Author: desk

  • ঝিনাইদহে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে আলমসাধু চালককে হত্যা

    ঝিনাইদহে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে আলমসাধু চালককে হত্যা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ছুরিকাঘাতে সবুজ হোসেন (৩০) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। সোমবার সকালে কোটচাঁদপুর সরকারি মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সবুজ হোসেন কোটচাঁদপুর শহরের হাইস্কুল পাড়ার আব্দুর রহিমের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আলমসাধু চালক সবুজ স্কুলের পাশের একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। এসময় শহরের সলেমানপুর দাসপাড়া এলাকার শামছুদ্দিনের ছেলে আলম হোসেন সেখানে বসা নিয়ে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাতে থাকা কাঁচি দিয়ে ছুরিকাঘাত করে আলম পালিয়ে যায়। সবুজকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য ঘটনাস্থলেই সবুজের মৃত্যু হয়। কোটচাঁদপুর থানার ওসি মঈন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হত্যাকারী আলম মাদকাসক্ত। দীর্ঘদিন ধরে সে মাদকসেবন করে আসছে। এতে কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। ঘটনার পর সে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। তবে স্থানীয় বলেছেন, আলম মাদকাসক্ত হলেও প্রতিবন্ধি নয়। প্রতিবন্ধি হলে সে পালানোর চিন্তা কি ভাবে করে ? প্রতিবন্ধি সাজিয়ে তাকে আইন দুর্বল করে বাঁচানোর চেষ্টা করা হতে পারে এমন কথা কেউ কেউ বলছেন।

  • পাইকগাছায় ৪ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা দূর্ভোগে এলাকাবাসী

    পাইকগাছায় ৪ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা দূর্ভোগে এলাকাবাসী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছার হরিঢালী ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষের চলাচলের ৪ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এখনো পাকা হয়নি। রাস্তাটি দেখে মনে হতে পারে হাল চাষ করার জমি। কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শিশু, বৃদ্ধ, প্রসূতি নারী, অসুস্থ রোগী ও মসজিদের মুসল্লিদের দুর্ভোগের শেষ নেই। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। কিন্তু জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এতে সাড়া দিচ্ছে না। রাস্তাটি হরিঢালী ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের শেষ প্রান্ত থেকে দেয়াড়া গ্রাম হয়ে তালা উপজেলার জেটুয়া খেয়াঘাটে শেষ হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে শুধু দেয়াড়া গ্রামের মানুষই চলাচল করে না। তালা উপজেলার জেটুয়া, জালালপুর ইউনিয়নের মানুষও চলাচল করে থাকে। এ কাঁচা পথ পড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীরা রহিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যাওয়া আসা করে। এই রাস্তা দিয়েই গ্রামবাসী খেতের ফসল ঘরে তোলে। এ ছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে রহিমপুর বাজার, কপিলমুনি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রী কেনাকাটা করতে যেতে হয় এলাকাবাসীকে। পাইকগাছা পৌর সদর উপজেলা সদর, থানা ও আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়।
    দেয়াড়া গ্রামের আলিম বিশ্বাস বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫২ বছর পার হলেও আমাদের এলাকার উন্নয়ন হয়নি। আমাদের এলাকা অবহেলিত থেকে গেছে। সরকার দেশে অনেক উন্নয়ন করলেও এ রাস্তাটি পাকা করণের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।’
    রহিমপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানান, চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে এখানকার লোকজনের যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেশি। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জামাকাপড় ও বই খাতায় কাঁদা মেখে যায়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারে সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় হরিঢালী ইউ আর এস এইচ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার জানান, বৃষ্টি হলেই এলাকার অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসতে পারে না। ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি।
    এ বিষয়ে হরিঢালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু জাফর সিদ্দিকি রাজু বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ইটের সোলিং ও পিচ হয়েছে। অতি দ্রুত এ রাস্তাটি পাকা করা হবে।
    পাইকগাছ উপজেলা প্রকৌশল কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘রাস্তাটি এত খারাপ আমার জানা ছিল না। চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে রাস্তাটি পাকা করার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ডিসি ও এসপি

    নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ডিসি ও এসপি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ডিসি ও এসপি। সোমবার ৫ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদরের নূর মোহাম্মদ নগরে (সাবেক মহিষখোলা গ্রাম) বিভিন্ন কর্মসূচির মাথ্যমে পালিত হয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে (নূর মোহাম্মদ নগরে) জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, তিনি ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন তিনি। বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বাহিনীতে দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন তিনি। পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েকে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ করেন।১৯৭১ সালের এই দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি শাহাদতবরণ করেন। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। এদিকে ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৮০) বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। নূর মোহাম্মদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে নড়াইল এবং যশোর শহরে বসবাস করেন। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই বীরের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্টের আয়োজনে কোরআন খানি, শহীদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, পুলিশ বাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র সালাম, কুইজ প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন নড়াইল জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সদর উপজেলা প্রশাসন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মহাবিদ্যালয়, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সংগঠন।এসময় পুলিশের একটি চৌকষ বাহিনী রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার প্রদান করেন।পরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর মিলনায়তনে কুইজ প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাষ্ট নড়াইলের সদস্য সচিব ও চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফকরুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাশ্বতী শীল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. এসএ মতিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মোস্তফা কামাল, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সোমবার ৫ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদরের নূর মোহাম্মদ নগরে (সাবেক মহিষখোলা গ্রাম)বিভিন্ন কর্মসূচির মাথ্যমে পালিত হয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে (নূর মোহাম্মদ নগরে ) জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি।
    তিনি ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন তিনি। বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বাহিনীতে দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন তিনি। পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েকে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ করেন।১৯৭১ সালের এই দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি শাহাদতবরণ করেন। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়।
    এদিকে ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৮০) বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। নূর মোহাম্মদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে নড়াইল এবং যশোর শহরে বসবাস করেন।
    সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই বীরের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাষ্টের আয়োজনে কোরআন খানি, শহীদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, পুলিশ বাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র সালাম, কুইজ প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন নড়াইল জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সদর উপজেলা প্রশাসন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মহাবিদ্যালয়, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সংগঠন।এসময় পুলিশের একটি চৌকষ বাহিনী রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার প্রদান করেন।পরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর মিলনায়তনে কুইজ প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাষ্ট নড়াইলের সদস্য সচিব ও চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফকরুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাশ্বতী শীল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. এসএ মতিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মোস্তফা কামাল, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামী গ্রেফতার-০৪

    ঈদগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামী গ্রেফতার-০৪

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ

    কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত চার আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (০৪ সেপ্টেম্বর )ভোর রাতে উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    জানা যায়,ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিমের নির্দেশে এ এস আই কাজী রাসেল, এসআই মোঃনোমান সিদ্দিকী,এসআই মোঃ আব্দুর রশিদ, এস আই মিরাজের সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামীকে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতাকৃত আসামীরা হলেন, ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালির ছড়া চরপাড়া এলাকার সুর ত আলম সিকদারের ছেলে আবু জাবির আহম্মদ, একই এলাকার মোঃ ভুলু মিয়ার ছেলে মোঃ মোরশেদ,একই ইউনিয়নের জাগির পাড়া এলাকার মোঃ হাবিব উল্লাহর ছেলে জয়নাল,
    ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালখালী সাতজোলা কাটা এলাকার মৃত দানু মিয়ার ছেলে আবু তৈয়ব।

    ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিম গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন
    গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্তদের গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সহ আটক-৩

    সুজানগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সহ আটক-৩

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে স্থানীয় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এরশাদ শেখ(৩৪) নামে একজন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের চরবিশ্বনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত এরশাদ শেখ ওই ইউনিয়নের চর মানিকদির গ্রামের মো.মোয়াজ্জেম শেখের ছেলে ও স্থানীয় বিএনপির কর্মী। এ ঘটনায় নিহত এরশাদ শেখের পিতা মোয়াজ্জেম শেখ সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস ও তার ছেলে হালিম বিশ্বাস সহ ১৭ জন এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এরপরপরই অভিযান চালিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস,স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিক বিশ্বাস ও মামুন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে সোমবার পাবনা কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাসের লাইসেন্সকৃত বন্দুকটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাবনা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল) মো.রবিউল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস পক্ষের লোকজনের সাথে স্থানীয় মোকাই শেখ পক্ষের পূর্ব বিরোধ ও স্থানীয় চরবিশ্বনাথপুর মাদারতলায় রাস্তার পাশে দোকান দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সন্ধ্যায় বিএনপি নেতা আজম আলী বিশ্বাসের চাচাতো ভাই আক্কাজ বিশ্বাসের ছাগল মোকাই শেখের জমিতে গিয়ে ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এবং পরবর্তীতে রাতে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় এরশাদ শেখ গুলিবিদ্ধ সহ আরো অন্তত ১১ জন আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিএনপি কর্মী এরশাদ শেখকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। আহত গোলাপ শেখ, জীবন শেখ,মাহফুজা খাতুন, মুন্নী খাতুন সহ অন্তত ১১ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি আজম বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল হালিম বিশ্বাস প্রকাশ্যে গুলি করে এরশাদকে শেখকে হত্যা করেছে। এবং তাদের পক্ষের লোকজন বিভিন্ন ধরণের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ১১ জনকে আহত করেছে । অপরদিকে বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস পক্ষের লোকজনের দাবি করেন সংঘর্ষের এ ঘটনার পরপরই আজম আলী বিশ্বাসের মুরগীর খামার এবং আক্কাজ বিশ্বাসের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ বিষয়ে সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, লাইসেন্সকৃত নাকি অবৈধ অস্ত্র দ্বারা এরশাদকে শেখকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। এছাড়া মামলার অপর আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সাংবাদিকদের উপর হামলায় বিএমডিএর ২ কর্মচারি বরখাস্ত

    সাংবাদিকদের উপর হামলায় বিএমডিএর ২ কর্মচারি বরখাস্ত

    নিজস্ব প্রতিবদেক, রাজশাহী : রাজশাহীতে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) দুই কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাংবাদিকদের আন্দোলনের মুখে হামলায় জড়িত ভান্ডার রক্ষক মো. জীবন ও পরিচালকের গাড়ি চালক আব্দুস সবুরকে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ।

    বিএমডিএর চেয়ারম্যান আক্তার জাহান বলেন, আমরা সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সেখানে ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই সাংবাদিকের উপর হামলার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এর পর দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তে কমিটি করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ সঙ্গে আরও কারা জড়িত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান আক্তার জাহান।

    রাজশাহীতে সংবাদ সংগ্রহের সময় এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাপার্সন রুবেল ইসলামের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরের আমবাগান এলাকায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা দুইজনের বরখাস্তের দাবি করেছিলাম। সে দাবি পুরন হয়েছে। আরও পাঁচজনের বিষয়ে আমরা জানিয়েছি। তাদের কালকের মধ্যে বদলির দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। এর পর সাংবাদিকদের আন্দোলন স্থগিত করা হয়।

    সকালে এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাম্যান রুবেল নতুন সময়ে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসছেন কি না, সে সম্পর্কে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ তাদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে। এর কিছুক্ষন পর বুলবুল হাবিব লাইভ সম্প্রচার শুরু করে।

    এ সময় আব্দুর রশীদের নির্দেশে ভান্ডার রক্ষক নেতৃত্বে পরিচালকের গাড়ির ড্রাইভার আব্দুর সবুরসহ কয়েকজন কর্মচারীরা হামলা করে। এতে গুরুত্বর আহত হন ক্যামেরাপার্সন বুলবুল ও হাবিব। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি করে।

    আহত রুবেলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩৩ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, রুবেলের কানের পর্দা ফেটেছে। কানের ভেতর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিএনডিয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে সাংবাদিকরা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তারাগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ আহত অর্ধশতাধিক

    তারাগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ আহত অর্ধশতাধিক

    খলিলুর রহমান খলিল ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৯জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। আহতদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ৪জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে১২টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের সদর উপজেলার নিকটতম শলেয়াশাহ বাজার সংলগ্ন খারুভাজ সেতুর কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, তারাগঞ্জ উপজেলার ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন (৩৫), পলাশবাড়ী গ্রামের ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় (৪৫) সয়ার কাজীপাড়া গ্রামের পল্লিচিকিৎসক আনিছার রহমান (৪৮), নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কুন্দল পূর্বপাড়া গ্রামের মহসিন আলী সাগর (৪২)। আহতরা হলেন, লক্ষীপুর রায়পুরের নয়ন ইসলাম (২৬), কামারপুকুর এলাকার জুয়েল ইসলাম (২৭) এবং গাইবান্ধার উত্তর কিদারী এলাকার সাদেক আলী (৫৬)। দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত ও আহত স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠছে চারপাশ। এদিকে রমেক হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত থেকে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির মধ্যেই রাত ১২ টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের সদর উপজেলার নিকটতম শলেয়াশাহ বাজার সংলগ্ন খারুভাজ সেতুর কাছে সৈয়দপুরগামী জোয়ানা পরিবহনের সঙ্গে ঢাকাগামী ইসলাম পরিবহনের বাসের মধ্যে মুখোমখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। অর্ধশতাধিক আহত হন।

    তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহাবুব মোর্শেদ বলেন, ঘটনাস্থলে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৪ জন মারা যান। এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মোট ৯জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ৪ জন এবং আহত ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

  • সিরাজদিখানে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে নগদ অর্থ বিতরণ

    সিরাজদিখানে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে নগদ অর্থ বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ৯ লক্ষ ১৮ হাজার নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ সোমবার ( ৫ সেপ্টেম্বর) সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে দুপর সাড়ে ১২টার দিকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২শত ৪টি পরিবারের মাঝে এই অর্থ বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুন্সিগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট এর আয়োজনে নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন।

    এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহানা তাহমিনা, সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম তানভীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আহমেদ বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মতিন হাওলাদার, জেলা রেডক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান মতিউল ইসলাম হিরু, ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহজাহান গাজী, সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা তপন, ইছাপুরা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন প্রমুখ ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এ পরোক্ষ প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ, স্বল্প আয় সম্পন্ন পরিবার, প্রতিবন্ধী, নারী ও শিশু প্রধান পরিবারকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের মাঝে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে ২শত ৪টি পরিবারের মাঝে ৯লক্ষ ১৮ হাজার টাকা প্রধান করা হয়।

  • গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযানে  বিদেশি  মদ উদ্ধার

    গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযানে বিদেশি মদ উদ্ধার

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    মাদক, জুয়া, চুরি সহ সবধরনের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের তেঁতুলিয়া উপজেলা বাসির আস্থার প্রতীক

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার সুদক্ষ অফিসার ইনচার্জ Sayed Chowdhury নির্দেশনায়

    এসআই দীনবন্ধু নেতৃত্বাধীন একটি চৌকস পুলিশ দল ,সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান চালিয়ে ৫ পাঁচ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার

    পলাতক আসামী মোঃ শামীম হোসেন
    গ্রাম কানকাটা তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

  • ধামইরহাটে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    ধামইরহাটে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-
    নওগাঁর ধামইরহাটে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ০৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৪ টায় উপজেলার আমাইতাড়া বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ধামইরহাট উপজেলা, পৌর বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফেরদাউস খান। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী নান্নু। সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল হক বেলাল, অপর যুগ্ম আহবায়ক মামুনুর রহমান রিপন, সাবেক জেলা বিএনপির আহবায়ক হাফিজুর রহমান, সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম টুকু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুবার রহমান চৌধুরী চপল, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেওয়ান ফারুক, জেলা ছাত্রদলের সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা, বিএনপি নেতা আখলাকুর রহমান রতন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান ফেরদৌস হাসান, আখরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মনোয়ারুল কায়সার বুলবুল, পৌর বিএনপির আহবায়ক নুরল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক সেলিনা আক্তার, কামরুল হাসান চৌধুরী, মাসুদার রহমান, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি বেলি খাতুন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি প্রকৌশলী কেএমএস মুসাব্বির শাফি, বিএনপি নেতা আজমল হোসেন চৌধুরী শাহান, সাবেক প্যানেল মেয়র রেজুয়ান হোসেন, যুবদল নেতা তওহীদ হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা রুহেল হোসেন সুমন প্রমুখ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খন্ড খন্ড মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগদান করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।