Author: desk

  • কুমিল্লার দুই ছেলে অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দলে আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফরে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

    কুমিল্লার দুই ছেলে অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দলে আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফরে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,

    আগামী ১১ ই জুলাই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দল সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফরে যাচ্ছে। সাউথ আফ্রিকায় ৩ টি ওয়ানডে আর জিম্বাবুয়েতে সাউথ আফ্রিকা সহ ত্রি দেশীয় ওয়ান ডে ম্যাচ খেলবে মোট ৮ টি। কুমিল্লার ছেলে ফাস্ট বোলার সানজিদ মজুমদার ও ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স ভাই (ফিল্ডিং কোচ) মূল দলে সুযোগ পাওয়াতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জনাব মোঃ আমিরুল কায়ছার ৯ ই জুলাই তার কর্যালয়ে আনুষ্ঠানিকতায় ঐ দুই খেলোয়াড় কে সংবর্ধনায় শুভেচ্ছা জানান। এসময়
    সাথে আরো ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব পঙ্কজ বড়ুয়া, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য বদরুল হুদা জেনু, অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দলের স্ট্যান্ডবাই আরো ২ জন কুমিল্লার খেলোয়াড় মোঃ সবুজ, ইয়াসির আরাফাত ও কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমস। এসময়
    বিভিন্ন মাধ্যমে আরো শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ,এছাড়া সাবেক খেলোয়াড়, কুমিল্লার সকল ক্রিকেট কোচ, অন্যান্য খেলার সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাদের পক্ষ থেকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

  • সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভি-যানে ৩০০ বোতল  ম-দসহ একজন গ্রেফ-তার

    সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভি-যানে ৩০০ বোতল ম-দসহ একজন গ্রেফ-তার

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশৎঅভিযানে দেশীয় চোলাই মদসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে । এতে স্থানীয় লোকজন গ্রেপ্তারের সহযোগিতা করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আব্দুল হাকিম (৩০)। তিনি সুনামগঞ্জ সদর থানাধীন ডলুরা (উত্তর শহীদ মিনার) এলাকার বাসিন্দা।
    মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাতে ডিবি পুলিশের একটি টিম নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ডিউটিতে থাকা অবস্থায় সংবাদ পায় যে, সুনামগঞ্জ পৌরসভার পশ্চিম হাজীপাড়াস্থ সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে রাস্তার পাশে একজন ব্যক্তি দেশীয় চোলাই মদ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
    এই সংবাদ পেয়ে ডিবি পুলিশের এসআই মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন-এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় জনতার সহায়তায় মোঃ আব্দুল হাকিমকে গ্রেফতার করে নেওয়া হয়। এসময় আসামির হেফাজতে থাকা তিনটি রেক্সিনের ব্যাগ তল্লাশি করে প্রতিটি ব্যাগে ১০০টি করে সর্বমোট ৩০০টি সাদা প্লাস্টিক বোতলে ভরা দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। যার মোট পরিমাণ ১০৫ লিটার। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭৫ হাজার টাকা। এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত মোঃ আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।##

  • বীরগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনি-য়ম, ৬০ হাজার টাকা জরি-মানা

    বীরগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনি-য়ম, ৬০ হাজার টাকা জরি-মানা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি – স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসাবে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরে অবস্থিত দুটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ৯ জুলাই বুধবার দুপুরে জাতীয় ভাক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের জেলার সহকারী পরিচালক মাঃ বারহান উদ্দিন এবং বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আফরাজ সুলতানা লুনার নেতৃত্বে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে দেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সটার এবং পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিদর্শন কালে প্রশাসনিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রেক্ষিতে ভাক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    দেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভাক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩০,০০০ টাকা ও পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৩০,০০০ টাকা সহ মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা কালে সার্বিক সহযাগিতায় ছিলন মেডিকেল অফিসার ডা: নিলয় দাস, বীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের স্যানিটারি ইন্সপক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোঃ ফরিদ বিন ইসলাম।

    বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আফরাজ সুলতানা লুনা জানায়, প্রতিষ্ঠান সমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে সেবার মান উন্নত ও আইন মেনে পরিচালনা নিশ্চিত করে। জনস্বার্থ এ ধরনর অভিযান ভবিষ্যতও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

  • পটিয়ায় জো-রপূর্বক জায়গা দখ-ল চেষ্টার অভি-যোগ

    পটিয়ায় জো-রপূর্বক জায়গা দখ-ল চেষ্টার অভি-যোগ

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ।।
    চট্টগ্রামের পটিয়ায় জোর পূর্বক জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক বৃদ্ধ।
    অভিযোগকারী হলেন,পটিয়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের আইয়ুব বাবুলের বাড়ির মৃত আবিদুর রহমানের ছেলে সোলতান আহমদ চৌধুরী (৬৯)।
    এ ঘটনায় পটিয়া থানায় সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদী হয়ে পটিয়া থানায়
    একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বাদী ও ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার (৯ জুলাই) সকাল ৮ ঘটিকার সময় সুচক্রদন্ডী মৌজার আর এস ২৩২১ ও ২৩২২ দাগে বাদীর জমি জোর নির্মাণ সামগ্রী মজুত করে কাজ করছে। উক্ত জায়গা নিয়ে বিবাদীদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। বাদী সোলতান আহমদ চৌধুরী জানান, আমি বিবাদীগনের সহিত বিবাদ নিষ্পত্তি করার জন্য স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গের উপস্থিতিতে একাধিকবার চেষ্টা করি। কিন্তু বিবাদীগন কাহারো বিচার মানে না বলে জানায়। বর্তমানে বিবাদীগন আমার খরিদেয় সম্পত্তির মধ্যে নির্মান কাজ করার প্রস্তুতি গ্রহন করেছে। বিবাদীগনকে আমার খরিদেয় সম্পত্তির মধ্যে নির্মান কাজ করিতে নিষেধ করলে বিবাদীগন আমার কথায় কর্নপাত না করে উপুযপরি আমার সহিত মারমুখী আচরন করে ও আমাকে বিবাদমান জায়গার দাবি ছেড়ে দিতে বলে। আমি বর্ণিত জমি দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে উক্ত স্থানের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থীতির অবনতি সহ রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংকা করিতেছি।
    বিবাদীরা হলেন, (১) মোঃ রেজাউল হক (৩৫), পিতা-মোঃ এ কে ফজলুল হক সাং-খানমোহনা ধলঘাট ইউপি ২। মোঃ রমজান আলী (৩২) পিতা-আবদুল আলিম সাং-করল মাহাবুব চেয়ারম্যানের বাড়ি, ভাটিখাইন ইউপি ৩। মোঃ সফিকুল ইসলাম চৌধুরী (৪০) পিতা-মৌলভী আব্দুর রহিম সাং-আজিমপুর অলিরহাট, আলী আকবর চৌধুরী বাড়ি, কচুয়াই ইউপি সর্ব থানা-পটিয়া জেলা-চট্টগ্রাম ৪। মোঃ রহমত উল্ল্যাহ (৩০) পিতা-মোঃ হোসেন সাং-দক্ষিন করলডেঙ্গা আহল্লা মাতব্বর বাড়ি থানা-বোয়ালখালী জেলা-চট্টগ্রাম।
    সোলতান আহমদ চৌধুরী পটিয়া থানার এসআই মো. কামাল মিয়া জানান, এ বিষয়ে পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলেছি।

    মহিউদ্দীন চৌধুরী
    পটিয়া, চট্টগ্রাম।

  • নলছিটিতে মা ও ছেলের ইসলাম ধর্ম গ্রহ-ণ

    নলছিটিতে মা ও ছেলের ইসলাম ধর্ম গ্রহ-ণ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়া গ্রামের এক মা ও তাঁর ছেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আদালতের হলফনামার মাধ্যমে ধর্মান্তরের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

    ধর্মান্তরিত ওই যুবকের পূর্বের নাম ছিল প্রীতিশ মল্লিক। ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর নতুন নাম রাখা হয়েছে আবদুর রহমান মল্লিক। তাঁর পিতার নাম প্রয়াত বিষ্ণুপদ মল্লিক। তাঁর মায়ের আগের নাম ছিল কল্পনা মল্লিক, বর্তমান নাম ফাতেমা মল্লিক।

    আবদুর রহমান মল্লিক বলেন, “আমি সুস্থ, বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন এবং নিজ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম। আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। ছোটবেলা থেকেই মুসলিম বন্ধুদের সঙ্গে বড় হয়েছি। তাদের চলাফেরা, আচার-আচরণ, ধর্মীয় অনুশাসন এবং বই-পুস্তক ও আলেমদের বক্তৃতা শুনে বুঝতে পারি, ইসলাম শান্তি ও সত্যের ধর্ম। এই ধর্মের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি কালেমা পাঠ করে স্থানীয় মুসলমানদের উপস্থিতিতে মাওলানা সাব্বির হোসেনের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করি।”

    ধর্মান্তর প্রক্রিয়ার পুরো ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন নলছিটি হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মো. আল আমিন। তিনি নবদীক্ষিত মা ও ছেলের হাতে ইসলামিক বইসহ প্রয়োজনীয় উপহার তুলে দেন।

    স্থানীয়রা নব মুসলিমদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাঁদের নতুন জীবনের পথচলায় সফলতা কামনা করেছেন।

  • মাদারীপুরে ইমামকে নিয়ে কু-রুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতি-বাদে সংবাদ সম্মেলন

    মাদারীপুরে ইমামকে নিয়ে কু-রুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতি-বাদে সংবাদ সম্মেলন

    আরিফুর রহমান, মাদারীপুর:
    মাদারীপুর জেলা সদর জামে মসজিদের সম্মানিত ইমামকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মাদারীপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বাদ আসর জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মাদারীপুর ইমাম মুয়াজ্জিন সমাজ কল্যাণ পরিষদ, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা শাখা।

    উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই জেলা মডেল মসজিদের উদ্বোধনের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেন্টু খা নামের এক ব্যক্তি জেলা সদর জামে মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, “একজন ইমামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা শুধু একজন ব্যক্তির নয়, বরং গোটা ধর্মপ্রাণ মুসলিম সমাজের প্রতি অপমানজনক ও উস্কানিমূলক আচরণ। এটি ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা।”

    সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেন্টু খাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদানসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। পাশাপাশি অবিলম্বে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও জেলা মডেল মসজিদের দ্রুত উদ্বোধনের দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—
    হেফাজতে ইসলাম মাদারীপুর জেলা সভাপতি হযরত মাওলানা আলী আহমাদ (পীর সাহেব চন্ডীবর্দী), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ইমাম মুয়াজ্জিন সমাজ কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা জাহিদুল আলম খান, হেফাজতের জেলা যুগ্ম সম্পাদক মুফতী তাজুল ইসলাম ফারুকী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী জামাল উদ্দিন খান, দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামীম মুফতী মাহমুদ হাসান, খেলাফত মজলিসের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নোমান আল হাবীব এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আলতাফ হোসেন।

    আরিফুর রহমান মাদারীপুর ।।

  • গাইবান্ধা আদালতে ৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দা-য়ের

    গাইবান্ধা আদালতে ৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দা-য়ের

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনার সময় বিএসটিআই আইন- ২০১৮ এর ১৫ ও ২১ ধারা লংঘনের কারণে অনুযায়ী ০৯ জুলাই ২০২৫ খ্রি: তারিখে নিম্ন বর্ণিত ০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, গাইবান্ধা বরাবর মামলা দায়ের করা হয়।

    মামলা দায়েরকৃত প্রতিষ্ঠানগুলি হচ্ছে:
    ০১। মোঃ মমিনুর রহমান (৪০), মেসার্স তানিয়া বেকারী, জাংগালিয়া, বারকোনা, কামালেরপাড়া, সাঘাটা, গাইবান্ধা; পণ্য- বিস্কুট ও ব্রেড
    ০২। আরিফুল ইসলাম (আরিফিন) (৩৫), মেসার্স সাঈদ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী, আরিফ খা, বাসুদেবপুর, রামচন্দ্রপুর, সদর, গাইবান্ধা; পণ্য- বিস্কুট
    ০৩। মোঃ গোলাপ শেখ (৩৫), মেসার্স আশা ফুড, লক্ষীপুর, তুলসীঘাট, সদর, গাইবান্ধা; পণ্য- বিস্কুট
    ০৪। মোঃ ফিরিজুল ইসলাম, (৪৬), মেসার্স ফাতেমা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী, দহিচড়া, জুমারবাড়ি, সাঘাট, গাইবান্ধা; পণ্য- ব্রেড
    ০৫। মোঃ সাহাবুল মিয়া (৩৫), মেসার্স সানজিদা ফুড প্রোডাক্টস, কামালেরপাড়া, সাঘাটা, গাইবান্ধা; পণ্য বিস্কুট ও ব্রেড
    ০৬। মোঃ নাজমুল হক (৪৯), মেসার্স নিলা বেকারী, উল্লা সোনাতলা, সাঘাটা, গাইবান্ধা; পণ্য- কেক
    ০৭। মোঃ রিপন মিয়া (৩২), মেসার্স তৃপ্তি বেকারী, জুমারবাড়ি, সাঘাটা, গাইবান্ধা; পণ্য- বিস্কুট ও ব্রেড
    ০৮। মোঃ মশিউর রহমান (৫০), মেসার্স সিয়াম ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী, মামুদপুর, জুমারবাড়ি, সাঘাটা, গাইবান্ধা; পণ্য- বিস্কুট ও ব্রেড

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • গোদাগাড়ীতে হা-তুড়ী দিয়ে পি-টিয়ে হ-ত্যার ঘটনায় ৭ আসামি দিনাজপুর থেকে গ্রে-প্তার

    গোদাগাড়ীতে হা-তুড়ী দিয়ে পি-টিয়ে হ-ত্যার ঘটনায় ৭ আসামি দিনাজপুর থেকে গ্রে-প্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে মনিরুল ইসলামকে লোহার হাতুড়ী দিয়ে পিটিয়ে
    হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামীসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের হায়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৬ জুলাই মনিরুল ইসলামকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- গোদাগাড়ীর দেলসাদপুর গ্রামের মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৬০), আকবর আলী (২৮), বাবর আলী (১৯), নারায়নপুর গ্রামের মফিজুল ইসলাম (৫০), সাদ্দাম হোসেন (৩৭), মোঃ হানিফ (২৯) ও মোঃ রমজান আলী (২০)।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, নিহত মনিরুল ইসলাম (৪৭) একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ছিলেন। গত ৬ জুলাই রাত ৯টার দিকে তিনি জমি সংক্রান্ত কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় গোদাগাড়ী থানাধীন আইহাই (রাহি ) গ্রামস্থ সাগরা মোড়ে পৌছালে আশরাফুল ইসলামসহ তার সহযোগীরা পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে পূর্ব শত্রুতার জেরে হাতে হাতুড়ী, বাঁশের লাঠি, লোহার রডসহ মনিরুলের পথরোধ করে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। মনিরুলকে গ্রামের অন্যান্য লোকজন বাঁচাতে গেলে তাদেরকেও বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

    পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় মনিরুল দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় গোদাগাড়ী থানায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। কিন্তু তার আগেই আসামীরা সুকৌশলে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে।

    এরই মধ্যে আসামীদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৫, সিপিএসসির একটি চৌকস আভিযানিক দল আসামীদের গতিবিধি অনুসরণ ও বিশ্লেষণ করে। তারই প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তার মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের হায়াতপুর পূর্বপাড়া নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উক্ত আসামীদেরকে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • পাইকগাছা আঠারমাইল মেইন সড়ক খা-নাখন্দে ভরা; অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি;যাতয়াতে চর-ম দু-র্ভোগ

    পাইকগাছা আঠারমাইল মেইন সড়ক খা-নাখন্দে ভরা; অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি;যাতয়াতে চর-ম দু-র্ভোগ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাইকগাছা-আঠারমাইল মেইন সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে। পাইকগাছা আঠার মাইল সড়কের কাশিমনগর হতে পাইকগাছা জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কটি সংস্কার না করায় বৃস্টিতে রাস্তা ভেঙ্গে খানা-খন্দ ও ডোবায় পরিণত সড়কটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। খানাখন্দে ভরা সড়কে বৃষ্টি হলে জমছে হাঁটু পানি। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে সড়ক। গোলাবাটি মোড়ের সড়কটি খালে পরিণত হয়েছে। অধিক ঝুকিপূর্ণ স্থান সতর্ক করতে লাল পতাকা দেওয়া হয়েছে। যানবাহন ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে।

    সড়কের পাইকগাছা জিরো পয়েন্ট, মানিক তলা, নতুন বাজার, হাবিব নগর, আগড়ঘাটা, গোলাবাটি ও কপিলমুনি বাজার মোড় সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টি হলে পানি জমে তলিয়ে যায়। বিশেষ করে পাইকগাছা জিরো পয়েন্ট ও গোলাবাটি মোড়ের সড়কে বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি জমে তলিয়ে যায়। পুরো সড়কে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি, ড্রেনেজের ময়লা পানি সড়কে এসে জমা হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে এ সড়ক দিয়ে চলাচলরত পথচারী ও এলাকাবাসী।
    উপকূল এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন ঢাকাগামী পরিবহন, বাস-ট্রাক, ছোট যানবাহনসহ হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন তাদের মালামাল বহনের জন্য ব্যবহার হয় মালবাহী বড় বড় ট্রাক। সব মিলিয়ে সড়কটি চলাচলের জন্য গুরুত্ব অনেক।
    জানা গেছে, পাইকগাছা জিরো পয়েন্ট হতে কপিলমুনি বাজার পর্যন্ত প্রায় ১৬ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইট, খোয়া, পাথর, উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কার্পেটিং উঠে এবড়ো-থেবড়ো হয়ে পড়েছে। রাস্তার গর্তের মাটি, ইট সরে খালে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় গর্তে পড়ে যানবাহনের এস্কেল ও পাতি ভেঙ্গে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া ভাঙ্গাচুড়া সড়কে যানবাহন চলাচলের কোন শৃংখলা নেই। যে যেভাবে পারছে সে সেভাবেই চলছে। ছোট যানবাহন ও অটোরিকশা উল্টে ঘটেছে দুর্ঘটনা। এতে করে সড়কে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা বাড়ছে।
    সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে পথচারি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। যাতায়াতের বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজারো মানুষ ও যানবাহন। চালক, যাত্রী সাধারণ ও এলাকাবাসি উপকূলের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে খুলনা জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সু-দৃস্টি কামনা করেছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • বৃষ্টিরদিনে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন

    বৃষ্টিরদিনে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।

    বর্ষায় ছাতা কারিগরদের কদর বাড়ছে। ঋতুর এই দেশ বাংলাদেশ। বর্ষার দুই মাস হলো আষাঢ় আর শ্রাবণ মাস। এ বছর আষাঢ় মাস থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তাই বর্ষাকালে ছাতার ব্যবহার অন্য সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ব্যস্ততা বেড়ে যায় ছাতা কারিগরদের।

    সারা বছর তেমন একটা কাজ থাকে না ছাতা কারিগরদের। তবে বর্ষা যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। কারণ, বর্ষা এলেই কদর বাড়ে তাদের। আর গেলো কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে পাইকগাছায় ছাতা কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    সারা বছর পাইকগাছা উপজেলার পৌরসভা বাজার, নতুন বাজার, আগড়ঘাটা, কপিলমুনি বাজারে ছাতা মেরামতের কাজ করে কারিগররা, তবে বর্ষাকালে উপজেলার পৌরবাজার, নতুন বাজার, গদাইপুর, চাঁদখালী,আগড়ঘাটা, কপিলমুনি,গড়ইখালী, বাকা বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে মৌসুমী কারিগররা ছাতা মেরামত করছে। এসব স্থানে নষ্ট ছাতা মেরামত কর লোকজনের ভিড় করছে। কারিগরদের ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটানা কাজ করে যাচ্ছেন।

    পাইকগাছা পৌরসভা বাজার পোস্ট অফিসের সামনে ফুটপাতে ছাতা মেরামতে ব্যস্ত ছিলেন কামাল শেখ। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি ছাতা মেরামতের কাজের সঙ্গে যুক্ত। কামাল শেখ বলেন, বৃস্টি হলে কাজও বেশী হয়। বৃষ্টির দিনে ছাতা মেরামতের কাজ একটু বেশি হয়। এসময় তিন থেকে পাচ শত টাকা রোজগার হয়। টানা বৃস্টির দিনগুলিতে ১৫ শত টাকা থেকে দুই হাজার টাকার কাজ করেছি। তবে অন্য সময় তেমন একটা কাজ থাকে না। ছাতা মেরামতের সামগ্রীর দাম বেড়েছে আর মুজুরিও বেশি টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ছাতা মেরামত করতে আসা জনসাধারণের।

    উপজেলার সরল গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। এখন বৃষ্টির সময়। বাতাসে ছাতার শিক ভেঙ্গে গেছে, তাই স্কুল ও প্রাইভেট পড়তে গেলে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। ছেলেমেয়েদের জন্য ছাতা দুইটা মেরামত করতে এসেছি।

    নতুন বাজারের ছাতার কারিগর গনেশ দাশ বলেন, ছাতার কারিগরদের দুর্দিন চলছে। তাই অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশাই গেছে।আবার অনেকে পূর্বপুরুষের এ পেশা ছাড়তেও পারেনি। পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। এ পেশায় কেউ আসতে চায় না। তাই দিন দিন এই পেশার কারিগররা হারিয়ে যাচ্ছে।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।