত আর কুয়াশাকে উপেক্ষা করে কৃষকের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বার্ষিক পরীক্ষার পর অবসর সময়টুকু কাজে লাগাতে পরিবারের সম্মতিতে অনেক শিক্ষার্থী পেঁয়াজের ক্ষেতে কাজ করছেন। এতে প্রতিদিন তারা পাচ্ছেন ৫০০ টাকা মজুরি। এমন চিত্র দেখা গেছে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।‎ শৈলকুপার হাজরামিনা গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, বড়দের পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীরাও পেঁয়াজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পড়াশোনার চাপ না থাকায় বন্ধুরাও দল বেঁধে মাঠে নেমে পড়ছে।শৈলকুপার গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন বন্ধু সনেট, রবিণ ও আরিফ ভোর ৭টার আগেই ৮ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে পৌঁছে যায় মনোহরপুর ইউনিয়নের বিজুলিয়া মাঠে। সেখানে কাজ করা শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন জানান, বাড়িতে অলস বসে থাকার চেয়ে কিছু টাকা রোজগার হলে পরিবারের উপকার হবে। এ জন্য তিনি মাঠে পেঁয়াজ লাগাচ্ছেন ৫০০ টাকা হাজিরাতে।‎দামুকদিয়া গ্রামের কৃষক মিন্টু মিয়া বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণে ১৫/২০ জন শ্রমিক দরকার হয়। হঠাৎ একসঙ্গে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে রোপণ শুরু হওয়ায় শৈলকুপা উপজেলায় শ্রমিক সংকট তীব্র হয়েছে। কৃষক মিন্টুর ভাষ্য বাড়তি মজুরি দিলেও শ্রমিক মিলছে না। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরাই ভরসা। তারা মাঠে না নামলে পেঁয়াজ রোপনের কাজ শেষ করা যেত না। ‎শৈলকূপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান খান জানান, পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশের অন্যতম এলাকা শৈলকূপা। চলতি মৌসুমে এখানে ১২ হাজার ৩২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টরে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো জানান, উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৫০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে। কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন বলেও তিনি জানান। শ্রমিক সংকটে শিক্ষার্থীদের মাঠে কাজ করা কৃষকদের বাড়তি সহায়ক শক্তি বলেও এই কৃষি কর্মকর্তা মনে করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

    পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    খুলনার পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন ব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে । ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার প্রত্যুষে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পাইকগাছা পৌরসভা, পাইকগাছা থানা, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র, বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন, পাইকগাছা সরকারি কলেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র, আইনজীবী সমিতি, পাইকগাছা প্রেসক্লাব, শিবসা সাহিত্য অঙ্গন ও সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, বনানী সংঘ, ঠিকাদারি কল্যাণ সমিতি, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রোজবাড কিন্ডারগার্টেন স্কুল, ইউনিভার্সাল এডাস স্কুল, বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেন স্কুল, দি রাইজিং প্রি ক্যাডেট স্কুল, কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, রুপা মিউজিক্যাল একাডেমি, সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৮ টায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে মার্চপাস্ট ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পুলিশ, আনসার, স্কাউট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্যারেড ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে তিন ব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয়। ১১ টায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বিকাল ৪ টায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহিলাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভা প্রশাসনের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা এবং সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহধর্মিণী ডাঃ ফারজানা ইয়াসমিন লিসা,
    বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ফজলে রাব্বী, অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া, খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও খুলনা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রুহুল আমিন গাজী, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়, ওসি তদন্ত ইদ্রিসুর রহমান, প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব, দেবাশীষ সরদার, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ সুজন কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামুল হক, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এসএম ইমদাদুল হক, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, জামায়াত নেতা প্রভাষক আব্দুল মোমিন সানা, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, গণমাধ্যম কর্মী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়া ও প্রভাষক লুৎফা ইসলাম।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নড়াইলে বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা

    নড়াইলে বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করলেন এসপি আল মামুন শিকদার। পুলিশ লাইনস্ ড্রিল শেডে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১৬ই ডিসেম্বর) অনুষ্ঠানের শুরুতেই পুলিশ সুপার পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। নড়াইল সদর থানাধীন ৬ জন,
    নড়াইলের লোহাগড়া থানাধীন ১২ জন, নড়াইলের
    কালিয়া থানাধীন ৬ জন এবং নড়াইলের নড়াগাতী থানাধীন ১৬ জনসহ মোট ৪০ জন পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মৃত পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। এরপর পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তাদের বীরত্বগাঁথা অনেক স্মৃতি তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধে তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা, কারো সন্তান হারানোর বেদনা, কারো সহকর্মী শহীদ হওয়ার ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিশেষে পুলিশ সুপার বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পুলিশ সুপার সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
    এ সময় মোঃ রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); নড়াইলসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নীলফামারীতে মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদের প্রতি জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

    নীলফামারীতে মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদের প্রতি জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ

     ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি নীলফামারী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার  শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। 

    দিনের শুরুতেই ৩১ বার তোপধ্বনীর মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয় এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নীলফামারী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পুলিশ সুপার নীলফামারী। 

    পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল ৯ ঘটিকায় জেলা প্রশাসক নীলফামারী ও পুলিশ সুপার নীলফামারী  জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন।

    এসময় জেলা পুলিশ নীলফামারী, জেলা প্রশাসন নীলফামারীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ,  বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, সকল সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ সহ সর্ব স্তরের  নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ফুলবাড়ীয়ায় সিসিডিবি’তে চেক বিতরণ ও প্রাক বড়দিন উ-দযাপন

    ফুলবাড়ীয়ায় সিসিডিবি’তে চেক বিতরণ ও প্রাক বড়দিন উ-দযাপন

    মো: সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : জীবন জীবিকার মানউন্নয়নে সিসিডিবি-সিপিআরপি’র উদ্যোগে ফোরামের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ও প্রাক বড়দিন উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২.০০ টায় সিসিডিবি-সিপিআরপি ফুলবাড়ীয়া এরিয়া অফিসের কার্যালয়ে উপকারভোগীদের জীবন জীবিকার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ফোরাম সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার নূর মোহাম্মদ, থানা অফিসার ইর্নচাজ (ওসি) মো: সাইফুল্লাহ সাইফ, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ মোজাম্মেল হক, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ীয়া পাষ্টর ভিক্টরিয়া এজি চার্চ মিঃ সেন্টু মীর, ফুলবাড়ীয়া ওয়ার্ল্ড ভিশন এপি ম্যানেজার নম্রতা হাউই, প্রভাষক মোঃ মতিউর রহমান মতিন প্রমূখ।

    সভাপতিত্ব করেন সিসিডিবি-সিপিআরপি’র এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার। এ সময় । সিসিডিবি-সিপিআরপি, ফুলবাড়ীয়ার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দিলিপ দাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    এরপর আমন্ত্রিত অতিথি ও উপস্থিত সকলকে নিয়ে প্রাক বড়দিনের কেক কাটেন প্রধান অতিথি।

  • মহান বিজয় দিবসে ফুলবাড়ীয়ার হুকুম চাঁদা তরুন সমাজের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    মহান বিজয় দিবসে ফুলবাড়ীয়ার হুকুম চাঁদা তরুন সমাজের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের হুকুম চাঁদা গ্রামে তরুণ সমাজের উদ্যোগে এক উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এই ম্যাচে বিবাহিত বনাম অবিবাহিত দলের মধ্যে টান টান উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ। মাঠজুড়ে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক দর্শকের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।
    প্রীতি ফুটবল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা অনুরাগী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ খায়ের ওরফে খায়ের চেয়ারম্যান, সঞ্চালনায় ছিলেন সমাজসেবক জিয়াউর রহমান।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আহম্মদ আলী সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা শামীম মল্লিক, জুয়েল মিয়া, খাইরুল ইসলাম, রানা মিয়া, ইলিয়াস মন্ডল, মোশাররফ হোসেন, সারোয়ার সুমনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    খেলা শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। নির্বাচিত হই বা না হই এই এলাকায় একটি খেলার মাঠ করে দেব, এটাই আমার অঙ্গীকার।

    তিনি আরও বলেন, সমাজে খেলাধুলার চর্চা থাকলে যুব সমাজ মাদক থেকে দূরে থাকবে। তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একটি সুস্থ ও শক্তিশালী জাতি গঠনে খেলাধুলা অপরিহার্য।

    বক্তারা বলেন, মহান বিজয় দিবসের মতো জাতীয় দিবসে এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও সুস্থ বিনোদনের চর্চা বাড়াবে। ভবিষ্যতেও এমন ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।
    খেলায় অবিবাহিত দল বিজয়ী হয়। খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার হিসেবে একটি খাসি তুলে দেন প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে দে-খে নেয়ার হু-মকি রংপুর পুলিশ সুপারের

    সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে দে-খে নেয়ার হু-মকি রংপুর পুলিশ সুপারের

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি:

    পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও রংপুর অফিস প্রধান বাদশাহ ওসমানীসহ সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফত হোসাঈন। এ ঘটনায় রংপুরসহ উত্তরাঞ্চ‌লের সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ,খুনি হাসিনার মদতপৃষ্ট ও দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনতাকে গুলি করে হত্যাকারী এবং আবু সাঈদের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বদলাতে চাপ প্রয়োগকারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছাত্র জনতার উপর হামলাকারী ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত অসংখ্য পুলিশের বিরুদ্ধে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা সঠিক তথ্য তুলে ধরে সাহসিকতার সাথে একের পর এক সংবাদ প্রকাশিত হয়। তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

    এ কারণে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও রংপুর অফিস প্রধান বাদশাহ ওসমানীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে বাদশাহ ওসমানী জানান, চলতি মাসের ১১ ডিসেম্বর আমার দেশ অনলাইনে ‘ঘুষের টাকা না দেওয়াই খুনের আসামি’ শিরোনামে রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) উত্তম কুমারের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বিষয়টি তদন্তের জন্য নবাগত পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইনকে দায়িত্ব দেন।
    ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপার ঘটনাটি তদন্তের জন্য গঙ্গাচড়া মডেল থানায় যান। এসআই উত্তম কুমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা এমন তথ্য জানার জন্য পুলিশ সুপারকে হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার ফোন দেই। তিনি ফোন রিসিভ না করে বারবার কেটে দিলে ওনার হোয়াটসঅ্যাপে ‘আপনি যদি ফোন না ধরেন কথা না বলেন আপনার বক্তব্য ছাড়াই আপনার লোকজনের বিরুদ্ধে নিউজ হয়ে যাবে পরে আমাকে দোষারোপ করবেন না’ এই শব্দ লেখে একটি খুদে মেসেজ পুলিশ সুপারের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। মেসেজ পাওয়ার পরেই তিনি ফোন ব্যাক করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তিনি বলতে থাকেন, তোমার এত বড় সাহস তুমি আমাকে হুমকি দাও, তুমি পুলিশের বিরুদ্ধে এত নিউজ করো। তুমি কত বড় সাংবাদিক এটা আমার জানা আছে। পুলিশের বিরুদ্ধে আর একটা নিউজ করে দেখো তোমাকে দেখে নেয়া হবে। তুমি কিসের সাংবাদিক। কত বড় হইছ। তুমি আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নামে মামলা করেছে। তুমি একটি মামলার বাদী। কিভাবে তুমি মামলা করেছ সেটাও আমি দেখে নিব। তোমাকে দেখার জন্য এবং সাংবাদিকদের দেখার জন্য আমি রংপুর জেলায় বদলি নিয়েছি। পুলিশের বিরুদ্ধে আর একটি নিউজ প্রকাশিত হলে আমি তোমাকে ছাড় দেবো না বলে হুমকি প্রদান করেন। পুলিশ সুপারের এই হুমকির পর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বলে তিনি জানান।
    বাদশাহ ওসমানী আরো বলেন, পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইনের হুমকির পর পরই বিষয়টি রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দদের জানানো হয়েছে।
    এ বিষয়ে রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের আহবায়ক সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস শাহেদ মন্টু জানান, বাদশাহ ওসমানী কি মানের সাংবাদিক সেটা পুলিশ সুপারের দেখার বিষয় নয়। দেখি তিনি বাদশাহ ওসমানীর কি করেন বা কেমন সাংবাদিক। তাকে হুমকি দেওয়া কখনো মেনে নেওয়া হবে না। পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজন হলে আমরা রাস্তায় নামবো।
    রংপুর বিভাগীয় প্রধান লিয়াকত আলী বাদল বলেন, পুলিশ সুপার মারফত হোসাঈনের ব্যবহার ভালো না তিনি সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা ঘটনার বিষয়ে পুলিশ সুপারকে ফোন দিলে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আমি ছাড়া কি আর কর্মকর্তা নেই কেন আমাকে বারবার ফোন দিয়ে বিরক্ত করেন, আপনার ফোন দিয়ে আমাকে বিরক্ত করবেন না বলে ফোন কেটে দেন।
    লিয়াকত আলী বাদল আরো বলেন, যে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের সাথে ভালো আচরণ করে না উল্টো হুমকি দেয় এরকম পুলিশ সুপার দরকার নেই কারণ সামনের নির্বাচনে তথ্য না দিলে সাংবাদিকরা সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হবে। তাই তাকে এখান থেকে বদলি করার দাবি জানান তিনি।

    রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, গঙ্গাচড়ায় পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইনের কার্যালয়ে তথ্য নিতে গেলে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। রংপুরের অনেক সিনিয়ার সাংবাদিকদের সাথে তিনি খারাপ আচরণ করেছেন তার কথাবার্তা মোটেও ভালো না।
    ১৬ ডিসেম্বর বিভাগীয় কমিশনারের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময়ও পুলিশ সুপার মারুফত সাংবাদিকদের টোন করে বলেন, সাংবাদিকরা এত সাক্ষাৎকার নিয়ে কি করে এগুলো কোথায় দেখাবেন। তার এমন মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকেরা হতভম্ব হয়ে পড়েন। এর আগেও তিনি সিনিয়র সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদল মাহবুবুর রহমান জুয়েল আহমেদ সরকার মাজহারুল মান্নানসহ অসংখ্য সাংবাদিকের সাথে খারাপ আচরণ করেছেন বলে তিনি জানান।
    এ বিষয়ে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাদশাহ ওসমানী একজন পরীক্ষিত এবং আওয়ামী লীগের হাতে নির্যাতিত একজন সাংবাদিক। ইতিপূর্বেও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাবেক পলাতক পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার বাদশাহ ওসমানীকে ধরে নিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। বর্তমান পুলিশ সুপার একই পথে হাঁটছেন। বাদশাহ ওসমানীসহ সাংবাদিকদের নিয়ে পুলিশ সুপারের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ হুমকি মেনে নেওয়া হবে না। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা যদি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ না করে প্রয়োজনে আমরা কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলনে নামবো।
    সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, কেমন হুমকি বরদাস্ত করা হবে না তোমরা তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করো। তার আচরণগুলো ভালো করে তুলে ধরো। ঊর্দ্ধতন পুলিশ কর্তৃপক্ষ তার ব্যবস্থাগ্রহণ না করলে পরবর্তীতে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।
    অপরদিকে জানা যায়, মারফত হোসাইন দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার থাকাকালীন সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেছেন বলে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন। তার আচরণের কারণে সাংবাদিকরা তাকে এড়িয়ে চলতো বলে তারা জানান।
    দিনাজপুর জেলা মাই টিভির প্রতিনিধি মুকুল চ্যাটার্জি বলেন, পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইনের কথাবার্তাও ব্যবহার মোটেই ভালো নয়। তিনি সাক্ষাৎকার দিতে চাইলেও সাক্ষাৎকার দিত না। দিনাজপুরের সাংবাদিকদের তিনি সাংবাদিক মনেই করতেন না। এ কারণে সাংবাদিকরা তাকে এড়িয়ে চলত।
    আমার দেশের দিনাজপুর প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন খাঁন জানান, পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের ভালো চোখে দেখতেন না এ কারণে তাকে সবাই এড়িয়ে চলতাম। এখন তিনি রংপুরে গেছেন রংপুরে

    সাংবাদিকরা বলতে পারবে তিনি কেমন।
    এ বিষয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফত হোসাঈনের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এমনকি হোয়াটএপএ মেসেজ দেওয়ার পরও তিনি কোন জবাব দেননি।

    রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি বাদশাহ ওসমানীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আমাকে জানিয়েছেন। তবে পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইন নির্বাচনি ট্রেনিংয়ে রাজশাহীতে যাওয়ায় এই মুহূর্তে কোন কিছু বলছি না । তিনি ফিরে আসুক বিষয়টি আমি দেখব।

  • নীলফামারীতে মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদের প্রতি জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

    নীলফামারীতে মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদের প্রতি জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ

     ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি নীলফামারী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার  শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। 

    দিনের শুরুতেই ৩১ বার তোপধ্বনীর মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয় এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নীলফামারী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পুলিশ সুপার নীলফামারী। 

    পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল ৯ ঘটিকায় জেলা প্রশাসক নীলফামারী ও পুলিশ সুপার নীলফামারী  জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন।

    এসময় জেলা পুলিশ নীলফামারী, জেলা প্রশাসন নীলফামারীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ,  বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, সকল সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ সহ সর্ব স্তরের  নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান

    ময়মনসিংহে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে জাতির শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করেছে জেলা পুলিশ সুপার।

    ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ (বুধবার) দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার মুন্সী কবির উদ্দিন আহমেদ মাল্টিপারপাস শেড (কল্যাণ শেড) এ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী ময়মনসিংহ জেলার সকল পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যেে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা আলোচনা করেন।

    আলোচ্য অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আবদুল্লাহ আল্-মামুন,
    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), মোঃ আশরাফুল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), মাহফুজা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহরোয়ার্দী হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) তাহমিনা আক্তার,সহ অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ, পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা সদস্যবৃন্দ এবং পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যবৃন্দ।