Author: desk

  • বাবুগঞ্জে ব্রীজ নয় যেন এক ম-রন ফাঁ-দ

    বাবুগঞ্জে ব্রীজ নয় যেন এক ম-রন ফাঁ-দ

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ও একই উপজেলার পাশ্ববর্তী কেদারপুর ইউনিয়নের একমাত্র সংযোগ ব্রীজ যাহা কিচমত ঠাকুর মুল্লিক গ্রামে যাওয়ার এক মাত্র মাধ্যম এই ব্রীজ পেরিয়ে প্রতি নিয়ত কয়েক শতাধিক কচিকাঁচা স্কুল মাদ্রসা ও কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত তাদের বিদ্যা শিক্ষা নিতে বিদ্যালয় যেয়ে থাকেন। দীর্ঘ দিনের পুরাতন ব্রীজটি সংস্কারের অভাবে আজ মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

    এ থেকে কোন যানবাহন চলাচল করতে না পারায় মানুষকে পরতে হচ্ছে ব্যাপক ভোগান্তিতে। এবং ব্রিজটি দিয়ে সাধারণ মানুষ পার হতেও ব্যাপক হিমশিম খাচ্ছে। যে কোন সময় পারাপারে ব্রীজটি উপচে পরে জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে মনে করছেন ওই এলাকার লোকজন ।

    ব্রীজটি যেন এক মরন ফাঁদে পরিনিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। এ নিয়ে শংকায় দিন কাটাচ্ছেন ওই এলাকার ব্রীজ পারাপারে নিজ গন্তব্যে যাওয়ার কয়েক শতাধিক মানুষ। তাই ব্রীজটি দ্রুত নির্মান করে জন দূর্ভোগ লাঘবে কর্তৃ পক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

  • বাঁশগাড়া জগন্নাথ ধামের ১ দিন ব্যাপী বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত

    বাঁশগাড়া জগন্নাথ ধামের ১ দিন ব্যাপী বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৮নং দৌলতপুর ইউনিয়নের বাঁশ গারা বুড়াধামের ১ দিন ব্যাপী জগন্নাথ ধামের পুজো উপলক্ষে বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মেলার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনতার চেয়ারম্যান পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার রায় ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অভয় চন্দ্র রায়, অন্যান্যের মধ্যে সুভাষ চন্দ্র রায়, সমাজ সেবক মিঠুন রায়,অশেষ চন্দ্র রায়,রবীন্দ্রনাথ রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত মেলা অনুষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেলায় ছিল হরেকরকম দোকানের বেচাকেনার ভিড় ছিল। মেলায় বিভিন্ন এলাকার ভক্ত ও দর্শনার্থী দেখতে পাওয়া যায়।

  • রামদেবপুরে ৩ দিন ব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হরিবাসর সংকীর্তন পুজা উৎসব অনুষ্ঠিত

    রামদেবপুরে ৩ দিন ব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হরিবাসর সংকীর্তন পুজা উৎসব অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে ২নং কোষারানীগঞ্জ ইউনিয়নের রামদেবপুর গ্রামের হরিবাসর মন্দিরে ৩দিন ব্যাপী হিন্দুদের হরিবাসর অনুষ্ঠিত হয়

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনতার চেয়ারম্যান পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার রায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গৌতম চন্দ্র রায়,দিনেশ চন্দ্র রায় মাষ্টার,মানিক মেম্বার,
    ,সাবেক ইউপি সদস্য মহেন্দ চন্দ্র রায়,সাবেক সদস্য অজয় চন্দ্র রায়, সাবেক সদস্য ফজলুল হক,সুকুমার চন্দ্র দে,দেবেন্দ্র নাথ রায়,রাবিন্দ্র নাথ রায় প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে হাজার ভক্ত শ্রোতা দর্শকের উপস্থিতি দেখা যায়।অনুষ্ঠানে নওডাঙ্গা স্কুল মাঠে এক বিশাল মেলা বসে।উক্ত মেলায় বিভিন্ন দোকান পাট সহ মহিলাদের কসমেটিকস, শিশুদের হরেক রকম খেলনা পাওয়া যায়।

  • চাঁদাবা-জিতে অতি-ষ্ঠ ময়মনসিংহের ক্লিনিক ব্যবসায়ীরা, গ্রেফতারে ৭২ঘন্টার আ-ল্টিমেটাম

    চাঁদাবা-জিতে অতি-ষ্ঠ ময়মনসিংহের ক্লিনিক ব্যবসায়ীরা, গ্রেফতারে ৭২ঘন্টার আ-ল্টিমেটাম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে
    বিভাগীয় নগরী ময়মনসিংহের ব্যক্তি মালিকানাধীন পরিচালিত বেসরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকরা। চাঁদা না দিলেই ক্লিনিক মালিক ও কর্মচারীদের মারপিট করাসহ সহ ভাংচুর হত্যার হুমকি দিচ্ছে চাঁদাবাজরা। এযেন দেখার কেউ নেই। আর এতে ক্লিনিক মালিকরা এতোটাই অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন যে এসব চাঁদাবাজদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক এর নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন ময়মনসিংহের নেতৃবৃন্দ। ৭২ ঘণ্টা আলটিমেটামে চাঁদাবাজদেরকে গ্রেপ্তার না করলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিার সেন্টার বন্ধ করার ঘোষণাও এসেছে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন ময়মনসিংহের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে।

    অভিযোগে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি ময়মনসিংহ শহরের প্রায় তিন শতাধিক সরকারি ক্লিনিক প্রতিদিন হাজার হাজার রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছে।পাশাপাশি এসব ক্লিনিকে হাজার হাজার লোক তাদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকারি প্রায় ১১ টি দপ্তরে নিবন্ধন ফি (রাজস্ব) জমা দিয়ে সরকারি অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে। ভ্যাট- ট্যাক্স দিয়ে সরকারের রাজস্ব খাতে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে প্রতিষ্ঠান গুলো। সম্প্রতি কিছু অসাধু চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিকগণ দিশেহারা হয়ে উঠেছে। প্রাণের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছে না। আর যদিও কেউ প্রতিবাদ করে তাহলে তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন ও প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা তো অহরহ ঘটে থাকে। প্রশাসনকে জানালে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে থাকে। যে কারণে কোন প্রতিষ্ঠান মালিক থানায় অভিযোগ করতে পারে না।
    বাংলাদেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন, ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলম চন্দন জানান- এসোসিয়েশনে এমন অভিযোগ প্রায়ই আসে, অনেক সময় বৈঠক করেও এসব ঘটনার সমাধান করা সম্ভব হয় না, তাই নিরুপায় হয়ে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স ময়মনসিংহ এর পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক বরাবরে চাঁদাবাজি বন্ধ ও চিহ্নিত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে মালিক কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করা করা হয়েছে।

    অভিযোগ উঠেছে- চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ব্যবসায়ীদের কে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দালাল হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়। এমনকি তাদের নাম জুলাই-আগস্ট আন্দোলন সংশ্লিষ্ট দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়ারও হুমকি ধমকি দেওয়া হয়। শুধু মামলায় আসামি হিসাবে নাম ঢুকানোর হুমকি নয়, রীতিমতো ব্যবসায়ীদের পুলিশ দিয়ে হয়রানীও করা হয়। চাঁদাবাজি নিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর ক্লিনিক মালিক ও কর্মচারীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    কয়েক জন ব্যবসায়ী এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘সরকার আসবে সরকার যাবে। আমরা তো ব্যবসায়ী। আমরা সরকারকে ট্রেড লাইসেন্সের বিপরীতে কর দিই। আমরা আমাদের ব্যবসা করে যেতে চাই। পুলিশকে অভিযোগ দিলেই আমাদের প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে।তারা আরো জানান- চাঁদাবাজরা বর্তমান সময়ে যেভাবে আমাদের অতিষ্ঠ করছে তা বিগত সময় কখনো এমন বেপরোয়া চাঁদাবাজি হয়নি। দলমতের উর্ধ্বে থেকে আমরা নিরাপদ আশ্রয়ে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছি।

    তাদের অভিযোগ-দেশের সরকার থেকে শুরু করে সবকিছুর পরিবর্তন হলেও ময়মনসিংহের নগরী ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে চাঁদাবাজি এখনও বন্ধ হয়নি বরং আরও বেড়ে গেছে। গত ১৪ জুন শনিবার নগরীর একটি ক্লিনিকে সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করলে ক্লিনিক মালিক চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় মালিক ও ক্লিনিকে হামলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ক্লিনিকের মালিক।

    সুত্র জানিয়েছে- সেই প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকের কাছে চাঁদা দাবি, মারধর এবং সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে গত রবিবার “বাংলাদেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ময়মনসিংহ” এর কার্যকরী কমিটির জরুরি একটি সভা কমিটির সহ-সভাপতি শামসুদ্দোহা মাসুম এর সভাপতিত্বে স্বদেশ হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয় । চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম চরম আকার ধারণ করায় সভায় কমিটির নেতৃবৃন্দরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে সভায় উপস্থিত কার্যকরী কমিটির সদস্যগণ মতামত ব্যক্ত করেন। সভায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে সোমবার ১৬ জুন সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেন এবং ১৭ জুন ( মঙ্গলবার) দুপুর ১২ টায় চরপাড়া মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়ে নগরীতে মাইকিং করা হয়। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল হক পাপ্পু জানান,এসব কর্মসূচির পরও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করা না হলে ময়মনসিংহের সকল ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রেখে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করা হবে।

  • বোদা পৌরসভায় দরপত্র আহবানের আগেই কাজ শুরু 

    বোদা পৌরসভায় দরপত্র আহবানের আগেই কাজ শুরু 

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)ও পৌর প্রশাসক শাহরিয়ার নাজিরের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে নিজেই ঠিকাদারি কাজ শুরুর অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র আহ্বানের আগেই নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করায় তীব্র সমালোচনার মুখে বোদা পৌর প্রশাসন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৯ মে বোদা পৌরসভা ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পে মোট ৮৮ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩ টাকার দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্র কেনার শেষ সময় ৩ জুন এবং জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয় ৪ জুন। অথচ এ বিজ্ঞপ্তির অন্তর্ভুক্ত প্রথম প্যাকেজের কাজ শুরুর ঘটনা ঘটেছে তার আগেই।জানা গেছে, প্রথম প্যাকেজে ৯ লাখ ৯২ হাজার ৫৫২ টাকা বরাদ্দ। এই প্রকল্পে দরপত্র আহ্বান ও নির্বাচিত ঠিকাদার ছাড়া কাজ শুরু করে দেয় পৌর প্রশাসন। পৌর প্রশাসকের কক্ষ ও কনফারেন্স রুমের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ শুরু হয় গত মাসের ২৮ তারিখে। বিষয়টি অনুসন্ধানে নামলে সাংবাদিকদের কারণে ১৪ মে থেকে ওই কাজ বন্ধ রাখা হয়। বর্তমানে কক্ষ দুটি তালাবদ্ধ রয়েছে, যদিও কাজের প্রায় ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, সরকারি প্রকল্পে দরপত্র ছাড়া কোনো কর্মকর্তা নিজ উদ্যোগে কাজ শুরু করলে তা স্পষ্টত: সরকারি ক্রয় নীতিমালার লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকান্ড সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

    বোদা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রাফি ইমাম বলেন, ‘আমার কাজ হলো টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। কাজের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলতে পারবেন।’বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বোদা পৌরসভার পৌর প্রশাসক বলেন, ‘কোন অনিয়ম হয়নি। আমরা চেষ্টা করেছিলাম ডিরেক্ট পারচেজে কাজটি করব। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হলো এটা বড় আকারে টেন্ডারের মাধ্যমে করতে হবে। আমাদের যেটুকু আর্থিক সীমা আছে, বিধিবদ্ধ বিধান আছে সব কিছু অনুসরণ করেই আমরা কাজ করছি।’

    এব্যাপারে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন, ‘এটা খোঁজ নিতে হবে আগে। কথা বলতে হবে। কিভাবে করেছে না জেনে এক পক্ষের কথা শুনে তো আর কমেন্ট করা যাবে না। ব্যয় করার দুইটি নিয়ম আছে। টেন্ডারে বা পিআইসি’র মাধ্যমে করা যেতে পারে। তিনি যে কাজ করেছেন সেখানে সরকারি টাকা ব্যয় হয়েছে কিনা সেটা একটা বিষয়। যদি ব্যয় হয়ে না থাকে তাহলে সেটা কোথা থেকে হয়েছে সেটাতো বিষয় না। সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান যদি বেনিফিটেড হয় সরকারের কোন লস ছাড়া তাহলেতো কোন সমস্যা নেই। সরকারি একাউন্ট থেকে টাকা খরচ হয়েছে কিনা সেটা আগে দেখেন। যদি না হয়ে থাকে তাহলে তো কথা নেই। আমি এ বিষয়ে খোঁজ নিবো।

  • তাড়াশে জাতীয় ইমাম সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    তাড়াশে জাতীয় ইমাম সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি তাড়াশ উপজেলা শাখা আয়োজনে ইমাম ও খতিবদেরকে নিয়ে মতবিনিময় সভা ও অসহায় ইমাম খতিবদের আথিক সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ সোমবার (১৬জুন) তাড়াশ উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে উপজেলা জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহাব এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউণ্ডেশন তাড়াশ উপজেলা ফিল্ড সুপারভাইজার মো: আনিছুর রহমান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউণ্ডেশন তাড়াশ উপজেলা মডেল কেয়ারটেকার এস এম আব্দুল মাজিদ।
    উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাও: মোঃ শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা জাতীয় ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জামশেদ কবির, সহ সভাপতি মাও:মোখতার হুসাইন, মুফতি মাওলানা রায়হান আলী, মুফতি মাওলানা মো: জিয়াউর রহমান, মাওলানা আব্দুস সালাম ওসমানী, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া প্রমূখ।
    পরে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি তাড়াশ উপজেলার শাখার পক্ষ থেকে অস্বচ্ছল ও অসহায় ইমাম খতিবদের আথিক সাহায্য প্রদান করা হয়।

  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করলেন পরিবেশ উপদেষ্টা

    রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করলেন পরিবেশ উপদেষ্টা

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকল্প একনেক সভায় উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা স্থায়ী ক্যাম্পাস লাগবে এ ব্যাপারে কারোরই কোন দ্বিমত নেই। শুধু এখানে এসে দেখা যে জায়গাটা আসলে কেমন, কতটুকু উপযোগী।

    আজ (১৬ জুন) সোমবার দুপুরে উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের বহলবাড়ি এলাকার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন। এসময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মানের জন্য একনেক সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ৫১৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সম্পর্কে বলেন, বরাদ্দ ৫শ’ কোটি বেশি নাকি কম, কাজ শুরু হলে আরও পাওয়া যাবে কি যাবেনা তা নিয়ে হতাশার কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে তিনি যেহেতু দাপ্তরিক ভাবেও পরিবেশ নিয়েই কাজ করছেন; তাই চলনবিল অধ্যুসিত বড়াল নদী এবং গোচারণ ভূমির ক্ষতি না করে পরিবেশ ঠিক রেখে ক্যাম্পাস নির্মানের উপর গুরুত্ব দেন।

    এর আগে এদিন ঢাকা থেকে সকাল সাড়ে ১০ টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ এ এসে পৌছান। এসময় তাকে স্বাগত জানান রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. হাসান তালুকদার, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এরপর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ এর অডিটোরিয়ামে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস সম্পর্কিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর তিনি বাঘাবাড়ি ঘাট থেকে বড়াল নদী পাড়ি দিয়ে পৌছান তিন নদীর মোহনায় অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত নয়নাভিরাম রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে।

    সেখানে পৌঁছালে উপদেষ্টাকে স্বাগত জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ জমি এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ঘুরে দেখেন পরিবেশ উপদেষ্টা। এরপর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন তিনি। বৃক্ষরোপণ শেষে এক আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করেন।

    উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. কাইয়ুম আরা বেগম। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহজাদপুর সার্কেল, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

    এছাড়াও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এস.এম. হাসান তালুকদারসহ উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • তিতাস গ্যাসের নতুন করে অ-বৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হা-তিয়ে নিয়েছে দা-লাল চক্র

    তিতাস গ্যাসের নতুন করে অ-বৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হা-তিয়ে নিয়েছে দা-লাল চক্র

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আবারও তিতাস গ্যাসের হাজার হাজার অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সেই সাথে বৈধ গ্রাহকরা অবৈধ অতিরিক্ত হাজার হাজার চুলা ব্যবহারে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ মোটা অংকের টাকার মালিক হচ্ছে।
    সোমবার (১৬ জুন ২০২৫ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল এলাকায় ডাঃ কাজল এর ৬ তলা নতুন ভবনে ১টি চুলা বৈধ আর ৬৪টি চুলা অতিরিক্ত অবৈধ। এরকম অনেকেই সরকারি তিতাস গ্যাস চুরি করে ব্যবহার করছে। আশুলিয়ার কাঠগড়া সরকার বাড়ির ডিস ব্যবসায়ী ইলিম সরকার হত্যা মামলার আসামী কেমেলি’র বাড়িতে ১২টি চুলা অবৈধভাবে ব্যবহার করছে, জামগড়া ও জামগড়ার আশপাশের এলাকায় এরকম প্রায় প্রতিটি বাড়িতে বৈধ চুলার চেয়ে অবৈধ চুলার সংখ্যা অনেক বেশি ব্যবহার করছে। এসব চোরদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বিভিন্ন উপর মহলের পরিচয় দিয়ে থাকেন।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়াসহ বিভিন্ন এলাকার বাসা বাড়ি ও হোটেলে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করছে অনেকেই। এর কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। তিতাস গ্যাসের কতর্ৃপক্ষ অভিযান চালালেও কোনো ভাবেই বন্ধ করতে পারছেন না অবৈধ সংযোগ ব্যবহার। সারাদেশে যেসকল এলাকায় সরকারি গ্যাস রয়েছে সেখানেই অবৈধ সংযোগ বাণিজ্য জমজমাট ভাবে করছে দালাল চক্র। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ গ্যাহকদের চুলায় গ্যাস না থাকলেও অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীদের চুলায় গ্যাস থাকে সবসময় এর রহস্য কি জাতি জানতে চায়। যেমনঃ কিছু হোটেলে রান্না চলে প্রায় ১৪-১৬ ঘন্টা, এই সময়ে গ্যাসের চাপ অনেক বেশি কিন্তু বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন এবং সরেজমিনে গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার ভাদাইল, ইউসুফ মার্কেট, জামগড়া, মীরবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করেছে দালাল চক্র। প্রতি মাসে ৪-৫টি অভিযানে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন কতর্ৃপক্ষ কিন্তু দিনব্যাপী অভিযান শেষে রাতে আবারও অবৈধ সংযোগ দেওয়ার অনেক নজির ও সত্যতা রয়েছে। এ যেন চোর পুলিশের খেলা। বিশেষ করে সরকারের তহবিল থেকে প্রতিটি অভিযানে খরচ হয় প্রায় লক্ষাধিক টাকা, একই স্থানে ৭-৮ বার অভিযান চালানোর নজির রয়েছে কিন্তু অভিযান করা হলেও গ্যাস চোর অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি প্রায় দুই বছর। তাহলে সরকারের কত টাকা খরচ ও কত টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে তার কোনো হিসাব নাই। তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে প্রতিটি বাসা বাড়ি থেকে ৩০-৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে দালাল চক্র, হোটেল বা শিল্প-কারখানার সংযোগ হলে লক্ষাধিক টাকা নেয়া হয়, এইভাবেই একের পর এক সরকারি সম্পদ নষ্ট করে তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তার গ্যাসবাজি আর আগের মতো ভয় পায় না চোরেরা, তাদের খুঁটির জোড় কোথায় তা জাতি জানতে চায়।
    তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তাদের দাবি পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার পরিস্থিতি বা সক্ষমতা আপাতত নেই, তাই গ্রাহকদের আশায় ঝুলিয়ে না রেখে গ্যাস সংযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার জন্য সরকারি সিদ্ধান্তটি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে-কথাগুলো বলেছেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া, ইউসুফ মার্কেট, এদিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া এলাকা, মীর বাড়ি, চিত্রশাইল এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি, হাজার হাজার অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করছে বেশিরভাগ বাসা বাড়ির মালিকরা। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতা দালাল চক্র আবারও সক্রিয় হয়েছে। অন্যদিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর এলাকার সিরাজ, হানিফ, আব্দুল জলিল, ফারুক, ইউসুফ মার্কেটের কথিত মেম্বার মকবুল ও জামগড়া মীর বাড়ির জামাই হাবিবসহ অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত কয়েক বছরে সাভার ও আশুলিয়ায় অনেক মানুষ আহত নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন, আহতদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়। এদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতলের দামও অতিরিক্ত বেড়েছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ গ্রাহকদের চুলার গ্যাস টিপটিপ করে জ্বলে কিন্তু অবৈধ সংযোগের চুলায় সবসময় গ্যাস থাকার রহস্য কি জাতি জানতে চায়।বৈধ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিল ঠিকই নেয়া হয় কিন্তু গ্যাস না থাকার কারণ কি?। বিশেষ করে সরকারের উক্ত সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো রাজধানী ঢাকাসহ সাভার আশুলিয়ায় ও বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন পর্যায়ে ও শহরের বাসা বাড়ি ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। তারা অনেকেই দাবি করেন যে, গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
    ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। তারা গ্রাহকদের আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়েছে। গ্যাসের দালাল ও কন্ট্রাক্টাররা গ্রাহকদের টাকা আর ফেরত দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নামে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। বিশেষ করে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছিলো। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮লাখ হবে। দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আলোচনা করেছেন বলে জানান, গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম তথ্যভান্ডারে রয়েছে। আগামীতে এ বিষয়ে একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করা হতে পারে।সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এদিকে ২০২৫ সালে ঈদুল আযহা ঈদের ছুটির ফাঁকে নতুন করে অনেক বাসা বাড়ি ও কলকারখানায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালাল চক্র।
    তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ এর আশুলিয়া জোনের প্রকৌশলী আবু ছালেহ মোঃ খাদেমুদ্দীন বলেন, আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১ হাজার ৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে এর আগে আশুলিয়া থানায় ৪৮টি মামলা করা হয়, বর্তমানে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এখন দুদুকের কর্মকর্তারাও কাজ করছেন বলে তিনি জানান। সরকারি গ্যাস চোরদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ধারাবাহিক ভাবে চলবে।##

  • নি-ষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারে পরিবেশ দূ-ষণসহ ন-ষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি

    নি-ষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারে পরিবেশ দূ-ষণসহ ন-ষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে ও মার্কেটের দোকানে নিষিদ্ধ পলিথিন অবাধে বিক্রি ও ব্যবহার করায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে-এসব ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না নিরবতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। বিশেষ করে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করার কারণে-একদিকে সোনালী দিন ফেরাতে পাটের ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে না। অন্যদিকে পলিথিন ব্যবহার করায় পরিবেশ চরমভাবে দূষণ হচ্ছে। বিভিন্ন পলি ড্রেনে আটকে গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
    সোমবার (১৬ জুন ২০২৫্ইং) সকালে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকার হাট-বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল বাজার, জিরানী বাজার, কাঠগড়া বাজার, ভাদাইল বাজার, অন্যদিকে আশুলিয়া হাটসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন। প্রাইকারি ও খুচরা দোকানদার জানায়, সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই পলিথিন বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকেরই প্রশ্নঃ সরকার নিষিদ্ধ করার পরও যেখানে-সেখানে পলিথিন বিক্রি হচ্ছে কিভাবে? মানুষ বাজার খরচ করার সময় প্রায় ব্যক্তির হাতেই পলিথিন ব্যাগ দেখা যায় চোখে পড়ার মতো।
    বিশেষ করে বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্মর্কর্তার্গণ সোনালী দিন ফেরাতে পাটের তৈরি ব্যাগসহ বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করার জন্য সকলকে জানিয়েছেন,সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধ ও নিষিদ্ধ পলিথিন প্রকাশ্যে বিক্রি করে আসছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সারা বিশ্বে পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও তা বাংলাদেশে সকলের অবহেলা ও সচেতনতার অভাবে সোনালী অঁাশ পাট প্রায় বিলুুপ্তির পথে। বিশেষ করে লেখক, কলামিস্ট, পরিবেশববাদী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ বলেন, মাদক যেমনঃ যুবসমাজকে নষ্ট করে, তেমনি পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য পরিবেশের কুফল বয়ে আনে জমি নষ্ট করে। অনেকেই বলছেন যে, জমিতে পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য ফেলা হয়-সেই জমিতে ফসল হয় না।
    পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানান, পলিথিন বা প্লাস্টিক ব্যবহার করার কারণে রাস্তা ও ড্রেন নষ্ট করে পরিবেশ দূুষণ করছে কিছু অসাধু লোকজন। সরকার নিষিদ্ধ করার পরও যারা আইন মানছেন না-তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তারা দাবী করেন।

  • নড়াইলের তুলারামপুরে বৃটিশ শাসনামলে নির্মান হয় দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ

    নড়াইলের তুলারামপুরে বৃটিশ শাসনামলে নির্মান হয় দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    বৃটিশদের শাসনামলে নির্মিত হয় তুলারামপুর সরদারভিটা জামে মসজিদ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, তুলারমপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয় পুরাতন মসজিদ এটি । এ আগে এ ইউনিয়নে তরফদার বাড়ি জামে মসজিদটি নির্মান হয় । যা শের শাহ শাসনামলে । তরফদার বাড়ি জামে মসজিদ নির্মানে অনুপ্রানিত হয়ে তুলারামপুর গ্রামের ধার্মিক ব্যক্তিত্ব দলিল উদ্দিন মোল্য ১৮৮৯ সালে ৪ শতক জমির উপর উপরে খড় ও চার পাশে মাটির ওয়াল করে ছোট পরিসরে এ মসজিদটি নির্মান হয় । পরবর্তীতে পাকিস্তান শাসনামলে স্থানীয় গ্রামবাসিদের সহযোগিতায় উপরে টিন এবং পাকা ওয়াল দিয়ে মসজিদটি সম্প্রসারণ করা হয় ।
    এ সময় মসজিদটিতে ইমামসহ ২৭জন মুসল্লি নামায আদায় করতে পারতেন। তৎকালিন সময়ে জনবসতি কম থাকায় ২৭জন মুসল্লিকে শুক্রবার বাদে পাওয়া যেত না বলে এলাকার প্রবীনরা জানিয়েছেন। তারা আরো বলেছেন, ঘন বন জঙ্গলে ভরা এলাকাতে নির্মিত সে সময়কার মসজিদে মুসল্লিরা নামায আদায় করতে আসবেন এটা ভাবাই যেত না। পাকিস্তান শাসনামলে থেকে এ গ্রামে বসতি বাড়তে থাকে । বাড়তে থাকে মসজিদে এসে নামায আদায় করা মুসল্লিদের সংখ্যা । আবারও ২০০০ সালের দিক স্থাণীয় গ্রামবাসি মসজিদের প্রয়োজনীতা অনুভব করে সিদ্ধান্ত নেন মসজিদটি পূণঃনির্মানের জন্য । গ্রামবাসিদের সাহায্য-সহযোগিতায় ও পরে আরো ৩ শতক জমি বাড়িয়ে ৭শতক জমির উপর মসজিদটি একতলা ভবন নির্মান করা হয় ।
    সর্বশেষ ২০১৮ সালের শুরুতে স্থাণীয় জনগন আবারও মসজিদটি দ্বিতল ভবন নির্মান কাজ করে । বর্তমানে মসজিদটির একতলার ফ্লোরে এবং বাইরের ওয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে টাইলস স্থাপন করা হয়েছে । ইতিমধ্যে দ্বিতল ভবনের কাজ শুরু হয়েছে । মসজিদটি দ্বিতল ভবনের ওয়ালে চলছে টাইলস এর কাজ । মসজিদটির নির্মান কাজ শেষ এটি দর্শনীয় হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানান ।
    তুলারামপুর দক্ষিনপাড়ার বাসিন্দা ব্যাংকার ইমদাদুল ইসলাম বলেন, আমাদের পুর্ব পুরুষ ছিলেন মসজিদ প্রতিষ্ঠাতা । মসজিদটি নির্মানের সময় এখানে অল্প জনবসতি ছিল । শুধু তাই নয় বর্ষা মৌসুমে পানিতে থৈথৈ করতো । এ কারনে উচু ভিটার উপর মসজিদটি নির্মান করা হয় । তিনি আরো বলেন মসজিদটি তুলারামপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয় মসজিদ । মসজিদটির দ্বিতল ভবন নির্মান সম্পন্ন হলে ১’শ মুসল্লি এক সাথে নামায আদায় করতে পারবেন । বর্তমানে আমাদের ইউনিয়নে ৯টি মসজিদ নির্মান হলেও আমাদের মসজিদটি প্রতিষ্ঠাতা হয়ে বৃটিস শাসনামলে । আমার বাবা ও দাদা এ মসজিদে নামায আদায় করে গেছেন । আমি ও আমার সন্তান বর্তমানে নামায আদায় করছি । যা ভাগ্যের ব্যপার ।
    তুলারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান বুলবুল আহম্মেদ বলেন, আমাদের বাড়ির পাশেই এ মসজিদটি নির্মিত হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময় এর উন্নয়নে স্থানীয়দের নিয়ে কাজ করে আসার সৌভাগ্য আমার হয়েছে । এর আগে আমার পিতা আব্দুর রাজ্জাক মোল্যাও এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন । তিনিও মসজিদ উন্নয়নে কাজ করেছেন । স্থানীয়দের সাহয্য সহনুভুতির মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান কাজ শেষ করছি । মসজিদটি বাইরে ও ভিতরে টাইলস দিয়ে দর্মনীয় করে তোলার হয়েছে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে