Author: desk

  • ধামইরহাটে আদিবাসীদের কারাম উৎসব উদযাপন

    ধামইরহাটে আদিবাসীদের কারাম উৎসব উদযাপন

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে উত্তর বঙ্গের উরাও পাহান, সাঁওতাল, মালো মাহাতো, ভুইমালী, রাজোয়াড়, মাহালিসহ আদিবাসীদের এক প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব কারাম। নৃত্যের তালে তালে বৃক্ষপূজার মাধ্যমে পালন করা হয় ঐতিহ্যবাহী ১৭ তম কারাম উৎসব। ৬ অক্টোবর বিকেল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলনা-গোপীরাম উরাও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ও গ্রামবাসীদের উদ্যোগে খেলনা ফুটবল মাঠে কারাম উৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কারাম উদযাপন কমিটির সভাপতি রাজেন্দ্রনাথ তিগ্যা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নওগাঁ-২ আসনের এম.পি মো. শহীদুজ্জামান সরকার উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। সেই সাথে আদিবাসীদের কৃষ্টি-কালচার ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ১৯টি দল তাদের চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করেন। কারাম উৎসবে উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, ইউএনও মো.আরিফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলদার হোসেন, সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি প্রদীপ কুমার আগারওয়ালা, সম্পাদক তাপস কুমার মহন্ত, খেলনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন:  ওয়াহিদুজ্জামান (ইউএনও)

    উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন: ওয়াহিদুজ্জামান (ইউএনও)

    একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা একটি স্বনির্ভর জাতি গঠনের পূর্বশর্ত যোগ্য নাগরিক গড়ে তোলা। তাই শিশুদের আগামী দিনের জন্য দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে অর্থাৎ বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। যার ফলে প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির সাথে সাথে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। যার শুরুটা হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর হাত ধরেই, যিনি ১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজারের অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রার শুভ সূচনা করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরই সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত আরো পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তিন দফার প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি। এ সকল কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিনেই রঙিন বই তুলে দেয়া, ঝড়ে পড়া রোধে উপবৃত্তি কার্যক্রম, অনগ্রসর এলাকায় স্কুল ফিডিং চালু, সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য আনন্দ স্কুল এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম, স্লিপ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে শিশু বান্ধব করে গড়ে তোলা, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ এর মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন, নতুন নতুন ভবন নির্মাণ করে শিশুদের শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ই মনিটরিং এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষকদের দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরণ, শিশুদের মধ্যে নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক মনোভাব গড়ে তুলতে স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠনের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এমনকি শিশুদের সেবামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক বিকাশ ও খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হচ্ছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে বিসিএস নন ক্যাডার থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকের নতুন পদ সৃষ্টিসহ শূন্য পদ পূরণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি-কাম-প্রহরী নিয়োগ, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু, পিটিআইসমূহে আইসিটি ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহের মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী প্রায় শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সমতা আনয়ন, নতুন শিক্ষাক্রমে নতুন পাঠ্যবই, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু, অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে যা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি আলোকিত জাতি গঠনের মাধ্যমে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ।

    লেখক : উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক কৃষকের মৃত্যু

    পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক কৃষকের মৃত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আজিজুল হক (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গনাগছ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আজিজুল হক ওই এলাকার মৃত বাতাসু মোহাম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক।
    নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দীন বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে আজিজুল নামে ওই ব্যাক্তি গৃহস্থালির কাজের জন্য বাড়ির পাশের একটি বাশঁঝাড়ে যান বাশঁ কাটার উদ্যোশে। বাশঁ কাটার এক পর্যায়ে একটি বাশঁ বাশঁঝাড়ের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের লাইনে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে তেতুঁলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
    তেতুঁলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাইদ চৌধুরী বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • তাহিরপুরের বিন্নাকুলি গ্রামে প্রতিপক্ষের দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে ৩জন আহত মোবাইলসহ সাড়ে তিনলাখ টাকা ছিনতাই

    তাহিরপুরের বিন্নাকুলি গ্রামে প্রতিপক্ষের দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে ৩জন আহত মোবাইলসহ সাড়ে তিনলাখ টাকা ছিনতাই

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বিন্নাকুলি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক ব্যবসায়ীর ম্যানেজারসহ তিন জন সন্ত্রাসী হামলা ও ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। আহতরা হলেন বিন্নাকুলি গ্রামের বাসিন্দা বাল,ু পাথর, ব্যবসায়ী গোলাম রাব্বানীর ম্যানাজার তৌহিদ ইসলাম(৪০),তার সহোদর শহিদ মিয়া(৫০),তাদের পিতার নাম মো: ফুল মিয়া এবং হিরো মিয়ার ছেলে মো: আবুল কাশেম (৪২)। আহতদের তিন জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
    প্রত্যক্ষদোষী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ঘটনাটি ঘটে ৬ই অক্টোবর বৃহস্প্রতিবার রাত ৮টায় বাদাঘাট ইউনিয়নের বিন্নাকুলি গ্রামে মো: ফুল মিয়ার বাড়িতে। জানা যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটনার দিন রাতে একই গ্রামের হামলাকারী আলী আকবর, জুয়েল, রুবেল, কবির হোসেন, মনির হোসেন, জাকির হোসেন, মাহবুব এবং আরও অজ্ঞাত নামা ৭/৮ জন মিলে বিন্নকুলি গ্রামের বাসিন্দা মো: ফুল মিয়ার বাড়িতে এসে গালিগালাজ শুরু করে । এসময় তার ছেলে তৌহিদুল ব্যবসায়ী টাকা নিয়ে বাড়ির সামনে এসে দেখে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তাদের বাড়ির সামনে এসে তার বাবা ফুল মিয়াকে মারার জন্য গালিগালজ শুরু করে । এসময় তৌহিদুল কারন জানতে চাইলে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র দাড়ালো রামদা, দা, লোহার রড, লাঠি সোঠা নিয়ে ফুল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় । হামলা দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে তৌহিদুল, শহিদ মিয়া ও কাশেম মিয়া আহত হন। এসময় হামলাকারীরা তৌহিদুলের সাথে থাকা ব্যবসার নগদ ৩লাখ ৪০ হাজার টাকা ও একটি এন্ডোয়েট মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে জানান আহতরা। পরে তাদের সু-চিৎকারে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের অবস্থা আশংঙ্কা জনক হওয়ায় আহতদের তিন জনকেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এঘটনায় হামলাকরীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহত পরিবারের লোকজন। এই নিয়ে তৃতীয় বারের মতো তাদের উপর প্রাণ নাশের হামলা চালানো হয়েছে বলে ও জানান আহতদের পরিবার। এব্যাপারে তাহিরপুর থানান অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ##

  • নোয়াখালীর সেবারহাটে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত – ৩

    নোয়াখালীর সেবারহাটে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত – ৩

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগে ঐতিহ্যবাহী সেবারহাট বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা সংক্রান্ত দীর্ঘ মেয়াদী বিরোধের জেরে দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জন আহত এবং এক পক্ষ অপর পক্ষকে মারধরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।সংঘাত এড়াতে ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সেনবাগ থানা পুলিশ,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দগন।সরজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সেবারহাট খাদ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আবুল খায়ের ও তারই সহোদর সেবারহাট বানিজ্য বিতানের স্বত্বাধিকারী আবুল কালামের মধ্যে ওয়ারিশান সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিলো।বিগত সময়ে দফায় দফায় শালিস ও দু’পক্ষের দায়েরকৃত থানা- কোর্টে বেশকিছু মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বর্তমানে আরো ২ টি মামলা রায়ের অপেক্ষায় চলমান রয়েছে।
    তারই ফলশ্রুতিতে ৭ অক্টোবর শুক্রবার সকালে সেবারহাট খাদ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আবুল খায়ের ও সেবারহাট বানিজ্য বিতানের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম এবং তার পুত্র সৌরভসহ মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে পুনরায় বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।এসময় আবুল খায়ের, আবুল কালাম ও সাইফুল ইসলাম সৌরভ গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠে।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে সেবারহাট খাদ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আবুল খায়ের জানান,শালিসদারদের সিদ্ধান্তক্রমে আমি সেবারহাট বানিজ্য বিতানের অর্ধেক সম্পত্তির মালিকানা প্রাপ্ত হই।আজ সকালে আমি আমার উক্ত মালিকানাধীন
    দোকানে সাইনবোর্ড লাগানো ও দোকান খুলতে গেলে,আমার প্রতিপক্ষ আবুল কালামের পুত্র বানিজ্য বিতানের পরিচালক সাইফুল ইসলাম সৌরভ ও তার ৫-৭ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী আমার কাজে বাধা সৃষ্টি করে এবং আমার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে- আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেদড়ক মারধর করে।পরে স্থানীয় জনতা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে। এসময় সৌরভ আমার নিকট ৭০ ( সত্তর) লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। সৌরভ বলে আমি দোকানে প্রবেশ করতে হলে তাকে ৭০ লক্ষ টাকা দিয়ে তার পরে প্রবেশ করতে হবে।

    অপরদিকে সেবারহাট বানিজ্য বিতানের পরিচালক সাইফুল ইসলাম সৌরভ গণমাধ্যমকে জানান,আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।সর্বশেষ শালিসি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেবারহাট বানিজ্য বিতানের পশ্চিমের অর্ধেকাংশ সম্পত্তির মালিক হন আমার চাচা খাদ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আবুল খায়ের। পাশাপাশি উক্ত দোকানের পিছনের দিকে গোডাউনসহ ৫ শতাংশ সম্পত্তির মালিক হই আমরা। শালিসের রায় হলো তিনি আমাদের পিছনের ৫ শতাংশ সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে তারপর দোকানের ভিতরের অংশের অর্ধেক সম্পত্তির দখলে যাবেন।কিন্তু তিনি তা না করে আজ সকালে হঠাৎ করে তার বহিরাগত লোকজন নিয়ে আমাদের অনুপস্থিতিতে অদ্যবধি পর্যন্ত আমার দখলে থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাইনবোর্ড
    ঝুলানো,দোকানের তালা ভেঙে উনাদের তালা লাগানো, আমি ও আমার বাবাকে উপর্যুপরি মারধর সহ স্বপরিবারে হত্য করার হুমকি প্রদর্শন করে।উনি দোকানের অর্ধেক সম্পত্তির দখলে আসতে হলে আমাদেরকে পিছনের ৫ শতাংশ সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে তারপর দখলে আসতে হবে।এদিকে বাজারের থমথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও পুনঃ সহিংসতা এড়াতে উভয় পক্ষকে তাদের নিজ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিরোধকৃত দোকান পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সেনবাগ থানা পুলিশ।

  • গোদাগাড়ীর চিহ্নিত সেই শীর্ষ কিশোর গ্যাং লিডার অপহৃত ছাত্রীসহ গ্রেপ্তার

    গোদাগাড়ীর চিহ্নিত সেই শীর্ষ কিশোর গ্যাং লিডার অপহৃত ছাত্রীসহ গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ীর শীর্ষ সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং লিডার, মাদক ব্যবসায়ী ও স্কুলছাত্রী। অপহরণকারী মেহেদী পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫।

    বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার লস্করহাটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে ও অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

    সন্ত্রাসী মেহেদী পলাশ উপজেলার লস্করহাটি গ্রামের আনসার আলীর ছেলে।

    র‌্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপিতে জানায়, কিশোর গ্যাং লিডার মেহেদী পলাশ অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পাশ্ববর্তী হওয়ার সুবাদে তাকে প্রাইভেটে যাতায়াতকালে প্রেম নিবেদন ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। ওই ছাত্রী তাতে রাজী না হলে তার পিতা তার সাথে কথা বলতে নিষেধ করেন।

    এতে গত ৪ অক্টোবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে প্রতিনিদের মতই মহিশালবাড়ী পুরাতন জেনারেল হাসপাতালের সামনে থেকে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ী ফেরার পথে শাহ্ সুলতান রহ: মাদ্রাসার সামনে পৌছলে, বিকেল ৫ টার দিকে পরিকল্পিত ভাবে মেহেদী পলাশসহ আরো অজ্ঞাত কয়েকজনের সহযোগিতায় স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক সিএনজিতে করে তুলে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। তারা ওই ছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছিলো।

    এর আগে ওই কিশোর গ্যাং নেতার বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রকে তুলে নিয়ে গিয়ে ইটভাঁটায় জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। অপহৃত স্কুলছাত্রী আগে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার ঐ ছাত্রের চাচাতো বোন।

    ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের হয়। এরই প্রেক্ষিতে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যায় র‌্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোদাগাড়ীর লস্করহাটি এলাকায় র‌্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপারেশন পরিচালনা করে সন্ত্রাসী মেহেদী পালাশকে গ্রেপ্তার করতে ও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

    এই ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • লালমোহনে জমি বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীও পুরুষসহ আহত-৪

    লালমোহনে জমি বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীও পুরুষসহ আহত-৪

    ছাইফূল ইসলাম জিহাদ।
    ভোলা প্রতিনিধিঃ

    ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কচুয়াখালী গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীও পুরুষসহ ৪ জন গুরুতর আহত করাছে।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার সময় এ ঘটনা ঘটে।
    এ ঘটনায় মঞ্জু ব্যাপারী বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামী করে লালমোহন থানায় এফআইআর নং ২৬, জিআর ২২১, তারিখ ২৯/৯/২০২২ দায়ের করলে পুলিশ আসামী জসিম, বজলু ও মোখলেছকে গ্রেফতার করে ভোলা কোর্টে প্রেরণ করেন।

    মামলা সূত্রে জানাযায়, উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড নূরে আলম ও মফিজুল ইসলাম তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে। ওই সম্পত্তি নিয়ে তাদের চাচাতো ভাই মাসুদ ও মোখলেছ গংদের সাথে বিরোধ সৃ্ষ্টি হলে আদালত উভয় পক্ষকে উক্ত বিরোধীয় জমিতে না যাওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
    ঘটনারদিন ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মফিজুল হক বাড়ী থেকে বেড় হলে পথরোধ করে প্রতিপক্ষ মাসুদ, মোখলেছ, জসিম, বজলু, নয়নসহ ১৪/১৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো দা, ছেনি ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মফিজুল হককে মারপিট করে। ক্যাডারদের অতর্কিত হামলার শিকার মফিজুল হকের ডাকচিৎকারে তাকে বাঁচাতে আসলে তার ভাই নূরে আলম কালু, মোঃ বেল্লাল ও পারুল বিবিকে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখমসহ গুরুতর আহত করেন। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এসময় সন্ত্রাসীরা নূরে আলম গংদের বসত ঘর ভাংচুর, মুরগীর খামার ভাংচুর, মহিলাদের স্বার্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। নূরে আলম কালু জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী ৩জনকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও জসিম ও বজলু জামিনে এসে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এ ঘটনার সু্স্থ বিচার দাবী করছেন, সন্ত্রাসী হামলার শিকার নূরে আলম কালু, মফিজুল হক, মোঃ বেল্লার ও পারুল বিবি।

  • আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই বালু ব্যবসায়ীকে কারাদন্ড প্রদান

    আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই বালু ব্যবসায়ীকে কারাদন্ড প্রদান

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুই বালু ব্যবসায়িকে কারাদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে আবাদী জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন সুজন সরদার ও মনির সরদার নামে দুই বালু ব্যবসায়ী। এঘটনায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন আদালত অভিযান চালিয়ে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে উত্তর শিহিপাশা গ্রামের সুলতান সরদারের ছেলে সুজন সরদার (২৫) এবং কালুপাড়া গ্রামের মজিবর সরদারের ছেলে মনির সরদার (২৪)কে ‘‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ২০১০ এর ১৫ ধারায় ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্তদের শুক্রবার সকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সাবেক তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপির নেতৃত্বে জাসদের ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    সাবেক তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপির নেতৃত্বে জাসদের ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।৭ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১১টা হতে ঢাকা বিভাগীয় জাসদের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাবেক তথ্য মন্ত্রী ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাপতি ১৪ দলের রূপকার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা হাসানুল হক ইনু এমপি,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারীনেত্রী শিরিন আখতার এমপি,আরো বক্তব্য রাখেন জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ডঃপ্রফেসর মোঃ আনোয়ার হোসেন,জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সুবর্ন জয়ন্তী উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেন,স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নারী জোটের আহবায়ক আফরোজা হক রীনা,কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি নূরুল আক্তার,স্থায়ী কমিটির সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান মুক্তাদীর,স্থায়ী কমিটির সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নইমুল আহসান জুয়েল,স্থায়ী কমিটির সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু,জাসদের সহ সভাপতি মোহর আলী চৌধুরী,জাসদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সাবেক এমপি আঃ মতিন মিয়া,উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও গাজীপুর জেলা জাসদের সভাপতি এড,আব্দুর রফিক,আইন বিষয়ক সম্পাদক এড মোঃসেলিম,জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন,মানিকগঞ্জ জেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম ও বিভিন্ন জেলা উপজেলা নেতৃবৃন্দ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    উক্ত সভা সঞ্চালনা করেন জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীয়তপুর জেলা জাসদের সভাপতি স,ম,আব্দুল মালেক।

  • ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দাখিল করেন মোঃ বোরহান উদ্দিন

    ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দাখিল করেন মোঃ বোরহান উদ্দিন

    মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি:
    ক্ষেতলাল উপজেলায় আগামী ২ নভেম্বর ২০২২ ইং তফসিল ঘোষিত ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী জনাব মোঃ বোরহান উদ্দিন নৌকা মার্কা প্রতীকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাচন অফিসে।
    সঙ্গে ছিলেন – ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার নাদিম, ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ক্ষেতলাল পৌরসভার মেয়র জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরদার , মামুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মশিউর রহমান সামিম,বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন, ক্ষেতলাল পৌর সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মোঃ দুলাল মিয়া , কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও এম ইসরাত হিমাগারের সন্মানিত ম্যানেজার জনাব মোঃ রায়হান আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন, ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মী বৃন্দ ।