Author: desk

  • পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন

    পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    খুলনার পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে ‘পাখির অভয়ারণ্য পাইকগাছা’ সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।স্থানীয় পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যেগে ও পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন এর সহযোগিতায় বাজারখোলায় এই বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়।
    পাখি সহ সকল বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, লালন-পালন, ক্রয়-বিক্রয় বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন- ২০১২, অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ সম্বলিত সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে,শিকারী ও অসাধুদের সতর্ক করতে ৪ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে উপজেলার গদাইপুর খেলার মাঠ, স্কুল সংলগ্ন বাজার খোলায় মেইন রোডের পাশে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়।বিলবোর্ড স্থাপন করার সময় উপস্থিত ছিলেন,পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধিান,পাইকগাছা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ইন্সট্রাক্টর (রসায়ন) শংকর প্রসাদ দত্ত,ইন্সট্রাক্টর(ইংরেজি) আসমাতুল্লাহ, শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুন, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরি রানী সাধু, কবি সুশান্ত বিশ্বাস, কবি রোজী সিদ্দীকি,শিক্ষার্থী ঐশি খাতুন,মারিয়া সুলতানা,সুমাইয়া খাতুন,সুমনা আক্তার, বৃস্টি বিশ্বাস পরিবেশ কর্মি অভিজিত রায়,গনেশ দাস প্রমুখ।
    বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ পাস করেছে। এ আইনে পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও কেনা বেচা দন্ডনীয় অপরাধ।পাখি হত্যা করলে যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা।
    উল্লেখ্য, “পাখি বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের লক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।পাখির অভয়ারণ্য তৈরির লক্ষে পাখির সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের জন্য উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ানে গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র, ঝুড়ি, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতারণ, উদ্ভবকরণ অব্যহত রয়েছে।

  • পাইকগাছায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় প্রান গেলো বৃদ্ধের

    পাইকগাছায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় প্রান গেলো বৃদ্ধের

    পাইকগাছা (খুলনা)প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় প্রান গেলো বাইসাইকেল চালক আব্দুল হাকিম(৭০) নামে এক বৃদ্ধের। সে উপজেলার পুরাইকাটি গ্রামের মৃত্যু মাদার গাজীর ছেলে। ঘটনাটি উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালা কপোতাক্ষ ব্রিজ সড়কের তাজউদ্দীন বাড়ি সংলগ্ন এলাকায়। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেলকলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
    মৃতের ছেলে শাহিনুর গাজী জানান, আমার পিতা সকালে বিক্রি করা পাট ওজন করে দেয়ার জন্য বাইসাইকেলে রোবার সকাল ৯ টার দিকে বোয়ালিয়ার মোড়ে যাচ্ছিলো। এমন সময় একই এলাকার কোনা গাজীর ছেলে বেপরোয়া গতিতে মোটর সাইকেল চালিয়ে পিচন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। তখন বাইসাইকেল সহ পড়ে মাথা ফেটে কান মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। তাৎক্ষনিক হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে সে মারা যায়। পাইকহাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক দোলা সাধু বলেন,মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার রুগীটি হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, লাশের সুরতহাল রিপোট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে।

  • প্রীতি ফুটবল খেলায় কয়রা উপজেলা ফুটবল একাদশের জয়

    প্রীতি ফুটবল খেলায় কয়রা উপজেলা ফুটবল একাদশের জয়

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সাবেক কৃতি ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত দুই উপজেলা ফুটবল একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠিত খেলায় পাইকগাছা উপজেলা ফুটবল একাদশকে টাইবেকারে পরাজিত করে কয়রা উপজেলা ফুটবল একাদশ জয় লাভ করেছে।
    শনিবার বিকালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে পৌরসভা ও থানার সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন এ খেলার আয়োজন করে। খেলায় এক সময়কার জনপ্রিয় সাবেক ফুটবলার আজুবর রহমান, ইদ্রিস আলী, তুষার কান্তি মন্ডল, রঞ্জন মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু, জিয়াউর রহমান জুয়েল, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, এসএম বাহারুল ইসলাম ও প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রনজু সহ খ্যাতিমান সাবেক ফুটবলাররা অংশগ্রহণ করে। সাবেক ফুটবলারদের মিলন মেলায় পরিণত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ গোল করতে না পারায় টাইবেকারের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।
    টাইবেকারে পাইকগাছা উপজেলা ফুটবল একাদশকে ৪-১ ব্যবধানে পরাজিত করে কয়রা উপজেলা ফুটবল একাদশ জয়লাভ করে। খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, ওসি জিয়াউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আব্দুল মান্নান গাজী, সামাদ গাজী, শাহ নেওয়াজ শিকারী, জগদীশ চন্দ্র সানা, প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সরকার, কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, আব্দুুল গফফার মোড়ল, ইউপি সদস্য দিলরুবা মিজান, রফিকুল ইসলাম, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান।
    খেলা পরিচালনা করেন দিলিপ কুমার সানা, জিএম ইকরামুল ইসলাম ও এ্যাডঃ মঞ্জুরুল ইসলাম। ধারাভাষ্যে ছিলেন, নূরুজ্জামান টিটু, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, এন ইসলাম সাগর, আশরাফুল ইসলাম টুটুল ও আশরাফ হোসেন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, দেবাশীষ ফুটবল একাডেমী।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • ৮৮ দিন পর স্থগিত থাকা ঝিনাইদহ পৌরসভার  নির্বাচনী হুইসেল বেঁজে উঠলো

    ৮৮ দিন পর স্থগিত থাকা ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচনী হুইসেল বেঁজে উঠলো

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    স্থগিত হওয়া ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচনী হুইসেল আবার বেঁজে উঠেছে। মামলা জটিলতা ও দীর্ঘ আইনী প্রক্রিয়া শেষে দুই মাস ২৫ দিন পর ভোট গ্রহনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর। অনুষ্ঠিত হবে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে আচরণবিধি প্রতিপালন ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মত বিনিময় সভায় এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ আহসান হাবিব খান। নুতন তারিখ ঘোষনার পরপর আবারো সরব হয়ে উঠেছে পৌর নির্বাচনের পরিবেশ। রোববার সকাল থেকেই মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের জনসংযোগ করতে দেখা গেছে। পাড়া মহল্লায় দল বেধে প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি পোষ্টার ও মাইকিং বের করা হয়েছে। তবে প্রথম দিকের মতো তেমন আমেজ নেই। দীর্ঘদিন নির্বাচন স্থগিত থাকার কারণে ভোটাররা অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে ভোটারদের মাঝে ভাঙ্গাগড়ার খেলা শুরু হয়েছে। ভোটারদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ভোট বন্ধ থাকায় পৌরসেবার মান কমে এসেছে। নাগরিকরা ঠকমতো সেবা পাচ্ছে না। নেই জবাবদিহীতা। রাস্তাঘাটের বেহালদশার পাশাপাশি ময়লা, আবর্জনা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। এদিকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ আহসান হাবিব খান ঝিনাইদহ সফরকালে রোববার দুপুরে বলেন, ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচনের সকল প্রার্থীকে আচরণ বিধি সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে। আচরণ বিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। নির্বাচন সুন্দর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। ভোটারেরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবেন এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটের দুই দিন আগে থেকেই দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। সব কটি কেন্দ্রেই ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হবে বলেও জানান তিনি। সভায় জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম, ঝিনাইদহ পুলিশ সুপর মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুস ছালেকসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন। এর আগে, চলতি বছরের ১২ জুন একাধিক সংঘর্ষ, আচরন বিধি ভঙ্গসহ নানা কারনে সদর পৌর সভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেকের প্রার্থীতা বালিত করে নির্বাচন কমিশন। ফলে আইনী জটিলতায় স্থগিত হয়ে যায় ২০২২ সালের ১৫ জুন তারিখের ভোট। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুস ছালেক জানান, ঝিনাইদহ পৌরসভায় মোট ভোটার ৮২ হাজার ৬৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪০ হাজার ৪৪৬ জন ও নারী ভোটার ৪২ হাজার ২৪৯ জন। ইভিএমে ভোট গ্রহণের জন্য ৪৭টি কেন্দ্র ও ২৬৫টি বুথ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • সুজানগরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন

    সুজানগরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ চালের বাজার উর্ধ্বমুখি হওয়ায় নি¤œ আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে পাবনার সুজানগরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় কম দামে শুরু হয়েছে চাউল বিক্রয় কার্যক্রম। রবিবার উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের চলনা বাজারে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রওশন আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহীনুর আলম,খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ মোস্তফা মিল্টন,এন এ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, আ.লীগ নেতা মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক ও ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সুজানগর উপজেলায় ২৫ জন ডিলারের মাধ্যমে ১১হাজার ৯৫৯ জন দরিদ্র পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডিজিটাল ডাটাবেজ এর আওতায় সে সকল ভোক্তার তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে তাদের মাঝে এই চাল বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকলের তথ্য যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে এসে সকলকেই এই চাল দেওয়া হবে। এদিকে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে ১৫টাকা দরে চাল কিনতে পেরে খুশি সুবিধাভোগীরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত-১

    সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত-১

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এরশাদ শেখ(৩৪) নামে একজন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত এরশাদ শেখ ওই ইউনিয়নের চর মানিকদির গ্রামের মো.মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় বিএনপির কর্মী। এ ঘটনায় রাতেই সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া সহ তাঁর লাইসেন্সকৃত বন্দুকটি জব্দ করা হয়েছে এবং মামুন বিশ্বাস পিতা আক্কাছ বিশ্বাসকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল) মো.রবিউল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস গ্রুপের লোকজনের সাথে বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম সাজ্জাদ গ্রুপের লোকজনের স্থানীয় প্রত্যন্ত চরা ল চরবিশ্বনাথপুর মাদারতলায় রাস্তার পাশে দোকান দেওয়াকে কেন্দ্র করে এবং পূর্বে মোকাই শেখ সহ ওই শেখ গোষ্ঠির সকলে বিএনপি নেতা আজম আলী বিশ্বাসের গ্রুপ করলেও সম্প্রতি তাঁরা বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম সাজ্জাদের গ্রুপে যোগ দেওয়ায় তাদের উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সন্ধ্যায় বিএনপি নেতা আজম আলী বিশ্বাসের চাচাতো ভাই আক্কাজ বিশ্বাসের ছাগল বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম সাজ্জাদ গ্রুপের মোকাই শেখের জমিতে গিয়ে ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এবং পরবর্তীতে রাতে উভয় গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় এরশাদ শেখ গুলিবিদ্ধ সহ আরো অন্তত ১১ জন আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এরশাদ শেখকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। আহত গোলাপ শেখ পিতা মোকাই শেখ, জীবন শেখ পিতা সুজন শেখ, মাহফুজা খাতুন স্বামী চাঁদু শেখ, মুন্নী খাতুন স্বামী গোলাপ শেখ এবং সহ অন্তত ১১ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি আজম বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল হালিম বিশ্বাস প্রকাশ্যে গুলি করে এরশাদকে হত্যা করেছে। এবং আজম বিশ্বাসের পক্ষে রফিক সহ গ্রুপের অন্যান্যরা বিভিন্ন ধরণের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আব্দুল হালিম সাজ্জাদ গ্রুপের আরোঅন্তত ১১ জনকে আহত করেছে । অপরদিকে বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস গ্রুপের লোকজনের দাবি করেন সংঘর্ষের এ ঘটনার পরপরই আজম আলী বিশ্বাসের মুরগীর খামারে অগ্নিসংযোগ করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হান্নান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া লাইসেন্সকৃত নাকি অবৈধ অস্ত্র দ্বারা এরশাদকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • পুলিশ কর্তৃক দুই প্রতারক গ্রেফতার

    পুলিশ কর্তৃক দুই প্রতারক গ্রেফতার

    মো; বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    কথিত অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন হনুমান পয়সা দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আটোয়ারী থানাধীন বারঘাটি তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মোঃ মাসুদ রানা সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ প্রতারক চক্রের মূলহোতা ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (২২), পিতা-মোঃ করিম উদ্দীন, সাং-দারখোর (ডুংডুংগিহাট), থানা-আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড় ও তার সহযোগী ২। মোঃ আবু সাঈদ (৩৫), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, সাং-মধুপুর, থানা-রুহিয়া, জেলা-ঠাকুরগাঁওদ্বয়কে গ্রেফতার করেন । আসামীদ্বয়ের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত এক পৃষ্ঠে EAST INDIA COMPANY TWO ANNA 1818 লেখা ও অপর পৃষ্ঠে হনুমান এর ছবি অঙ্কিত একটি তামার মুদ্রা এবং প্রতারণাপূর্বক গ্রহণকৃত ৬০,০০০/- টাকার মধ্যে নগদ ১৬,০০০/- টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করেন । এই বিষয়ে প্রতারণার শিকার অতুল সরকার বাদী হয়ে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করলে অফিসার ইনচার্জ, আটোয়ারী থানা ০৩/০৯/২০২২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন ।আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।

  • ঝিনাইদহে মৃত্যুর এক বছর পর আদালতে হাজিরা দিলেন নুর ইসলাম

    ঝিনাইদহে মৃত্যুর এক বছর পর আদালতে হাজিরা দিলেন নুর ইসলাম

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর শহরের নুর ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হরেয় মারা যান ২০১২ সালের ১৫ জুন। অথচ ২০১৩ সালে আদালতে হাজির হয়ে ছলেনামায় সাক্ষর করেন। এমন এক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে কোটচাঁদপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের নওদাগ্রামে। মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর জাল করে জমি আত্মসাতের জন্যই এমন জালিয়াতির ঘটনা ঘটানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। নওদাগ্রামের মৃত তৈইজউদ্দীনের ছেলে কুরবান আলী অভিযোগ করে বলেন, তার বড় ভাই নুর ইসলাম ২০১২ সালে মারা গেলেও ২০১৩ সালে আদালতে হাজির হয়ে ছলেনামায় সাক্ষর করেন। জমি দখলের জন্য একই গ্রামের আইনদ্দীন নামে এক ব্যাক্তি এই জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ভুক্তভুগী কুরবান ও তার পরিবার পৈত্রিক সুত্রে ১৭ শতক জমির মালিক। প্রভাবশালী আইনদ্দীন ও তার ভাইদের নজর পড়ে এই জমির উপর। জাল দলিল করে জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে তারা। জমি দখলে নিতে ২০১৩ সালে প্রতারক আইনদ্দীন আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত জমির প্রকৃত মালিক কোরবান আলীদের নামে নোটিশ জারি করলে সুচতুর আইনদ্দীন আদালতের নোটিশ গায়েব করে দেয়। আদালতের হাজিরার দিন আইনদ্দীন তার অনুগত লোকদের বিবাদী সাজিয়ে ২০১৩ সালের ১ জুলাই আদালতে হাজির করিয়ে কুরবানের সকল ভাই বোন এমনকি মৃত ভাই নুর ইসলামের জাল স্বাক্ষর করে ছলেনামা করার চেষ্টা করে। কোটচাদপুর পৌরসভার মৃত্যু সনদ অনুযায়ী কোরবানের বড় ভাই নুর ইসলাম ২০১২ সালের ১৫ জুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেও আইনদ্দীন জালিয়াতি করে ১৩ সালে হাজিরা নামায় সাক্ষর করায়। কুরবান আলীর প্রশ্ন তুলে বলেন, আমার ভাই ২০১২ সালে মারা গেলে ২০১৩ সালে কিভাবে আদালতে হাজিরা দিলো ? বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুর মডেল থানার ওসি মোঃ মঈন উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • তানোরে ইউপি যুবলীগের বর্ধিতসভা

    তানোরে ইউপি যুবলীগের বর্ধিতসভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) যুবলীগের বিশেষ বর্ধিতসভা আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ৪ সেপ্টেম্বর রোববার ইউপি যুবলীগের উদ্যোগে এবং ইউপি যুবলীগের সহসভাপতি বেলাল হোসেনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রাণপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার আবু সাঈদ, লুৎফর রহমান,
    তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকার, সিরাজুল ইসলাম সিজার, আরিফ রায়হান তপন, জেলা সৈনিক লীগের সম্পাদক প্রকৌশলী মাহাবুর রহমান মাহাম, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ ও প্রভাষক আকতার হোসেনপ্রমুখ। এছাড়াও ইউপি যুবলীগের ৯টি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাস্তা যেন মরন ফাঁদ – ভোগান্তি হাজারো মানুষ

    রাস্তা যেন মরন ফাঁদ – ভোগান্তি হাজারো মানুষ

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী।
    রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়ন হচ্ছে ধানসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ একটি এলাকা। এই ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হচ্ছে লঞ্চ ঘাট থেকে ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার রাস্তা। বর্তমানে এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে থমকে আছে এই অঞ্চলের কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষের ভাগ্যের চাকা। মাত্র দুই কিলোমিটার সড়কটি এখন এই অঞ্চলের মানুষের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। তবুও দৃষ্টি নেই কর্তৃপক্ষের।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের দারভাঙ্গা, বাইলাবুনীয়া, নয়ারচরসহ ৮-১০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে লঞ্চ ঘাট টু বাইলাবুনিয়া সরক। দু থেকে তিন যুগ আগে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বাইলাবুনীয়া বাজার থেকে লঞ্চ ঘাট যাওয়ার জন্য এখানে ১০ কিলোমিটার পথ নির্মাণ করা হয়। এর পরে ধাপে ধাপে রাস্তাটির বাইলাবুনীয়া বাজার থেকে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পাকা করা হয়। আর অবশিষ্ট রাস্তায় শুধু ইট বিছানো ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বছরের পর বছর রাস্তাটি সংস্কার কিংবা মেরামত না করায় বর্তমানে শুকনো মৌসুমেও চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাস্তার কিছু কিছু অংশ থেকে ইট উধাও হয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্তের। যে গর্ত পায়ে হেঁটে পার হওয়াই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

    যার কারণে এই অঞ্চলের কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষ তাদের কৃষিপণ্য ও অন্যান্য উপকরণ পরিবহন করতে পারছেন না। এমনকি টমটমও চলাচল করতে পারছে না। যার কারণে কৃষকরা বাধ্য হয়েই ধান, কাচামালসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণগুলো কম মূল্যে ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন। এতে করে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন বছরের পর বছর। এছাড়াও রাস্তাটিতে একটি কালভার্ট ভেঙ্গে পড়ায় অবস্থা প্রায়, এতে দুর্ভোগের মাত্রাকে আরও একধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। রাস্তাটি ভালো না হওয়ায় শুকনো ও বর্ষা মৌসুমে এই অঞ্চলের শত শত শিক্ষার্থীদের দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। যার কারণে প্রতি বছর অনাকাক্সিক্ষত ভাবে ঝরে পরছে শত শত শিক্ষার্থী। থমকে আছে এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক চাকা মাত্র এই দুই কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তার কারণে।

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল খান বলেন, রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে দুটি প্রাইমারি স্কুল, একটি হাই স্কুল, দুটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সহ ইউনিয়ন পরিষদ ও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা হাজারো মানুষ ।

    তিনি আরো বলেন, প্রতি সোমবার এখানে একটি বাজার বসে, রাস্তাটি ভালো না হওয়ায় বহিরা গতো ফড়িয়া এবং ভাসানি দোকান তেমন একটা আসেনা, এতে উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারছে না কৃষকরা। অপরদিকে বহিরাগত ভাসানী দোকান না আসায় নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য কিনতে হচ্ছে অতিরক্ত দাম দিয়ে।

    চরমোন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসাইন ও আলোমঙ্গীর মালসহ অনেকেই বলেন, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও আমরা এই সুবিধা থেকে অনেক দূরে আছি। আমরা এই অঞ্চলের মানুষরা এখনো চরমভাবে অবহেলিত। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন না করা পর্যন্ত শহরের সুবিধা কখনোই গ্রামে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই এই সামান্য গ্রামীণ রাস্তাটিকে দ্রুত আধুনিকায়ন করে এই অঞ্চলের কৃষক, ছাত্র, ছাত্রীসহ হাজার হাজার মানুষের ভাগ্যের চাকা সচল করতে প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

    চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আবু-মিয়া বলেন, এই রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর এই রাস্তাটি মেরামত করার বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করব। বরাদ্দ পেলেই আপাতত মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।