Author: desk

  • খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনে নারী ফুটবলার ও কোচ বরণ

    খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনে নারী ফুটবলার ও কোচ বরণ

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    খাগড়াছড়িতে পার্বত্য খাগড়াছড়িবাসী তিন কৃতি ফুটবলার আনাই- আনুচিং- মনিকা ও নারী ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমাকে ছাদখোলা জীপ ও মোটর শোভাযাত্রায় বরণ করে নিয়েছে।

    তবে আজ শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাঙ্গামাটি থেকে সড়ক পথে খাগড়াছড়িতে গোলাবাড়ি ঠাকুরছড়া পর্যন্ত পৌছালে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা ও খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ তাদেরকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন। এসময় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সাফজয়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছা সিক্ত করে।
    খাগড়াছড়ি গোলাবাড়ি ঠাকুরছড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুল দিয়ে বরণ করার পর সুসজ্জিত একটি ছাদখোলা জীপে করে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহকারে খাগড়াছড়ির গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

    খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে উন্মুক্ত মঞ্চে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ’র সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা। সাফজয়ী ফুটবল কন্যাদের অভিনন্দন জানিয়ে সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা বলেন, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির মেয়েরা আমাদের অহংকার। আমাদের মুখ উজ্জ্বল করে আমাদের মেয়েরা ঘরে ফিরেছে। জেলাবাসী তাদের সাদরে বরণ করেছে। তাদের দেখে নতুনরা অনুপ্রানিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
    জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    এসময় খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক, খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জুয়েল চাকমা, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য শতরূপা চাকমা ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আযম, বাংলাদেশ ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমা ও কৃতি ফুটবলার মনিকা চাকমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    ইতিমধ্যে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে নেপালের কাঠমান্ডু জয় করে দেশে ফিরে আসেন এবং স্বনামধন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ দেশের বিভিন্ন সংগঠন সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে শিরোপাজয়ী নারীদের সম্বর্ধনাসহ নগদ পুরস্কার অর্জন করেছে। তেমনি খাগড়াছড়িতেও আজ জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস ঘোষিত তিন নারী ফুটবলার ও কোচকে নগদ ১লক্ষ করে নগদ অর্থের পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

    তবে লক্ষ্মনীয় যে লেডি বাইকাররাও এ রিসিপশনে স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণ করেন।

  • মহালছড়িতে দুঃস্থ ও হত দরিদ্রের চিকিৎসা সেবায় সেনাবাহিনী

    মহালছড়িতে দুঃস্থ ও হত দরিদ্রের চিকিৎসা সেবায় সেনাবাহিনী

    (রিপন ওঝা, মহালছড়ি)

    খাগড়াছড়ি রিজিয়নের মহালছড়ি জোন অধিনায়কের নির্দেশনায় ও পরামর্শে জোনের আওতাধীন ইসলামনগর বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২৯সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার (সকাল ১০.০০-৩.০০ ঘটিকা) সময় পর্যন্ত একটি মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

    উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে মহালছড়ি জোনের আরএমও এবং মেডিকেল সহকারী এর মাধ্যমে প্রায় ২শতাধিক দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

    মহালছড়ি জোন সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। দূর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনসাধারন স্বাগত জানায়।

    ভবিষ্যতেও মহালছড়ি জোনের এরুপ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। করোনা মহামারীর মাঝেও মহালছড়ি জোন কর্তৃক এইরুপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রমের ফলে সাধারণ মানুষের সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি সাধিত হচ্ছে।

  • সড়কের দুইপাশের রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে ফুটপাত দখল-কোটি টাকা চাঁদাবাজি

    সড়কের দুইপাশের রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে ফুটপাত দখল-কোটি টাকা চাঁদাবাজি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের দুইপাশের রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে। সেই সাথে বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা ও লাইসেন্সবিহীন, ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
    বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার টঙ্গী থেকে পুরাতন আশুলিয়া, জিরাবো ও সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, পল্লীবিদ্যুৎ, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডের ফুটপাত হকারদের দখলে এবং লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে পুলিশ ও রাজনৈতিক লিডার কর্তৃক দালাল চাঁদাবাজদের নিজস্ব বাহিনী দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে চাঁদা উঠানোর জমজমাট কারবার।
    বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) ফরিদুল ইসলাম অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়ক, মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বি ত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনির্মাণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ ক: জহির ও মেহেদী, গোলাপ, শাহিন, বাবুলসহ কয়েকজন দালাল কর্তৃক তিন চাকা গাড়ি প্রতি ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্য জহির সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১ কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাভারের আশুলিয়ার বিভিন্ন স্পট ও ফুটপাত দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজরা। পল্লীবিদ্যুৎ রোড থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং বাইপাইল থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত এবং বিভিন্ন রাস্তার দুপাশের ফুটপাত দখল করে নামে বে-নামে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। পরিবহন থেকেও প্রতিদিন ও মাসিক চাঁদা আদায় করার অভিযোগও রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। সেই সাথে রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার ছোট দিয়াবাড়ী বেড়িবাঁধে অবৈধভাবে ঘাট বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এসব এলাকার রাস্তার দুইপাশে বাজার বসিয়েও মোটা অংকের টাকা চাঁদাবাজি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসীরা। জানা গেছে, সরকারি কোনো প্রকার ইজারা ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় একাধিক চক্র ও কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য কর্তৃক চাঁদাবাজি করে আসছে। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর, পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করেন জহির নামের এক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী এই চক্রগুলো। বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকে একপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। জানা গেছে, রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন।
    হাজী জহির মোবাইল ফোনে বলেন, তিনি অসুস্থ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান, এ বিষয়ে কথা বলতে পারবেন না বলে জানান। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ বিষয়টি নজরে আসেনি আমাদের। এখন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আসাদ মিয়া বলেন, এর আগে সড়কে ও গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। তিনি আরও বলেন, এদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে সিএনজি ও অবৈধ গাড়ির চালকরা অনেকেই বলেন, জহির পুলিশ প্রতি একটা সিএনজি’র মালিকের ১ হাজার টাকা দিতে হয় আর বড় গাড়ি থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে দিতে হয় জহির পুলিশকে। যিনি আশুলিয়ায় ডিউটি করেন, চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদস্য কঃ জহিরের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার সাথে দেখা করে সরাসরি কথা বলবো।
    সাভার ট্রাফিক জোন পুলিশের আমিনবাজার পুলিশ বক্সের অফিসার ইনচার্জ (টিআই) সোহেল এর কাছে সড়কে যানজটের কারণ ও চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভার ও আমিনবাজার ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। পুলিশ ও র‌্যাবসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দাবি অভিযান অব্যাহত আছে। ধারাবাহিক ভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হবে।

  • আশুলিয়ার বসুন্ধরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি

    আশুলিয়ার বসুন্ধরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বসুন্ধরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড। ধর্ষণের ঘটনাও বেড়েই চলেছে, এর সাথে প্রায় দিনই বিভিন্ন স্থান থেকে লাশ উদ্ধার হয়।
    বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইলের বসুন্ধরা চারাল পাড়া ও ডিআইজি’র বাগানে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উক্ত এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা মাদক ও জুয়ার আসর বসিয়ে জমজমাটভাবে কারবার করছে। মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড (ক্রাইম) করছে মাদক সেবনকারী ও জুয়ারুরা। ভয়ংকর মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করে। মাদক সেবনের কারণে যুবসমাজের ভয়াবহ অবস্থার জন্য দায়ী কারা?। এসব মাদকের ব্যবসা করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশ ও র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার করা হলেও অনেকেই ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে, পুরোপুরিভাবে এসব বন্ধ হচ্ছে না বলে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি। এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করেও অনেকেই প্রকাশ্যে চলাফেরা করে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল। জানা গেছে, প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকসহ অনেকেই হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক হয়রানিমূলক মামলায় পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে অবশেষে প্রতিবন্ধী হয়েছেন জাতীয় দৈনিক লাখোকণ্ঠ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক মাইনুল ইসলাম শেখসহ আরও অনেকেই।
    আশুলিয়ার সাংবাদিক মাইনুল বলেন, আমি পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় লেখালেখি করেছি, এরই জের ধরিয়া সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ী বিপ্লব ও তাহার মাদক ব্যবসার আর্থিক যোগানদাতা আব্বাছ উদ্দিন ও আরও লোকজনের সহযোগিতায় আমাকে গত ০৩/০৭/২০২০ইং তারিখে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে ভোলা জেলা কারাগারে পাঠায়। তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে মামলা করার পূর্বে আমি গত ০৬/১২/ ২০১৮ইং এবং গত ১২/০৩/২০২০ইং তারিখে আশুলিয়া থানায় বিপ্লব ও আব্বাসের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করি। তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করিয়া আমাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে মারপিট করায় এবং আমাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে বিভিন্ন কৌশলে হল কামালের ৫ম তলা বাড়িতে আমার ভাড়া বাসার কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে বাড়ির মালিক কামাল হোসেন ওরফে হল কামালের সহযোগিতায় আমার স্ত্রী মোছাঃ রকসানা ইসলামের নামের ব্যাংক একাউন্টের চেক বহি, ভূমির দলিল এবং সন্ত্রসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অপরাধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসসহ নগদ অর্থ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়, এ বিষয়ে কামালসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছি। আমি আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে এ ঘটনা জেনে শুনে এ বিষয়ে আমি বাদি হয়ে মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলাটি রেকর্ড করা হয়।“ঢাকার কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী বিপ্লব এখন রাজাপুরের মাদক স¤্রাট” শিরোনামে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা প্রতারণা মামলা দিয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করায় বলে মাইনুল ইসলাম জানায়। তিনি আরও বলেন, বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানা পুলিশের দিয়ে বিপ্লব ও আব্বাসসহ তাদের লোকজন আমাকে কারাভোগ করিয়ে নির্যাতন করেছে, এখন আমি একজন প্রতিবন্ধি, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের সঠিক বিচার দাবী করেন এই সাংবাদিক।
    ভয়ংকর মাদকের নেশাসহ অসামাজিক কর্মকান্ড ধবংস করছে যুবসমাজকে। “হোম ডেলিভারি করা হয় মাদক” চাইলেই হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। রাজধানী ঢাকার আশপাশের এলাকা সাভার ও আশুলিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘মাদকদ্রব্য হোম ডেলিভারিতে’ ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। গ্রামগঞ্জে পাড়া মহল্লায়ও চলছে বিভিন্ন মাদকের জমজমাট কারবার। এইসব মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদক সেবনকারীরা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। জুয়া ও মাদকের বিষয়ে বিবাদ সৃষ্টি হওয়ায় বেশিরভাগ হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে বলে সূত্র জানায়। সূত্র আরও জানায়, বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অর্ডার করলেই হোম ডেলিভারি করতে পারছে সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিরা। মাদক সেবনকারীরাও খুব সহজেই কাছে পেয়ে যাচ্ছে নানারকম মাদক। অভিযোগ রয়েছে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যও এসবের সাথে জড়িত থাকায় পুরোপুরিভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না মাদক কারবার ও জুয়া খেলা। এইসব মাদক ও জুয়া সিন্ডিকেট চক্রের সাথে অনেকেই জড়িত রয়েছে। সচেতন মহল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক চেষ্টা করেও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    বিশেষ করে চাল, ডাল, দুধ, চিনি ও পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আগে থেকেই ভোক্তা বাড়ি বসেই পেয়ে থাকেন। ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা এসব পণ্য চাহিদা অনুযায়ী ভোক্তার বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেন, এখন দূর-দূরান্ত থেকেও ই-বাণিজ্যের কল্যাণে নিত্যব্যবহার্য বা সৌখিন সব ধরণের পণ্য চলে আসে ভোক্তার ঘরে। “তাই বলে মাদকের হোম ডেলিভারি”! হ্যাঁ সম্প্রতি যশোরের অন্তত ৬জন মাদক ব্যবসায়ী দম্প্রতি চাহিদা অনুযায়ী মাদক সেবীদের ঘরে মাদক ডেলিভারি দিয়ে থাকে।বিশেষ করে দক্ষিণা ল, উত্তরা ল, রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা সাভার, আশুলিয়া ও চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জীবন ধ্বংসকারী হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা ট্যাবলেট, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অর্ডার করলেই হাতের কাছে পাচ্ছে (হোম ডেলিভারি) এইসব মাদক সেবন করে একদিকে যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদক সেবনকারীরা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। সেই সাথে মাদক সেবন করা অবস্থায় নেশার মধ্যে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ করে থাকে কিছু মাদক সেবনকারীরা। সেই সাথে তিন তাস ও ডিজিটাল চায়না জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে মাদক সেবনকারী ও জুয়ারুরা। সূত্র জানায়, অনেক মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ার মালিকরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে মোবাইল ফোনে কল করে অথবা ম্যাসেজ এর মাধ্যমে কাঙ্খিত স্থানে মাদক পৌঁছে দেয়।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুছ আলীর কাছে জানতে চাইলে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, মাইনুল ইসলামের বিষয়টি আমি তদন্ত করেছি। এ বিষয়ে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বাড়ির মালিক কামাল হোসেন বলেন, মাইনুলের রুমের মালামাল তার পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছে, ডাকাতি বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। র‌্যাব ও পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। বর্তমানে কিশোর গ্যাং শব্দটা মানুষের কাছে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এদিকে মাদক নির্মূলে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য চেয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ।

  • নওগাঁয় রাতারাতি পরচুলা শ্রমিকের টাকা নিয়ে উধাও বাবা ছেলে

    নওগাঁয় রাতারাতি পরচুলা শ্রমিকের টাকা নিয়ে উধাও বাবা ছেলে

    নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় শত শত অসহায় হতদরিদ্র পরচুলা মহিলা শ্রমিকের টাকা না দিয়ে বাড়ির মালিককে ওষুধ খাইয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে গেছে প্রতারক বাবা-ছেলে ৷ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার মান্দা উপজেলায় ৷

    চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা উপজেলার বাসিন্দা মজিবর ও তার ছেলে সুজন প্রায় দুই বছর আগে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার ১ নং ভারশোঁ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে পরচুলা কেন্দ্র বসিয়ে প্রায় দুই শতাধিক নারীদের দৈনিক পারিশ্রমিক এর মাধ্যমে চুল বাছানোর কাজ করিয়ে নিত তারা ৷ শুধু এই দুই জনই নয় এছাড়াও অনেক পরচুলা অর্থাৎ চুল বাছানো কেন্দ্র বা কারখানা গড়ে উঠেছে এই উপজেলায় ৷ এসব কারখানা মালিকের বেশিরভাগেরই বাসা চুয়াডাঙ্গা/মেহেরপুর সহ বিভিন্ন জেলায়৷

    তথ্য মতে, উপজেলার ৯ নং তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের রুয়াই, শংকরপুর,সালদহ সহ বিভিন্ন গ্রামের ১০ থেকে ১২ টি কেন্দ্রের প্রায় দুই শতাধিক মহিলা শ্রমিকের এক থেকে দেড় মাসের বেতন প্রায় তিন থেকে চার লক্ষাধিক টাকা না দিয়ে যে বাসায় ভাড়া থাকতো সে বাসা মালিকে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে রাতারাতি বাড়ির সব কিছু নিয়ে পালিয়ে যায় এই প্রতারক বাবা
    /ছেলে ৷

    এ ঘটনায় মহিলা শ্রমিক আকলিমা বিবি,সাবানা বিবি, জুলেখা বিবি, আরিফা বিবি, ছেলিনা আক্তার, প্রতারক মুজিবর ও তার ছেলে সুজনের শাস্তি সহ পরচুলা শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি আদায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী অসহায় শ্রমিকরা ৷

    এদিকে শ্রমিকদের টাকা না দিয়ে রাতারাতি এই বাবা ছেলে পালিয়ে যাওয়া জনগণে প্রশ্ন উঠেছে আরো যেসব পরচুলা ব্যবসায়ী আছে তারাও এই ভাবে শ্রমিকদের টাকা মেরে পালিয়ে যাবে না তো, এ ব্যাপারে এই সমস্ত পরচুলা ব্যবসায়ীদের প্রশাসনের নজরদারিতে আনার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান উপজেলাবাসি ৷

    আর এই প্রতারক বাবা ছেলের পালিয়ে যাওয়াই যে সমস্ত ব্যবসায়ী রয়েছেন তারাও এলাকাবাসীও স্থানীয় লোকজনের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানান এই পরচুলা ব্যবসায়ীরা ৷ এদিকে অভিযুক্ত চুল কারখানার মালিক মুজিবর রহমান ও তার ছেলে সুজনের সন্ধান না পাওয়ায় তাদের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি৷

    এব্যাপারে খতিয়ে দেখে শ্রমিকদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন ১নং ভাঁরশো ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন৷

    এই বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু বাক্কার সিদ্দিক জানান, কোন শ্রমিক যদি অভিযোগ দেয় তাহলে দ্রুতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন ও গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে জানান৷#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • নওগাঁয় মৌমাছির কামড়ে ১ জন নিহত, আহত ২

    নওগাঁয় মৌমাছির কামড়ে ১ জন নিহত, আহত ২

    নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় মৌমাছির কামড়ে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মকলেছুর রহমান (৫০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় একই পরিবারের আহত হয়েছেন আরও দু’জন।

    নিহত মকলেছুর রহমান উপজেলার নুরুল্যাবাদ ইউনিয়নের নুরুল্যাবাদ গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন- একই পরিবারের সুমন (১৮) ও ফাতেমা (৪০)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মকলেছুর রহমান ছাগলের জন্য বাড়ির পাশে গাছের পাতা কাটতে যান। এ সময় মৌমাছির দল মকলেছুর রহমান, সুমন এবং ফাতেমাকে আক্রমণ করে। মৌমাছির এলোপাতাড়ি কামড়ে তারা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মকলেছুর রহমান মারা যান। অপরদিকে আহত সুমন বর্তমানে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। আর ফাতেমার অবস্থা বেগতিক হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর হয়েছে।

    এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মেহেদী মাসুদ।

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

  • নওগাঁয় জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁয় জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁ প্রতিনিধি : বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে নওগাঁয় র‍্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় সিভিলসার্জনের অফিস চত্বর থেকে একটি র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।

    পরে জলাতঙ্ক : আর মৃত্যু নয়, সবার সাথে সমন্বয় শীর্ষক এক আলোচনাসভা সিভিলসার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    নওগাঁ জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু হেনা মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামান সরকার এ আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো: মহির উদ্দিন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্তার মুনির আলী আকন্দ, মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার আশীষ কুমার,সিনিয়র স্বস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান চৌধুরী রাখেন।

    এ সময় বিএমএ নওগাঁ জেলা কমিটির সভাপতি ডাক্তার মো: হাবিবুর রহমান, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় দুর্গোৎসবে ১৫৪ টি মন্ডপে সরকারি অনুদান ও এমপি-বাবুর ব্যক্তিগত অর্থ বিতরণ

    পাইকগাছায় দুর্গোৎসবে ১৫৪ টি মন্ডপে সরকারি অনুদান ও এমপি-বাবুর ব্যক্তিগত অর্থ বিতরণ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গোৎসবে উপজেলার ১৫৪ টি পূজা মন্দিরে সরকারী অনুদান সহ খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রার) এমপি মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ব্যক্তিগত ভাবে অর্থ প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অর্থ তুলেদেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরন কুমার সাধুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাসের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম, ওসি ( তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু,পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম রেজায়েত হোসেন,অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, আঃ মান্নান গাজী, কওসার আলী জোয়াদ্দার, রিপন কুমার মন্ডল, জি,এম আঃ ছালাম কেরু, কে,এম আরিফুজ্জামান, কাজল কান্তি বিশ্বাস, শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস,মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার সরকার, উপজেলা আ’লীগের সাবেক নেতা সহকারী অধ্যাঃ ময়নুল ইসলাম, আরশাদ আলী বিশ্বাস,পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা কৃষ্ণপদ মন্ডল, মুরারী মোহন সরকার,দীপক মন্ডল, শংকর দেবনাথ, স্নেহেন্দু বিকাশ, বি,সরকার প্রকাশ ঘোষ,পিযুষ কুমার সাধু,পৌর কমিটির সভাপতি বাবুরাম মন্ডল, সম্পাদক জগদীশ রায়,মৃত্যুঞ্জয় সরদার,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবিউল গাজী রবি, নিতাইপদ মিস্ত্রী,যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজু,এমএম আজিজুল হাকিম,আমান সরদার,আকরামুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান,ছাত্রলীগ নেতা রায়হান পারভেজ রনি সহ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রত্যেক মন্দির প্রতি সরকারি ভাবে ১৮ হাজার ও এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু’র ব্যক্তিগত ১ হাজার টাকা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু পূজা উদযাপন পরিষদকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করেছেন।

  • সুজানগরে প্রায় ৬ কোটি টাকার সুপেয় পানি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের দ্বিতীয় দফা তদন্ত অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে প্রায় ৬ কোটি টাকার সুপেয় পানি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের দ্বিতীয় দফা তদন্ত অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ সুজানগরে প্রায় ৬ কোটি টাকার সুপেয় পানি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের দ্বিতীয় দফা তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন আসেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ সচিব মোহাম্মদ ফজলে আজিম, তদন্ত কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব প্রত্যয় হাসান এবং স্থানয়ি সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এনামুল হক। এ সময় পাবনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্তমানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,খুলনা সার্কেল খুলনার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জামানুর রহমান, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, পাবনা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী, সুজানগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, সাবেক উপ সহকারী প্রকৌশলী মামুনর রশীদ, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত৩১ জুলাই প্রথমবার তদন্তে আসেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্নসচিব(পাস অধিশাখা) মো.জসিম উদ্দিন। জানাযায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে আসেনিকমুক্ত সুপেয় পানি ও নিস্কাশন ব্যবস্থায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও বিগত ৬ বছরে এর কোন সুফল পাচ্ছে না সুজানগর পৌরবাসী। ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রকল্পটি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ও হতাশ ভুক্তভোগীরা। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়,সরকার সুজানগর পৌরসভার আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ২০১০-১১ অর্থ বছরে পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই এন্ড এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্প হাতে নেয়।এর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় সুজানগর পৌর এলাকায় ২০০মিঃমিঃ ব্যাসের ১.১০ কিঃমিঃ, ১৫০ মিঃমিঃ ব্যাসের ৪.৪২ কিঃমিঃ, ১০০ মিঃমিঃ ২৩.৯৮ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন, উৎপাদক নলকূপ ০৫টি, পাম্প ঘর ৫টি, পাম্প ও মোটর ক্রয় ৫টি, সারফেস ড্রেন ৫ কিলোমিটার, ডাস্টবিন ১২টি, পাবলিক টয়লেট ০৪টি, তারা নলকূপ স্থাপন ৩০টি, অটো ভোল্টেজ রেগুলেটর ক্রয় ০৫টি,২টি কম্পিউটার ও ১৪২৫টি বাড়িতে পানির মিটার সংযোগ দেয়ার সিদ্ধান্তÍ হয়। পাবনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্তমানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,খুলনা সার্কেল খুলনার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জামানুর রহমান এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হন। এ প্রকল্পের পিডি নিজেই টেন্ডার আহ্বানকারী ও বিল পরিশোধকারী হওয়ায় তিনি তৎকালীন সুজানগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও পছন্দের পাবনার ঠিকাদারকে দিয়ে যেনতেনভাবে ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা খরচ দেখান এবং তিনি তার স্বেচ্ছাচারিতা ও ব্যাপক অনিময়ের দুর্নীতির মাধ্যমে যেনতেনভাবে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করেন বলে অভিযোগ প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের। নি¤œমানের পাইপ দিয়ে পানির লাইন বসানোর কারণে পানি ছাড়ার সাথে সাথে তা ফেটে চৌচির হওয়ায় নির্মাণের পর থেকে পৌর এলাকায় পানি সরবারাহ বন্ধ রয়েছে। ডিপ টিউবয়েল গুলো বসানোর পর থেকে অকেজো হয়ে আছে। এমনকি পাম্প ঘর নির্মাণের পর থেকে কয়েক বছর চরভবানীপুর এলাকার পাম্প ঘর সহ ২টি পাম্প ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও পাম্প ঘরে বিদ্যুৎতের মাধ্যমে পাম্প ও মোটর সচল দেখিয়ে এবং প্রকল্পের অন্যান্য কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১৫ সালের জুন মাসের ২৯ তারিখের মধ্যেই ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা উত্তোলন করে নেওয়া হয় অভিযোগ রয়েছে,এ প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি পৌরবাসীর কোন উপকারেই আসছেনা।এ বিষয়ে সুজানগর পৌরসভার পক্ষ থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসের ৫ তারিখে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে প্রকল্পটিতে ব্যবহার করা সকল পাইপ লাইনে নি¤œমানের পাইপ ব্যবহার করার কারণে নলকুপ ও পাম্প হাউজ অকেজো হয়ে পড়ে আছে বলে উল্লেখ করা হয়। তদন্তে এর সত্যতা মেলায় ২০১৯ সালের মার্চ মাসের ১৪ তারিখে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আবু নাছের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে পৌরসভায় আসেনিকমুক্ত সুপেয় পানি ও নিস্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে লিখিতভাবে নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই নির্দেশনা ৩ বছর পার হলেও তা খাতা কলমেই রয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি।পৌরসভা সুত্রে জানাযায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে পৌরবাসীর আসেনিকমুক্ত সুপেয় পানির কোন ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত করা হয়নি। অথচ ৫জন পাম্প চালক ও ১জন মেকানিক্স এর বেতন,বিদ্যুৎ বিল সহ অন্যান্য খরচ বাবদ ২০ লক্ষাধিক টাকা পৌরসভা থেকে প্রদান করতে হচ্ছে প্রতিবছর। পাম্প চালকেরা জানান, পাম্প চালু করার সাথে সাথেই পাইপ ফেটে চৌচির হয়ে যায়।তাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় পানির পাইপ লাইন বসানো হলেও জনসাধারণের পানি সরবরাহ কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছেনা। এদিকে এ বিষয়ে গত বছরের ৯ মে রোববার সর্বপ্রথম দৈনিক যুগান্তরে সুজানগরে ভেস্তে গেছে সুপেয় পানি প্রকল্প শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১১জুন একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে বিষয়টির উপর একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। পরবর্তীতে পাবনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্তমানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,খুলনা সার্কেল খুলনার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জামানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত না করেই সমস্ত টাকা উত্তোলনসহ ব্যাপক অনিয়ম,দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে সুপেয় পানি বি ত সুজানগর পৌর এলাকার বাসিন্দারা এ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সিংড়ায় গণসংযোগে ব্যস্ত পৌর আওয়ামীলীগের  সভাপতি প্রার্থী ডালিম আহমেদ ডন

    সিংড়ায় গণসংযোগে ব্যস্ত পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী ডালিম আহমেদ ডন

    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
    আগামী ১ অক্টোবর নাটোরের সিংড়া পৌর আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রচার প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন আসন্ন পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি পদ প্রার্থী ডালিম আহমেদ ডন।
    ডালিম আহমেদ ডন এক সপ্তাহ আগে প্রায় তিন শতাধিক মটর সাইকেল শোডাউন দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন। এর পর থেকে প্রতিদিনই সকাল সন্ধায় পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে দেখা করে দোয়া ও সমর্থনে গণসংযোগ করছেন তিনি। গুরুত্বপুর্ণ বাজারের ব্যবসায়ীরকদের সাথে করছেন সালাম ও কুশল বিনিময়। এছাড়া পৌর শহরের আনাচে কানাচে শোভা পাচ্ছে সভাপতি প্রার্থী ডালিম আহমেদ ডন এর দোয়া কামনা সম্বলিত টানানো পোষ্টার।
    ডালিম আহমেদ ডন বলেন, ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর একজন সৈনিক হিসাবে দলের জন্য কাজ করে আসছি। পৌর আওয়ামীলীগে দায়িত্ব পেলে নিষ্ঠার সাথে কাজ করবো ইনশা আল্লাহ।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি।