Author: desk

  • গোদাগাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  অনুষ্ঠিত।

    গোদাগাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহীঃ বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বর্বরোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেট হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শহিদ ফিরোজ চত্বরে ,যুবলীগের আয়োজনে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠান হয়।

    রবিবার বিকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা নেতা কর্মী সমর্থাগণ গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ফিরোজ চত্তর এলাকায় অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে উপজেলা চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সস্পাদক মাসুদ পারভেজ বিপ্লব, উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষায়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দিন সোহেল, গোদাগাড়ী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম সরকার, কৃষকলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন প্রমূখ।

    উল্লেখ্য ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় বঙ্গবন্ধুকন্যা অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও সেদিন প্রাণ হারান দলটির ২৪ নেতাকর্মী। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানও ছিলেন। আহত হন কয়েকশ। যাদের অনেকে শরীরে শত শত স্প্লিন্টার বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভয়াবহ ওই হামলার দেড়যুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতেই গ্রেনেড লানো হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াতের বাধার কারণে গ্রেনেড হামলায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, এমন কি সংসদে রাখা হয়নি শোক প্রস্তাব।
    ষড়যন্ত্রকারীরা আবারও আঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। নির্বাচন এলেই নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয় জানিয়ে বলেন, ২০০১ সালের কিছু সুশীল ও দুটি দেশের দূতাবাস কর্মীরা ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দিয়েছিল। বক্তাগণ আরো বলেন, বিশ্বের সব জায়গাতেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। পৃথিবীতো আজকে গ্লোবাল ভিলেজ। আজকে আমরা একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাপী যেখানে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে, আমরা তো এগুলোর বাইরে যেতে পারি না। সেই ধাক্কা আমাদের উপর এসে লাগছে।
    দেশের এই অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে মাত্র ১৫ টাকা কেজিতে ১৫ লাখ মানুষকে চাল দেয়ার ঘোষনা কররছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হসিনা।
    রেশন কার্ড এর ব্যবস্থা করা হবে। এক কোটি পরিবার এই রেশন কার্ড পাবে। এখান থেকে ন্যায্যমূল্য তারা তাদের পণ্য কিনতে পারবে। অচিরেই সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। বিএনপি জামায়াতের মিস্টি কথায় না ভুলে আওয়ামীলীগের সাথে থাকুন, শেখ হাসিনার সাথে থাকুন, ভাল কাজের সাথে থাকুন, উন্নয়নের সাথে থাকুন। পরি শেষে ২১ গ্রেনেড হামলায় নিহিত ও আহতদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢোল কলমি বিলুপ্ত প্রায়।

    গোদাগাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢোল কলমি বিলুপ্ত প্রায়।

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী থেকেঃ
    ঢোল কলমি, বেড়ালতা বা বেড়াগাছ নামেও পরিচিত। ঢোলকলমি হচ্ছে কনভলভালাসি পরিবারের এক ধরনের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড দিয়ে কাগজ তৈরি হয়। এই উদ্ভিদের ঔষধিগুণ বিরাজমান। ইংরেজি নাম: pink morning glory
    বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea carnea
    বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামের পথের ধারে, জলার পাশে, হাওর-বাঁওড়ে সর্বত্র এদের দেখতে পাওয়া যায়। গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, দ্রুত বর্ধনশীল এবং প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা আছে বলে গ্রামাঞ্চলে এই গাছ বাড়ি বা জমিতে বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ঢোলকলমির চাষ করতে হয় না। আর্দ্র পরিবেশে এর ডালপালা পড়ে থাকলেও আগাছার মতো এই গাছ জন্মে। এই গাছে দৃষ্টিনন্দন ফুল হয়। ফুল দেখতে মাইক বা ঘণ্টার আকৃতির। রং হয় হালকা বেগুনি ও সাদা। কথিত আছে, এই ফুলের আদি নিবাস সুদূর দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও বলিভিয়ায়। সেখানকার পাহাড়ি এলাকা থেকে স্প্যানিশ পাদরি সাহেবরা সপ্তদশ শতকে হিমালয়ের কাশ্মীর ও কাংড়া উপত্যকায় গির্জার বাগানে লাগানোর জন্য এটি নিয়ে আসেন। ধারণা করা হয়, সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভারতবর্ষে। কলমি পরিবারের উদ্ভিদ হলেও ঢোলকলমি লতাজাতীয় নয়। ফাঁপা কাণ্ড নিয়ে ঢোলকলমি বেড়ে ওঠে।

    দেশে অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়া ঢোলকলমি গাছের ফুল যেকোন বয়েসি মানুষের নজর কাড়বে। পাঁচটি হালকা বেগুনি পাপড়ির ফুল দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফোটে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা যায়। একটি মঞ্জরিতে চার থেকে আটটি ফুল থাকে। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরা আসে।
    এ গাছ অল্পদিনের মধ্যেই ঘন ঝাড়ে পরিণত হয়। এ গাছ জমির ক্ষয়রোধ করে ও সুন্দর ফুল দেয়।

    দেশের গ্রামাঞ্চলে এই গাছ জমির বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনেকে আবার জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। নদীর তীরে কিংবা বিশাল ফসলের মাঠে ঢোল কলমি জন্মে পাখির বসার জায়গা করে দেয়। এ গাছে বসে পাখি পোকামাকড় খায়। ফুলের মধু সংগ্রহ করতে কালো ভোমরার আনাগোনা দেখা যায়। গ্রামের শিশুরা ঢোলকলমির ফুল দিয়ে খেলা করে।

    এক সময় রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের গ্রাম অঞ্চলে অধিকংশ পরিবার ফসলের ক্ষেত, পুকুর ও বসতবাড়ির চারপাশে বেড়ার প্রধান উপকরণ হিসেবে এই ঢোল কলমি ব্যবহার করছে। কেউ কেউ কলমি গাছের সাথে নেট ও বাঁশের চটা ব্যবহার করে বেড়াকে শক্তিশালী করছে। অনেকেই অতিরিক্ত অংশ রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছে। ঢোল কলমির বীজ ও পাতায় বিষাক্ত উপাদান থাকে, এবং তেতো স্বাদের সাদা কষ থাকায় এর পাতা গরু ছাগল খায় না। তাই বেড়া হিসেবে এটা ব্যবহারের চাহিদা বেশি। ঢোল কলমি খরা ও বন্যায় সহনীয় বলে প্রতিকুল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। সহজেই মারা যায় না, খাল বিল ডোবা এবং খোলামেলা পরিবেশে বংশবৃদ্ধি করে। কীটপতঙ্গভুক পাখি ঢোলকলমির ডালে বসে পোকা ধরে খায়। গত ৯০ দশকে পোকার ভয়ে এ গাছ ধ্বংস করার একটা হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ভয়ংকর আতঙ্ক ছড়িয়েছিল ঢোলকলমি গাছে থাকা একধরনের পোকা। গুজব রটে যায়, এই পোকা এতটাই ভয়ংকর যে, কামড় দিলে মৃত্যু অবধারিত, এমন কি স্পর্শ লাগলেও জীবন বিপন্ন হতে পারে।
    এইসব খবর রেডিও, টিভি, পত্রিকায় মহামারীর মৃত্যুর খবরের মত কবে কজন মরল কজন হাসপাতালে গেল সেরকম ভাবে প্রচারিত হয়েছিল মাসজুড়ে। সারাদেশে সাধারণ মানুষ গণহারে, এমন কি স্থানীয় প্রশাসনও ঢোলকলমি গাছ কেটে সাবার করেছিল। এই বিদঘুটে নামের পোকাটি যে ত্রাস সৃষ্টি করেছিলো আমাদের এই দেশে, তার জুড়ি মেলা ভার! শুধু গ্রামে না, ঢোল কলমি পোকার আতঙ্ক ছড়িয়ে গেছিলো খোদ ঢাকা শহরেও। এটা না কি খুব বিষাক্ত এক পোকা, যার সংস্পর্শে আসলেই নির্ঘাৎ মৃত্যু। আতঙ্ক এই পর্যায়ে পৌঁছেছিলো, যে ছোট বড় সবাই তটস্ত থাকতো কখন যেনো কি হয়। আতংক যখন চরম পর্যায়ে তখন টিভিতে একজন বিশেষজ্ঞ পোকাটি ধরে এনে নিজের হাতের উপর ছেড়ে দিয়ে হাটিয়ে, তারপর হাত দিয়ে পিষে মেরে দেখিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে এটি আসলে খুবই নিরীহ একটি কীট, মোটেও প্রাণ সংহারী নয়। এরপর থেকেই আতঙ্ক কেটে যায়।
    ঢোলকলমি আতঙ্ক, গুজব এবং মিডিয়ার ভূমিকা এখন শিক্ষার বিষয়। এই ঢোল কলমি অথচ নদীতীর, খালপাড়ের মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখা, ভূমিক্ষয় রোধ, ভাঙনরোধে ঢোলকলমি গাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। ঢোলকলমি ফুল সারা বছরই ফোটে। তবে বর্ষার শেষ ভাগ থেকে শরৎ-শীতে প্রস্ফুটনের জোয়ার থাকে বেশি। একটি মঞ্জরিতে ৪-৮টি ফুল থাকে। ফানেলাকার আকৃতির ফুল। পাঁচটি হালকা বেগুনি বা হালকা গোলাপি পাপড়ি। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরা আসে।

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, ঢোল কলমি বেড়া এবং জ্বালানি হিসেবে বেশ ভালো। অনেক আগে থেকেই ব্যবহার হয়। চাষ ছাড়াই হয়, সহজে মরে না। এটা উৎপাদনে কোন খরচ হয় না।

    গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী মহল্লার গৃহস্থ হাসেম শেখ বলেন, এটা খুবই উপকারী গাছ। এই আলহাজ্ব আব্দুল মাতিন বলেন, সবচেয়ে বড় সুবিধা হল গরু ছাগলে না খাওয়ায় এটা বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। নদীতীর ভাঙন রক্ষা করে। অনেক সময় রান্নার কাজেও জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
    বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক বেড়া হিসেবে পরিচিত এই ঢোল কলমির। প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষায় মূল্যবান উদ্ভিদকে সংরক্ষণের ও সম্প্রসারণের জন্য সকলের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সাধ আছে সাধ্য নেই

    সাধ আছে সাধ্য নেই

    মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধ: ক্ষেতলাল উপজেলা ছোট তারা গ্ৰামের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার।
    সুমাইয়া মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে সে লেখাপড়ার পাশাপাশি গান ভাল গান করে। কিন্তূ সাধ আছে সাধ্য নেই হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে সুমাইয়া।
    সুমাইয়া বলে আমি ভাল গান গাইতে পারি, কিন্তূ আমার পরিবার হতদরিদ্র হওয়ার কারণে আমি ভাল কিছু করতে পারি।
    নেই ভাল গান গাওয়া মত সরঞ্জাম।
    অত্র এলাকায় গিয়ে দেখা যায় গ্ৰামের ছোট বড় সবার মুখে শোনা যায় সুমাইয়া ভাল গান করে, কিন্তূ তার পরিবার সচ্ছল না হওয়ায় পিছিয়ে পড়ে সুমাইয়া।
    সুমাইয়া বাবা শফিউল ইসলাম বলেন আমার মেয়ের প্রতিভা আছে কিন্তূ আমাদের সাধ্য নেই।
    শফিউল ইসলাম বলেন আমার মেয়েকে আমি অনেক বড় প্লাটফর্মে দেখতে চাই, হয়তো দারিদ্র্যতার কারণে আমার সপ্ন হয়তো সপ্নই থেকে যাবে।
    এতে শফিউল ইসলাম বলেন সমাজের বৃত্তবান কোনো মানুষ এগিয়ে আসলে আমার মেয়ে সুমাইয়া ভাল কিছু করতে পারবে।
    সুমাইয়ার গান শুনে অত্র এলাকায় সহ তার গ্ৰামের সবাই মুগ্ধ।
    সুমাইয়া সহ তার পরিবার সহযোগিতা কামনা করেন।

  • মোংলায় ২১ আগষ্ট উপলক্ষে বিক্ষোভ মিছিল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    মোংলায় ২১ আগষ্ট উপলক্ষে বিক্ষোভ মিছিল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    মোংলা প্রতিনিধি।
    মোংলায় ছাত্র লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় মোংলা উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্র লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে বের হয়ে মোংলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ করে। পরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি শিকদার ইয়াছিন আরাফাত’র সভাপতিত্বে , আলোচনা সভায় বক্তারা ২১ আগষ্টের হামলাকারীদের ফাঁসির দাবি জানান এবং হামলায় নিহত সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত যেসব আসামী এখনো বিদেশে পালিয়ে আছে, তাদের দেশে ফিরে এনে রায় কার্যক্রমের দাবি জানাচ্ছি। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট হামলায় পেছনে যারা ছিল, জীবিত বা মৃত যাই হোক না কেন, কমিশন গঠন করে তাদের সকলের নামের তালিকা জাতির সামনে তুলে ধরার দাবি জানাচ্ছি।
    দেশের স্বাধীনতাকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল খুনিচক্র। খুনিচক্রের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সকল চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আরো এগিয়ে যাবে। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু সুনীল কুমার বিশ্বাস, মোংলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ইব্রাহীম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান জসিম, বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উপদপ্তর সম্পাদক শেখ ইমরান হোসেন, মোংলা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. ইস্রাফিল হাওলাদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমরান বিশ্বাস, পৌর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সুমী লীলা, উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক সজীব খান, পৌর ছাত্র লীগের সভাপতি কাজী রানা, সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি শেখ, কলেজ ছাত্র লীগের সভাপতি সানি সাধারণ সম্পাদক রাসেল সহ মোংলা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, কাউন্সিলর বৃন্দ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ, সকল ইউনিয়ন ও পৌর ছাত্র লীগের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। সভা শেষে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

  • বানারীপাড়ায় রাতে ট্রলারের ধাক্কায় ব্রীজ ক্ষতি গ্রস্থ

    বানারীপাড়ায় রাতে ট্রলারের ধাক্কায় ব্রীজ ক্ষতি গ্রস্থ

    বিশেষ প্রতিনিধি।
    বরিশালের বানারীপাড়ায় রাতে ট্রলারের ধাক্কায় একটি আয়রন ব্রীজ ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ায় জন চলাচলে দূর্ভোগ হচ্ছে। শনিবার ২০ আগষ্ট রাতে উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মালিকান্দা গ্রামের খালের পশ্চিম পাশে নির্মিত আয়রন ব্রীজটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকাবাসী জানায়, ১৯ আগষ্ট শুক্রবার রাতে ট্রলারের ধাক্কায় ব্রীজটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ জন্য ব্রীজের উপর দিয়ে জন চলাচল এবং ব্রীজটির নীচ থেকে কোন নৌকা, ট্রলার চলাচল করতে পারছে না। গুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটি দিয়ে চলাচলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এবং সাধারণ মানষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এলাকাবাসী যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ার হোসেন মৃধা জানান, অতি শীঘ্রই ব্রীজটি সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হব।

  • ক্ষেতলালে জাতীয় পার্টির দোয়া মাহফিল ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

    ক্ষেতলালে জাতীয় পার্টির দোয়া মাহফিল ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুহাটের ক্ষেতলালে কেন্দ্রিয় জাতীয়
    পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপির সড়ক দূর্ঘনা থেকে রক্ষা।
    পল্লীবন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ও ক্ষেতলাল উপজেলা জাতীয় পার্টির
    সাবেক সভাপতি মরহুম মোতালেব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মরহুম
    আবু সাঈদসহ দলীয় নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফিরাত কামনা করে রবিবার
    বিকেল ৫টায় উপজেলা জাতীয় পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে মিলাদ ও
    দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জাতীয়
    পার্টির সভাপতি মাহফুজার রহমান।
    পরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊদ্ধোগতির প্রতিবাদে
    এবং কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে উপজেলা জাতীয়
    পার্টির সভাপতি মাহফুজার রহমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে
    বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথি, জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি
    হেলাল উদ্দিন, প্রধান বক্তা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম
    সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক
    তিতাস মোস্তফা। বিশেষ অতিথি জয়পুরহাট সদর উপজেলা সভাপতি
    লোকমান হোসেন, পাঁচবিবি উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি
    মমতাজুর রহমান বাচ্চু, কালাই উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি
    এনামুল কবির, আক্কেলপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এমএ ওহাব
    চৌধুরী, জেলা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি শামীম ইশতিয়াক জেম,
    ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্র সমাজের নেতা মুকুল হোসেন প্রমুখ।

  • ক্ষেতলালে কিটনাশক দোকানে সিঁদ কেটে ১০লক্ষাধিক  টাকার মালামাল চুরি

    ক্ষেতলালে কিটনাশক দোকানে সিঁদ কেটে ১০লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে কিটনাশক
    দোকানে সিদ কেটে ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ ১ লক্ষ টাকা
    চুরির করেছে দূবৃত্তরা। শনিবার দিবাগত রাতে কোন এক সময় পৌর
    এলাকার ইটাখোলা হাইস্কুল মাকের্টের মেসার্স আলিফ ট্রেডার্র্স
    নামের কিটনাশকের দোকানে উল্লেখিত পরিমান মালামাল ও নগদ টাকা
    চুরির ঘটনা ঘটে।
    আলিফ ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী ওসমানুজ্জামান বলেন, ইটাখোলা
    হাইস্কুলের নৈশ্য প্রহরী তোফাজ্জল হোসেন ওই দিন সকালে মোবাইল
    ফোনে জানান স্কুলে পরিত্যাক্ত ভবনের রুমের ভিতর থেকে আপনার দোকানে
    দেয়ালে সিদ কেটেছে চোরেরা। খবর পেয়ে দোকান খুলে দেখি পূর্ব
    দিকের দেয়ালে সিদ কেটে সিনজেন্টা এবং অন্যান্য কোম্পানির
    কিটনাশক ও নগদ টাকাসহ প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
    এবষিয়ে ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রওশন ইয়াজদানী বলেন,
    বাজারে নৈশ্য প্রহরী থাকা অবস্থায় এমন চুরির ঘটনা দূঃখ্যজনক। চুরির
    মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে, প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করে আইনের
    আওতায় আনা হবে।

  • ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    আজিজুল ইসলামঃ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার(২১শে আগস্ট) বিকালে উপজেলার বাগআঁচড়া ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনেরর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

    মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারণত সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবির বকুল, কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু,সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীন সহ নেতৃবৃন্দ।

    এসময় বক্তারা বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলেই বাংলাদেশে জঙ্গিদের উত্থান ঘটে। তারাই জঙ্গিদের লালন-পালন করে আসছে। তাই দেশবিরোধী অপশক্তি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

    এ বিক্ষোব মিছিল ও সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন,বাগআঁচড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সাবেক মেম্বার আলী আহম্মেদ,সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হাসান তুতুল, ছাত্রলীগ সভাপতি আহসান হাবীব পল্টু, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান অপু,ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ রানা চঞ্চল,শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি আকিব জাভেদ শুভ,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শিপলু, বাগআঁচড়া কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দুই ইউনিয়নের আওয়ামিলীগ ছাত্রলীগ, কৃষকলীগের নেতা কর্মীরা।

    এ সময় ২১ আগস্ট হামলায় জড়িতদের দ্রুত রায় প্রদান করে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

  • স্বরূপকাঠিতে স্বামীর অত্যাচারে স্ত্রীর আত্মহত্যা-স্বামী আটক

    স্বরূপকাঠিতে স্বামীর অত্যাচারে স্ত্রীর আত্মহত্যা-স্বামী আটক

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি,
    স্বরূপকাঠিতে স্বামীর অত্যাচারে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে গৃহবধু সেবিকা রানী রায়(২২) ।শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার দূর্গাকাঠি গ্রামে রায় বাড়ীতে। থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে সেবিকার পিতা শান্তিরঞ্জন হাওলাদার বাদী হয়ে রাতে নেছারাবাদ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেবিকা রানীর স্বামী বিধান রায়কে(৩৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।
    মামলার সূত্রে জানাগেছে, প্রায় ৯ বছর পূর্বে স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলার দূর্গাকাঠী গ্রামের কালীকান্ত রায়ের ছেলে বিধান রায়ের সাথে নলছিটি উপজেলার নাচন মহল এলাকার শান্তিরঞ্জন হাওলাদারের মেয়ে সেবিকা রানী রায়ের বিয়ে হয় তাদের একটি ৭ বছরের সন্তান রয়েছে। বিধান তেমন কাজ কর্ম করেনা। সে বার বার পিতার বাড়ী থেকে টাকা পয়সা এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রী সেবিকা কে চাপদিত। এ নিয়ে বিধান প্রায়ই সেবিকাকে মারধর করত। ঘটনার দিনও বিধান তাকে মারধর করে । এক পর্যায়ে সেবিকা ঘরের মধ্যে গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। খবর পেয়ে সেবিকার পিতা থানায় এসে মামলা দায়ের করলে পুলিশ বিধান রায়কে গ্রেপ্তার করে।
    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ঘটনার কথা জানার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এবং স্বামী বিধান রায়কে নজর দারীতে রাখে। রাতে সেবিকার পিতা শান্তিরঞ্জন হাওলাদার অভিযোগ দিলে বিধানকে গ্রেপ্তার কওে শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ##

  • স্বরূপকাঠিতে ডিমের আড়ৎ সহ তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    স্বরূপকাঠিতে ডিমের আড়ৎ সহ তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

     স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর)প্রতিনিধি,
    স্বরূপকাঠিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ডিমের আড়তসহ তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল বিভাগীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক অপূর্ব অধিকারী,সহকারি পরিচালক সুমিত্র ও পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক দেবাশিষ রায়। বরিশাল এপিবিএন সদস্যদের সহায়তায় জগন্নাথকাঠি বন্দরে মূল্য তালিকা না থাকায় সিকদার এন্ড সন্স ডিমের আড়তকে ৫ হাজারটাকা, সোয়াবিন তেলের বোতলের মুল্য তালিকা ঘষে উঠানোর দায়ে হাজী ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা এবং কামারকাঠি এলাকায় মেয়াদোর্ত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির দায়ে মৌমিতা মেডিকেল হলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উপজেলা সেনিটারী ইন্সেপেক্টও গাজী মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। ##