Author: desk

  • আগামি নির্বাচন আওয়ামী লীগের কাছে অগ্নিপরীক্ষাঃএমপি ফারুক চৌধুরী

    আগামি নির্বাচন আওয়ামী লীগের কাছে অগ্নিপরীক্ষাঃএমপি ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য অগ্নিপরীক্ষা, এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে সবার আগে আমাদের ঐক্যর প্রয়োজন। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নাই। আগামী জাতীয় নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে হলে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই, অতীতের সব মানঅভিমান ও ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ
    হতে হবে, কারণ আগামীর নির্বাচন হবে চ্যালেন্জিং, এ জন্যই কে কি পেলাম আর পেলাম না সেটা নিয়ে ঘরে বসে থাকার সময় নেই। দেশের স্বার্থে, স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে ও বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে। কোন কারনে শেখ হাসিনা সরকার না থাকলে আবার দেশে জঙ্গিবাদ কায়েম হবে, আর এটাই বাস্তবতা। দেশে এখন মুশতাকের অনুসারীরা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে নানা পরিকল্পনা করছেন। মহামারী করোনা ভাইরাস ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে বিশ্বের মোড়ল দেশগুলো অর্থনীতিতে তাল মাতাল, তারাও কিভাবে এই মন্দা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সে চিন্তায় বিভোর। আর আমাদের সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও
    জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। গ্রামীণ দরিদ্র অসহায় মানুষের জন্য প্রতি মাসে ভিজিএফ, ভিজিডি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভবতী ভাতা, অল্প মুল্যে দেশের প্রায় এক কোটির বেশি পরিবারকে বিশাল ভর্তুকির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য দেওয়া, সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার জন্য ওএমএসের চাউল এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় বিগত কয়েক বছর ধরে দশ টাকা কেজিতে চাউল বিক্রি। অবশ্য এবার সেটাকে ১৫ টাকা কেজি ধরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাউল কিনতে হবে। এতকিছুর পরও আপনারা যদি আওয়ামী লীগের বা শেখ হাসিনার পক্ষে না থাকেন তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকার দেখবে। জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেন। জানা গেছে,৩১ আগষ্ট মঙ্গলবার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক সুফি কামাল মিন্টুর সঞ্চালনায় এবং কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস-২০২২ উপলক্ষে মাদারীপুর বাজার শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ চত্ত্বরে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খান।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত
    ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকার,উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, ভাইস চেয়ারম্যান সোনিয়া সরদার ও আবু বাক্কার সিদ্দিক , চান্দুড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বাধাইড় ইউপির চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক আতাউর রহমান, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, তালন্দ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার আবু সাইদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শামসুল ইসলাম, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি জিমি কাটার রণি, সম্পাদক ইন্জিনিয়ার মাহাবুর রহমান মাহাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মইফুল ইসলাম ও পঙ্কজ কুমার হালদারপ্রমুখ। এদিকে আলোচনা সভা ও দোয়া শেষে দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

  • পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে ঢালারচরের উপকারভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ

    পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে ঢালারচরের উপকারভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নের উপকারভোগীদের ২৯-৩০ আগস্ট দুইদিন ব্যাপী গরু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে ও বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ঢালারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত ওই প্রশিক্ষণে ইউনিয়নের কাকশিমুল গ্রামের হতদরিদ্র ১৩ জন নারী উপকারভোগী অংশগ্রহন করেন। পরে মঙ্গলবার প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওই গ্রামের হতদরিদ্র ০৮ জন নারী উপকারভোগীদের মাঝে বকনা বাছুর গরু বিতরণ করেন বেড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) রিজু তামান্না । ঢালারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কোরবান আলীর সভাপতিত্বে ও পাবনা প্রতিশ্রুতির সহকারী পরিচালক মো. ওয়ালিদ হাসানের স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বেড়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ মো.মিজানুর রহমান ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো.রফিকুল ইসলাম। এ সময় পাবনা প্রতিশ্রুতির পরিচালক মো.মনির হোসেন, অডিট অফিসার কায়নাত রশিদ ও পাবনা প্রতিশ্রুতির ত্রিমোহনী শাখার শাখা ব্যবস্থাক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরবর্তী বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তির পরে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনকারী অপর হতদরিদ্র ৫ জন নারী উপকারভোগীর মাঝে গরু বিতরণ করা হবে।

    ক্যাপশনঃ পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে মঙ্গলবার বেড়ার হতদরিদ্র ০৮ জন নারী উপকারভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) রিজু তামান্না।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিং

    নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিং

    নওগাঁ প্রতিনিধি : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব এবং টিসিবি’র কার্ডহোল্ডারদের মধ্যে নায্যমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। দেশে পর্যপ্ত চাল মজুদ থাকা সত্বেও সম্প্রতি হঠাৎ করে বাজারে চালের মূল্য কেজি প্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোক্তাদের অসুবিধার কখা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে মানবিক এই কর্মসূচী গ্রহন করা হচ্ছে।

    খাদ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নওগাঁ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে খাদ্য বিভাগ আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন ইতিপূর্বে সারাদেশে ৮১৩টি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১ মেট্রিক টন করে চাল সরবরাহ করা হতো। আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ২ হাজার ৩শ ৬৩টি কেন্দ্রে প্রতিদিন ২ মেট্রিক টন করে চাল সরবরাহ করা হবে। এসব কেন্দ্রে টিসিবি’র কার্ডহোল্ডারদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

    খাদ্যমšী¿ বলেছেন দেশে বর্তমানে ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার ৫৩১ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যশষ্য সংগ্রহ অভিযানের আরও দু’দিন বাঁকী রয়েছে। অর্থাৎ এ দু’দিনে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য সংগৃহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি মহল সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে সাধারন মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার লক্ষেই এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু জনবান্ধব সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্রকারীদের সকল অপতৎপরতা নস্যাৎ করে সাধারন মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে যার কিছু করা দরকার তার সব কিছু করে যাচ্ছেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিটি ওএমএস কেন্দ্রে টিসিবি’র কার্ডধারীদের প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা মূল্যে মাসে দু’বার ৫ কেজি করে চাল দেয়া হবে। টিসিবি’র কার্ড নাই এমন সাধারন মানুষদের এন আই ডি কার্ডের বিপরীতে একই পরিমাণ চাল দেয়া হবে। এ ছাড়াও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় সারাদেশে ৫০ লক্ষ পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা মূল্যে প্রতি পরিবারকে মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিতরন করা হবে। অপরদিকে ঢাকা মহানগরে ৫০টি ট্রাকে উন্মুক্তভাবে চাল বিক্রি করা হবে। ট্র্কাসেল কর্মসূচীতে প্রতিদিন প্রত্যেকটি ট্রাকে ২ মেট্রিক টন করে চাল ওএমএস-এর আওতায় বিক্রি করা হবে বলে প্রেসব্রিফিং এ জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী। একই ব্যক্তি যাতে বার বার এসব কর্মসূচীতে চাল আটা সংগ্রহ করতে না পারে সে জন্য টিসিবি কার্ডহোল্ডারদের কার্ডে সীলমোহর দেয়া হবে। অপরদিকে সাধারন ভোক্তাদের জাতীয় পরিচল পত্রে অনুরুপভাবে সীলমোহর প্রদান করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন দেশে চলতি আউশ মওসুমে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ ধান উৎপাদিত হচ্ছে। একদিকে আউশের পর্যাপ্ত উৎপাদন অপরদিকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। কাজেই বাজারে ইতিমধ্যেই চালের দাম কমতে শুরু করেছে। খুব শীঘ্রই চালের দাম স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে চলে আসবে।

    এ সময় নওগাঁ সদর আ্সনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, মন্ত্রী’র একান্ত সচিব মোঃ শহিদুজ্জামানসহ খাদ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

  • নওগাঁয় ১৫ আগষ্ট উপলক্ষ্যে বিশাল শোক সমাবেশ উন্নয়নের এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই -তথ্যমন্ত্রী

    নওগাঁয় ১৫ আগষ্ট উপলক্ষ্যে বিশাল শোক সমাবেশ উন্নয়নের এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই -তথ্যমন্ত্রী

    নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারনে বর্তমান সরকারের সময় দেশে অভাবনীয় উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। উন্নয়নের এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে পুনরায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামলীগের কোন বিকল্প নাই। কারন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশে আবারো সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস বোমাহামল্ াআর জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটবে। যারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছিল, যাদের সময় বিদ্যুৎ আর সারের জন্য মানুষ হত্যা করা হয়েছিল, যারা দূনীতিতে পর পর ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশের মানুষ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায়না।

    তথ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৫টায় নওগাঁ নওযোয়ান ঈদগাহ মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশাল শোক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কখা বলেছেন।

    নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে আয়োজিত শোক সমাবেশে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রোকেয়া সুলতানা, নওগাঁ-২ ধামইরহাট-পতœীতল্ াআসনের সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ-৩ মহাদেবপুর-বদলগাছি আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার এবং নওগাঁ-৬ রানীনগর-আত্রাই আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বক্তব্য রাখেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন। আজ থেকে ১৩/১৪ বছর আগে দেশের অবস্থা এমন ছিলনা। বর্তমানে দেশের রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে। এখন মানুষ আর না খেয়ে থাকেনা। আগে ঘরে ঘরে খাদ্যের অভাব ছিল। অনাহারে অর্ধাহারে বাসী পচা ভাত খেয়ে মানুষ জীবন কাটাতো। কিন্তু বর্তমান সরকারের বদৌলতে আজ আর কেউ না খেয়ে থাকেনা। ভিক্ষুকরাও এখন বাসী পচা ভাত খায়না। ভিক্ষুকরা এখন দু’মুঠো চাল কিংবা ২ টাকা বা ৫ টাকা ভিক্ষা নিতে চায়না। কমপক্ষে ১০ টাকা দিলে তারামোটামুটি খুশি হয়। এই পরিনবর্ত কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শিতার ফসল। দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন বিএনপি’র সময় বিদ্যুতের খাম্বা রাজনীতির কথা সবার জানা আছে। সে সময় বিদ্যুত আর সারের জন্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। বিদ্যুতের বর্তমান উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন বিএনপি’র সময় মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ আসতো। আর এখন মাঝে মাঝে বিদু্যুৎ যায়।

    তথ্যমšত্রী বলেন ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে সারা পৃথিবীতে কিছুটা বিরুপ প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশেও এর বাইরে নয়। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেও জ্বালানী বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। সেসব দেশেও সরকারীভাবে মানুষকে সাশ্রয়ী করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করতে হয়েছে। সেসব দেশের মানুষদেরও কষ্ট পেতে হয়েছে। তবে আশার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুদুরপ্রসারী নেতৃত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে তেল ও জ্বালানীর মূল্য সমন্বয় করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আর কিছুদিনের মধ্যে এসব সমস্যার সমাধান হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রা আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

    তিনি বলেন মানুষের এই সাময়িক কষ্ট দেখে বিএনপি মায়াকান্না দেখাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি’র এই মায়াকান্না দেখানোর কোন অধিকার নাই। কারন দেশের মানুষের দুঃখ কষ্ট আওয়ামীলীগের মত আর কেউ বোঝেনা।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন সরকারের উদারতা দেখে বিএনপি যদি আবারো আগুন সন্ত্রাসী চালায়, আবার যদি বোমা হামলা চালায়, নাশকতা করে, মানুষ হত্যার রাজনীতি শুরু করে সেক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ বসে থাকবেনা। দেশের সাধারন জনগনকে সাথে নিয়ে তাদের ঐ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সমুচিত জবাব দিবে। জনগনকে সাথে নিয়েই আমরা ঐসব সন্ত্র্সা এবং আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। সরকারও চুপচাপ বসে থাকবেনা। প্রশাসন শক্ত হাতে তা প্রতিরোধ করবে।

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • বানারীপাড়ায়  বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে “মেয়ে আমার অহংকার, আঠারোর আগে বিয়ে নয়” শ্লোগানে তথ্য কার্ড বিতরণ

    বানারীপাড়ায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে “মেয়ে আমার অহংকার, আঠারোর আগে বিয়ে নয়” শ্লোগানে তথ্য কার্ড বিতরণ

    এস মিজানুল ইসলাম। বিশেষ প্রতিবেদক।।
    সোমবার ২৯ আগস্ট বিকেল ৪ টায় বানারীপাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল চাখার ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের সেকেন্দার হাওলাদারের বাড়ীর উঠানে কিশোরীদের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য কার্ড বিতরণ করা হয়।
    ব্রাক আয়োজিত সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির ৫ নং পল্লী সমাজের কিশোরীদের এ কার্ড প্রদান করা হয়। বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে তথ্য কার্ডের শ্লোগান ছিল “মেয়ে আমার অহংকার, আঠারোর আগে বিয়ে নয়”। অভিভাবক, কিশোরী সহ জনসচেতনতার ওই তথ্য কার্ড বিভিন্ন বাড়ীর ফটকে লাগানো হয়। তথ্য কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা।
    চাখার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল খান, প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার জয় মালা মন্ডল, সহযোগী অফিসার লিপী ঘরামী প্রমূখ।#

    এস মিজানুল ইসলাম।

  • গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা গনপিটুনি খেয়ে পালিয়ে গেলেন।

    গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা গনপিটুনি খেয়ে পালিয়ে গেলেন।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বেশকিছুদিন থেকে একাধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গোদাগাড়ী -তানোরের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে বিভিন্ন নেতিবাচক কথা বলাবলি করে আসছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন স্থানে।

    তিনি বিভিন্ন সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসা করে শূন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন এলাকায় ব্যপক অভিযোগ রয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট বিদিরপুর উত্তরা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে ১৫ আগষ্টের আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় সোহেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির কথা বলেন এলাকাবাসী। এসময় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আপনারা যদি মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি কে ২/৫শ টাকা বিনিময়ে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন তার কাছ থেকে কিভাবে ভাল সেবা পাবেন। তার নিকট হতে চারিত্রিক সনদ কিভাবে নিবেন।

    তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর পরই নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পরেন। খোজ নিয়ে জানা যায়, তিনি অনেক আগে থেকেই পর নারীতে আসক্ত। কিছুদিন আগে ছয়টি ভূয়া প্রজেক্ট দেখিয়ে মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন।

    এটা অন্যান্য ইউপি সদস্যরা জানতে পারলে ইউনিয়ন পরিষদে চাঞ্চল্যকর কর পরিবেশ তৈরি হয়। ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন এবং সেটা ডিসি অফিসে এখন তদন্তধীন অবস্থায় রয়েছে।
    এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে সাধারন জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান সোহেল রানার কাছে জানতে যায় অপপ্রচার গুলো তিনি কেন চালাচ্ছেন। এমতাবস্থায় চেয়ারম্যান সোহেল রানা তার ক্যাডার বাহিনীদের ফোনে ডাকেন। এতে সাধারণ জনগন ও দলীয় নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেয়্যারমান সোহেল রানা ও তার ক্যাডার বাহিনীকে গণধোলাই দিলে চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও তার ক্যাডাররা পরিষদ থেকে পালিয়ে রক্ষা পান।

    এবিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানাকে একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যতিক্রমী উদ্যােগ পটিয়ায় হোল্ডিং ট্যাক্সের টাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন

    ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যতিক্রমী উদ্যােগ পটিয়ায় হোল্ডিং ট্যাক্সের টাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন

    মহিউদ্দীন চৌধুরীঃ চট্টগ্রামের পটিয়ায় জনগণের পরিশোধিত হোল্ডিং ট্যাক্সের অর্থে গ্রামীণ
    অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদে। ওই
    এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে জনগণ থেকে আদায়কৃত টাকার বিপরীতে ১৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ব্যতিক্রমী এ আয়োজনকে ঘিওে কুসুমপুরার
    উন্নয়ন নিয়ে নতুন রূপে স্বপ্ন দেখছেন এলাকার জনগণ। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী
    কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুল মামুনের সঙ্গে পরামর্শ করেই হোল্ডিং ট্যাক্সের অর্থে কুসুমপুরায় চলছে ১৪টি প্রকল্পের কাজ। মঙ্গলবার সকালে কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে
    মতবিনিময় সভার মাধ্যমে জনসম্মুখে ব্যক্তিক্রমী এ উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকারিয়া ডালিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন
    ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাজিব কুমার মিত্র, ইউপি সদস্য রওশন আরা রোজি, পারভিন আকতার, আকলিমা আকতার, মো.সালাহ উদ্দিন, মো. নুরুল ইসলাম, খোরশেদ
    আলম, ফজলুল কাদের, জাকির আহমদ প্রকাশ রশিদ, শওকত আকবর, মো. নেজাম উদ্দীন,
    আবদুর রহিম, এম নুরুল ইসলাম।
    চলমান প্রকল্প গুলোর মধ্যে রয়েছে-কুসুমপুরা মাহতাব আকবর সওদাগর সড়ক আরসিসি ঢালাই, কুসুমপুরা গাউছিয়া তৈয়বীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এইচবিবি সড়ক সংস্কার, থানা মহিরা জোনামা ফকির এইচবিবি সড়ক সংস্কার, কুসুমপুরা ডা:
    সেলিমের বাড়ি সড়ক আরসিসি ঢালাই, বিনানিহারা ফজলুল কাদের হিরু মেম্বারের বাড়ি সড়ক আরসিসি ঢালাই, উত্তর হরিণখাইন আসমত আলী বাড়ি সড়ক এইচবিবি দ্বারা
    নির্মাণ, দক্ষিণ হরিণখাইন আবদুল আলিম সওদারের নতুন বাড়ি সড়ক টাইলস দ্বারা উন্নয়ন, গোরণখাইন ডা: জাফরের বাড়ি সড়ক আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন, মনসাগাউছিয়া মুক্তার মসজিদেও চলাচল সড়কের পাশের্^ ড্রেইন নির্মাণ, মনসা আজিম
    মা পুকুর সংযোগ সড়ক আরসিসি ঢালাই, মেহেরআর্টি সেলিম নিজামী সড়ক আরসিসি ঢালাই, দক্ষিণ মনসা মরহুম ফজল আহমদ সড়ক আরসিসি ঢালাই, বিনানিহারা গুন্নু
    মাতব্বরের বাড়ির সম্মুখে সার্বজনীন গভীর নলকূপ স্থাপন, গোরণখাইন হাজী মনির আহমদ মিয়ার বাড়ির সম্মুখে সাবর্জনীন গভীর নলকুপ স্থাপন। মত বিনিময়কালে কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম জানান,
    ‘জনগণের টাকায়-জনগনের উন্নয়ন’ এ শ্লোগান বাস্তবায়ন করতে কুসুমপুরা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। সব উন্নয়নকাজ দৃশ্যমান হলে কুসুমপুরার চেহারা পাল্টে যাবে। এলাকার সাড়ে ৫ হাজার বাড়ি
    হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় এসেছে। তাদের কাছ থেকে কর বাবদ নগদ ১২ লাখ ৯০ টাকা আদায় করা হয়েছে এবং বকেয়া রয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা। পর্যায়
    ক্রমে ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবারকে গৃহকরের আওতায় আনা হবে এবং হোল্ডিং ট্যাক্সের অর্থে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এজন্য তিনি সকলের
    সহযোগিতা কামনা করেন।

  • গবাদি পশু ও ২টি বসতঘর পুড়ে ছাই, থানায় অভিযোগ দায়ের

    গবাদি পশু ও ২টি বসতঘর পুড়ে ছাই, থানায় অভিযোগ দায়ের

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
    সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নারিকেলতলা গ্রামে গবাদি পশু ও ২টি বসতঘর পুড়ে ছাইয়ের ঘটনায় ভূমি খোকো মজনু মিয়াকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    উল্লেখিত, রোববার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওই গ্রামের জহির মিয়ার বাড়িতে এ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা গ্রামের মঈন উদ্দিন মিয়ার ছেলে জহির মিয়ার বসতঘরে রাত ৩টার দিকে তারা আগুন দেখতে পান। তখন আশপাশের লোকজন মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে জগন্নাথপুরের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    বাড়ির মালিক জহির মিয়া বলেন, আমার প্রতিপক্ষ মজনু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন যাবত উক্ত ঘর ও ভূমি নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলছে। বর্তমানেও আপিল মামলা নং ৩৯/২১ আদালতে চলমান রয়েছে। উক্ত মজনু মিয়া এলাকায় ভূমি খেকো মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত এলাকায় তার বিরুদ্ধে ভূমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আদালতে ও থানায় মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। গতবছর আমার ভাইয়ের গাড়িতে আগুন দিয়েছিল। এবার আমার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আমি রাত ৩টায় আমার গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পাই। অসহায় হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। এর মধ্যে গরু বের করতে পারলেও ৪টি ভেড়া ও ঘরের সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
    জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, আগুন লাগার বিষয়ে জহির মিয়া বাদী হয়ে মজনু মিয়াকে প্রধান আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের ৪ জনের  নাম আলোচনায়

    সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের ৪ জনের নাম আলোচনায়

    কে এম শহীদুল,সুনামগঞ্জ :

    জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওযামীলীগের নেতাকর্মীদের
    মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই প্রার্থী
    হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে জানান দিচ্ছেন।
    সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোয়ন পেতে দৌড় ঝাপ
    শুরু করেছেন অনেকেই। তাদের মধ্যে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক
    চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হুদা
    মুকুট, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান,
    সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-
    সভাপতি ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ নোমান বখত পলিন, জেলা আওয়ামীলীগের
    সহ-সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জজ কোর্টের পিপি ড. খায়রুল কবির রুমেন প্রমুখ।
    তবে অপর দিকে জেলা বিএনপি’র কোন প্রার্থী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে
    নির্বাচনের উল্লেখযোগ্য নাম এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। সুনামগঞ্জ জেলা
    পরিষদ নির্বাচনে ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ উপজেলায় ১২টি ওয়ার্ডে ১২ সাধারন
    সদস্য এবং মহিলাদের জন্য ১২টি ওয়ার্ডের ৪টি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৪জন
    নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। জেলার ৮৮টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার
    ও মহিলা মেম্বার এবং ১২ উপজেলার ১২জন চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা
    ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৪টি পৌরসভার ৪জন মেয়র, প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও
    সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যরা ভোটার হিসেবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ
    করবেন। তবে প্রার্থীরা তাদের ভোট দিতে পারবেন না। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী
    মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর,
    প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর এবং
    নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে ১৭ অক্টোবর ২০২২ইং তারিখে। জেলা পরিষদ নির্বাচনের
    ভোট গ্রহণ করা হবে ইভিএমের মাধ্যমে। অবশ্য সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের
    সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এই নির্বাচন
    ব্যালট পেপারে মাধ্যমে গ্রহনের দাবী জানিয়ে আসছেন। ইভিএমে হলে ভোটে অংশ
    নেবে না বলেও ইসিকে জানিয়েছে জাপা। ২০০০ সালে তৎকালীন সরকার নতুন করে
    জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে কোনো উদ্যোগ
    গ্রহন করা হয়নি। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর
    ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এরপর প্রথমবারের মতো স্থানীয় এই সরকারে নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
    সে সময় ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) নির্বাচন হয়েছিল। এর মধ্যে
    ১৯টি জেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত
    হয়েছিল। সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের
    সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ৪২০ ভোট
    পেয়ে বর্তমান জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকটের কাছে। ঐ
    নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দুই হেভিয়েট প্রার্থীর মধ্যে তুমুল লড়াই হয়েছিল
    এবং বিএনপি’ কিংবা জাতীয় পার্টি ঐ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি। তারই
    ধারাবাহিকতায় এবারও তেমনটাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেলা পরিষদের মেয়াদ আরও আগেই
    শেষ হলেও আইন সংশোধনসহ অন্যান্য জটিলতার কারণে ভোট নিতে পারেনি
    নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় এই সরকারের আইনটি সংশোধনের পর ১৭ এপ্রিল
    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ তানভীর
    আজম ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রশাসক বসানো হয়েছিল।
    এতে বলা হয়েছিল, দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ায়
    নির্বাচিত পরিষদগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছিল।
    এ অবস্থায় জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগের আগে প্রত্যেক জেলা পরিষদের
    প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অথবা
    ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। জেলা পরিষদের
    প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি যোগ করে জেলা পরিষদ আইনের সংশোধনী চলতি
    বছরের ৬ এপ্রিল সংসদে পাস করা হয়। এরপর সংশোধনীর গেজেট প্রকাশিত
    হয়েছিল ১৩ এপ্রিল।
    জেলা পরিষদ নির্বাচন আইনানুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে যতগুলো স্থানীয়
    সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই জেলা পরিষদ সদস্যদের ভোট দিয়ে
    নির্বাচিত করতেন। অর্থাৎ পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, মহিলা কাউন্সিলর, উপজেলা
    পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের
    চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বাররা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও
    মহিলা সদস্য নির্বাচিত করবেন। সংশোধিত আইনে জেলার প্রতিটি উপজেলাতে
    একজন করে সাধারন সদস্য, ৩টি উপজেলা নিয়ে একটি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে
    একজন করে মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

  • কাজী নজরুল ইসলাম এর মৃত্যুবার্ষিকীতে খাগড়াছড়িতে ছিলো না কোনো আয়োজন

    কাজী নজরুল ইসলাম এর মৃত্যুবার্ষিকীতে খাগড়াছড়িতে ছিলো না কোনো আয়োজন

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    খাগড়াছড়ি জেলাসহ উপজেলাগুলোতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর মৃত্যু বার্ষিকীকে কোন আয়োজনই শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে করা হয়নি।

    দ্রোহ,প্রেম ও মানবতার কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল ২৯ আগষ্ট। আর এই দিনটিকে নিয়ে কবির স্মরণে এই খাগড়াছড়ি জেলা উপজেলায় কোন আয়োজনই হয়নি ?? এই প্রজন্মরা কাদের প্রেরণা নিয়ে বড় হয়ে উঠবে?? সপ্তাহ খানেক পূর্বে পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া আফরোজকে এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করার পরও তিনি এই বিষয়ে কোন গুরুত্বই দেননি।তাহলে জেলা উপজেলা প্রশাসনের অধীনে শিল্পকলা একাডেমি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কি????

    এই সকল কবি মহাকবিদের যদি স্মরণ ও চর্চা নাই করা হয়,তাদের মূল্যায়ন না করা হয় তাহলে কিভাবে সভ্যতা এগিয়ে যাবে?? বাংলাদেশের অনেক জেলা উপজেলায় এই দিনটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে দেখা গেছে। সেখানে খাগড়াছড়ি জেলায় এর কোন উদ্যোগও নেই।আর বরাবরই খাগড়াছড়ির জেলায় এই কালচারাল সেক্টরটার প্রতি প্রশাসকের অবহেলায় বিদ্যমান রয়েছে।

    এই কবি ও মহা কবিদের অবহেলা ও অসম্মান এর পেছনে কি অযোগ্য নেতৃত্ব কিংবা অনবিজ্ঞ ব্যক্তিকে দায়িত্বে বসানোর সামিল নয়?এই সভ্যতা ও সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সব অবস্থান থেকে প্রতিবাদ গড়ে উঠা অত্যন্ত জরুরী।না হলে আগামীর সমাজ কখনো সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হিসেবে গড়ে উঠবে না।

    আর এইদিকে এই নিয়ে শিল্পীসমাজে নেমে এসেছে হতাশা।পানছড়ি উপজেলার স্বনামধন্য শিল্পী ও সঙ্গীত শিক্ষক থোয়াই অঙ্গ চৌধুরী এই নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে সমাজে রবীন্দ্র- নজরুল চর্চা হয়না।সে সমাজে আদর্শবান ও ভালো ব্যক্তি উঠে আসবে কিভাবে তা প্রশ্ন থেকে যায়।

    এইছাড়াও পানছড়ি উপজেলার ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মতিউর রহমান বলেন: সবাই যার যার ধান্দায় ঘুরে,সংস্কৃতির দিকে মন নেই। এজন্যইতো সামাজিক অবক্ষয় বেড়ে গেছে। বর্তমানে কারো আদর্শ কেউ ধারণ করেনা,নিজেকে জাহির করতে ব্যস্ত।আসুন আমরা যারা একটু আধটু বুঝি যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যায়।তাহলে সমাজ ঘুরে দাঁড়াবে।

    পানছড়ি উপজেলা আরেক সাহিত্য অনুরাগী অরুণ শীল বলেন:যেখানে কবি রবীন্দ্র,নজরুল, চর্চা হবে না সেখানে ভাল কিছু আশা করা যায় না।

    বাংলাদেশ টেলিভিশন ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার একজন স্বনামধন্য শিল্পী আবুল কাশেম বলেন: এই পার্বত্য খাগড়াছড়িতে সঙ্গীত চর্চা তেমন ভাবে হচ্ছে না।তাও কোনো রকম ভাবে চলে ঢিলে ঢালা ভাবে।সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও কর্মসূচি নেই।এটা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত।যা থেকে উত্তোরনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা খুবই জরুরী।এখন যেভাবে বাচ্চারা মোবাইলের দিকে ধাবিত হচ্ছে এটাও সঠিক সাংস্কৃতিক চর্চার অভাবের কারণে।

    খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও জেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আদনান বলেন: সাংস্কৃতিক অঙ্গন গতিশীল না হলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম অপসংস্কৃতিমুখী হবে যার ফলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে।’