Author: desk

  • পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা,দূর্ভোগে রোগীসহ জনসাধারণ

    পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা,দূর্ভোগে রোগীসহ জনসাধারণ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ ও বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং (পিচ) উঠে গিয়ে গর্ত ও খাদ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে হাসপাতালের রোগী সহ জনসাধারণের।
    সড়কের ১ কিলোমিটার দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য প্রশস্থ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মধ্যে হাসপাতাল সড়কটি অন্যতম। এটি ইতোপূর্বে অভ্যন্তরীন সড়ক হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে সড়কটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কের কালিবাড়ী থেকে হাসপাতাল ও মহিলা কলেজ হয়ে পূর্ব ওয়াপদার সাথে যুক্ত হয়ে হাড়িয়া ব্রিজ পার হয়ে লতা ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হয়েছে।
    এছাড়া সড়কের ১ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ। হাসপাতাল মোড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসী সহ নানা ধরণের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সড়কের সাথে যুক্ত রয়েছে পৌরসভার ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড। এ দুটি ওয়ার্ডে সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে ঘন বসতি। যার ফলে অত্র সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ যানবাহন সহ জনসাধারণ যাতায়াত করে থাকে।
    বিশেষ করে হাসপাতালে রোগী আনা-নেওয়া এবং মহিলা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে অত্র সড়কটি। কালিবাড়ী থেকে পূর্ব ওয়াপদা পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয়নি। যার ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে গর্ত ও খাদ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সড়কটি প্রয়োজনের তুলনায় প্রশস্থও কম। সড়কে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক।
    সবমিলিয়েই সড়কটির এখন বেহাল অবস্থা। যার কারণে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে রোগী সহ জনসাধারণের। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) উপজেলা শাখার সদস্য মাসুম বিল্লাহ জানান, এটি এখন কোন সাধারণ সড়ক নয়, একদিকে লতা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে সড়কটি যুক্ত হয়েছে। এছাড়া পৌর এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বসতি বেড়েছে। রয়েছে হাসপাতাল এবং মহিলা কলেজ। সে অনুযায়ী সড়কটি সেই মানের উপযোগী করা হয়নি। এসব বিষয়গুলি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সড়কটি সংস্কার করার পাশাপাশি প্রশস্থ করা প্রয়োজন। ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, আমাদের কলেজের প্রায় শতভাগ শিক্ষক, শিক্ষার্থীকে অত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সড়কের অবস্থা বর্তমানে এতটাই খারাপ আমরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে অনেক পথ ঘুরে বিকল্প সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকি। জনস্বার্থে সড়কটির আধুনিকায়ন জরুরী হয়ে পড়েছে।
    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, আমাদের দুর্ভোগের আরেক নাম অত্র সড়কটি। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ সব ধরণের রোগীকে অত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার কিংবা উন্নয়ন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিতও করেছি।
    এটি আমাদের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক। বিশেষ করে জরাজীর্ণ সড়কের কারণে গর্ভবতী, ডেলিভারী ও অপারেশন রোগীদের জন্য চরমভোগান্তি হচ্ছে। খুব দ্রুত এটি সংস্কার ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন। উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান খান জানান, ১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর স্কীম পাঠিয়েছি এবং স্কীম অনুমোদনও হয়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, হাসপাতাল ও মহিলা কলেজের জন্য সড়কটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটি যাতায়াতের যথাযথ উপযোগী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উন্নয়ন কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানিয়েছেন।

    ইমদাদুল,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • হরিণাকুন্ডুতে ড্রাগন ফলের নতুন চাষ পদ্ধতি সাড়া ফেলেছে ফলন তিন গুণের বেশি

    হরিণাকুন্ডুতে ড্রাগন ফলের নতুন চাষ পদ্ধতি সাড়া ফেলেছে ফলন তিন গুণের বেশি

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় নতুন উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষের ফলে তিনগুন ফলন হচ্ছে। ২০০৭ সালে ড্রাগন ফলের চাষ এদেশে শুরু হলেও ২০১৪ সালের পর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ড্রাগনের চাষ বৃদ্ধি হতে থাকে। তবে হরিণাকুন্ডু উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের মাঠে ড্রাগনের গতানুগতিক চাষ পদ্ধতির বাইরে এসে আল্ট্রা হাইডেনসিটি পদ্ধতিতে চাষ মডেল হিসেবে বিবেচিত করা হচ্ছে। হরিণাকুন্ডু পৌরসভার মান্দারতলা গ্রামের কৃষক বিপ্লব জাহান (রবিউল) পায়রাডাঙ্গা গ্রামের চারাতলা বাজার এলাকায় ১১ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন আল্ট্রা হাইডেনসিটি ড্রাগন বাগান। যার নাম দিয়েছেন “বাংলা পদ্ধতি”। ইতিমধ্যে কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান এই ড্রাগন বাগানটি বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, এই বাগানটি যে পদ্ধতিতে গড়ে তোলা হয়েছে তা সারা দেশে অনুকরণযোগ্য। বাগানটির চাষ পদ্ধতি দেখে তিনি উচ্চ প্রশংসা করে বলেন অল্প জায়গায় অধিক ফলন পেতে দেশের ড্রাগন চাষিদের এই পদ্ধতিতে বাগান করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এদিকে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী মাসুদ খান বাগানটি পরিদর্শনকালে গানমাধ্যম কর্মীদের জানান পায়রাডাঙ্গা গ্রামে ড্রাগনের এই চাষ পদ্ধতি সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কার। তিনি বলেন, ড্রাগন চাষিরা যেখানে এক বিঘায় ৮৫০ টি চারা রোপণ করেন, সেখানে এই বাগানে ২৬’শ থেকে ২৭’শ চারা লাগানো হয়েছে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি। ফলে তিনগুণ ফলন বেশি হবে। মঙ্গলবার বিকালে বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চায়না পদ্ধতির আদলে স্থাপন করা বাগানটিতে লম্বা সারি করে খুঁটি স্থাপন করে তার উপর দিয়ে লম্বা করে একটি প্লাস্টিক পাইপ, রড ও সিমেন্টের তৈরী আড়া স্থাপন করা হয়েছে। এর দ্ইু পাশে দুটি তুলনামূলক সরু আড়া স্থাপন করা হয়েছে, যা দেখতে ঠিক যেন তিন তারের বৈদ্যুতিক খাম্বার মতো। নিচে ৬ ফুট প্রশস্ত বেডের মাঝখানে স্থাপিত খুঁটির দুই পাশ দিয়ে সারি করে ড্রাগন গাছ রোপণ করা হয়েছে। প্রতিটি গাছ শিকড় বিস্তারের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পেয়েছে। আবার আড়াই উঠার পর পেয়েছে পর্যাপ্ত আলো, বাতাস এবং ডালপালা ছড়ানোর জায়গা। ফলে ফুল ও ফল আসছে প্রচুর পরিমাণে। অন্যান্যরা যেখানে ৩৩ শতাংশ বিঘার জমিতে ৮৮০ টি গাছ রোপন করেন, সেখানে পায়রাডাঙ্গার মাঠের এই ড্রাগন ক্ষেতে বিঘা প্রতি প্রায় ২৮০০ টি গাছ লাগিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক বিপ্লব জাহান। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে মাত্র ৩৮ হেক্টর জমিতে ২৭৭ টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ হেক্টর জমিতে ৪৩১ টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০৮ হেক্টর জমিতে ৮১৫ টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২২৭ হেক্টর জমিতে ২৮০২ টন ও ২০১৯-২০অর্থবছরে ৩৪১ হেক্টর জমিতে ৩৪৬৪ টন ড্রাগন ফল উৎপাদিত হয়েছে। প্রতি বছরই দেশে দ্বিগুণ হারে এই ফলের চাষাবাদ বৃদ্ধি পেলেও আধুনিক ও লাগসই পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করে তিনগুন ফল উৎপাদনের রেকর্ড গড়েছে হরিণাকুন্ডুর এই বাগান মালিক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ড্রাগন ফলের উৎপাদন ছিল মাত্র ৬৬ হাজার কেজি, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ কোটি কেজিতে উন্নীত হয়। এ হিসাবে বিঘা প্রতি প্রায় ১৩ টন ড্রাগন ফল উৎপন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণত ৩৩ শতাংশ জমিতে সর্বোচ্চ ২২০ টি খুঁটিতে টায়ার লাগিয়ে ৮৮০ টি ড্রাগন গাছ লাগানো হয়ে থকে। অন্যান্য দেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। তবে চীন দেশে খুঁটিতে ড্রাগন চাষ ছাড়াও লম্বা লাইন করে ড্রাগন ফলের গাছ লাগানো হয়, যাতে কিছু গাছ বেশি লাগানো যায়। এ বিষয়ে কৃষক বিপ্লব জাহান জানান, ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেমের মাধ্যমে লাগানে প্রতিটি গাছ সমান ভাবে খাদ্য, পানি ও পুষ্টি পাচ্ছে। পানির কোন অপচয়ও নেই এই পদ্ধতিতে। এই বাগান বিঘা প্রতি ১০ টন করে ফলন আশা করছেন। নতুন পদ্ধতিতে ড্রাগন ফল চাষের বিষয় নিয়ে হরিণাকুন্ডু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাফিজ হাসান জানান, কৃষক বিপ্লব জাহান ওরফে রবিউল যে পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করছেন তা নিশ্চয় অন্যান্য চাষিদের জন্য অনুসরণ যোগ্য। তিনি ওই চাষিকে সময়মতো পরামর্শ ও ড্রাগন ক্ষেত পরিচর্চার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন বলেও তিনি জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল

    নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল

    নাচোল প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
    নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকালে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনের নিকট থেকে খবর পেয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাঁকরইল গ্রামের পূর্ব সাঁওতালপাড়ার রিতু হাসঁসদার ছেলে লাল হাঁসদা(৫০)’র শয়নকক্ষের আরার সাথে গলায় চাদর পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লাশের শুরতহাল রিপোর্ট করার সময় লাশের সারা গায়ে ফোসকার চিহ্ন দেখা যায়। লাশের বিকৃতি গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় ওই পরিবারের লোকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।

    এসময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গোমস্তাপুর সার্কেল) সামশুল অজম। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের করা হয়েছে। এব্যাপারে নাচোল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

  • নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে এক এনজিও কর্মীর আত্মহত্যা

    নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে এক এনজিও কর্মীর আত্মহত্যা

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে শতফুল বাংলাদেশ নামক এনজিওর এক মহিলা মাঠকর্মী আত্মহত্যা করেছে।

    উপজেলার নেজামপুর গুয়াবাড়ীর আব্দুল মালেকের ছেলে তাবারোক হোসেনের ভাড়া বাড়ির শয়নকক্ষের ফ্যানের লোহার হুকের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান, রাজশাহীর চারঘাট থানার বনেশ্বর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে দিলরুবা খাতুন(২৮)। নিহত দিলরুবাকে গত ৫ সেপ্টেম্বর/’২২ তারিখে বরখাস্ত করা একটি চিঠির নীচোংশে সুইসাইড নোটসূত্রে জানাগেছে, শতফুল বাংলাদেশ নামক এনজিওর মাঠকর্মী দিলরুবাকে এরিয়া ম্যানেজার নুরজাহান স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠিতে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে চাকুরীচ্যুত করেন। এরই ক্ষোভে ও হতাশায় ওই মাঠকর্মী আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। একই ফ্লাটে থাকা প্রয়াস’র মাঠকর্মীর মা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ভাত পাকের জন্য চাউল বের করে দিয়ে দিলরুবার শয়নকক্ষে দরজা লাগিয়ে দেন। প্রয়াসের ওই মাঠকর্মী বাড়িতে ফিরে দিলরুবাকে খাবার জন্য বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করেন। ভিতর থেকে কোন সাড়া না পেয়ে বাড়িওয়ালাকে খবর দেন। বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীরা দিলরুবার মোবাইলে ফোন দিলেও কোন উত্তর না পেয়ে তাদের সন্দেহ হলে বিষয়টি নাচোল থানাপুলিশকে জানায়। পুলিশ খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘরের দরজার খিল ভেঙে ফ্যানের লোহার হুকের সাথে ওড়নায় ফাঁস লাগা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

    এদিকে ওই ঘর থেকে উদ্ধার করা বরখাস্তের চিঠির শেসাংশে দিলরুবা “আমার জীবনটানষ্ট করে দিল এরিয়া মেডাম আর জোনাল স্যার। আমি কোন ছেলের সাথে প্রেম করিনা, কারো সাথে কোন সম্পর্ক নেই। আমাকে রাস্তার মেয়ে বানিয়ে দিলো। আমি মারা গেলে এরিয়া মেডাম আর জোনাল স্যার দায়ি থাকবে” এমন কথা লিখা ছিল সুইসাইড নোটে ।
    তার অভিভাবককে খবর দেওয়া হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত শেষে লাশ তার স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এব্যাপারে নাচোল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
    এবিষয়ে শতফুল বাংলাদেশে’র নেজামপুর শাখা ব্যবস্থাপক মুঞ্জুর রহমানের সাথে ফোনে ও সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন তথ্য দিতে অপারগোতা প্রকাশ করেন। এমনকি মাঠকর্মী দিলরুবাকে বরখাস্তের কারণও জানাতে চাননি।

  • সুজানগরে এরশাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    সুজানগরে এরশাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে এরশাদ শেখকে(৩৪) গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবসাসী। সোমবার বিকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে থানার সামনে সুজানগর-পাবনা সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধ কর্মসূচি পালন করে তাঁরা। মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে এরশাদ শেখের পিতা মোয়াজ্জেম শেখ কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, বিনা কারণে নির্মমভাবে আমার ছেলেকে গত রবিবার রাতে গুলি করে হত্যা ও কয়েকজন নারী-পুরুষকে কুপিয়ে জখম করেছে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাসের ছেলে হালিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আমার ছেলে হত্যার বিচার দেখে যাতে আর কেউ এ ধরণের কাজ করতে সাহস না পায়। এ সময় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন নিহত এরশাদের বোন স্বর্ণা খাতুন ও সুবর্ণা খাতুন,সাবেক ইউপি সদস্য আকুব্বর শেখ,ইয়াছিন শেখ,লতিফ শেখ ও সিদ্দিক শেখ প্রমুখ। তাঁরা এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি হালিম বিশ্বাস সহ অপর সকল আসামিকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান। উল্লেখ্য উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের চরবিশ্বনাথপুর গ্রামে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস পক্ষের লোকজনের সাথে স্থানীয় মোকাই শেখ পক্ষের পূর্ব বিরোধ ও স্থানীয় চরবিশ্বনাথপুর মাদারতলায় রাস্তার পাশে দোকান দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার সন্ধ্যায় বিএনপি নেতা আজম আলী বিশ্বাসের চাচাতো ভাই আক্কাজ বিশ্বাসের ছাগল মুকাই শেখের জমিতে গিয়ে ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এবং পরবর্তীতে রাতে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় এরশাদ শেখ গুলিবিদ্ধ সহ আরো অন্তত ১১ জন আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিএনপি কর্মী এরশাদ শেখকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় নিহত এরশাদ শেখের পিতা মোয়াজ্জেম শেখ সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস ও তার ছেলে হালিম বিশ্বাস সহ ১৭ জন এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস,স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিক বিশ্বাস ও মামুন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে গত সোমবার পাবনা কোর্টে প্রেরণ করে। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাসের লাইসেন্সকৃত বন্দুকটি জব্দ করে পুলিশ। এ বিষয়ে সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, লাইসেন্সকৃত নাকি অবৈধ অস্ত্র দ্বারা এরশাদকে শেখকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। এছাড়া মামলার অপর আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলের প্রাচীন স্থাপনা রাণী রাশমণিএস্টেটের কাচারি বাড়ি হতে পারে আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র

    নড়াইলের প্রাচীন স্থাপনা রাণী রাশমণিএস্টেটের কাচারি বাড়ি হতে পারে আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের প্রাচীন স্থাপনা রাণী রাশমণি এস্টেটের কাচারি বাড়ি হতে পারে আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র। নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার অন্তর্গত জয়নগর ইউনিয়নের নড়াগাতি নামক গ্রামে রয়েছে রাণী রাশমণি এস্টেটের কাচারি।
    কালিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলােমিটার পূর্ব দিকে নড়াগাতি নামক গ্রামের অবস্থান।
    এ গ্রামের নড়াগাতি বাজারের সাথে লাগােয়া দক্ষিণ দিকে নড়াগাতি–বাঐসােনা পাকা সড়কের পশ্চিম পাশে রাণী রাশমনি এস্টেটের কাচারি বাড়ির অবস্থান।
    জানা যায় যে, ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় রাণী রাশমণি নামে একজন জমিদার ছিলেন । তিনি তৎকালীন মকিমপুর ( বর্তমান রাধানগর ) পরগণার মালিক ছিলেন । নড়াগাতিতে রাণী রাসমণি এস্টেটের একটি প্রাচীন কাচারিবাড়ি আছে।
    জনশ্রুতি আছে , রাণী রাসমণি তাঁর জমিদারি মকিমপুর থেকে কালিয়ার নড়াগাতিতেও বিস্তার করেন। নড়াগতি বাজার সংলগ্নে অবস্থিত প্রাচীন কাচারি বাড়িটি রাণী রাশমণি এস্টেটের কাচারি বাড়ি হিসেবে স্থানীয় লােকজনের কাছে সুপরিচিত ।
    এটিকে আবার অমৃতনগর জমিদারির কাচারী নামে অনেকে উল্লেখ করেন। রাণী রাশমণি এস্টেটের কাচারি বাড়ির মাঝখানে একতলা বিশিষ্ট ১ টি ভবন রয়েছে । কাচারি ঘর হিসেবে পরিচিত এ ভবন থেকে প্রায় ৬.৫ মিটার পূর্ব দিকে ১ টি কালী মন্দির , প্রায় ৯ মিটার দক্ষিণ দিকে ধ্বংসাবশেষের ১ টি টিবি এবং প্রায় ৩৫ মিটার উত্তর–পূর্ব দিকে একটি প্রাচীন পুকুর রয়েছে।
    এ কাচারি বাড়ির দক্ষিণাংশে বিদ্যমান ধ্বংসাবশেষের ঢিবিটি রয়েছে। ঢিবিটির আয়তন প্রায় ৪৫০ বর্গ মিটার। এ ঢিবিটি পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে প্রায় ১ মিটার উঁচু । সম্ভবত এ ধ্বংসাবশেষের ঢিবিটি তৎকালে নীলকরদের নীল প্রক্রিয়াজাতকরণের স্থান বা নীল জাগের হাউজ ছিল । এ স্থানে প্রায় ৬০ সে.মি. পুরু দেয়ালের অংশবিশেষ দেখা যায়।
    তাই স্থানীয় লোকজনের দাবী নড়াইল জেলায় কালিয়া উপজেলার প্রাচীন স্থাপনাটি অর্থাৎ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনাগুলিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘােষণা করে সংরক্ষণ ও সংস্কার করা হলে পর্যটকদের কাছে হতে পারে আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র।

  • নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে থেকে ইয়াবা ও গাজা গ্রেফতার ২

    নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে থেকে ইয়াবা ও গাজা গ্রেফতার ২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে থেকে ইয়াবা ও গাজা গ্রেফতার ২
    নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নড়াইলের পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন দিক নির্দেশনায়, নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের ওসি ডিবি মোঃ সাজেদুল ইসলাম তত্ত্বাবধানে, উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মন্লবার ৬ সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই (নিঃ) অপু মিত্র সংগীয় অফিসার ফোর্স পার্থ ইনজাম সহ ডিবি (নড়াগাতি টিম) আসামী আফিকুল ইসলাম (২৪), পিতা-অহিদুল ইসলাম, গ্রাম-নড়াইল সদর উত্তর ভওখালি, থানা/জেলা-নড়াইল ও আরমান সরদার(২৪), পিতা-করিম সরদার, গ্রাম ভওখালী, থানা জেলা-নড়াইলকে ১১৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২.৫০ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটর গুড়া অংশ সহ নড়াইল সদর থানাধীন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পিছনে তিন রাস্তার উপর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। এবং মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে।

  • সুজানগরে হত্যা মামলার আসামির খামারে অগ্নিসংযোগ ও পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ

    সুজানগরে হত্যা মামলার আসামির খামারে অগ্নিসংযোগ ও পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে একটি হত্যা মামলার আসামিদের মুরগির খামারে অগ্নিসংযোগ করে দেড় হাজারের অধিক মুরগি পুড়িয়ে হত্যা, মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে ১২ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন ও বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে বাদীপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। জানাযায়, গত রবিবার রাতে উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের চরবিশ্বনাথপুর গ্রামে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস পক্ষের লোকজনের সাথে স্থানীয় মোকাই শেখ পক্ষের পূর্ব বিরোধ ও জমিতে গিয়ে ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে রবিবার সংঘর্ষে এরশাদ শেখ(৩৪) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনার পরপরই আসামি পক্ষের লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় আসামি পক্ষের আক্কাজ বিশ্বাসের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাসের ছেলে হালিম বিশ্বাসের পোল্ট্রি মুরগির খামারে অগ্নিসংযোগ করে দেড় হাজারের অধিক মুরগি হত্যা ও সোমবার রাতের আধারে মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাদি পক্ষের লোকজনকে দায়ী করে আজমআলী বিশ্বাসের স্ত্রী হালিমা খাতুন ও হালিম বিশ্বাসের স্ত্রী জাকিয়া হালিম জানান,ফার্মের ব্যবসা দিয়েই সংসারের খরচ চালাতেন। কিন্ত মুরগি পুড়িয়ে দেওয়া ও খামারের মাছ বিষ প্রয়োগ করে নিধন করায় এখন একেবারেই নিঃশেষ হয়ে গেলাম। এতে ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তবে আসামি পক্ষের অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার বাদী নিহত এরশাদ শেখের পিতা মোয়াজ্জেম শেখ জানান নিজ সন্তানকে হারিয়ে এমনিতেই আমরা বাকরুদ্ধ। এ ধরণের ঘটনা কেন আমরা ঘটাতে যাব। আসামি পক্ষের লোকজন মামলা থেকে বাঁচতে অথবা তৃতীয় কোন পক্ষের লোকজন এ ধরণের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমার ধারণা। সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে থানায় এখনো মুরগির খামারে অগ্নিসংযোগ ও খামারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের কোন অভিযোগ কেউ দেয়নি। তিনি আরো জানান, এরশাদ শেখ হত্যায় সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস ও তার ছেলে হালিম বিশ্বাস সহ ১৭ জন এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস,স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিক বিশ্বাস ও মামুন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে গত সোমবার পাবনা কোর্টে প্রেরণ করে। এছাড়া মামলার অপর আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা  থেকে এক ভুয়া মেজর আটক

    কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এক ভুয়া মেজর আটক

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুর থানা পুলিশ ৬ সেপ্টেম্বর সকালে কেশবপুর উপজেলার বগা মোড় থেকে মোয়াজ্জেম কবীর (৩৭) নামে ওই ভুয়া মেজরকে আটক করেন।
    থানা পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার শেখপাড়া গ্রামের শেখ আলী হোসেনের ছেলে মোয়াজ্জেম কবীর সে নিজে সেনাবাহিনীর মেজর হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। সে মানুষকে সেনাবাহিনীতে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারনা করে আসছে। সে ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারে বাসাভাড়া করে বসবাস করে আসছিলো। সেই সুবাদে তার সাথে কেশবপুর উপজেলার বুড়ুলি গ্রামের ওদুদ সরদার এর পরিচয় হয়। সেই সুবাদে ওদুদের ছেলে বিল্লাল হোসেনকে (২২) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৪ আগষ্ট তাদের বাড়িতে বসে এক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নগদ ৩’লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সে বিল্লাল হোসেনকে চাকুরি দিতে ব্যর্থ হয়। এরএক পর্যায়ে সে বিভিন্ন প্রকারের টালবাহানা করে আসছে। ২৬ আগস্ট টাকা ফেরত চাইতে গেলে সে টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং আত্মগোপনে চলে যায়। এরপর বিল্লালের পিতা বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় একটি মামলা করেন। যার মামলা নং-৯। ৬সেপ্টেম্বর সকালে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দীনের নিদেশে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী বগা মোড় এলাকা থেকে ভুয়া মেজর মোয়াজ্জেম কবীরকে আটক করে পুলিশ।
    কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দীন বলেন ভুয়া মেজর পরিচয় দানকারী মোয়াজ্জেম কবীরকে আটক করে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সুজানগরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৮

    সুজানগরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৮

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবাসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাননান মঙ্গলবার জানান, পাবনা পুলিশ সুপার মো.আকবর আলী মুন্সী স্যারের নির্দেশনায় সুজানগর থানাকে মাদক ও অপরাধ মুক্ত করার লক্ষ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় পৃথক পৃথক অভিযানে ওই আটজনকে গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। এবং মামলার ভিত্তিতে পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের পাবনা কোর্টে প্রেরণ করা হয়। ওসি আরো বলেন, নারী-পুরুষ যেই হোকনা কেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাবে সুজানগর থানা পুলিশ। মাদকের সঙ্গে জড়িত যত বড় প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ব্যক্তিই হোক না কেন, তারা কোন ছাড় পাবেনা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।